Association of Engineers Bangladesh - AEB

Association of Engineers Bangladesh - AEB Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Association of Engineers Bangladesh - AEB, Nonprofit Organization, 11th Floor, Suite 1105, SEL Tower, Bangla Motor, Dhaka.

The Association of Engineers, Bangladesh (AEB) is a national platform uniting engineers from all disciplines to promote professional excellence, ethical practice, and active contribution to the nation’s progress.

04/06/2026
Zia Memorial Poster Competition organized by AEB. Ideas for future Bangladesh. Submission deadline 13th June 2026.
25/05/2026

Zia Memorial Poster Competition organized by AEB.

Ideas for future Bangladesh.

Submission deadline 13th June 2026.

13/05/2026

বাংলাদেশের বার্ষিক বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থায়ী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:

১. কর ও প্রণোদনা সংক্রান্ত নীতি:

আইসিটি খাতে কর অবকাশ: সফটওয়্যার, আইটি সার্ভিস ও বিপিও (BPO) খাতের জন্য কর অবকাশের সময়সীমা বাড়ানো।

রপ্তানির উপর নগদ প্রণোদনা: আইসিটি রপ্তানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার হার বৃদ্ধি করা ।

বিদেশি বিনিয়োগে কর ছাড়: আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে স্থানীয়ভাবে অফিস স্থাপন ও দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিত করতে কর ছাড় প্রদান।

২. দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন:

বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি: সরকারি সহায়তায় সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সাইবার সিকিউরিটি, এআই, ডেটা সায়েন্স ইত্যাদিতে তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা: বিশ্ববিদ্যালয় ও আইটি কোম্পানিগুলোর মধ্যে যৌথ প্রকল্প ও ইন্টার্নশিপ চালু করার জন্য বাজেট বরাদ্দ।

ফ্রিল্যান্সার উন্নয়ন কর্মসূচি: বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।

৩. অবকাঠামো ও প্রযুক্তি সহায়তা:

হাই-টেক পার্ক উন্নয়ন: নতুন হাই-টেক পার্ক স্থাপন ও বিদ্যমান পার্কগুলোতে ইনসেনটিভ বৃদ্ধি।

ডেটা সেন্টার ও ক্লাউড অবকাঠামোতে বিনিয়োগ: আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি, যাতে আইটি রপ্তানির পরিবেশ আরও সহায়ক হয়।

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা: হাই স্পিড কানেক্টিভিটি সুনিশ্চিত করতে বাজেট বরাদ্দ।

৪. বাজার সম্প্রসারণ ও ব্র্যান্ডিং:

আইসিটি পণ্যের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ: স্থানীয় কোম্পানিগুলোর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণে সরকারি সহযোগিতা ও অর্থায়ন।

বাংলাদেশ আইটি ব্র্যান্ডিং: “Digital Bangladesh” এর নতুন রূপায়ণ করে বিদেশে ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে বাজেট বরাদ্দ।

ট্রেড কমিশনার বা ICT অ্যাটাশে নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজারে।

৫. নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা:

‘এক্সপোর্ট রেডি’ স্টার্টআপ সাপোর্ট স্কিম চালু: যেসব স্টার্টআপ আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে চায়, তাদের জন্য সহজ লোন ও প্রশিক্ষণ।

এক্সপোর্ট লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ: আইটি সার্ভিস রপ্তানির ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো।

এভাবে বার্ষিক বাজেটে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকর বরাদ্দ নিশ্চিত করলে বাংলাদেশ আইসিটি রপ্তানিতে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারবে।

বাংলাদেশ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সুপার স্কিল্ড তরুণ পেশাজীবীরা দিন দিন বিদেশমুখী হচ্ছে, বিশেষ করে যেসব দেশ “ডিজিটাল নোমাড ভিসা” বা বিশেষ অভিবাসন সুবিধা দিচ্ছে তাদের প্রতি। এর ফলে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান মানবসম্পদ ও রপ্তানিযোগ্য সেবা শক্তি।

এই প্রেক্ষাপটে বার্ষিক বাজেটে কী ধরণের নীতিগত পরিবর্তন ও পদক্ষেপ দরকার তা নিচে তুলে ধরা হলো:

