EvenTees

EvenTees Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EvenTees, Community Organization, Begum Rokeya Sarani, Kazipara.

Premium Joggers TrouserFabrics: 100% CottonGSM: 310Premium QualityGender: Both Male and FemalSize Details:M = Waist : 28...
07/11/2025

Premium Joggers Trouser

Fabrics: 100% Cotton

GSM: 310

Premium Quality

Gender: Both Male and Femal

Size Details:

M = Waist : 28/30 , Length : 38

L = Waist : 32/34 , Length : 39

XL = Waist : 34/36 , Length : 40

XXL = Waist : 38/40 , Length : 42

Price: 620৳

Fine Cotton Katua collection Fabric: Fine Cotton 𝐌𝐄𝐀𝐒𝐔𝐑𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓 :(M . L . XL)M - Chest 40”, Length 27”L  - Chest 42”, Lengt...
07/11/2025

Fine Cotton Katua collection

Fabric: Fine Cotton
𝐌𝐄𝐀𝐒𝐔𝐑𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓 :
(M . L . XL)
M - Chest 40”, Length 27”
L - Chest 42”, Length 28”
XL- Chest 44”, Length 29”

Admin Price:- 690 Tk

প্রি-বুকিং চলছে! আপনার সাইজ জানিয়ে কল করুন অথবা মেসেজ দিন এখনই। ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ আছে।
21/10/2025

প্রি-বুকিং চলছে!
আপনার সাইজ জানিয়ে কল করুন অথবা মেসেজ দিন এখনই।
ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ আছে।

রাজনীতি, ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও ইসলাম।বর্তমান বিশ্বে “স্বাধীনতা” শব্দটি যেন এক নতুন ধর্মে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন নিজের মত,...
06/10/2025

রাজনীতি, ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও ইসলাম।

বর্তমান বিশ্বে “স্বাধীনতা” শব্দটি যেন এক নতুন ধর্মে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন নিজের মত, চিন্তা, বিশ্বাস, জীবনধারা, এমনকি নৈতিকতার মানদণ্ডও নিজেই ঠিক করতে চায়। পশ্চিমা সভ্যতার প্রভাবে আজ অনেকেই মনে করে— ধর্ম কেবল ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়, রাষ্ট্র, সমাজ বা রাজনীতির সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। কিন্তু ইসলাম এই ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে।

ইসলাম ব্যক্তিস্বাধীনতার ধর্ম নয়; বরং এটি এমন এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক সব স্তরে পালনীয়।
ইসলামের মূল অর্থই হলো — ‘আল্লাহর কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ’।
অতএব, ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছা তাই করা নয়; বরং নিজের চিন্তা, ইচ্ছা ও কর্মকে আল্লাহর নির্দেশের অধীন করে দেওয়া।

ইসলামের মূল দর্শন: আত্মসমর্পণ, স্বাধীনতা নয়

“ইসলাম” শব্দটি এসেছে “ইস্তিসলাম” থেকে, যার অর্থ আত্মসমর্পণ। ইসলাম মানুষকে শেখায়— সে যেন নিজের জ্ঞান, ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা ও যুক্তিবুদ্ধিকে আল্লাহর নির্দেশের অধীন করে দেয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন:

> “নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একমাত্র ধর্ম হলো ইসলাম।”
(সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৯)

অর্থাৎ, মানুষ স্বাধীনভাবে জীবন গঠন করবে এমন নয়; বরং তার সব কাজের মানদণ্ড হবে আল্লাহর বিধান। ইসলাম স্বীকার করে না সেই স্বাধীনতাকে, যা মানুষকে স্রষ্টার নির্দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন:

> “তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হবে না, যতক্ষণ না তার ইচ্ছা আমার আনা বিধানের অধীন হয়।”
(হাদীস: নববী)

অতএব, ইসলামের মূল দর্শনই হলো আত্মসমর্পণ — স্বাধীনতা নয়।

ইসলাম ব্যক্তিগত জীবনে

ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে নৈতিকতা, পরিশুদ্ধতা ও শৃঙ্খলার আলোকে গঠন করতে চায়।
কীভাবে খাবে, কীভাবে পোশাক পরবে, কীভাবে কথা বলবে, এমনকি কীভাবে চিন্তা করবে — এসব ক্ষেত্রেও ইসলামের নির্দেশনা রয়েছে।
ইসলাম বলে, মানুষ নিজের দেহেরও মালিক নয়; সে কেবল আমানতদার। তাই নিজের জীবন ধ্বংস করা, নেশা করা, আত্মহত্যা করা — এসবের কোনো স্বাধীনতা নেই।

