Kishoreganj - কিশোরগঞ্জ

Kishoreganj - কিশোরগঞ্জ Kishoreganj, Dhaka, Bangladesh

কিশোরগঞ্জ জেলা (ঢাকা বিভাগ) আয়তন ২৬৮৮.৬২ বর্গ কিঃমি। উত্তরে নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ জেলা, দক্ষিন পশ্চিমে নরসিংদী জেলা, দক্ষিন পুর্বে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা, পুর্বে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে গাজীপুর জেলা। কিশোরগঞ্জ জেলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র মেঘনাসহ বিভিন্ন ছোট-বড় অসংখ্য নদ-নদীর পলল বিধৌত বেঁলে দো-আঁশ বা এটেল মাটি দিয়ে গঠিত। ফলে ভূমি খুবই ঊর্বর।

প্রধান নদনদী:

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র , মেঘনা, কালন

ী, ঘোড়াউতরা, নরসুন্ধা, ধনু ও পিয়াইন। হুমাইপুর হাওর (বাজিতপুর), সোমাই হাওর (অষ্ট্রগ্রাম), বাড়ির হাওর (মিটামইন),তল্লার হাওর (নিকলী-বাজিতপুর-অষ্ট্রগ্রাম), সুরমা বাউলা হাওর (নিকলী) উল্লেখযোগ্য। বার্ষিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.১ ডিগ্রি সেঃ এবং সর্বনিম্ন ১০.৬ ডিগ্রি সেঃ । বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২২৩২ মিঃমি।

কিশোরগঞ্জ শহরঃ

কিশোরগঞ্জ শহর কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সৃষ্টি ১৮৬৯ সালে । ওয়ার্ড ৯, মহল্লা ৫৬, মহল্লা ৩। আয়তন ১৯.৫৭ বর্গ কিঃমি। জনসংখ্যা ৭৭১৬৫; পুরুষ ৫২.৫১%, মহিলা ৪৭.৪৯%। জনসংখ্যা ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিঃমি ৩৯৪৩ জন। শিক্ষার হার ৫৯%।

প্রশাসনঃ

প্রসাশাসন ১৮৬০ সালে বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৮৪ সালে মহাকুমাটি কিশোরগঞ্জ জেলায় রুপান্তরিত হয়। পৌরসভা ৪, উপজেলা ১৩, ইউনিয়ন ১০৫, মৌজা ৯৪৬, গ্রাম ১৭৭৫। উপজেলা সমুহ: অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর, মিটামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল। পৌরসভাসমূহ: কিশোরগঞ্জ সদর, বাজিতপুর, ভৈরব, কুলিয়ারচর।

কিশোরগঞ্জের উপরদিয়ে প্রবাহিত উল্লেখযোগ্য নদীগুলোঃ
ব্রহ্মপুত্র, ধনু, নরসুন্দা, মেঘনা, সিংগুয়া, সুতী, আড়িয়াল খাঁ, ধলেশ্বরী, ঘোড়াউতরা, সোয়াইজানী।

জেলার নদী বন্দরঃ ২টি, ভৈরব ও চামটা ঘাট।

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদঃ

জংগলবাড়ি দুর্গ (পঞ্চদশ শতক), এগার সিন্দুর দুর্গ (পঞ্চদশ শতক) সাদী মসজিদ (১৬৫২), সালংকা জামে মসজিদ (পাকুন্দিয়া), গুড়ই মসজিদ, বাজিতপুর (১৬৮০), কুতুবশাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম (১৫৩৮), জাওয়ার সাহেব বাড়ি মসজিদ, তাড়াইল (১৫৩৪), বাদশাহী মসজিদ, ইটনা (সপ্তদশ শতক), ভাগলপুর দেওয়ানবাড়ি মসজিদ, বাজিতপুর (অষ্টদশ শতক); সেকান্দারনগর মসজিদ, তাড়াইল ( অষ্টদশ শতক), কুড়িখাই, কটিয়াদি (১০০৫ হি.), চন্দ্রাবতী শিব মন্দির (ষোড়শ শতক), মঠখোলা কালীমন্দির, পাকুন্দিয়া (সপ্তদশ শতক), অধিকারীর মঠ, এগারসিন্দুর (ষোড়শ শতক), দিল্লীর আখড়া, মিটামইন (সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে নির্মিত)।

প্রাপ্ত শিলালিপি:

