SSMS SSMS
(সামাজিক স্বচ্ছলতামুলক মানবিক সোসাইটি )

📢  #জনস্বার্থে_বিশেষ_আবেদন_ও_বার্তা:  #গোপালপুর_মৌজার_কৃষক_ও_পথচারীদের_ভোগান্তি ন​অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ...
14/08/2026

📢 #জনস্বার্থে_বিশেষ_আবেদন_ও_বার্তা:
#গোপালপুর_মৌজার_কৃষক_ও_পথচারীদের_ভোগান্তি ন

​অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার আওতাধীন আলমপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডস্থ গোপালপুর মৌজায় সরকারি খাস পুকুর সংলগ্ন একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ক্রমাগত বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

​পুকুরের পাড় সঠিকভাবে না বাঁধা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমাগত মাটি ধসে রাস্তার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কৃষকদের নিজস্ব আবাদি জমির এক বৃহৎ অংশ পানির নিচে চলে যাচ্ছে।

​🚜 #বর্তমান_মূল_সমস্যাসমূহ:

​১. #কৃষকদের_চরম_দুর্ভোগ: মাঠের ফসল কাটা ও পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। রাস্তা না থাকায় উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে কৃষকদের নাভিশ্বাস উঠছে।

২. #পথচারীদের_যাতায়াত_বন্ধ: গত এক দশক ধরে নিকটস্থ হাট-বাজারে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের এই সহজ পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

৩. #আবাদি_জমি_বিনষ্ট: পুকুরের সীমানা প্রতিরক্ষা না করায় দিন দিন ব্যক্তিমালিকানাধীন কৃষি জমি পুকুরের পেটে চলে যাচ্ছে, যা অপূরণীয় ক্ষতি।

৪. মসজিদের সহজ রাস্তা বন্ধ: পুকুরের তিন দিকের বৃহৎ সীমানার পাড়ের ওপর দিয়ে মসজিদে যাতায়াতের রাস্তা একেবারে বন্ধ হওয়ার ফলে মুসল্লীদের ৫ ওয়াক্ত ও জুম আর সালাত আদায়ে চরম ভোগান্তি পেতে হয়।

​⚖️ #আইনি_ও_সরকারি_নীতিমালার_আলোকে:
সরকারি খাস জমি বা পুকুর ইজারা বা পত্তন দেওয়ার ক্ষেত্রে 'সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি' অনুযায়ী স্পষ্ট বিধান রয়েছে যে—

ক. ​ #ইজারাদার বা #পত্তনগ্রহীতা কোনোভাবেই পাশের জনপথ, সরকারি রাস্তা বা সাধারণ জনগণের স্বাভাবিক চলাচলের পথ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবেন না।

খ. ​ #পুকুরের_সীমানা_রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং পাশের আবাদি জমির যেন কোনো ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের।

গ. #সরকারি_সম্পত্তি_ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্ষতি সাধন করা বা জনপথ বিনষ্ট করা আইনত দণ্ডনীয় ও ইজারার শর্তভঙ্গের শামিল।

ঘ. সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ (Easement Act, 1882) এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908)-এর ২৬ ধারা অনুযায়ী সুখাধিকারের চরমভাবে লঙ্ঘিত

​🤝 #সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি (SSMS)-এর আহ্বান:

সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব স্বরুপ SSMS বিশ্বাস করে— সামাজিক সচেতনতা এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই পারে যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে।

​১. #ইজারাদার_ও_পত্তনগ্রহীতাদের_প্রতি_অনুরোধ: অবিলম্বে পুকুরের পাড় টেকসইভাবে বাঁধার উদ্যোগ নিন এবং অন্যের জমি ও চলাচলের পথ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।

২. #প্রশাসনের_দৃষ্টি_আকর্ষণ: আমরা উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি), এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি— সরেজমিনে তদন্তপূর্বক জনস্বার্থে রাস্তাটি উদ্ধার ও স্থায়ী পাড় নির্মাণের সুব্যবস্থা করুন।

