দ্বীনের-দাওয়াত-ToBlig

দ্বীনের-দাওয়াত-ToBlig Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দ্বীনের-দাওয়াত-ToBlig, Community Organization, চাঁদখালী, পাইকগাছা, খুলনা।, Khulna.

​إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র(গ্রহণযোগ্য) জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম।
ইসলাম কেবল একটি নাম নয়,বরং দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির একমাত্র পথ। আপনার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর নির্দেশনা খুঁজে নিতে আমাদের সাথেই থাকুন Flow

🕊️ সর্বশ্রেষ্ঠ দিনের সর্বশ্রেষ্ঠ আমল 🕊️​আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন—"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্...
14/08/2026

🕊️ সর্বশ্রেষ্ঠ দিনের সর্বশ্রেষ্ঠ আমল 🕊️
​আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন—
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠাও এবং তাঁকে যথারীতি সালাম জানাও।" (সূরা আল-আহজাব: ৫৬)
​আজ পবিত্র জুম্মাবার 🤍। সপ্তাহের এই শ্রেষ্ঠ দিনে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা সুন্নাত এবং অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল।
​রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—
"যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠায়, আল্লাহ তার ওপর দশটি রহমত বর্ষণ করেন।" (সহিহ মুসলিম)
​💬 আজকের ছোট্ট একটি আমল:
আসুন, কমেন্ট বক্সে বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করে আমাদের আমলনামাকে ভারী করি এবং অন্য ভাই-বোনদেরও দ্বীনের এই দাওয়াতে শরিক হওয়ার সুযোগ করে দিই।
​👇 কমেন্টে পড়ুন ও লিখুন:
​"اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ"
​🔄 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন, যাতে অন্যরাও পড়ার সুযোগ পায় এবং আপনার আমলের সওয়াব জারী থাকে। জুম্মা মোবারক! ✨

"দ্বীন কায়েম করার পথে যখন বাধা আসে, তখন আমাদের ঈমান আরও মজবুত হয়। সত্যের পথে চলা কখনো সহজ নয়, তবে তা আমাদের জান্নাতের পথ...
12/08/2026

"দ্বীন কায়েম করার পথে যখন বাধা আসে, তখন আমাদের ঈমান আরও মজবুত হয়। সত্যের পথে চলা কখনো সহজ নয়, তবে তা আমাদের জান্নাতের পথে নিয়ে যায়। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন এবং দ্বীনের পথে অবিচল থাকার তাওফিক দিন। আমিন।
​ #ইসলাম #দ্বীন #ঈমান #সত্যেরপথ #আল্লাহুআকবার"

20/07/2026

সুবহানাল্লাহ (SubhanAllah):

​অর্থ: "আল্লাহ পবিত্র বা আল্লাহ সকল ত্রুটি থেকে মুক্ত।"

​কেন পড়বেন: কোনো চমৎকার দৃশ্য দেখলে বা আল্লাহর সৃষ্টির নিপুণতা দেখে অবাক হলে এটি পড়া হয়। এটি আল্লাহর মহিমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।🥰🥰

আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইসলামের ইতিহাসে এমন এক মহান সাহাবী, যাঁর জীবন ছিল আমানতদারিতা, বিনয়, ঈমান,...
14/05/2026

আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইসলামের ইতিহাসে এমন এক মহান সাহাবী, যাঁর জীবন ছিল আমানতদারিতা, বিনয়, ঈমান, সাহসিকতা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি নিখাদ আনুগত্যের এক উজ্জ্বল প্রতীক। তিনি ছিলেন ইসলামের প্রথম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব এবং সেই দশজন সাহাবীর একজন, যাঁদের দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল। ইসলামের ইতিহাসে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন “এই উম্মাহর আমিন” বা “এই জাতির বিশ্বস্ত ব্যক্তি” হিসেবে।

তাঁর পূর্ণ নাম ছিল আমির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাররাহ, তবে তিনি আবু উবাইদাহ নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি কুরাইশ বংশের ফিহর গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর চরিত্র শৈশব থেকেই ছিল মার্জিত, শান্ত, সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত। মক্কার সমাজে তিনি একজন সম্মানিত ও সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মানুষকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন, তখন আবু উবাইদাহ (রা.) প্রথমদিকেই ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন সেই অল্পসংখ্যক সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের একজন, যারা ইসলামের কঠিন প্রাথমিক সময়ে ঈমান গ্রহণ করেছিলেন।