ঘাগড়া গ্রামে প্রাপ্ত আরবী শিলালিপি (সুলতান নাসিরউদ্দিন প্রথম মাহমুদ শাহর আমলে নির্মিত); নটরাজ শিবমুর্তি (চতুর্দশ শতক, নিকলীর শহর প্রাপ্ত), নন্দকিশোর প্রামাণিক দেয়া কৃষ্ণদাসের দলিল (১৭৫৯, কিশোরগঞ্জ)।

ঐতিহাসিক ঘটনাবলীঃ

প্রাচীনকালে কিশোরগঞ্জ কামরুপ রাজ্যের অন্তভুক্ত ছিল বলে ধারণা করা হয়। এরপর অঞ্চল অথবা কিয়দংশ একাদশ ও দ্বাদশ শতকে পাল, বর্মণ ও সেন রাজাদের শাসনাধীনে থাকার পর কোচ, হাজং, গারো, রাজবংশী প্রভৃতি আদিম সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে এ অঞ্চলে জংগলবাড়িসহ কতিপয় স্বাধীন ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন হয়। ১৪৯১ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজশাহের আমলে ময়মনসিংহ অঞ্চলে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও কিশোরগঞ্জ এর বাইরেই থেকে যায়। তবে মুঘল সম্রাট আকবরের সময় কিশোরগঞ্জের অধিকাংশ অঞ্চল মুসলিম শাসনের অন্তভূক্ত হলেও জংলবাড়ি ও এগারসিন্দুর কিছু এলাকা কোচ, অহম রাজাদের শাসনাধীনে থাকে। ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দে মুগল বাহিনীর হাতে এগারসিন্দুরের অহম রাজার পরাজয় এবং ১৫৮০ খ্রিষ্টাব্দে ঈসা খানের হাতে জংগলবাড়ির কোচ প্রধানের পরাজয় হয় এবং কিশোরগঞ্জের ব্যপক অঞ্চলে ঈসা খানের একছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। কিশোরগঞ্জের ইতিহাসে সর্বালোচিত ও তাৎপর্যপুর্ন ঘটনা হচ্ছে, এগারসিন্দুর নামক স্থানে বারভূঁইয়া প্রধান ঈসা খানের নিকট মুগল সেনাপতি মানসিংহের যুদ্ধ ও পরাজয়ের কাহিনী। ১৫৯৯ খ্রিষ্টাব্দে দেওয়ান ঈসা খানের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র মুসা খাঁনের কিশোরগঞ্জ বিস্তির্ণ অঞ্চল স্বীয় শাসনাধীনে রাখলেও পরবর্তীকালে পরিপুর্নভাবে মুগল অধিকারে চলে আসে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নঃ

কড়ইতলা (বর্তমান শহীদনগর)স্মৃতিসৌধ, শহীদ খায়রূল জাহান বীর প্রতীক স্মরণে নির্মিতব্য স্মৃতিফলক, প্যারাভাঙ্ঘা।

ধর্মীয় প্রতিস্ঠানঃ মসজিদ ১০৩৫, মন্দির ১৩৮।

জনসংখ্যাঃ ২৫২৫২২১; পুরুষ ৫০.২৯%, মহিলা ৪৯.৭১%; মুসলিম ৯২.১০%, হিন্দু ৭.২০%,অন্যান্য ০.৭%।মোট জনসংখ্যার ০.২৩% আদিবাসী বা নিম্নবর্গীয় তফসিলি জনগোষ্ঠী।

স্বাক্ষরতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানঃ

গড় স্বাক্ষরতা ২১.৯৪%; পুরুষ ২৬.৯৪%, মহিলা ১৬.৪%।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানঃ

সরকারি মেডিকেল কলেজ ১টি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ২টি,নার্সিং কলেজ ১টি, বিশ্ববিদ্যালয় (প্রক্রিয়াধীন) ১টি,কলেজ ২৫টি,সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ১টি, কলেজিয়েট হাই স্কুল ৪টি,মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০১টি,মাদ্রাসা ১২০টি, কারিগরী প্রশিক্ষন কেন্দ্র ২টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮০৮টি,বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১,১৩৭, কিন্ডারগার্টেন ১৬টি।সুখ্যাত প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮১), হাফেজ আবদুর রাজ্জাক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বাজিতপুর (১৮৯০), জংগলবাড়ি হাই স্কুল (১৮৬২), মংগলবাড়িয়া মাদ্রাসা (১৮৭২), হোসেনপুর হাই স্কুল (১৮৯০), আগরপুর গোকুলচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, কুলিয়ারচর (১৯০৭), কোদালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া (১৯১০), আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউট (১৯২০), বনগ্রাম বিদ্যালয় (১৯১২), আজিমউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৬)।

