পল্লীশিফা

পল্লীশিফা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পল্লীশিফা, Non-Governmental Organization (NGO), Dhaka.

পল্লীশিফা (PalliShifa)
গ্রামীণ মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃকালীন স্বাস্থ্য, বয়সন্ধিকালীন স্বাস্থ্য এবং অসহায় ও দুঃস্থ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবায় নিবেদিত একটি মানবিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ।
সবার জন্য স্বাস্থ্য, সবার জন্য সেবা—এই আমাদের অঙ্গীকার। ইকরা ইসলামিক সোসাইটি বাংলাদেশ (IISB)
একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠন, যার লক্ষ্য —
📌 ইসলামিক জ্ঞান ও দাওয়াহ ছড়িয়ে দেওয়া
📌 আলেম ও সাধারণ জনগণকে এক প্ল

্যাটফর্মে যুক্ত করা
📌 শিক্ষা, মানবসেবা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা

👉 এখানে আলেম, ছাত্র, যুবক, উদ্যোক্তা — সকলেই সদস্য হতে পারবেন।
👉 দেশ-বিদেশে শাখা কমিটি গঠিত হবে (প্রবাসী কমিটি সহ)।

✅ Mission (মিশন)

কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক জ্ঞানচর্চার প্রসার

আলেম ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে জ্ঞান–মানবসেবা প্ল্যাটফর্ম তৈরি

মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি

যুবকদের ইসলামিক নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন

✅ Vision (ভিশন)

✨ একটি ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞানসমৃদ্ধ, দীনদার ও মানবিক সমাজ —
যেখানে জ্ঞান (IQRA) হবে উন্নয়নের মূল শক্তি।

✅ Welcome Post / পেজে প্রথম পোস্ট (Ready to Copy–Paste)

📣 Official Launch Announcement

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
الحمد لله رب العالمين

আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করছি —
✅ IQRA ISLAMIC SOCIETY BANGLADESH (IISB)
“পড়ো, জানো, বদলাও” — কুরআনের প্রথম আদেশ IQRA’কে ধারণ করে আমাদের যাত্রা শুরু।

🎯 আমাদের মূল লক্ষ্যসমূহ:

ইসলামিক জ্ঞান ও দাওয়াহ প্রচার

সমাজ উন্নয়ন ও মানবসেবা

আলেম ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে একটি সুসংহত প্ল্যাটফর্ম গঠন

🕌 আমাদের মিশন: জ্ঞান, নৈতিকতা ও কল্যাণমূলক কাজ — এগুলোকে কেন্দ্র করে সমাজ নির্মাণ।

🤝 আপনি আলেম, ছাত্র, যুবক, উদ্যোক্তা—যেই হোন,
➡️ আপনি IISB-এর সদস্য হতে পারবেন।

👉 আমাদের সাথে যুক্ত হন
📩 Inbox / Comment for Membership

07/02/2026
পুত্রা মসজিদ (Putra Mosque), পুত্রাজায়া, মালয়েশিয়াপুত্রাজায়া লেকের ঠিক পাশে, মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানীর হৃদয়ে ...
07/01/2026

পুত্রা মসজিদ (Putra Mosque), পুত্রাজায়া, মালয়েশিয়া

পুত্রাজায়া লেকের ঠিক পাশে, মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানীর হৃদয়ে অবস্থিত পুত্রা মসজিদ। এটি শুধু একটি মসজিদ নয়, বরং আধুনিক মালয়েশিয়ার ইসলামী পরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক।

১৯৯৯ সালে নির্মিত এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তুনকু আবদুল রহমান পুত্রা-এর নামে। স্থাপত্যশৈলীতে এখানে ইসলামিক, পারস্য ও মালয় ঐতিহ্যের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।

মসজিদটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো এর গোলাপি রঙের বিশাল গম্বুজ, যা গোলাপি গ্রানাইট পাথরে তৈরি। এজন্য একে অনেকেই “পিঙ্ক মসজিদ” নামে চেনে। এর মিনার প্রায় ১১৬ মিটার উঁচু, যা দূর থেকেই নজর কেড়ে নেয়।

