Al Maun আল-মাঊন' الْمَاعُونَ Foundation

Al Maun আল-মাঊন' الْمَاعُونَ Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Maun আল-মাঊন' الْمَاعُونَ Foundation, Nonprofit Organization, Munshi Hat Bazar, Dhobaura.

​আল মাঊন ফাউন্ডেশন | Al Maun Foundation الْمَاعُونَ
​স্লোগান: আর্তমানবতার সেবায়, উৎসর্গিত প্রতিটি প্রাণ। ​পরিচয়: আল মাঊন ফাউন্ডেশন টি জনকল্যাণমুখী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-মাঊন-এর মূল শিক্ষা—অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দয়া ও

23/04/2026

আল মাঊন ফাউন্ডেশন-এ যোগদানের আমন্ত্রণপত্র

​বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

​সুপ্রিয় সুধী,

আস-সালামু আলাইকুম।

​জন্মমাটির ঋণ শোধ করা এবং আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার চেয়ে প্রশান্তির আর কিছু হতে পারে না। আমাদের প্রিয় ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাট উপজেলার সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী একটি সমাজ গড়তে আমরা যাত্রা শুরু করেছি 'আল মাঊন ফাউন্ডেশন'-এর মাধ্যমে।

​আমরা বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার চেয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিবর্তন দ্রুত আসে। আমরা চাই এই অঞ্চলের প্রতিটি সক্ষম ও সচেতন মানুষ একজন "ভূমিপুত্র" হিসেবে এই জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক আন্দোলনে আমাদের শরিক হন।

​কেন আমাদের সাথে যুক্ত হবেন?

​কর্মসংস্থান সৃষ্টি: স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করা।

​অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আধুনিক বাজারজাতকরণ ও ব্যবসায়িক কৌশল নিশ্চিত করা।

​মানবিক সহায়তা: শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

​সমন্বিত শক্তি: ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাটের সমৃদ্ধি সাধনে ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করা।

​আপনার সামান্য সময়, সুচিন্তিত পরামর্শ কিংবা সক্রিয় অংশগ্রহণ এই অঞ্চলের ভাগ্য বদলে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন, আগামীর একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল প্রজন্মের জন্য আমরা হাতে হাত মেলাই।

​সদস্য হতে বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:

​শুভেচ্ছান্তে,

​মুন্সী মোখলেস উদ্দিন আশিক

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী (Founder & Chief Coordinator)

আল মাঊন ফাউন্ডেশন
"মাটির টানে, মানুষের কল্যাণে — স্বাবলম্বী মানুষ, সমৃদ্ধ সমাজ"

​📍 কার্যালয়: ৭ নং বাঘবেড় ইউনিয়ন, ধোবাউড়া উপজেলা।

📞 প্রয়োজনে: 018

https://www.facebook.com/share/1LGniLSiie/

​আল মাঊন ফাউন্ডেশন | Al Maun Foundation الْمَاعُونَ
​স্লোগান: আর্তমানবতার সেবায়, উৎসর্গিত প্রতিটি প্রাণ। ​পরিচয়: আল মাঊন ফাউন্ডেশন টি জনকল্যাণমুখী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-মাঊন-এর মূল শিক্ষা—অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দয়া ও

22/04/2026
যদি রিজিক বাড়াতে চান, তাহলে ব্যবসা শুরু করুণ!ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে Business এর গুরুত্ব অনেক বড়।আমাদের নবী বলেছেন রিজি...
22/04/2026

যদি রিজিক বাড়াতে চান, তাহলে ব্যবসা শুরু করুণ!
ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে Business এর গুরুত্ব অনেক বড়।
আমাদের নবী বলেছেন রিজিকের ১০ ভাগের ৯ ভাগই আছে ব্যবসায়।

এর মূল শিক্ষা হলো
ইনকাম করতে চাইলে Business এ সুযোগ অনেক বড়
ব্যবসায় সীমাবদ্ধতা কম, growth এর সম্ভাবনা বেশি

আজকের job system দেখতে যতটা secure লাগে
ভেতরে ততটাই uncertain

আপনি ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর কাজ করলেন
কিন্তু company এর এক decision এ সবকিছু বদলে যেতে পারে

layoff, salary freeze, position change
এসব এখন খুব common

সবচেয়ে বড় কথা
আপনি যতই পরিশ্রম করেন
আপনি আসলে নিজের জন্য না
অন্যের business build করছেন

আপনার সময়, skill, energy
সব invest হচ্ছে এমন একটা জায়গায়
যেখানে ownership আপনার না

job খারাপ না
কিন্তু job একা long term solution না

এখন প্রশ্ন
তাহলে business কেন?

