Muslim Light kundalini Research center

Muslim Light kundalini Research center Im sufi spiritual master and all kundalini master.

and Im a teacher of self introspection. যদি পরম আত্মা দর্শন ও মুল আল্লাহ দর্শন করতে চান? তাহলে মুসলিম আলোর জগতের কুন্ডলী লতিফা চক্র প্রবেশ করতে হবে

প্রতিটি মানুষ তিনি  কুন্ডলিনি সাধনা করার আগে ভাল একজন সঠিক  গুরু হতে জেনে নিতে হয়,  তার জন্ম কুন্ডলিনি ঘর কোনটি এবং তার ...
08/05/2026

প্রতিটি মানুষ তিনি কুন্ডলিনি সাধনা করার আগে ভাল একজন সঠিক গুরু হতে জেনে নিতে হয়, তার জন্ম কুন্ডলিনি ঘর কোনটি এবং তার মিউচুয়াল কুন্ডলিনি ঘর কোনটি এই সকল বিষয় জেনে কুন্ডলিনি সাধনা করতে হয়।

মুল কথা হলো আধ্যাত্মিক জগতের নিয়ম হলো একজন মানব মানবী তার তার জন্ম কুন্ডলিনি কোন ইষ্ঠ দেবী বা ইষ্ট দেবতা কে কার ঘর হতে তার জন্ম কুন্ডলিনি কুষ্টি সৃষ্টি হয়ে তৈরি হয়ে মানব মানবী রুপে এসেছে। এই সকল বিষয় জেনে তার পরে কুন্ডলিনি সাধনা করতে হয়।

মুসলিম জাতির ভিতরে একটি প্রস্ন কাজ করবে ইষ্ট দেবী বা দেবতা জন্ম ঘর কারন কি অর্থাৎ জন্ম ঘর অনুযায়ী সহয়তা কারি জীব জোনার মাদার কালি জীন পরী এদের সহয়তা কারি উপ দেব দেবী বলা হয় । ইষ্ট দেবতা দেবী কে বলা হয় উপ দেব দেবী বা মুসলিম জাতির মাদার হতে পারে বা শুভ ফেরেস্তা হতে পারে মুসলিম জাতির নিজেস্ব কালি সেও হতে পারে জীন পরী সেও হতে পারে। বা আধ্যাত্মিক সাধনায় পথপ্রদর্শক হিসেবে গণ্য হন , অনেক সময় ভাল জীন পরী মাদার আধ্যাত্মিক সুফি সাধনার পথে সহয়তা কারি হিসেবে হতে পারে।
আধ্যাত্মিক সহয়তা কারি জীব জোনার কে সনাতনধর্মে ইষ্ট দেব দেবী বলা হয়। সাধারণত দেবী দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী বা সরস্বতীর কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা মাদার হতে পারে ফেরেস্তা হতে পারে তিনি আপনার উপ ইষ্ট দেবী বা দেবতা হতে পারেন। প্রতিটি মানুষদের তার জন্ম ঘর অনুযায়ী কালি মাদার জীন পরী থাকে যা আপনারা যানেন না খালি চোখে দেখেন না।

★এখন দেখা গেল একজন মানবী তার জন্ম হয়েছে আলোর জগতে সে সাধনা করল ভৈরবী কালি সাধনা তাহলে হবে না। এর পরে আপনি ছোট শীবের মহাকালী কালি কুন্ডলিনি করলে সঠিক পথ জানতে পারবেন না কখনো। কারন আপনি যদি কোন ভাবে অদৃশ্য বার্তা লাভ করেন আপনাকে এই দেবী তাদের মত করে সত্য বলবে। তাদের ঘরের বাহিরে কোন মুল সত্য আপনাকে জানতে দিতে দিবে না ।

ধরুন একজন ছেলে বা মেয়ে তার জন্ম কুন্ডলিনি ইষ্ট দেবী ঘর চন্ডি দূর্গা ঘর এখন সে যদি চন্ডি দূর্গা সাধানা করে লাভ হবে না। চন্ডি দূর্গা আছে অসংখ্য প্রকার, উদাহরণ ছোট শীবের ছোট চন্ডি দূর্গা দুই ধরনের আছে। এর পরে আছে উর্গ চন্ডি দূর্গা, মঙ্গলা চন্ডি আছে। মহা সরস্বতী দেবী কখনো চন্ডি দূর্গা না।

সনাতনধর্ম সঠিক কুন্ডলিনি সাধনার গুরু নাই। এরা এমনি অনুমান পথ চলে। তার পরে কেও কুন্ডলিনি করে কে কোন ঘররে চক্করে পরে ফাঁদে পারে অন্য লাইনে যায় বুঝে না। এই কারনে দেখেন অনেক ছেলে মেয়ে পাগল পাগলি বিভিন্ন উর্গ আচরণ করে।

আমি বিভিন্ন কুন্ডলিনি সাধনার ঘর ধরন দেবীর নাম বলছি।

(১) ছোট দূর্গা দেবী কুন্ডলিনি, এই দেবী কুন্ডলিনি দুই অক্ষ ঘরের বিকশিত ঘর ১০ শতাংশ করতে পারবে । এই কুন্ডলিনি মুসলিম জাতি করেন ইহুদি জাতি করেন এবং সনাতনধর্ম করেন।

(২) ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি পথ এই কুন্ডলিনি করলে পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত পরে কস্ট বেশি হয়। এই কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি করেন বৌদ্ধ মতাদর্শে জৈন মতাদর্শ, নাথ সম্প্রদায়ের করেন মুসলিম জাতির ভিতরে করেনে। খ্রিস্টান মতাদর্শ করেন আরো বিভিন্ন মতাদর্শ করেন। এই কুন্ডলিনি দেবী বিনা দাওয়াত চলে যায় সাধনা করলে আহবান করলে। এই দেবীর কুন্ডলিনি করে শীব দর্শন হয় না। এটাও দু অক্ষের ঘরে এই দেবী কুন্ডলিনি করলে তাম্র চন্দ্র রুপ দর্শন হয়। এই দেবী কুন্ডলিনি করে আত্মা মুক্তি সমাধান হবে না ।

(৩) ছোট কালো শীবের মহাকালী কুন্ডলিনি দুই প্রকার আছে অসুর দেবী বলা হয় মুলত । ছোট আর একটু বড় মিলে আছে। একটু বড় দেবী যিনি তিনি চক্র একটিভ করতে পারে পোনে দুই চক্র করতে পারবে কিন্তুু জীবন তছনছ হবে। এই দেবী কুন্ডলিনি করে সাধক সাধিকা তার আত্মা মুক্তি হবে কি না তার বিধান দেবী কখনো দিতে পারবে না। এই দেবী বিভিন্ন ধর্মে যায় মুসলিম খ্রিস্টান ইহুদি বৌদ্ধ সোহ বিভিন্ন জাইগা যায়। এই দেবি তিনিও বিনা দাওয়াত চলে আসে আহবান করলে। এই কুন্ডলিনি জাগ্রত হলে দেহে প্রচন্ডভাবে জালাপোরা করবে।

(৪) শৈব ধারা ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি, এই কুন্ডলিনি করে মুল লাইনে শীব দর্শন হয়। চক্র একটিভ করা যায় দের চক্র একটিভ করতে পারেবে। তিনি আত্মা বিধান দিতে পারবে পূর্ণ জন্ম দিয়ে সহয়তা করে। এই কুন্ডলিনি করলে দেহে ছাই মাখতে হয়।

