Risalat Research Foundation

Risalat Research Foundation বেকার হবে উদ্যোক্তা, কোরআন হবে আলোকবর্তিকা।

28/04/2026

" Risalat Research Foundation "- এর কার্যক্রম যেভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো, তা একটু তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
আমরা গুটিকয়েক কোরআন গবেষক ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই ফাউন্ডেশন এর অগ্রযাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ।
আগেই বলেছি এবং স্বীকৃতি দিয়েছি যে, " রিসালাত রিসার্চ ফাউন্ডেশন " - মানুষের কোন সরাসরি দান বা এয়ানতের দ্বারা পরিচালিত হবে না।

হয়তো সারা দুনিয়াতে এটি একটি নতুন চমক এবং কোরআন ভিত্তিক চিন্তা ধারায় এই ফাউন্ডেশন পরিচালিত হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

তাই এই সামাজিক এবং মানুষের মাঝে মানুষের কল্যাণে কুরআনের সঠিক এবং যে যুগের জ্ঞানের আলোকে সত্য তথ্য, পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কোন চাপের কাছে নতিশীকার না করে প্রকাশ করার লক্ষ্যে, রিসালাত হালাল ব্যবসার পদচারণা শুরু হলো।
আমরা, নিজেরাই ফান্ড বিনিয়োগ করে যৌথভাবে হালার ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছি। মূলত আমরা যুগ উপযোগী এবং মানুষের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রোডাক্ট আমদানি করে আমাদের নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা লক্ষ্য করে মানব কল্যাণে কাজ করতে উদ্যত হয়েছি।

তাই আজকে শুরার ভিত্তিতে Risalat Research Foundation এর সম্মানিত প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি এবং assistant সেক্রেটারি এরমধ্যে শেয়ার সার্টিফিকেট প্রদান করা হলো।

শুধুমাত্র কুরআন জানা ও কোরআন মানা ব্যক্তিবর্গ সারাদেশে যে কোন স্থান থেকে চাইলে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।
এমনকি আমাদের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানও হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
আজ আমরা আমাদের পণ্য আমদানি লক্ষ্যে প্রথম এলসি ড্রাফট অনুমোদন করলাম। আগামীকাল ২৯/০৪/২০২৬৷ LC খোলা হবে ইনশাআল্লাহ।

যে সকল পণ্য আমদানি করা হবে, যথাশীঘ্র অনলাইনে প্রচার করা হবে এবং গ্রাহকরা ন্যায্য দামের ভিত্তিতে অনলাইন /অফলাইন / রিটেইল/ হোলসেল / এডভান্স অর্ডার করতে পারবেন।।

জাফর আহমেদ
জেনারেল সেক্রেটারী।

24/04/2026

38TH EPISOD, SURAH AL BAQARAH . 2: 271 TO 281

23/04/2026

277 : কোরআন মানব জাতির জন্য রবের পক্ষ থেকে একমাত্র হেদায়েতের গ্রন্থ।
কোরআনের কোথাও মসজিদ বানিয়ে ইমামের পিছনে যৌথভাবে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
তাহলে, মসজিদ গুলোতে নামাজ না পড়ে, কোরআন শিক্ষার আসর করা হলে কি মানুষ হেদায়েত পেত না?

কুরআনের দলিল ভিত্তিক আলোচনা ও মতামত :

প্রিয় মানবজাতি,
"সালামুন আলাইকুম"।
আমরা মানবজাতির কোন অভ্যাসের তাবেদারি না করে, সরাসরি কুরআন থেকে, মানবজাতির জন্য দিতে চাওয়া যে শিক্ষা - সেই সর্বস্বত্ব রূপটি তুলে ধরার চেষ্টা করছি ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নটি মূলত দুইটি বিষয়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে:
(১) কোরআন কি একমাত্র হেদায়েতের গ্রন্থ?
(২) মসজিদে জামায়াতে সালাতের পরিবর্তে শুধু কোরআন শিক্ষা চালু করলে কি হেদায়েত পাওয়া সম্ভব?
এগুলো কোরআনের আয়াত দিয়ে ব্যালান্স করে বুঝতে হবে—
১. কোরআন হেদায়েতের গ্রন্থ — এতে কোনো সন্দেহ নেই
আল্লাহ বলেন:
“এই কিতাব, এতে কোনো সন্দেহ নেই; মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত।” — (সূরা বাকারা ২:২)
“নিশ্চয়ই এই কোরআন এমন পথের দিশা দেয় যা সবচেয়ে সরল।”
— (১৭:৯) " নিশ্চয়ই এ কোরআন এমন এক পথের নির্দেশ দেয়, যা সুদৃঢ় ও মুমিনদের জন্য সুসংবাদ, যারা যারা সৎকর্ম আমল করে। নিশ্চয়ই তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরুষ্কর।
সুতরাং, কোরআনই মূল হেদায়েতের উৎস — এটা সম্পূর্ণ সত্য।
২. কিন্তু কোরআন শুধু পড়ার জন্য নয়, বরং অধ্যায়ন ও গবেষণা করে বুঝেশুনে আমলের মাধ্যমে (প্রতিষ্ঠা) করার জন্য।