কারণ business আপনাকে control দেয়

আপনি decide করেন
কিভাবে grow করবেন
কোথায় invest করবেন
কিভাবে expand করবেন

এখানে income limited না
আপনার effort, strategy আর vision এর উপর depend করে

history দেখেন
আজকের পৃথিবীতে যারা বড় হয়েছে ধনী হয়েছে
প্রায় সবাই business এর মাধ্যমে wealth তৈরি করেছে

কারণ simple
job income দেয়
business wealth তৈরি করে

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

business আপনাকে শুধু টাকা দেয় না
একটা system তৈরি করে

যেখানে আপনি
income generate করতে পারেন
মানুষকে value দিতে পারেন
employment তৈরি করতে পারেন

এটা শুধু earning না
এটা impact

তবে একটা reality clear থাকা দরকার

business easy না
এটা risk আছে
uncertainty আছে
pressure আছে

কিন্তু reward ও অনেক বড়

যারা শিখতে চায়
adapt করতে পারে
long term চিন্তা করে

তারাই শেষ পর্যন্ত সফল হয়

শেষ কথা

আপনি যদি সত্যি freedom চান
নিজের control চান
এবং বড় কিছু achieve করতে চান

তাহলে business শুরু করা
একটা option না
একটা necessity

ছোট শুরু করুন
কিন্তু clear strategy নিয়ে শুরু করুন

কারণ future belong করে তাদের
যারা শুধু কাজ করে না
কিছু তৈরি করে

আপনি যদি বিসনেস, মার্কেটিং, টেকনোলজি এবং জিওপলিটিক্স সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আমার এই পেজটি Follow দিয়ে রাখুন।

17/04/2026

আল মাঊন ফাউন্ডেশন
​মসজিদভিত্তিক বিপ্লব ও নববী মানহাযে সমাজ বিনির্মাণের এক নির্ভীক কাফেলা

​মূল লক্ষ্য (Vision): ঐতিহ্যবাহী মসজিদকেন্দ্রিক সমাজকাঠামো পুনর্জীবিত করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও ইনসাফভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

​কৌশলগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ
​১. আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক নবজাগরণ
​ইলমি মিনার: প্রতিটি আল্লাহর ঘরে 'ইসলামী পাঠাগার' স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে সঠিক দ্বীনি জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া।

​মকতব ও বনিয়াদি শিক্ষা: শৈশবেই শিশুদের অন্তরে ঈমানের বীজ বপন করতে 'নূরানী ও ফুরকানিয়া মকতব' কায়েম ও সেগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধন।
​তারবিয়াহ ও ইজতিমা: সদস্যদের আত্মিক পরিশুদ্ধি ও সাংগঠনিক সংহতির জন্য নিয়মিত বিরতিতে প্রতিটি মসজিদে 'মাসিক ইজতিমা' নিশ্চিত করা।

​২. মানবিক ও সামাজিক তাকাফুল (পারস্পরিক কল্যাণ)
​আর্তমানবতার ঢাল: বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও জাতীয় দুর্যোগের ক্রান্তিলগ্নে সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো।
​স্বাবলম্বিতা ও সেবা: এতিম ও দুস্থদের মৌলিক অধিকার (বস্ত্র ও চিকিৎসা) নিশ্চিত করা এবং বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

​ব্যাধি মুক্ত সমাজ: মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মতো সামাজিক ক্যানসার নির্মূলে আপসহীন সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।

​৩. আদর্শিক সুরক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই
​আকিদা ও শিষ্টাচার: শিরক, বিদআত এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে তাওহীদের ঝাণ্ডা সমুন্নত রাখা।
​সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ: ইসলাম বিদ্বেষী প্রচারণা, কাঠামোগত চক্রান্ত এবং সুন্নাহর প্রতি অবমাননার বিরুদ্ধে শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা।
​গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: পাশ্চাত্য দর্শনের অসারতা উন্মোচনে কাফেলার সদস্যদের লেখালেখি, গবেষণা ও বাগ্মিতার মাধ্যমে সুদক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলা।
​মৌলিক কর্মনীতি ও আদর্শিক বৈশিষ্ট্য
​অনুসরণীয় মানদণ্ড: আল-কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কিরামের (রা.) সুপ্রতিষ্ঠিত আদর্শই আমাদের একমাত্র আলোকবর্তিকা।

​বিশুদ্ধ আকিদা: আমরা 'আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত'-এর আকিদায় বিশ্বাসী এবং 'আত্মশুদ্ধি'র মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের পরিপূরক শক্তি।

​রাজনৈতিক স্বকীয়তা: আমরা ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী, তবে প্রচলিত 'গণতান্ত্রিক নির্বাচন' পদ্ধতির পরিবর্তে বিশুদ্ধ 'ইমারাহ' ও 'জামাআহ' ভিত্তিক পদ্ধতিতে দ্বীন বিজয়ের লক্ষে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

​ঐক্য ও সমন্বয়: উম্মাহর স্বার্থে অন্যান্য ইসলামি সংগঠনের সাথে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তি হবে শরীয়াহর মূলনীতি। বিতর্ক নয়, বরং 'নাসীহাহ' ও 'ইসলাহ'ই আমাদের দাওয়াহর পথ।

​বৈপ্লবিক প্লাটফর্ম: এটি গতানুগতিক কোনো দল নয়; বরং 'আমর বিল মা’রূফ ও নাহি আনিল মুনকার' পালনের এক উন্মুক্ত ও শক্তিশালী ময়দান।

