আবনায়ে রশীদিয়া

আবনায়ে রশীদিয়া "জামেয়া রশীদিয়ার"প্রাক্তন ছাত্রভাইদেরকে জামেয়ার যেকোনো নিউজ মুহুর্তেই পোঁছেদিতে এবং আমাদের বন

04/08/2022

১২ বছরের আইডি (ফ্রেন্ড+ফলোয়ার 30k) গতকাল ফেসবুক নিয়ে গেলো 😭 এখন এই পেজ ছাড়া আর উপায় নেই 😭
যেকোনো যোগাযোগ WhatsApp +880 1822-478883
(আমার আইডি ছিলোই ১ টা)

প্রিয় জামেয়ার ভর্তি চলছেএতদ্বারা অত্র জামেয়ায় ভর্তিচ্ছুক ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ৭ই শাওয়াল ১৪৪৩ ...
06/05/2022

প্রিয় জামেয়ার ভর্তি চলছে

এতদ্বারা অত্র জামেয়ায় ভর্তিচ্ছুক ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ৭ই শাওয়াল ১৪৪৩ হি. (৯ মে ২০২২ ইং) রোজ সোমবার থেকে ১০ই শাওয়াল ১৪৪৩হি. পর্যন্ত নতুন ছাত্রদের ভর্তি চলবে ইনশাআল্লাহু তাআলা।
অতএব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তিচ্ছুক ছাত্রদেরকে ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন করার নির্দেশ
দেয়া যাচ্ছে।
👉👉 ভর্তি ফি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য
✅ ভর্তি ফির সাথে ৬০০ টাকা বিদুৎ বিল যোগ হবে।
🔶 এক নজরে সকল শ্রেণির ভর্তি ফি:
-----------------------------------
📖 তাখাসসুস, মুতাফাররেকা, কুল্লিয়াতুশ শরীয়াহ, আদব ও হিফজ বিভাগ
📝 ভর্তি ফি ২২০০+৬০০(বিদ্যুৎ বিল)= ২৮০০৳
📖 সরফ-মিশকাত
📝 ভর্তি ফি ১৯০০+৬০০(বিদ্যুৎ বিল)= ২৫০০৳
📖 ফার্সী বিভাগ
📝 ভর্তি ফি ১৭০০+৬০০(বিদ্যুৎ বিল)= ২৩০০৳
📖 উর্দূ বিভাগ
📝 ভর্তি ফি ১৫০০+৬০০(বিদ্যুৎ বিল)= ২১০০৳
📌 উল্লেখ্য:১
✅ পুরাতন ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি এবং জন্ম নিবন্ধন/আইডি কার্ডের ফটোকপি আবশ্যক।
✅ ২। নতুন ছাত্রদের জন্য পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি এবং ১৮ বৎসরের কম বয়সী ছাত্রদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি এবং ১৮ঊর্ধ বয়সী ছাত্রদের ক্ষেত্রে আইডি কার্ড ও চেয়ারম্যন সার্টিফিকেট জমা দেয়া আবশ্যক।
📌 ৩। মেস (খাবার) ফি প্রতিমাসে ২৫০০/-
⚠️ * ১ম মাসে আসবাব বাবত ১০০/- সহ মোট ২৬০০টাকা।
📞 যোগাযোগ
+880 1885-959522
+880 1885-959523
(শিক্ষা কার্যালয়,জামেয়া রশীদিয়া,ফেনী)..

বদর দিবস সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্দেশক।১৭ রমজান। ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে তথা দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানে বদর প...
19/04/2022

বদর দিবস সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্দেশক।
১৭ রমজান। ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে তথা দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানে বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধ। প্রতিপক্ষ ছিল মক্কার মুশরিক ও মদিনার মুসলিম।

এতে মুসলমানদের সেনা সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩। এই যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হয়েও কাফিরদের বিশাল বাহিনীর ওপর বিজয় লাভ করেছে। কোরআন কারিমে এই যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী যুদ্ধ বলে অভিহিত করা হয়েছে।ইসলামের ইতিহাসে এই যুদ্ধের অসামান্য গুরুত্ব রয়েছে। নিম্নে এই যুদ্ধের কিছু শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো—

