বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Faridpur
  • বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র, Faridpur, Dhaka, Faridpur.
(12)

দেশীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি চর্চা, তথ্যসমৃদ্ধ দেশ ও জ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনে অদেখা চিত্র ও তথ্য হোক উন্মুক্ত।
ইনস্টাগ্রাম: instagram.com/bdcs.official
ইউটিউব: youtube.com/.official
এক্স/টুইটার: x.com/B_D_C_S

যেকোনো প্রয়োজনে:
[email protected] বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র
(Bangladesher Dushprappo Chobi Somogro - BDCS)

'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও অবাণিজ্

যিক দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চর্চাকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম, সংগ্রহশালা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যেটি জন্মলগ্ন থেকেই স্বেচ্ছাশ্রমে দেশব্যাপী বাংলার আবহমান ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতির দুষ্প্রাপ্য দলিলাদি সংগ্রহ, চর্চা, গবেষণা, তথ্যবিকৃতি রোধ, প্রচার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি নানা সমাজসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি জ্ঞানমনস্ক সমাজ ও তথ্যসমৃদ্ধ দেশ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছে ।

প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ জুলাই ২০১৬ সাল

প্রতিষ্ঠানের ধরন: অনলাইন ও অফলাইন কেন্দ্রিক

রূপকল্প (Vision): তথ্যসমৃদ্ধ দেশ ও জ্ঞানমনস্ক আলোকিত সমাজ গঠন

অভিলক্ষ্য (Mission): বাংলার আবহমান ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ ও কৃষ্টিকে ধারণ, লালন, সংরক্ষণ ও বিকাশে বিভিন্ন উপায়ে জ্ঞানচর্চা ও নানাবিষয়ক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রচার, তথ্যবিকৃতি রোধ, সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতির মানসিক বিকাশ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ।

তহবিলের উৎস: একটি নাগরিক উদ্যোগ

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ (Strategic Objectives):
১. দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প-সংস্কৃতির দুষ্প্রাপ্য দলিলাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন।
২. বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য, ইতিহাস ও চেতনার লালন।
৩. জ্ঞানমনস্ক সমৃদ্ধশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় জোরদারকরণ।
৪. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, নৃতত্ত্ব, মুক্তিযুদ্ধ ও সমকালীন শিল্প সংস্কৃতির নিদর্শন ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও উন্নয়ন।
৫. জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে বাংলার প্রচলনে সহায়তা/সহযোগিতা।
৬. বাংলাদেশের আবহমান ঐতিহ্যের অনুসরণে বাংলাদেশে বসবাসকারী সকল শ্রেণি এবং সম্প্রদায়ের জনগণের নিজস্ব সংস্কৃতি, চিন্তা-চেতনা, ধর্ম-বিশ্বাসকে সমুন্নত রাখা।
৭. সর্বাত্মক উপায়ে জাতীয় সংস্কৃতির অবক্ষয় রোধ এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নের সমন্বয়সাধন।
৮. দেশে বসবাসকারী সকল ক্ষুদ্র ও নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সঠিক সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং সকল সম্প্রদায়ের সামাজিক সম্প্রীতি সুসংহত করা।
৯. বিশ্বায়নের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্যান্য সংস্কৃতির ইতিবাচক সুকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ এবং সকল প্রকার অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
১০. এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগণের হাজার বছরের সংগ্রামী ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং দেশে বসবাসকারী সকল জনগণের ধর্মবিশ্বাস, চেতনা ও সম্প্রীতি সমুন্নত রাখার জন্য সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ।
১১. পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আর্কাইভসের আলোকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলা

“বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র” এর অন্যান্য উদ্যোগসমূহ:
১. হারানো বন্ধুর খোঁজে
২. বুকের ভেতর যুদ্ধকথা
৩. তথ্য সেবা
৪. সচেতনতামূলক কর্মসূচি
৫. ইতিহাসভিত্তিক প্রামাণ্য নির্মাণ
৬. গবেষকদের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান

