দিনাজপুর নাট্য সমিতি-Dinajpur Nattya Samity

Call Contact the organization

দিনাজপুর নাট্য সমিতি-Dinajpur Nattya Samity শতবর্ষী নাট্য সংগঠন

উনিশ শতকের শেষ প্রান্তে মঞ্চ নাটক চর্চ্চার প্রাণকেন্দ্র কলকাতার ঢেউ দিনাজপুর’কেও আন্দোলিত করে। দিনাজপুর শহরে নাট্যভিনয়ের সূচনা হয় ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে “জয়দ্রথ নাটকের অভিনয় দিয়ে। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ৭ ডিসেম্বর প্রথম নাটক “জয়দ্রথ” অভিনীত হয় দিনাজপুরের রথের মাঠে। ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে আনুষ্ঠানিক ভাবে দিনাজপুরে “ডায়মন্ড জুবিলী থিয়েটার” কোম্পানী গঠিত হয়। ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে দিনাজপুর শহরের মধ্যস্থলে ক্ষেত্রীপাড়ায় প্রধানত দিনাজপুরের নাট্য আন্দোলনের অগ্রদূত বিশিষ্ট মঞ্চাভিয়েনেতা ও নাট্যকার শ্রী হরিচরণ সেনের উদ্যোগে ডায়মন্ড জুবিলী থিয়েটার হল স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে প্রাইভেট থিয়েটার রূপান্তরিত হয়। সৌখিন নাট্যচর্”চায়। কিন্তু এটির স্থায়িত্ব বেশি দিন হয়নি। এটি চলাকালে নাট্য মোদীদের মতের অমিল ঘটে এবং ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত হয় “দিনাজপুর নাট্য সমিতি”।
দিনাজপুর নাট্য সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন গুদড়ীর নাট্য প্রিয় জমিদার রাধা গাবিন্দ রায় চৌধুরী। এ ছাড়াও এর প্রতিষ্ঠায় ভূপাল চন্দ্র সেনেরও অগ্রণী ভূমিকা ছিল। দিনাজপুরের মহারাজা জগদীশ নাথ রায়, ডাক্তার যামিনী সেন, নিশিকান্ত রায় চৌধুরী, গিরিজা মোহন নিয়োগী, মীর হামাত হোসেন প্রমূখের সহযোগিতায় “চন্দ্রগুপ্ত” নাটকের মঞ্চায়নের মাধ্যমে দিনাজপুর নাট্য সমিতির প্রথম যাত্রা শুরু হয়। কুলোদ বাবু, কুনুবাবু, বিভূতি চাঁদ, হিরন্ময় বাবু প্রমুখ সে সময় স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করে দিনাজপুর নাট্য সমিতিতে সুনাম অর্জন করেন।
১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিনাজপুর নাট্য সমিতি কলকতা কেন্দ্রিক কর্মাশিয়াল বা প্রফেশনাল থিয়েটারে অভিনীত প্রায় সব উল্লেখযোগ্য নাটকের মঞ্চায়ন করেছে সাফল্যের সঙ্গে। সে সবের মঞ্চায়নের মান কলকাতার নাটকের চেয়ে কোন অংশেই কম ছিলনা। এসব নাটকের অভিনয় রীতি, বলিষ্ঠ বাচন ভঙ্গী, ধীর লয় এবং মেলোড্রামা সুলভ অভিব্যক্তি সম্পন্ন। সাদা উইংস এবং চিত্রাংকিত “ব্যাকড্রপ” দিয়ে সেট নিমার্ণ এবং “প্যাট্রোম্যাক্স” দিয়ে আলোক প্রক্ষেপনের ব্যবস্থা ছিল প্রচলিত।
বিশের দশকে নাট্য সমিতির গুণগত পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। তখন থেকে দিনাজপুর নাট্য সমিতি বিত্তবানদের অনুদান ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে এবং ক্রমশ দর্শকবৃন্দের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। এ সময় হতে পৃষ্ঠপোষকদের ভূমিকায় জমিদার শ্রেণির উপস্থিতি ধীরে ধীরে লুপ্ত এবং পাশাপাশি নাটকের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এ সময় দিনাজপুর নাট্য সমিতি মঞ্চে প্রফুল্ল, রাজা হরিশ চন্দ্র, শাহজাহান, মহারাজা নন্দ কুমার, শ্রী দূর্গা, কর্ণাজ্জুন, রানা প্রতাপাদিত্য, কেদার রায়, আলমগীর, ফুল্লরা, মণীষা, প্রফুল্ল প্রভৃতি সামাজিক, পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক নাটকের অনুপ্রবেশ ঘটে।
