14/03/2026
এই বেয়াদবদের বর্জন করা খুবই জরুরি।
এদের না থামালে সামনে বিপদ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীরা যে নতুন ধরনের রাজনীতি শুরু করেছে, তা আমাদের বহু পুরনো ও সম্মানিত রাজনীতিবিদদের জন্য বেশ বিপজ্জনক ও অসম্মানজনক হয়ে উঠতে পারে।
🤔
ভাবুন তো, যদি সত্যিই জবাবদিহিতা আর সাহসিকতার এই রাজনীতি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয় এমপি-নেতা হঠাৎ করেই বিপদে পড়বে। তিনারা এই সুন্দর রাজনৈতিকে তিলে তিলে রাজকীয় ব্যবসায়ী পরিণত করেছেন। আর এই ব্যবসায়ী যদি ধস নামে এই ব্যবসার সাথে জড়িতরা অনেকে বেকার হয়ে যাবেন। দেশে এমনিতেই বেকারের সংখ্যা কম নয়, তার উপর যদি এই নতুন বেকারদের দায়ভার যোগ হয়, তখন সেই দায় নেবে কে? এই হাসনাত আবদুল্লাহরা নিবে? তাদের তো নির্বাচন করতে টাকাও লাগে নাই, জনগণ টাকাও দিয়েছে ভোটও দিয়েছে। তাদের চুরি- চাঁদাবাজি না করলেও চলবে। কিন্তু হাজার হাজার লোকদের সাথে জড়িত তাদের পরিবারের কি হবে?
🙄
মাননীয় এমপিরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়েছেন জনগণকে জবাবদিহিতা দেওয়ার জন্য? তারা তো সরকারি দলের প্রতিনিধি। সরকারি প্রকল্পের টাকা যেমন ইচ্ছা খরচ করবেন, এতে আবার জবাবদিহিতা কেন থাকবে! ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা ঋণ থাকার পরও আরও কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়েছেন- পরিবারের ভবিষ্যতের জন্যই তো। বিদেশে বাড়ি-গাড়ি থাকবে, ছেলে-মেয়েরা বিদেশে পড়াশোনা করবে- এতে তো দেশেরই সুনাম বাড়ে।
🤗
তারপর ধরুন, বিদেশ থেকে ত্রাণের খেজুর, দুম্বার মাংস বা নানা সামগ্রী আসে- এসব তো মানুষেরই জিনিস। মানুষ বলতে অবশ্যই আত্মীয়স্বজন, ঘনিষ্ঠজন, পরিচিতজন সবাই পড়ে। মাঝে মাঝে নিজেরাও একটু স্বাদ নিতে চাইতেই পারেন। এতে নতুন অল্প বয়সের এমপিদের এত জ্বালা কেন?
🙃
একটা ভালো কাজ অবশ্য হয়েছে- নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে ফেল করিয়ে দেওয়া গেছে। এই ছেলেটার সমস্যা ছিল, না হলে সংসদে হিসাব চেয়ে গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দিত। কঠিন হস্তে চাঁদাবাজ দমন করত। এভাবে চলতে দিলে সারা দেশে লাখ লাখ চাঁদাবাজ একদিন সত্যিই বেকার হয়ে যেত!
আরেকটা বড় চিন্তার বিষয় আছে। এলাকায় এলাকায় যারা রাজনীতিকে পেশা বানিয়ে বালুঘাট, অটোরিকশা, ফুটপাতের দোকান, নতুন বাড়ি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের “চাঁদা” তুলে সংসার চালায়- তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? এলাকার এসব নেতারা তো কোনো কাজ শেখেনি, কোথাও চাকরি করে না। জীবনটাকে চাঁদা টেন্ডারবাজি করে রাজনীতিতে উৎসর্গ করে দিয়েছে। এসব আয়ের পথ যদি বন্ধ হয়ে যায়, বাইকে তেল ভরবে কেমনে? একবার ভাবছেন, কত পরিবার যে বিপদে পড়বে তার কোনো হিসাব আছে?
😉
তার উপর আবার হাসনাত আব্দুল্লাহ জনগণের সামনে বরাদ্দের হিসাব দিচ্ছেন, বিদেশি ত্রাণের খেজুর কে পেল, কোথায় খরচ হলো- এসব দেখাচ্ছেন। এগুলো যদি সত্যিই অভ্যাস হয়ে যায়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি যদি শুরু হয়ে যায়, তাহলে তো বড় বিপদ। জনগণ যদি একদিন সত্যি সত্যিই সবার কাছে সরকারি প্রকল্পের হিসাব চাইতে শুরু করে, তখন হিসাব দেবে কে? প্রকল্পের কিছু পারছেন যদি না চুরি করতে পারে চলবে কেমনে রাজনীতি? এরা কি এই রাজনীতির ধ্বংস করতে চায়?
🙃
অনেকেই তো এখনো মোবাইল ঠিকমতো চালাতে পারেন না- তারা হাসনাত আব্দুল্লাহর মতো স্মার্টলি ডিজিটাল মনিটরে দাঁড়িয়ে হিসাব বুঝিয়ে বলবেন কীভাবে! তখন জনগণ এই মুরুব্বীদের চটকানা দিবে না?
তাই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থেই মনে হয় এই নতুন তুর্কিদের থামানো দরকার। নইলে না জানি একদিন সত্যিই মানুষ জেগে উঠবে- ভয় ভেঙ্গে #চাঁদা ঘুষ দিয়া বন্ধ করে দিবে। আর তখন পরিস্থিতি সামলানো বড়ই কঠিন হয়ে যাবে। এই বেয়াদবদেরকে এখনই প্রতিরোধ করুন, তা না হলে ঘরে ঘরে একদিন বেয়াদব সৃষ্টি হবে।
কলমে [] Omar Akkhor
Nasiruddin Patwary Hasnat Abdullah #খেজুর_চুরি #চাঁদাবাজ