তাঁর ইসলাম গ্রহণের পর কুরাইশদের পক্ষ থেকে কঠোর নির্যাতন শুরু হয়। কিন্তু তিনি সত্য থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। তিনি বুঝেছিলেন, এই দুনিয়ার কষ্ট সাময়িক, কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি চিরস্থায়ী।

মক্কার কঠিন সময়ে তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পাশে অবিচলভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

তিনি ছিলেন অত্যন্ত নম্র স্বভাবের, কম কথা বলতেন, কিন্তু কাজের মাধ্যমে নিজের ঈমান ও চরিত্র প্রকাশ করতেন।

বদর যুদ্ধ ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

এই যুদ্ধে তাঁকে এমন এক কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়, যা ইতিহাসে বিরল।

তাঁর নিজের পিতা মুশরিকদের পক্ষে যুদ্ধ করছিল এবং বারবার তাঁর সামনে এসে তাঁকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছিল।

আবু উবাইদাহ (রা.) প্রথমে তাঁকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এক পর্যায়ে যখন তাঁর পিতা ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে এবং তাঁকে হত্যা করতে উদ্যত হয়, তখন তিনি বাধ্য হয়ে মোকাবিলা করেন।

এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়, তাঁর কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য রক্তের সম্পর্কের চেয়েও ঊর্ধ্বে ছিল।

উহুদের যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতা ছিল অবিস্মরণীয়।

যুদ্ধের এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) আহত হন এবং তাঁর মুখমণ্ডলে বর্মের দুটি লোহার রিং ঢুকে যায়।

সাহাবীরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

আবু উবাইদাহ (রা.) এগিয়ে এসে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিজের দাঁত দিয়ে সেই লোহার রিং দুটি টেনে বের করেন, যাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) কষ্ট কম পান।

এই কাজ করতে গিয়ে তাঁর নিজের সামনের দাঁত ভেঙে যায়।

কিন্তু তিনি এতে কোনো দুঃখ অনুভব করেননি; বরং এটিকে তিনি সৌভাগ্য মনে করতেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কষ্ট কমাতে পেরেছেন।

এই ঘটনা তাঁর গভীর ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য নিদর্শন।

তিনি ইসলামের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই অসাধারণ সাহসিকতা দেখান।

তবে তাঁর প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব ছিল তাঁর আমানতদারিতা ও বিশ্বস্ততায়।

একবার নাজরানের খ্রিস্টান প্রতিনিধিদল রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বলল, “আপনি আমাদের সঙ্গে একজন বিশ্বস্ত মানুষ পাঠান।”

তখন নবী করিম (সা.) বললেন, “আমি তোমাদের সঙ্গে এমন একজনকে পাঠাব, যিনি সত্যিই অত্যন্ত বিশ্বস্ত।”

সাহাবীরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন, কাকে নির্বাচন করা হবে।

শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (সা.) আবু উবাইদাহ (রা.)-কে নির্বাচন করেন এবং বলেন, “প্রত্যেক জাতির একজন আমিন থাকে, আর এই উম্মাহর আমিন হলো আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ।”

এই ঘোষণা তাঁর মর্যাদাকে চিরস্থায়ী করে দেয়।

খিলাফতের যুগেও তাঁর গুরুত্ব অপরিসীম ছিল।

খলিফা আবু বকর আস-সিদ্দিক (রা.) তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করতেন।

সাকিফার বৈঠকে আবু বকর (রা.) এমনকি বলেছিলেন, মুসলমানরা চাইলে আবু উবাইদাহ (রা.)-কে খলিফা নির্বাচন করতে পারে।

এটি তাঁর যোগ্যতা ও মর্যাদার বড় প্রমাণ।

পরবর্তীতে খলিফা উমর ইবন আল-খাত্তাব (রা.)-ও তাঁকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন ও সম্মান করতেন।