কোরআনে বারবার “সালাত কায়েম করো” বলা হয়েছে:
“তোমরা সালাত কায়েম কর ”— (২:৪৩, ২:৮৩, ২৪:৫৬ ইত্যাদি)

👉 এখানে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ: “أقيموا الصلاة (আকিমুস সালাত)”
এর অর্থ শুধু পড়া নয়, বরং প্রতিষ্ঠা করা, নিয়মিতভাবে সংগঠিতভাবে কায়েম করা।

৩. জামায়াত/সমষ্টিগত সালাতের ইঙ্গিত কোরআনেই আছে কিন্তু আমরা মানব জাতি, ইবলিশের প্ররোচনায় পড়ে, একান্তই না বুঝে নিজেদের মতো করে সালাতের বদলে নামাজ বানিয়ে নিয়েছি।

কিছু আয়াতে স্পষ্ট ইঙ্গিত আছে:
(ক) একসাথে রুকু করার নির্দেশ
“সালাত কায়েম করো, যাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।”
— (২:৪৩)
➡️ “ وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ”

বাংলা তরজমা:
“আর তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।”
বিশ্লেষণ : আর তোমরা সালাত কায়েম কর, এবং যাকাত আদায় কর।
এই দুটি আলাদা নির্দেশ সকল মানবজাতির জন্য ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োগ করা ফরজ।
* এবং রুকু কারীদের সাথে রুকু কর -
তাহলে রুকু কারী কারা?
আল্লাহ কুরআনে যা নির্দেশ দেয় তাতে সহজে বুঝা যায়, যারা কোরআন জেনেও বুঝে আল্লাহর প্রতি নত হয় তারাই রুকু করে।
অর্থাৎ সম্মিলিতভাবে কোরআন জেনেও বুঝে, পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে, আল্লাহর বিধানের প্রতি নত হওয়া।
এর মানে এই নয় যে, না বুঝে কোরআন থেকে কিছু অংশ পাঠ করে ইচ্ছেমতো নামাজে ব্রত হওয়া।

▶️ (খ) আবার অনেককে ভয়কালীন সালাতেও জামায়াতের বর্ণনা মনে করেন।
“যখন তুমি তাদের মধ্যে থাকো এবং তাদের জন্য সালাত কায়েম করো, তখন একদল তোমার সাথে দাঁড়াক…”
— (৪:১০২)
➡️ এখানে যুদ্ধ/ভয়ের অবস্থাতেও রসুলের সাথে দলবদ্ধভাবে সালাত করার পদ্ধতি বলা হয়েছে।
কিন্তু বলা হয়নি, সালাতিরা রসূলকে ইমাম বানিয়ে, প্রচলিত নামাজের মত পিছনের থেকে অনুসরণ করবে। বরং বলা হয়েছে তাদেরকে পাহারা দেয়ার জন্য পিছনে অস্ত্রসহ একদল দণ্ডায়মান থাকবে।
এর মানেই এই নয় যে, প্রচলিত রিচুয়াল নামাজ নিজেদের মনগড়া পদ্ধতিতে ইমামের পিছনে আদায় করবে। এটাই আমাদের সমাজের ভুল সালাত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি।

৪. মসজিদের ভূমিকা কোরআনে আছে কী?
কোরআনে “মসজিদ” শুধু ভবন না, বরং সমষ্টিগতভাবে আল্লাহর বিধান জানা বোঝা ও কার্যকর করার কেন্দ্র:
“আর এও যে, নিশ্চয়ই মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ডেকো না ” — (৭২:১৮)

