Insaaf Foundation

Insaaf Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Insaaf Foundation, Nonprofit Organization, Chanki-Tek Uttar Dottopara, Gazipura, Gazipur.

ইনসাফ ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক সমাজকল্যাণ সংস্থা যা সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং অবক্ষয় নির্মূলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সদস্যরা নির্বাহী কমিটির নির্দেশনায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করে।

28/06/2026
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আন্তরিক উদ্যোগে এবং ‘ইনসাফ ফাউন্ডেশন’-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বদলে যাচ্ছে উত্তর দত্তপাড়া চাঁনক...
17/06/2026

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আন্তরিক উদ্যোগে এবং ‘ইনসাফ ফাউন্ডেশন’-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বদলে যাচ্ছে উত্তর দত্তপাড়া চাঁনকীরটেক এলাকা!
​এলাকার দীর্ঘদিনের জলবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং রাস্তা প্রশস্তকরণসহ সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশাল বাজেটের এক মেগা উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে।
​এই উন্নয়ন কাজকে সফল করতে উত্তর দত্তপাড়া চাঁনকীরটেক এলাকার সম্মানিত এলাকাবাসী যে অভূতপূর্ব আন্তরিকতা ও সৌজন্যবোধ দেখিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে, বৃহত্তর জনস্বার্থে নিজেদের অবৈধ্য স্থাপনাগুলো নিজ দায়িত্বে স্বপ্রণোদিত হয়ে ভেঙে দিয়ে রাস্তার কাজের পথ সুগম করার জন্য—'ইনসাফ ফাউন্ডেশন'-এর পক্ষ থেকে সকল এলাকাবাসীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা।
​আপনাদের এই দায়িত্বশীল আচরণ ও সহযোগিতা আমাদের এলাকাকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী দিনগুলোতেও আপনাদের এমন ঐক্য ও সহযোগিতা কামনা করি।
​ #উন্নয়ন #গাজীপুরসিটিকর্পোরেশন #ইনসাফফাউন্ডেশন #জনস্বার্থ #ধন্যবাদ_এলাকাবাসী

30/04/2026

📢 জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি: রাস্তা সংস্কার ও প্রশস্তকরণ সংক্রান্ত।
​উত্তর দত্তপাড়া (চানকির টেক) এলাকাবাসীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করার লক্ষ্যে রাস্তা সংস্কার ও প্রশস্তকরণ কাজ দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে।
​এই উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে যাদের বাড়িঘর বা স্থাপনার অংশ রাস্তার বর্ধিত সীমানার ভেতরে পড়েছে, তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ:
​করণীয়: রাস্তার সীমানায় পড়া আপনার স্থাপনাটি নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিন।
​সময়সীমা: আগামী ৩ (তিন) দিনের মধ্যে।
​⚠️ সতর্কবার্তা:
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তা ক্লিয়ার করা না হলে, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ভবন মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​এলাকার দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের স্বার্থে এবং যানজটমুক্ত সুন্দর রাস্তা নিশ্চিতে আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

​ধন্যবাদান্তে,
ইনসাফ ফাউন্ডেশন ও সচেতন এলাকাবাসী
উত্তর দত্তপাড়া,চানকিরটেক গাজীপুর।

23/04/2026

আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। সকল হুমকি ধামকি, উস্কানি ষড়যন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে আল্লাহর মেহেরবানীতে,উত্তর দত্তপাড়া চানকিরটেকে আমাদের নেতৃত্বে ২ কোটি টাকার বিশাল বাজেট নিয়ে আমাদের রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান। এ অভূতপূর্ণ উন্নয়নেএলাকার সকল মানুষের অংশগ্রহণ আমাদের জন্য আনন্দের।

জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে আপনি একজন সফল ও মানবিক  রক্তদাতা হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।    هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَان...
21/07/2025

জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে আপনি একজন সফল ও মানবিক রক্তদাতা হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ
উচ্চারণ: "হাল জাযাউল ইহসানি ইল্লাল ইহসান।"
অর্থ: "উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে?" আল কোরআন।

শ্রমিক দিবস, প্রতি বছর ১ মে পালিত হয়। এই দিনটি শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার আদায়ের দীর্ঘ ও সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করে। ১৮৮৬...
01/05/2025

শ্রমিক দিবস, প্রতি বছর ১ মে পালিত হয়। এই দিনটি শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার আদায়ের দীর্ঘ ও সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করে। ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগোতে ন্যায্য মজুরি এবং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে শ্রমিকরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তারই ফলস্বরূপ আজকের এই দিনটি বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের সংহতি ও অধিকারের প্রতীক হিসেবে পালিত হচ্ছে।
শ্রমিকদের অধিকারের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মঘণ্টার সীমা এবং ট্রেড ইউনিয়নে যোগদানের অধিকার। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এই অধিকারগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদের মাধ্যমে তা সুরক্ষিত করেছে।
তবে, বিশ্বের অনেক স্থানে আজও শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। দারিদ্র্য, শোষণ, এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হন লক্ষ লক্ষ শ্রমিক। শ্রমিক দিবস তাই কেবল একটি ঐতিহাসিক দিন নয়, বরং বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই দিনে শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণের জন্য সোচ্চার হওয়া আমাদের সকলের কর্তব্য।

