দাগনভুঞা সার্ক'স ক্রিকেট ক্লাব

  • Home
  • Bangladesh
  • Feni
  • দাগনভুঞা সার্ক'স ক্রিকেট ক্লাব

দাগনভুঞা সার্ক'স ক্রিকেট ক্লাব cricket

বঙ্গবন্ধু ডিসিএ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-২০২৪ পাওয়ার্ড বাই -Clemon এর ৪র্থ ম্যাচে আগামীকাল রবিবার দুপুর ১.৩০ মিনিটে ব্যাট বলের...
17/02/2024

বঙ্গবন্ধু ডিসিএ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-২০২৪ পাওয়ার্ড বাই -Clemon এর ৪র্থ ম্যাচে আগামীকাল রবিবার দুপুর ১.৩০ মিনিটে ব্যাট বলের লড়াই করবে দাগনভূঞার "বেতুয়া ক্রীড়া সংঘ " বনাম চট্রগ্রামের "আনোয়ারা ক্রিকেট একাদশ"

ম্যাচটি দেখার জন্য আপনারা সাদরে আমন্ত্রিত।

পৃষ্ঠপোষকতায়: দিদারুল কবির রতন। চেয়ারম্যান দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ,
সার্বিক সহযোগিতায়: ওমর ফারুক খান, মেয়র দাগনভূঞা পৌরসভা।

New Zealand overcame a first day scare before a strong journey to the Semi-Finals. But how will the story finish? 😬↳ Rug...
19/10/2023

New Zealand overcame a first day scare before a strong journey to the Semi-Finals. But how will the story finish? 😬

↳ Rugby World Cup 2023. Argentina v New Zealand, live Saturday from 5:30am AEDT. The Only Place to Watch Every Match. Ad-free. 4K UHD. Live & On Demand on the Home of Rugby, Stan Sport.

ভাষার জন্য জীবন দান কারী ফেনী দাগনভূঁঞা সালাম নগরের  আবদুস সালাম:তাঁর জীবন ও ছবির গল্প----------------------------------...
13/10/2023

ভাষার জন্য জীবন দান কারী ফেনী দাগনভূঁঞা সালাম নগরের আবদুস সালাম:
তাঁর জীবন ও ছবির গল্প
---------------------------------------------------------
ভাষা শহীদ আবদুস সালাম ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, পরবর্তীতে যা তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয় সালামনগর। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজেল মিয়া ও মাতার নাম দৌলতের নেছা। তার পিতা ফজেল মিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং ইরাকের বসরায় কর্মরত ছিলেন, পরবর্তীতে সালামের পিতা দেশে ফিরে কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হন। ফাজেল মিয়ার ছেলেমেয়েদের মধ্যে আবদুস সালাম ছিলেন সবার বড়।

ভাষা শহীদ সালাম কৃষ্ণরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু করেন। এরপর তৎকালীন মাতুভূঁই কলিমুল্লাহ মাইনর স্কুলে (বর্তমানে মাতুভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়) অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর ১৯৪২ সালে আতার্তুক উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরিবারের আর্থিক অভাব অনটনের কারণে সালামের ম্যাট্টিক ফাইনাল পরীক্ষা দেয়া হয়নি তাঁর পক্ষে।

সালাম লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পর কলকাতা চলে যান জীবিকার সন্ধানে এবং সেখানে মেটিয়াবুরুজে তাঁর এক বড় বোনের স্বামী আবদুল কাদেরের মাধ্যমে কলকাতা বন্দরে শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং আজিমপুরে (পলাশী ব্যারাক) ৩৬বি নং কোয়ার্টারে বসবাস শুরু করেন। এ সময় তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের মতিঝিলস্থ কার্যালয়ে সাধারণ মানের অফিস সহকারি হিসেবে কাজ শুরু করেন।

৫২’র ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে সালাম বাড়িতে আসনে এবং কিছুদিন ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরে যান। তখন মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে রাজধানী ছিল আন্দোলন মুখর। মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে বাহান্নের ভাষা আন্দোলনে টগবগে তরুণ সালামের হৃদয়েও আন্দোলনের ডাকে ছুঁয়ে যায়। ২৭ বছরের টগবগে যুবক সালাম জাতির জন্য, মায়ের ভাষার জন্য আন্দোলনে যোগ দেন।

