06/06/2026
ইনকিলাব মঞ্চ বনাম হাদি পরিবার
আজকের এই আলোচিত-সমালোচিত বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের ওসমান গনি, ওসমান হাদি এবং জাবের — এই তিনটা ক্যারেক্টার নিয়ে জানতে হবে।
যদিও আজকের কথাগুলো নিয়ে আরও লেখা হয়েছে, তবুও আজকের বিষয়টি বুঝতে সহায়ক হবে তাই উল্লেখ করছি।
প্রথমত,
ওসমান গনি: পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ এবং সর্বাধিক আদর ও ভালোবাসার নাম। তার পূর্বে যিনি পরিবারের সবচেয়ে ছোট এবং স্নেহের জায়গাটা দখল করে ছিলেন তিনি মাসুমা আপা। স্বভাবতই বোনদের একটা ছোট ভাইয়ের সখ একটু বেশিই থাকে। তাইতো বড় দুই ভাই থাকা সত্ত্বেও তিনি মনে মনে খোদার দরবারে একটা ছোট ভাইয়ের কামনা করতেন। খোদাও তার এই নিষ্পাপ চাওয়াকে ফিরিয়ে দিতে পারলেন না এবং তাঁদের পরিবারে ওসমান গনির আগমন হলো।
পরিবারের সবাই কতটা খুশি হয়েছেন তার সকলের তুলনায় মাসুমা আপু সেদিন বেশি খুশি হয়েছিলেন।
খোদা তা'য়ালা তার প্রার্থনা শুনেছেন এর জন্য তিনি হয়তো এজন্য খোদার দরবারে শুকরিয়া আদায় করতে কার্পণ্য করেননি।
যেই ভাইকে তিনি প্রার্থনায় চেয়েছেন তাঁকে স্বভাবতই সবার থেকে বেশি আদর যত্নে নিজ হাতে লালন পালন করবেন এটাই স্বাভাবিক। আপা পড়ালেখায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন এবং ঘরের ছোট মেয়ে হওয়ায় জিদও ছিল অনেক। মাসুমা আপা যদি কোনো কিছু বলতো তবে সেটা তিনি করা অবধি দমতেন না। এজন্যই পরিবারের বাকি দুই বোন পড়াশোনা থামিয়ে দিলেও এক প্রকার জিদ করেই পড়ালেখা চালিয়ে যান।
ঘরের দুই কনিষ্ঠ সদস্যের মাঝে আবেগের গভীরতা এবং মিল সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম যেদিন কাকা অর্থাৎ তাঁদের বাবা ইন্তেকাল করলেন। পিতার মৃত্যুতে সর্বাধিক শোক পান মাসুমা আপা এবং বলতে গেলে আপা মানসিকভাবে ভারসাম্য হারানোর উপক্রম হয়েছিলেন।
একই কাতারে ছিলেন ওসমান ভাই। আমি তখন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলাম তাই আমার স্মরণে আছে কাকাকে কবরে রাখার পর ওসমান ভাই এতোটাই ভেঙে পড়েন যে তিনি কবর ছেড়ে কিছুতেই যেতে চাইছিলেন না। তাঁকে এখানেই থাকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এক পর্যায়ে এমন হলো যে তাকে দুদিন গ্রামের বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত হলো। কিন্তু মানসিকভাবে আরো ভেঙে পড়ার ভয়ে পরে তা হয়ে ওঠেনি। ওসমান ভাইকে দুই-তিন জনে ধরে প্রায় চ্যাংদোলা করে জোরপূর্বক নিয়ে যেতে হয়।
পিতার মৃত্যুর পরে মাসুমা আপু দীর্ঘ সময় অত্যন্ত অসুস্থ ছিলেন। তাকে শান্ত রাখতে পারতেন শুধু ওসমান গনি।
আপাও তার পিতার শোক ভুলে ছিলেন ওসমান গনিকে দেখে দেখে।
ওসমান ভাই বাড়িতে এলে তার সাথে যতটুকু সময় থেকেছি তাতে সবচেয়ে বেশি মাসুমা আপুর ফোন কল আসতে দেখেছি। কিছুক্ষণ পরপর কল দিয়ে জিজ্ঞেস করতো, "ওসমান গনি কই তুই?"
এমন হলো যে আমি তার ফোন আসলে আগেই ধারণা করতে পারতাম যে আপা কল দিয়েছে।
বাসায় কি রান্না হবে?