২০২২ ও ২০২৩ সালে সম্পন্নকৃত কার্যক্রমসমূহ:
১. শুধু ২০২২ ও ২০২৩ সালেই ৪৫ হাজার ইতিহাসভিত্তিক ঐতিহাসিক দলিলাদি সংগ্রহ (মোট সংগ্রহ প্রায় ৮৫ হাজার) ।
২. প্রায় ৪০ হাজার ইতিহাসভিত্তিক ছবি-ভিডিও-দলিল-দস্তাবেজ-নথি-পত্রিকা ও সংকলন তথ্যসহ উন্মুক্তকরণ।
৩. অনলাইন প্লাল্টফর্মে প্রায় ১১ লাখ ইতিহাসপ্রেমী মানুষ সম্পৃক্তকরণ (মোট সম্পৃক্তকরণ সংখ্যা প্রায় সারে সতেরো লাখ) এবং দেশীয় ইতিহাসচর্চা, প্রচার, গবেষণা, সংরক্ষণে আগ্রহী করে তোলা।
৪. নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রায় ৪৫ টি হারানো পরিবারকে বিনা পারিশ্রমিকে তাঁদের হারানো স্বজন/বন্ধুদের খুঁজে দেওয়া এবং পুনর্মিলন অনুষ্ঠান করা।
৫. ধারাবাহিকভাবে প্রায় ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রচার, প্রশ্ন পর্বের আয়োজন ও ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ।
৬. চর্চা, গবেষণা, প্রচার ও সৃষ্টিশীল কর্ম বৃদ্ধিতে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ হাজারো লেখক, গবেষক, সাংবাদিক, সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় ছবি-ভিডিও-দলিল-দস্তাবেজ-সংকলন সরবরাহ।
৭. অনলাইন ও অফলাইনে পরিবেশ রক্ষা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা রোধে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
৮. রাষ্ট্রীয় ও অন্যান্য বিশেষ প্রথিতযশা ব্যক্তিদের বিশেষ দিবসসমূহ পালন।
৯. অসংখ্য ইতিহাসভিত্তিক প্রামাণ্য নির্মাণ ও প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বদের জীবনী প্রচার।
১০. বিশ্বায়নের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্যান্য সংস্কৃতির ইতিবাচক সুকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ এবং সকল প্রকার অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধে কাজ করা হয়েছে ।
১১. এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগণের হাজার বছরের সংগ্রামের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং দেশে বসবাসকারী সকল জনগণের ধর্মবিশ্বাস, চেতনা ও সম্প্রীতি সমুন্নত রাখার জন্য সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ ।
১২. পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আর্কাইভসের আলোকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তুলতে সংগ্রহকৃত দুষ্প্রাপ্য ছবি-ভিডিও-পত্রিকা-দলিল-দস্তাবেজ-নথি-সংকলন ডিজিটাল সংরক্ষণের মাধ্যমে আর্কাইভ করা (উন্নয়ন চলমান)।

আমাদের অন্যান্য শাখা সমূহ –
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/rarephotoarchive.bd
ব্যাকআপ গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/bdcs.backup
ইউটিউব চ্যানেল: https://youtube.com/.official?si=5sSJtxLdmuwmm40c
ইনস্টাগ্রাম: https://www.instagram.com/bdcs.official
এক্স/ টুইটার: https://twitter.com/B_D_C_S

আরও জানতে -
আমাদের ডোমেইনসমূহ: (সাইট উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় অনুল্লিখিত রাখা হলো)
মিডিয়া কাভারেজ লিংক: https://docs.google.com/document/d/1n_6Dh6JsBUa29L4hf5Ty4SeJSfb_e8Tb/edit