বাংলাদেশের অন্যতম শত বর্ষের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নাট্য প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর নাট্য সমিতি। কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সাহিত্যিক তারা শংকর বন্দোপাধ্যায়, নাট্য ব্যক্তিত্ব মন্মথ রায়, চলচ্চিত্রকার রাজেন তরফদার, নটরাজ শিব প্রসাদ কর, জাদু স¤্রাট পি,সি, সরকার (প্রতুল চন্দ্র সরকার), জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রহমান, সুভাষ দত্ত (পটলা), সহ নাট্যকারদের স্মৃতি ধন্য এই নাট্য সমিতি।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে দিনাজপুর নাট্য আন্দোলনের গুণীজনদের অন্যতম ছিলেন দিনাজপুর রঙ্গমঞ্চের প্রবাদ পুরুষ শিব প্রসাদ কর ও দিনাজপুর নাট্যাভিনয়ের জনক হরি চরণ সেন (১৯৩৩খ্রি. মৃত্যু)। ১৯৩২খ্রি. তারা শংকরের “দুই পুরুষ” উপন্যাসের নাট্যরূপ দেন শিবপ্রসাদ কর। “দুই পুরুষ” নাটকটির আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দিনাজপুরের নাট্য সমিতিতে নাটক দেখতে আসেন সাহিত্যিকও উপন্যাসিক তারা শংকর বন্দোপাধ্যায়। রঙ্গমঞ্চ ও নাট্য পরিচালনার কর্ণধার ছিলেন শিব প্রসাদ কর। তাঁকে বলা হতো “দিনাজপুরের শিশির ভাদুড়ী” তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় স্বীয় অভিনীত নাটক দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন এবং বলেন কলকাতা থেকে এতদুরে মফস্বল শহর দিনাজপুরে তার নাটকটি এত সাফল্যের সঙ্গে অভিনিত হতে পারে তা’তার জানা ছিলনা। নাটকটি দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন কলকাতার নাট্য মঞ্চের অভিনয় থেকে এটি কোনো অংশেই কম ছিল না। তিনি শিবপ্রসাদ করকে বক্ষে ধারণ করেন এবং অভিভূত হয়ে পড়েন।
দিনাজপুর নাট্য অভিনয়ের সাথে একটানা ৩৫ বছর নাট্য সমিতি মঞ্চে সুদক্ষ সারথীর ভূমিকায় তাঁর নিরলস অবদান ছিল দু’যুগের ও বেশি। ফলে এমন একটি সময় ছিল যখন শিবপ্রসাদ কর নামটি ছিলো দিনাজপুর নাট্য সমিতির রঙ্গ মঞ্চের কীংবদন্তী। তিনি ছিলেন লব্ধ প্রতিষ্ঠিত দিনাজপুর শহরের ইংরেজী শিক্ষানবীশ উকিল। নাট্য সমিতির সমৃদ্ধির যুগে ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত নাট্য সমিতির মঞ্চায়িত নাটকের মধ্যে মন্মথ রায়ের চাঁদ সওদাগর, সীতা, সাবিত্রী ও খনা নাটক এবং শরৎচন্দের উপন্যাস অবলম্বরে নাট্য রূপায়িত বৈকুণ্ঠের উইল, মহেষ, রামের সুমতি ছাড়াও পৌরাণিক নাটক স্বর্ণলতা, ঐতিাসিক নাটক রানা রনজিৎ সিংহ, সিরাজ উদ্দৌলা, টিপু সুলতান, শাহজাহান, আলমগীর, হায়দার আলী নিয়মিত ভাবে দিনাজপুর নাট্য সমিতি মঞ্চে সাফল্যের সঙ্গে অভিনীত হয়েছে। ১৯৪৭ এ দেশ বিভাগের