আসহাবে কাহফঃএকটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান

  • Home
  • আসহাবে কাহফঃএকটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান

আসহাবে কাহফঃএকটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান আপনার পছন্দের যেকোনো ইসলামি বই আমাদের থেকে ধার নিয়ে পড়তে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

11/03/2024

রমাদানের চাঁদ দেখা গেছে। শুরু হলো সিয়াম সাধনা ও তাকওয়ার মাস।

আপনার রমাদান হোক ওদের পণ্যমুক্ত রমাদান। হোক সেটা ফাস্ট ফুড, কোল্ড ড্রিংস কিংবা প্রসাধনী বা অন্য কিছু। দেশি পণ্য দামে বেশি এবং মানে দুর্বল হলেও অসহায় শিশু ও মজলুম ভাইদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে সেগুলোই ব্যবহার করুন।

আমাদের ঘর রাখব ওদের পণ্য থেকে পবিত্র—এটা হোক এই রমাদানের অঙ্গীকার।

-আহমাদুল্লাহ হাফিঃ

04/03/2024

বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করা ছেড়ে দেওয়া সন্তানের জীবনকে সংকীর্ণ করে দেয়।
- সাফারীনী (রাহিমাহুল্লাহ)
[গিযাউল আলবাব: ১/৩৯০]
(ترك الدعاء للوالدين؛ يُضيق العيش على الولد)

সংগৃহীত

ছবিটি দেখে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর একটা ঘটনা মনে পড়লো...একদিন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন একাকী বসে আছেন, তিনি...
22/02/2024

ছবিটি দেখে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর একটা ঘটনা মনে পড়লো...
একদিন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন একাকী বসে আছেন, তিনি হাসছিলেন, আবার কাঁদছিলেন। লোকেরা তার এ অবস্থা দেখে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কেন এমনটি করছিলেন ?
“তিনি বলেন, আমি হাসছিলাম আমার জাহেলী জীবনের একটি ঘটনা মনে করে। ঘটনাটি হলো, এক দিন আমরা সফরে বেরিয়েছিলাম। কিছুটা দূর অঞ্চলে। রাত হয়ে গেলে আমার মন চাইলো একটু ইবাদাত করতে। তখন আমাদের সকলেরই বহনযোগ্য ছোট্ট একটি মুর্তি থাকতো, যেটিকে আমরা সফরে যাওয়ার সময় সাথে নিয়ে যেতাম ইবাদাত করার জন্য। আমার হঠাৎ খেয়াল হলো যে আমি আমার মুর্তিটিকে সাথে আনিনি। ভাবতে লাগলাম কিভাবে একটু ইবাদাত করা যায়। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। আমি আমার কাছে থাকা খেজুরগুলোকে মণ্ড করে তা দিয়ে একটি মুর্তি বানালাম এবং তার পুজা করলাম! এরপর রাতে আমার ক্ষুধা পেলো। কিন্তু খাবার কিছু নেই। যে খেজুর সাথে ছিলো তা দিয়ে তো মুর্তি বানিয়েছি। কিছুক্ষন সহ্য করলাম। এরপর যখন ক্ষুধাটা একটু বেড়ে গেলো, খেজুরের মণ্ড দিয়ে বানানো মুর্তিটিকে ভেঙ্গে খেয়ে ফেললাম! এই ঘটনা মনে করে আমি হাসছিলাম। আমরা এতোটা বুদ্ধি বিবেচনাহীন কিভাবে হতে পারলাম ? কি করে এত নীচু প্রকৃতির ধ্যান ধারণা দিয়ে আমরা চালিত হতাম!

আর কাঁদছিলাম এটা মনে করে যে আল্লাহ যদি আমাকে হেদায়াত না দিতেন তাহলে আমার কী পরিণতি হতো সেটা ভেবে!
নিজের অজান্তেই শিরকে লিপ্ত পুরা জাতি। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।

ছবিটি দেখে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর একটা ঘটনা মনে পড়লো...একদিন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন একাকী বসে আছেন, তিনি...
22/02/2024