কিছু কথা: 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' স্বেচ্ছাশ্রমে গড়া অলাভজনক একটি নাগরিক উদ্যোগ। আমাদের আর্কাইভের সকল তথ্য-ছবি-ভিডিও-নথি-পত্রিকা-দলিল-দস্তাবেজ-সংকলন 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' এর ব্যক্তিগত সংগ্রহ ও আমাদের সদস্যদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংগ্রহ যার বড় একটি অংশের কপিরাইট 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' ও আমাদের সদস্যদের। এছাড়া এর বাইরেও বেশকিছু ইন্টারনেট ও বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে সংগৃহীত হয়েছে। যেগুলো সবই শুধু দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতিচর্চা ও গবেষণা কার্যের জন্য ব্যবহার্য। জ্ঞানমনস্ক সমাজ ও সমৃদ্ধশীল দেশগঠনের স্বার্থে অনুমতিক্রমে যে কেউই চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন তবে কিছু নিয়মাবলি রয়েছে।

নিয়মাবলি:
১. অনুমতি গ্রহণ।
২. শেয়ার করার সময় ছবি সংগ্রহ কৃতজ্ঞতা - 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' লিখুন।
৩. কোনোপ্রকার এডিটিং ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট ফটোগ্রাফার ও কপিরাইট হোল্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ:
ই-মেইল - [email protected]

ধন্যবাদান্তে,
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক,
বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

শর্মিলী আহমেদের প্রকৃত নাম মাজেদা মল্লিক। ১৯৪৭ সালের ৮ মে রাজশাহীতে তাঁর জন্ম। রাজশাহী বেতারের শিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শু...
08/05/2026

শর্মিলী আহমেদের প্রকৃত নাম মাজেদা মল্লিক। ১৯৪৭ সালের ৮ মে রাজশাহীতে তাঁর জন্ম। রাজশাহী বেতারের শিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। তাঁর প্রথম অভিনীত উর্দু চলচ্চিত্র ‘ঠিকানা’ মুক্তি পায়নি। ষাটের দশকে সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘আলিঙ্গন’, ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ ও ‘আবির্ভাব’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

স্বাধীনতার পর ‘রূপালী সৈকতে’, ‘আগুন’, ‘দহন’সহ বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ‘আগুন’ ছবিতে প্রথমবার বয়সী মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি কয়েকশ টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় করেছেন। বাংলা চলচ্চিত্রে ‘মা’ চরিত্রের জন্যই তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

আজ এই বিশিষ্ট অভিনেত্রীর জন্মবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

#শর্মিলীআহমেদ #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

১৯৯৫: বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর সংগীতবিষয়ক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান ‘জলসা’-য় কলিম শরাফী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সুবীর নন্দী, নকীব ...
08/05/2026

১৯৯৫: বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর সংগীতবিষয়ক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান ‘জলসা’-য় কলিম শরাফী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সুবীর নন্দী, নকীব খান, সাদিয়া আফরিন মল্লিক ও শাহবাজ খান পিলু।

#বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

08/05/2026

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ।

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বিশ্বকবি #জন্মজয়ন্তি #রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর #গিরিধরদে #বাদুছস #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

08/05/2026

সালটা ১৯৩৯-এর ৩০ ডিসেম্বর। পৌত্রী 'নন্দিনী' ওরফে পুপের বিয়ে। পাত্র অজিত সিং খাটাউ। পৌরোহিত্য করছেন স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ। সঙ্গে ক্ষিতিমোহন সেন। তাতে দেখা গিয়েছিল এমন যুগলবন্দি। সেই বিয়ের ধারা আজও বহমান শান্তিনিকেতনে। যে বিয়েতে ব্রাহ্ম ধর্মের রীতি-রেওয়াজের সঙ্গে নান্দনিকতার অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে। উপনিষদের মন্ত্রোচ্চারণের সঙ্গে রবীন্দ্রগানের যুগলবন্দিতে যা শান্তিনিকেতনের আশ্রম পরিবেশে বৈদিক মতে বিবাহ নামেই খ্যাত।

কেমন সেই বিয়ে?