(৫) মহাবিষ্ণুর হালকা সংযোজিত আমার নিজেস্ব হালকা কালো রঙের ফ্রেশ ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি এই কুন্ডলিমি সনাতনধর্ম এবং মুসলিম জাতির ভিতর কেও চাইলে করতে পারবে। এই কুন্ডলিনি মুলত শীব দর্শন হয় ঝামেলা কম হবে। ছাই মাখতে হবে না। এই দেবী কুন্ডলিনি করে দের চক্র একটিভ করতে পারবে। এই দেবি আত্মা বিধান অনুযায়ী দিতে পারবে পূর্ণ জন্ম দিতে সহয়তা করতে পারবে।

উপরের বর্নিত কুন্ডলিনি কেও চেষ্টা করলে করতে পারবে।
প্রেম দিয়ে চেষ্টা করে

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রধান মহাকালি কুন্ডলিনি সয়ং মুল মেইন শীব যিনি মানব অবতার রুপে আসবেন তিনি করেন এই কুন্ডলিনি।
------------------------------------------------------------------------------------
**************************************************

মুসলিম জাতির নিজেস্ব, ইব্রাহিম আঃ নিজেস্ব আলোর জগতের কুন্ডলিনি পথ আছে । চক্র একটিভ করা যায় হিলিং করা যায় পূর্ণ আলোর জগতের।

(৬) মহাবিষ্ণুর আলোর ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি যোগ্যতম তারাই করতে পারবে যাদের জন্ম কুন্ডলিনি ঘর ভাল হয়। এই কুন্ডলিনি মুসলিম জাতির ভিতরে বিশেষ জন্ম কুন্ডলিনি যোগ্যতা দেখে করতে পারবে এবং ইহদি জাতি করতে পারবে যোগ্যতা দেখে এবং সনাতনধর্ম ১০ পারসেন্ট করতে পারবে ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় এরা করতে পারবে শুধু যার জন্ম কুন্ডলিনি দেখে যোগ্যতা দেখে । সনাতনধর্মে বিশেষ ছার যাদের জন্ম কুন্ডলিনি ভাল হলে করতে পারবে।

(৭) মহাবিষ্ণুর মহাসরস্বতী দেবী কুন্ডলিনি বিশিষ্ট উচ্চতর শ্রেণীর নারী করতে পারবে মাত্র ৮ জন আমার সময়ে । সনাতনধর্ম এনং মুসলিম জাতির ভিতরে করতে পারবে। কখনো কোন পুরুষ এই কুন্ডলিনি করতে পারবে না



মহাবিষ্ণু রায়েদ

দাজ্জাল দুই প্রকার একটি যিনি অসুর কালি কুন্ডলিনি করবেন আলোর জগত অস্বীকার করবেন তিনি মুল মেইন দাজ্জাল। আরেক জন যে শরিয়তের...
06/05/2026

দাজ্জাল দুই প্রকার একটি যিনি অসুর কালি কুন্ডলিনি করবেন আলোর জগত অস্বীকার করবেন তিনি মুল মেইন দাজ্জাল। আরেক জন যে শরিয়তের আলেম মুফতি এলমে তাসাউফ মারেফাত জ্ঞান কে অস্বীকার করল সেও দাজ্জাল, হিসাব মতে এই দজ্জাল খারাপ বেশি।

দাজ্জাল কে? এটা জানতে আপনাকে সেই মহাভারতে একটি গল্পে যেতে হবে। দাজ্জাল তিনি মুলত কলিপুরুষ তাকে বলা হয়।
দাজ্জাল তিনি অন্ধকার জগতের আর শ্রী কৃষ্ণ তিনি ছিলেন সূর্য ধারায়। দাজ্জাল বা কলিপুরুষ তিনি কখনো সূর্য ধারা আলোর জগত সে মানে না এবং শ্রী কৃষ্ণ তথা সৌরজগতের আলোর সে মানে না সে বিষ্ণু ধারা আলোর ধারা মানতে পারে না । মহাভারতে কৃষ্ণ তিনি অশ্বত্থামার একটি চোখ অন্ধ করে দিয়েছিল। এই অশ্বত্থামা হলেন তিনি দাজ্জাল হয়ে আসবেন এবং কলিপুরুষ হয়ে তিনি প্রভাবিত করবেন। অশ্বথামা মুতল এক প্রজাতির ভৈরব সাধক ছিল এক অংশ শীবের অংশ ছিল। এই ভৈরব তার তৃতীয় নয়ন একটি চোখ ছিল সেটা কৃষ্ণ নস্ট করে দিয়েছে। এই ভৈরব আমার নিকট
এসে বলেছিল তার তৃতীয় নয়ন চোখ ঠিক করে দিতে আমি সেটা দেই নাই।

দাজ্জাল তিনি হবে কাল ভৈরব সাধক আর কাল ভৈরব অসংখ্য প্রকার । এর মাঝে একটি রুপ ছিল অশ্বত্থামা তিনি। কাল ভৈরব এর ভিতরে যার তিনটি চোখ ছিল সেই কলিপুরুষ এবং দাজ্জাল।

এই গল্পটি ১৪০০ বছর আগে রুপোক ভাবে কলিপুরুষ কে দাজ্জাল নামে পরিচিত করেছেন। দাজ্জাল ইহুদি ধর্মে আসলে তাকে মানতে পারবেন না, এই কারনে দাজ্জাল ইহুদি ধর্মে তার আসার সম্ভবনা নাই । কারন ইহুদি জাতির এরা আলোর জগত বিশ্বাসী। ইহুদি এরা আধ্যাত্মিক জগতে ঘাটাঘাটি করে বেশি এবং অদৃশ্য বার্তা শুনার চেষ্টা করে। দাজ্জাল তিনি খ্রিস্টান ধর্মে আাসার সম্ভবনা বেশি। অথবা মুসলিম জাতির ভিতরে পূর্ণ জন্ম নিলেও সুবিধা করতে পারবে না অথবা দ্রজ ধর্মে অথবা ইয়াজিদ ধর্মে আসতে পারে আমি মুল সত্য বলব না কোন ধর্মে আসবে।

দাজ্জাল তার সবচে বড় কৌশল করবে তিনি নিজেকে কৌশলে ঈশা নবী দাবি করবে এটা ১০০ ভাগ সত্য। যেহেতু তিনি কাল ভৈরব কাল পুরুষ তার অনেক শক্তি থাকবে। তার চক্র একটিভ থাকতে পারে সে তার হাতের অলৌকিক শক্তি দেখাবে বেশি। এবং তিনি নিজেকে প্রফেট নবী দাবি করবে। মাথায় নিবেন দাজ্জাল সে শুধু আলোর জগতের ধারার বিরুদ্ধে করবে । কিন্তুু তার লাখ লাখ অনুসারী হবে।

মুল ঈশা নবী তিনি মুসলিম জাতির ভিতরে এসে কাজ করতে পারবেন না তেমন। কারন তিনি মুল আলোর জগতের না। তিনি জাগতিক সামাজিক রীতি অনুযায়ী জীবন চলতে পারেন না কারন তার মুল কুন্ডলিনি বৈশিষ্ট্যর কারনে । আলোর জগতের সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন ইব্রাহিম আঃ।

ঈমাম মাহদি তিনি ইরান বা আফগানিস্তানে সিমান্ত লাগোয়া এলকায় জন্ম নিবেন। সময় কাল বলব না খুব দ্রত। ঈমাম মাহদি আসলে মুসলিম ধর্মের আয়ুকাল শেষ। এবং পূর্বের ঈমান আকিদা বাতিল হয়ে যাবে।

দাজ্জাল অনেক জন আছেন।
এর ভিতরে একজন মেইন যিনি আসলে দাজ্জাল তিনি নিজেকে নবী দাবি করেছেন প্রফেট কাকান্দে নেটে সার্স দিন। আরেকজন আছেন প্রফেট স্যামুয়েল। তিনিও নবী দাবি করেছে এরা অসুর কালি কুন্ডলিনি করেছেন
-----------------------------------------------------------------------------------

