08/02/2026
প্রহসনমূলক একতরফা নির্বাচন ও অবৈধ গণভোট বন্ধের দাবীতে শেখ হাসিনা সংগ্রাম পরিষদ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পশ্চিমাদের দালাল, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী শাসনের অধীনে ১২ই ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচন ও অবৈধ গণভোট বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর সরাসরি আক্রমণ। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে খুনি ফ্যাসিস্ট চক্র বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে সংবিধান লঙ্ঘন করছে। অথচ এই দখলদার গোষ্ঠীর নির্বাচন ও গণভোট দেয়ার অধিকারই নেই। ষড়যন্ত্র, জঙ্গী সন্ত্রাস ও গুজবের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে আইনের অপব্যবহার করে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে এই অপশক্তি। দেশের অন্তত ৫০ ভাগ ভোটার আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। অনেক দলনিরপেক্ষ ভোটাররাও বুঝতে পারছে যে জুলাইতে তারা প্রতারণার শিকার হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ আমলেই তারা ভালো ছিল।
আমরা মনে করি এই গণভোট এবং নির্বাচন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের মৃত্যু-ঘণ্টা, ১৯৭১-এর লক্ষ লক্ষ রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা এবং দেশকে ধ্বংস করার এক ফ্যাসিস্ট নকশা। যদি আপনি স্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে থাকেন, তাহলে এই প্রহসনমূলক প্রক্রিয়াকে বর্জন করুন।
এমতাবস্থায় আমাদের দাবী হলো এই নির্বাচন ও গণভোট বন্ধ করে ইউনূসকে পদত্যাগ করতে হবে। নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দেয়া অবৈধ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে হবে। সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে খুনখারাবি, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সাথে যুক্ত জুলাই সন্ত্রাসীদের রক্ষা করতে দেয়া দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করতে হবে। ইউনূস সহ ক্ষমতাসীনদের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের তদন্ত ও বিচার করতে হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ২০২৪ সালের ১৫ই জুলাই পরবর্তী সকল হত্যা, গুম ও সহিংসতার তদন্ত করতে হবে। প্রশাসন ও বিচার বিভাগে দলীয়করণ দূর করতে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। সকল রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সব মামলা প্রত্যাহার ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া রায় বাতিল করতে হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।