৩. #এলাকাবাসীর_প্রতি_আহ্বান: নিজেদের অধিকার রক্ষায় আইনসম্মত ও প্রশাসনিক উপায়ে সোচ্চার হন।

#সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি( SSMS) সর্বদা মানবতার কল্যাণে ও কৃষকের পাশে দাঁড়াতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

🌱 প্রচারে: সামাজিক স্বচ্ছলতামূলক মানবিক সোসাইটি (SSMS)

🌟🌠 #আলহামদুলিল্লাহ_অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা! 💐⭐ #সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি (SSMS)-এর নতুন অগ্রযাত্রায় সাধারণ পরিষদ...
08/08/2026

🌟🌠 #আলহামদুলিল্লাহ_অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা! 💐⭐

#সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি (SSMS)-এর নতুন অগ্রযাত্রায় সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন
#মোঃ_আব্দুর_রউফ (সহকারী মৌলভী)
​আমাদের সোসাইটির সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করতে আপনার অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সোসাইটির পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক 🌹💐 #অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা।
ইনশাআল্লাহ! ​একসাথে পথচলার মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলবো একটি স্বচ্ছল, সুন্দর ও স্বাবলম্বী সমাজ।

 #আমার_উন্নতির_পাসওয়ার্ড_এক_অনাথ_মেয়ে​এমএস থিসিসটা আমাকে অনেক যন্ত্রণা দিচ্ছে। মানুষ কেন যে এমবিবিএস শেষ করে আবার এমএস ক...
08/08/2026