হযরত ওমার হতে বর্নিত, তিনি বলেছেন উম্মাতের জন্য আমি মুনাফিক আলেমদের সর্বাধিক ভয় করছি জিজ্ঞাসা করা হলো মুনাফিক আলেম হয় কি ভাবে? রাসুল বলেন যে আলিম যার ইলম আত্মসন্মান লাভে ও লোক দেখানোর উদ্দেশ্য মুখে মুখে প্রকাশ পায়, যার কলবে বা আন্তকরনে ইলমে মারেফাত এবং আমল থেকে শুন্য সেই মুনাফেক আলিম। হাদিস নং ২৯৪০৮
★ হযরত আনাস হতে বর্নিত তিনি বলেন রাসুল সাঃ ইরশাদ করেছেন, খারাপ আলিমগনের কারনে আমার উম্মতের ধংশ। তারা এ ইলেমকে ব্যবসার বাহন গ্রহন করে, তাদের নিজেদের লাভের জন্য। হাদিস নং ৭১৫৪
★ হযরত ওমার ইবনুল খাত্তাব হতে বর্নিত, রাসুল সাঃ বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য আমি প্রত্যক মুখের মুনাফিক আলীমদের( যারা মুখে মুখে পন্ডিত কিন্তু খোদাভীতি নেই তাদের সর্বধিক ভয় করছি। হাদিস নং ১৪৩
★ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস হতে বর্নিত, তিনি বলেন রাসুল পাক সাঃ বলেছেন নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের নিকট থেকে ইলেম হঠাৎ করে উঠিয়া নিবেন না। বরং আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার মাধ্যমে ইলেম উঠিয়ে নিবেন। এমনকি যখন কোন আলিমকে অবশিষ্ট রাখবেন না তখন লোকেরা অজ্ঞদের কে নেতা হিসেবে গ্রহন করবে। এবং তাদের কে মাসলা মাসায়েল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা সেই বিষয়াদি না জেনেই সমাধান দিয়ে দিবে, ফলে সাধারন মানুষ গোমরাহ হয়ে যাবে। বোখারী হাদিস নং ১০০
★ প্রকৃত আলীম যিনি হবেন তিনি সকল প্রকার নাফসানিয়াতের উপরে নিয়ন্ত্রন করে হীন কাজ হতে তিনি মুক্ত এবং নুরের তাজাল্লীতে আলোকিত হবেন, দুনিয়া ও ঐশ্বর্যের সকল মোহ হতে মুক্ত আন্তরচোখ খোলা হবে এবং জাত সেফাতের গুনে গুনাননিত হবে, এবং সয়ং রাসুল পাক সাঃ হতে সকল বিষয়ে ইজাজত প্রাপ্ত জ্ঞানি হবে সকল শরিয়ত ও মারেফাত বিষয়ের উপরে তিনি হবেন আলেম
★ সূরা ফাতির:২৮ - অনুরূপ ভাবে বিভিন্ন বর্ণের মানুষ, জন্তু, চতুস্পদ প্রাণী রয়েছে। আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীরাই কেবল তাঁকে ভয় করে। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাময়।

★আপনার সবাই দাজ্জাল খুজে চলছেন অথচ এই দাজ্জাল বিষয়ে বলা হয়েছে তার এক চোখ কানা থাকবে এবং সে হবে কাফের,এক চোখ কানা বলতে জ্ঞানে অন্ধ থাকবে সেই জন্য দাজ্জাল বলা হয়েছে, আপনার যারা বর্তমানে মুফতি মুহাদ্দিস ও কাঠ মল্লাগন দেখছেন এরাই হলো দাজ্জাল এবং মসজিদের ইমামগন ও. কারন এরা শরিয়ত জানে মারেফাত জানে না. আমাদের রাসুল কি বলে দেখুন.
★ আশ শরীয়তী আকোয়ালিহি, আতরিকাতু আফওয়ালিহি, আল হাকিকাতু আহওয়ালিহি, আল মারেফাত ইফরানী. অর্থাৎ আমি যা বলেছি তা হলো শরিয়ত, আর আমি যা কিছু করছি তা হলো তরিকত, আর আমার অবস্থা হলো হাকিকত, আর আমি যা কিছু চিনেছি তা হলো মারেফত.
★ আল ইনসানু সিররী ও আনা সিররুহু, আমি মানুষের রহস্য আর মানুষ আমার রহস্য. ★
★ আওলিয়াহী তাহতাকবায়ে লাইউফুহুম গায়রী. ওলীগন আমার সন্মানের চাদরে লুকায়িত আমি ছাড়া অন্য কেও চিনতে পারে না. এবং তারাও আমাকে ছাড়া অপর কে তারা চেনে না. ★
★ আপনারা ভাল করে গভীরতম ভাবে খেয়াল করবেন বর্তমানে যে সকল মুফতি ও মুহাদ্দিস বাজারে দেখছেন এরা শুধু সিলেবাস অনুসারে পড়াশুনা করে আলিম নামক টাইটেল নিয়েছে ধর্মকে পুজি করে খাওয়ার জন্য । আর এরাই এক চোখ অন্ধ হবার কারনে দেশ ও দশের এবং ইসলামের ক্ষতি করে চলছে, কারন শরিয়তি আলেমগন শুধু শরিয়তি ফতুয়া দেয় এরা এলমে মারেফাত কিছু জানে না।

দাজ্জাল শব্দের মুল আভিধানিক অর্থ

★দাজ্জাল শব্দের অভিধানিক অর্থ যিনি দ্বীনি ইসলামের নাম করনের মাধ্যমে নিজেদের সার্থে পুজি করে ইসলাম নিয়ে ধংশ করে চলছে নিখুত ভাবে এবং সত্য কে মিথ্যা বলে প্রচার করছে আর মিথ্যা কে সত্য বলে চালিয়ে দিতেছে ধর্মের নামে তিনি হলেন দাজ্জাল। অর্থাৎ দাজ্জাল দাল অর্থ দীন ইসলাম কে জাল অর্থ ফেতনা ফেসাদ তৈরী করে লাম অর্থ অহেতুক ফতুয়া বিভ্রান্ত দিয়ে মানুষের মাঝে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে প্রতিষ্ঠিত করার চেস্টায় আছে তিনি দাজ্জাল ★ আপনি যখনি সঠিক দ্বীন ইসলাম ছেড়ে বিপথগামী হয়ে গেলেন তখনি দাজ্জালের ফেতনায় পড়ে গেলেন, দাজ্জাল এর ফেতনার ভিতরে লোভ কাম মোহ হিংসা মায়া অপকর্মে লিপ্ত হওয়া কে বলা হয়। পৃথিবীর ভিতরে সবচে বড় দাজ্জাল জাতি হলো সৌদি আরব আর এইখান হতেই অহাবী নামক দাজ্জালদের ফেতনা তৈরী হয়েছে বেশি। আর এই ফেতনাবাজ গুলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভিন্ন নাম করনে।

★লা ইয়াক বালুল্লাহে তালা এবাদাতিল আব্দ বেগায়রা মারেফাতিল্লাহে তালা ইনকানা আলফেছানা অর্থাৎ মারেফাত ব্যতীত যদি কেও হাজার বছর ইবাদত করে, তবু তাহা আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।

গুরু রায়েদ

আজ কুন্ডলিনি জগতের  ঝামেলা  নিয়ে  সত্য প্রকাশিত করে দিব।  সকল ধরনের কুন্ডলিনি শক্তির বৈশিষ্ট্য হলো কুন্ডলিনি শক্তি জাগরন...
05/05/2026