ছবিটি দেখে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর একটা ঘটনা মনে পড়লো...
একদিন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন একাকী বসে আছেন, তিনি হাসছিলেন, আবার কাঁদছিলেন। লোকেরা তার এ অবস্থা দেখে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কেন এমনটি করছিলেন ?
“তিনি বলেন, আমি হাসছিলাম আমার জাহেলী জীবনের একটি ঘটনা মনে করে। ঘটনাটি হলো, এক দিন আমরা সফরে বেরিয়েছিলাম। কিছুটা দূর অঞ্চলে। রাত হয়ে গেলে আমার মন চাইলো একটু ইবাদাত করতে। তখন আমাদের সকলেরই বহনযোগ্য ছোট্ট একটি মুর্তি থাকতো, যেটিকে আমরা সফরে যাওয়ার সময় সাথে নিয়ে যেতাম ইবাদাত করার জন্য। আমার হঠাৎ খেয়াল হলো যে আমি আমার মুর্তিটিকে সাথে আনিনি। ভাবতে লাগলাম কিভাবে একটু ইবাদাত করা যায়। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। আমি আমার কাছে থাকা খেজুরগুলোকে মণ্ড করে তা দিয়ে একটি মুর্তি বানালাম এবং তার পুজা করলাম! এরপর রাতে আমার ক্ষুধা পেলো। কিন্তু খাবার কিছু নেই। যে খেজুর সাথে ছিলো তা দিয়ে তো মুর্তি বানিয়েছি। কিছুক্ষন সহ্য করলাম। এরপর যখন ক্ষুধাটা একটু বেড়ে গেলো, খেজুরের মণ্ড দিয়ে বানানো মুর্তিটিকে ভেঙ্গে খেয়ে ফেললাম! এই ঘটনা মনে করে আমি হাসছিলাম। আমরা এতোটা বুদ্ধি বিবেচনাহীন কিভাবে হতে পারলাম ? কি করে এত নীচু প্রকৃতির ধ্যান ধারণা দিয়ে আমরা চালিত হতাম!

আর কাঁদছিলাম এটা মনে করে যে আল্লাহ যদি আমাকে হেদায়াত না দিতেন তাহলে আমার কী পরিণতি হতো সেটা ভেবে!
নিজের অজান্তেই শিরকে লিপ্ত পুরা জাতি। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।

লুত আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কওমের ধ্বংসাবশেষ হিসেবে চিহ্নিত মৃত সাগরের কথা আমরা অনেকেই জানি। এই মৃত সাগরের পানিতে লবণের প...
16/02/2024

লুত আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কওমের ধ্বংসাবশেষ হিসেবে চিহ্নিত মৃত সাগরের কথা আমরা অনেকেই জানি। এই মৃত সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ, পৃথিবীর অন্য সকল সাগরের পানিতে বিদ্যমান লবণের ১০ গুণ। অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে এই পানিতে কোন জীবনের অস্তিত্ব নেই। পানিতে অতিরিক্ত লবণ থাকার কারণে মানুষ পানিতে ডুবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নভূমি হিসেবেও এই মৃত সাগর কে চিহ্নিত করা হয়।
এই মৃত সাগর কে আল্লাহ কেন মৃত করলেন? কেন কোন জীবনেরই অস্তিত্ব রাখলেন না? কেন এটা পৃথিবীর সর্বনিম্নভূমি হিসেবে পরিচিত? কারণ তারা এমন এক পাপাচারে লিপ্ত ছিল যেখান থেকে তাদের সরানোর সকল চেষ্টা লুত আঃ করার পরও তারা কথা শুনেনি। আর আল্লার আযাবের শিকার হয়েছে। আল্লাহ এই জাতির ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থান কে কিয়ামত পর্যন্ত একটি অভিশপ্ত জায়গায় রূপান্তর করেছেন। মৃত সাগর বা ডেড সির ছবি দেখলে রীতিমতো ভয় পেতে হয়। বিরাট বিরাট লবণের ভয়ংকর সব ভাস্কর্য মৃত সাগরের আশেপাশে গড়ে উঠে যেন জায়গাটার অভিশপ্ত হওয়ার ব্যাপারে সাক্ষী দিচ্ছে।

