Kadirdi Blood Donors Club

Kadirdi Blood Donors Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kadirdi Blood Donors Club, Nonprofit Organization, Kadirdi Bazar, Faridpur.

08/02/2026

প্রোস্টেট ক্যান্সার কি???

দৈনন্দিন খাবারে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল রসুন। সব ধরনের তরকারিতে স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয় রসুন। অনেক...
05/02/2026

দৈনন্দিন খাবারে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল রসুন। সব ধরনের তরকারিতে স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয় রসুন। অনেকে রসুনের আচার খেতেও পছন্দ করেন।

এই রসুনে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ এ উপাদানটি প্রাচীনযুগে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় রসুনকে সুপারফুডের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রসুনের মধ্যে শরীরের জন্য উপকারী থায়ামিন (ভিটামিন বি১), নায়াসিন (ভিটামিন বি৩), রিবোফ্লাবিন (ভিটামিন বি২), প্যান্টোথ্যানিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৫), ভিটামিন বি৬, ফোলেট (ভিটামিন বি৯), সালফার কম্পাউন্ড ও সেলেনিয়াম ইত্যাদি উপাদান রয়েছে।

★উপকারিতা

১.রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২.সেলেনিয়াম ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৩.রসুন রক্ত পরিশোধন করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপ প্রতিরোধ করে।
৪.রসুনে রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ, যা বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
এটি হজমের ক্ষমতা বাড়ায়।
৫.শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় ও কোষের বিভিন্ন ক্ষতি প্রতিরোধ করে।
৬.ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ওজন কমাতে এটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
৭.রসুন প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় ইউরিন ইনফেকশন কমায়।
৮.মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
৯.রসুন বিভিন্ন হরমোনাল অসামঞ্জস্যতা প্রতিরোধ করে। ১০.শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। মেনোপজের সময় রসুন খেলে উপকার পাওয়া যায়।
১১.রসুনে থাকা নানা উপাদান পুরুষদের ফার্টিলিটির সমস্যা ঠিক করতে সাহায্য করে। এটি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে রসুন খুবই উপকারী।

★কীভাবে খেলে ভালো

সাধারণত রসুনের উপকারিতা পাওয়ার জন্য সকালে খালিপেটে খেতে বলা হয়। রসুনে যে সালফার কম্পাউন্ড থাকে চিবিয়ে খেলে সেটার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য খেতে না পারলে মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ভর্তা, শাক রান্না ও মুড়ি মাখানোতে কাঁচা রসুন দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
রসুন ভাজলে বা রান্না করলে তাপে এটির প্রধান রাসায়নিক উপাদান অ্যালিসিনের এর গুণাগুণ নষ্ট হয়। কাঁচা রসুন কেটে ১৫ মিনিট খোলা জায়গায় ছড়িয়ে রেখে তারপর খাওয়া হলে অ্যালিসিন সহজে হজম হয়।
রসুনের আচার খেলে জীবাণুনাশক গুণ পাওয়া যায় না। তবে অন্যান্য উপকারিতা পাওয়া যাবে।

কথায় বলে ‘আদা সকল রোগ নিরাময়ে দাদা’। যার অর্থ আমাদের শরীরে সব রোগ নিরাময়ের জন্য আদা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আদায় রয়েছ...
29/01/2026

কথায় বলে ‘আদা সকল রোগ নিরাময়ে দাদা’। যার অর্থ আমাদের শরীরে সব রোগ নিরাময়ের জন্য আদা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আদায় রয়েছে পটাশিয়াম, আয়রণ, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, বি৬, ই ও সি এবং অ্যান্টি–ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট ও অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি এজেন্ট বিদ্যমান। যার কারণে সব বয়সী মানুষ আদা খেতে পারেন, বিশেষ করে শিশুদের জন্য আদা–মধু–জল সুস্থ দেহ ও সতেজ মনের জন্য খুবই কার্যকর।