আজ কুন্ডলিনি জগতের ঝামেলা নিয়ে সত্য প্রকাশিত করে দিব। সকল ধরনের কুন্ডলিনি শক্তির বৈশিষ্ট্য হলো কুন্ডলিনি শক্তি জাগরন হলে বিভিন্ন আলো নুর দেখা যায়। এই আলো গুলো দেহের চক্রের বিভিন্ন এনার্জি গুলো আলো নুর রুপে দৃশ্য মান হয় দেখা দেয়, মানুষ মনে করে এই গুলো আল্লাহর নুর আসলে এই গুলো দেহের এনার্জি।

★ রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি সাধনা।
----------------------------------------------------
যে সকল মানব মানবী অনলাইনের মাধ্যমে বা বিভিন্ন গুরুদের নিকট বিভিন্ন চাটুকারিতা প্রলোভন দেখে ইন্টারেস্ট হয়ে রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি শিখতে চান করেন মুলত হিলিং শিখতে নিজেকে সুস্থ থাকে। কিন্তুু আসলে আপনারা নিজেরা ভয়াবহ মরন ফাঁদে পড়ে গেছেন।
রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি করতে গেলে আপনাকে যে তো কৌশল করে বলুক না কেন কুন্ডলিনি সাধনা করতে হয়। আর এই রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি লাইন শুরু হয়েছে বৌদ্ধ মতাদর্শে হতে। এই রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি করতে গেলে তাকে ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি করতে হয়, এই কুন্ডলিনি করলে আপনার পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত পরবে, আপনার দেহ আগুনের মত জালাপোড়া করবে আপনি যখন সাধানায় জিরো পয়েন্ট আসলেন আর রুট চক্র মুলাধারা চক্র একটিভ করলেন তার পরে আপনি হিলিং করতে পারবেন
। কিন্তু এই পর্যন্ত আসতে আপনার দেহ সব সময় ব্যাথা থাকবে আপনার সব সময় ঠান্ডা লেগে থাকবে। আপনি সব সময় অস্থির হয়ে থাকবেন কোথায় গিয়ে আপনি শান্তি পাবেন না এবং আপনার জয়েন জয়েন্ট ব্যাথা করবে রাতে ঘুমাতে সমস্যা হবে এবং আপনার ঘন ঘন জর হবে । আপনাকে নাগ মনষা সব সময় ঝামেলা করবে মাদার ঝামেলা করবে জীন পরী অন্য কালি ঝামেলা করবে। মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত সাভাবিক হতে পারবেন না। কারন অন্ধকার জগতের কুন্ডলিনি শক্তির সাথে বিভিন্ন জীব জোনার এর আরি থাকে

কোয়ান্টাম মেথড আর রেকি মেডিটেশন একি বিষয়৷ ঝামেলা সেম টু সেম হয় ।
এই রেকি মেডিটেশন কুন্ডলিনি করে কখনো পরম আত্মা উর্দ্ধার হয় না এবং আল্লাহ দর্শন হয় না।
--------------------------------------------------------------------------------
ইউটিউব দেখে যারা ধ্যান মেডিটেশন করেন ওম ধ্বনি দিয়ে অনেক দিন করলে অন্ধকার জগতের কুন্ডলিনি জাগ্রত হয়ে আপনি বিভিন্ন ঝামেলা ফেস করবেন পায়খানার রাস্তা জালাপোরা করবে দেহ প্রচন্ড জালাপোরা করবে। রাতে ঘুমাতে সমস্যা রাতে ঘুমাতে পারবেন না। বিভিন্ন জীব আপবাকে হামলা ঝামেলা করবে। আপনি একটি সময় অসুস্থ হয়ে যাবেন।

---------------------------------------------------------------------------
যারা ছোট কালো শীবের কালো মহাকালী কুন্ডলিনি করলে মানব দেহের পায়খানার রাস্তায় ছাল কাটা যাবে পায়খানা রাস্তায় কাটা কাটা বাজবে । দেহে ভয়াবহ জালাপোরা শুরু হবে আপনি অসুস্থ হয়ে যাবেন এবং আপনাকে হসপিটালে ভর্তি হতে পারে। আবার সব সময় ঠান্ডা লেগে থাকবে। আপনার দেহে জ্বর আসবে ঘন ঘন। কোথায় গিয়ে শান্তি পাবেন না অস্থির লাগবে। রাতে ঘুমাতে দিবে না। বিশেষ করে নাগ মনষা মাদার কালি জীন পরী প্রেত সব সময় ঝামেলা করবে। কালো কুন্ডলিনি জাগ্রত হবার সাথে বিভিন্ন জীব জোনার এর আরি থাকে বেশি এই কারনে সনাতনধর্ম সাধক গন দেহে ছাই মাখে পাহাড়ে উঠে চলে যায় মার খেতে খেতে। এই ঘর হতে দুইটি চক্র একটিভ করা যায় কিন্তুু সবাই কে করতে দিবে না। তবে জীবন তছনছ হয়ে যাবে। এই দেবির কুন্ডলিনি করে সাধক পূর্ণ জন্ম নিয়ে মানুষ হবে এর নিশ্চয়তা নেই।

ছোট শীবের মহাকালী কুন্ডলিনি করে পরম আত্মা দর্শন হয় না আল্লাহ দর্শন হয় না।
----------------------------------------------------------------------------
শৈব ধারা ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি ঝামেলা সেম একি ধরনের দেহে ছাই মাখতে হয় পাহাড়ে উঠতে হয় ঝামেলা করে জীব জোনার নাগ মনষা মাদার বিভিন্ন কালি প্রেত ঝামেলা করে দেহে জালাপোড়া করে।

এই কুন্ডলিনি করে নিজ আত্মা পূর্ণ জন্ম হয় মুল লাইনের শীব দর্শন হয়।
-------------------------------------------------------------------------------

আমার লাইনের ফ্রেশ কালো ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি তুলনামূলক ঝামেলা কম দেহে জালাপোড়া হবে একটু।
ঝামেলা তুলনামূলক কম। শীব দর্শন হবে। এই কুন্ডলিনি সনাতনধর্ম করতে পারবে মুসলিম জাতির ভিতরে কেও চাইলে করতে পারে যোগ্যতা থাকতে হবে।
-----------------------------------------------------------------

মহাবিষ্ণু রায়েদ

@সেরা ফ্যান

কুন্ডলিনি শক্তির নেগেটিভ আর পজেটিভ বিষয় গুলো জেনে করিয়েন। প্রতিটি প্রচলিত দরবারে কোন পীর গুরুর নিকট হতে যে কেও বা   নারী...
03/05/2026