ভেতরের প্রধান নামাজ হলটিতে প্রায় ১৫,০০০ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। ভেতরের পরিবেশ শান্ত, মার্জিত এবং কুরআনের ক্যালিগ্রাফিতে সুশোভিত। নির্দিষ্ট সময়ে অমুসলিম দর্শনার্থীরাও শালীন পোশাকে প্রবেশ করতে পারেন।

পুত্রা মসজিদ মালয়েশিয়ার সেই দর্শনকে তুলে ধরে, যেখানে ইমান, রাষ্ট্র পরিচালনা ও আধুনিক জীবনধারা একসাথে ভারসাম্যে সহাবস্থান করে। এটি যেমন একটি দর্শনীয় স্থান, তেমনি একটি জীবন্ত ইবাদতের কেন্দ্র।

©️ Arju Ahmed

মাগোকি-আত্তারি মসজিদ মধ্য এশিয়ার প্রাচীনতম টিকে থাকা মসজিদগুলোর মধ্যে একটি। এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং হাজার বছরে...
22/12/2025

মাগোকি-আত্তারি মসজিদ মধ্য এশিয়ার প্রাচীনতম টিকে থাকা মসজিদগুলোর মধ্যে একটি। এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং হাজার বছরের ইতিহাস ও স্থাপত্যকলার একটি চমৎকার উদাহরণ। এটি বুখারার ঐতিহাসিক কেন্দ্রে, ল্যাব-ই হাউজ কমপ্লেক্সের (Lyab-i Hauz complex) কাছে অবস্থিত।

১. মসজিদের নামের উৎস ও ঐতিহাসিক পটভূমি
'মাগোকি' (Magok): এই শব্দের অর্থ হলো 'গর্তের মধ্যে' বা 'নিচে অবস্থিত'। বহু শতাব্দী ধরে শহর নির্মাণের কারণে এবং রাস্তার স্তরের উচ্চতা বাড়তে থাকায়, মসজিদটি আশেপাশের এলাকা থেকে প্রায় ৪.৫ মিটার (প্রায় ১৫ ফুট) নিচে দেবে গেছে। এই দেবে যাওয়ার কারণেই এর এই নামকরণ।

'আত্তারি' (Attari): এই অংশটি এসেছে ফার্সি শব্দ 'আত্তোরন' (Attoron) থেকে, যার অর্থ সুগন্ধি বিক্রেতা। একসময় মসজিদের পাশেই মশলা, ভেষজ এবং সুগন্ধি দ্রব্যের বাজার বসত।

প্রাক-ইসলামিক অতীত: এই স্থানটির ধর্মীয় ইতিহাস বহু প্রাচীন। এই জায়গায় ইসলাম আগমনের আগে একটি জরাথুস্ট্রীয় অগ্নি মন্দির (Zoroastrian fire temple) ছিল। এমনকি এর আগেও সেখানে একটি বৌদ্ধ মন্দির ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলমানরা ৭ম বা ৮ম শতাব্দীতে সেই মন্দিরের স্থানে মসজিদটি নির্মাণ করেন।

মঙ্গল আক্রমণ থেকে রক্ষা: এই মসজিদটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তাৎপর্য হলো, এটি ১২ শতাব্দীর (কারাখানিদ আমল) নির্মাণ হওয়া সত্ত্বেও, ১৩ শতাব্দীর চেঙ্গিস খানের ভয়াবহ মঙ্গল আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।

২. স্থাপত্য এবং ডিজাইন (Architecture and Design)
মাগোকি-আত্তারি তার স্বতন্ত্র ও সূক্ষ্ম কারুকার্যময় প্রবেশদ্বারের জন্য বিখ্যাত।

দক্ষিণের প্রবেশদ্বার (Southern Portal): এটি মসজিদের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ, যা ১২ শতাব্দীর প্রাক্-মঙ্গল যুগের স্থাপত্যের এক বিরল উদাহরণ। প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে ১৯৩০-এর দশকে এটি মাটির নিচ থেকে আবিষ্কার করা হয়।

কারুকার্য: এই পোর্টালটি চমৎকার জ্যামিতিক নকশা তৈরি করা পোড়ামাটির ইট, ফুলের মোটিফ এবং জ্যামিতিক ডিজাইনে খোদাই করা টেরাকোটা টাইলস, এবং উজ্জ্বল নীল চকচকে টাইলসের মিশ্রণে সজ্জিত।