​সদস্যপদের আবশ্যিক শর্তাবলী
​১. আকিদাগত স্পষ্টতা: আহলুস সুন্নাহর আকিদা লালন এবং ইসলামের মৌলিক বিষয়ে গভীর প্রত্যয় থাকা।
২. আমলি পাবন্দী: ব্যক্তিগত জীবনে শরীআতের পূর্ণ অনুসারী হওয়া এবং যাবতীয় চারিত্রিক স্খলন ও ইসলামী শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ থেকে মুক্ত থাকা।
৩. নিরপেক্ষতা: প্রচলিত (বিশেষত গণতান্ত্রিক) কোনো রাজনৈতিক দল বা ইসলামের পরিপন্থী কোনো সংস্থার সাথে বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ত না থাকা।
৪. ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি: চিন্তার ক্ষেত্রে চরমপন্থা ও শিথিলতামুক্ত থেকে সংগঠনের 'মানহায'-এর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য পোষণ করা।

​হৃদয়স্পর্শী আহ্বান: কেন আমাদের সাথে যুক্ত হবেন?
​হে সত্যপিয়াসী ভাই,

নব্য জাহিলিয়াতের ঘনঘটা যখন চারপাশকে গ্রাস করছে, তখন বিচ্ছিন্ন থাকা মানেই অন্ধকারের কাছে আত্মসমর্পণ করা। পাথরের মতো অটল ও পাহাড়ের মতো অবিচল হতে হলে 'সংগঠিত জনশক্তি'র কোনো বিকল্প নেই।
​মনে রাখবেন, যোগ্য নেতৃত্বের অধীনে একটি ঐক্যবদ্ধ কাফেলাই পারে অন্যায় রুখতে এবং আসন্ন পরিবর্তনের ভিত গড়তে। আপনার তারুণ্য, মেধা আর আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা—ইনশাআল্লাহ এই যমীনে আবারও আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করবে।

​আসুন, হকের তরিকায় হক প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে শামিল হই।

​আল মাঊন ফাউন্ডেশন
ইসলামী সমাজব্যবস্থা বিনির্মাণে এক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অগ্রযাত্রা।

17/04/2026

আল মাঊন ফাউন্ডেশন
Al Maun Foundation

মূল প্রতিপাদ্য:মসজিদভিত্তিক ইসলামী সমাজব্যবস্থা বিনির্মাণে দাওয়াহভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা।

ভিশন (Vision)
একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নৈতিক সমাজ গঠন—যেখানে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ আল-কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত হবে।

মিশন (Mission)
মসজিদকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, দাওয়াহ, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি সচেতন ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তোলা।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. প্রতিটি মসজিদে ইসলামী পাঠাগার স্থাপন ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ তৈরি।
২. নিয়মিত মাসিক ইজতিমার মাধ্যমে দ্বীনি চেতনা বৃদ্ধি।
৩. ফুরকানিয়া/নূরানী মকতব প্রতিষ্ঠা ও বিদ্যমান মকতবের মানোন্নয়ন।
৪. দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা।
৫. দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা।
৬. মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা।
৭. নৈতিক অবক্ষয় ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে সমাজভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ।
৮. বিভিন্ন মতবাদ ও সমকালীন চ্যালেঞ্জ বিষয়ে গবেষণা ও কর্মশালার আয়োজন।
৯. দাওয়াহ কার্যক্রমের মাধ্যমে নৈতিক ও আদর্শিক সমাজ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টি।
১০. ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে ইতিবাচক জনমত তৈরি।
১১. লেখালেখি, গবেষণা ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান।
১২. জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা।

মৌলিক কর্মনীতি
আল-কুরআন ও সুন্নাহকে সর্বোচ্চ নির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ
নৈতিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা
ইতিবাচক দাওয়াহ, নাসীহাহ ও সংশোধনের নীতি অনুসরণ
সমাজের সকল স্তরের মানুষের কল্যাণে কাজ করা
সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
আত্মশুদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব প্রদান
ঐক্য, সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা
মতপার্থক্যে সহনশীল ও গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি
মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ
মসজিদকেন্দ্রিক সামাজিক উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়নে কাজ করা

সদস্য হওয়ার শর্তাবলী
মৌলিক দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিক জীবনাচরণ
শৃঙ্খলা ও সংগঠনের নীতিমালার প্রতি আনুগত্য
অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকা
সক্রিয়ভাবে সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মানসিকতা
ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
আমাদের আহ্বান

প্রিয় ভাই,
বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা সীমিত ফল দেয়, কিন্তু সংগঠিত উদ্যোগ সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন আনে। ন্যায়, মানবিকতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে একটি উন্নত সমাজ গঠনে আপনার অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন—
ঐক্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে আমরা একসাথে কাজ করি।

আল মাঊন ফাউন্ডেশন
মানবকল্যাণ, নৈতিকতা ও সচেতন সমাজ গঠনের একটি অঙ্গীকার

মুন্সী মোখলেস উদ্দিন আশিক
১৭ এপ্রিল -২০২৬

ঢাকা-১২০৭

16/04/2026

[] সূরা মাঊন []