আঞ্চলিকভাবে প্রকাশিত সংবাদপত্র ও সাময়িকীঃ

দৈনিক আজকের দেশ, গৃহকোণ, ভাটির দর্পণ, প্রাত্যহিক চিত্র । অবলুপ্ত: সাপ্তহিক: আর্য্যগৌরব (আনু: ১৯০৪), কিশোরগঞ্জ বার্তাবহ (১৯২৪), ‘আখতার’ উর্দু পত্রিকা (১৯২৬), কিশোরগঞ্জ বার্তা (১৯৪৬), প্রতিভা (১৯৫২), নতুন পত্র (১৯৬২), পাক্ষিক নরসুন্দা(১৯৮১), গ্রামবাংলা (১৯৮৫), সৃষ্টি (১৯৮৬), সকাল (১৯৮৮), সূচনা (১৯৯০), কিশোরগঞ্জ পরিক্রমা (১৯৯১), মনিহার (১৯৯১), কিশোরগঞ্জ প্রবাহ (১৯৯৩), ‘বিবরনী’ কুলিয়ারচর স্মারক সংখ্যা (১৯৯৩)।

জনগোষ্ঠির প্রধান পেশাসমূহঃ

কৃষি ৪৫.৪৮%,মাছ ধরা ১.৮৭%, কৃষি মজদুরি ২১.০২%, দিনমজুর ৩.২৯%, ব্যবসায় ১১.২%, যানবাহন ২.০৬%, চাকুরী ৪.৪৭%, অন্যান্য ১০.৬১%

জমির ব্যবহারঃ

মোট চাষ উপযোগী জমির পরিমান ১৮৭৯৭৫.৩১ হেক্টর,খাস জমি ১৯৫১৭.৬৭ হেক্টর। এক-ফসলী ৪৬.৭৪%, দ্বি-ফসলী ৩৯.৪৪%, ত্রিফসলী ১৩.৮২%; সেঁচের আওতাভুক্ত জমি ৫৯.০৬ হেক্টর।

কৃষকের মাঝে জমির নিয়ন্ত্রন ১৬.১৯% ভূমিহীন,১৩.৩৫% প্রান্তিক চাষী,২৯.৪২%ছোট, ১৮.৯৪% মাঝারী,২২.১০% বড় চাষী।

জমির মূল্যঃ প্রথম মানের ০.০১ হেক্টর জমির মূল্য প্রায় ১০০০০টাকা। প্রধান শস্য ধান,পাট,গম,আলু,মিষ্টী আলু,ডাল, বাদাম, ভুট্টা, আঁখ, সরিষা, মটরঁশুটি, শাকসব্জি। বিলুপ্ত বা প্রায় বিলুপ্ত শস্য তিল,তিসি,চিনা,কাউন,কালি বোরো ধান, জংলি ধান,পান। প্রধান ফল আম, কাঁঠাল, কলা, বেল, লেবু, লটকন, তেঁতুল, চালতা, জলপাই, কামরাঙা, লিচু, জাম্বুরা, আমলকি, হরতকি, আঁতা।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ পাঁকা রাস্তা ২৮০কিমি, আধাপাঁকা রাস্তা ২১০ কিমি, কাঁচা রাস্তা ৫০৪৩।৫০কিমি, রেলওয়ে ৫৭কিমি,রেলস্টেশন ১২টি, ফেরিঘাট (আন্তঃজেলা) ৮টি; জলপথ ৬০কিমি।

ঐতিহ্যবাহী যানবাহন পাল্কি,মহিষের গাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি, গরুর গাড়ি, পানসি নৌকা, সরাংগা নৌকা। এই যানবাহনগুলো বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায়।

শিল্পকারখানাঃ

কালিয়া চাপড়া চিনিকল (অকেজো); কিশোরগঞ্জ চিনিকল (অকেজো); যশোদল টেক্সটাইল মিলস, জেমিনি টেক্সটাইল মিলস্ (প্রা.) লি, বাদাম তৈল মিলস্ (অকেজো), আফতাব ফিড মিলস (প্রা.) লি, (রামদী-আগরপুর)।

কুটির শিল্পঃ

পনির, বাঁশ-বেতের সামগ্রী, লৌহ নির্মিত দ্রব্যাদি, কাঠের তৈরী জিনিস, মিষ্টিদ্রব্য, মসলিন, ঝিনুকের মুক্তা, কাগজ মিল, হাতির দাঁতের তৈরি দ্রব্য, শীতলপাটি, শাঁখা ও দারুশিল্প উল্লেখযোগ্য।

