আসুন আমরা ড. ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের পাশে দাঁড়াই

  • Home
  • Bangladesh
  • Kakrail
  • আসুন আমরা ড. ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের পাশে দাঁড়াই

আসুন আমরা ড. ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের পাশে দাঁড়াই In 1974, Professor Muhammad Yunus, a Bangladeshi economist from Chittagong University, led his students on a field trip to a poor village.

They interviewed a woman who made bamboo stools, and learnt that she had to borrow the equivalent of 15p to buy raw bamboo for each stool made. After repaying the middleman, sometimes at rates as high as 10% a week, she was left with a penny profit margin. Had she been able to borrow at more advantageous rates, she would have been able to amass an economic cushion and raise herself above subsisten

ce level. Realizing that there must be something terribly wrong with the economics he was teaching, Yunus took matters into his own hands, and from his own pocket lent the equivalent of ? 17 to 42 basket-weavers. He found that it was possible with this tiny amount not only to help them survive, but also to create the spark of personal initiative and enterprise necessary to pull themselves out of poverty. Against the advice of banks and government, Yunus carried on giving out 'micro-loans', and in 1983 formed the Grameen Bank, meaning 'village bank' founded on principles of trust and solidarity. In Bangladesh today, Grameen has 1,084 branches, with 12,500 staff serving 2.1 million borrowers in 37,000 villages. On any working day Grameen collects an average of $1.5 million in weekly installments. Of the borrowers, 94% are women and over 98% of the loans are paid back, a recovery rate higher than any other banking system. Grameen methods are applied in projects in 58 countries, including the US, Canada, France, The Netherlands and Norway.

ত্যাগ, সততা ও সংগ্রামের প্রতীক — জননেতা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়াররাজনীতিতে কতজন নেতা আছেন, যাঁরা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ত্য...
14/01/2026

ত্যাগ, সততা ও সংগ্রামের প্রতীক — জননেতা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার

রাজনীতিতে কতজন নেতা আছেন, যাঁরা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ত্যাগ, সততা ও আদর্শকে নিজের অস্তিত্বের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলেন?
ঢাকা-১২ আসনের তেজগাঁও, মহাখালী, কাওরান বাজার, রাজাবাজার, নাখালপাড়া, তেজকুনী পাড়াসহ আশপাশের মানুষের মুখে একটাই নাম—
জননেতা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার।
আজ তাঁর শুভ জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করা মানেই ত্যাগ, সংগ্রাম, নির্যাতন, সততা, মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং দলের প্রতি অটল আনুগত্যকে সম্মান জানানো।
শৈশব, শিক্ষা ও ফুটবলে উত্থান
১৯৫৯ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার।
তাঁর পিতা আলহাজ্ব আবদুল হক—আলিগড় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থী এবং ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক।
শৈশব কেটেছে পূর্ব রাজাবাজারে।
শিক্ষার পাশাপাশি ফুটবলে প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পান। মাঠের খেলা থেকেই জন্ম নেয় নেতৃত্বগুণ—যা পরে রাজনীতির মাঠে তাঁকে সমান দৃঢ় করে তোলে।
সবুজ মাঠ ছেড়ে রাজনীতির মাঠে যাত্রা
২০০২ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হন। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা ও আব্দুস সালাম তাঁর নেতৃত্বগুণ চিনে বুঝে তাঁকে রাজনীতির মূলধারায় আনে।
সেই থেকেই ফুটবলের মাঠ ছেড়ে রাজনীতির মাঠে তাঁর দৌড়—যা এখনো অব্যাহত।
রাজপথের লড়াকু সৈনিক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে এমন নেতার সংখ্যা খুব কম—যাঁরা একইসঙ্গে নির্যাতিত, ত্যাগী, কিন্তু কখনো আপস না করা।
আনোয়ার ভাই ঠিক সেই শ্রেণির নেতা—
বৃহত্তর তেজগাঁও থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক,
বর্তমান এক নম্বর সম্মানিত সদস্য
সাবেক সফল কমিশনার
তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন—একজন সমাজসেবক, ক্রীড়াবিদ এবং শিক্ষানুরাগী।
রাজপথ ও কোর্টের বারান্দায় কাটানো জীবন
দুই দশকেরও বেশি সময় জুড়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবন মিছিল, মামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
নির্ভীক মনোভাবের একটাই ঘোষণা—
“আমি রাজনীতি করি মানুষের অধিকার ফেরাতে, ব্যক্তিস্বার্থে নয়।”
দলের ভেতরে-বাইরে ষড়যন্ত্রের শিকার
২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময়েও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি।
তবুও দলত্যাগ করেননি।
কখনো নতি স্বীকার করেননি।
নির্যাতনের ভেতরেও অবিচল
একটার পর একটা মামলা, গ্রেফতার, রিমান্ড, কারা নির্যাতন—সবই সহ্য করেছেন।
রিমান্ডে ঝুলিয়ে রাখা, ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো, মানসিক যন্ত্রণা—সবই তিনি পেরিয়েছেন হাসিমুখে।
তিনি নিজেই বলেছেন—
“হাসতে হাসতে কারাগারে গেছি, কিন্তু নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাইনি।”
ব্যক্তিজীবনের হৃদয়বিদারক ত্যাগ
রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্ত্রীকে অকালে হারান তিনি।
মানুষ ও দলের স্বার্থে জীবনের বড় অংশই পরিবার থেকে separations মধ্যে কাটিয়েছেন।
স্ত্রীর সেই অনুপ্রেরণামূলক কথা আজও তাঁকে চালিত করে,
“দলের পাশে থেকো, মানুষের পাশে থেকো।”
ঢাকা-১২ আসনের ত্যাগ-নির্যাতন-গুমের করুণ ইতিহাস
ঢাকা-১২ আসন বিএনপি নেতাকর্মীদের এক রক্তাক্ত অধ্যায়।
এখানে গুম হয়েছেন—
সাজেদুল ইসলাম সুমন
ছাত্রনেতা জাকির হোসেন
আদনান
কাওসার
আসাদুজ্জামান
এবং আরও ১৫ জন এখনো নিখোঁজ।
নিহত হয়েছেন—
কাজী আব্দুর রহমান
মামা খোকন
যুবনেতা ফারুক
ছাত্রনেতা মাসুদ
বিপ্লব
এবং অনেকেই।
স্বজনরা বলেন—
“আনোয়ার ভাই-ই আমাদের পাশে ছিলেন, আজও আছেন।”
জনগণের আশ্রয়, মানবিকতার প্রতীক
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার উন্নয়ন, রাস্তা, ড্রেন, স্কুল-মসজিদ-মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে মিথষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসহায় পরিবারকে চিকিৎসা ও খাবার—সবই করেছেন ব্যক্তিগত দায়িত্বে।
একজন দোকানদার বলেন—
“কমিশনার থাকার সময় আমাদের এলাকায় উন্নয়ন প্রথম দেখা যায়। তিনি সবার কাছে সমান।”
নির্বাচনী ত্যাগ — বড় নেতা হওয়ার দুর্লভ উদাহরণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা ভাবছিলেন—ঢাকা-১২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হবেন আনোয়ার ভাই,
ঠিক সেই মুহূর্তে দলের প্রয়োজনে তিনি নিজের দীর্ঘ প্রস্তুত রাজনীতি উৎসর্গ করে দেন।
বিএনপি ও জোটের সিদ্ধান্তে জনপ্রিয় জাতীয় নেতা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মনোনয়ন পাওয়ার পর—
আনোয়ার ভাই এক মুহূর্ত দেরি না করে—
নিজের সকল প্রস্তুতি দলীয় সিদ্ধান্তে সমর্পণ করেন
কোদাল মার্কা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন
প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব নেন
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন নিঃস্বার্থ উদাহরণ খুব কম পাওয়া যায়।
জন্মদিনেও কোনো উদযাপন নয়—কারণ রয়েছে গভীর শোক
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) বাংলাদেশকে শোকে নিমজ্জিত করেছে।
তার ৪০ দিনও শেষ হয়নি।
তারপরই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তাঁর প্রিয় রাজনৈতিক ছোট ভাই আজিজুর রহমান মুসাব্বির।
এই শোকের সময়ে তিনি জন্মদিনে কোনো অনুষ্ঠান, কেক বা ফুল গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
তিনি বলেন—
“এই সময় আনন্দ নয়, দোয়ার মধ্য দিয়ে দিনটি কাটাতে চাই।”
নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বার্তা
তার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন—
জননেতা সাইফুল হক
‘মায়ের ডাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা হাজেরা খাতুন
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা
এবং ঢাকা-১২ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।
তাঁরা বলেন—
“আনোয়ার ভাই আমাদের গর্ব। তিনি সুস্থ থাকুন, দীর্ঘায়ু লাভ করুন—এই কামনা।”
আনোয়ার ভাই মানেই ত্যাগ, সততা ও সাহস
ঢাকা-১২ আসনের প্রতিটি মানুষের মনে একটাই বিশ্বাস—
“রাজপথে ছিলেন, জনগণের ভোটও তাঁর হবে।”
তিনি প্রমাণ করেছেন—
“রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের সেবা।”
যতদিন বাংলাদেশে ন্যায়-অন্যায়ের লড়াই থাকবে,
ততদিন জননেতা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার থাকবেন মানুষের ভালোবাসার প্রতীক।

