29/07/2026
ষোলোর আওয়াজ তোলো - ১
আমাদের তিনজন টিম মেম্বার তাদের সহপাঠীদের সাথে দাওয়াতি সফরে গাইবান্ধা যাচ্ছিলো।
টিমের ভাইয়েরা সেখানে 'ষোলো' বিতরণ ও প্রচারণার প্রস্তাব দেয়।পরামর্শক্রমে তাদেরকে তিন ধরনের প্রায় সত্তরেরও অধিক 'ষোলো' দেওয়া হয়।
প্রথমে তারা ট্রেনে ফ্রী বিতরণ না করে অল্প কিছু 'ষোলো' বিক্রি করে।কারণ ফ্রী বিতরণে দুটো সমস্যা হয় :
১.মানুষ সন্দেহ করে।
২.যার প্রয়োজন নেই সেও নিতে চায়।
(পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে বলা)
এরপর স্কুল ও কোচিং সেন্টারে বিতরণ করা হয়।
স্কুল এবং কোচিং সেন্টারের কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলে আমাদের প্রতিনিধি।
কুরআন থেকে সামান্য আলোচনা করার পর 'ষোলো' কেন, কাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এর উপকারিতা কী-সে বিষয়ে পরিচিতিমূলক কথা হয়।
সবশেষে পাঠচক্রের উদ্দেশ্যে ছেলে ও মেয়েদের আলাদা আলাদা করে কিছু 'ষোলো' দেওয়া হয়।
এরপর বড় একটা অংশ বিতরণ করা হয় সপ্তম, অষ্টম ও কলেজপড়ুয়া ভাইদের কাছে।
এদের কাছে বিতরণ কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে না হয়ে মাঠে-ঘাটে কিংবা মসজিদে হয়েছে।
সবখানেই একটা বিষয় খেয়াল রাখা হয়েছে-যদি কোনো ক্লাস,কোচিং সেন্টার,ফ্রেন্ড সার্কেল বা গ্রুপ হয় তাহলে 'ষোলো'র দশম,একাদ্বশ,দ্বাদশ ও জুলাই বিশেষ সংখ্যার পুরো সেটটা দেওয়া হয়।
ব্যক্তিবিবেচনায় কখনো ৩টি (১০, ১১ ও ১২) অথবা কখনো ১টা বা ২টা করেও দেওয়া হয়।
অনেক জায়গায় ছবি তোলার ব্যাপারে অসম্মতি ছিলো, আবার কিছু স্থানে সীমাবদ্ধতা থাকায় প্রতিনিধিরা ছবি তুলতে পারেনি।
কিছু টুকরো কথা রয়ে গেছে।নিকটবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে ইন শা আল্লাহ।
গাইবান্ধায় 'ষোলো'র সাথে এই ছিলো আমাদের সফরবৃত্তান্ত।আশা করছি 'ষোলো'কে সঙ্গে করে দেশের প্রতিটি তরুণের কাছে, শহর থেকে শহরে পৌঁছে যাবো।আর এভাবেই গড়ে উঠবে সুস্থ, সুন্দর ও দায়িত্বশীল তরুণ সমাজ।
ইতিবাচক অধ্যয়ন হোক অনুসরণের খোরাক।