কুন্ডলিনি শক্তির নেগেটিভ আর পজেটিভ বিষয় গুলো জেনে করিয়েন।

প্রতিটি প্রচলিত দরবারে কোন পীর গুরুর নিকট হতে যে কেও বা নারী বায়াত হলে তাকে আল্লাহ জিকির দেয় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু জিকির শ্বাস প্রশ্বাসে আল্লাহু জিকির দেয়। শ্বাস প্রশ্বাসে জিকির করতে দেয়। নামাজ পড়তে বলে দরুদ পাঠ করতে বলে তার পরে নিজ পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন দেখা সাধনা শেষ। নারী এই উর্দ্ধ শ্বাসে জিকির করলে একটি সময়ে তার দেহের সাথে ছোট কালো শীবের কালো মহাকালি এসে মিশে যায় বা ছোট ভৈরবী কালি তার দেহের সাথে মিশে তার দেহের নিচ হতে কুন্ডলিনি শক্তি জাগরন করে তৃতীয় নয়ন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারলে তখন সে বিভিন্ন আলো নুর দেখতে পায় আর তৃতীয় নয়ন ওপেন হলে তার সামনে বিভিন্ন অদৃশ্য বিষয় দৃশ্যমান হয়। ছোট কালো শীবের ছোট মহাকালী কেন আসে বা কালো ছোট ভৈরবী কালি আসবে বা ভৈরবী কালি আসে কারন কি আল্লাহ জিকির এর সাথে কালির গুপ্ত সংযোগ কানেকশন আছে আর কুন্ডলিনি শক্তি কালির অংশ কালি আসবে আল্লাহ জিকির করলে বা উর্দ্ধ শ্বাসে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু জিকির করলে যে টানটি নাভির নিচ হতে দিতে বলে টানটি মুলত নারীর যোনী হতে উঠে। আর পেট নাভী এরিয়া কালিদের প্রধানতা বেশি । নারী কয়েক দিন কুন্ডলিনি শক্তি জাগ্রত হয়ে খুশি কারন সে বিভিন্ন আলো লাইট দেখতেছে। সে ভাবছে কিছু পেয়েছে আল্লাহর নুর দেখতেছেন আসলে প্রতিটি কুন্ডলিনি শক্তির বৈশিষ্ট্য হলো কুন্ডলিনি শক্তি জাগ্রত হলে দেহের ভিতরে চক্র লতিফায় এনার্জি থাকে আলো নুর রুপে সেই এনার্জি গুলো আলো নুর রুপে দেখে সবাই খুশি কারন কিছু একটা পেয়েছি কিছু একটা বিষয় দেখতে পাইতেছি।

সবচে ঝামেলা বিষয় এখন পড়েন। আপনি আল্লাহ জিকির করে বা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু জিকির করে বা ওম ধ্বনি দিয়ে টান ধ্যান করলেন মহা বিপদ আপনি নিজে ডেকে আনলেন। কালো ছোট শীবের কালো ছোট মহাকালী আসবে এবং ভৈরবী কালি আসবে এবং ছোট ভৈরবী কালি এসে আপনার দেহের সাথে মিশে যে কুন্ডলিনি ওপেন করে দেবার সময় হতে দেখবেন আপনার পায়খানা রাস্তা জালাপোরা করছে কারো পায়খানা করতে গেলে কাটা কাটা বাজবে । কারো কারো এনাল ফিসার হয়। কারো রক্ত পরবে আর যাদের রক্ত পরবে সর্তকা থাকা উচিত কারন চিকিৎসা না করলে পুজ আসতে পারে কারো কারো। বিশেষ করে কালো ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি জাগ্রত হলে এই রক্ত দেখা যায়
আপনি কালো জগতের কুন্ডলিনি জাগ্রত করে মহা জাগতিক সংযোগ কানেকশন করেছেন। আর এই মানব মানবী তার দেহের নিচ হতে কালো কুন্ডলিনি জাগ্রত হলে ভয়াবহ ঝামেলা হবে। তখন বিভিন্ন জীব জোনার কালি মাদার জীন পরী তারা সংযোগ কানেকশন করতে চাইবে আপনার দেহের মাধ্যমে। দেখবেন আপনার দেহ দিয়ে কি জেন হেটে যায় আবার কখনো আপনার মাজায় বা পিটে চাপ দিয়ে ধরে আছে বা আপনার ঘারে পাশে পাকনায় কি জেন চাপ দিয়ে ধরে আছে। আপনি সাভাবিক জীবন পথে চলতে পারবেন না।

(১) কালো কুন্ডলিনি জাগ্রত হলে শরিল দেহ জালাপোরা করে ভয়াবহ সাত দিন। এবং দেহে মাঝেমধ্যে জালাপোড়া থাকবে। বিভিন্ন জীব জোনার ঝামেলা করবে নাগ মনষা জীন পরী মাদার কালি ঝামেলা করবে । আপনাকে অস্থির করবে ভাল লাগবে না। কোথায় বেড়াতে গেলে ঝামেলা করবে অস্থির করে তুলবে দ্রুত বাড়ি চলে আসতে হবে আপনাকে । এবং সেক্স বৃদ্ধি পাবে অসাভাবিক ভাবে। রাতে ঘুমাতে পারবেন না তেমন নেগেটিভ এনার্জি ঝামেলা করবে । চোখ বন্ধ করে ঘুমাতে যাবেন ঘুৃম হবে না। এমন হতে পারে কয়েক কিছু দিন ঘুম নস্ট হতে পারে। তার পরে আপনার দেহে বিভিন্ন স্থানে হামলা করবে আপনি মার খাবেন আঘাত পাবেন। ব্যাথা পাবেন দেহের ভিতরে বিভিন্ন স্থানে আপনি বুঝতে পারবেন না কেন এমন হইতেছে ।
এই ভাবে চলতে চলতে একটি সময় আপনার দেহ পরিপূর্ণ ব্যাথা করবে। তার পরে আপনার দেহের জয়েন্ট জয়েন্ট ব্যাথা করবে। পেটে গ্যাস সমস্যা করবে। এবং আপনার ঠান্ডার সমস্যা হবে ঘন ঘন। জিরো পয়েন্ট আসলে আপনি কখনো সুস্থ হতে পারবেন না। দেখেন যারা রেকি মেডিটেশন করেন মুলত ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি জাগ্রত করে জিরো পয়েন্ট আসলে আর রুট চক্র একটিভ করলে তখন হিলিং করতে পারে৷ আপনি কাওকে হিলিং করতে গিয়ে আপনি নিজেও অসুস্থ থাকবেন এমনিতে আপনি সব সময় অসুস্থ থাকবেন কালো জগত কুন্ডলিনি জাগ্রত করে। কোয়ান্টাম মেথড করেন তারাও ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি করেন। বৌদ্ধ মতাদর্শে জৈন মতাদর্শ তারা করেন ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি।

উপরে বর্নিত ঝামেলা হলে আপনি আপনার পীর সাহেব কে বলিলে সে বলবে আল্লাহ কে পেতে হলে কস্ট করতে হয়। আল্লাহ কে পেতে হলে কত কস্ট ঝামেলা পোহাতে হয় আর দেহের জালাপোরা হলে বলে এটা পীরের জালা বড় জালা এমন জালা মেনে কস্ট করলে আল্লাহ পাওয়া যায়। আসলে পীর গুরু জানেন না কেন কি কারনে এই সমস্যা গুলো হয়। ।
কালো জগতের কালি কুন্ডলিনি করে আল্লাহ পাওয়া যায় না পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন হয়।

কালো জগতের কুন্ডলিনি পথ গুলো কি কি

(১) ছোট কালো শীবের কালো ছোট মহাকালি অসুর কালি বলা হয় মুলত তাদের দুই ঘর কুন্ডলিনি আছে একটু ছোট বড় মিলে ।

(২) শৈব ধারা ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি এটা সনাতনধর্মের নিজেস্ব কুন্ডলিনি পথ ।

(৩) আমার নিজেস্ব মহাবিষ্ণুর লাইনের একটি ফ্রেশ কালো ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি আছে মুল লাইনের শীব ধারার জন্য এই কুন্ডলিনি তুলনামূলক ঝামেলা কম হবে কিন্তুু দেহে ছাই মাখতে হবে না।

(৪) ছোট ভৈরবী কালি কুন্ডলিনি ঝামেলা হয় বেশি।

সনাতনধর্মে দেখেন না কালো কুন্ডলিনি করতে ঝামেলা হয় দেখে দেহে ছাই মাখতে হয় মার খেতে খেতে বাধ্য হয়ে পাহাড়ে উপরে উঠে।

*********************************************

---------------------------------------------------------------------------------
***************************************************
-------------------------------------------------------------------------------



ইব্রাহিম আঃ এর আলোর জগতের কুন্ডলিনি জাগ্রত সাধনা মোটামুটি নিরাপদ। একজন নারীর জন্য সহজ পথ পদ্ধতি