জেনে নেওয়া যেতে পারে আমাদের কোন কোন সমস্যা নিবিড়ভাবে কাজ করে আদা।

★আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা★

যাঁরা এসব সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য খাওয়ার পর এক কাপ গরম পানিতে এক চা–চামচ আদার রস মিশিয়ে খেলে আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা দূর হবে। যাঁরা এ সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাঁরা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু, একত্রে এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে দিনে এবং রাতে নিয়মিত খেলে সুফল পাবেন।

★হাঁপানি ও ফুসফুসে সংক্রমণ★

ফুসফুসের ধমনিতে কোনো সংক্রমণ থাকলে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অথবা হাঁপানি থাকলে প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এবং ঠান্ডাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চললে ১৫ দিনের মধ্যে এর সুফল পাবেন।
শরীরের ভেতরের বায়ু ও কোষ্ঠবদ্ধতা, পেটে গ্যাস, কোনো খাবার খেলেই গ্যাস বের হতে থাকে, সেই সঙ্গে কোষ্টকাঠিন্য, প্রতিদিন মলত্যাগ হয় না, মলে দুর্গন্ধ এবং শক্ত, তাঁদের জন্য প্রথম সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খেতে হবে। এতে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে; তারপর প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেতে হবে। তাহলে গ্যাসের স্থায়ী সমাধান মিলবে। মনে রাখতে হবে, গ্যাসের সমস্যার প্রধান কারণ শরীর বিরুদ্ধ খাবার; আসলে যে খাবার আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর তা এড়িয়ে গেলে কোনো ওষুধেরই প্রয়োজন হয় না।

★অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাড়ের জয়েন্টের ব্যথা★

মূলত এ রোগগুলোর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। শরীরের ওজন ঠিক রেখে, নির্দিষ্ট ব্যায়াম ও দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এর তীব্রতা কমে। যেহেতু এ রোগ হওয়ার অন্যতম কারণ শরীরে পানি ও ক্যালসিয়াম ঘাটতি, সেহেতু পানি খাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে।

★হৃদ্‌রোগ★

হৃদ্‌রোগের বিভিন্ন উপায় আছে প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাময়ের জন্য। যাঁদের হৃদ্‌রোগ আছে কিন্তু উচ্চরক্ত চাপ নেই, তাঁরা দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খাবেন। সেই সঙ্গে গ্যাসজনিত সমস্যা থাকলে সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খাবেন। ধৈর্যসহ নিয়মিত এ নিয়মে চললে হৃদ্‌রোগের সমস্যা দূর হতে থাকবে।

★জ্বর জ্বর, বমি বমি ভাব★

এক চা–চামচ আদার রস গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খেলে জ্বর জ্বর ভাব ও বমি বমি ভাব কেটে যাবে।

★মাইগ্রেন, সাইনাস, গলা ও মাথাব্যথায়★

তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে হবে। কিন্তু রোগ সারাতে হলে প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু গরম এক কাপ পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে মাইগ্রেনের সমস্যা দূর হবে।
আহারে রুচি আসে, ক্ষুধা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে
সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে আহারে রুচি আসে।

★কাশি কমায়, কফ দূর করে★
প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে কাশি কমে, কফ দূর হয়।

★পাকস্থলী ও লিভারের শক্তিবর্ধক★
সমপরিমাণে আদার গুঁড়া, মধু ও আমলকীর গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে প্রতিদিন তিনবার চা হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে পাকস্থলী ও লিভারের শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

★উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে★

প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজে আসবে। ডায়েবেটিস রোগীদের মধু বাদ দিয়ে খেতে হবে।