ঢাকা-১২: ‘মায়ের ডাক’ সানজিদা ইসলাম তুলি কি হতে পারেন বিএনপির বড় চমক?ঢাকা-১২ আসন (তেজগাঁও–শেরেবাংলা নগর) বরাবরই রাজধানীর ...
23/09/2025

ঢাকা-১২: ‘মায়ের ডাক’ সানজিদা ইসলাম তুলি কি হতে পারেন বিএনপির বড় চমক?

ঢাকা-১২ আসন (তেজগাঁও–শেরেবাংলা নগর) বরাবরই রাজধানীর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দলীয় প্রার্থীদের ভিন্ন ভিন্ন সমীকরণ এবং স্থানীয় রাজনীতির জটিলতাই এই আসনকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির একাধিক পরিচিত প্রার্থীর নাম ঘুরপাক খেলেও এবার আলোচনায় উঠে এসেছে এক নতুন নাম—সানজিদা ইসলাম তুলি।

গুম হওয়া ভাই থেকে আন্দোলনের অঙ্গনে

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তেজগাঁও বিএনপির নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন (সাবেক ৩৮, বর্তমান ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুম হন বলে অভিযোগ। ভাইয়ের এই করুণ পরিণতি তুলি ও তাঁর পরিবারকে এক অন্য বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। সেই যন্ত্রণা থেকেই তিনি গড়ে তোলেন গুম হওয়া স্বজনদের পরিবার নিয়ে সংগঠন “মায়ের ডাক”।

তাঁর নেতৃত্বে “মায়ের ডাক” শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচনায় আসে। জাতিসংঘে গুমবিরোধী বক্তব্য, লন্ডন ও আমেরিকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রচারণা, এমনকি ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস তাঁদের বাড়ি গেলে আওয়ামী সমর্থিত সংগঠনের বাধা—এসব ঘটনাই তুলিকে জাতীয় ইস্যুর প্রতীকী মুখে পরিণত করেছে।

মাঠের রাজনীতিতে ধীরে ধীরে সক্রিয়

তুলির নাম বড় পোস্টার বা ব্যানারে দেখা যায়নি। তবে গত কয়েক সপ্তাহে নাখালপাড়া ও আরজতপাড়ায় তিনি উঠান বৈঠক শুরু করেছেন। সেখানেও উপস্থিত ছিলেন “মায়ের ডাক”-এর সভাপতি হাজেরা খাতুন, আফরোজা ইসলাম আঁখি এবং জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রচলিত প্রচারণার বাইরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এই কৌশল সাধারণ ভোটারের কাছে তুলিকে একজন “সরল ও সংগ্রামী রাজনীতিক” হিসেবে তুলে ধরছে।

প্রতিদ্বন্দ্বীরা কারা?