#আমার_উন্নতির_পাসওয়ার্ড_এক_অনাথ_মেয়ে
​এমএস থিসিসটা আমাকে অনেক যন্ত্রণা দিচ্ছে। মানুষ কেন যে এমবিবিএস শেষ করে আবার এমএস করতে যায়, এ প্রশ্ন আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। ল্যাব, সুপারভাইজারের অফিস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দফতরে হাঁটতে হাঁটতে আমার জুতা জোড়া ক্ষয় হয়ে যাওয়ার উপক্রম। বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার গলিটা ইতোমধ্যে আমার খুব আপন হয়ে উঠেছে; এর প্রতিটি বাসা, দোকান ও স্থাপনা আমার চিরচেনায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন দেখি, এ পথেরই একপ্রান্তে ছোট্ট চকির উপর কয়েকটি রুমাল বিক্রয়ের জন্য সাজিয়ে রেখে একটি মেয়ে খাতায় কী যেন লেখাজোকা করে। আমার ব্যস্ততা আমাকে নিত্যদিনের এ মনজুড়ানো দৃশ্যের শিশুটির সঙ্গে আলাপ করার ফুরসত দিচ্ছে না।
​একদিকে গবেষণা কর্মের মহাযজ্ঞ, অন্যদিকে বৈবাহিক জীবনের চার বছরও মা না হওয়ার যন্ত্রণায় আমি ছটফট করছি। স্বামী বেচারা সবকিছু স্বাভাবিকভাবে নিলেও পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ বাইরের মানুষের কানপড়া শুনে আমার সঙ্গে ভিন্ন আচরণ করছেন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মেডিকেল পড়াশুনার সর্বস্তরে মেধাবী ছাত্রী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতি বুদ্ধিমত্তার সাথে সামনে নিতে পারার যোগ্যতার কারণে প্রশংসিত ছিলাম। আল্লাহর এ বিশেষ অনুগ্রহ আমার জীবনকে সুখময় করে তুলেছে। এজন্য একটুতেই আমি ঘাবড়ে যাই না।
​ইদানীং রুমাল বিক্রেতা শিশুটি আমার মনের জগতে সামান্য হলেও স্থান করে নিয়েছে। দিন দিন তার প্রতি কেন জানি আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন সে একই ভঙ্গিতে, একই জায়গায় বসে কী লেখে, তা জানা যেন আমার একান্ত প্রয়োজনে পরিণত হলো। আজ ইচ্ছা করেই কয়েক মিনিট আগে বাসা থেকে বের হলাম, ওর সঙ্গে কথা বলে ওর অজানা অধ্যায় আবিষ্কার করতে চাই। কাছাকাছি এসে দেখলাম, যথারীতি সে চকির উপর রুমালের পসরা সাজিয়ে খাতায় লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত। আমি রুমাল কেনার অসিলায় তার সাথে কথা বলা শুরু করলাম, "তুমি কী করছ?" সে তার মাথা না তুলেই উত্তর দিল, "হোমওয়ার্ক। মা ফিরে আসার আগে আমার হোমওয়ার্ক শেষ করার চেষ্টা করছি।"
​— তোমার আম্মু কোথায়?
— আশেপাশের কোনো বাসায় সিঁড়ি ধোয়া-মোছার জন্য গিয়েছেন।
— তুমি স্কুলে যাও?
— হ্যাঁ, আব্বু মারা যাওয়ার পর মা আমাকে স্কুলে যেতে বাধ্য করেছেন।
— তোমার কি অন্য ভাই-বোন আছে?
— আছে, তিন বোন, দুই ভাই।
— তারা কোথায়?
— আমার বড় বোন বাচ্চাদের সাথে সঙ্গ দিয়ে তাদের হোমওয়ার্ক তৈরিতে সাহায্য করে। আমার ভাই সালেম গাড়ির ওয়ার্কশপে কাজ করে এবং অন্য ভাই ইব্রাহিম গাড়ি মোছে।
​তার সঙ্গে আমার অনেক কথা হলো। আমি তাকে রুমালের দামের চেয়েও বেশি কিছু টাকা দিতে চাইলাম, কিন্তু সে কোনো অবস্থাতেই তা গ্রহণ করল না। তবে এই সুযোগে আমি জেনে গিয়েছিলাম যে, সে এই তল্লাটের প্রাইমারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
​ঠিক পরের দিন আমি তার স্কুলে গিয়ে তাকে খুঁজলাম। ক্লাস রুমে দেখলাম সে একা একা বসে আছে। তার কোনো বন্ধু নেই। স্কুলের শিক্ষিকা আমাকে জানালেন, কেউ তার সাথে মিশতে চায় না। কারণ, তার জামাগুলো অনেক পুরাতন এবং ব্যক্তিগত খরচ করার মতো আলাদা কোনো পয়সা নেই। তবে সে অসাধারণ মেধাবী এবং পড়ালেখায় তার কোনো জুড়ি নেই।
​বিষয়টি আমাকে অনেক ভাবিয়ে তুলল। আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার শরণাপন্ন হলাম। তাকে প্রস্তাব করলাম, এই মেয়েটি যেহেতু দান-সদকা গ্রহণ করতে রাজি নয়, আপনি তাকে সেরা ছাত্র হিসেবে পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। যে পুরস্কারের মধ্যে খাতা, কলম, পাঠ্যউপকরণ, নতুন স্কুল ড্রেস এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিস থাকবে। প্রধান শিক্ষিকা আমার প্রস্তাব সাদরে গ্রহণ করলেন এবং চাওয়া মাত্রই মেয়েটির বাসার ঠিকানাও দিয়ে দিলেন।
​সেদিন যখন আমি বাসায় ফিরি, তখন আমার মধ্যে বেশ খুশির ঝলক কাজ করছিল যে, নিশ্চয়ই মেয়েটি খুবই আনন্দিত হবে। রাতের খাবার গ্রহণের সময় আমার স্বামীকে কেমন যেন মনে হচ্ছিল, বিষণ্ণ মনমরা! একেবারেই চুপচাপ। আমি তার এ অবস্থার কারণ জানার চেষ্টা করলাম, কিন্তু সে কোনো কথা বলল না। ধারণা করলাম, চার বছর যাবৎ কোনো সন্তান না হওয়ার কারণে হয়তো তার পরিবারের কেউ কিছু বলেছে। আমি চিন্তা করব দেখে হয়তো সে আমাকে কিছু জানাতে চাচ্ছে না।
​পরের দিন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পূর্বে মেয়েটির বাসায় গেলাম এবং তার মাকে জানালাম, আমি প্রতি মাসে মেয়েটির পড়াশোনার জন্য কিছু সহযোগিতা করব। তবে আপনি মেয়েকে জানাবেন, এটি স্কুল থেকে তাকে বৃত্তি হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। কেননা সে সেরা ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে।
​তার মা যারপরনাই খুশি হলো। কারণ এমন একটি সহযোগিতা তার খুবই প্রয়োজন ছিল। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ তার সাথে দানের এ ওয়াদা পালন করে চলেছি এবং এ সময়ে আমি চারিদিক থেকে বরকতে সিক্ত হয়েছি। আমি যেভাবে যা চেয়েছি, আল্লাহ তাআলা আমাকে আমার সেসব চাওয়া-পাওয়ায় পরিণত করেছেন সেভাবেই।
​আমি ইতোমধ্যে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মা হয়েছি। মাস্টার্স ডিগ্রির পর এমডি ডিগ্রিও অর্জন করেছি। আমার স্বামী তার কর্মক্ষেত্রে কয়েকবার পদোন্নতি পেয়েছেন। আমাদের জীবনধারায় অনেক অনেক পরিবর্তন এসেছে। এত কিছু কীভাবে সম্ভব হলো, তা কেউ এমনকি আমার স্বামীও জানেন না। অবশ্য আমি জানি ওই মেয়েটির জন্য যে নিয়মিত সহযোগিতা দিচ্ছি, তার বিনিময়ে আল্লাহ আমাকে ও আমার চারিধারকে বরকতময় করে দিয়েছেন। এমনকি আমি দেখেছি, যখন আমি তার পিছনে বেশি বেশি খরচ করি, তখন আমাদের উন্নতিটাও ততবেশি হয়।
​বর্তমানে মেয়েটি আমারই মেডিকেল কলেজে আমার ক্লাসের প্রথম সারিতে বসে থাকে। মেধা, স্বকীয়তা ও সৃজনশীলতায় সে সবার শ্রেষ্ঠ। অথচ সে জানে না, আমি শৈশব থেকে তার সাথেই আছি। সে এটিও জানে না যে, আমার জীবনের সফলতার গল্পের সেই নায়িকা, সে-ই আমার সব উন্নতির পাসওয়ার্ড।
​(উৎস: প্রেরণার পাঠ)