আমরা তো দীর্ঘদিন ধরেই সূরা মাঊন পড়ছি। কিন্তু ‘মাঊন’ কাকে বলে, তা কি জানি? যেমন ধরুন, আপনার প্রতিবেশী আপনার কাছে গৃহস্থলির ব্যবহার্য ছোটখাটো সামান্য কিছু জিনিস চাইলেন। অথচ আপনি তাকে নানান টালবাহানা দেখিয়ে বিদায় করে দিলেন। এই ধরনের সামান্য দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসকেই ‘মাঊন’ বলা হয়েছে। যারা এই ছোট-খাট নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রী অন্যকে দিতে বিরত থাকে, যারা এতিমের হক মেরে খায় এবং তাদেরকে সম্পত্তি থেকে বেদখল করে, যারা মিসকীনকে খাদ্যদানে উদ্বুদ্ধ করে না, যারা নিজেদের নামাজ সম্পর্কে বেখবর এবং লোক দেখানোর জন্য নামাজ পড়ে — আসুন এদের সম্পর্কে এ সূরায় আল্লাহ কি বলেছেন তা জেনে নেই:-

أَرَءَيْتَ ٱلَّذِى يُكَذِّبُ بِٱلدِّينِ
‘আরয়াইতাল্লাযী- ইয়ুকায্যিবু বিদ্দীন্।’ (আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে কর্মফলকে মিথ্যা বলছে)?
‘আপনি কি তাকে দেখেছেন’ বাক্যে এখানে বাহ্যত সম্বোধন করা হয়েছে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)কে। আর “আদ্ দ্বীন” শব্দটি থেকে আখেরাতের কর্মফল বা শাস্তি ও পুরস্কারকে বুঝানো হয়েছে।

فَذَٰلِكَ ٱلَّذِى يَدُعُّ ٱلْيَتِيمَ
‘ফাযা-লিকাল্লাযী ইয়াদু’উ’ল্ ইয়াতীমা’ (সে-ইতো সেই ব্যক্তি যে ইয়াতীমকে রূঢ়ভাবে তাড়িয়ে দেয়)।
এর কয়েকটি অর্থ হয়। এক, সে এতিমের হক মেরে খায় এবং তার বাপের পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে বেদখল করে তাকে সেখান থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। দুই, এতিম যদি তার কাছে সাহায্য চাইতে আসে তাহলে দয়া করার পরিবর্তে সে তাকে ধিক্কার দেয়। তিন, সে এতিমের ওপর জুলুম করে।

وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ
‘অলা-ইয়াহুদ্ব্দু ‘আলা-তোয়া‘আ- মিল্ মিসকীন্।’ (আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উদ্বুদ্ধ করে না)।
সে মিসকিনকে খাবার দিতে নিজেকে উদ্বুদ্ধ করে না। নিজের পরিবারের লোকদেরকেও উদ্বুদ্ধ করে না। এবং অন্যদেরকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করে না যে, সমাজে যেসব গরীব ও অভাবী লোক অনাহারে মারা যাচ্ছে তাদের হক আদায় করা এবং তাদের ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য কিছু করো।

فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ
‘ফাওয়াইলুল্লিল্ মুছোয়াল্লীনা’। (অতএব সেই সালাত আদায়কারীদের জন্য দুভোর্গ)।

ٱلَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ
‘আল্লাযীনাহুম্ ‘আন্ ছলা-তিহিম্ সা-হূন্।’ (যারা নিজেদের নামাজ সম্পর্কে বেখবর)।
নামায পড়া ও না পড়া উভয়টিরই তাদের দৃষ্টিতে কোন গুরুত্ব নেই। কখনো তারা নামায পড়ে আবার কখনো পড়ে না। যখন পড়ে, যেন কোন আপদ তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এটাই আখেরাতের প্রতি ঈমান না রাখার আলামত।

ٱلَّذِينَ هُمْ يُرَآءُونَ
‘আল্লাযীনা হুম্ ইয়ুরা-য়ূনা’ (যারা তা লোক দেখানোর জন্য করে)।
সৎকাজও তারা আন্তরিক সংকল্প সহকারে আল্লাহর জন্য করে না। বরং যা কিছু করে অন্যদের দেখাবার জন্য করে। আল্লাহ বলেন, “আর যখন তারা নামাযের জন্য ওঠে অবসাদগ্রস্তের ন্যায় ওঠে। লোকদের দেখায় এবং আল্লাহকে স্মরণ করে খুব কমই।” (সূরা নিসা ১৪২)

وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
‘অইয়াম্ না‘ঊনাল্ মা-‘ঊন্।’ (এবং ছোট-খাট নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রী অন্যকে দিতে বিরত থাকে)।
অধিকাংশ তাফসীরকারের মতে, সাধারণত প্রতিবেশীরা একজন আর একজনের কাছ থেকে গৃহস্থালীর দৈনন্দিন যেসব জিনিস চেয়ে নিয়ে থাকে সেগুলোই মাঊনের অন্তর্ভুক্ত। এ জিনিসগুলো অন্যের কাছ থেকে চেয়ে নেয়া কোন অপমানজনক বিষয় নয়। কারণ ধনী-গরীব সবার এ জিনিসগুলো কোন না কোন সময় দরকার হয়। অবশ্য এ ধরনের জিনিস অন্যকে দেবার ব্যাপারে কার্পণ্য করা হীন মনোবৃত্তির পরিচায়ক। এই আয়াতের মূল বক্তব্য হচ্ছে, আখেরাত অস্বীকৃতি মানুষকে এতবেশী সংকীর্ণমনা করে দেয় যে, সে অন্যের জন্য সামান্যতম ত্যাগ স্বীকার করতেও রাজি হয় না।

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা ...
16/04/2026

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----

গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য এই লেখাটি উপকারে আসবে . . .