লুত আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কওমের বিকৃত যৌনাচার, সমকামিতা ছিল তাদের আযাব বয়ে নিয়ে আসার কারণ। সেই কওমের সবাই কিন্তু বিকৃত যৌনাচারী ছিল না। যেমন লুত আঃ এর স্ত্রী। সেও ধ্বংসপ্রাপ্তদের একজন ছিল। যদিও সে বিকৃত যৌনাচারী ছিলনা। তারপরও কেন আজাব তার উপরে আসলো? কারণ সে সমর্থন করত সেই পাপাচারকে। তার জাতির বেশিরভাগ মানুষ এই অপকর্মে লিপ্ত ছিল আর তাই সে দলছুট হয়ে যাওয়ার ভয়ে এই অপকর্মকে সমর্থন দিচ্ছিল। আমাদের মধ্যেও যদি আমরা তাকাই, দেখব সমাজে বহুল প্রচলিত তবে আল্লাহর দৃষ্টিতে যেটা ঘৃণ্য, এরকম বহু পাপাচার আমাদের চোখের সামনে হয় এবং আমরা সেটাকে সমর্থন দেই। যেমন- বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সুদের সাথে লেনদেন, বাদ্যযন্ত্র, নারী পুরুষের আবাঁধ মেলামেশা। এই সকল কিছু আল্লাহর দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। এরপরও আমরা নির্দ্বিধায় এ সকল কর্মে লিপ্ত এবং সমর্থক।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে আমাদের উপর আযাব কেন আসছে না? একটু চিন্তা করে দেখেন তো, কোন আযাব চোখে দেখছেন না? বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে বর্তমান প্রজন্মের বেশিরভাগ মানুষ সম্পর্কের গভীরতা অনুধাবন করতে পারে না। সবাই ভোক্তা, কেউ ত্যাগ স্বীকার করতে পারে না। সবাই খুব স্বার্থপর। স্বার্থের বিন্দুমাত্র ব্যাঘাত ঘটলে সম্পর্কের অবসান ঘটে যায়। সুদের লেনদেন মানুষকে করে তুলেছে অমানবিক। কারোও মধ্যে কোন মায়া দয়া নেই। বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার ও প্রচার-প্রসার মানুষকে করেছে বিষন্ন এবং উশৃংখল। মন খারাপ হলে স্যাড গান শুনে আর বিষন্ন হয়। আনন্দের সময় উশৃংখল বাদ্যযন্ত্র চলে যা মানুষকে উশৃংখল আচরণ করতে বাধ্য করে। নাটক, সিনেমার ভায়োলেন্ট দৃশ্য দেখে দেখে অভ্যস্ত মানুষগুলোর চোখকে বিশ্বাস করাতে ফিলিস্তিনের মানুষের ঝড়ে পড়া রক্তবিন্দু দেখিয়ে বলতে হয় " these are real! This is not a movie scene!" হায় রে মানুষ! হায় মুসলিম জাতি!

নারী পুরুষের আবাঁধ মেলামেশা পরকীয়ার মত জঘন্য গুনাহ করতে প্রলুব্ধ করে। পরকীয়ার শাস্তি ইসলামে কি জানেন? মৃত্যুদণ্ড। এটা অবশ্যই ঐরকমই অপরাধ। যিনি সৃষ্টি করেছেন তার থেকে বেশি সৃষ্টিকে কেউ চিনে না। বিবাহিত নর নারী অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে তাদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়াই সর্বোৎকৃষ্ট ব্যবস্থা, এটা সৃষ্টিকর্তা যথার্থ ভাবেই জানেন। কারণ যারা এই পরকীয়ার বলি হয় তাদের জীবনটা কিরকম নরক হয়ে যায় সেটা শুধু তারাই বলতে পারে। সৃষ্টিকর্তার এই আইন অনেকের কাছে মানবতা বিরুদ্ধ! যাদের কাছে মানবতা বিরুদ্ধ , সত্যি কথা বলতে তাদের মানবিকতার সংজ্ঞাটা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা দুইদিন পর বিবাহ নিষিদ্ধ সম্পর্কের মধ্যেও অবাধ যৌনাচারের অধিকার চেয়ে বলবে, মানবাধিকার! Sorry to say এটা মনুষ্য প্রাণীর কর্ম হতেই পারে না, শুকর বা সেই শ্রেণীর জানোয়ারের হতে পারে।