প্রথমে একজন সঠিক সৎ গুরুর নিকট দ্বীক্ষা বা বায়াত নিতে হবে যিনি আপনাকে ইব্রাহিম আঃ এর আলোর জগতের গুটি কুন্ডলিনি সাধনা জাগ্রত করে তৈরি করে দিতে পারবে। আপনাকে সঠিক শিক্ষা দিতে পারবে । একজন পীর গুরু একজন শিক্ষক পথ প্রদর্শক এর বেশি কিছু না তবে অবশ্যই তাকে সন্মান করিবেন।

প্রথমে আপানাকে দেখে গুরু আপনার জন্ম কুন্ডলিনি দেখে আপনি কোন ঘরে কুন্ডলিনি করতে পারবেন সহজে, সেই পথ পদ্ধতি বিধান গুলো শিখিয়ে দিবেন।

(১) আপনি যদি আলোর জগতের জন্ম কুন্ডলিনি হয় তাহলে আপনার সাধনার শুরুতে আপনার দেহের ভিতরে অন্ধকার জগতের অংশ অকার্যকর করে দিতে হবে এর জন্য বিভিন্ন পথ পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি রক্ত পরিশুদ্ধ করে দিতে হবে।

(২) এর পরে আপনাকে আপনার জন্ম কুন্ডলিনি দেখে ইব্রাহিম আঃ ধর্ম পথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আলোর জগতের কুন্ডলিনি জাগ্রত পথ পদ্ধতি বিধান শিখাতে হবে। আপনার দেহের নিচে আলোর জগতের গুটি কুন্ডলিনি চক্র উমুক্ত পদ্ধতি বিধান শিখিয়ে দিতে হবে। দেহের সাতটি চক্র জাগ্রত করে শিখাতে হবে মোট নয়টি চক্র জাগ্রত করতে হয় । পাশাপাশি দেহ পরিশুদ্ধ করন পদ্ধতি শিখাতে হবে।

(৩) আপনার নিজের নামের মুল সৃষ্টির এসেম বাক্য জানতে হবে যে বাক্যতে আপনার সাথে আল্লাহর সংযোগ সংযোজিত হয় কর্ম সিদ্ধ হয়। তরিকার দরুদ লাগবে।

(৪) আপনার দেহের পশু আত্মা খান্নাস শয়তান মুক্ত সাধনা এসেম কালাম শিখাতে হবে। কারন এটা পাঠ করলে বিপদে মুক্ত থাকে।

(৫) কুন্ডলিনি জাগ্রত সাধনা করলে আপনার দেহের ভারসাম্য ঠিক রাখতে আপানাকে আগুন পানি মাটি বাতাস নুরু এই ৫ টি বিষয় আপনার দেহের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই বিষয় গুলো জেনে সাধনা করতে হয় । এবং এই বিষয়ের উপরে সঠিক ভাবে জেনে সাধনা করতে হবে এলোমেলো সাধনা করে না। সঠিক ভাবে জেনে করতে হবে।

(৬) যদি নারীর জোগ্যতা থাকে এলহাম অদৃশ্য বার্তা জানার জন্য আপনার দেহের পিটুইটারি গ্রন্থ এবং পিনাল গ্রন্থি জাগ্রত করে তৃতীয় নয়ন সিদরাতুলমুনতাহা সংযোগ কানেকশন করে অদৃশ্য বার্তা শুনতে পারেন সেই পথ পদ্ধতি বিধান গুলো শিখিয়ে দিতে হবে।

(৭) কাশফে আয়না দেখা পদ্ধতি শিখাতে হবে। অথবা তৃতীয় নয়ন দিয়ে দেখার পদ্ধতি বিধান শিখাতে হবে।

(৮) দেহ পরিশুদ্ধ করে সোনালী চন্দ্র রুপ সাধনা শিখাতে হবে। তার পরে

(৯) সরাসরি মুল আল্লাহ দর্শন কি ভাবে পাবেন তার জন্য সঠিক এসেম কালাম বাক্য শিখাতে হবে। পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন মিথ্যা ছলনা ধোঁকা শিরক ভুল পথ।

একজন নারী এই মুল আল্লাহ দর্শন করতে পারলে এই পর্যন্ত আসতে পারলে সেই নারী কে আবদাল ওলী বলা হয়।

(১০) দুই চক্র একটিভ এটা সকল নারীর জন্য না সর্বচ্চ উচ্চতম যোগ্য নারী তাদের জন্য। দুইটি চক্র একটিভ করতে পারলে তাকে কুতুব বলা হয়। আর নারী দুইটি চক্র একটিভ করতে পারলে তাকে মহিষী নারী বলে জগত মাতা বলা হয় সম্রাজ্ঞী হতে পারে। দুই চক্র একটিভ আমাকে তৈরি করে দিতে হবে।

সাধনা জগতের উচ্চতর শ্রেণীর নারী সাধারণ হলে ৫ ফিট দুই ইঞ্চি বা ৫ ইঞ্চি লম্বা হয়। বা ৫ ফিট এক ইঞ্চি হয়। বেশিরভাগ আমি দেখিছি ৫ ফিট ২ ইঞ্চি বা তিন ইঞ্চি লম্বা হয়। এই লম্বার নারীগন চক্র একটিভ করতে পারে সহজে যদি জন্ম কুন্ডলিনি ভাল হয়।

(১১) একজন নারী অমরত্ব লাভ প্রদান এটা আমি ছাড়া কেও দিতে পারবেন না। অমরত্ব লাভ বলা হয় তার জাহান্নাম বা জান্নাত বলে হিসাব কিতাব নাই। তিনি সময়ের প্রয়োজনে নিজ ইচ্ছে মানবী রুপে পূর্ণ জন্ম নিয়ে কাজ করতে আসবে পৃথিবীতে ।
---------------------------------------------------------------------------

আলোর জগতের কুন্ডলিনি শক্তি পথ পদ্ধতি গুলো কি কি

ইব্রাহিম আঃ মহাবিষ্ণুর আলোর জগতের কুন্ডলিনি প্রকাশিত পথ গুলো হলো।

(১) ইব্রাহিম আঃ মুসলিম জাতির ভিতরে নিজেস্ব আলোর জগতের কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি তেমন ঝামেলা নাই। নারীর জন্য এই পথে ঝামেলা নাই তেমন। এই কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি অনুসরণ করে মুল আল্লাহ দর্শন হয়।

(২) ছোট দূর্গা দেবী কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি দিয়ে যদি ইব্রাহিম আঃ পথ পদ্ধতি অনুসরণ করে মেনে চলে উর্দ্ধ পথে সঠিক পথে সংযোগ কানেকশন করে আসতে পারে তাহলে মুল আল্লাহ দর্শন হবে। এছাড়া এই ছোট দূর্গা দেবীর কুন্ডলিনি পথ পাকপাঞ্জাতন নাম করে গেলে পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন হবে।
----------------------------------------------------------------------------------
মহাবিষ্ণুর আলোর জগতের ভৈরবী কালি কালি কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি তিনটি ধর্মে করতে পারবে এই পথ দিয়ে মুসলিম জাতি ইহুদি জাতি এবং সনাতনধর্ম উভয় করতে পারবে। এই কুন্ডলিনিতে তেমন ঝামেলা নাই। এই কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি অনুসরণ করে পরম আত্মা দর্শন হয় আল্লাহ দর্শন হয় বিষ্ণু দেব দর্শন হয়।

মহাবিষ্ণুর নিজেস্ব নিজ ঘরের মহা সরস্বতী দেবী কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি। এই কুন্ডলিনি পথ মুসলিম জাতি এবং সনাতনধর্ম উভয় করতে পারবে গুরুত্বপূর্ণ নারী আটজন মাত্র। এই কুন্ডলিনি পথে ঝামেলা নাই।