#কোথায়_কোন_গরু :

(১) আপনার বাজেট যদি ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রামের ভুরুংগামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কিনা ভাল।

(২) আপনি যদি ৫০-৫৫ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাড় কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগন্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট, পাবনার চতুর্বাজার।

(৩) বাজেট যদি ৫৫ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গার, বালিয়াপাড়া হাট।

(৪) শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার দুপচাচিয়া থানার ধাপের হাট উত্তম।প্র‌তি র‌বিবার ও বৃহঃস্প‌তি বার।

(৫) শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী যেতে হবে।

(৬) যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট।

(৭) যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তর্তিপুর হাট।

(৮) মহিষ কিনতে হলে চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গা এবং চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

(৯) যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনখোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

(১০) ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভাল গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা অবস্থা নাই।

(১১) কেউ যদি দেশী জাতের খাটো বুট্টী টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুর এর হাট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভবান কারন ২-৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়, খাবার কম লাগে, তাদের মুখে অনেক রুচি, রোগবালাই হয় না বললেই চলে, মধ্যবিও যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

(১২) RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভাল।

#হাটের_তালিকা :-------

#বৃহত্তর_চট্টগ্রাম :---

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
২. সাগরিকা, বৃহস্পতি ও সোমবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মংগল।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়া হাট, প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
( সৌজন্যে : খামারী শাতিল রহমান)

#সারা_দেশ:-----

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটায় প্রতি মঙ্গলবারে বড় গরুর হাট বসে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে ।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে।

৩. লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ হাট। সোনাপুর হাট। অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. মিটাপুকুর থানা, জেলা রংপুর, বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। হাটবার শনিবার মঙ্গলবার, বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলা প্রতি রবি ও বৃহঃস্প‌তি বার বিশাল গরুর হাট।

৮. গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাড় পাওয়া যায়।

১০. নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায় ৷

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার। নেত্রকোনা থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৫. জংলী শীবপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জিলা। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৬. বেলাবো হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি শুক্রবার বসে। মুলত দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৭. নারায়নপুর হাট, বেলাবো, নরসিংদী। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসলেও গরুর হাট কেবল মঙ্গল বার বসে।

১৮. পোড়াদিয়া হাট, বেলাবো, নরসিংদী জেলা। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৯. শ্রীরামপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

২০. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২১. সিরাজগঞ্জের শালুয়াভিটা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২২. চান্দাইকোনা হাট, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জিলা। প্রতি শনি ও মংগলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৩. জয়পুরহাট জিলা হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৪. গোবিন্দাসী হাট, টাঙ্গাইল। যমুনা ব্রিজের কাছে। দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২৫. পাচবিবি হাট, জয়পুরহাট জেলা। প্রতি মংগলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৬. হাতিরদিয়া হাট, নরসিংদী। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৭. সিরাজগঞ্জের রতন কান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু, ছাগল, ভেড়া পাওয়া যায়।

২৮. বনানী হাট, বগুড়া। সোমবার ও
শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৯. সিরাজগঞ্জের পাংগাসির হাট। প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়।

৩০. গাইবান্ধা গরুর হাট, গাইবান্ধা বাজার, ইসলামপুর, জামালপুর জিলা। সোম ও শুক্রবার। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩১. গজারিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ জিলা। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩২. নওগাঁ হাট,তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ। বৃহস্পতিবারে হাট বসে। ক্রস ও দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৩. এনায়েত পুর, সিরাজগঞ্জ। শুক্রবার হাট বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায়।

৩৪. ডাকুমারা হাট, শিবগঞ্জ উপজিলা, নওয়াবগঞ্জ জিলা। প্রতি (রবিবার)।

৩৫. মহাস্তান হাট, বগুড়া। প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ধাপের হাট, দুপচাচিয়া, বগুড়া। হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. মহিমাগঞ্জ হাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্দা। প্রতি শনিবার ও মংগলবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৩৮. ভরতখালী হাট, সাঘাটা, গাইবান্ধা। শনিবার আর মঙ্গলবার। দেশি গাভি, লাল বাসুর ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩৯. আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভ্যাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

৪০. ছনকা বাজার, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। শুক্রবার। চরাঞ্চলের গরু পাওয়া যায়।

৪১. চতুরহাট,বেড়া,সি এন্ড বি বাজার,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সাহিওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪২. বনগাওহাট ,পাবনা জিলা।প্রতি মঙ্গলবার বসে। ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৩. পুষ্পপাড়াহাট ,পাবনা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৪. হাজিরহাট,পাবনা জিলা। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৫. আওতাপাড় হাট, পাবনা জিলা। প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৬.পাবনা জেলার চাটমোহর উপজিলার রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