এক. পরামর্শ করে কাজ করা

রাসুল (সা.)-এর সব কাজকর্ম ওহি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সব কাজে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। বদর যুদ্ধের সময় রাসুল (সা.) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। রাসুল (সা.) মূলত মদিনা থেকে বের হয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলাকে পাকড়াও করার জন্য। পথিমধ্যে তিনি জানতে পারলেন কুরাইশরা তাদের কাফেলাকে রক্ষা করার জন্য সদলবলে যাত্রা করছে। তখন তিনি সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করলেন—এ মুহূর্তে কী করা উচিত। মুসলমানরা কি যুদ্ধ করবে, নাকি মদিনায় ফিরে যাবে। তখন রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের পরামর্শে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই যুদ্ধে রাসুল (সা.) হাব্বাব ইবনে মুনজিরের পরামর্শে যুদ্ধের অবস্থানস্থল পরিবর্তন করেন। অনুরূপভাবে রাসুল (সা.) বদরের বন্দিদের ব্যাপারেও সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন।

দুই. উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা

যেকোনো কাজে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। উপযুক্ত ব্যবস্থা কিংবা উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বদর যুদ্ধের সময় দেখা রাসুল (সা.) সাধ্যমতো যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। রাসুল (সা.) তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ ও সাঈদ ইবনে জায়েদকে পাঠিয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলার খবর নিতে। অনুরূপভাবে রাসুল (সা.) আদি ইবনে জাবা ও বাসবাস ইবনে আমরকে বদরপ্রান্তে পানি খোঁজ করার জন্য প্ররণ করেন।

তিন. আল্লাহর কাছে দোয়া করা

দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। দোয়া বিজয় ও সাফল্যের চাবিকাঠি। রাসুল (সা.) যেকোনো বিপদের সময় দোয়ার প্রতি খুব গুরুত্ব দিতেন। বদর যুদ্ধের সময় রাসুল (সা.) আল্লাহর কাছে বিনয়াবনত হয়ে রোনাজারি করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য তলব করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো যখন তোমরা নিজ প্রতিপালকের কাছে ফরিয়াদ করেছিলে, তখন তিনি ফরিয়াদের সাড়া দিয়ে বললেন, আমি তোমাদের সাহায্যার্থে এক হাজার ফেরেশতার একটি বাহিনী পাঠাচ্ছি, যারা একের পর এক আসবে।’ (সুরা আনফাল, আয়াত : ৯)চার. সাহায্য একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে

মুমিনদের বৈশিষ্ট্য হলো বিপদ কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মনোবল হারায় না, বিচলিত হয় না। তারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি গ্রহণ করে আল্লাহর ওপর ভরসা করবে। বদর যুদ্ধে দেখা যায়, মুসলমানদের সেনা সংখ্যা অবিশ্বাসীদের তুলায় অনেক কম ছিল। মুসলমানদের যুদ্ধ সরঞ্জাম ও বাহন বলতে ছিল ৭০টি উট, দুটি ঘোড়া এবং ৬০টি বর্ম। এ যুদ্ধ প্রমাণ করে যে বিজয় কিংবা সাফল্যের ওপর সেনা সংখ্যাধিক্যের কোনো প্রভাব নেই।

পাঁচ. মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র

যুগ যুগ ধরে মুনাফিকদের উপস্থিতি আছে। তারা ইসলামের লেবাস পরে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। বদর যুদ্ধের দিনেও তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। মুমিনরা যখন সম্পূূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় কাফিরদের বিশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার সিদ্ধন্ত নিল, তখন মুনাফিকরা বলল, মুসলিমরা নিজেদের দ্বিনের ব্যাপারে ধোঁকার মধ্যে রয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো মুনাফিক ও যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিল, তারা যখন বলেছিল, তাদের (মুমিনদের) দ্বিন তাদের বিভ্রান্ত করেছে। অথচ কেউ আল্লাহর ওপর ভরসা করলে মহান আল্লাহ তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা আনফাল, আয়াত : ৪৯)

ছয়. অহংকার পতনের মূল

মক্কার কাফিররা নিজেকে খুব ক্ষমতাবান মনে করত। আত্ম-অহমিকা ও অহংকারের কারণে কেউ তাদের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তারা মক্কায় মুসলমানদের ওপর বর্ণনাতীত নির্যাতন করেছিল। যুদ্ধের দিনও মুসলমানদের তুলনায় তাদের সেনা সংখ্যা ও যুদ্ধ সুরঞ্জাম অনেক বেশি ছিল। এ নিয়ে তারা অহংকারও করেছিল। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাদের অহংকার ও ক্ষমতার দাপট মাটিতে মিশিয়ে দিলেন। বদর যুদ্ধে আবু জাহেল, উতবা, শাইবা ও উমাইয়ার মতো কুরাইশদের বড় বড় সর্দার নিহত হয়।

Address

Jamaya Rosidia Feni
Feni
3900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবনায়ে রশীদিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আবনায়ে রশীদিয়া:

Share