 #প্রতিবন্ধকতা_জয়_করার_এক_অনুপ্রেরণাদায়ক_গল্প​নেপোলিয়ন হিলের বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ "থিংক অ্যান্ড গ্রো রিচ" থেকে নেওয়া একট...
07/08/2026

#প্রতিবন্ধকতা_জয়_করার_এক_অনুপ্রেরণাদায়ক_গল্প

​নেপোলিয়ন হিলের বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ "থিংক অ্যান্ড গ্রো রিচ" থেকে নেওয়া একটি #চমৎকার_শিক্ষণীয়_গল্প:

#নেপোলিয়ন_হিলের একটি ছেলে জন্মগ্রহণ করেছিল যে জন্মগতভাবেই কানে শুনতে পেত না। চিকিৎসকরা ঘোষণা করেছিলেন যে, ছেলেটি সারা জীবন কালা থাকবে এবং হয়তো কখনো কথাও বলতে পারবে না। কিন্তু নেপোলিয়ন হিল চিকিৎসকদের সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানান এবং মনে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করেন যে, তাঁর ছেলে কানে শুনবে এবং কথাও বলবে। এই ইচ্ছা থেকে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও পিছু হটেননি।

​আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবার ও শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট মনোযোগে আস্তে আস্তে ছেলেটির শোনার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সাত বছর বয়সে সে প্রথম প্রমাণ করে যে, নিজের প্রতি অটল বিশ্বাস এবং অদম্য আকাঙ্ক্ষা কতটা শক্তিশালী হতে পারে।