সে বিয়েতে নেই কোনও জাতবিচার কিংবা ধর্মের কঠোর অনুশাসন। আছে পরম মঙ্গলময়ের প্রতি আত্মনিবেদন। তাই বিবাহের সূচনা পর্বে আচার্য ঘোষণা করলেন, 'আজ আমরা এই বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি উপনিষদ আর রবীন্দ্রনাথকে সঙ্গী করে। মুহূর্তেই বেজে উঠল শঙ্খধবনি।'

বিবাহের স্থানটিকে শান্তিনিকেতনের অতি নিজস্ব নান্দনিক আলপনায় সাজিয়ে তুলেছিলেন অধ্যাপক সুধীরঞ্জন মুখোপাধ্যায়। সূচনা পর্বে উপস্থিত সকলেই একযোগে গেয়ে উঠলেন, 'আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে'। গানের মাঝেই আচার্য এবং বর-কনে একত্রে প্রদীপ জ্বালিয়ে নিজ নিজ জায়গায় বসলেন।স্বাগত ভাষণে আচার্য বললেন, 'আমরা আজ সকলে গার্গী এবং অনির্বাণের শুভ পরিণয় কর্মে সমবেত হয়েছি। উপস্থিত সকলের আন্তরিক শুভ কামনা প্রার্থনা করি।' এর পর উপনিষদের মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হল স্বস্তি বচন বা কল্যাণবাণী। 'বিবাহ বাসরে সকলের উপস্থিতিতে এই শুভ পরিণয় কর্ম কল্যাণকর হোক।' সকলে একযোগে বলে উঠলেন, 'ওঁ স্বস্তি, স্বস্তি, স্বস্তি।' এর পরই সকলে গেয়ে উঠলেন 'এই লভিনু সঙ্গ তব, সুন্দর হে সুন্দর।'

এর পর উচ্চরিত হল বৈদিক মন্ত্র। বিবাহ আসরে পাত্রপাত্রীর সম্মতি চাইলেন আচার্য। 'প্রস্তুত আছি' বললেন দু'জনেই। উপনিষদের মন্ত্র আওড়ে আচার্য বললেন, 'আমাদের উভয়ের ভাগ্য, উভয়ের চিত্ত, উভয়ের ব্রত একসঙ্গে যুক্ত হইয়া অগ্রসর হোক।' কিংবা 'প্রেমের বলেই আমি তুমি সর্বজয়ী হই। জল যেমন আপন পথে চলে, তেমনি তোমার মন আমার প্রতি সদাই ধাবিত হোক।' মন্ত্র শেষ হতেই শুরু হল গান, 'আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ, সুরের বাঁধনে'। গানের সঙ্গে সঙ্গে আচার্য নবদম্পতির দু'টি হাত ফুলের মালা দিয়ে বেঁধে দিলেন।

আংটি বদলের পর গাওয়া হল, 'ওহে সুন্দর মম গৃহে আজি পরমোৎসব'। গান চলতে চলতেই মালা বদল। সিঁদুর দানের সময় 'তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা'। সপ্তপদী গমনে দেখা গেল, পুষ্প আলপনায় সজ্জিত সাতটি প্রদীপকে একে একে পার করলেন নবদম্পতি। গাওয়া হল, 'সুমঙ্গলী বধূ সঞ্চিত রেখা প্রাণে স্নেহমধু'। পরিণয় সম্পন্ন হতেই পুষ্পবৃষ্টি করলেন আমন্ত্রিতরা। গাওয়া হল, 'আকাশ ভরা সূর্য তারা।'

আশ্রমিক অধ্যাপক নন্দিতা সরকার বললেন, 'ব্রাহ্ম ধর্মে যে বিবাহের ধারা রয়েছে, তার সঙ্গে শান্তিনিকেতনের নান্দনিকতা যুক্ত হয়ে একটি যুগোপযোগী বিবাহ ধারা চলে আসছে। ক্ষিতিমোহন সেন এই বিবাহকে বৈদিক পদ্ধতিতে বিয়ে বলে জানিয়েছিলেন।'

আচার্য অভীক ঘোষ বলেন, 'শুধু ব্রাহ্ম ধর্মাবলম্বীরাই নন, শান্তিনিকেতনের বহু বাসিন্দাই এই বিয়ের ধারাকে গ্রহণ করেছেন। এই ধারা অভিনব মানবতার কথা বলে।'