আমাদের দেশ, সমাজ, প্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই এই গল্পের ছায়া উপস্থিত।"এক রাজার প্রচন্ড শক্তিশালী অনেকগুলো যুদ্ধবাজ ঘোড়া ছি...
26/04/2025

আমাদের দেশ, সমাজ, প্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই এই গল্পের ছায়া উপস্থিত।"

এক রাজার প্রচন্ড শক্তিশালী অনেকগুলো যুদ্ধবাজ ঘোড়া ছিলো। রাজা'র অনেক যুদ্ধ জয়ে এই যুদ্ধবাজ ঘোড়াগুলোর অসামান্য অবদান ছিলো, চারিদিকে তখন রাজার সুখ্যাতি।

রাজা ঘোড়া পোষার পাশাপাশি অনেকগুলো গাধাও পুষতো। তো ঘোড়ার পেছনে এত খরচ দেখে, উজির-নাজির প্রায়শঃই রাজার কাছে ঘোড়াগুলো নিয়ে অভিযোগ করতোঃ

"ঘোড়াগুলো বেয়াদব, সহজে বাগে আনা যায় না, তার উপর দিনের পর দিন কোন কাজেও লাগছে না, অথচ এদের পেছনে খরচ ঠিকই হচ্ছে"।

রাজা নিজেও লক্ষ্য করেছে আস্তাবলে ঘোড়াগুলোকে দেখতে গেলে ঘোড়াগুলো ঠিকমত সম্মান করে না। অথচ গাধার আস্তাবলে গেলে গাধাগুলো রাজার সারা গা-হাত-পা চাটা শুরু করে।

একদিন উজির-নাজির, রাজাকে পরামর্শ দিলো ঘোড়াগুলোকে বিক্রি করে দিতে, আর ঘোড়া বিক্রির টাকা দিয়ে পুরানো গাধাগুলোকে বেশি আদর যত্ন করতে সাথে বেশি করে আরো নতুন গাধা কিনতে।

তারপর যুদ্ধবাজ ঘোড়াগুলো বেশ দামে পাশের রাজ্যের দুর্বল রাজার কাছে বিক্রি করে দেয়া হল এবং অনেকগুলো গাধা কিনা হল।

কিছুদিন পরের কথা। পাশের রাজ্যের রাজা 'ঘোড়া বেচা রাজা'র রাজ্যকে আক্রমন করলো এবং খুব সহজেই রাজ্য দখল করলো।

রাজ্যের নতুন রাজা, বন্দী রাজাকে জিজ্ঞাসা করলো, "তোমার মনে কোন প্রশ্ন জাগেনি কেন তুমি এই যুদ্ধে হারলে!"

বন্দী রাজা বললো "কেন?"

নতুন রাজা বললেন, তুমি হেরেছ কারণঃ

১) তোমার রাজা হওয়ার পিছনে যাদের (ঘোড়াদের) অবদান ছিলো, তাদেরকেই তুমি ভুলে গেছ।

২) তুমি চাটুকার গাধাকে ঘোড়ার চেয়ে বেশী গুরুত্মপূর্ণ মনে করেছ। তোমাকে ঘিরে থাকা গাধাদের কথায় সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছ। (তোমার উজির-নাজির'রাই ছিলো সত্যিকার গাধা)।

৩)সর্বোপরি গাধা প্রয়োজনীয় প্রানী হলেও যুদ্ধবাজ ঘোড়ার কাজ গাধা দিয়ে চালানো যায় না এটা তোমার মাথায় আসেনি। দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়ন ‘না’ করলে যা হয় গল্পটি সত্যিই চমৎকার এবং অনেক বেশি গভীর অর্থবহ।

সালাহুদ্দীন আল-আইয়্যূবী হাসতেন কম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, "আপনি এতো কম হাসেন কেন? মাঝেমাঝে দেখি মনমরা হয়ে থাকেন।" সা...
25/04/2025