তিনি আজকে কি খেতে চাচ্ছেন?
এসব ছোট খাটো বিষয় থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সকল আলোচনা-সমালোচনা সব চলতো তাঁদের মাঝে।
আবার ওসমান ভাই ও ছিলেন এমন যেকোনো বিষয়ে ছোট আপাকে জিজ্ঞেস করা ছাড়া করতেন না।
তাঁরা দুই ভাইবোন যেনো তাঁদের ঘরের ভেতরে আরেক কোরাম।
পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্তে তাঁদের মতামত সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হতো।
দ্বিতীয়ত,
জাবের: জাবের ভাই হলেন ওসমান ভাইয়ের জন্মস্থান নলছিটির এবং বলতে গেলে পাশাপাশি এলাকার সন্তান।
তিনিও ছোটবেলা থেকে মেধাবী ছিলেন। ভাইয়ের সাথে সম্ভবত নেছারাবাদে বসে তার সাক্ষাৎ হয়। একই এলাকার সন্তান এবং একই মাদ্রাসার ছোট ভাই হিসেবে সখ্যতা গড়ে ওঠে যা পরবর্তীতে বন্ধুত্যে রূপ নেয়।
আমি যখন জাবের ভাইকে চিনি তখন আমার মনে হতো জাবের ভাই ওসমান ভাইয়ের আপন ছোট ভাই।
ঢাকা থেকে একসাথে আসা-যাওয়া, চলাফেরা সবকিছুতেই যেনো জাবের ভাই সাথেই থাকতেন।
পরিবারও জাবের ভাইকে পরিবারের অংশ হিসেবে ধরে নেয়।
তৃতীয়ত,
ওসমান হাদি: ওসমান ভাই ছোটবেলা তুখর মেধাবী এবং সৃজনশীল যার ফলে তার প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেছারাবাদে নিজের অবস্থান করে নেন।
তার মেধার পরিচয় বহন করে তার এক ক্লাসমেইটদের পড়ানোর বিষয়টিতে।
ভাইয়ের দীর্ঘ ঢাকার জীবনে সম্পূর্ণ আলাদা একটা পরিচয় তৈরি করে ফেলেছিলেন। নিজের আলাদা একটা জগৎ। যদিও তার এই রূপটা তার কাছের মানুষগুলো যারা তার মতোই দেশপ্রেম, সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিভিত্তিক রাজনীতি বুঝতেন।
ভাইয়ের দেশপ্রেম এবং ফ্যাসিবাদবিদ্বেষী মনোভাব এবং ফ্যাসিবাদের জুলুমের বিরুদ্ধে লেখা 'লাভায় লালশাক পূবের আকাশ' বইয়ে দেখতে পাবেন তার শব্দের বোমা।
এরপর জুলাই আসে। ভাই এই আন্দোলনে কতটা সরব ছিলেন তা যারা তার প্রথম ফেসবুক আইডিতে যুক্ত ছিলেন তারা জানেন।
জুলাইয়ে ভাই দিন রাত রাস্তায় থেকেছেন এবং প্রতি মুহূর্তের আপডেট দিয়েছেন আমাদের।
জুলাই-পরবর্তী সময়ে ভাই দেখলেন যে জুলাইকে নিয়ে নামে বেনামে নানা সংগঠন তৈরি হলেও এদের কার্যক্রম জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে ব্যর্থ হবে। কাউকে না কাউকে তো এই শহীদদের আত্মত্যাগকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে।
সেই চিন্তা থেকেই ভাই প্রতিষ্ঠা করলেন "ইনকিলাব মঞ্চ"।
সঙ্গী হিসেবে তিনি খুঁজে নিলেন বন্ধুতুল্য জুনিয়র জাবের ভাইকে। আরও ছিলেন জুমা, ফাহিম, মিসবাহ, রায়হান প্রমুখ।
প্রাথমিক পর্যায়ে ইনকিলাব মঞ্চের প্রোগ্রামগুলোতে তেমন লোক আসতো না, অধিকাংশই পরিচিত ভাই ব্রাদার থাকতো।
কিন্তু এই সময়ে ভাই যাদের কাছে পেয়েছিলেন তাঁদেরকে তিনি নিজ সন্তানের মতো যত্ন করে আগলে রাখতেন ফলে এই পোলাপানগুলো ভাইয়ের কাছে সবচেয়ে আপনজন হয়ে ওঠে।
এদেরকে নিজ হাতে খাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে পোলাপানগুলোর কাপড় পর্যন্ত ধুয়ে দিতে দ্বিধা করতেন না।
তার এই ভালোবাসা পেয়ে এরা ওসমান ভাইয়ের পরিবারের অংশ বনে গেলো।
তারা ওসমান ভাইকে তাদের অভিভাবক বানিয়ে নিলো।
