02/06/2026
তাকে না হয় জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে চালিয়ে দিছিলো আজ বাচ্চা মেয়েটার বেলায় কি বলবে তোমরা...।
কুকুরটাও প্রাণ ছিলো তারও অনুভূতি ছিলো সে-ও ছটফট করেছিলো।
মৃ'ত্যুর আগ মূহুর্ত পর্যন্ত সে বাঁচার জন্য আকুতি করছিলো কিন্তু একটা মানুষও এগিয়ে যায়নি বরং সবাই দাঁড়িয়ে থেকে উপভোগ করেছিলো ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়েও মজা পাঁচ্ছিলো...।
খাবারের লোভ দেখিয়ে একটা অসহায় প্রানীকে হাত পা বেঁধে কুমিরের মুখে তুলে দেয়ার ফল প্রত্যেকে ভোগ করবে, যারা যারা হাতে তালি দিয়েছিলো খুশিতে তারা আজকে তালি দিচ্ছে না, ছবি ভিডিও করেনি..।
আল্লাহ দয়াবান হলও ন্যায়বিচারক কথাটা সবার মনে রাখা উচিৎ..।
মেয়েটাকে যখন টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিলো তখন সেও দু-হাত বাড়িয়ে বাঁচার চেষ্টা করছিলো কিন্তু কারও পক্ষে সম্ভব হয়নি তাকে বাঁচানোর...।
অথচ কুমিরটা নাকি তাদের পালিত..."সত্যি হাসি পায়''
এই দৃশ্য দেখে বেশিরভাগ মানুষ আলহামদুলিল্লাহ বলছে হাসছে অনেকেই বলছে একদম ভালো কাজ হয়েছে.. "কেনো বলছে সেটা কম বেশি সবারই জানা।
জীবন্ত ছাগল হাঁস-মুরগি ভেড়া কুকুর থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত তার মুখে ছেড়ে দেয়া হয় খাওয়ার জন্য।
মানে ভাবা যায় একটা জীবন্ত পশুকে সেচ্ছায় একটা কুমিরের মুখে তুলে দেয়া হচ্ছে তাও আবার খুশি মনে।
কুকুরের বাচ্চাটার জন্য বিচার চাওয়া মানুষের কথাগুলো জেনো বাস্তব রুপ নিলো।
বলা হয়ছিলো আজ কুকুর গেছে কাল আপনার আমার সন্তান যাবে আর তখন বুঝবেন।
কুকুরটার আর্তনাদ সেদিন তোমরা শুনতে না পেলেও তার সৃষ্টিকর্তা শুনেছিলো বলেই আজ দেখিয়ে নিলো..।
স/তর্ক করে দিলো.
এরপরেও যদি একই ভু'ল করতে থাকে মানুষ তবে তার পরিনতি হয়তো আরও ভয়াবহ হবে..।
সবশেষে এটাই বলবো বন্ধ করা হোক এসব কুকুর হোক ছাগল হোক কিংবা অন্যকিছু এভাবে কারও প্রাণনাশ আর না হোক..।