ইসলাম মানুষকে “আমি যা চাই তাই করব” এই মনোভাব থেকে মুক্ত করে “আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই করব” এই বিশ্বাসে স্থির থাকতে শেখায়। এভাবেই একজন মানুষ নিজের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে আল্লাহর ইচ্ছার অধীন করে প্রকৃত শান্তি পায়।

ইসলাম পারিবারিক জীবনে

পরিবার হলো সমাজের ভিত্তি। ইসলাম পরিবারকে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক, সন্তান প্রতিপালন, পিতা-মাতার অধিকার — সব ক্ষেত্রেই ইসলাম বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে।
এখানে কেউ নিজের ইচ্ছায় সংসার চালাতে পারে না।
যেমন: ইসলাম চায় না কেউ ইচ্ছেমতো সম্পর্ক স্থাপন করুক, বা নিজের পছন্দে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাক।
কারণ পরিবার একটি পবিত্র প্রতিষ্ঠান; এখানে ব্যক্তিস্বাধীনতা নয়, বরং দায়িত্ব ও শৃঙ্খলাই মুখ্য।

ইসলাম সামাজিক জীবনে

মানুষ একা বাঁচতে পারে না। সমাজে বসবাস করতে হলে কিছু নিয়ম মানতেই হয়। ইসলাম সমাজজীবনকে এমনভাবে সাজিয়েছে যেখানে প্রতিটি মানুষ অপরের অধিকার রক্ষা করবে।
ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, অসহায়দের সহায়তা — এসবকে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব বলা হয়েছে।
আল্লাহ বলেন:

> “তাদের সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত অধিকার— প্রার্থনাকারী ও বঞ্চিতদের জন্য।”
(সূরা আল-মাআরিজ, আয়াত ২৪–২৫)

অতএব, সমাজে কেউ ইচ্ছেমতো সম্পদ ব্যয় করতে বা অপচয় করতে পারে না। ইসলাম শিখিয়েছে — সমাজের মঙ্গলের বাইরে কোনো ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই।

ইসলাম রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক জীবনে

ইসলাম কেবল নামাজ-রোজার ধর্ম নয়; এটি রাষ্ট্র ও রাজনীতিরও দিকনির্দেশনা দেয়।
ইসলামে রাষ্ট্র মানে এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে আল্লাহর বিধানই শাসনের ভিত্তি।
আল্লাহ বলেন:

> “যে আল্লাহর অবতীর্ণ বিধান অনুযায়ী বিচার করে না, তারা জালেম।”
(সূরা মায়িদা, আয়াত ৪৫)

অতএব, ইসলাম বাদ দিয়ে রাজনীতি করার কোনো ধারণাই ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
যেখানে ব্যক্তিগত জীবনে, পারিবারিক জীবনে, সামাজিক জীবনে — সবখানেই ইসলাম মানুষকে ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে বিরত থাকতে বলে, সেখানে রাজনীতি নামের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ইসলাম ছাড়া পরিচালিত হওয়া কীভাবে সম্ভব?

এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন স্বতঃসিদ্ধভাবে উঠে আসে —

> “যেখানে সমগ্র ইসলামেই ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই, সেখানে আপনি আমি ইসলাম বাদ দিয়ে রাজনীতি করি কীভাবে?”

ইসলাম রাষ্ট্র ও রাজনীতি থেকে আলাদা নয়। ইসলাম রাজনীতিকে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম মনে করে। রাজনীতি যদি ইসলামের বাইরে চলে যায়, তাহলে সেটি হবে মানবপ্রণীত স্বেচ্ছাচার, যেখানে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের পরিবর্তে মানুষের ইচ্ছাই চূড়ান্ত হবে।

ইসলামী রাজনীতি মানে দলীয় প্রতিযোগিতা নয়; বরং আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং জুলুমের প্রতিরোধ করা।
অতএব, ইসলামবিহীন রাজনীতি ইসলামের মূল দর্শনেরই পরিপন্থী।

ইসলাম আন্তর্জাতিক জীবনে

ইসলাম বিশ্বমানবতার ধর্ম। এটি কোনো জাতি, বর্ণ, ভাষা বা দেশের সীমায় আবদ্ধ নয়।
আল্লাহ বলেন:

> “হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে, এবং তোমাদেরকে করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হও।”
(সূরা হুজুরাত, আয়াত ১৩)