সালাহুদ্দীন আল-আইয়্যূবী হাসতেন কম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, "আপনি এতো কম হাসেন কেন? মাঝেমাঝে দেখি মনমরা হয়ে থাকেন।" সালাহুদ্দীন জবাব দেন, "আল-আকসা ক্রুসেডারদের দখলে, এটা জানার পর আমার মুখে হাসি ফুটে কিভাবে? আমি হাসবো কিভাবে, বলো?"
মুসলিম বিশ্বের অবস্থা ছিলো তখন চরম অস্থিতিশীল। একেক জায়গা থেকে একেকজন খিলাফত দাবী করছে। মুসলিমরা বুঝে উঠতে পারছে না কার কাছে বায়াত দিবে। একে তো আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তারউপর ক্রুসেডারদের আক্রমণ। কয়েকবছর আগে ক্রুসেডাররা জেরুজালেমে ঢুকে সত্তর হাজার মুসলিমকে হত্যা করে মসজিদুল আকসা দখল করেছে। মুসলমানদের রক্তের বন্যায় সেদিন উটের খুর ডুবে গিয়েছিলো। সবমিলিয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজমান।
ঠিক এমন এক সময় সিথ খাতুন স্বপ্নে দেখেন তাঁর গর্ভের মধ্যে একটা তরবারি। সন্তানসম্ভবা সিথ খাতুন বুঝতে পারলেন, তিনি যাকে গর্ভে ধারণ করেছেন সে বড় হয়ে কিছু একটা হবে। জন্মের পর ছেলের নাম রাখলেন সালাহুদ্দীন।
মুসলমানদের চরম সংকটকালে সালাহুদ্দীনের জন্ম হয়৷ মুসলিমরা না ঘর সামলাবে না বাহির। পরাজয়ের গ্লানি, পারস্পরিক মতবিরোধে জর্জরিত মুসলিম উম্মাহ তখন কিয়ামতের দিনক্ষণ গণনা করছে। মুসলিমরা অনেকেই আশা হারিয়ে ফেলেছিলো।
মুসলিমদের বৃহৎ অংশ যখন হতাশার ব্যধিতে আক্রান্ত তখন সালাহুদ্দীন আল-আকসার কথা বলতেন। প্রায় প্রতিদিন কারো সাথে তিনি আল-আকসা, জেরুজালেম নিয়ে কথা বলতেন। দূর-দূরান্তের মুসলিম নেতৃবৃন্দের কাছে আকসা পুনরুদ্ধারের চিঠি লিখতেন।
এসবের জন্য অনেকেই তাঁকে 'পাগল' ভাবতো। তারা বলতো, "দেখো, আমরা নিজের ঘরের সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত, আবার ঐদিক থেকে ক্রুসেডাররা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর তুমি কিনা আকসা নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখছো!"
হতাশাগ্রস্ত মানুষের মন্তব্য সালাহুদ্দীন খুব একটা কানে নিতেন না। তিনি তাঁর কাজ করে যেতেন। আল-আকসার প্রতি তাঁর যে ভালোবাসা ছিলো, আকসাকে তিনি যেভাবে লালন করতেন সেই সম্পর্কে একজন বলেন, "আকসার প্রতি সালাহুদ্দীনের হৃদয়ে যে ভালোবাসা আছে, সেটা যদি একটা পাহাড়ের উপর রাখা হয় তাহলে পাহাড়টি গলে যাবে।"
আল-আকসা পুনরুদ্ধারের জন্য সালাহুদ্দীন যখন যাত্রা শুরু করেন, তখন কিছু জ্যোতিষি তাঁকে বললো, "দেখুন, আপনি যদি জেরুজালেম যান তাহলে আপনি আপনার এক চোখ হারাবেন।"
জ্যোতিষি চাচ্ছিলো তাঁকে নিরুৎসাহিত করতে। সালাহুদ্দীন আইয়্যূবী উল্টো তাকে বলেন, "তুমি আমাকে এক চোখ হারানোর ভয় দেখাচ্ছো? ওয়াল্লাহী! আল-আকসা পুনরুদ্ধার করার জন্য যদি দুই চোখ হারিয়ে অন্ধ হতে হয়, তবুও আমি আল-আকসা পুনরুদ্ধার করবো।"
আল্লাহর উপর ভরসা, আকসার প্রতি ভালোবাসা, আর ক্রুসেডারদের মোকাবিলা করার অভিনব প্ল্যান নিয়ে সালাহুদ্দীন রওয়ানা দেন আকসা পুনরুদ্ধারে।
ইতিহাস নির্ধারণী সেই সিরিজ যুদ্ধে মুসলিমরা আকসা ফিরে পায়। দীর্ঘ ৮৮ বছর আল-আকসায় কোনো আজান-নামাজ হয়নি। আকসা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব মনে করে মুসলিমরা যখন হাত গুটানো শুরু করেছিলো, তখন আল্লাহ সালাহুদ্দীনের মাধ্যমে মুসলিমদের ঘুম ভাঙ্গান। রাহিমাহুল্লাহ।
পৃথিবীর একেক প্রান্তে এখন একেকটা 'আকসা'। সবগুলো আকসা যেন সমস্বরে ডাকছে-
"আমি অনুক্ষণ তোমার আসার অপেক্ষাতেই রই
তোমার বুকের পাঁজরে লুকানো সালাহুদ্দীন কই?"



11/04/2025

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে থেকে ইসরাইলি সকল পণ্য বয়কট করার জন্য সকলকে বিনীতভাবে আহ্বান করা হচ্ছে ।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সর্বস্তরের মুসল্লী ও ছাত্র জনতার অংশগ্রহণে ফিলিস্তিনের জন্য দোয়ার মাধ্যমে আজকের ইজরাইল...
11/04/2025

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সর্বস্তরের মুসল্লী ও ছাত্র জনতার অংশগ্রহণে ফিলিস্তিনের জন্য দোয়ার মাধ্যমে আজকের ইজরাইলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন শেষ করা হয়।

Address

Chanki-Tek Uttar Dottopara, Gazipura
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Insaaf Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share