কাঠামো: মসজিদটির আয়তাকার ছাদটি দুটি বহু-পার্শ্বযুক্ত গম্বুজ দ্বারা আচ্ছাদিত, যা অষ্টভুজাকার ড্রামের উপর বসানো। ১৬শ শতাব্দীতে (আশত্রাখানিদ শাসক আব্দুল আজিজ খানের সময়) এটিকে বড় ধরনের সংস্কার করা হয়, ফলে এর ফ্লোরপ্ল্যান পরিবর্তিত হয়।

আলো: গম্বুজগুলির উপরে থাকা ড্রামের মাধ্যমে ভেতরের অংশে আলো প্রবেশ করে।

৩. বর্তমান ব্যবহার
বর্তমানে, মাগোকি-আত্তারি মসজিদ একটি সক্রিয় উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

এটি বর্তমানে বুখারা কার্পেট জাদুঘর (Bukhara Carpet Museum) হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই জাদুঘরে উজবেকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী টেক্সটাইল, কার্পেট এবং গালিচার এক বিশাল সংগ্রহ রয়েছে, যা এই অঞ্চলের শৈল্পিক ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা দেয়।

©️ Arju Ahmed

ক্যালান মসজিদ (Kalyan Mosque)এই মসজিদটি বুখারার অন্যতম প্রধান স্থাপনা এবং এটি শহরের বিখ্যাত পয়-ই-ক্যালান (Po-i-Kalyan) ...
18/12/2025

ক্যালান মসজিদ (Kalyan Mosque)
এই মসজিদটি বুখারার অন্যতম প্রধান স্থাপনা এবং এটি শহরের বিখ্যাত পয়-ই-ক্যালান (Po-i-Kalyan) কমপ্লেক্সের অংশ।

১. ইতিহাস ও নির্মাণ
উৎপত্তি: এই স্থানে প্রথম একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল ১২শ শতাব্দীতে কারাখানিদ শাসক আর্সলান খান (Arslan Khan II)-এর আমলে।

ধ্বংস ও পুনর্নির্মাণ: ১২২০ সালে চেঙ্গিস খানের আক্রমণে বুখারা শহর ধ্বংসের শিকার হলে সেই প্রাচীন মসজিদটিও পুড়ে যায় এবং শুধুমাত্র কালান মিনারটি অক্ষত থাকে।

বর্তমান কাঠামো: বর্তমানের বিশাল মসজিদটি ১৬শ শতাব্দীর প্রথম দিকে শায়বানিদ (Shaibanid) শাসক উবায়দুল্লাহ খানের সময়ে নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ কাজ ১৫১৪ সালে সম্পন্ন হয়। এটি মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা সমরকন্দের বিবি খানম মসজিদের পরই স্থান করে নেয়।

২. স্থাপত্য ও বৈশিষ্ট্য
মসজিদটির নকশা মধ্য এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে, যা এর বিশালতা এবং সূক্ষ্ম কারুকার্যের জন্য পরিচিত।

আয়তন ও কাঠামো: এটির আয়তাকার বিন্যাস প্রায় ১৩০ x ৮০ মিটার (৪৩০ x ২৬০ ফুট)। এর কেন্দ্রে একটি বিশাল খোলা চত্বর (Courtyard) রয়েছে।

গ্যালারি ও গম্বুজ: খোলা চত্বরের চারপাশ ঘিরে রয়েছে আচ্ছাদিত খিলানযুক্ত গ্যালারি। এই গ্যালারিগুলিতে ২০৮টি স্তম্ভ রয়েছে, যা ২৮৮টি ছোট গম্বুজকে ধরে রাখে।

মিহরাবের গম্বুজ: পশ্চিম দিকে মক্কার দিকে মুখ করা মিহরাব (Mihrab) কক্ষের উপরে রয়েছে একটি উঁচু গম্বুজ। বাইরের দিক থেকে এই গম্বুজটি নীল টাইলস এবং কুফিক ক্যালিগ্রাফি দ্বারা সজ্জিত একটি উঁচু ড্রামের উপর স্থাপিত, যা বুখারার আকাশে একটি স্বতন্ত্র নীল রঙ যোগ করে।