৪৭. অরোনকুলা হাট, ইশ্বরদী ,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪৮. সখিপুর হাট, সখিপুর উপজিলা শরিয়তপুর জিলা।প্রতি বুধ ও শুক্রবার৷ বসে। সখিপুরের হাটটি খাশি এবং ষাড় গরুর জন্যে ভাল।

৪৯. ঘরিষার হাট, নড়িয়া উপজিলা, শরিয়তপুর জিলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫০. ভোজেশ্বর হাট, প্রতি শুক্রবার (নড়িয়া থানা, শরিয়তপুর জেলা) ভোজেশ্বর হাটটি খাশি এবং গরুর জন্যে মোটামুটি ভাল।

৫১. লাউখোলা হাট, প্রতি বৃহস্পতি বার (জাজিরা থানা, শরিয়তপুর জেলা) লাউখোলার হাটটি দুধের
গরুর জন্যে নামকরা তবে বুঝে শুনে না কিনলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৫২. মনোরা হাট, হাটবার সোমবার (পালং থানা, শরিয়তপুর জেলা) মনোরার হাটটি শুনেছি দুধের গরুর জন্যে খুবই ভাল তবে তথ্য দাতা এখনো হাটে যাননি।

৫৩. হযরতপুর হাটবার। প্রতি শনিবার ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৪. পাড়াগ্রাম বা পারাগাও হাট। (সেরুমিয়া) হাটবার প্রতি বুধবার। ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় ও কসাই গরুর জন্য নামকরা হাট।

৫৫. চালাকচর হাট, মনোহরদ, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৬. মনোহরদী হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৫৭. নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৫৮. রাজশাহী সিটি হাট। হাটবার রবিবার ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ও দেশী ষাড় গরুর জন্য নামকরা। তবে দালালের আধিক্য বেশী।

৫৯. আজমীরিগন্জ, হবিগন্জ জেলা। প্রতি রবিবার। ৯৫%দেশি গরুর সমাহার।

৬০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

৬১. তেবাড়িয়া হাট, নাটোর সদর। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়।

৬২. মৌখাড়ার হাট, বড়াইগ্রাম, নাটোর। প্রতি শুক্রবার বসে। দেশি জাতের গরুর জন্য ভালো।

৬৩. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৬৪. বৈরাতি হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৬৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৬. দিনাজপুর জেলা চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৬৭. রংপুর জেলা বদরগঞ্জ থানা হাট। সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৬৮. পাবনা জেলার হাজীর হাট নামকরা হাট। শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। দেশী, শাহিওয়াল, ক্রস, পাবনা ব্রীড সহ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৯. সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর শুক্রবার এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট।

৭০. গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা। হাটবার বৃহস্পতিবার। মূলত দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৭১. টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজিলার কাইতলা হাট, প্রতি শনিবার। দেশী ও শাহীওয়াল বেশী পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান ক্রস ও পাওয়া যায়।

৭২. শিমুলিয়া হাট, পুর্বাচল, ঢাকা। প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। তবে ষাড় বেশী পাওয়া যায়।

৭৩. সারুলিয়া হাট, ডেমরা, ঢাকা। প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৪. বালুরমাঠ হাট, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৫. উদয়পুর হাট, মোল্লাহাট উপজিলা, বাগেরহাট জেলা। অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়৷

৭৬. শৈলদাহ হাট। চিতলমারী থানা, বাগেরহাট জেলা। আর হাট বসে সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৭৭. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়।

৭৮. ঝিনাইদহের পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৭৯. চন্দ্রপুর হাট (পালং থানা,জেলা শরিয়তপুর) প্রতি মঙ্গলবার দুধের গরু বাদে মোটামুটি সব গরুই পাওয়া যায়।

৮০. শিমুলিয়া বাজার, কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৮১. আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট, আজমেরীগঞ্জ উপজিলা, হবিগঞ্জ জিলা। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার।

৮২. চৌমুহনী বাজার, প্রতি রবিবার, কুটি, কসবা, বিবাড়িয়া।
সাধারণত সব গরুই পাওয়া যায়। দাম ও ৪০-৫৫ হাজারে ছোট ষাড়, গাভি, আবাল উঠে।

৮৩. বাইশমৌজা বাজার, প্রতি মঙ্লবার বসে। আশুগঞ্জ, বিবাড়িয়া।
বলা হয় অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে কম দামে গরু পাওয়া যায় এখানে।

৮৪. ময়নামতি বাজার, প্রতি শুক্রবার বসে। কুমিল্লা। ভারতীয় গরুর আধিক্য বেশি।

৮৫. হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এর মনতলা পার হয়ে চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট।সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে।সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৮৬. সিরাজগঞ্জ জিলার উল্লাপাড়া উপজিলার বোয়ালিয়া হাট। অনেক বড় হাট, বিশেষ করে গাভীর জন্য। প্রতি রবিবার।