বিয়ের পর নবদম্পতি গার্গী ও অনির্বাণ বলেন, 'আমরা যে মাটিতে জন্মেছি ও বড় হয়েছি, তার ধারাকে বয়ে নিয়ে যেতেই এই বৈদিক পদ্ধতির বিয়ের অনুষ্ঠানে আগ্রহ ছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতে তা সম্ভব হযেছে। আমরা খুবই আনন্দিত।'

লেখা: মঞ্জুর এলাহি/ বাদুছস

#পুপে #নন্দিনী #রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

আজ ৮ মে, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের জন্মবার্ষিকী।     #মুন্সীআব্দুররউফ  #বীরশ্রেষ্ঠ  #   #মুক্তিয...
08/05/2026

আজ ৮ মে, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের জন্মবার্ষিকী।

#মুন্সীআব্দুররউফ #বীরশ্রেষ্ঠ # #মুক্তিযুদ্ধ #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

৪ সেপ্টেম্বর ১৯২৬: স্টকহোমে পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।ছবি সৌজন্যে: Maksod Khan Miraz/ বাদুছ...
08/05/2026

৪ সেপ্টেম্বর ১৯২৬: স্টকহোমে পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

ছবি সৌজন্যে: Maksod Khan Miraz/ বাদুছস

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

08/05/2026

পরিবারের উনার একচ্ছত্র আধিপত্য। স্বামী, দুই ভাই থেকে চাকর- চাকরানীরা পর্যন্ত তাঁর ভয়ে তটস্থ থাকেন। 'জীবন থেকে নেয়া' সিনেমার প্রেক্ষাপট ছিল স্বাধীনতা পূর্ব আ*ন্দোলন নিয়ে। প্রখ্যাত নির্মাতা জহির রায়হান এই চরিত্রটি দিয়ে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের একনায়কতন্ত্র ফুটিয়ে তুলেছিলেন। এখন পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্রে এই চরিত্রটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় নারী খল চরিত্র। সংসারে কর্তৃত্বকারী এই চরিত্রে অভিনয় করে কিংবদন্তি হয়ে আছেন আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী রওশন জামিল।
খল অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে স্বাতন্ত্র্য করেছিলেন, তবে নানা চরিত্রে তিনি নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছিলেন কতটা দক্ষ অভিনেত্রী তিনি। জীবন থেকে নেয়ায় যেই খান আতার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় দর্শকরা উপভোগ করেছিলেন, তাঁর ঠিক কয়েক বছর পরেই সুজন সখিতে খান আতার মায়ের চরিত্রে নিজেকে দারুন ভাবে মানিয়ে নিয়েছিলেন। সুজন সখি শুধু নায়ক-নায়িকার ছবি নয়, এর বাইরে যে দুইটি চরিত্র বেশ গুরুত্ব পেয়েছে তা হল খান আতা ও রওশন জামিলের চরিত্র। সুজন সখির দাদীর চরিত্রে যে মায়াভরা অভিনয় করেছিলেন তা অতুলনীয়।
'নানী গো নানী বলি যে আমি, আমারে নিয়ে লইয়া যাবা ভাইসাবের বাড়ি', আমজাদ হোসেনের বিখ্যাত ছবি 'নয়ন মণি'তে ববিতার সেই নানী হচ্ছেন রওশন জামিল। নয়ন মনিতেও মূল অভিনয়শিল্পীর বাইরে বেশি গুরুত্বপূর্ণ পেয়েছিল এই নানী চরিত্রটি। দাদী- নানী চরিত্র শুধু নিছক মজার চরিত্র নয়, উনি সেটা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। নয়ন মনিতে অভিনয় করেই প্রথম জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে যখন রঙ্গীন নয়ন মনি নির্মিত হয়,সেখানেও তিনি শাবনূরের নানী হয়েছিলেন যা বিরল অর্জন বটে। নানী গো নানী গানটি আবার ব্যবহৃত হয়েছিল গোলাপী এখন ঢাকায় ছবিতে, সেখানেও চম্পার নানী তিনি।
