24/09/2025
📚 MBA Course Exam – International Business (312603) | ক-বিভাগ
🎓 MBA পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজভাবে নিন!
এখানে পাবেন 👉 ক-বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (খ ও ঘ)
https://sites.google.com/view/mba-course-exam-3/home
----------------------------
৩য় অধ্যায় (প্রশ্নোত্তর)
১। ব্যবস্থাপনা একটি অনন্য মানবিক বৈশিষ্ট্য—ব্যাখ্যা কর।
ব্যবস্থাপনা মূলত মানুষের মেধা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে সংগঠনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার প্রক্রিয়া। পশু বা যন্ত্র নিজেরা কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারে না, কিন্তু মানুষ পারে। তাই ব্যবস্থাপনা একটি অনন্য মানবিক বৈশিষ্ট্য।
২। ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা ব্যাখ্যা কর।
ব্যবস্থাপনা সর্বত্র প্রযোজ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, পরিবার, সরকারি-বেসরকারি অফিস—সব জায়গায় লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়। তাই ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা রয়েছে।
৩। ব্যবস্থাপনা বলতে কী বোঝো?
ব্যবস্থাপনা হলো একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সংগঠনের লক্ষ্য অর্জন করা হয়।
৪। ব্যবস্থাপনার প্রধান কাজগুলো কী কী?
পরিকল্পনা করা
সংগঠন করা
নেতৃত্ব প্রদান
সমন্বয় সাধন
নিয়ন্ত্রণ
৫। বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য লিখ।
কাজকে বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।
শ্রমিক ও কাজের মধ্যে সঠিক সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়।
সময় ও গতির অধ্যয়ন করা হয়।
উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়।
ব্যবস্থাপক ও শ্রমিকের মধ্যে সহযোগিতা তৈরি করা হয়।
৬। ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারায় F.W. Taylor এর অবদান উল্লেখ কর।
F.W. Taylor বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক। তিনি সময় অধ্যয়ন, গতির অধ্যয়ন, মানকরণ, সঠিক শ্রমিক নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ, কাজের পারিশ্রমিকের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
৭। বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।
সুবিধা: উৎপাদন বৃদ্ধি, খরচ হ্রাস, মানসম্পন্ন উৎপাদন, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি।
অসুবিধা: কর্মীদের উপর মানসিক চাপ, সৃজনশীলতার সীমাবদ্ধতা, শ্রমিকদের অবমূল্যায়ন, ব্যয়বহুল গবেষণা।
৪র্থ অধ্যায় (প্রশ্নোত্তর)
১। ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা ও উপাদান বিশ্লেষণ কর।
সংজ্ঞা: ব্যবস্থাপনা হলো পরিকল্পনা, সংগঠন, নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া।
উপাদান:
লক্ষ্য নির্ধারণ
মানুষ ও সম্পদ
পরিকল্পনা ও সংগঠন
নির্দেশনা
নিয়ন্ত্রণ
২। ব্যবস্থাপনা দলগত সংজ্ঞা ও ব্যবস্থাপনা দলগত দৃষ্টিভঙ্গির বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।
দলগত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ব্যবস্থাপনা হলো একটি দলের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া।
বৈশিষ্ট্য:
দলগত প্রচেষ্টা
নেতৃত্ব প্রদান
সহযোগিতা ও সমন্বয়
নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধন
৩। শিল্প বিপ্লবের কারণসমূহ আলোচনা কর।
নতুন যন্ত্রপাতির আবিষ্কার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি
নতুন নতুন কাঁচামালের ব্যবহার
কারখানা ভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি
বাণিজ্য সম্প্রসারণ
৪। শিল্প বিপ্লবের ফলাফল আলোচনা কর।
উৎপাদন বৃদ্ধি
শহরায়ণ
নতুন শিল্পের বিকাশ
শ্রমিক শ্রেণির উদ্ভব
অর্থনৈতিক উন্নয়ন
৫। ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের সংজ্ঞা ও ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর।
সংজ্ঞা: ব্যবস্থাপনা তত্ত্ব হলো এমন একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন যা ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
প্রয়োজনীয়তা: সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, সংগঠন দক্ষতা বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রণ সহজ করা, উৎপাদন বৃদ্ধি।
৬। ক্লাসিক্যাল বা প্রথাগত তত্ত্বের সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য এবং সীমাবদ্ধতা লিখ।
সংজ্ঞা: প্রথাগত তত্ত্ব হলো এমন একটি তত্ত্ব যেখানে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আনুষ্ঠানিক কাঠামো, কর্তৃত্ব ও নিয়মের মাধ্যমে পরিচালিত করা হয়।
উদ্দেশ্য: উৎপাদন বৃদ্ধি, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দক্ষতা বৃদ্ধি।
সীমাবদ্ধতা: মানবিক দিক উপেক্ষা করা, শ্রমিক অসন্তোষ, অনমনীয়তা।
৭। বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা আলোচনা কর।
বৈশিষ্ট্য: বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, সময় ও গতির অধ্যয়ন, শ্রমিকের সঠিক নির্বাচন, মানকরণ, বৈজ্ঞানিক পারিশ্রমিক।
উপকারিতা: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন, খরচ হ্রাস, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি
------------------------------