একদিন যখন বাড়িত কেউ ছিল না, সে কিচেনের জানালা দিয়ে পালিয়ে বের হয়ে প্রতিবেশী এক মুচির কাছ থেকে মাত্র ৬ সেন্ট ধার নেয়। সেই টাকা দিয়ে সংবাদপত্র কেনে এবং তা বিক্রি করে আবার নতুন কাগজ কেনে। এভাবে রাত পর্যন্ত কাজ করে ধারের টাকা শোধ দেওয়ার পর তার নিট লাভ দাঁড়ায় ৪২ সেন্ট।

#নেপোলিয়ন_বলেন: "আমরা রাতে বাড়ি ফিরে দেখি ও ঘুমাচ্ছে, মুঠোয় শক্ত করে ধরা জীবনের প্রথম উপার্জন।

ওর মা ছেলের মুঠো খুলে টাকা দেখে চেঁচিয়ে উঠলো। ছেলে এমন দারুণ একটা কাজ করেছে কোথায় খুশি হবে তা না, কান্নাকাটি করে শেষ! আমার প্রতিক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। আমি হো হো করে হাসছিলাম।কারণ বাচ্চার মনে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার যে প্রচেষ্টা আমি এতোদিন চালিয়ে এসেছি আজ তা সফল হলো।

তার মার কান্নাকাটি করার কারণ, সে তো ব্যাপারটি দেখেছে এইভাবে--একটি বোবা-কালা ছোট্ট শিশু রাস্তায় গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপার্জন করছে। কিন্তু আমি ওকে দেখেছি একজন সাহসী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং আত্মবিশ্বাসী খুদে ব্যবসায়ী হিসেবে যার ভিতরকার যোগ্যতা শতভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ সে নিজের উদ্যোগে নেমে পড়েছিলো ব্যবসায় এবং জিতেও গেছে। আমি তার এই রুপান্তরে খুশি কারণ জানতাম এটি তাকে যে দক্ষতা দিয়েছে ডা সারাজীবন সে কাজে লাগিয়ে চলতে পারবে।"

​💡 #শিক্ষা:

পরিস্থিতি বা শারীরিক সীমাবদ্ধতা যতই কঠিন হোক না কেন, নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো বাধাই জয় করা সম্ভব। দৃষ্টিভঙ্গিই একজন মানুষকে সাধারণ থেকে অসাধারণে পরিণত করে।

এভাবেই গড়ে উঠুক সমাজের সর্বত্র মানবিক উদ্যোগ.......
06/08/2026

এভাবেই গড়ে উঠুক সমাজের সর্বত্র মানবিক উদ্যোগ.......

With Mango Forest – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
01/08/2026

With Mango Forest – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

01/08/2026
 #সামাজিক_ব্যবসা_( ): #টেকসই  #সমাজ_গঠনের_এক_নতুন_বার্তাঃরাসূল সাঃ এর নিকট আগত জনৈক আনসারি সাহাবীর ভিক্ষাবৃত্তি এবং তার ...
29/07/2026

#সামাজিক_ব্যবসা_( ): #টেকসই #সমাজ_গঠনের_এক_নতুন_বার্তাঃ
রাসূল সাঃ এর নিকট আগত জনৈক আনসারি সাহাবীর ভিক্ষাবৃত্তি এবং তার একমাত্র সম্বল কম্বল-বাটি দুই দিরহামে বিক্রি করে ১ দিরহামে পরিবারের খরচ আর এক দিরহামে কুটার কিনে ১৫ দিনে ১০ দিরহাম উপার্জনে সাবলম্বী হওয়ার ঘটনা আমাদের সকলের জানা।
অথচ ​আমরা অনেকেই কল্যাণমূলক কাজের কথা ভাবলেই অনুদান বা দানের কথা চিন্তা করি। কিন্তু প্রচলিত দাতব্য কার্যক্রম মূলত "একমুখী রাস্তা"—যেখানে অনুদানের অর্থ একবার খরচ হয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। অন্যদিকে, #সামাজিক_ব্যবসা হলো এমন একটি স্বনির্ভর ও টেকসই উদ্যোগ, যা কোনো সামাজিক বা পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।
​এখানে ব্যক্তিগত লাভের কোনো সুযোগ থাকে না, তবে সামাজিক পরিবর্তনের এক অফুরন্ত আনন্দ ও তৃপ্তি থাকে।

​🌟 #সামাজিক_ব্যবসা_কেন_ব্যতিক্রমী_ও_শক্তিশালী?

