08/08/2026
হারানো বাল্য বন্ধু সেলিম ফরাজীর খোঁজে খুলনার বন্ধুদের সাহায্য চাই
ছবিতে আমি মোঃ নাসির উদ্দীন সরদার, সাউথ কোরিয়া প্রবাসী।
আমার জন্মস্থান বরিশালে কিন্তু আমার শৈশব কৈশব এবং কিশোর বয়স পাড় করেছিলাম দুই জায়গাতে, বরিশাল এবং খুলনা। আমার বাবা ১৯৬৩ সনে খুলনায় বাড়ি করেন।
খুলনা শহরের টুটপাড়া সবার পরিচিত। আমরা দক্ষিণ টুটপাড়া ৩১ নং ওয়ার্ড চাঁনমারি বাজারের পশ্চিম পাশে বাড়ি। খুলনা সদর, খুলনা। গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার চন্দ্রহার এবং বঙ্কুড়া, ওয়ার্ড নং ৬ এবং ৮ নং ওয়ার্ড। দুই গ্রামেই আমাদের বাড়ি আছে।
তাই দাদার বাড়ি বরিশাল এবং বাবার বাড়ি খুলনা, এই দুই জায়গাতেই আমার বাল্যবন্ধু ছিল অনেকেই। ১৯৯৩ সালে ক্লাস থ্রীতে পড়ালেখা অবস্থায় ফাইনাল পরীক্ষা না দিয়েই ফ্যামিলি গত কারণে বাবার সাথে খুলনায় চলে যাই। সেখানে গিয়েও আবার ক্লাস থ্রীতেই ভর্তি হই। এখানে ১ বছর জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছিল।
চাঁনমারি বাজারের পশ্চিম পাশে আহমদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক বছর শেষ করে, চতুর্থ শ্রেণীতে রুপসা বহুমুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভর্তি হয়ে ছিলাম।
চতুর্থ শ্রেণীতে বসেই বাল্যবন্ধু সেলিম ফরজীর সাথে আমার পরিচয় হয়। বাল্যবন্ধু অনেকেই ছিল, প্রিন্স, নাঈম মাহাবুব, ইয়াসিন, রাসেল, ছোট শুক্কুর, বড় শুক্কুরসহ আরো অনেকেই। তবে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিল আমার বন্ধু সেলিম ফরাজী। ওদের বাসাটা ছিল দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির দক্ষিণ সাইডে ডাক্তার বাড়ির গলির পুকুর পাড়ে। সেই পুকুর এখন আর নেই, সেটা ভরাট হয়ে গেছে কিন্তু ডাক্তার বাড়ির গলি সবার পরিচিত। সেলিমরা তিন ভাই, সবার ছোট সেলিম। সেলিমের বাবা পুলিশে চাকরি করতো। তখন ওরা খুলনায় ভাড়া বাসায় থাকতো। আমি আমার বন্ধুকে খুব মিস করি। কতটা মিস করি ভাষায় বলে বুঝাতে পারবো না।
পঞ্চম শ্রেণী পাশ করে, রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হই এবং ১৯৯৭ সালে সপ্তম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে আবার গ্রামে চলে আসি। সেই যে গ্রামে চলে এসেছি, তারপরে ১০ বছর পরে খুলনায় গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি কিন্তু আমার বন্ধুকে আর পেলাম না। আজ ২৯ বছর পরেও বাল্য বন্ধুকে খুব মিস করি। বরিশালেও আমার অনেক বাল্যবন্ধু আছে। প্রবাসে বসেও খুব মিস করি, ভালো থেকো আমার সকল বাল্য বন্ধুরা।
হোয়াটসঅ্যাপ
+8201059465995