আমজাদ হোসেনের আরেক যুগান্তকারী সিনেমা 'গোলাপী এখন ট্রেনে', সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকে এই সিনেমার একটি দৃশ্য বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। 'লাভ হয় না দশ ট্যাকা, টিকিট কাটুম সাত ট্যাকা', বিড়ি ফুঁকে সেই বয়স্কা দাদীর চরিত্র রওশন জামিল ই করেছিলেন। শুধু এইটুকু অংশ ই নয়, পুরো ছবিতে তিনি ববিতা ও আনোয়ারার দারুণ সঙ্গী হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ছবি 'ওরা ১১ জন' তেও অন্যতম অভিনেত্রী তিনি।
বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ল্যাসিক চলচ্চিত্র গুলোর মধ্যে অন্যতম 'সূর্য দীঘল বাড়ি', এই সিনেমায় শফির মা চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় উনার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন। ঋত্বিক ঘটকের 'তিতাস একটি নদীর নাম', দহন, পোকা মাকড়ের ঘর বসতি, পেনশন, টাকা আনা পাই এই সিনেমাগুলোতে যেমন মমতাময়ী মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তেমন চিরাচরিত বাণিজ্যিক ধারার ছবি 'আমার সংসার' তেও খল চরিত্রে দর্শকদের আরেকবার চমক দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল ছবি 'বেদের মেয়ে জোছনা'তেও তিনি অভিনয় করেন নানীর চরিত্রে, 'মিস লোলিতা' ছবিতে মেথরানী চরিত্রে মুগ্ধ করেছিলেন। সিনেমার পাশাপাশি অনেক নাটকেই অভিনয় করেছিলেন, সেগুলোর মধ্যে কূল নাই কিনার নাই, সকাল সন্ধ্যা, ঢাকায় থাকি, তালা অন্যতম। খুব সম্ভবত সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া সিনেমা 'প্রেমের তাজমহল'।
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বহুমাত্রিক অভিনয় করেও জুরি বোর্ড সেভাবে সুবিচার করেন নি। বেঁচে থাকাকালীন একটি মাত্র জাতীয় পুরস্কার ই দেখে যেতে পেরেছিলেন, মৃত্যুর পর চিত্রা নদীর পাড়ে সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। চিত্রা নদীর পাড়ে সিনেমাতে বিধবা পিসির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি দেশভাগের করুণ যন্ত্রনার শিকার হয়ে মাতৃভূমি ছেড়েছিলেন।
অভিনেত্রীর বাইরে তিনি নৃত্যশিল্পী ছিলেন, স্বামী বিখ্যাত নৃত্য পরিচালক গওহর জামিল। দুইজন ই নৃত্য সংগঠক ছিলেন। এই নৃত্যে অবদানের জন্যই ১৯৯৫ সালে একুশে পদক পেয়েছিলেন। বেঁচে থাকাকালীন এই সম্মাননা পেয়েছিলেন, তা আমাদের দেশে সৌভাগ্যের ব্যাপার বটে। বিটিভির নাটকে অভিনয়ের সূচনা, প্রথম সিনেমা ছিল 'আলীবাবা'।
১৯৩১ সালের ৮ ই মে আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বেঁচে থাকলে আজ উনার বয়স হতো ৯৫ বছর। তবে সৃষ্টির নিয়মে ২০০২ সালের নিজের ৭১ তম জন্মদিনের মাত্র ছয়দিন পরেই ১৪ ই মে তিনি পরলোকে পাড়ি জমান।কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর প্রতি রইলো শ্রদ্ধা, আত্বার শান্তি কামনা করি।
শুভ জন্মদিন ..... রওশন জামিল

রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী কলিম শরাফীর জন্মবার্ষিকী আজ।     #কলিমশরাফী  #রবীন্দ্রসঙ্গীত          #গিরিধরদে  #বাদুছস  #বাংলাদেশে...
08/05/2026

রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী কলিম শরাফীর জন্মবার্ষিকী আজ।

#কলিমশরাফী #রবীন্দ্রসঙ্গীত #গিরিধরদে #বাদুছস #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

Address

Faridpur, Dhaka
Faridpur
7800

Telephone

+8801799191995

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র:

Share