উমর (রা.) একবার বলেছিলেন, “যদি আবু উবাইদাহ জীবিত থাকতেন, তাহলে আমি তাঁকেই খলিফা মনোনীত করতাম।”

সিরিয়া বিজয়ে তাঁর অবদান ছিল অসাধারণ।

তিনি মুসলিম বাহিনীর প্রধান সেনাপতিদের একজন ছিলেন এবং অসাধারণ নেতৃত্ব, ধৈর্য ও কৌশলের মাধ্যমে মুসলমানদের বিজয়ের পথে পরিচালিত করেন।

তাঁর অধীনে মুসলিম বাহিনী বহু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল বিজয় করে।

কিন্তু এত বড় বিজয়ের পরও তাঁর জীবনে অহংকারের কোনো ছাপ ছিল না।

তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।

একবার উমর (রা.) তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখলেন, সেখানে প্রায় কোনো আসবাবপত্র নেই—শুধু একটি চাদর, একটি পানির পাত্র এবং কিছু সাধারণ জিনিসপত্র।

উমর (রা.) আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

আবু উবাইদাহ (রা.) তখন বলেন, “আমাদের জন্য তো আখিরাতই যথেষ্ট।”

এই কথার মধ্যে তাঁর দুনিয়াবিমুখতা ও আখিরাতমুখী জীবনের প্রতিফলন দেখা যায়।

তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়ও অত্যন্ত শিক্ষণীয়।

শামের অঞ্চলে যখন ভয়াবহ প্লেগ মহামারী ছড়িয়ে পড়ে, তখন উমর (রা.) তাঁকে সেখান থেকে চলে আসতে বলেন।

কিন্তু তিনি মুসলিম সৈন্যদের ছেড়ে নিজে নিরাপদে চলে যেতে চাননি।

তিনি বলেছিলেন, “আমি আমার সৈন্যদের ছেড়ে পালাতে পারি না।”

অবশেষে সেই মহামারীতেই তিনি ইন্তেকাল করেন।

তাঁর মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ গভীর শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে।

আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ (রা.)-এর জীবন আমাদের শেখায়—প্রকৃত মর্যাদা ক্ষমতা বা সম্পদে নয়; বরং আমানতদারিতা, বিনয়, ঈমান ও আত্মত্যাগে।

তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, একজন মানুষ কিভাবে নীরবে, বিনয়ীভাবে এবং নিখাদ আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর পথে জীবন কাটাতে পারে।

তাঁর জীবন আমাদের আরও শেখায়, সত্যিকারের নেতৃত্ব মানে মানুষের ওপর কর্তৃত্ব নয়; বরং মানুষের জন্য দায়িত্ব, ত্যাগ ও আন্তরিকতা।

ইসলামের ইতিহাসে তাঁর নাম চিরকাল স্মরণীয় থাকবে সেই সাহাবী হিসেবে, যিনি ছিলেন এই উম্মাহর আমিন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বিশ্বস্ত সঙ্গী, ইসলামের বীর সেনাপতি এবং তাকওয়া ও বিনয়ের উজ্জ্বল প্রতীক।

আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ (রা.)-এর জীবন মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্ত শিক্ষা—যে হৃদয়ে আমানতদারিতা ও আল্লাহভীতি থাকে, সেই হৃদয়কে দুনিয়ার কোনো শক্তি পরাজিত করতে পারে না।

#ইসলামেরপথ #ইসলামেরকথা #ইসলামিক

এক ব্যক্তি গভীর রাতে সারারাত ইবাদত করার সংকল্প নিয়ে মসজিদে ঢুকলেন। রাত যখন গভীর হলো, হঠাৎ তিনি একটি খসখস শব্দ শুনতে পেলে...
11/05/2026

এক ব্যক্তি গভীর রাতে সারারাত ইবাদত করার সংকল্প নিয়ে মসজিদে ঢুকলেন। রাত যখন গভীর হলো, হঠাৎ তিনি একটি খসখস শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি ভাবলেন, নিশ্চয়ই কোনো বড় বুজুর্গ ইবাদত করতে এসেছেন।