​১. #বিনিয়োগের_টাকা_অমরঃ সামাজিক ব্যবসায় মূলধন একবার বিনিয়োগ করার পর তা বার বার ব্যবহার করা যায়। অর্জিত মুনাফা প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ ও জনকল্যাণেই পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়।

২. #স্বনির্ভরতাঃ এই ধরনের উদ্যোগ সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালনা ব্যয় মেটায়, ফলে এটি কারো দয়া বা অনুদানের ওপর নির্ভরশীল থাকে না।

৩. #মেধা_ও_দক্ষতার_সঠিক_বিকাশঃ তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কেবল অর্থ নয়, বরং তাদের মেধা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মানে ভূমিকা রাখতে পারে।

​📌 #সামাজিক_ব্যবসার_৭টি_মূলনীতিঃ

​১. #সুনির্দিষ্ট_সামাজিক_লক্ষ্যঃ দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত সমস্যার মতো সুনির্দিষ্ট সামাজিক সংকট সমাধানের লক্ষ্যে এই ব্যবসা পরিচালিত হয়।
​২. #অর্থনৈতিক_সক্ষমতা_অর্জনঃ প্রতিষ্ঠানটি আর্থিকভাবে আত্মনির্ভরশীল ও স্থায়িত্বশীল হবে।
​৩. #লভ্যাংশহীন_বিনিয়োগঃ বিনিয়োগকারী কেবল তার মূল অর্থ ফেরত পাবেন, কোনো অতিরিক্ত লভ্যাংশ (Dividend) গ্রহণ করবেন না।
​৪. #মূলধনের_পুনঃবিনিয়োগঃ মূল অর্থ ফেরত দেওয়ার পর অর্জিত মুনাফা ব্যবসার সম্প্রসারণ ও কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
​৫. #পরিবেশবান্ধবঃ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অবশ্যই পরিবেশের উপযোগী ও টেকসই হতে হবে।
​৬. #ন্যায়সংগত_কর্মপরিবেশ_ও_বেতনঃ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভালো কর্মপরিবেশের পাশাপাশি বাজারে প্রচলিত উপযুক্ত বেতন-ভাতা পাবেন।
​৭. #আনন্দের_সাথে_কাজঃ সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ততা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে ব্যবসা পরিচালনা করা হবে।

​🌱 #আমাদের_ভাবনাঃ
#সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি(SSMS) এর টেকসই উন্নয়ন এবং একটি স্বচ্চল ও স্বাবলম্বী সমাজ বিনির্মানে #সামাজিক_ব্যবসার এই দর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, অনুদানকেন্দ্রিক চিন্তার বাইরে এসে এমন উদ্যোগ গড়ে তুলি যা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের সমাজকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।

🌟🌠 #আলহামদুলিল্লাহ_অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা! 💐⭐ #সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি (SSMS)-এর নতুন অগ্রযাত্রায় সাধারণ পরিষদ...
29/07/2026

🌟🌠 #আলহামদুলিল্লাহ_অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা! 💐⭐

#সামাজিক_স্বচ্ছলতামূলক_মানবিক_সোসাইটি (SSMS)-এর নতুন অগ্রযাত্রায় সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন
#মোঃ_উমর_ফারুক (ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং)
​আমাদের সোসাইটির সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করতে আপনার অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সোসাইটির পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক 🌹💐 #অভিনন্দন_ও_শুভেচ্ছা।
ইনশাআল্লাহ! ​একসাথে পথচলার মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলবো একটি স্বচ্ছল, সুন্দর ও স্বাবলম্বী সমাজ।

Address

Khetlal Joypurhat
Joypurhat
5920

Telephone

+8801965130576

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SSMS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SSMS:

Shortcuts

Share