প্রবেশদ্বার (ইওয়ান): মসজিদের প্রবেশদ্বারটি (পূর্ব দিকের) একটি বিশাল ইওয়ান (Iwan) শৈলীতে নির্মিত। এটি জাঁকজমকপূর্ণভাবে নকশা করা মোজাইক ফেয়েন্স টাইলস দ্বারা আবৃত, যা শায়বানিদ যুগের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে।

ক্ষমতা: এই সুবিশাল মসজিদে একসঙ্গে ১২,০০০ উপাসক নামাজ আদায় করতে পারেন।

৩. বর্তমান অবস্থা ও ব্যবহার
ব্যবহার: মসজিদটি এখনো সচল রয়েছে এবং বুখারা শহরের প্রধান জুমার মসজিদ (Congregational Mosque) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে জুমার নামাজ এবং উৎসবের দিনগুলিতে এখানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি সমবেত হন।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব: এটি উজবেকিস্তানের জাতীয় ভৌত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অংশ।

©️ Arju Ahmed

তিল্যা কোরি মাদরাসা ও মসজিদ (Tilya Kori Madrasah/Mosque)এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি  সমরখন্দের বিখ্যাত রেগিস্তান স্কোয়ারে (Re...
17/12/2025

তিল্যা কোরি মাদরাসা ও মসজিদ (Tilya Kori Madrasah/Mosque)
এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সমরখন্দের বিখ্যাত রেগিস্তান স্কোয়ারে (Registan Square) অবস্থিত। এটি মূলত একটি মাদরাসা হলেও, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জুমার মসজিদ (Friday Mosque) হিসেবেও ব্যবহৃত হত।

নামের অর্থ: তিল্যা কোরি মানে হলো "সোনা দিয়ে সজ্জিত" বা "Gilded"।

নির্মাণের কারণ: এটি ১৭শ শতকে তৈরি করা হয় এবং জুমার মসজিদ হিসেবে এটিই বিবি-খানম মসজিদের জায়গা নেয়, কারণ ততদিনে বিবি-খানম মসজিদটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল।

অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য: তিল্যা কোরি-র সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর মসজিদের ভেতরের অংশ। এটি পুরোটাই সোনার পাত (Gold Leaf) দিয়ে কুন্দাল (kundal) নামক কৌশলে সজ্জিত। মসজিদের গম্বুজটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, এটি একটি দৃষ্টিবিভ্রম (optical illusion) তৈরি করে—যদিও এর ছাদটি আসলে সমতল, তবে সজ্জার কারণে এটি দেখলে মনে হয় যেন উঁচু গম্বুজ!

©️ Arju Ahmed

বিবি-খানম মসজিদ (Bibi-Khanym Mosque)এটি তৈমুর (Tamerlane)-এর সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি এবং একসময় এটি ছি...
15/12/2025

বিবি-খানম মসজিদ (Bibi-Khanym Mosque)

এটি তৈমুর (Tamerlane)-এর সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি এবং একসময় এটি ছিল ইসলামী বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদগুলোর মধ্যে একটি।

নির্মাতা: এটি নির্মাণ করেছিলেন দিগ্বিজয়ী শাসক আমির তৈমুর (Amir Timur)। ১৪০৪ সালে ভারত অভিযান থেকে ফিরে আসার পর, তিনি তার রাজধানী সমরখন্দে সবচেয়ে জমকালো মসজিদ তৈরির নির্দেশ দেন।

নির্মাণ: নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৩৯৯ সালে। শোনা যায়, নির্মাণের উপকরণ আনা-নেওয়ার জন্য ৯৫টি হাতি ব্যবহার করা হয়েছিল।

নামকরণ: এটি সাধারণত তৈমুরের প্রধান স্ত্রী সরাই মুল্ক খানম, যিনি বিবি-খানম নামেও পরিচিত, তার নামেই পরিচিত।

বিশালতা ও ত্রুটি: মসজিদটি চার-আইওয়ান (four-iwan plan) নকশা অনুসরণ করে তৈরি। এটির মূল আঙ্গিনাটি ছিল বিশাল ১৬৭ x ১০৯ মিটার (548 x 358 ফুট)। তৈমুর দ্রুত নির্মাণ শেষ করার জন্য এতটাই তাড়া দেন যে, এর বিশাল কাঠামোয় দ্রুতই দুর্বলতা দেখা দেয় এবং নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই গম্বুজ ও দেওয়ালের অংশবিশেষ ধসে যেতে শুরু করে।