হাট, বাজার,মেলাঃ

মোট হাট বাজার ১৪৯টি, তার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হোসেনপুর,পুমদী,সরারচর, হিলচিয়া, করিমগঞ্জ,ইটনা,অষ্টগ্রাম,কুলিয়ারচর,আগরপুর,তারাইল, কালিয়াচাপড় উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখযোগ্য মেলা: কুড়িখাই মেলা (কটিয়াদি); ঝুলন মেলা (বত্রিশ); কাইমার বাউলী মেলা (বাজিতপুর); কামালপুর মেলা (সরারচর); অষ্ট্বমী মেলা (হোসেনপুর, মঠখলা, তাড়াইল, ডুমরাকান্ধা); মহররমের মেলা (অষ্টগ্রাম), পোড়াবাড়িয়া মেলা (পাকুন্দিয়া); কান্দুলিয়ার মেলা (কুলিয়ারচর), নিকলী মেলা (নিকলী); গুড়ই মেলা (নিকলী); ভাগলপুর মেলা (বাজিতপুর)।

প্রধান রপ্তানীজাত পণ্য ধান, পাট, ডিম, দুধ, কলা, মুরগী, সব্জি, লিচু, সরিষা, বাদাম।

এন.জি.ও কার্যক্রমঃ কার্যত গরুত্বপূর্ন এন.জি.ও গুলো হচ্ছে ব্র্যাক, প্রশিকা, আশা, কেয়ার, পপি, ওআরএ, এসাপ, গ্লোবাল ভিলেজ ও গ্রামীণ ব্যাংক।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১টি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র হাসপাতাল ৬টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ১৩টি, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ১৭ টি, টিবি ক্লিনিক ১টি, মাতৃমংগল কেন্দ্র ৩টি, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৬১টি।

দেখেন মানুষ কিভাবে গুজব ছড়ায়??
21/11/2025

দেখেন মানুষ কিভাবে গুজব ছড়ায়??

💬 কিশোরগঞ্জ ঢাকায় থাকবে 💠 এটা আবেগ নয়, যুক্তি!কিশোরগঞ্জকে ময়মনসিংহ বিভাগে নেওয়ার প্রস্তাব প্রশাসনিকভাবে যেমন অযৌক্তিক, ত...
13/10/2025

💬 কিশোরগঞ্জ ঢাকায় থাকবে 💠 এটা আবেগ নয়, যুক্তি!

কিশোরগঞ্জকে ময়মনসিংহ বিভাগে নেওয়ার প্রস্তাব প্রশাসনিকভাবে যেমন অযৌক্তিক, তেমনি বাস্তবতার সঙ্গেও বেমানান।

🔹 আমাদের ইতিহাস, প্রশাসন আর অর্থনীতি সবই ঢাকাকেন্দ্রিক।
🔹 ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক, রেল, বাণিজ্য ময়মনসিংহের সঙ্গে তেমন সংযোগই নেই।
🔹 শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সবকিছুর কেন্দ্র ঢাকা।
🔹 আমাদের সংস্কৃতি, ভাষা, পরিচয় ঢাকার সঙ্গেই মিশে আছে।

👉 কিশোরগঞ্জ ঢাকার সঙ্গে থেকে যেমন এগিয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমনই এগোবে।
📣 আমরা ঢাকা বিভাগেরই সন্তান এবং ঢাকাতেই থাকতে চাই!

Kishoreganj - কিশোরগঞ্জ

আলহামদুলিল্লাহ, চুম্মা আলহামদুলিল্লাহ!কিশোরগঞ্জের গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ পাগলা মসজিদ নতুন রূপে সাজতে যাচ্ছে এক অনন্য স্থাপত...
10/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ, চুম্মা আলহামদুলিল্লাহ!
কিশোরগঞ্জের গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ পাগলা মসজিদ নতুন রূপে সাজতে যাচ্ছে এক অনন্য স্থাপত্যকীর্তি হিসেবে, যা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সুন্দর ইসলামী স্থাপত্যে পরিণত হবে, ইনশা’আল্লাহ।

জেলা প্রশাসকের ঘোষণায় জানা গেছে, এ স্বপ্নের প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গত ৮ মার্চ জেলা প্রশাসনের এক সভায়। আধুনিক নকশা ও মনোমুগ্ধকর স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মসজিদে একসঙ্গে ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। এটি শুধু একটি মসজিদ নয়..এটি হবে ইবাদত, ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের এক চিরন্তন দৃষ্টান্ত।