নিজেদের ভবিষ্যৎ চিন্তা বাদ দিয়ে তারা ভাইয়ের সাথে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে লাগলো।
এর প্রমাণ আপনারা ভাইয়ের অনেক বক্তব্যে বিশেষ করে নির্বাচনের ঘোষণা দেবার পর তার প্রচার প্রচারণা চালানোর কার্যক্রম দেখে অনেকেই উপলব্ধি করেছেন।
এই পোলাপানগুলো খেয়ে না খেয়ে খেটেছে। কোনো স্বার্থ নাই, কোনো বেতন নাই।
শুধু ভাইয়ের ভালোবাসায় এরা নিজেদের সব ভুলে গিয়ে সেন্টারে পড়ে থাকতো।
ধরে নিতে পারেন যদি ভাই আরও পঞ্চাশ বছর বাঁচতেন তবে তিনি নিঃসন্দেহে এদেরকে নিয়েই চলতেন।
এজন্যই তিনি যখন একাধিক হত্যার হুমকি পাচ্ছিলেন তখন এক বক্তব্যে তার অবর্তমানে ইনকিলাব মঞ্চ এবং এই পোলাপানগুলোকে আগলে রাখতে বলেছিলেন।
তারপর ভাই যখন গুলিবিদ্ধ হলেন তখন সম্ভবত দ্বিতীয় ফোন কলটা আমি আপাকে করেছিলাম সত্যতা যাচাইয়ের জন্য।
আপা চিৎকার করে কেঁদে ওঠলেন এবং আমাকে আরও খবরাখবর নিতে বললেন।
মুহূর্তেই খবর ছড়িয়ে পড়ল দেশে। আপা খবর শুনেই কান্নাকাটি শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে তাঁকে ধৈর্য ধারণ করাতে ব্যর্থ হলে তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। যারা তাঁকে তখন দেখেছেন তারা জানবেন আপা তখন পাগলপ্রায় অবস্থায় কোনোমতে গায়ে বোরখা ও ওড়না পেঁচিয়ে তাও হয়তো কেউ পড়িয়ে দিয়েছেন।
এমতাবস্থায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান। ওদিকে মেজো ভাই পাশে বসা অবস্থায়, আপন ছোট ভাইয়ের মাথায় গুলি আড়পার হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।
যার সাথে মাত্রই হাসি-ঠাট্টা করছিলেন, মুহূর্তেই সেই ছোট ভাইয়ের তাজা রক্তে ভিজে যাওয়া ভাইয়ের অবস্থাটা একবার চিন্তা করুন।
হয়তো আর একটা গুলি চললে তিনিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তেন।
এই রকম ঘটনা মানুষকে কতটা ট্রমায় ফেলতে পারে এটা কেবল তারাই বুঝবেন যারা এমনটা বা এর কাছাকাছি কোনো অবস্থার সম্মুখীন হয়েছেন।
আপা ঢাকা পৌঁছেই এভারকেয়ারে ভাইয়ের কাছে বসে রইলেন। তাঁকে কোনোভাবেই ভাই থেকে আলাদা করা যাচ্ছে না। খাওয়া দাওয়া সব ভুলে ভাইয়ের কাছে পড়ে রইলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত ভাইকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার জন্য বের না করা হয়।
ওদিকে ওমর ভাই, ভাইয়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কথা বলছিলেন।
যদিও তিনি তখন ট্রমার ভিতরে থেকেও নিজেকে শান্ত রাখার এবং দায়িত্বশীল ভাইয়ের পরিচয় দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।
এমতাবস্থায় তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন জাবের ভাই।
থানা থেকে কাউকে বাদী হয়ে মামলা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এক বোন হাসপাতালে ভাইয়ের কাছে থেকে কিছুতেই নড়তে বিমুখ; অন্যদিকে এক ভাই যার কাঁধে, শরীরে এখনও আপন ছোট ভাইয়ের রক্ত শুকিয়ে লেগে আছে।
এই বাদে কেবল একজন সহযোদ্ধা ছিলেন জাবের ভাই।
যিনি তার সহযোদ্ধাকে হারিয়ে একা হয়ে গিয়েছেন। এখন তার মননে মগজে কেবল এই চিন্তা — কিভাবে তাঁর সহযোদ্ধাকে বাঁচাবেন, কিভাবে দেশের ক্ষিপ্ত হাদি প্রেমিদের শান্তনা দেবেন, কিভাবে ভাইয়ের উপর হওয়া হামলার প্রতিবাদ করবেন — এই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