বর্তমান অবস্থা: বহু শতাব্দী ধরে এটি ভগ্নদশায় ছিল এবং ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বর্তমানে উজবেকিস্তান সরকার এর ব্যাপক পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করেছে।

©️ Arju Ahmed

তাশখন্দ (Tashkent) শহরের তাৎপর্যতাশখন্দ হলো উজবেকিস্তানের রাজধানী এবং মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম শহর। প্রায় ২,২০০ বছরের পুরোন...
14/12/2025

তাশখন্দ (Tashkent) শহরের তাৎপর্য

তাশখন্দ হলো উজবেকিস্তানের রাজধানী এবং মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম শহর। প্রায় ২,২০০ বছরের পুরোনো এই শহরটি বহু প্রাচীন সভ্যতা ও আধুনিকতার সাক্ষী।

১. ঐতিহাসিক সিল্ক রোড কেন্দ্র (ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি)
বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র: তাশখন্দ প্রাচীন সিল্ক রোড (রেশম পথ)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল ছিল। এটি প্রাচ্য (চীন) এবং পাশ্চাত্যকে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান শহর হিসেবে বিবেচিত হতো।

সভ্যতার মিলনস্থল: যুগ যুগ ধরে এই পথে বণিক, পণ্ডিত, শিল্পী এবং ধর্মপ্রচারকদের আনাগোনায় এটি সংস্কৃতি, শিল্পকলা এবং জ্ঞানের এক বিশাল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এই শহরের স্থাপত্যে (যেমনটি আমরা হাজরাতি ইমাম কমপ্লেক্সে দেখলাম) আরবি, মোঙ্গলীয় এবং ইরানি সংস্কৃতির প্রভাব সুস্পষ্ট।

২. ইসলামী জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান (ধর্মীয় গুরুত্ব)
প্রাচীন পাণ্ডুলিপি: হাজরাতি ইমাম কমপ্লেক্সে অবস্থিত উসমান কোরআন (Uthman Quran) বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন কোরআনের কপি। এই মূল্যবান ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপির সংরক্ষণকারী হিসেবে তাশখন্দ বিশ্বজুড়ে মুসলিম পণ্ডিত ও তীর্থযাত্রীদের জন্য এক পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

শিক্ষার কেন্দ্র: তাশখন্দে বহু প্রাচীন মাদ্রাসা ও গ্রন্থাগার রয়েছে (যেমন কুকেলদাশ মাদ্রাসা), যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উচ্চতর শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে।

৩. বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিশেষ গুরুত্ব: তাসখন্দ চুক্তি
ঐতিহাসিক ঘটনা: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি স্থাপনের জন্য তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ১৯৬৬ সালের জানুয়ারী মাসে তাশখন্দ শহরে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি 'তাসখন্দ চুক্তি' নামে পরিচিত।

রাজনীতিতে প্রভাব: যদিও চুক্তিটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে, কিন্তু এর আলোচনা এবং পরিবেশ সেই সময়ের দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই সময়েই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হচ্ছিল এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি এই চুক্তির পটভূমিতেই আরও গুরুত্ব লাভ করে।

৪. আধুনিক সোভিয়েত স্থাপত্য ও আধুনিক মহানগর
পুনর্নির্মাণ: ১৯৬৬ সালের এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে তাশখন্দের বেশিরভাগ প্রাচীন অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর সোভিয়েত ইউনিয়ন এটিকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত মহানগর হিসেবে দ্রুত পুনর্নির্মাণ করে। ফলে শহরটিতে প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যের এক মিশ্রণ দেখা যায়।

মেট্রো সিস্টেম: তাশখন্দের পাতাল রেল (মেট্রো) তার দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য ও মনোমুগ্ধকর সজ্জার জন্য সুপরিচিত, যা মধ্য এশিয়ার মধ্যে প্রথম তৈরি হয়েছিল।

সংক্ষেপে, তাশখন্দ কেবল উজবেকিস্তানের রাজধানী নয়, এটি সিল্ক রোডের ইতিহাস, ইসলামী সভ্যতার ঐতিহ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার (তাসখন্দ চুক্তি) সাথে যুক্ত একটি বহু-সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ শহর।

©️ Arju Ahmed

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পল্লীশিফা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share