#কিশোরগঞ্জ #পাগলামসজিদ #ইসলামীস্থাপত্য

Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
29/01/2025

Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

 #পাগলা_মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ৮ কোটি ২১ লাখ টাকা।কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৩ মাস ১৩ দি...
30/11/2024

#পাগলা_মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ৮ কোটি ২১ লাখ টাকা।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৩ মাস ১৩ দিনে পাওয়া গেছে রেকর্ড ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা। এছাড়াও রয়েছে স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা। দানের এসব অর্থ মসজিদের স্থানে আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লেক্স বানানোসহ দরিদ্র-অসহায় রোগীদের চিকিৎসার কাজে ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মসজিদের লোহার দানসিন্ধুক যেন টাকার খনি। খুলতেই দেখা যায় শুধু টাকা আর টাকা। এসব টাকা বস্তায় ভরে নেওয়া হয় ওই মসজিদের দোতলায়। পরে মসজিদের মেঝেতে বসে টাকা গুনেন প্রায় দেড় শ মাদ্রাসা ছাত্র-শিক্ষকসহ ৭০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা। তিন থেকে চারমাস পরপরই এমন দৃশ্যের দেখা মিলে কিশোরগঞ্জের এই পাগলা মসজিদে। এবার ৩ মাস ১৩ দিন পর শনিবার সকালে মসজিদের ১০টি দানবাক্স খুলে বের করা হয় ২৯ বস্তা টাকা। এছাড়াও রয়েছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, রূপা ও স্বর্ণালঙ্কার।

এর আগে, চলতি বছরের ১৭ আগস্ট এই মসজিদের দানবাক্সে ৪ মাস ১০ দিনে পাওয়া গিয়েছিল ২৮ বস্তা টাকা। দিন শেষে গণনা করে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, রূপা ও স্বর্ণালঙ্কার।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা কয়েকজন দানকারীর দাবি, এই মসজিদে সঠিক নিয়তে মানত করলে রোগ-বালাই দূর হওয়াসহ বিভিন্ন মনোবাসনা পূর্ণ হয়।

এমন বিশ্বাস থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সকল ধর্মের মানুষ প্রতিনিয়ত মানতের নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, বৈদেশিক মুদ্রা, গরু, ছাগল, হাস, মুরগিসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন।

দানবাক্সের নগদ টাকা ছাড়াও প্রতিদিন পাওয়া গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন সামগ্রী প্রতিদিনই বিক্রি করে টাকা রূপালী ব্যাংকে রাখা হয় বলে জানায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এই পাগলা মসজিদের আয় দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্স নির্মাণ করার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান মসজিদের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান।

জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় আড়াই শ বছর আগে পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদ এলাকা জেলা শহরের হারুয়ায় থামেন। তাকে ঘিরে সেখানে অনেক ভক্তকুল সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে এই মসজিদটি গড়ে ওঠে। পরে কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে।

30/11/2024
এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ২৮ বস্তা টাকা, চলছে গণনা।কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খুলে এবার...
17/08/2024

এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ২৮ বস্তা টাকা, চলছে গণনা।

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ২৮ বস্তা টাকা। ৩ মাস ২৬ দিন পর আজ শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় এ দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এখন পাগলা মসজিদের দানবাক্সের টাকা গণনা চলছে।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, ৩ মাস ২৬ দিন পর শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। এবার দিন বেশি হওয়ায় একটি ট্রাংক দেয়া হয়েছে। পরে মসজিদের দোতালায় এনে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়েছে।

জনশ্রুতি আছে, কোনো এক সময় একজন আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা চ‌রে। ওই পাগল সাধকের মৃত‌্যুর পর এখা‌নে নি‌র্মিত মস‌জিদ‌টি পাগলা মসজিদ হিসেবে প‌রি‌চি‌তি পায়। পাগলা মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারনা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসংখ‌্য মানুষ এ মসজিদে দান করে থাকেন। বি‌শেষ ক‌রে প্রতি শুক্রবার এখা‌নে হাজার হাজার মানু‌ষের ঢল না‌মে।

এর আগে সর্বশেষ ২০ এপ্রিল পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা পাওয়া যায়, যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল। ২২০ জনের একটি দল দীর্ঘ সাড়ে ১৮ ঘণ্টায় এ টাকা গণনা কাজে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

02/08/2024

এ কেমন স্বাধীন দেশ??? যখন আপনার মন চাইবে তখনেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দিবেন। শুধু নিজের প্রয়োজনটাই দেখলেন? মানুষ কি চায় দেখেন না???

Address

Kishoreganj
2300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kishoreganj - কিশোরগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share