৮৭. সিরাজগঞ্জের কালিয়াকান্দাপাড়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৮৮. সিরাজগঞ্জের নলকা হাট , প্রতি বুধবার। ফ্রিজিয়ান ও পাবনা ব্রীডের জন্য নামকরা।

৮৯. সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাস গাতী হাট, প্রতি শুক্রবার। ফ্রিজিয়ান, গাভী, শাহিওয়াল বকনা গাভী, পাবনা ব্রীড ভালো পাওয়া যায়।

৯০. শিয়ালমারী, উথলী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

৯১. মিরশান্নি বাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। প্রতি বুধবারে বসে। মোটামুটি সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯২. নীলফামারী জিলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দাম ও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৯৩. লালমনিরহাট জিলার পাট গ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া জায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৫.৩০ টা - ১১ টা।

৯৪. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯৫. মনিপুরা বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। প্রতি বৃহস্পতিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৬. মৌলভীবাজার জিলার জুড়ী গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। বাওরের দেশী পাওয়া যায়।

৯৭. মৌলভিবাজার জেলার ফুলতলা হাট। বসে প্রতি শনিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৮. আমবারি হাট, দিনাজপুর প্রতি শুক্র বার ও সোম বার বসে,, শাহিওয়াল বাছুর থেকে ভাল মানের গাভি ও ষাড় পাওয়া যায়।

৯৯. জিনাইদহ জিলার মংবার বইডাংগা বাজার। প্রতি মংগলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

১০০. চুয়াডাংগার ডুগডুগি হাট। বড় সাইজের গরুর জন্য বিখ্যাত। ক্রস ও দেশী ষাড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

১০১. চুয়াডাংগার শিয়ালমারি হাটে ক্রস, ইন্ডিয়ান ও বলদ গরু পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

১০২. মৌলভিবাজারের মুন্সিবাজার হাটে প্রায় ৯০% দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার।

১০৩. মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজিলার টেংরা বাজার। দেশি, শাহীওয়াল, ক্রস, ফ্রিজিয়ান, গাভী সহ বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার বসে হাট।

১০৪. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।

১০৫. মৌলভিবাজারের কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১০৬. সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট।

১০৭. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

১০৮. পিংনা হাট, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১০৯. কুমিল্লা জেলার হোমনা ঘারমোড়া বাজার বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১০. কুমিল্লা জিলার তিতাস উপজিলার বাতাকান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে৷ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১১. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

১১২. নিলফামারী সদর হাট। বুধবার এবং রবিবার বসে। সব ধরনের দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১১৩. ঠাকুরগাও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মজ্ঞলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়।

১১৪. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১৫. নাকালিয়া বাজার হাট, বেশি বড় না, চড় অঞ্চলের গরু বেশি পাওয়া যায়, প্রতি রবিবার, উপজেলা বেড়া, জেলা পাবনা। যুমুনা নদীর পাড়ে।

১১৬. সিলেট এর হরিপুর বাজার।প্রতিদিন হাট বসে। এখানে ইন্ডিয়ান সব গরু পাওয়া যায়।এই বাজার মুলত মাংসের বাজার।

১১৭. দারিয়াপুর হাট, গাইবান্ধা সদর থেকে আট কিলো মিটার উত্তরে অবস্থিত।এখানে সাধারনত তিস্তা ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের দেশি গরু পাওয়া যায়। মংগলবার ও শুক্রবার বসে।

১১৮. ইখড়ি হাট, তেরখাদা, রূপসা ,খুলনা । প্রতি শুক্রবার। মূলত স্থানীয় ও দেশী জাতের গরু পাওয়া যায়।

১১৯. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাড় গরুর জন্য ভালো হাট।

১২১. মাদারিপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু খুব পাওয়া যায়।

১২২. মাদারিপুর জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৩. লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১২৪. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে।

১২৫.ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২৬. হবিগঞ্জের মাধবপুরের ফান্দাগের হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৭. শেরপুরের পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১২৮. শেরপুরের নকলা হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ও ছাগল ভালো পাওয়া যায়।

১২৯. শেরপুরের নালিতাবাড়ী হাট। প্ররি মংগলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৩০. ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৩১. চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩২. চাপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জের তত্তিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৩. চাপাইনবাবগঞ্জের কআনসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

১৩৪. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজিলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৩৫. ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৬. কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার।রবীবার ও বৃহস্পতিবার বাজার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৭. যশোর জেলার মনিরামপুর (থানা) গরুর হাট। হাটের দিনঃ শনিবার ও মঙ্গলবার। ছোট বড় সব ধরনের গরু ছাগলের হাট। ঢাকা থেকে মনিরামপুরের যে কোন গাড়ীতে উঠে সরাসরি হাটের সামনে নামতে পারবেন।

১৩৮. ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বাটাজোর বাজারে সব ধরনের গরু বেচা কেনা হয়,। হাট বসে শুক্রবার ও মঙ্গলবার।

১৩৯. ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে প্রতি সোমবার গরু ছাগলের হাট বসে।

১৪০. শঠিবাড়ী হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। বিশাল গরুর হাট ।