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, যুদ্ধবিরতি, শান্তিচুক্তি— এসব ক্ষেত্রেও ইসলাম ন্যায়ের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে বলে।
এখানেও ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই; কোনো রাষ্ট্র বা জাতি ইচ্ছেমতো অন্য জাতির ওপর জুলুম করতে পারে না।
ইসলাম সব জাতিকে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার বন্ধনে আবদ্ধ করতে চায়।

ইসলামে স্বাধীনতার সঠিক ধারণা

ইসলাম মানুষকে কিছু সীমার মধ্যে স্বাধীনতা দিয়েছে— চিন্তা করার, সঠিক পথ বেছে নেওয়ার, কাজ করার। কিন্তু সেই স্বাধীনতা কখনোই সীমাহীন নয়।
যে স্বাধীনতা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, তা আসলে স্বাধীনতা নয়; বরং ধ্বংসের পথ।
ইসলাম বলে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থেকেই মানুষ প্রকৃত মুক্তি পায়।
অতএব, ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা মানে শৃঙ্খলাবদ্ধ আনুগত্য; আর প্রকৃত স্বাধীনতা হলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো দাস না হওয়া।

ইসলামী আত্মসমর্পণের মাহাত্ম্য

আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ মানে নিজের অহংকার, কামনা ও স্বার্থকে তাঁর নির্দেশের অধীন করে দেওয়া।
যে মানুষ আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলে, সে নিজের ভেতরে শান্তি অনুভব করে।
তার কোনো বিভ্রান্তি বা দ্বিধা থাকে না, কারণ সে জানে— তার জীবন পরিচালিত হচ্ছে এক চিরন্তন সত্যের নির্দেশে।

অন্যদিকে, যে মানুষ নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর আদেশের ঊর্ধ্বে রাখে, সে কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। তার স্বাধীনতা শেষ পর্যন্ত তাকে পথভ্রষ্ট ও আত্মবিধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

উপসংহার

ইসলাম কোনো ব্যক্তিস্বাধীনতার ধর্ম নয়। এটি এমন এক জীবনব্যবস্থা যেখানে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধানই সর্বোচ্চ।
ইসলাম মানুষকে শেখায়— নিজের চিন্তা, ইচ্ছা ও কাজকে আল্লাহর নির্দেশের অধীন করে জীবন গঠন করতে।

অতএব, যখন ইসলাম জীবনের প্রতিটি দিক নিয়ন্ত্রণ করে, তখন ইসলাম ছাড়া রাজনীতি বা সমাজব্যবস্থা পরিচালনার ধারণা মূলত ইসলামের অস্বীকৃতি।

> “আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও মৃত্যু — সবই আল্লাহর জন্য।”
(সূরা আন’আম, আয়াত ১৬২)

এই আয়াতই প্রমাণ করে— ইসলাম কোনো ক্ষেত্রেই ব্যক্তিস্বাধীনতা স্বীকার করে না; বরং মানুষের সম্পূর্ণ জীবনকে আল্লাহর অনুগত করে তুলতে চায়।
সুতরাং, ইসলাম ছাড়া রাজনীতি নয়, রাজনীতিসহ জীবন— সবই ইসলামের অধীন হতে হবে।
কারণ ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা মানুষকে স্বাধীনতার মোহ নয়, বরং আত্মসমর্পণের শান্তি উপহার দেয়।

10/09/2025

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

10/09/2025

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. we could never have made it without you. 🙏🤗🎉

https://sohojislam24.blogspot.com/2025/08/blog-post_11.html?m=0
11/08/2025

https://sohojislam24.blogspot.com/2025/08/blog-post_11.html?m=0

" জীবন একটাই , তাকে উপভোগ কর !" (YOLO - You Only Live Once) — আধুনিক ভোগবাদী সভ্যতার এই মন্ত্রটি শুধু একটি উক্তি নয় ; এটি একটি...