* মসজিদ হল সিজদা করার স্থান। আর সিজদা করা হবে শুধু আল্লাহকে। অর্থাৎ আল্লাহর এই বিধান সম্পূর্ণ জেনে ও বুঝে, নিজেকে আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করার নাম সিজদা।
সিজদা মানে -মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে ঘষাঘষি করা নয়।
সুতরাং প্রচলিত রিচ্যুয়াল সিজদা, মানুষ না জেনে করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।। অর্থাৎ ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

“আল্লাহর মসজিদগুলো আবাদ করে তারাই যারা ঈমান আনে…” — (৯:১৮)

إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ إِلَّا اللَّهَ ۖ فَعَسَىٰ أُولَٰئِكَ أَنْ يَكُونُوا مِنَ الْمُهْتَدِينَ

বাংলা তরজমা:
“নিশ্চয়ই আল্লাহর মসজিদসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ করে তারা—
যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান আনে,
সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে
এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না।
আশা করা যায়, তারাই হেদায়েতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”

সংক্ষিপ্ত অর্থগত দিক
এখানে “يَعْمُرُ (ইয়া'মুরু)” শব্দটি এসেছে, যার অর্থ:
✔️ রক্ষণাবেক্ষণ করা / আবাদ করা।
✔️ সচল রাখা
✔️ জীবন্ত রাখা -

➡️ অর্থাৎ, মসজিদ শুধু নির্মাণ নয়—
বরং ঈমান, সালাত, যাকাত ও আল্লাহভীতির মাধ্যমে সেটিকে কার্যকর রাখা।
অর্থাৎ এক কথায়, কোরআন অধ্যায়ন ও গবেষণা করার মাধ্যমে আল্লাহর দিকে চাওয়া শিক্ষার প্রতিটি শিক্ষা ও কার্যক্রম মসজিদ থেকে পরিচালিত করার মাধ্যমে তার সচল রাখা।

৫. 👉 সুতরাং, কোরআনের প্রকৃত অনুসরণ হলো—
“কোরআন শেখা + ও সকল বিধান চালু রাখার জন্য সমষ্টিগত ভাবে জ্ঞান অর্জন করা এবং তার কার্যকরী করা।
০৬। অতি আশ্চর্যের বিষয় হলো, ২:৪৩ নং আয়াতসহ বিভিন্ন আয়াতে, সালাতের সাথে যাকাত আদায় করা এবং রূকুকারীদের সাথে রুকু করার জন্য আদেশ করেছেন।

“وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ”
বাংলা তরজমা:
“আর তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।”

এখানে পরিকল্পিতভাবে, যাকাত আদায়ের বিষয়টি নগণ্য মনে করে শুধু জামাতের নামাজ পড়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এটাই হল ভুল পদ্ধতি।

২. নক্ষত্র, বৃক্ষ ইত্যাদির “সিজদা/রুকু” —
কোরআনে বলা হয়েছে:
“নক্ষত্র ও বৃক্ষরাজি সিজদা করে।” — (৫৫:৬)
আরও বলা হয়েছে:
“আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে… সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, পর্বত, বৃক্ষ, জীবজন্তু—সবই আল্লাহকে সিজদা করে।” — (২২:১৮)

৩. এখানে তারা কি মানুষের মতো রুকু/সিজদা করে?
না—কোরআন নিজেই ব্যাখ্যা দেয়:
“প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সালাত ও তাসবীহ জানে।” — (২৪:৪১)
➡️ অর্থাৎ
🔹 মানুষের মানুষের ক্ষেত্রে সালাত ও তাসবিহ করার ধরন, তারা বানিয়ে নিয়েছে। কোরআন অনুসরণ করা হয়নি।

🔹 অন্য সৃষ্টির সালাত ও তাসবিহ করা ধরুন তারা বানিয়ে নেই বরং আল্লাহর নির্দেশ পালন করছে।
👉 সবাই আল্লাহর অধীন (submission), কিন্তু প্রকাশ ভিন্ন এবং তা হবে আল্লাহর সৃষ্টির উদ্দেশ্য লক্ষ্য করে কোরআন অনুসরণ করা।

৪. “সিজদা/রুকু” শব্দের মূল অর্থ কী?
আরবি “সুজুদ” (سجود) ও “রুকু” (ركوع) শব্দের মূল ধারণা হলো:
✔️ নত হওয়া
✔️ বিনয় প্রকাশ করা
✔️ সম্পূর্ণভাবে অধীন হওয়া।
( তবে তা অবশ্যই কোরআন জেনেও বুঝে)

