KU Insiders

KU Insiders Educate | Entertain | Empower | Inspire

From memes to movements — we share knowledge, spark conversations, and stand for social change.
(932)

Join us in blending laughter, learning, and leadership.

22/05/2026

গুগলকে বললাম বাংলাদেশে ধর্ষ*ণের জন্য সর্বশেষ কত সালে ফাঁসির রায় বাস্তবায়ন হয়েছে? গুগল বলল,

"স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সরাসরি সাধারণ ধর্ষণ বা ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে কোনো আসামির ফাঁসির রায় কার্যকরের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আদালত বেশ কয়েকটি ধর্ষণের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, তবে রায়গুলো উচ্চ আদালতে আপিল বা বিচারাধীন থাকায় তা এখনও কার্যকর হয়নি।"

এই দেশের মানুষ তাহলে বলুন কেনো সরাসরি বিচার চাইবে না?কোন ভরসাতে ফেলে রাখবে? দেশের বিচার ব্যবস্থা দেখেছেন। নেতারা কি জঘন্য হয়ে উঠেছে।১৩-১৬ বছরের মেয়ে শিশু খুঁজছে মনোরঞ্জনের জন্য।নারী অধিকার নিয়ে কত সংগঠন আছে কত কত কথা আছে।কিন্তু নারীর সংকটে কি তা কাজে লাগে আদেও?নারীর অধিকারকি শুধু নারীকে পন্য হিসেবে শো অফ করার সময়ে?

এখানে নেতার মনোরঞ্জনে রাখতে হয় ১৩-১৬ বছরের শিশুকে।আবার ধ-র্ষণের বিচার চাইতে গেলে তাঁদের উপরই লাঠিচার্জ করা হয়!আবার এটাও ...
22/05/2026

এখানে নেতার মনোরঞ্জনে রাখতে হয় ১৩-১৬ বছরের শিশুকে।আবার ধ-র্ষণের বিচার চাইতে গেলে তাঁদের উপরই লাঠিচার্জ করা হয়!আবার এটাও বলা হয় আমরা এখন মধ্যযুগে নেই যে প্রকাশ্যে ধ-র্ষণের বিচার করব।বলি আপনার সংবিধান আর আধুনিকতা আপনার পশ্চাৎদেশে ঢুকিয়ে রাখুন।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে এক  বিক্...
21/05/2026

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে এক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। পুলিশের সাথে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেন, যার ফলে ডজনখানেক মানুষ আহত হন।

ছবি: মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন/টিবিএস

TWO TWO
21/05/2026

TWO TWO

21/05/2026
21/05/2026

Mental Health Right Now😞

21/05/2026

"অনেক দম্পতি আছে যাদের সন্তান নাই,শুকরিয়া আল্লাহ দিছে,আল্লাহ নিয়ে গেছে–আমার কোনো কষ্ট নেই"।

Video | collected

বংশপরম্পরায় ওয়েলিং!
21/05/2026

বংশপরম্পরায় ওয়েলিং!

বিচারবহির্ভূত হত্যার এইদেশে বিচার চাওয়া মানে নিজের সাথে প্রহসন করা।
20/05/2026

বিচারবহির্ভূত হত্যার এইদেশে বিচার চাওয়া মানে নিজের সাথে প্রহসন করা।

20/05/2026

সবাই খুশি আমিও খুশি🙏

আজ ২০ মে, ঐতিহাসিক চুকনগর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আজকের দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী চুকনগরের বিভি...
20/05/2026

আজ ২০ মে, ঐতিহাসিক চুকনগর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আজকের দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী চুকনগরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে ১০/১২ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছিল। বিশ্বের স্বাধিনতা যুদ্ধেও গণহত্যার ইতিহাস গুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এটাই বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণহত্যা। বিশ্বের আর কোথাও স্বাধিনতার জন্যে এত অল্প সময়ে একসাথে এত মানুষকে প্রাণ দিতে হয়নি।