ঢাকা-১২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আছেন—

সাইফুল ইসলাম নিরব: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক।

আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার: মহানগর বিএনপির ১নং সদস্য ও সাবেক কমিশনার।

আলহাজ্ব শাহাবুদ্দিন: নতুন পোস্টার দিয়ে আলোচনায়।

আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী ফালু: সাবেক এমপি, অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী।

আবদুল আউয়াল মিন্টু: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, তেজগাঁওয়ের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা।

এতগুলো প্রভাবশালী নামের ভিড়ে তুলির উঠে আসা নিঃসন্দেহে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে।

পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য

তুলির পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। তাঁর বাবা মরহুম হাজী মফিজুল ইসলাম ছিলেন ভাষাসৈনিক, জনপ্রিয় চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তাঁর ভাই সুমনও দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। গুম হওয়ার ঘটনাও রাজনৈতিক আনুগত্যের কারণেই বলে অভিযোগ আছে।

এই পারিবারিক ঐতিহ্য তুলিকে দলের কাছে “যোগ্য উত্তরসূরি” করে তুলেছে।

দলের ভেতরে গ্রহণযোগ্যতা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একাধিকবার “মায়ের ডাক”-এর কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছেন, তুলিসহ অন্যান্য ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। ফলে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুলির নাম ইতিবাচকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

২০২৪ সালের ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে “মায়ের ডাক” সম্মুখ সারিতে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্রদের প্রথম কমিটিতেও তুলিকে যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন দল এনসিপি তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দিতে চাইলেও তিনি বিএনপির প্রতি পারিবারিক আনুগত্যের কারণে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

শক্তি:

গুম ইস্যুতে সংগ্রামী ও নির্ভরযোগ্য ইমেজ

সাধারণ মানুষের সহানুভূতি ও ভালোবাসা

নতুন প্রজন্মের প্রতীক, দুর্নীতিমুক্ত পরিচিতি

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত

যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই আন্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা

দুর্বলতা:

দলীয় তৃণমূল সংগঠনে এখনও শক্ত ঘাঁটি তৈরি হয়নি

প্রবীণ ও প্রভাবশালী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন

প্রচারণা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা সীমিত

সম্ভাবনার আভাস

ঢাকা-১২ আসনের ভোটাররা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখে আসছেন। বিএনপি যদি এবার পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে নতুন মুখ তুলে ধরতে চায়, তবে সানজিদা ইসলাম তুলি হতে পারেন সেই “চমকপ্রদ প্রার্থী”।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তুলির মনোনয়ন শুধু নির্বাচনী ফলাফলে নয়, বিএনপির রাজনৈতিক বার্তায়ও নতুন মাত্রা যোগ করবে—যে দলটি নতুন প্রজন্ম, মানবাধিকার কর্মী ও সংগ্রামী পরিবারগুলোকেও মূল্যায়ন করছে।

শেষকথাঃ

ঢাকা-১২ আসনে মনোনয়ন দৌড়ে অভিজ্ঞ ও ভারী প্রার্থীদের ভিড়ে সানজিদা ইসলাম তুলি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। যদি তাঁকে বিএনপি মনোনয়ন দেয়, এটি কেবল একটি আসনের নির্বাচন হবে না; বরং জাতীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের প্রতীকী বার্তাও বহন করবে।

একজন ড. ইউনুস এবং আগামীর বাংলাদেশমো. মঞ্জুর হোসেন ঈসাচেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতিযারা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে...
30/07/2025

একজন ড. ইউনুস এবং আগামীর বাংলাদেশ

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

যারা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে চেনেন না, বুঝেন না—তাঁরা নানা অপবাদ দেন, প্রশ্ন তোলেন, সমালোচনায় মেতে ওঠেন। অথচ ড. ইউনুস সেই বিরল মানুষ, যিনি নীতির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি। তাঁর নিজ হাতে গড়া গ্রামীণ ব্যাংক—যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৯৩ লাখ কোটি টাকা—সেখান থেকে তিনি কোনো ব্যক্তিগত লাভ গ্রহণ করেননি। তিনি ছিলেন মাত্র একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী। তিনি বিশ্বাস করেন ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, মানুষের কল্যাণই জীবনের মূল লক্ষ্য।

অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, তাকে “সুদখোর” বলা হয়। প্রশ্ন হলো—যিনি নিজের প্রতিষ্ঠানের এক টাকাও নেননি, যার জীবনযাপন অতি সাধারণ, যিনি সুযোগ পেলেও ধনসম্পদের পেছনে ছোটেননি, তাঁকে কীভাবে “সুদখোর” বলা যায়?