৫. তাহলে পার্থক্যটা কীভাবে বুঝবো?
▶️ (ক) মানুষের ক্ষেত্রে
👉 শারীরিক + ইচ্ছাকৃত ইবাদত
✔️ দাঁড়ানো
✔️ রুকু
✔️ সিজদা
➡️ এগুলো আলাদা কোনো নির্দেশিত পদ্ধতি না।

▶️ (খ) প্রকৃতির ক্ষেত্রে (নক্ষত্র, গাছ)
👉 স্বাভাবিক নিয়মে আল্লাহর বিধানের অধীন থাকা
✔️ সূর্যের নিয়মিত চলা
✔️ গাছের বৃদ্ধি
✔️ মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা
➡️ এগুলোই তাদের “সিজদা” / “রুকু”
৬. গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
যদি বলা হয়—
“নক্ষত্র সিজদা করে, তাই মানুষের সিজদাও প্রতীকী”—
👉 তাহলে সমস্যা হয়, কারণ:
🔹 কোরআনে মানুষের জন্য নির্দিষ্ট আমল নির্দেশ করা হয়েছে, সালাত কায়েম ও যাকাত আদায় করা।
অথচ পরিকল্পিতভাবে, যাকাত আদায় করাকে নগণ্য মনে করে, শুধুমাত্র রিচুয়াল সালাত ও বানানো রুকু সিকদার মাধ্যমে নামাজের পদ্ধতি আবিষ্কার করা হল। যা কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।
সুতরাং আমরা বলতে পারি - কুরআন মানুষের জন্য হেদায়েতের গ্রন্থ হলেও অধিকাংশ মানুষ তা বুঝতে পারিনি এবং বুঝার চেষ্টাও করেনি। তাই মানুষ ভুলের মধ্যে বিরাজমান।

জাফর আহমেদ / কোরআন গবেষক।

22/04/2026

প্রশ্ন : ইবাদত করা ও দাসত্ব করার মধ্যে পার্থক্য কি?
প্রিয় মানব জাতি ,
সালামুন আলাইকুম।

وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَٰطِلَ كَانَ زَهُوق

اعبدوا
এই নির্দিষ্ট শব্দটি মানবজাতির প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে আহ্বান / বহুবচন আদেশ: “যেখানে এসেছে সেগুলো অত্যন্ত মৌলিক নির্দেশনা দেয়—আল্লাহর প্রতি পূর্ণ দাসত্ব (submission) ও শির্ক বর্জন।

বিষয়টি গভীরভাবে সকলের অনুধাবনের জন্য নিচে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আয়াত তুলে ধরা হলো, যেখানে “وَاعْبُدُوا” ব্যবহার হয়েছে এবং “দাসত্ব/পূর্ণ আনুগত্য” স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে:

🔹 ১. সূরা আল-বাকারা ২:২১
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ
“হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের দাসত্ব/ইবাদত করো…”
👉 এখানে “اعبدوا” = পুরো মানবজাতির জন্য আহ্বান
👉 শুধু রিচুয়াল নয়, বরং জীবনের পূর্ণ আনুগত্য বুঝানো হয়েছে। শুধুমাত্র ইবাদত নয়।

অথচ বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ, এখানেই ভুল বুঝে দাসত্বকে ইবাদতে রূপ দিয়ে, একান্ত না বুঝেই ইবাদত করতে থাকে সেই ইবাদতের মাধ্যমে জান্নাত লাভের আশা করে।

আরেকটি দিক হলো - ইবাদতের মধ্যে আমরা কখনো কখনো শির্ক করে বসি। যেমন মনে করি, আমাদের নবী এভাবেই ইবাদত করে গেছেন। অথচ কুরআনের দলিলের ভিত্তিতে তিনি সেই এবাদত করেন নাই।
তার মানে হল - আমাদের দাসত্বকে আমরা না বুঝে নবীর নামে মিথ্যাচার করছি।
আমরাও শির্কে লিপ্ত হচ্ছি।

🔹 ২. সূরা আন-নিসা ৪:৩৬
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا
“তোমরা আল্লাহর দাসত্ব করো এবং তাঁর সাথে কাউকে শরিক করো না” ।