১৪১. সাতক্ষীরার সাবেক বৈকারী হাট। ত‌বে ওখা‌নে এখন হাট হয় না। হাট হয় আবা‌দেরহাট শ‌নি ও মঙ্গল বার। ইন্ডিয়ান বলদ বেশি পাওয়া যায়।

১৪২. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজিলার চৌমুহনী বাজার। দেশি, ইন্ডিয়ান ক্রস ফ্রিজিয়ান সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। বাজারের আয়তন ১৯০ শতক। হাট বসে রবিবার সকাল ৮.০০ টা থেকে। হাসিল মাত্র ৩০০ টাকা।

১৪৩. বর্তমানে নোয়াখালী তে সোনাইমুড়ি উপজেলার আমকি বাজার সবচেয়ে বিখ্যাত। ক্রস, শাহিওয়াল, দেশি বাচ্চা গরু প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। দেশি গাভিও ওঠে। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার।

১৪৪. পুটিয়া হাট, শিবপুরি থানা, নরসিংদী জেলা। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, ঘোড়া, সবই আসে। নরসিংদী জেলা সবচেয়ে বড় হাট, প্রতি শনিবার হাট বসে।

১৪৫. চুয়াডাংগা জেলার আলমডাঙ্গা হাট। এই এলাকার আশপাশে সর্ব বৃহৎ হাট। প্রতি বুধবার হয় এই হাট।

- সংগৃহীত

এখানে আগের ছবিতে দেখানো লোগোর প্রতিটি ভার্সন আলাদাভাবে দেওয়া হলো:​১. নীল ও সবুজ (ক্লাসিক)​এটি আল মাঊন ফাউন্ডেশনের মূল এব...
15/04/2026

এখানে আগের ছবিতে দেখানো লোগোর প্রতিটি ভার্সন আলাদাভাবে দেওয়া হলো:
​১. নীল ও সবুজ (ক্লাসিক)
​এটি আল মাঊন ফাউন্ডেশনের মূল এবং ক্লাসিক ভার্সন। গভীর নীল এবং সবুজ রঙের সংমিশ্রণ বিশ্বাসযোগ্যতা, স্থিতিশীলতা এবং শান্তির প্রতীক, যা ইসলামের সাথেও গভীর সম্পর্ক রাখে।
​২. উষ্ণ গোল্ড (শান্ত)
​এই ভার্সনে সবুজ রঙকে উষ্ণ গোল্ড কালার দিয়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। গোল্ড কালার উষ্ণতা, উদারতা এবং সাফল্যের প্রতীক। নীল ও গোল্ডের সংমিশ্রণ একটি শান্ত এবং রাজকীয় পরিবেশ তৈরি করে।
​৩. রঙিন (উদ্যমী)
​এই ভার্সনে লোগোতে অনেকগুলো উজ্জ্বল ও রঙিন রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি শক্তি, উৎসাহ এবং সৃজনশীলতার প্রতীক। এটি এমন একটি ফউন্ডেশনের জন্য উপযুক্ত যা তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে চায়।
​৪. গোল্ড ও নেভি নীল (বিলাসবহুল)
​এটি গোল্ড এবং নেভি নীল রঙের সংমিশ্রণ, যা বিলাসবহুলতা এবং পেশাদারিত্বের প্রতীক। এই ভার্সনটি এমন একটি ফউন্ডেশনের জন্য উপযুক্ত যা উচ্চ-মানের সেবা প্রদান করতে চায়।
​৫. সবুজ ও সাদা (পরিচ্ছন্ন)
​এটি সবুজ এবং সাদা রঙের সংমিশ্রণ, যা পরিচ্ছন্নতা, বিশুদ্ধতা এবং শান্তির প্রতীক। এটি ইসলামের মূল মূল্যবোধকে উপস্থাপন করে।
​৬. সবুজ ও গোল্ড (আধুনিক)
​এটি সবুজ এবং গোল্ড রঙের সংমিশ্রণ, যা আধুনিকতা এবং ঐতিহ্যের প্রতীক। এই ভার্সনটি এমন একটি ফউন্ডেশনের জন্য উপযুক্ত যা ঐতিহ্যগত মূল্যবোধকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সংমিশ্রণ করতে চায়।
​৭. লাল ও নীল (সাহসী)
​এটি লাল এবং নীল রঙের সংমিশ্রণ, যা সাহসিকতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। এই ভার্সনটি এমন একটি ফউন্ডেশনের জন্য উপযুক্ত যা সাহসের সাথে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চায়।
​৮. সবুজ ও রূপালি (পরিপক্ক)
​এটি সবুজ এবং রূপালি রঙের সংমিশ্রণ, যা পরিপক্কতা এবং পরিশীলনের প্রতীক। এই ভার্সনটি এমন একটি ফউন্ডেশনের জন্য উপযুক্ত যা অভিজ্ঞ এবং পরিপক্ক নেতৃত্ব প্রদান করতে চায়।
​আমি আশা করি এই আলাদা ভার্সনগুলো আল মাঊন ফাউন্ডেশনের জন্য আরও বিকল্প এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করবে।

Address

Munshi Hat Bazar
Dhobaura
2262

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Maun আল-মাঊন' الْمَاعُونَ Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share