আমাদের প্রাচীন চিকিৎসাব্যবস্থায় আদা একটি অপরিহার্য উপাদান। এর গুণাগুণের কারণে আমাদের খাদ্যে এর প্রচলন চলে এসেছে। আমরা প্রতিদিন রান্নায় যে আদা খেয়ে থাকি, তাতে কিছু উপকার হলেও ঔষধি উপকার পেতে হলে নিয়ম করে আদা খেতে হবে আর যেখানে আদা ছেঁচে বা পিষে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে তা শুধু যখন খাবেন, তখনই ছেঁচে বা পিষে খেতে হবে।অনেকেই এক মাসের প্রয়োজনীয় আদা একবারে পিষে ফ্রিজে রেখে দেন। এ আদা দিয়ে কিন্তু ঔষধি উপকার পাওয়া যাবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথের তথ্য অনুযায়ী, আদার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে হজমে সমস্যা ও পেটফোলা ভাব দেখা দিতে পারে অতিমাত্রায় আদা খাওয়া হলে। প্রতিটি উপাদানেরই নিজস্ব ডোজ থাকে, তেমনি আদার বেলায় ১৫ গ্রাম রস সারা দিনে খাওয়া উচিত। যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা মধু কম খাবেন।

প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চা এবং রান্নার মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মেথির বীজ। গ্রামে শাক হিসেবেও খাওয়া হয় মেথির পাতা। সু...
26/01/2026

প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চা এবং রান্নার মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মেথির বীজ। গ্রামে শাক হিসেবেও খাওয়া হয় মেথির পাতা। সুগন্ধের জন্য অনেকেরই পছন্দ পাঁচফোড়নের অন্যতম এই উপাদান মেথি। কিছুটা তেতো স্বাদের এই বীজে আছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ। উচ্চরক্তচাপ কমাতে জাদুকরি ভূমিকা পালন করে মেথি ভেজানো পানি। শুধু তা–ই নয়, নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি খেলে শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত হবে। মেটাবলিজম ভালো থাকলে সহজে ওজন বাড়ে না।

ভারতীয় উপমহাদেশে বহু বছর ধরেই মেথির বীজ ভেজানো পানি ডায়াবেটিস, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মেথির বীজে আছে গ্লুকোমেনান নামক ফাইবার, যা খাদ্যের সঙ্গে গ্রহণকৃত চিনি অন্ত্রে শোষণপ্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। এ ছাড়া এতে থাকা বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড অগ্ন্যাশয়কে ইনসুলিনমুক্ত করতে সাহায্য করে।
মেথির বীজ ভেজানো পানি তৈরি করতে দুই চা–চামচ বীজ ভালোভাবে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে অল্প অল্প করে পান করুন।
১. হজমে সাহায্য করে

মেথির বীজে থাকে সহজে দ্রবণীয় ফাইবার যা পরিপাকতন্ত্রে খাবারের চলাচল সহজ করার মাধ্যমে হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

মেথির বীজ রক্তের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এই পানি নিয়মিত পান করা ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
৩. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

মেথির বীজে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যার ফলে কমে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি।

৪. ওজন কমাতে সাহায্য করে

মেথির বীজ ভেজানো পানিতে থাকা ফাইবারের কারণে অনেকক্ষণ ধরে পেট ভরা অনুভূত হয়, যার ফলে ক্যালরি গ্রহণ কমে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু করে।
৫. ত্বকের দাগ কমায়

মেথির বীজে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে, যা ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে, ব্রণ বা দাগ কমাতে সাহায্য করে।
৬. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়

মেথির বীজে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

৭. চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে

মেথির বীজ প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মেথি বীজের পানি পান করলে চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় এবং চুল পড়া কমে।

শারীরিক মেরামত, মানসিক স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা (স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ) সচল রাখতে...
25/01/2026

