05/07/2025
আসসালামুআলাইকুম,
আশা করি সবাই ভালো আছেন, ২ দফা নির্বাচন পিছিয়ে ২৬ তারিখ ইক্যাবের নির্বাচন হবার কথা, এখনো গুটি কয়েক মানুষ নির্বাচন পেছাতে বা বন্ধ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কারণ হিসেবে বলছে দ্বিতীয় দফায় যে নতুন ভোটার হয়েছে যেখানে কিছু ভূয়া ভোটার হবার শক্ত সম্ভাবনা রয়েছে, প্রথমে এক পক্ষের দাবি ছিল ভোটার কম হয়েছে এখন আবার বলছেন বেশি হয়ে গেছে! সবাইকে খুশি করা আসলে সহজ বিষয় না
ভোটারলিস্ট তৈরি করেছে মূলত বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ, এগুলো অনেক ধীর্ঘস্থায়ী প্রসেস, আবারো নির্বাচন পেছালে সব শুদ্ধ হবে বিষয়টি সেটাওনা, শতভাগ সঠিক কিছুই কখনো একদিনে হয়ে উঠেনা, ৩৬ জন প্রার্থী হয়েছেন নির্বাচনে, বেশিরভাগ প্রার্থীকে নির্বাচন পেছানোর পর থেকে খুব একটা দেখাও যায়নি, বোঝা যাচ্ছে তারা শুধুমাত্র একটি পদের জন্য নির্বাচনে এসেছেন, ইক্যাবের জন্য না!
দীর্ঘদিন ধরে একটি অচলাবস্থা রয়েছে এই সেক্টরে, নির্বাচন হয়ে গেলে এরপর যেই বোর্ডে আসুক বরং তাদেরকে প্রেসার দিয়ে নানান রকম অসঙ্গতি থাকলে দূর করা সম্ভব, এখন যারা আছেন তারা সরকারের অধীনস্ত কর্মচারী তাদের সাথে কাজ করা বরং কঠিন, একটি বোর্ডের মেয়াদ থাকে ২ বছর, নির্বাচনকে এভাবে মাসের পর মাস না পিছিয়ে বরং নির্বাচন হতে দেয়া উচিত, ভোটারলিস্টে ভূয়া ভোটারের কথা যারা বলছেন সেটি কিন্তু তারাও বলছেন বেশি সংখ্যা নয় হয়তোবা, তাহলে নির্বাচনে বাধা না দিয়ে বরং ভোটারদের কে নিজেদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জিতে আসার চেষ্টা করা উচিত।
নির্বাচিত ডিরেক্টররা বোর্ডে চলে আসলে কি দাবি পূরণ হবেনা ? অবশ্যই বেশিরভাগ মেম্বারদের দাবি থাকলে সংস্কার আরো হবে, সংস্কার একটি চলমান প্রসেস, একদিনে শেষ হবে না
আসুন ২৬ তারিখের নির্বাচনকে আর বাধা না দেই, হাতে গোনা অল্প কয়েকজন ছাড়া নির্বাচন পেছানোর পক্ষে কেও আছে বলে দেখিনি, আপনারাও আলোচনা করে দেখতে পারেন
(এই আইডিটি নাম পরিচয়হীন, অনেকেই ফেক আইডি দিয়ে পোস্ট করেন, আমিও কম সাহসী কিছু আওয়ামী মুখোশ উন্মোচন করতে এই আইডি ব্যবহার করেছি, অনেকে অপছন্দ করেছেন এরপরও নিজের কিছু মতামত দেবার চেষ্টা করি)
আশা করি অ্যাডমিন এপ্প্রুভ করবেন, কারণ কারো বিপক্ষে কিছু বলিনি, মতামত দিয়েছি
ধন্যবাদ