বিশ্বব্যাপী সম্মানিত ও মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুস আজ শুধু বাংলাদেশের গর্বই নন, তিনি মানবতার পক্ষে এক আদর্শিক অবস্থান। তাঁর অর্জনের তালিকা দীর্ঘ, তবে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো—

বিশ্বের ইতিহাসে মাত্র ১২ জন ব্যক্তি আছেন, যাঁরা তিনটি সবচেয়ে মর্যাদার পুরস্কার পেয়েছেন:

১. নোবেল শান্তি পুরস্কার
২. যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম
৩. মার্কিন কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল
ড. ইউনুস তাদের একজন।

ফুটবল জগতের কিংবদন্তি লিওনেল মেসিও একসময় ইউনুসের সাথে ছবি তোলার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন।

অলিম্পিক ইতিহাসে ইউনুস:

২০২০ টোকিও অলিম্পিকে তিনি ছিলেন অলিম্পিক মশাল বাহক—যা অলিম্পিকের সর্বোচ্চ সম্মান।

বিশ্ব ইতিহাসে মাত্র দু'জন ব্যক্তি পেয়েছেন Olympic Laurel—তাদের একজন তিনি।

২০২৪ প্যারিস অলিম্পিক আয়োজনের মূল থিমই ছিল ড. ইউনুসের “সামাজিক ব্যবসা” তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। এমনকি ফ্রান্সের সরকারি ওয়েবসাইটের টাইটেল পেজেও ছিল একজন বাংলাদেশি, মুসলমান, ব্রাউন স্কিনের মানুষের ছবি—যা ফরাসিদের মতো জাতির জন্য অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ঘটনা।

ড. ইউনুসের ৩টি বৈশ্বিক তত্ত্ব:

১. ক্ষুদ্র ঋণ (Microcredit)
২. সামাজিক ব্যবসা (Social Business)
৩. থ্রি-জিরো মিশন (Three Zeros: Zero Poverty, Zero Unemployment, Zero Net Carbon Emission)

তাঁর ক্ষুদ্রঋণ পদ্ধতিকে অনেকেই সুদ সংক্রান্ত দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচনা করেন, তবে তাঁর সামাজিক ব্যবসা ও থ্রি-জিরো তত্ত্ব নিঃসন্দেহে মানবকল্যাণমূলক, বৈষম্যহীন বিশ্ব গঠনের পথপ্রদর্শক।

আগামীর বাংলাদেশ ও ড. ইউনুস

যখন বাংলাদেশ গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে, তখন ড. ইউনুস আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। দেশের অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসন এবং বৈশ্বিক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর নেতৃত্ব অপরিহার্য। ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তি, নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা মিলেই গড়ে উঠছে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের এক আন্দোলন। যে আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন—তাঁরা আমাদের জাতির নতুন বীর।

আমি ব্যক্তিগতভাবে ড. ইউনুসের নাগরিক সংবর্ধনা থেকে শুরু করে অর্ধশতাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। তাঁর সান্নিধ্য, তাঁর চেতনা, তাঁর নৈতিকতা—সব কিছুই আমাদের জন্য এক নতুন দিশা।

আহ্বান

আসুন, আমরা সকল বৈষম্য, বিভাজন ও অপপ্রচার পেছনে ফেলে ড. ইউনুসের পাশে দাঁড়াই।
আসুন, আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার পথে একতাবদ্ধ হই।
আসুন, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির পক্ষ থেকে আমরা এই কীর্তিমান মানুষটির জন্য নিরঙ্কুশ সমর্থন ঘোষণা করি।

সত্যের পক্ষে, মানবতার পক্ষে, আগামীর আলোকিত বাংলাদেশের পক্ষে—আমরাই হবো ইতিহাসের নতুন নির্মাতা।

✍️ মানবিক নেতৃত্ব, ইতিহাস চর্চা ও প্রগতিশীল সাহসিকতায়মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা শুধু একজন রাজনীতিক বা সংগঠক নন, তিনি একজন দায়ি...
04/07/2025

