28/01/2026
গত কয়েকদিনে বিএনপির সন্ত্র|সীরা বেশ কিছু যায়গায় মা-বোনদের গায়ে হাত দিয়েছে।
এটা নিছক রাজনৈতিক বিরোধ নয়। ঘটনার ধরনগুলো দেখলেই বুঝবেন:
১. চুরি ছিনতাইয়ের মতো বড় কোন ঘটনা ঘটলেও সাধারণত মানুষ মহিলার গায়ে হাত দেয়না। ইভেন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীও সিরিয়াস ক্রিমিনাল ফেইস করে মহিলা ফোর্স দিয়ে। সেখানে একজন বিএনপির সন্ত্র|স উপর্যুপরি একজন সম্ভ্রান্ত মহিলাকে সামনে থেকে লাথি মারছে।
বিষয়টা জাস্ট এক মিনিট চোখ বন্ধ করে চিন্তা করেন।
২. আওয়ামী লীগের লোকজন এত এত হুমকিধামকি দিলেও কোনদিন শুনিনি প্রতিপক্ষের নারীদের ❝সায়া খুলে নেয়ার❞ হুমকি প্রকাশ্যে দিতে। বিএনপির গুন্ডারা সেই লেভেলটাও ইতোমধ্যে অতিক্রম করে ফেলেছে।
৩. ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে ষোলবছরের পুর্ণিমা ধর্ষণের কথা কি মনে আছে? সন্ত্র|সীদের রুখতে না পেরে তার মা নাকি বারবার তাদের পায়ে পড়ে আকুতি জানিয়েছিল, ❝আমার মেয়েটা ছোট, তোমরা একজন একজন করে যাও, সবাই একসাথে ঝাপিয়ে পড়লে আমার মেয়েটা মরে যাবে❞। এই হায়েনাদের রুখতে তৎকালীন শরীক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী র্যাব গঠন করে, অপারেশন ক্লিনহার্ট চালিয়ে বিএনপির গুন্ডাদের ক্রসফায়ার দিয়ে দমন করেছিল। এই কাজের জন্য তারেক জিয়া তখন থেকেই জামায়াতের উপর ফেডআপ ছিল, শুধু তার মা'র জন্য কিছু করতে পারেনি।
এখন জামায়াতের মতো শক্তিশালী শরিক ছাড়া এককভাবে বিএনপির হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার আগে নিজের স্ত্রী-কণ্যাদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবুন।
বিএনপির গুন্ডাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিবেন, নাকি নিজের স্ত্রী-কন্যাদের হাতে পূর্নিমার ভাগ্য তুলে দিবেন? সিদ্ধান্ত আপনার।
#সহিংস_বিএনপি
#বিএনপির_নারী_নির্যাতন
#নারীরঅধিকার
#নারীর নিরাপত্তা