২১শে ফেব্রয়ারী (১৯৫২) ৮ই ফাল্গুন ১৩৫৯ বাংলা সাল ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় সরকার কর্তৃক জারিকৃত ১৪৪ ধারা অগ্রাহ্য করে ছাত্র-জনতা বাংলা ভাষার দাবীতে যে মিছিল করে আবদুস সালাম সে বিক্ষোভ মিছিলে স্বপ্রণোদিত ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সঙ্গে সালামও ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে নেমে পড়লে মিছিলে পুলিশ নির্বাচারে গুলি চালায়। বিকেল সাড়ে তিনটায় পুলিশের বেপরোয়া গোলাগুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ গুলিবিদ্ধ হন অনেকে। গুরুতর আহত অবস্থায় আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সালামের ম্যাচের কাজের বুয়ার ছেলে তেজগাঁও'র নাবিস্কোতে কর্মরত সালামের এক ভাতিজা মকবুল আহম্মদ ধনা মিয়াকে জানান তার চাচা সালাম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁর ভাতিজা মকবুল দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে দেখেন পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে সালাম সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মেডিক্যালের বারান্দায় পড়ে আছেন। সে ওইদিনই অর্থাৎ ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় টেলিগ্রামে সালামের বাবা ফাজেল মিয়াকে সালামের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি জানান। ফাজেল মিয়া তার অন্য এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যালে ছুটে আসেন। পর দিন সকাল ৯টার দিকে বেশ কিছু ছাত্র সালামের যথাযত চিকিৎসা না করার অভিযোগে হাসপাতালে বেশ কিছুক্ষণ হট্টগোল করেন। হাসপাতালে আসার পর সংজ্ঞাহীন সালামের বিছানার পাশ থেকে তার বাবা কোথাও আর যায়নি।

বাবার উপস্থিতিতে হাসপাতালেই ২৫ ফেব্রুয়ারী বেলা সাড়ে ১১টায় আবদুস সালাম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে সালামের লাশ ঢাকাস্থ আজিমপুর গোরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে সালামের বাবা ফাজেল মিয়া, ভাতিজা মকবুল, জেঠাতো ভাই হাবিব উল্লাহসহ শত শত ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে সালামের জানাজা শেষে দাফন করা হয়। ঢাকার আজিমপুর এই পুরানো কবরস্থানের হাজারো কবরে ভীড়ে মহান ভাষা শহীদ আবদুস সালাম চিরনিদ্রায় শুয়ে আছেন যার কবরের চিহ্ন সংরক্ষন করা সম্ভব হয়নি তৎকালিন পাকিস্তানী শাসকদের কারনে।

২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকার ভাষা শহীদ আবদুস সালামকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করেন। একুশে পদক প্রদানের গেজেটে অজ্ঞাত কোন এক ভুলের কারণে মৃত্যুর তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারির স্থলে ৭ এপ্রিল উল্লেখ করা হয়। সেই থেকে সালামের মৃত্যুর তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় এবং সরকারি সকল নথিতে ৭ এপ্রিল মৃত্যুর তারিখ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ভাষা শহীদ আবদুস সালামকে স্মরণে রাখার জন্য ফেনীর সংস্কৃতিকর্মীদের দাবির ফলশ্রুতিতে সালামনগরে 'শহীদ আব্দুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপন করা হয়। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৮ সালের ২৬শে মে সালাম স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগারটি উদ্বোধন করেন। ২০১১ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি শহীদ আবদুস সালামের ছোট ভাইয়ের মেয়ে খাদিজা বেগমকে মাসিক ছয় হাজার টাকা বেতনে গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেয়া হয়

ভাষা শহীদ সালামের ছবির গল্প:
----------------------------------------------
ভাষা শহীদ আবদুস সালামের কোন ছবি কোথাও সংরক্ষিত ছিলনা। তার কারন ৬০ এর দশকে তৎকালীন ফেনীর নন্দিত জননেতা খাজা আহমদ শহীদ আবদুস সালামের পিতা ফাজেল মিয়াকে দুই হাজার টাকা সহযোগিতা করেন। আব্দুস সালামের গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত শার্টটি ও তাঁর দুটি আলোকচিত্র জাতীয় জাদুঘরে দেবেন বলে নিয়ে আসেন। ধারণা করা হয় পরবর্তীতে ফেনীর মহান নেতা খাজা আহমদ কোন কারনে ছবিগুলো হারিয়ে ফেলেন অথবা জাদুঘর কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিলেও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা যায়নি।

পরবর্তীতে বর্তমানে ব্যবহৃত শহীদ আব্দুস সালামের ছবিটি ভাস্কর রাসা উদ্দ্যেগে শিল্পী সাহজাহান আহমেদ বিকাশের মাধ্যমে তৈরী করা হয়। এই মহতী উদ্যোগ নিতে গিয়ে ভাস্কর রাসাকে বহু প্রতিকুলতার সম্মুখীন হতে হয়। ১৯৮৩ সালে তিনি প্রথম জানতে পারেন ভাষা শহীদ আব্দুর সালামের কোন ছবি নেই। এ কথার সত্যতা প্রমাণ করার জন্য শহীদ সালামের পরিবার ও সরকারী প্রতিষ্ঠানের সংগে তখন তিনি যোগাযোগ করেন। তারপর থেকে তিনি চিন্তা করতে থাকেন কিভাবে শহীদের হারানো প্রতিকৃতি উদ্ধার করা যায়। এভাবে বেশ কিছু সময় চলে যায়।