🔶 প্রতিযোগিতা মোকাবেলার কৌশল ও নীতিগত পরিবর্তন

১. ঘরে বসেই বৈশ্বিক সুযোগ – “ডিজিটাল বাংলাদেশ নোমাড প্রোগ্রাম” চালু

বাংলাদেশে বসেও বৈশ্বিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

আইটি পেশাজীবীদের জন্য কাজ ও বসবাস উপযোগী হাব বা ‘ডিজিটাল ওয়ার্ক ভিলেজ’ গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে হাইস্পিড ইন্টারনেট, কর ছাড় সুবিধা, কমিউনিটি ও রিক্রিয়েশনাল সুবিধা।

স্টার্টআপ ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ ও ট্যাক্স ইনসেনটিভ চালু।

২. আন্তর্জাতিক সুযোগ দেশে আনার উদ্যোগ

বিদেশি আইটি কোম্পানিকে দেশে অফিস খোলার জন্য বিশেষ সুবিধা (Tax Holiday, Fast-track services) প্রদান, যাতে তারা এখান থেকেই দক্ষ জনবল নিয়োগ করে কাজ করাতে আগ্রহী হয়।

সরকার নিজেরাই আন্তর্জাতিক প্রকল্প আনতে পারে এবং দেশীয় ট্যালেন্ট দিয়ে এক্সিকিউশন করাতে পারে — Public-Private Export Projects.

৩. ফিজিক্যাল মাইগ্রেশন বনাম ভার্চুয়াল মাইগ্রেশন – ভারসাম্য আনয়ন

ডিজিটাল নোমাড ভিসা দিলে তারা বিদেশে থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে গেলে তা হয়ে যায় ব্রেইন ড্রেইন।

এর বিকল্প হিসেবে চালু করা যেতে পারে “বাংলাদেশ টেক ট্যালেন্ট ভিসা”, যেখানে বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশের তরুণদের নিয়োগ করতে পারবে কিন্তু কাজ করতে হবে এখানেই।

৪. Stay & Thrive in Bangladesh – উদ্যোক্তা ও ক্যারিয়ার সুযোগ

আইটি পেশাজীবীদের জন্য দেশে করমুক্ত রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ সীমা বৃদ্ধি।

সফল ফ্রিল্যান্সার ও টেক উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও ভর্তুকি প্রোগ্রাম।

সরকারের রিক্রুটমেন্ট ও পলিসি মেকিংয়ে তরুণ টেক এক্সপার্টদের অন্তর্ভুক্তি।

৫. উন্নত জীবনযাত্রা ও সামগ্রিক পরিবেশ উন্নয়ন

শুধু চাকরি নয়, থাকতে হবে উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বিনোদন সুবিধা, যা তরুণদের দেশের মধ্যেই থাকার উৎসাহ দেবে।

আইটি জোনে স্মার্ট সিটি মডেল চালু করে কর্ম ও জীবন একত্রে সুবিধাজনক করে তোলা।

🔷 সংক্ষেপে প্রস্তাবিত বাজেট কাঠামো:

# মানবসম্পদ উন্নয়ন
Global standard কোর্সে ভর্তুকি,
Talent Retention Grant

# নীতিমালা ও ইনসেনটিভ
Tax holiday,
Freelancers’ Tax Card,
Remote work infrastructure

# বিদেশি বাজার আকর্ষণ
B2B matchmaking,
IT Company setup accelerator

# পরিবেশ উন্নয়ন
Smart IT zones,
Health-insured tech parks

# Recognition ও Brand
Tech Excellence Awards,
Global ambassador program

এই নীতিগত পরিবর্তনগুলো বাজেটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশ শুধু ICT রপ্তানি বাড়াতে পারবে না, বরং দেশের মেধাবী তরুণদের ধরে রাখতেও সক্ষম হবে।

Written by: Engr Rafel kabir

BNP Media Cell Bangladesh Nationalist Party-BNP ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন Tarique Rahman

23/04/2026

বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নাগরিকদের জন্য একাধিক কার্ডভিত্তিক সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে—যেমন ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মারস কার্ড এবং আরও একটি পৃথক কার্ড ব্যবস্থা। প্রতিটি উদ্যোগের লক্ষ্য নির্দিষ্ট খাতে সেবা প্রদান উন্নত করা হলেও, প্রতিটি কার্ডের জন্য আলাদা ফ্রন্টএন্ড ও ব্যাকএন্ড সিস্টেম তৈরি করা একটি গুরুতর নীতিগত ও আর্থিক প্রশ্ন তৈরি করে।