ভেতরে পরিবার সামলাচ্ছিলেন চিকিৎসার দিক, আর বাহির সামলাতে লাগলেন জাবের ভাই।
পরিবারের এই শোকাবহ অবস্থায় এই মামলা করার বিষয়টি তিনি নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন।
এবং সে পরিস্থিতিতে এটা আসলেই একটা সঠিক সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্বশীল সহযোদ্ধার পরিচয় দেন জাবের ভাই।
এতে পরিবারের কারোরই কোনো দ্বিমত ছিলো না।
আর এতোদিন পর্যন্ত এ নিয়ে কারোরই কোনো সংকোচ ছিলো না।
সেদিন যখন মমতা ব্যানার্জি ভাইয়ের হত্যায় ভারতের যুক্ত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন তার পর পরই এই কথাটি ছড়িয়ে পড়ে।
এখন আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন: আপনি কাকে দোষারোপ করবেন?
একজন বোনকে যার অবস্থা তখন পাগলপ্রায়, নাকি একজন ভাইকে যিনি ভাইয়ের রক্ত লাগা শরীরে পাথর হয়ে আছেন?
নাকি একজন সহযোদ্ধাকে যিনি তার বন্ধু, সহযোদ্ধা এবং অভিভাবককে হারিয়ে নিঃসঙ্গ হয়ে গিয়েছেন?
তিনি জানেন এর পরবর্তী টার্গেট হয়তো তিনি হবেন।
এখানেই সংস্থা একটা কঠিন চাল চেলেছে — আপন ভাইয়ের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন এবং বিশ্বস্ত লোকগুলোকে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়ে।
তাঁরা চায় পরিবারের সাথে যেনো প্রতিষ্ঠানের একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়, আর এই দূরত্বের মাঝে দাঁড়িয়ে তারা আমাদের এই লড়াইকে ভেস্তে দিবে।
তাঁদের করা প্লান কিছুটা কাজ করলেও পরে তা ব্যর্থ হয় এবং পরিবার থেকে মাসুমা আপা তাকে দমে না গিয়ে কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে লড়াই — ভাই হত্যার বিচারের দাবিতে সরব হয়ে ওঠেন এবং একই সাথে তার ভাইয়ের রেখে যাওয়া সাংস্কৃতিক লড়াইটাকে চালিয়ে নিতে শুরু করেছেন।
এই দেখে সংস্থার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে, কিন্তু তারাও তো মাঝপথে থামবার না, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে — কখনো এই বিষয়, তো কখনো ওই বিষয়।
সামনে আরো চলবে। আরো কঠিন চেষ্টা চালাবে এই লড়াইকে বন্ধ করে দিতে।
আমরা যারা হাদি প্রেমি আছি আমাদের মনে রাখতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ তাদের প্রতিষ্ঠাতা এবং সহযোদ্ধার হত্যার বিচারের চেষ্টা করছে, একইসাথে ইনকিলাব মঞ্চের যে কাজ — দেশের অভ্যন্তরে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করা — সেটা তারা করছে।
আর তার বোন মাসুমা হাদি তার ভাই হত্যার ন্যায় বিচার এবং একজন বিপ্লবীকে হত্যার প্রতিবাদের লড়াই লড়ছেন।
তাঁদের লক্ষ্য, লড়াইয়ের জায়গা এক, কিন্তু তাঁদের অবস্থান ভিন্ন।
তারা অভিন্ন। আমাদের লড়াই অভিন্ন।
পরিবার এবং প্রতিষ্ঠানকে পৃথক করে বা তাঁদের আলাদা করে নয়, বরং আপনি যেখানে সুযোগ পান সেখান থেকেই এই লড়াই লড়ুন — এটাই হবে বিপ্লবী ওসমান হাদির প্রতি আপনার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ। Mmd Sherajul Islam