”সেই আগন্তুক তাকে ইবাদত করতে দেখছে”এই ভেবে তিনি আরও সুন্দর করে রুকু-সিজদা দিতে লাগলেন। সারারাত তিনি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্রাম নিলেন না; বরং কান্নাকাটি আর তওবা করে এমন ভাব দেখালেন যেন তিনি কত বড় পরহেজগার! তার মূল লক্ষ্য ছিল সেই আগন্তুকের প্রশংসা পাওয়া।

সকাল হওয়ার পর তিনি যখন কৌতূহল নিয়ে সেই আগন্তুককে দেখতে গেলেন, তখন তার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। তিনি দেখলেন সেখানে কোনো বুজুর্গ নয়, বরং একটি কুকুর গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে! রাতের বেলা খসখস শব্দটা সেই কুকুরেরই ছিল।

ব্যক্তিটি লজ্জায় ও অনুশোচনায় ফেটে পড়লেন। তিনি নিজেকে ধিক্কার দিয়ে বললেন:

"হায়! আমি কত বড় ভণ্ড! সারারাত আমি একটি কুকুরের জন্য (মানুষ মনে করে) নিজেকে বিলিয়ে দিলাম, অথচ মহান আল্লাহর জন্য কখনো এমন একাগ্রতা নিয়ে দাঁড়াতে পারলাম না। আজ আল্লাহ আমাকে একটি কুকুরের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন যে, আমার ইবাদত কতটা অন্তঃসারশূন্য।"

ইবাদত হতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। যদি মনের কোণে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তবে সেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না।

লোকদেখানো ইবাদতকে হাদিসে 'ছোট শিরক' বলা হয়েছে। এটি দাজ্জালের ফাঁদের মতো, বাইরে থেকে পুণ্য মনে হলেও ভেতরটা থাকে সম্পূর্ণ ফাঁপা।

আমাদের প্রবৃত্তি ও শয়তান সবসময় আমাদের ভালো কাজের মাঝে অহংকার ঢুকিয়ে দিতে চায়। যে ব্যক্তি নিজের ইবাদত নিয়ে গর্ব করে, সে আসলে নিজের অজান্তেই শয়তানের পথে পা বাড়ায়।

হাশরের ময়দানে আমাদের আমলের পরিমাণের চেয়ে আমলের নিষ্ঠা বা নিয়ত বেশি দেখা হবে। লোকদেখানো সত্তর বছরের ইবাদতের চেয়ে আল্লাহর ভয়ে একান্ত মনে এক মুহূর্তের অশ্রু বিসর্জন অনেক বেশি মূল্যবান।
Tori Kul 🥀
সূত্র: এলাহী নামা, আল্লামা ফরিদুদ্দীন আত্তার (রহ.)
​ #ইসলামিক_গল্প
​ #বড়দের_গল্প
​ #শিক্ষা
​ #জীবনবোধ

একবার শেখ সা'দী (রহ.) কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সাথে বড় একটি নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। হঠাৎ তাদের নৌকার পেছনে থাকা একটি ছোট নৌক...
11/05/2026

একবার শেখ সা'দী (রহ.) কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সাথে বড় একটি নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। হঠাৎ তাদের নৌকার পেছনে থাকা একটি ছোট নৌকা ডুবে গেল এবং দুই ভাই মাঝ সাগরে হাবুডুবু খেতে লাগল।

নৌকায় থাকা এক দয়ালু ব্যক্তি মাঝিকে বললেন, "তুমি যদি ওই দুই ভাইকে উদ্ধার করতে পারো, তবে তোমাকে ১০০ স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার দেব।" পুরস্কারের লোভে মাঝি পানিতে ঝাঁপ দিল, কিন্তু সে কেবল এক ভাইকে বাঁচাতে পারল; অন্য ভাইটি চোখের সামনেই ডুবে মারা গেল।

সবাই যখন ভাবছিলেন, যার হায়াত ছিল সে বেঁচেছে, তখন মাঝি একটি গোপন সত্য ফাঁস করলেন। তিনি বললেন:

"তাকদির তো অবশ্যই সত্য, তবে আমার মনেও একটি বিশেষ ইচ্ছা কাজ করছিল। যে ভাইটিকে আমি বাঁচিয়েছি, সে একসময় আমার বিপদে অনেক উপকার করেছিল। তাই তাকে বাঁচানোর জন্য আমার জানপ্রাণ লড়িয়ে দিয়েছিলাম।