👉 এখানে স্পষ্ট:
দাসত্ব = একমাত্র আল্লাহর জন্য, এর বিপরীত = শির্ক
🔹 ৩. সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫১
ذَٰلِكُمْ وَصَّاكُم بِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ … وَاعْبُدُوا اللَّهَ
(প্রসঙ্গের মধ্যে) “...এবং তোমরা আল্লাহর দাসত্ব করো…”
👉 এই আয়াতে একাধিক মৌলিক নৈতিক বিধানের সাথে
👉 “দাসত্ব”কে যুক্ত করা হয়েছে = নৈতিক জীবন + আনুগত্য ।
🔹 ৪. সূরা আল-হাজ্জ ২২:৭৭
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا … وَاعْبُدُوا رَبَّكُمْ
“হে মুমিনগণ! … তোমরা তোমাদের রবের দাসত্ব করো…”
👉 এখানে: রুকু, সিজদা, সৎকাজ—সবকিছুর সাথে“দাসত্ব” যুক্ত = সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা ।

🔹 ৫. সূরা আল-আনকাবুত ২৯:৫৬
يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ آمَنُوا … فَإِيَّايَ فَاعْبُدُونِ
“হে আমার বান্দাগণ যারা ঈমান এনেছে… তোমরা শুধু আমারই দাসত্ব করো।”
👉 যদিও এখানে “فَاعْبُدُونِ” (একই ধাতু) এসেছে,
👉 অর্থ একই: একনিষ্ঠ দাসত্ব (exclusive submission)

গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
✔️ “وَاعْبُدُوا” যেখানেই এসেছে: সব জায়গায় একত্ববাদ (তাওহীদ) জোরালো
“শির্ক করো না”— প্রায় সাথে সাথেই এসেছে
শুধুমাত্র রিচুয়াল নয়, বরং পূর্ণ জীবন পরিচালনা বোঝানো হয়েছে।
🔸 উপসংহার
👉 “وَاعْبُدُوا” =
“তোমরা আল্লাহর সম্পূর্ণ দাসত্ব গ্রহণ করো”
এটি কখনোই শুধু:
নামাজ পড়া
বা নির্দিষ্ট কিছু ইবাদত
এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
বরং: ✔️ বিশ্বাস
✔️ আইন মানা
✔️ নৈতিকতা
✔️ সমাজিক আচরণ
👉 সবকিছু মিলিয়ে পূর্ণ আত্মসমর্পণ (total submission)
অতএব, সকল মানবজাতির জন্য আমার পক্ষ থেকে নিবেদন এই যে আল্লাহ আমাদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছেন, আদেশ করেছেন তা আমাদের সকলের জন্য আলাদা আলাদা পালন পালন করার নিমিত্তে প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে জামায়াতে ইবাদাত করার কোন কথাই আসেনি। অথচ আমরা মানব জাতি, জামাতে ইবাদত করার গুরুত্বটি অগ্রাধিকার দিয়ে, দাসত্বের গুরুত্বকে ইবাদতের গুরুত্বের মাধ্যমে পরিবর্তন করে দিলাম। এরই মাধ্যমে, ইবলিশ শয়তান যেভাবে আমাদেরকে শির্ক করতে বাধ্য করলেন তা নিত্যান্ত আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধে সুকৌশলী পদ্ধতি।
বিষয়টি সকলকে গভীরভাবে গবেষণার জন্য আহ্বান করছি।

জাফর আহমেদে / কোরআন গবেষক।

21/04/2026

প্রচলিত রিচুয়াল সালাতে / নামাজ আমরা যা পড়ি, তাতে কি কুরআনের দলিল ভিত্তিক সালাতের পরিপূর্ণতা লাভ করে?

প্রশ্নকে দু’ভাগে দেখা দরকার:
১) প্রচলিত নামাজে (রিচুয়াল সালাত) কুরআন থেকে কী কী পড়া হয়।
২) এগুলো পড়লে কুরআনের নির্দেশিত “সালাত” পূর্ণ হয় কি না।

আমি কেবল কুরআনের দলিল ভিত্তিতে বিশ্লেষণ দিচ্ছি।
১) প্রচলিত নামাজে কুরআন থেকে কী পড়া হয়?
সাধারণত মুসলিমদের প্রচলিত নামাজে কুরআন থেকে প্রধানত পড়া হয়:

✔️ (ক) সূরা আল-ফাতিহা, প্রতিটি রাকাতে পড়া হয়।

👉 দলিল (কুরআন): সূরা আল-হিজর ১৫:৮৭
“আমি তোমাকে দিয়েছি সাতটি পুনরাবৃত্তি এবং মহান কুরআন।”

এখানে “সাতটি পুনরাবৃত্ত” বলতে অধিকাংশই সূরা ফাতিহাকে বোঝে—যা নামাজে বারবার পড়া হয়।

✔️ (খ) কুরআনের অন্য অংশ (যে কোনো সূরা/আয়াত) ফাতিহার পরে অন্য আয়াত/সূরা পড়া হয়।

কিন্তু আয়াতের বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, প্রচলিত ধারণা ভুল। কারণ, "আমরা তোমাকে দিয়েছি সাতটি পুনেরাবৃত্তি এবং মহান কোরআন।

তাহলে মহান কোরআনের মধ্যে তো সূরা ফাতিহা আছে। সেটা তো আলাদা করে হতে পারে না?