পর পাঁচ বছর দিনাজপুর নাট্য সমিতি নিস্প্রভ থাকে। এর পরবর্তী নাট্য সমিতিতে একে একে অভিনীত হয়েছে ঐতিহাসিক নাটক মিশর কুমারী, মীর কাশিম (মম্মথ রায়), সিরাজ উদ্দৌলা (শচীন্দ্রনাথ সেন গুপ্ত), টিপু সুলতান (মহেন্দ্রগুপ্ত), শাহজাহান (দ্বিজেন্দ্র লাল রায়), সামাজিক নাটক কালিন্দী (তারাশংকর বন্দোপাধ্যয়), মাটির ঘর (বিধায়ক ভট্টাচার্য), দুই পুরুষ (তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়) এবং হাস্য রসাত্মক নাটক তাইতো প্রভৃতি। ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে সম্ভবত দিনাজপুর নাট্য সমিতি প্রযোজিত এবং আলী মনসুর রচিত “পোড়াবাড়ী” নাটকটিতে প্রথম মুসলিম মহিলা শিল্পীর আবিভার্ব ঘটে। এ ছাড়া প্রখ্যাত অনুষ্ঠান সংগঠক শ্যামা ব্যানার্জির তত্ত্বাবধানে শ্যামলী নাটকটি অভিনীত হয় যেখানে কেবল মাত্র মহিলা শিল্পীগণ সকল নাট্য চরিত্রে অভিনয় করেন।
ষাটের দশকে নাট্য সমিতি মঞ্চে অভিনিত নাটকের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো কলির জ্বীন (তাজ মিলুর রহমান, ১৯৬০ খ্রি.), এরাও মানুষ (সন্তোষ সেন, ১৯৬০ খ্রি.) কাঞ্চন রঙ্গ (শম্ভূ মিত্র ও অমৃত মৈত্র, ১৯৬১ খ্রি.) বৌদির বিয়ে, লবনাক্ত, মরাস্রোত, কুহকিনী, ফিংগার প্রিন্ট ইত্যাদি।
১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দিনাজপুর নাট্য সমিতি প্রতি বছর আন্তঃজেলা নাট্যোৎসব ও অভিনয় প্রতিযোগিতা শুরু করে। এই নাট্যোৎসব থেকে সমিতি নিয়মিত দর্শনীর বিনিময়ে নাটক মঞ্চস্থ করে আসছে। এর ফলে নতুন নাট্য গোষ্ঠীর সৃষ্টি, নাট্য চর্চ্চার গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন নাট্য গোষ্ঠীর মধ্যে ভাবের আদান প্রদানের মাধ্যমে নাট্য চর্”ার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নাট্য সমিতির এই দুঃসাহসী পদক্ষেপ সে সময় সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের নাট্য চর্”ার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইল ফলক। দৃঢ়ভাবে বলা যায়, দেশের নাট্যধারা ইতিহাসে এই উদ্যোগ একটি অনন্য এবং নাট্য সমিতির এই কর্মযজ্ঞটি এখনো সফলভাবে চলছে।
১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে দিনাজপুর নাট্য সমিতি ময়মনসিংহ আন্তঃজেলা নাট্যোৎসবে “ভূমিকম্পের পরে” নাটকটি মঞ্চায়নের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় ঘোষিত ১১ টির মধ্যে ৯টি পুরস্কার লাভ করে। এটি সমগ্র দিনাজপুর বাসীর কম গৌরবের কথা নয়।
স্বাধীনতা পরবর্তী নাট্য সমিতিতে প্রচুর নাটক মঞ্চাস্থ হয়েছে। ভূমিকম্পের আগে, বাকী ইতিহাস, অমৃতস্য পুত্র, এই দশকের মঞ্চে, সম্রাট, ভূমি কম্পের পরে, সুবচন নির্বাসনে, উল্কা, ভেপুতে বেহাগ, ফিংগার প্রিন্ট, অন্ধকারের নীচে সূর্য, ভাড়াটে চাই, ক্যাপ্টেন হুররা, আলিবাবা, কুহকিনী, সেনাপতি, যদিও সন্ধা, নতুন মানুষ, ক্ষত বিক্ষত, পাহাড়ী ফুল, তৃতীয় পুরুষ, এখন ও ক্রীতদাস, তোমরাই, দ্যাশের মানুষ, হিসাবের খাতা, দেওয়ান গাজীর কিস্সা, মাগানা সওয়ারী, কেনা রাম বেচারাম, একাত্তরের পালা, এই রোদ এই বৃষ্টি, মানুষ, নৈশ ভোজ, র্স্পধা, ঝিঁঝিঁ পোকার কান্না, হত্যারে প্রভৃতি আরো অনেক নাটক।
