Ertugrul Gazi Foundation

Ertugrul Gazi Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ertugrul Gazi Foundation, Nonprofit Organization, Jamalpur Sadar Upazila.

13/10/2022

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ভাষণ দিলেন। উক্ত ভাষণে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে তার সমস্ত কিছুই বর্ণনা করেন। তাঁর সেই ভাষণটি যারা ভুলে যাওয়ার তারা ভুলে গিয়েছে।

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১ ]

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। প্রশ্ন: আশুরা কী?এর রোজা কয়টি? কোন দিন রাখতে হয়?উত্তর: ইসলামি ইতিহাসে ...
30/07/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
প্রশ্ন: আশুরা কী?
এর রোজা কয়টি?
কোন দিন রাখতে হয়?

উত্তর: ইসলামি ইতিহাসে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মুহররমের দশ তারিখকে আশুরার দিন বলা হয়। ৬১ হিজরি সালের এ দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। তা ছাড়া, ইসলামপূর্ব যুগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও এই দিনে ঘটেছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনা হলো-আশুরার দিনে হজরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়। হজরত নুহ (আ.) মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পান, হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান, মুসা (আ.)-কে তাড়া করতে গিয়ে ফেরাউন নদীতে ডু**বে মা**রা যায় এবং হজরত ঈসা (আ.) এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।

আশুরার দিনে রোজা রাখায় বড় ফজিলত রয়েছে। স্বয়ং রাসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবায়ে কেরাম এ দিনে রোজা রেখেছেন এবং সবাইকে এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। হাদিস শরিফে এসেছে, সাহাবি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন-মহানবী (সা.) বলেছেন, রমজানের রোজার পর সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।

আশুরার রোজা মূলত ১০ মুহররমের রোজা হলেও এই দিনের সঙ্গে মিলিয়ে আরও একটি রোজা রাখার ব্যাপারে হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন-

তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ এবং তাতে ইহুদিদের বিরোধিতা করো। আশুরার আগে একদিন বা পরে একদিন রোযা রাখ। (সহিহ ইবনে খুযাইমা, হাদিস নং ২০৯৫)।

এজন্য ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ দুইদিন রোজা রাখা উত্তম। অবশ্য কেউ যদি শুধু ১০ মুহররম রোজা রাখে তবে সেটিও আশুরার রোজা হিসেবেই গণ্য হবে। তবে হাদিসের নির্দেশনার ওপর আমল না করার কারণে মাকরূহ তথা অনুত্তম হবে।



তথ্যসূত্র- ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৪১৮, বাদায়েউস সানায়ে ২/২১৮, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৬৫, আলবাহরুর রায়েক ২/২৫৭, রদ্দুল মুহতার ২/৩৭৫।

📢 আজ জিলহজ্জ মাসের ৩০ তারিখ, আজ মাগরিবের পর থেকে মোহাররম মাস শুরু হবে।

আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে মোহাররম মাসের রোজা রাখার তাওফিক দান করুক।
🕋🕋আমী-ন🕋🕋

হিজরী ১৪৪৪!হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা!নতুন হিজরী বর্ষে আমাদের জীবনে আসুক— শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তির বার্তা।
30/07/2022

হিজরী ১৪৪৪!

হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা!

নতুন হিজরী বর্ষে আমাদের জীবনে আসুক— শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তির বার্তা।

"মেহমানদারি একেই বলে"পাঁচ হাজার বছর ধরে চলছে নবী ইব্রাহিম (আঃ) এর মেহমানদারি : যে শহরে কেউ ক্ষুধার্ত থাকে না!না ; এটি কু...
28/07/2022

"মেহমানদারি একেই বলে"

পাঁচ হাজার বছর ধরে চলছে নবী ইব্রাহিম (আঃ) এর মেহমানদারি : যে শহরে কেউ ক্ষুধার্ত থাকে না!
না ; এটি কুয়েত, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন বা ওমানের কোন শহর নয়। এটি ফিলিস্তিনের ছোট একটি শহর ‘মদীনাতু খলীল বা খলীল শহর।’ এখানে একটি মসজিদ আছে তা মসজিদে ইব্রাহীম নামে পরিচিত।
মসজিদ সংলগ্ন একটি রেষ্ট হাউস বা মুসাফিরখানা, এখানে গমগুঁড়া ও গোশত মিশিয়ে ওদেশের জাতীয় খাবার তৈরি করা হয়, প্রতিদিন দুপুরে ৫০০ থেকে ৩০০০ পরিবারের সদস্যরা পরিতৃপ্তির সাথে খাবার খেয়ে থাকেন।
এই খানা তৈরি ও পরিবেশনের জন্য একটি দাতব্য সংস্থা যুগ যুগ ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, শহরের বিত্তবানদের সহায়তায় বছরের প্রতিদিনই এই কর্মসূচি চালু আছে, উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে সুলতান সালাহউদ্দিন আইউবী পরবর্তী সময়ে সুলতান কালূন সালেহী ১২৭৯খৃ: সালে এই মুসাফির খানা আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করেন, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ সিলসিলা চালু আছে নবী ইব্রাহিম খলিলের যামানা থেকেই, কারণ তিনি মেহমান ছাড়া খাবার খেতে বসতেন না।
তাকিয়ায়ে ইবরাহিমী নামে পরিচিত এই খাবার খাওয়ার জন্য দূর থেকেও মুসাফির সমবেত হয়ে থাকেন, তাদের থাকার জন্য অত্যাধুনিক রেষ্ট হাউস আছে, মসজিদে ইব্রাহিমীর সম্প্রসারন ও সংস্কারের জন্য মুসাফির খানাও একটু দূরে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং এটিও আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, খাবার পরিবেশন সহজিকরণ ও ভিড় এড়াতে আগ্রহী পরিবার গুলোকে পাঁচজন লোকের খাবার নেয়ার মত বড় পাত্র নিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে বলা হয়ে থাকে।
হযরত ইব্রাহিম খলিল আলাইহিস সালাম এর মেহমানদারি পাঁচ হাজার বছর ধরে বংশানুক্রমে চলে আসছে, সুতরাং মুসলিম উম্মাহর প্রতিটি পরিবার যদি মেহমানদারির এই সুন্নাহ চালু রাখতে সচেষ্ট হন, তবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম হয়তো তা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
খলীল শহরের দানশীল ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এখানে কেউ ক্ষুধার্ত থাকলে আমরা লজ্জিত হবার ভয়ে আপ্রান চেষ্টা করি, আল্লাহর রহমতে কখনো কোন অসুবিধা হয় না।

সংগৃহীত

Address

Jamalpur Sadar Upazila
2000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ertugrul Gazi Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share