সুতরাং সাতটি পুনরাবৃত্তি বলতে আল্লাহ ভিন্ন কিছু বুঝিয়েছেন। হতে পারে,
ক) জান্নাত জাহান্নাম
খ) চন্দ্র সূর্য
গ) সত্য মিথ্যা
ঘ) অন্যায় ও ন্যায়।
ঙ) দুনিয়া ও আখিরাত ইত্যাদি যা তিনি রসূলকে আলাদাভাবে শিক্ষা দিয়েছেন।

👉 দলিল: সূরা আল-মুযযাম্মিল ৭৩:২০
“কুরআন থেকে যতটুকু সহজ, তা পাঠ করো।”

নামাজে কুরআন তিলাওয়াত করার সাধারণ ভিত্তি এখান থেকে আসে।
❗ কিন্তু নামাজের অনেক অংশ কুরআন থেকে নয়
যেমন:
তাশাহহুদ
দরুদ
“সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম”, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা” ইত্যাদি
এগুলো কুরআনের আয়াত নয়।

সুতরাং কোরআন থেকে নয় তা সালাতে যুক্ত হল কিভাবে?
রসুল কি নিজে নিজে বানিয়ে এভাবেই সালাত পড়েছেন?
রসুলের পূর্বে যে সকল নবী ও রসূল ছিলেন তারা কি এই শিক্ষা পেয়েছেন?

২) এগুলো পড়লে কি কুরআনের সালাত পূর্ণ হয়?
এখানেই মূল বিষয়।
✔️ কুরআনে “সালাত” শুধু তিলাওয়াত নয়
(১) সালাত = আল্লাহকে স্মরণ (ذِكْر)

সূরা ত্বা-হা ২০:১৪
“আমাকে স্মরণ করার জন্য সালাত কায়েম করো।”

মূল উদ্দেশ্য: আল্লাহর স্মরণ (যিকর) অর্থাৎ সম্পূর্ণ কোরআন জেনে অবুঝে আল্লাহকে স্মরণ করা।

(২) সালাত = সচেতনতা ও বুঝে করা
সূরা আন-নিসা ৪:৪৩
“তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালাতের নিকটবর্তী হয়ো না, যতক্ষণ না বুঝতে পারো যা বলছো।”
শর্ত:
👉 যা পড়ছো তা বোঝা জরুরি।।

অথচ আমাদের তথাকথিত আলেমসমাজ, নিজেরা বানিয়ে ফতোয়া দিচ্ছে, জোহর ও আসরের রিচুয়াল সালাতের, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে ইমাম সাহেব আস্তে আস্তে শুধুমাত্র সূরা আল ফাতিহা তেলাওয়াত করেন।
আর তখনো নাকি মুসল্লিরা, নিজেরা না পড়লেও সালাত হয়ে যাবে।

এর চেয়ে গাঁজাখুরি সুকল্পিত পরিকল্পনা আর কি হতে পারে যা মানুষকে ধ্বংস করছে?

(৩) সালাত অশ্লীলতা ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে
সূরা আল-আনকাবুত ২৯:৪৫
“সালাত অশ্লীলতা ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে…”
অর্থাৎ: 👉 সালাতের বাস্তব প্রভাব থাকতে হবে জীবনে।

সুতরাং প্রচলিত রিচ্যুয়াল নামাজে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার মতো কোনো সম্ভাবনা আছে কি?
তাছাড়া - ১৯: ৫৯ নং আয়াতে স্পষ্ট বলা হল, নবী-রাসূলগণের পরবর্তী প্রজন্মের ব্যক্তিরা সালাত নষ্ট করল।

(৪) সালাতে বিনয় ও মনোযোগ জরুরি
সূরা আল-মুমিনুন ২৩:১-২
“মুমিনরা সফল, যারা তাদের সালাতে বিনয়ী (খুশু’)।”