১৯৯০ সালে তাঁর ছবি জোগাড়ের চেষ্টা অর্থনৈতিক কারণে পিছিয়ে যায়। ১৯৯৯ সালে একটি প্রামাণ্য চিত্রের পরিকল্পনা করে তিনি তত্কালীন সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর উৎসাহ ও অর্থায়ণে ভাস্কর রাসা “অস্তিত্বের শেকড়ে আলো” শিরোনামে প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণে এগিয়ে যান এবং এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগণ তাঁকে সহযোগিতা করেন। এ কাজে ভাস্কর রাসার অন্যতম সহযোগী ছিলেন সহকারী পরিচালক রানা সিদ্দিকী এবং স্থানীয় প্রতিনিধি শিমুল ও সমীর।
বর্তমানে ব্যবহৃত শহীদ আব্দুস সালামের ছবিটি আঁকার জন্য ১৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে শহীদের স্বজনদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। যোগাযোগ বিষয়ক সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ‘স্বপ্ন দশীর’ মাধ্যমে টি,এস,সি সুইমিং পুল এলাকায় ছবি আকার অনুমতি মিলে।

২০ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টায় উক্ত স্থানে শহীদের ভাই-বোনদের বর্ণনা শুনে ছবি আঁকা শুরু হয় এবং দিনব্যাপি এই ছবি আঁকা চলে। এ ধরণের কর্মসূচী বাংলাদেশে এটাই প্রথম। এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন। বোন বলকিয়ত নেছা তাঁর ভাই শহীদ সালামের চেহারার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন- আমরা ভাই বোনের মধ্যে সালামের গায়ের রঙ ছিল বেশ ফর্সা। ছোট বেলায় স্থানীয় মসজিদে পড়তে গিয়ে তিনি মেঝেতে পড়ে গিয়েছিলেন ফলে তাঁর কপাল কেটে গিয়েছিল। সেই কাটা দাগটি তাঁ চেহারার একটি বিশেষ চিহ্ন হিসাবে থেকে যায়। যখন আব্দুস সালাম শহীদ হন তখন তাঁর বয়স হয়েছিল সাতাশ বছর। শহীদ আব্দুস সালামের ভাই বোনের বর্নণা মতে শিল্পীরা তাঁর ছবি আঁকতে থাকেন। ছবি আঁকা শেষ হলে দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর শহীদের ভাই বোনেরা শ্রদ্ধাভাজন শিল্পী সাহজাহান আহমেদ বিকাশের তৈল চিত্রটিকে ভাষা শহীদ আব্দুস সালামের প্রতিকৃতি হিসেবে স্বীকৃতি দেন। মহান দেশপ্রেমে অন্তঃপ্রাণ ভাস্কর রাসা ও খন্দকার জামিল ছবিটি জাতীয় যাদুঘরে দান করেন। উক্ত ছবিটি বর্তমানে জাতীয় যাদুঘরের একুশে গ্যালারীতে শোভা পায়।

এশিয়া কাপের দল ঘোষণা : নতুন মুখ তানজিদ তামিম ডাক পায়নি মাহমুদুল্লাহ ও সৌম্য সরকার এশিয়া কাপের জন্য ১৭ সদস্যের দল ঘোষণা ক...
15/08/2023

এশিয়া কাপের দল ঘোষণা : নতুন মুখ তানজিদ তামিম
ডাক পায়নি মাহমুদুল্লাহ ও সৌম্য সরকার

এশিয়া কাপের জন্য ১৭ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। দলে নতুন মুখ বাঁহাতি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবে ডাক পায়নি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার। এছাড়া বাদ পড়েছেন তাইজুল ইসলাম। ডাকা হয়েছে শামীম পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী ও নাসুম আহমেদ।

27/07/2023
24/07/2023
দেখে নিন আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৩ এর সূচী:🏏
27/06/2023

দেখে নিন আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৩ এর সূচী:
🏏

শুভ জন্মদিন ক্রিকেট লিজেন্ড, মোহাম্মদ রফিক।
06/09/2021

শুভ জন্মদিন ক্রিকেট লিজেন্ড, মোহাম্মদ রফিক।

Address

Betuya
Feni
3920

Telephone

+8801716240452

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দাগনভুঞা সার্ক'স ক্রিকেট ক্লাব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share