পরবর্তীতে সংস্থাটির আত্মবিকাশ ও উন্নতি সাধনের ভূমিকায় যাদের সংযোগীতা অবিচ্ছিন্ন তারা হলেন- কাজী বোরহান, মকবুল মোক্তার (প্রয়াত), গুরুদাশ তালুকদার (প্রয়াত), আদল সরকার (প্রয়াত), ডা. হাফিজ উদ্দীন (প্রয়াত), নিত্য গোপাল, কমলেশ দা (প্রয়াত), মনুদা (প্রয়াত), তালেব ভাই (প্রয়াত), আকবর আলী ঝুনু (প্রয়াত), শাহরহমত বাবু ভাই (প্রয়াত), মির্জা আনোয়ারুল ইসলাম তানু (প্রয়াত), মোহন কুমার দাশ (প্রয়াত) প্রমুখ।
১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত আইনগত কারণে নাট্য সমিতির কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দের পর নাট্যোৎসব বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে পূণরায় তা’চালু হয়। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের দিনাজপুর নাট্য সমিতির শতবর্ষ পূর্তি হয়েছে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পযর্ন্ত নাট্য সমিতির একবিংশ নাট্যোৎসব শুরু হয়েছিল। নাট্য সমিতি যামিনীর শেষ সংলাপ নাটকটির মধ্যদিয়ে নাটকের শতবর্ষ পুর্তি ও এককিংশ দিনাজপুর নাট্যোৎসব শুরু করেছিল।
মঞ্চ নাটকের মধ্য দিয়ে দিনাজপুর নাট্য সমিতির কর্মীরা মানুষের বহুমুখী জীবন সাংগ্রামের চিত্র তুলে ধরতে প্রয়াসী।
প্রথাগত নাট্য চর্চ্চার বিপরীতে নাট্য সমিতি নব্য নাট্য ধারার প্রবর্তন, সমকালীন সংস্কৃতিতে বিরাজমান স্থবিরতা ও গতনুগতিকতাকে দুর করে তাতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করাই এর মূল লক্ষ্য।
নাট্য সমিতি দেশের পরিবর্তিত সামাজিক ও রাজনৈতিক পটভূমিকায় মঞ্চ নাটককে নতুন আলোকে দেখতে শুরু করে। এর নাট্য ভাবনায় সমাজের হতাশা, নৈরাশ্য, ব্যর্থতা, মূল্যবোধের অবক্ষয়, অর্থনৈতিক শ্রেণি বৈষম্য, কায়েমি স্বার্থের শোষণ, বঞ্চনা ইত্যাদি বিষয় স্থান পায়। শুরু থেকেই নাট্য সমিতি মানবতার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এবং সৎ ও শুদ্ধশিল্প সৃষ্টির অঙ্গীকার নিয়ে নাটক মঞ্চায়ন করে আসছে। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অস্থিরতার সময় সমগ্র বাংলাদেশের নাট্য চর্চাকে বেগবান করার এই প্রয়াস গুরুত্ব্পূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আধুনিক শিল্প চর্চার উর্বর ক্ষেত্র রূপে দিনাজপুর নাট্য সমিতি একটি দেশ খ্যাত শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্র :
বাংলা পিডিয়া থেকে : নাজমুক আহসান
দিনাজপুর- ইতিহাস ও ঐতিহ্য : বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত : মুহাম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান

Address

Dinajpur
5200

Telephone

+8801712131540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দিনাজপুর নাট্য সমিতি-Dinajpur Nattya Samity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to দিনাজপুর নাট্য সমিতি-Dinajpur Nattya Samity:

Shortcuts

Share