শারীরিক মেরামত, মানসিক স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা (স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ) সচল রাখতে দৈনিক ৭-৯ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য।এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং মেজাজ ঠিক রেখে কাজের ক্ষমতা বাড়ায়। অপর্যাপ্ত ঘুম ক্লান্তি ও দীর্ঘমেয়াদী রোগের কারণ হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের প্রধান প্রয়োজনীয়তাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
শারীরিক মেরামত ও রোগ প্রতিরোধ: ঘুমের সময় শরীর নিজেকে মেরামত করে, কোষ পুনরুজ্জীবিত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউন সিস্টেম) শক্তিশালী করে।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও মানসিক স্বাস্থ্য:
এটি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে, তথ্য প্রক্রিয়াজাত করতে সাহায্য করে এবং দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ কমিয়ে মেজাজ ভালো রাখে।

হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ:
পর্যাপ্ত ঘুম রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হরমোনের ভারসাম্য:
ঘুমের অভাবে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা মেটাবলিজম কমিয়ে ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।

কর্মক্ষমতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি:
পর্যাপ্ত ঘুম দিনের বেলায় কাজে মনোযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং কর্মক্ষমতা উন্নত করে।

কখন কতটা ঘুম প্রয়োজন?
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সাধারণত রাতে ৭-৮ ঘণ্টা বা তার বেশি ঘুম প্রয়োজন, যা বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে

শীতকালে অনেকেরই বেশ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে থাকে। একটু সতর্ক থাকলে এগুলো যেমন প্রতিরোধ করা যায়, তেমনি আক্রান্ত হয়ে গেল...
06/01/2026

শীতকালে অনেকেরই বেশ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে থাকে। একটু সতর্ক থাকলে এগুলো যেমন প্রতিরোধ করা যায়, তেমনি আক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকারও সহজ হয়। অন্যথা সমস্যাগুলো কষ্ট দিতে পারে, ভোগান্তিও বেড়ে যেতে পারে।

★সর্দি-কাশি :

শীতকালে ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি হওয়া অতিসাধারণ অথচ বিরক্তিকর একটি রোগ। বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের মাধ্যমে এ রোগ সংক্রমিত হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হয় রাইনো ভাইরাসের মাধ্যমে। ঘন ঘন হাঁচি হওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া, সঙ্গে একটু-আধটু কাশি ও সামান্য জ্বর এগুলো সর্দির লক্ষণ।

সাধারণত সপ্তাহ খানেকের মধ্যে রোগটি ভালো হয়ে যায়। তবে অনেক ক্ষেত্রে রোগের জটিলতা দেখা দেয়। শিশুদের ফুসফুসে ইনফেকশন হয়ে ব্রংকিওলাইটিস, নিউমোনিয়া, মধ্যকানের প্রদাহ ইত্যাদি হ’তে পারে। বড়দের হ’তে পারে সাইনোসাইটিস।

চিকিৎসা : সাধারণত সপ্তাহ খানেকের মধ্যে রোগটি কোন ওষুধ ছাড়াই ভালো হয়ে যায়। তবে অধিকমাত্রায় পানি পান তাড়াতাড়ি সেরে উঠতে সাহায্য করে। এছাড়া নাকের সর্দি নিয়মিত পরিষ্কার করে নাসারন্ধ্র খোলা রাখতে হবে। ঘরে সিগারেটের ধোঁয়া বা রান্নাবান্নার ধোঁয়া এই রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। নাক থেকে পানি ঝরা কমাতে প্রয়োজন অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ। আর ব্যথা ও জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস, নিউমোনিয়াসহ যেকোন জটিলতায় অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হ’তে হবে।

প্রতিরোধ : নিয়মিত হাত ধোয়া, কনুই ভাঁজ করে তাতে হাঁচি দেওয়া, তা না হ’লে রুমাল বা টিস্যু পেপার দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে হাঁচি দেওয়া, নাক ঝেড়ে যেখানে-সেখানে নাকের ময়লা না ফেলা ইত্যাদি। সর্দি প্রতিরোধে এসব পদক্ষেপ অবশ্যই নিতে হবে।

★ইনফ্লুয়েঞ্জা :