* তাহলে বিশ্লেষণ কী দাঁড়ায়?
✔️ প্রচলিত নামাজে:
কুরআনের কিছু অংশ (ফাতিহা + অন্যান্য সূরা) পড়া হয় ✔️
কিন্তু অনেক অংশ কুরআনের নয় ❗
✔️ কুরআনের দৃষ্টিতে পূর্ণ সালাত হতে হলে:
শুধু তিলাওয়াত যথেষ্ট নয়, বরং—
অন্তরের উপস্থিতি (খুশু’) থাকতে হবে।
যা পড়া হচ্ছে তা বোঝা জরুরি।
আল্লাহর স্মরণ থাকতে হবে।
আচরণে প্রভাব পড়তে হবে
⚖️ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (কুরআনের ভিত্তিতে)

21/04/2026

০১। ঈমান (ইমান) কি শুধু মুখে বলা, নাকি অন্তরের গভীর অনুধাবন?

এই দুটির মধ্যে কোনটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?

***কুরআন উভয়কেই জরুরি বলেছে, তবে আসল ভিত্তি হচ্ছে অন্তরের সত্যিকারের বিশ্বাস ও অনুধাবন। শুধু মুখের উচ্চারণ যথেষ্ট নয়।

এখন কুরআনের দলিল দেখে বুঝি—
১. শুধু মুখে বলা যথেষ্ট নয়
সূরা আল-বাকারা ২:৮
“ মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা বলে বলে, ‘আমরা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান এনেছি’, অথচ তারা ঈমানদার নয়।”

👉 এখানে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, মুখে ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই ঈমান হয় না, যদি অন্তরে তা না থাকে।
২. অন্তরের বিশ্বাসই আসল
সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১৪
“ মরুবাশীরা (বেদুঈনরা) বলল, ‘আমরা ঈমান এনেছি।’ বলুন, ‘তোমরা ঈমান আনোনি; বরং বল, আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি। কারণ ঈমান এখনো তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি।’”
আর যদি তোমরা আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য করো তবে তোমাদের কর্মফল সামান্য পরিমাণও রাগ করা হবে না।
👉 এখানে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন:
মুখে বলা ≠ প্রকৃত ঈমান
ঈমান তখনই পূর্ণ, যখন তা ‘অন্তরে প্রবেশ’ করে।

৩. অন্তরের অবস্থাই মূল বিবেচ্য
সূরা আন-নাহল ১৬:১০৬
“যে ব্যক্তি ঈমান আনার পর কুফরি করে… কিন্তু যার অন্তর ঈমানে প্রশান্ত, (তার উপর দোষ নেই)...”
তবে যে অমান্য করার ব্যাপারে তার সদর উন্মুক্ত রাখে তার উপর রয়েছে আল্লাহর ক্রোধ।

👉 এই আয়াতে দেখা যাচ্ছে:
অন্তরের ঈমানই আসল মানদণ্ড, এমনকি চাপে পড়ে মুখে কিছু বললেও।

৪. ঈমান = অন্তর + মুখ + কর্ম (সমন্বয়)

সূরা আল-বাকারা ২:১৭৭
“সৎকর্ম শুধু পূর্ব-পশ্চিমে মুখ ফেরানো নয়; বরং সৎকর্ম হচ্ছে—যে ব্যক্তি আল্লাহতে ঈমান আনে… এবং সম্পদ ব্যয় করে…”

👉 এখানে বোঝা যায়:
ঈমান শুধু বিশ্বাস নয়, তার প্রভাব আচরণেও প্রকাশ পায়।

সারসংক্ষেপ
কুরআনের আলোকে:
শুধু মুখে “আল্লাহ” বলা বা “আমি ঈমান এনেছি” বলা → যথেষ্ট নয়
আসল ঈমান → অন্তরের গভীর বিশ্বাস ও অনুধাবন
পূর্ণ ঈমান → অন্তর + মুখের স্বীকৃতি + বাস্তব কাজ
চূড়ান্ত কথা
👉 আল্লাহ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন অন্তরের সত্যিকারের ঈমান (অনুধাবন ও বিশ্বাস)-কে।
👉 মুখে বলা তার প্রকাশ, কিন্তু ভিত্তি নয়—প্রকাশ মাত্র।

19/04/2026

সিজদা কি? WHAT IS CALLED SIZDAH? HOW TO PERFORM IT?