আর যে ভাইটি মারা গেল, সে ছোটবেলায় আমাকে বিনা কারণে অনেক কষ্ট দিয়েছিল। তাই তার প্রতি আমার মনে কোনো সহানুভূতি ছিল না।"

এই কথা শুনে শেখ সা'দী (রহ.) পবিত্র কুরআনের সেই আয়াতটি স্মরণ করলেন যেখানে বলা হয়েছে,

‘যে ভালো কাজ করে সে নিজের কল্যাণের জন্যই করে, আর যে মন্দ কাজ করে তার প্রতিফল সে নিজেই ভোগ করে।’ (সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৪৬)

আপনি আজ কারো সাথে যে ব্যবহার করবেন, কাল আপনার বিপদের সময় ঠিক তেমন ব্যবহারই ফিরে পাবেন। পৃথিবীটা একটা প্রতিধ্বনির মতো।

কারো মনে কষ্ট দিলে বা কাউকে ছোট করলে, সেই আঘাতের রেশ থেকে যায়। বিপদকালে হয়তো সেই মানুষটিই আপনার একমাত্র সম্বল হতে পারত, কিন্তু আপনার আগের ব্যবহার তাকে দূরে সরিয়ে দেয়।

কারো পথে কাঁটা বিছিয়ে নিজের পথ মসৃণ করা যায় না। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ান, তবেই নিজের বিপদের সময় অদৃশ্য সাহায্যের হাত খুঁজে পাবেন।

Tori Kul
সূত্র: গুলিস্তাঁ, আল্লামা শেখ সা'দী (রহ.)
​ #শেখ_সাদী
​ #গল্প
​ #অনুপ্রেরণা
​ #ইসলামিক_গল্প
​ #জীবনবোধ

এক ব্যক্তি হযরত উমর (রা.)-এর কাছে এসে বললেন, "আল্লাহ আপনাকে যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সেখান থেকে আমাকে কোনো একটি পদে...
10/05/2026

এক ব্যক্তি হযরত উমর (রা.)-এর কাছে এসে বললেন, "আল্লাহ আপনাকে যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সেখান থেকে আমাকে কোনো একটি পদের দায়িত্ব (চাকরি) দিন।"

হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি কুরআন পড়তে পারো?" সে উত্তর দিল, "না।"

হযরত উমর (রা.) বললেন, "যে কুরআন পড়তে জানে না, আমরা তাকে কোনো দায়িত্ব দিই না।"

(হযরত উমর (রা.) চেয়েছিলেন মানুষ আগে দ্বীন শিখুক, কারণ দ্বীনের জ্ঞান থাকলে সে আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। )

লোকটি সেখান থেকে ফিরে গেল এবং এই আশায় কঠোর পরিশ্রম করে কুরআন শিখতে শুরু করল যে, কুরআন শেখা শেষ হলে সে আবার উমর (রা.)-এর কাছে যাবে এবং একটি চাকরি পাবে।

কিন্তু কুরআন শেখার পর সে উমর (রা.)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিল। একদিন হঠাৎ তার সাথে হযরত উমর (রা.)-এর দেখা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, "তুমি কি আমাদের ছেড়ে দিলে (আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিলে)?"

সে উত্তর দিল, "হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো লোক নই; কিন্তু আমি কুরআন শিখেছি আর এই কুরআনই আমাকে উমর এবং উমরের দরজার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দিয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ আমাকে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন)।"

হযরত উমর (রা.) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কুরআনের কোন আয়াতটি তোমাকে এতটা স্বাবলম্বী ও নিশ্চিন্ত করল?"

লোকটি উত্তর দিল, আল্লাহর এই বাণী:

"যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য (সংকট থেকে বের হওয়ার) পথ করে দেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩)

সুবহানাল্লাহ।

কুরআন কেবল তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত মানুষের জীবন দর্শন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

মানুষ যখন প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁকে ভয় করে চলে, তখন আল্লাহ দুনিয়াবি সব অভাব দূর করে দেন।

Address

চাঁদখালী, পাইকগাছা, খুলনা।
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনের-দাওয়াত-ToBlig posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share