রোগটি ফ্লু নামেও বেশ পরিচিত। শীতকালে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। এটি ভাইরাসজনিত একটি রোগ; তবে সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে আলাদা। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়ে এ রোগ হয়। শরীরে জীবাণু ঢোকার এক থেকে চার দিনের মধ্যেই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, খুসখুসে কাশি, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, বমি, দুর্বলতা ইত্যাদি। সাধারণ সর্দি-কাশির চেয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলো গুরুতর। বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে রোগটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার তাদেরকে দুর্বলও করে ফেলে। এটি থেকে সাইনোসাইটিস, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া ইত্যাদিও হ’তে পারে।

চিকিৎসা : ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসা উপসর্গভিত্তিক। হাঁচি-কাশির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন এবং জ্বর ও শরীর ব্যাথার জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। সেকেন্ডারী ইনফেকশন হয়ে সাইনোসাইটিস, নিউমোনিয়া ইত্যাদি হ’লে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন পড়ে; সঙ্গে প্রচুর পানি বা তরল খাবার গ্রহণ করা আবশ্যক।

প্রতিরোধ : ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধ করা যরূরী। সাধারণ সর্দি-কাশির মতোই স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধ করা যেতে পারে অনেকাংশে। প্রতিরোধ করা যেতে পারে টিকার মাধ্যমেও। তবে টিকা দিতে হবে প্রতিবছরই। কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস তাদের গঠন প্রায়ই পরিবর্তন করে এবং বিবর্তিত হয়।

★গলায় খুসখুসি :

ঠান্ডার জন্য গলা খুসখুস করে এবং কাশি হয়। অনেক সময় জীবাণুর সংক্রমণ হয়। তখন একটু জ্বরও হয়। হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার গড়গড়া করলে উপকার পাওয়া যাবে। গলায় যেন ঠান্ডা লাগতে না পারে, সে জন্য মাফলার জড়িয়ে রাখা ভালো।

★হাঁপানী :

শীতকালে অ্যালার্জি জনিত হাঁপানীর প্রকোপ বেড়ে যায়। শীতের শুষ্ক মৌসুমে আমাদের চারপাশে পরিবেশে অ্যালার্জেন ও শ্বাসনালীর উত্ত্যক্তকারী কিছু বস্তু বেশি থাকে। ঘরের ভেতরে থাকে ঘরোয়া জীবাণু মাইট, ছত্রাক ও পোকামাকোড়ের বিষ্ঠা। তাছাড়া শীতের দিনে ঘরের দরজা-জানালা অন্য মৌসুমের চেয়ে একটু বেশীই বন্ধ রাখতে হয় বলে ঘরের রান্নাবান্নার ধোঁয়া আটকা পড়ে বেশী। মাটি ও বাতাসে ফুলের রেণু ও ধুলাবালি থাকে খুব বেশী। এসবের কারণেই শীতকালে হাঁপানি বেড়ে যায়।

প্রতিরোধ: বাড়িঘরের অ্যালার্জেন- যেমন ঘরদোরের ধূলা বালি, মাইট ইত্যাদি ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরে আলো-বাতাস বইতে দিতে হবে। বাইরে চলাচলের সময় মুখোশ ব্যবহার করতে হবে। ঘন ঘন স্বাভাবিক পানি পান করতে হবে। তবে গরম পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে শ্বাসনালিতে তৈরি হওয়া শ্লেষ্মা পাতলা থাকবে। তাতে কাশি ও শ্বাসকষ্ট কমবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কিছু ওষুধ সেবন করেও হাঁপানী সাময়িক প্রতিরোধ করা গেলেও মূলতঃ উপরোক্ত নিয়মগুলি সর্বদা মেনে চললে স্থায়ীভাবে হাঁপানী প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

(সংগৃহীত)

11/10/2025

পর্নোগ্রাফি কি কি ক্ষতি করে।
আসুন সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ি।

Address

Kadirdi Bazar
Faridpur
7801

Telephone

+8801746411771

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kadirdi Blood Donors Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share