18/04/2026
13/04/2026

37TH EPISOD , SURAH AL BAQARAH , 02 OF 265 TO 270

12/04/2026

মৃত্যুরা কি ইসলামের কোন বিধান দিতে পারে?

11/04/2026

-: তাগুতের আকিদা :-

তাগুতের আকিদা কে বানিয়েছে যারা ইসলামের নীতি,
ধর্ম পূজা করছে যারা, জানে না তারা, করছে কত ক্ষতি!
স্বদেশ কিংবা বিশ্বজুড়ে, করছে পালন ভিন্ন ভিন্ন রীতি নীতি,
মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন সকল মানব জাতির জন্য একই নীতি।।

রুকু-সিজদার নামে তারা, নুয়ে -শুয়ে মাটিতে কপাল ঠেকায়,
তাগুতেরা যেমনি ভাবে ষষ্ঠ অঙ্গে ভর করে মাটি ঠেকায় নাকের ডগায়।
বোঝার চেষ্টা করছে না যারা, ফেরেশতারা আদমকে কিভাবে সিজদা করলো?
তারা কি আদমের পায়ে লুটিয়ে পরলো, নাকি আদমকে মেনে নিয়ে সম্মান করলো?

এজাতী অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে, তাগুতের অনুসরণে তাদের মনে তালা ঝুলছে,
অন্ধ অনুসারীরা সকলেই মিলে তাদের কিছু ছুটছে।
এমনই এক সংকটকালে, আমরা যখন কোরআনের সত্য বলি,
তাগুতের দল ধিক্কার দিয়া বলে, আমরা কোথাকার
আলেম অলি?

নামাজের নামে ভিন্ন আকিদা বানিয়ে তারা, অন্ধ অনুসরণ করে যাচ্ছে,
বুঝতে চাইনি কখনো তারা, নামাজের মধ্যে কুরআনের আকিদা কিবা আছে?
মসজিদ বানিয়ে ব্যবহার করছে মন্দির কিংবা গির্জার মত,
কুরআন বুঝে, সালাত না করে, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলছে জান্নাতে যাবে অবিরত।

তাগুত মুফতিরা ধর্মের নামে ফতোয়া দিয়ে ব্যবসা করে,
মাদ্রাসা খুলে মুফতি বানায়, কুরআন অনুসরণ করে নারে,
তারা কি জানে? আল্লাহ ছাড়া এই দুনিয়ায় কেউ মুফতি নাই রে,
কোরআনের ফতুয়া ছাড়া অন্য কোন ফতোয়া নাই যে। ৪:১২৭,১৭৬

তাগুতের মিথ্যা আশ্বাসে ভর করে করছে ওয়াজ নসিহত,
লোকেরা টাকা দিয়ে কিনছে তাদের ভাগ্যে তবিয়ত।
স্পষ্ট কবিরা গুনায় লিপ্ত হচ্ছে ক্রেতা- বিক্রেতা, ৪:১১৯
জাহান্নাম অপেক্ষা করছে , করতে তাদের আতিথিয়তা।

তাগুতের মিথ্যা আশ্বাসে, তাসবী গুনে, যিকির করে জান্নাত খুঁজে,
কোরআন অন্ধ জাহিল জাতি, আল্লাহর যিকির কি তাও জানো নারে।
তাগুতের কলমা পড়িয়ে মিথ্যা মিথ্যা মুসলিম বানায়,
কোরআন না বুঝে, বানানো কালিমা দিয়ে কি আর মুসলিম হওয়া যায়?

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে যাহা আছে, সবই তো দেখি তাগুতের দখলে,
কোরআন বহির্ভূত সিরাত গ্রন্থ লিখে বলে, অনুসরণ কর সকলে।
নবী ও রসূলের নামকরণ করে সাজিয়েছে মিথ্যা কথার ঝুলি,
অসার গল্প সাজিয়ে লিখেছে হাদিসের গ্রন্থাবলী।

কোরআনের সাথে বিভেদ হবে না সারা দুনিয়ার কোন কালে,
কুরআনের আয়াতে খুঁত-খুঁজে প্রশ্ন করে সকল মূর্খ্য তাগুতের মিলে,
আল্লাহ শুধু মু'মিনদের অভিভাবক তাগুতের অভিভাবক নয়,
তাগুদ শয়তানরা বেইমান দের অভিভাবক, কোরআন তা সাক্ষ্য দেয়।

জাফর আহমেদ / কোরআন গবেষক।

Address

#3, Level 3, Premier Plaza, North Badda
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Risalat Research Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share