03/06/2026
ট্রেইনি চিকিৎসকদের স্বার্থবিরোধী ও বৈষম্যমূলক নীতিমালার বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি
বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত এফসিপিএস ১ম পর্ব উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ পদায়ন সংক্রান্ত নীতিমালা একটি প্রজ্ঞাপন দেখার পরে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন ন্যাশনাল হেলথ এলায়েন্স (এনএইচএ) এর আহবায়ক প্রফেসর ডা. শাদরুল আলম ও সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ।
এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন,চিকিৎসা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নের নামে প্রণীত এই নীতিমালার একাধিক ধারা বাস্তবে হাজারো তরুণ চিকিৎসকের ন্যায্য অধিকার, পেশাগত স্বাধীনতা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারকে সংকুচিত করবে।
বিশেষ করে—
১. প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম সীমাবদ্ধতা আরোপ,
২. এক হাজার জনের অধিক পাশকৃত শিক্ষার্থীদের বেতন কাঠামোতে অন্তর্ভূক্ত না করা,
৩. গ্রামে/উপজেলায়/জেলা শহরে প্রশিক্ষণ কাঠামো ঠিক না করেই ২ বছর উপজেলায় প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা,
৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ও গাইনী বিভাগে নতুন ট্রেইনি না নেওয়া।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের মতামত উপেক্ষা করে কোনো প্রশিক্ষণ নীতিমালা দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে পারে না। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ গণতান্ত্রিক চর্চা ও অংশীজনভিত্তিক নীতিনির্ধারণের পরিপন্থী।
তাই ন্যাশনাল হেলথ এলায়েন্স (এনএইচএ) দাবি করছে যে,
১. বিতর্কিত নীতিমালার বাস্তবায়ন অবিলম্বে স্থগিত করা।
২. ট্রেইনি চিকিৎসকদের প্রতিনিধি, বিসিপিএস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করা।
৩. মেধা, পছন্দ ও প্রশিক্ষণ সক্ষমতার সমন্বয়ে একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত পদায়ন ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে।
এনএইচএ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, দেশের চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়ন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক, মানবিক ও বাস্তবমুখী নীতিমালাই হতে পারে একমাত্র গ্রহণযোগ্য উপায় যেখানে সবার স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে।
বার্তাপ্রেরক,
ডা. মো. আব্দুস সালাম
দপ্তর সম্পাদক
ন্যাশনাল হেলথ এলায়েন্স (এনএইচএ)