যেভাবে সংঘটিত হয় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া,চালনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারা খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর থেকে সাতক্ষীরা হয়ে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ জন্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে ১৯ মে রাতের মধ্যে সবাই চুকনগরে এসে পৌছায়। খুলনা জেলা সদর থেকে ৩০ কি.মি. দূরে অবস্থিত চুকনগর। ওই দিন রাতে কয়েক হাজার মানুষ চুকনগরের পাতোখোলা বিল, কাঁচাবাজার, মাছবাজার, কাপুড়িয়া পট্টি, গরুহাটা, কালী মন্দিরসহ বিভিন্নস্থানে অবস্থান করতে থাকে। রাতটা এখানে পার করে সকালে কিছু মুখে দিয়ে রওনা হবে ভারতের উদ্দেশ্যে। পর দিন ২০ মে খুব ভোরে কেউ কেউ চুকনগর ছেড়ে রওয়ানা হয়ে যাবে, তবে অধিকাংশরা সকালের খাওয়া দাওয়া শেষে রওনা হবে। এজন্যে সকালে তারা রান্না- বান্নার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। কারও রান্না ততক্ষণে শেষও হয়েছে। কেউ বা ভাতের থালা নিয়ে বসে পড়েছে। ঠিক এমনই মুহুর্তে সাতক্ষীরা থেকে পাক বাহিনীর ১টি ট্রাক ও ১টি জীপ চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়ক ধরে মালতিয়া মোড়ের ঝাউতলায় এসে হঠাৎ থেমে যায়। রাস্তার পাশে পাট ক্ষেতে কাজ করছিলেন মালতিয়া গ্রামের চিকন আলী মোড়ল নামে এক বৃদ্ধ। গাড়ীর শব্দে তিনি উঠে দাঁড়ালে পাক বাহিনী তাকে প্রথমে গুলি করে হত্যা করে, এর পর একই গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ কুন্ডুকেও গুলি করে মারা হয়।এর পর তারা বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করতে থাকে নিরিহ মানব সন্তানদের। নারী, শিশু, বৃদ্ধ কাউকে তারা রেহাই দেয়নি সেদিন। গুলির শব্দে আর এখানে জড়ো হওয়া নারী-পুরুষের আর্তচিৎকারে আতংকিত হয়ে পড়ে আশ পাশের গ্রামের মানুষেরা। ভারী হয়ে ওঠে সমগ্র এলাকার পরিবেশ। চারিদিকে শুধু কান্নার শব্দ, হুড়োহুড়ি আর দৌড়াদৌড়ি। এরপর সবকিছুই একসময় নীরব হয়ে যায়। তখন চারিদিকে তাকাতেই চোখে পড়ে মানুষের লাশ আর রক্ত। পাকিস্থানী হানাদাররা সেদিন চুকনগর বাজার, কালী মন্দিরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঢুকে নিরস্ত্র নিরীহ মানুষকে অকাতরে গুলি করে মেরেছে। কোথাও লুকিয়ে ওদের হাত থেকে কেউ রেহাই পায়নি। চুকনগর সেদিন এক মৃতপুরীতে পরিণত হয়।

পাকিস্থানীদের এই তান্ডবলীলা ২/৩ ঘণ্টা ধরে চলেছিল বলে জানা যায়। সেদিন মানুষের আর্তচিৎকার ও দৌড়া দৌড়িতে পায়ের তলায় পিষ্ট হয়েও মরেছে অনেক শিশু ও বৃদ্ধ। কত শিশুকে তার মা ফেলে পালিয়েছে। কিন্তু তারা কেউ বাঁচতে পারেনি। অনেক শিশু মৃত মায়ের বুকের উপর স্তন পান করেছে। কিন্তু সে বুঝতে পারেনি যে ততক্ষনে তার জন্মধাত্রী মা চলে গেছে না ফেরার দেশে। অসহায় মায়ের কোলে শিশুর লাশ। মাকে হারিয়ে কত শিশু অসহায়ের মত বসে কাঁদছে এমনই সব দৃশ্য সেদিন দেখেছিল এলাকার মানুষ। পাক সেনাদের তান্ডবে চুকনগরের ধুসর মাটি আর সবুজ ঘাস মুহূর্তের মধ্যে লাল হয়ে উঠেছিল। চুকনগর বাজারের চুকনগর বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ভদ্রা নদীতে ছিল লাশের বহর। ভদ্রা নদীর পানির সাথে একাকার হয়ে গিয়েছিল মানুষের তাজা রক্ত। কোথাও পা দেয়ার জায়গা নেই। চুকনগর বাজারের অলিতে গলিতে শুধু লাশ আর লাশ। হানাদার বাহিনীর বর্বর পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর চুকনগর বাজার শকুন ও কুকুরের দখলে চলে যায়। অনেক মৃতপ্রায় ব্যক্তিকে নিয়ে টানাটানি করেছে শকুন আর কুকুর। এই করুন দৃশ্য কখনও ভুলবার নয়। শত শত বছর ধরে এই হত্যাকান্ডের তথ্য মানুষ স্মৃতিতে রাখবে। সেদিন চুকনগরে প্রায় ৯/১০ হাজারের মত মানুষকে তারা নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষ দর্শীদের বিবরনে জানা গেছে। চুকনগরের এ নৃশংস ঘৃন্যতম দৃশ্য পৃথিবীর ইতিহাসে সব গণহত্যার চেয়ে বর্বর বলে অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি নিষ্ঠুর ও জঘন্যতম দিন। অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এটি নিষ্ঠুর ও জঘন্যতম দিন। এ দিনটি শুধু চুকনগরের জন্য নয় বাংলাদেশের জন্য একটি ভয়াল ও শোকাবহ দিন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য চুকনগর গণহত্যার ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থান পায়নি । এ জন্যে ২০ মে কে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

Address

Khulna

Website

https://facebook.com/groups/420579531016997/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KU Insiders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share