24/05/2025
11/05/2025

বি এন পি থাকতে , ছাত্রদল থাকতে হাসনাত ভাই কিভাবে নায়ক হল ?
এই মুহূর্তে বিএনপি দেশে অনেকটা ভিলেন হয়ে গেছে। নায়ক NCP শিবির ও জামাত।
জুলাই বিপ্লবে তারেক রহমান ছাত্রদের সাথে মিটিং করে, অন্যদিকে ফখরুল স্যার মিডিয়ার সামনে বলেছিলেন, “আমরা ছাত্রদের সাথে নেই।”
এটা না বললে কী হত? চুপ থাকলে কী হত?
শিবির জামাত তো বলেনি কোনো কথা! কাজ করেছে গোপনে গোপনে।
জুলাই বিপ্লবে বিএনপির বড় কোনো নেতা প্রকাশ্যে মাঠে না থাকলেও সব শ্রেণি-পেশার লোক মাঠে ছিল।
এমনও হয়েছে—বাবা আওয়ামী লীগের নেতা, ছেলে স্কুলে-কলেজে পড়েন—তারাও আন্দোলনে ছিল।
এজন্য বলা যাবে না আওয়ামী লীগও জুলাই আন্দোলনের অংশীদার।
তবে বিএনপির নেতারা বারবার কেন এত ভুল সিদ্ধান্ত নেন, এটা বুঝতে পারি না।
আমি বিএনপিকে পছন্দ করি, তাই বিএনপি কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভালো বোধ করি না।

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নের সাথে গেলে কী হত? গিয়ে কথা না বলতেন, পানি সাপ্লাই দিতেন, খাবার দিতেন! এত ভয় নিয়ে রাজনীতি করবেন?
আমি বিএনপি পছন্দ করি, বললে কী সমস্যা? আপনারা ভালো করলে পাশে আছি, মন্দ করলে নেই।
শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলাতে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন কত শত বিপদে ছিল , আছে আমেরিকায়, একটু খবর নিয়ে দেখতে পারেন।
এ মানুষগুলো তো আপনাদের মতো ম্যানেজ করে চলে না। আপনারা কখনও চুপ্পুর পক্ষে, কখনও সেনাবাহিনীর প্রধানের পক্ষে, কখনও সংবিধানকে কোরআন মনে করেন।
একবার ভাবেন না—গত সতেরোটা বছর কিভাবে কেটেছে আপনাদের ছোট ছোট নেতাকর্মীদের।

অনেকে আমায় বলে কেন দেশে যাই না—এ বিষয়ে আপনাদের অজানা থাকার কথা নয়।
ডিআইজি হাবিব আমায় হুমকি দিয়েছিল, অনেকে ইমেইলে এবং ফেসবুকে সরাসরি নিয়মিত হুমকি দিত।
আমার পরিবার এজন্য আমায় দেশে যেতে দেয় না।
আমার অপরাধ—আমি সত্যের পক্ষে কথা বলতাম।

জনাব ফখরুল স্যার বলেছেন, “আঠারো কোটি মানুষ চায় না আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরুক।”
তাহলে হাসনাত ভাই তো সঠিক কাজই করছেন! আপনারা কেন তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন না?

ঠিক আছে, তাঁদের সাথে যাবেন না।
আলাদা একটা জায়গায় আপনার দলের লোকজন আলাদা বসতেন, আলাদা বলতেন।
আমি ভেবেছিলাম অন্তত হুম্মাম কাদের চৌধুরী বা তাঁর পরিবার যাবেন, না যাক, অন্তত একটা পোস্ট দেবেন। উনারাও গেলেন না।

শেখ হাসিনাও বলতেন—উনি নির্বাচিত, উনি বৈধ, উনি সংবিধান মেনে আপনাদের ফাঁ*সি দিচ্ছেন, মা*রছেন, দেশছাড়া করছেন।
এর নাম কি সংবিধান?

ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে একজন নারী—যার চার সন্তান রয়েছে—তার ওপর সংঘটিত হওয়া গণধ**র্ষণের কথা সবাই জানে।
তখন কোথায় ছিল আপনাদের সংবিধান?

বিএনপির হুইপকে যারা দৌড়িয়ে পেটালো, তখন কোথায় ছিল আপনাদের সংবিধান?
ইলিয়াস আলী আজও নিখোঁজ? সংবিধানকে বলেন—ইলিয়াস আলীকে এনে দিতে!
একজন মন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়েকে নিয়ে লাইভে অশালীন মন্তব্য করেছিল—তাকেও কি ভুলে গেলেন?
এই ছিল আপনাদের সংবিধান?

আজ হাজার হাজার বিএনপি কর্মী বিদেশের মাটিতে শ্রমিক হয়ে জীবন চালাচ্ছে।
কেউ সৌদিতে, কেউ মালয়েশিয়ায়, কেউ সিঙ্গাপুরে।
তাদের আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করতে বলেন আপনার সংবিধানকে।

শুধু কর্মী নয়—সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন, নির্বাচনে কারচুপি প্রকাশ করে মহা বিপদে পড়ে কোনোরকমে জীবন নিয়ে পালিয়েছেন।
কনক সরোয়ার পালিয়ে আসার পর উনার বোনকে মাসের পর মাস জেলে রেখে চলেছে অমানুষিক নির্যাতন।
পিনাকী ভট্টাচার্য—সবারই ভাগ্যে জুটেছে পালিয়ে বাঁচা।

গত সতেরো বছর কেন তারেক রহমান দেশের বাইরে? কোথায় ছিল আপনাদের সংবিধান?