মহাবিষ্ণুর নিজেস্ব মহাকালি কুন্ডলিনি পথ পদ্ধতি ২৪ জন নারী করতে পারেবে। এই কুন্ডলিনি পথে জামেলা নাই। এই দেবী কিন্তুু পূর্ণ অন্ধকার জগতের না। এই দেবী তিনি মহাবিশ্ব কেন্দ্র করে।

-----------------------------------------------------------------------------
সাধনার পদ্ধতি গুলো চার ভাগে বিভক্ত করা আছে তুমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করে তোমার সুবিধা হয়। সেই পদ্ধতি বিধান অনুযায়ী করিও

(১) আমল জিকির অজিফা কালাম দিয়ে।

(২) জিকির কালাম মন্ত্র গাছ ফুল দিয়ে।

(৩)প্রেমত্ব

(৪) নিগুরু তত্ব

মহাবিষ্ণু রায়েদ

@সেরা ফ্যান

মধ্যপ্রাচ্য আরব অঞ্চলে অনেক গুলো ধর্ম এবং উপ ধর্ম  প্রচলিত ছিল নবী মুহাম্মাদ সাঃ আসার আগে হতে।নবী শব্দটি  ইব্রাহিম মতাদর...
03/05/2026

মধ্যপ্রাচ্য আরব অঞ্চলে অনেক গুলো ধর্ম এবং উপ ধর্ম প্রচলিত ছিল নবী মুহাম্মাদ সাঃ আসার আগে হতে।

নবী শব্দটি ইব্রাহিম মতাদর্শে বেশি প্রভাবিত হয় ইহুদি জাতি এবং দ্রোজ ধর্ম এবং খ্রিষ্টান জাতি মিলে। অসংখ্য ধর্ম এবং উপ ধর্ম আরব অঞ্চলে এখনো আছে। মধ্যপ্রাচ্যতে সকল ধর্ম উপ ধর্মিও কারীদের কিতাবে নবী শব্দ উল্লেখ পাওয়া যায়।

নবী শব্দের অর্থ বার্তা বাহক। যিনি অদৃশ্য বার্তা কথা শুনতে পেত তিনি ততকালীন আরব অঞ্চলে নিজেকে নবী দাবি করত। এবং তিনি বিভিন্ন মানুষের উপকার করার চেষ্টা করত কারন যিনি অদৃশ্য বার্তা কথা শুনতে পেত ততকালীন সময়ে সাভাবিক বিষয় ছিল না। কার ঘরে কি আছে বা কার কি অসুখ হয়েছে বা কার কি সমস্যা হয়েছে সমাধান কি এমন করে বলতে পারলে সাভাবিক সবাই অবাক হয়ে তাকে নবী হিসেবে মেনে নিত। তখন তিনি ও নিজেকে নবী দাবি করত।

ইব্রাহিম আঃ ধর্ম মতাদর্শে নবী শব্দটি বেশি উল্লেখিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে বেশি।

ইব্রাহিম আঃ ধর্ম মতাদর্শে অনুযায়ী যিনি মুল আল্লাহর প্রেরিত বানি এলহাম অদৃশ্য বার্তা ফেরেস্তার মাধ্যমে একজন আলোর জগতের সাধক অদৃশ্য কথা শুনতে পারেন তাকে নবী বলা হতো । নারী যিনি শুনতে পারত তাকে আম্বিয়া বলা হতো।

এই অদৃশ্য কথা শুনার মাধ্যম অনেক গুলো ফর্মুলা আছে। সেই সময়ে হতে প্রচলন ছিল।
----------------------------------------------
গুরুত্বপূর্ন ভুল বুঝাবুঝি গুলো কি কি ছিল পড়ে দেখেন ।
সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
সেই সময়ে যে সকল মানব মানবী অদৃশ্য বার্তা কথা শুনতে পেত সবাই নিজেকে নবী দাবি করত।

(১) একজন সাধক জীন সাধনা করে কথা শুনতে পেলে তিনিও নিজেকে নবী দাবি করত।

(২) একজন সাধক পরী বা এনজেল সাধনা করে অদৃশ্য কথা শুনতে পেলেও নিজেকে নবী দাবি করত।

(৩) একজন সাধক তিনি প্রেত সাধনা করে অদৃশ্য কথা শুনতে পারলে নিজেকে নবী দাবি করত।

(৪) একজন সাধক কর্ন পিশাচী সাধনা করেও কথা শুনতে পারলে নিজেকে নবী দাবি করত।

(৫) নরমাল কালি সাধনা করেও অদৃশ্য কথা শুনতে পারলে তিনি নিজেকে নবী দাবি করত।

(৬) দোআঁশলা মাদার হতে এলহাম অদৃশ্য বার্তা পেওে বর্তমানে যুগে অনেকে ওলী দাবি করে।

উপরে উল্লেখিত প্রতিটি সাধক যিনি অদৃশ্য বার্তা শুনতে পেরে নিজেকে নবী দাবি করে যদি বলে আমি অদৃশ্য বার্তা বাহক কথা শুনতে পারি তোমাদের সব বিষয় বলতে পারি সমস্যা সমাধান করতে পারি আমি নবী? , তাহলে যে মুল আল্লাহর লাইনের সাধক সাধিকা যারা আলোর জগতের সত্য এলহাম অদৃশ্য বানি কথা শুনে সত্য প্রচার করতে বিভিন্ন বাঁধার সমস্যা ফেস করতে হবে । কারন সবাই যদি নিজেকে নবী দাবি করে, তাহলে আসল আল্লাহর প্রেরিত ফেরেস্তার বানি কার নিকট আসে সেটা সেই সময়ে বুঝতে সমস্যা হবে দেখে নবী মুহাম্মাদ সাঃ বলেছে নবী আর আসবে না, নবীর দরজা বন্ধ।

এই কারনে পরবর্তী মাওলা আলীর লাইনের বেলায়েত নাম করনের মাধ্যমে নবী নাম পরিহার করে ওলী-আউলিয়া নাম করনের মাধ্যমে আলোর জগতের বানি প্রচার করার মাধ্যম হিসেবে প্রকাশিত একটি পথ দিয়ে প্রচলিত হয়ে আসতেছে।

যদি সে তরিকার নাম করনে পদ্ধতি অনুসরণ করে তাহলে বুঝা যায় যে সে আলোর জগতের সাধক।

এই কারনে হাদিসে লেখা আছে প্রতি ১০০ বছর পর পর একজন ধর্মিও সংস্কারক সাধক আসবেন যিনি সময় উপযোগী সিস্টেম পদ্ধতি বিধান অনুযায়ী চলতে সহয়তা করতে পারে।

এখন বর্তমান সময়ে সকল পীর গুরুগন জীন পরী কালি প্রেত পিচাশ সাধনা করে নিজেকে ওলী দাবি করে সেই পূর্বের মত। আর এই কারনে পীর গুরু রুপে আল্লাহ দর্শন প্রচলিত হয়েছে মিথ্যা ছলনা দিয়ে। পীরের ছেলে পীর ওলীর আওলাদ নাম দিয়ে বাটপারি করে চলতেছে।
কলিযুগ শেষ।

নবী মুহাম্মাদ সাঃ তিনি বিষয়টি পরিপূর্ণ ভাবে ভেঙে বলে যেতেন এতো সাধক হত্যা হতো না। নবী কেন আসবে না বা কেন বন্ধ করা হয়েছে এই বিষয় গুলো যদি ভেঙে প্রকাশিত করে যেত তাহলে অসংখ্য মহামানব হত্যা হতো না।

আরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ছিল সেই সময়ে বদ কিছু কালি ও জীন পরী বিভিন্ন সাধক সাধিকা কে মিস গাঁইট করে ফেলে এলোমেলো তত্ব দিয়ে সাধক কে নবী দাবি করাত। বর্তমানে এখনো দেখেন যে কেও কোন লাইনের কোন রকম কিছু লাভ করলে তিনি নিজেকে ওলী-আউলিয়া কুতুব দাবি করে। কেও রেকি মেডিটেশন শিখে আলো লাইট নিয়ে ধোঁকা দিতেছে গুরু দাবি করে কেও কোয়ান্টাম মেথড পদ্ধতির নামে ধোঁকা দিতেছে। গুরু অর্থ যিনি অন্ধকার হতে সত্য আলোর পথ দেখান তিনি গুরু এর মানে জীন পরীর আলো এমনি বিভিন্ন মেডিটেশন করে আলো দেখার নাম সত্য পথ না। যে গুরু পরম আত্মা দর্শন করাতে পারে মুল আল্লাহ দর্শন করাতে পারে এবং যে গুরু একজন মানব মানবী তার জন্ম মৃত্যু চক্র হতে উর্দ্ধার করাতে পারে তিনি সত্য গুরু বলা হয়।

----------------------------------------------------------------------

আমাদের প্রচলিত ভাষায় ধর্মতত্ব নিয়ে অনেক ভুল বুঝাবুঝি আছে সময় প্রেক্ষাপটে কারনে।

কলিকাল অর্থ সময় কাল চক্র গুহে ঘূর্ণিপাকে পরে পূর্নরায় চক্র পরে ঘুরে ফিরে আবার একি স্থানে ফিরে আসে এই সময় কালকে কলিকাল বলা হয়।

মুলত কলিযুগ কে অন্ধকার চন্দ্র আবাছা যুগ বলা হয়। চন্দ্র চক্র৷ যে খানে শুরু হয় সেখানে আলো অন্ধকার হয়ে আবার ফিরে আসে। এই কারনে সুরা ইনশিকাক লেখা আছে চন্দ্র চক্র রুপ পূর্ণ হলে তোমারা এক স্থানের স্তর হতে আরেক স্থান আহরণ করে পরিবর্তন কর।

আর কুলিযুগে একজন সাধক সাধিকা তিনি চন্দ্র লাইনে দেহ পরিশুদ্ধ করে দেহ পরিপূর্ণ সোনালি চন্দ্র হতে পারলে এবং এলহাম বার্তা লাভ করতে পারলে তাকে ওলী বলা হয়।
এটাকে কলিযুগের কেন্দ্র করে মুলত ওলী বলা হয় ।

ওলী অর্থ বন্ধু কার বন্ধু জিবরাইল আঃ ? জিবরাইল আঃ তিনি দেখতে সোনালি রুপের যার কারনে দেখেন দেওয়ানবাগী সাহেব তিনি জিবরাঈল কে আল্লাহ বলে গেছেন তার নিজের লেখা বই কিতাবে ।

জিবরাইল তার আসল নাম সোনালী ফাতাহ। আর সনাতনধর্ম তাকে সূর্য দেব বলা হয় তার দেহের রঙ সোনালী।

কলিযুগ অন্ধকার চন্দ্র আবাছা যুগ হবার জন্য পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন বলা হয়েছে। পীর কে আল্লাহ বলিলে মুল আল্লাহ তোমায় সৃষ্টি করল তাকে বাদ দিয়েছে। কলিযুগে মুলত আল্লাহ দর্শন হতো না।

-------------------------------------------------------------------------

★ ওলী অর্থ আল্লাহর বন্ধু তাহলে একজন মানব মানবী আল্লাহর বন্ধু কি ভাবে হয় সেটা পড়েন।

ইব্রাহিম আঃ আলোর ধর্ম দর্শন পথ পদ্ধতি অনুসরণ করে যদি কোনো মানব মানবী আলোর জগতের গুটি কুন্ডলিনি লতিফা চক্র জাগ্রত করে পরিপূর্ণ করে এবং নিজের দেহ পরিপূর্ণ পরিশুদ্ধ করে পশু আত্মা মুক্ত করে এবং তার নিজ দেহ পরিপূর্ণ সোনালি লাভ করে পাশাপাশি তিনি এলহাম অদৃশ্য বার্তা লাভ করে। তিনি সরাসরি মুল আল্লাহ দর্শন করে তাকে ওলী বলা হয় আবদাল ওলী বলা হয় আল্লাহর বন্ধু বলা হয় ।

তার পরে সাধক সাধিকা যদি আলোর জগতের চক্র একটিভ করতে পারে মিনিমাম দুইটি তখন তাকে আলোর ঘরের আল্লাহ এর ঘরের কুতুব হিসেবে বলা হয়। আর তিনটি চক্র একটিভ করতে পারলে তাকে কুতুবে এরশাদী বলা হয়। দুই চক্র একটিভ করলে এই পর্যন্ত আসলে সরাসরি আল্লাহ কথা বলেন।

★এখন যেহেতু যুগ পরিবর্তন হইতেছে এখন অলরেডি মুল সত্য যুগের ৩০ শতাংশ প্রবেশ করার জন্য এখন এই যুগ কে জ্ঞান চৈতন্য সত্য যুগ বলা হয়। আর কলিযুগ এখনো ৭০ শতাংশ চলছে, ধিরে ধিরে কলিযুগ ধ্বংস হয়ে মুল সত্যযুগ চলে আসবে। হুট করে একটি যুগ পরিবর্তন হয় না সময় লাগে। প্রতিটি যুগের একটি নিদিষ্ট মেয়াদ কাল থাকে। কলিযুগ শেষ হতে এখনো ২৫০ বছর হতে ৩৫০ বছর লাগতে পারে। কলিযুগ কে মিথ্যার যুগ বলা হয় যার প্রমানিত পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন বলা হয়েছে।

কলিযুগের মেয়াদ কাল ছিল ৫ হাজার ৫০০ বছর। নবী মুহাম্মাদ সাঃ তিনি কলিযুগ কেন্দ্র করে এসেছিল। কলিযুগ কে শেষ যুগ বলা হয়। কলিযুগ কে আ্যাইয়ামে জাহেলিয়াত অন্ধকার যুগ বলা হয়
------------------------------------
এখন মুল সত্যযুগ শুরু হয়েছে আর সত্যযুগের তিনটি সত্য তরিকা পথ পদ্ধতি প্রকাশিত হয়েছে। এই তিনটি তরিকা দিয়ে মুল আল্লাহ দর্শন করা যায়, মুল ইব্রাহিম আঃ লাইনে হতে।

(১) আজমান কাদির নুর তরিকা
(আলোর জগতের কুন্ডলী জাগরন পথ পদ্ধতি প্রকাশিত)

(২) আজমান কাদির তরিকা।
আলোর জগতের কুন্ডলী জাগরন পথ পদ্ধতি প্রকাশিত

(৩) আজমান কাদির নুরে আলোম কলন্দর তরিকা ( আলোর জগতের কুন্ডলী শক্তি জাগরন পথ পদ্ধতি প্রকাশিত হয়েছে।

এই তিনটি তরিকা ইব্রাহিম আঃ ধর্ম পথ পদ্ধতি দিয়ে আলোর জগতের গুটি কুন্ডলী জাগরন করে দেহ পশু আত্মা মুক্ত পরিশুদ্ধ করে এলহাম অদৃশ্য বার্তা লাভ করা যায়৷ দেহ পরিপূর্ণ পরিশুদ্ধ সোনালী চন্দ্র রুপ লাভ করা যায় এবং মুল আল্লাহ দর্শন করা যায় । এই তিনটি তরিকার বাহিরে মুল আল্লাহ দর্শন হবে না।

মহাবিষ্ণু রায়েদ

@সেরা ফ্যান

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Light kundalini Research center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share