এই ধরনের বিচ্ছিন্ন (fragmented) সিস্টেম উন্নয়ন সময়, অর্থ ও সম্পদের অপচয় ঘটায় । একটি একীভূত (integrated) প্ল্যাটফর্ম—বিশেষ করে বিদ্যমান জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করে—এই সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে।

মূল সমস্যা: বিচ্ছিন্ন সিস্টেম (System Fragmentation)

চারটি আলাদা সিস্টেম মানে:
• চারটি পৃথক ডাটাবেজ
• চার ধরনের লগইন/অথেন্টিকেশন ব্যবস্থা
• চারটি আলাদা মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েব পোর্টাল
• চারটি আলাদা অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স টিম
এতে একই কাজ বারবার করতে হয়, যা একটি বড় ধরনের অদক্ষতা (inefficiency) তৈরি করে।

১. আর্থিক অপচয় ও পুনরাবৃত্ত বিনিয়োগ

প্রতিটি সিস্টেম তৈরির জন্য আলাদাভাবে দরকার:
• সার্ভার বা ক্লাউড অবকাঠামো
• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
• সাইবার সিকিউরিটি
• রক্ষণাবেক্ষণ ও আপগ্রেড

ফলে মোট খরচ ৩–৪ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
উদাহরণ:
• চারটি আলাদা ডেটা সেন্টার বা ক্লাউড খরচ
• চারটি আলাদা অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
• চারটি ভিন্ন ভেন্ডর বা প্রকল্প দল

একটি একীভূত প্ল্যাটফর্ম হলে এই খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

২. ডাটা সাইলো (Data Silo) এবং সমন্বয়ের অভাব

আলাদা সিস্টেমে তথ্য আলাদা আলাদা থাকে, ফলে:
• স্বাস্থ্য তথ্য ও পারিবারিক তথ্য সংযুক্ত হয় না
• কৃষি ভর্তুকি যাচাই করা কঠিন হয়
• একই নাগরিকের একাধিক রেকর্ড তৈরি হতে পারে

এর ফলে সঠিক নীতিনির্ধারণে বাধা সৃষ্টি হয়।

একীভূত সিস্টেম হলে:
• সব ডাটা সংযুক্ত থাকবে
• সহজে বিশ্লেষণ করা যাবে
• লক্ষ্যভিত্তিক সেবা প্রদান সম্ভব হবে

৩. নাগরিক ভোগান্তি বৃদ্ধি

একাধিক কার্ড মানে:
• নাগরিকদের একাধিক কার্ড বহন করতে হবে
• বারবার নিবন্ধন করতে হবে
• বিভ্রান্তি তৈরি হবে

বিশেষ করে:
• গ্রামীণ জনগণ
• বয়স্ক নাগরিক
• কম প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে।

একটি একক সিস্টেম হলে:
• একটি আইডি দিয়েই সব সেবা
• সহজ ব্যবহার
• কম ঝামেলা

৪. প্রশাসনিক জটিলতা বৃদ্ধি

প্রতিটি সিস্টেম চালাতে দরকার:
• আলাদা প্রশাসনিক টিম
• আলাদা প্রশিক্ষণ
• আলাদা মনিটরিং
ফলে:
• ব্যুরোক্রেসি বৃদ্ধি পায়
• সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়
• দুর্নীতির ঝুঁকি বাড়ে

৫. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি

বেশি সিস্টেম মানে:
• বেশি আক্রমণের সম্ভাব্য পয়েন্ট
• নিরাপত্তা ব্যবস্থার অসামঞ্জস্য
• মনিটরিং কঠিন

একীভূত সিস্টেম হলে:
• কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা
• উন্নত নজরদারি
• দ্রুত প্রতিক্রিয়া সম্ভব

৬. বিদ্যমান NID ব্যবস্থার অপব্যবহার (Underutilization)

বাংলাদেশে ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় পরিচয় ব্যবস্থা রয়েছে, যা পরিচালনা করে Bangladesh Election Commission।

এই NID সিস্টেমে রয়েছে:
• বায়োমেট্রিক তথ্য
• দেশব্যাপী কভারেজ
• প্রতিষ্ঠিত অবকাঠামো
তাই নতুন আলাদা সিস্টেম না বানিয়ে, এই NID-কে ভিত্তি করে সব সেবা যুক্ত করা সম্ভব।