✍️ মানবিক নেতৃত্ব, ইতিহাস চর্চা ও প্রগতিশীল সাহসিকতায়

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা শুধু একজন রাজনীতিক বা সংগঠক নন, তিনি একজন দায়িত্বশীল নাগরিক যিনি দেশের প্রথিতযশা, অবহেলিত ও অবরুদ্ধ কণ্ঠের পাশে দাঁড়িয়েছেন বারবার।

---

🏆 নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর পক্ষে নাগরিক অবস্থান

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস যখন রাষ্ট্রীয় অবজ্ঞা, রাজনৈতিক হয়রানি ও নানা মিথ্যা প্রচারণার মুখে পড়েন, তখন মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা অকুণ্ঠ সাহসে তাঁর পক্ষে অবস্থান নেন।

তিনি “আসুন, ড. ইউনুস ও গ্রামীণফোনের পাশে দাঁড়াই” শিরোনামে একটি ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ চালু করেন এবং তা থেকে ব্যাপক জনসমর্থন আদায় করেন।

সেই সময় তিনি ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ড. ইউনুস-এর পক্ষে অসংখ্য সভা, সমাবেশ ও সেমিনার আয়োজন করেন।

এমনকি ড. ইউনুসকে নিয়ে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর সাহসিকতা ও দায়িত্ববোধের অন্যতম উদাহরণ।

🎵 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে কাজ

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-কে নিয়ে ব্যাপক গবেষণা, অনুষ্ঠান আয়োজন এবং প্রচারণামূলক কাজ করেছেন।

তিনি বিশ্বাস করেন, নজরুলই বাঙালির স্বাধীনচেতা মননের প্রতীক, তাই নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলচেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

তিনি বিভিন্ন সাহিত্য পরিষদ ও নজরুলভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কবিকে স্মরণ ও অনুসরণের আহ্বান জানান।

📚 দার্শনিক আরজ আলী মাতব্বরের অনুসন্ধান

বাঙালি চিন্তাচেতনার অন্যতম বৈপ্লবিক দার্শনিক আরজ আলী মাতব্বর-এর জীবন, কর্ম ও দর্শনের প্রতি মঞ্জুর হোসেন ঈসার রয়েছে গভীর আগ্রহ।

তিনি আরজ আলী মাতব্বরের বাড়িতে স্বশরীরে গিয়ে তাঁর জীবনঘনিষ্ঠ ইতিহাস জানার চেষ্টা করেন।

ঈসা বিশ্বাস করেন, আরজ আলীর মত মুক্তবুদ্ধির মানুষদের চর্চা ও আলোচনা প্রগতিশীল সমাজ গঠনের জন্য অপরিহার্য।

🪔 উপসংহার

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা নিজের অবস্থান থেকে সত্য, মানবতা ও ইতিহাসের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন দৃঢ়ভাবে। তিনি যাঁদের পক্ষে কথা বলেছেন—তাঁরা অনেকে রাষ্ট্র বা মূলধারার বাইরে থেকেছেন, কিন্তু ঈসার বিবেক কখনো নিরব ছিল না।

নজরুল থেকে ইউনুস, ফজলুল হক থেকে ভাসানী—তাঁর এই বহুমাত্রিক অবদান ইতিহাসের পাতায় সম্মানসহকারে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

28/06/2025

প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৫তম জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এই দিনে ড. ইউনূসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশ-বিদেশের বহু ব্যক্তি, সংগঠন ও শুভানুধ্যায়ী।

28/06/2025
28/06/2025
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের ৮৫তম জন্মদিন আজ
28/06/2025

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের ৮৫তম জন্মদিন আজ

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৫তম জন্মদিন আজ। ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রা.....

Chief Adviser Professor Muhammad Yunus poses for photographs with dignitaries and participants at BIMSTEC Young Gen Foru...
04/04/2025

Chief Adviser Professor Muhammad Yunus poses for photographs with dignitaries and participants at BIMSTEC Young Gen Forum on the sidelines of BIMSTEC summit in Bangkok, Thailand on Thursday.

Address

Kakrail
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসুন আমরা ড. ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের পাশে দাঁড়াই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আসুন আমরা ড. ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের পাশে দাঁড়াই:

Share