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে মদের বোতল দিয়ে অপমান—উনার কান্নার কথা ভুলে গেছেন?
উনাকে মিথ্যা মামলায় জেলে রেখে বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল—কোথায় ছিল আপনাদের সংবিধান?

৫৭ জন আর্মি অফিসার শেষ—সংবিধান কেন রক্ষা করল না তাঁদের?
নারায়ণগঞ্জ সাতজনসহ সারা দেশে কতজনকে নাই করে দেওয়া হয়েছে? কী করেছে এই সংবিধান?
সংবিধানকে জিজ্ঞেস করুন—চৌধুরী আলম, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর, ২০১০ সালে নিখোঁজ—তাকে এনে দিতে।

অনেকটা নিশ্চিত, নির্বাচনে বেশি আসন পেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।
ক্ষমতায় এসেই কি বদলে ফেলতে পারবে সব কিছু?

এতগুলো ছেলে জীবন দিল—যারা বেঁচে আছে, তাদের জীবনও অনিশ্চিত।
ওরা NCP করেছে প্রধানমন্ত্রী হতে নয়, নিজের জীবন বাঁচাতে।
ওরা ওদের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে।
আপনারা চাইলেই ওদের বুকে নিতে পারতেন।
তা না করে ওদের লাথি মেরে সরিয়ে দিলেন, জামাত-শিবির বুকে টেনে নিল।

এটা আপনাদের ইতিহাসের সেরা ভুল ছিল।
যেটা সবাই বুঝলেও আপনারা বুঝতে পারছেন না।

যে দলই ক্ষমতায় যাক—নেতা-কর্মীরা চুরি করবে।
বাংলাদেশে এটা বন্ধ করা অসম্ভব। কারণ রাজনীতি হলো পেশা।
তবে জামাতীরা ছাত্র অবস্থা থেকে ব্যবসা শুরু করে—উনাদের বিষয়ে আমার জানা নেই ।
কোন সময়ই মিডিয়া আপনাদের পক্ষে ছিল না।
ওরা প্রথম দিন থেকে আপনাদের ছোট জিনিসগুলো বড় করে প্রচার করবে।
সাথে থাকবে অন্যান্য দলের মানুষ, যেমনটা হচ্ছে এখন।

ক্ষমতায় থাকা আপনাদের দিনগুলো হবে প্রচণ্ড কঠিন।
দলের এমন মেধাবী নেতাদের দিয়ে দেশ চালানো সম্ভব কি না—নিজেরা ভেবে দেখবেন।
আপনারা মেধাশূন্য, ভীতু ছিলেন বলেই গত সতেরো বছর ‘আপা’ আপনাদের দৌড়ের উপর রেখেছিলেন।

একটা কথা মনে রাখবেন—জামাত-শিবির হলো আগুন।
এরা কমান্ডো ট্রেনিংপ্রাপ্ত।
এদের অনেকের সাথে আমার কথা হত।
একজন শিবির সমান এক হাজার ছাত্রদল।
একজন ম*রলে একজন পরবে, বাকিরা সামনে আগাবে।
আপনাদের এমন কর্মী আছে?

আর এ জামাত-শিবির এগিয়েছে কার সহযোগিতায়, এটাও সবাই জানে।
ধীরে ধীরে হিসাব জটিল করে ফেলছেন আপনারা।
এখনও সময় আছে, চাইলে অনেক কিছু ঘটতে পারে।

আপনারা জনপ্রিয়—এতে সন্দেহ নেই।
আওয়ামী লীগও জনপ্রিয় ছিল।
জনগণ ছিল, পুলিশ ছিল, আর্মি ছিল, প্রশাসন ছিল।
সময়মত হেলিকপ্টার না পেলে যে কী হত—নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।
# # #বাংলাদেশেরখবর

04/05/2025

যদি আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ হয় তবে সোনার বাংলাদেশ,
যদি না হয় তবে সবকিছু শেষ।

Address

Begum Rokeya Sarani
Kazipara
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EvenTees posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to EvenTees:

Share