প্রস্তাবিত সমাধান: একীভূত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

মূল স্তর (Core Layer):
• NID ডাটাবেজ (Single Source of Truth)
সেবা স্তর (Service Modules):
• স্বাস্থ্য সেবা
• কৃষি সেবা
• পরিবার/সামাজিক সুরক্ষা
ব্যবহার মাধ্যম:
• একটি সুপার অ্যাপ
• USSD/SMS (কম খরচে ব্যবহারযোগ্য)
• ওয়েব পোর্টাল

সম্ভাব্য সুবিধা

খরচ কমানো:
• ৫০–৭০% পর্যন্ত ব্যয় হ্রাস
কার্যকারিতা বৃদ্ধি:
• দ্রুত বাস্তবায়ন
• কম পুনরাবৃত্ত কাজ
শাসনব্যবস্থা উন্নয়ন:
• স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
• রিয়েল-টাইম মনিটরিং
নাগরিক সুবিধা:
• একটি কার্ড
• সহজ সেবা গ্রহণ

চারটি আলাদা কার্ড ও সিস্টেম তৈরি করা একটি অদক্ষ ও ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত, যা দীর্ঘমেয়াদে সরকারের জন্য আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করবে।
তার পরিবর্তে, NID ভিত্তিক একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হলে:
• খরচ কমবে
• সেবা দ্রুত হবে
• নাগরিকদের ভোগান্তি কমবে
• এবং সামগ্রিকভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে

Written by : Engr. Rafel kabir

ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনBNP Media CellTarique RahmanBangladesh Nationalist Party-BNP

:: প্রকৌশলী পরামর্শ কার্যক্রম ::বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতসমূহে চ্যালেঞ্জ সমাধানের প্রস্তাব আহবান।সচেতন নাগরিক, প্রকৌশল...
17/04/2026

:: প্রকৌশলী পরামর্শ কার্যক্রম ::

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতসমূহে চ্যালেঞ্জ সমাধানের প্রস্তাব আহবান।

সচেতন নাগরিক, প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর প্রস্তাব আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

প্রস্তাব আহবানের বিষয়সমূহ -

* সড়ক, মহাসড়ক, নগর ও মহানগরের যানবাহন ব্যবস্থাপনা

* জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ খাতের চ্যালেঞ্জ সমাধান

* বিদ্যুৎ খাতের চ্যালেঞ্জ সমাধান ও নবায়নযোগ্য উৎপাদন

প্রস্তাব পাঠানোর ফরমের লিংক -
https://aeb-bd.org/comments-for-sector/

17/04/2026

In the present context, the absence of a centralized and transparent tracking mechanism across the fuel supply chain—from primary depots (such as Meghna and Jamuna) to retail petrol pumps—has created opportunities for inefficiencies and irregularities. There is also limited control over consumer-level fuel usage. So, AEB is proposing following system which aims to establish end-to-end visibility and control over fuel distribution through a simple, scalable, and cost-effective digital solution. This can be implemented in one week and free of cost by AEB members. Due to sms/USSD support, any body can use it using button phone.

Key Components of the System:

-Level Monitoring:
-All fuel disbursements from primary depots will be digitally recorded, including petrol pump identification, quantity supplied, and time of dispatch.
Pump Reporting:
-Fuel receipt and sales data from petrol pumps will be reported via:
----A mobile application, or
----An SMS/USSD-based system to ensure accessibility and low implementation cost
-Level Control:
-Fuel purchase will be linked to legally registered vehicles, with:
Predefined fuel quotas
-Controlled refill intervals

The implementation of this system is expected to deliver the following benefits:

of Fuel Hoarding:
Ensuring that fuel received by petrol pumps matches the volume sold to consumers
Fuel Consumption:
Limiting consumer purchases to approved quantities within specified time intervals
Compliance:
Restricting fuel access to legally registered vehicles will encourage compliance and increase government revenue
Transparency and Accountability:
Providing real-time data for monitoring, auditing, and policy decision-making.

Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP BNP Media Cell

With ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
17/02/2026

With ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

Address

11th Floor, Suite 1105, SEL Tower, Bangla Motor
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Association of Engineers Bangladesh - AEB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share