বলছিলাম কওমে লুত নিয়ে। পৃথিবীর ইতিহাসে আরও একটি জাতি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল কওমে লুতের মত আচরণ করার জন্য। জাতিটা রাতারাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তাদের সম্পর্কেও হয়তো আপনাদের কেউ কেউ জানেন। ইতালির পম্পেই নগরীর সকল বাসিন্দারা ৭৯ খ্রিস্টাব্দে ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে সৃষ্ট আগ্নেয় ভস্ম দ্বারা চাপা পড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ১৬০০ শতাব্দীর শেষের দিকে যখন প্রত্নতাত্ত্বিকরা এই নগরের সন্ধান পান তখন দেখা গেছে কমপক্ষে ১৯ ফিট আগ্নেয় ভষ্মের নিচে তলিয়ে ছিল এই পুরো নগরী। নগরটি প্রায় অবিকৃত অবস্থায় উদ্ধার হয়। শুধু দালান কোঠা নয় সেখানে আবিষ্কৃত হয় শতাব্দী থেকে শতাব্দি ধরে পড়ে থাকা মৃতদেহ গুলোর ফসিল রূপ। এমন একটি ঘরও আবিষ্কৃত হয় যেখানে খাবার টেবিলে খাবার সাজানো ছিল। প্লেট, গ্লাস এমনকি খাবারও সংরক্ষিত হয়েছে শুধু পাথর হয়ে গিয়েছে। বাজারে মাটির হাঁড়ির দোকানে সব রয়েছে শুধু সব পাথর হয়ে গেছে!

এই নগরী সম্পর্কে যখন আরো জানা যায় তখন দেখা যায় এটা তৎকালীন রোমান সভ্যতার পাপ নগরী বা সিনসিটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে এমন সব দালান আবিষ্কৃত হয় যেখানে দেয়ালে দেয়ালে অশ্লীল গ্রাফিতি দেখা যাচ্ছে। সেখান থেকে অনুমান করা হয় ছোট ছোট কামরার ওই কক্ষগুলো ছিল পতিতালয়ের কক্ষ। এই নাগরীতে বিনা দ্বিধায় চলত বিকৃত যৌনাচার। অর্থাৎ সমকামিতা, উভয়কামিতা সহ সকল নোংরামী। এই জাতিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিলেন রাতারাতি। আমরা এটা জানতে পারি না ওই নগরীতে এমন কি কেউ ছিল কিনা যারা এই বিকৃত মানুষিকতার ছিল না। হয়তো ছিল এমন কেউ যে হয়তো এসব বিকৃতির কাজ করেনি। শুধু সমর্থন দিয়েছে বা সমাজে প্রচলিত তাই চুপ করে থেকেছে। আল্লাহ ভালো জানেন। তবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস থেকে জানি, যদি কোন সমাজে অশ্লীলতার প্রচার প্রসার বৃদ্ধি পায় তখন আল্লাহর আযাব নিপতিত হবে সেই জাতির উপর। যদি সেখানে ভালো মানুষও থাকে তারপরও সংখ্যাগরিষ্ঠ খারাপ হওয়ার কারণে সকলেই সেই আযাবের শিকার হবে। এটা আমাদের জন্য বিরাট ভয়ের একটা বার্তা। আমরা সমাজে প্রচলিত বহুল অন্যায় অবিচার মুখ বুজে এতকাল সয়ে গিয়েছি দেখেই, সমকামিতার মত ঘৃণ্য মতবাদ এই দেশে, এই সমাজে প্রচার করার ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে একটা মহল। আমরা যদি নিজেদের ভালো চাই, নিজেদের সন্তানদের ভালো চাই তাহলে এই সকল ঘৃণ্য মতবাদ থেকে রক্ষা করতে হবে দেশকে ,জাতিকে ইনশা আল্লাহ্। আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন।

©

ইবনুল মুফলিহ রহ. বলেন:আমার আশ্চর্য লাগে! মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙে গেলে বিলাপ করে। রিযিক কমে গেলে কষ্ট পায়। যুগের অধঃপতনে আফসোস ...
16/02/2024

ইবনুল মুফলিহ রহ. বলেন:

আমার আশ্চর্য লাগে! মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙে গেলে বিলাপ করে। রিযিক কমে গেলে কষ্ট পায়। যুগের অধঃপতনে আফসোস করে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেলে হাপিত্যেশ করে। কিন্তু তারা কখনো কোনোদিনই দ্বীনের বিরলতায় দুঃখ পায়নি। সুন্নাহর মৃত্যু ও বিদআতের পসারে মনঃক্ষুণ্ণ হয়নি। নিজেদের কমতিতে কাঁদেনি। এসব মূলত তাদের ঈমানের দূর্বলতা এবং তাদের চোখে পার্থিব জগত মহিমান্বিত হয়ে উঠার কারণেই হয়েছে।

[আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ ২৪০/০৩]

সকল শিশুকে মেরে ফেললেও একজন মূসা ঠিকই বেঁচে যাবেন (ফেরাউনকে ধ্বংসের জন্য)
15/11/2023

সকল শিশুকে মেরে ফেললেও একজন মূসা ঠিকই বেঁচে যাবেন (ফেরাউনকে ধ্বংসের জন্য)

03/10/2023

: দলীয় কোনো প্রোগ্রামে কি বিরোধীদলীয় কেউ যায় অথবা বিরোধীদলীয় কোনো প্রোগ্রামে কি দলীয় কেউ যায়?
:না, কেউই কারো কোনো প্রোগ্রামে যায় না বরং যদি কেউ যায় বা সমর্থন জানায় তাহলে তাকে বহিষ্কারও করা হয়। কারণ প্রত্যেকেরই কিছু নিয়মনীতি আছে, আছে কিছু আদর্শিক বৈশিষ্ট্য যা এই বৈসাদৃশ্য তৈরী করে থাকে।

ঠিক একইভাবে দ্বীনেরও কিছু মৌলিক নিয়মনীতি আছে, আছে কিছু আদর্শিক বৈশিষ্ট্যও। এখানে কোনভাবেই দ্বীনকে অন্যের সাথে পরিপূরক বানানো বা বানানোর চেষ্টাও করা যাবে না।

#ধর্ম_যার_উৎসব_ও_তার

 #রিমাইন্ডার
30/09/2023

#রিমাইন্ডার

23/09/2023

সকালের আমি আর রাতের ঘুমোতে যাওয়া আমি'র মধ্যে বিস্তর ফারাক। সম্পূর্ণ ভিন্ন দুইটা অ্যান্টিটি। কীভাবে?

ধরুন, আগামী দুই ঘণ্টা আপনি একটা মুভি দেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। মুভি দেখলেন। দেখা উচিত নয় এরকম দৃশ্য দেখলেন, শোনা উচিত নয় এমন কিছু শুনলেন, ভাবা উচিত নয় এরকম চিন্তা আপনার মস্তিস্কে খেলে গেল। ধরে নিলাম, অনুচিত সব অভিজ্ঞতা হলো আপনার। এর একটা সরাসরি প্রভাব আপনার মনে (আসলে আত্মায়) পড়বেই। ফলে আপনার চিন্তা ভাবনা প্রভাবিত হবে। যেটা পরবর্তীকালে আপনার কাজ কর্মকেও প্রভাবিত করবে। আপনি অনুচিত কাজে জড়িয়ে পড়তে হয়তো বা আর দ্বিধা করবেন না।

Address


Telephone

+8801731122699

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসহাবে কাহফঃএকটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আসহাবে কাহফঃএকটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান:

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share

“আসহাবে কাহফ” কি ও এর উদ্দেশ্য কী ?

উত্তরঃ এই ফিতনাপুর্ণ দুনিয়ায় একজন মানুষের মুসলিম হয়ে বেচেঁ থাকা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে আজ। এই পরিস্থিতিটা আমাদেরকে পবিত্র ক্বুরআনের সুরা কাহফে বর্ণিত "আসহাবে কাহফ" তথা গুহাবাসী যুবকদের ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। যারা স্বীয় গোত্রের ফিতনা থেকে বাচঁতে নিজেরা গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।

"إِذْ أَوَى ٱلْفِتْيَةُ إِلَى ٱلْكَهْفِ فَقَالُوا۟ رَبَّنَآ ءَاتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا فَضَرَبْنَا عَلَىٰٓ ءَاذَانِهِمْ فِى ٱلْكَهْفِ سِنِينَ عَدَدًا "

الكهف: ١٠- ١١

অর্থঃ "যুবকরা যখন গুহায় আশ্রয় নিল তখন তারা বলেছিলঃ হে আমাদের রাব্ব! আপনি নিজ হতে আমাদেরকে অনুগ্রহ দান করুন এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন। অতঃপর আমি তাদেরকে গুহায় কয়েকবছর ঘুমন্ত রেখে দিলাম"