AL-Madad Foundation

AL-Madad Foundation সর্বদা আল্লাহর গোলামি এবং মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকিবার প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ !!
❤️AL-MADAD❤️FOUNDATION❤️

06/04/2025

আল্লাহ তুমি একমাত্র হেফাজত কারি
আল্লাহ

06/04/2025



#

https://youtu.be/21BSLjK8mN8?si=2YaQi57cRtWH7_0q
06/04/2025

https://youtu.be/21BSLjK8mN8?si=2YaQi57cRtWH7_0q

গাজায় ঢুকছে না খাবার, মেডিসিন; কোথায় যাবে ফিলিস্তিনিরা? | Israel Palestine Conflict | Gaza | Desh...

05/04/2025

আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা: কোরআনের আলোকে
ভূমিকা:
আল্লাহ তাআলা মানুষকে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন তাঁর ইবাদত ও আনুগত্যের জন্য। এই ইবাদত শুধু নামায, রোযা, হজ, যাকাত ইত্যাদিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলাই হলো প্রকৃত ইবাদত। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা মানে হলো—এই দুনিয়ায় আল্লাহর হুকুম কায়েম করা, তাঁর শরিয়াহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা এবং অন্যকে তাতে দাওয়াত দেওয়া।

কোরআনের নির্দেশনা
📖 ১. আল্লাহর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি:

"আমি জ্বিন ও মানুষকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।"
— (সূরা আদ-যারিয়াত: ৫৬)

এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, মানবজীবনের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর দ্বীন মেনে চলা এবং তা সমাজে প্রতিষ্ঠা করা।

📖 ২. দ্বীনের কায়েমি ক্ষমতার জন্য সংগ্রাম:

"তারা যদি তোমার সাথে যুদ্ধ করে এবং তোমাকে উৎখাত করতে সক্ষম হয়, তবে অবশ্যই তারা তোমাকে বিতাড়িত করবে... এবং ফিতনা (শিরক) দূর না হওয়া পর্যন্ত এবং দ্বীন পুরোপুরি আল্লাহর জন্য না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে যুদ্ধ করো।"
— (সূরা আল-আনফাল: ৩৯)

এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলেন, দ্বীন শুধু ব্যক্তিগত আমলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হবে।

📖 ৩. আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করার নির্দেশ:

"আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার করে না, তারাই তো কাফির।"
— (সূরা আল-মায়েদা: ৪৪)

এখানে আল্লাহ তাআলা বিচার ও শাসনের ক্ষেত্রে নিজের বিধান অনুসরণের গুরুত্ব স্পষ্ট করেছেন। আল্লাহর দ্বীন কায়েম মানেই হলো—সব ক্ষেত্রে তাঁর আইন প্রয়োগ করা।

আল্লাহর জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব
✅ ১. সমাজে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়।
✅ ২. মানুষ প্রকৃত শান্তি ও কল্যাণ লাভ করে।
✅ ৩. দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জিত হয়।
✅ ৪. মানবসৃষ্ট শোষণ ও জুলুমের অবসান ঘটে।

উপসংহার:
আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা শুধু একটি উত্তম কাজ নয়, বরং এটি মুসলমানদের ওপর ফরজ। এটি নবী-রাসূলগণের মূল মিশন ছিল, এবং এই মিশন আজও আমাদের কাঁধে বর্তায়। কোরআনের আলোকে এই দায়িত্ব পালন করে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির পথ প্রশস্ত করতে পারি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর দ্বীন বুঝে তা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে প্রতিষ্ঠার তাওফিক দিন। আমীন।

মানবসেবা: কোরআন, হাদিস ও মনীষীদের আলোকেমানুষের সেবা করা একটি মহৎ কাজ, যা সমাজকে উন্নত ও শান্তিময় করে। কোরআন, হাদিস এবং ব...
31/03/2025

মানবসেবা: কোরআন, হাদিস ও মনীষীদের আলোকে
মানুষের সেবা করা একটি মহৎ কাজ, যা সমাজকে উন্নত ও শান্তিময় করে। কোরআন, হাদিস এবং বিশ্ববিখ্যাত মনীষীদের বাণীতে মানবসেবার গুরুত্ব বারবার প্রতিফলিত হয়েছে। সেবামূলক কাজ শুধু ব্যক্তি নয়, গোটা সমাজের উন্নতির জন্য অপরিহার্য।
কোরআনের দিকনির্দেশনা
কোরআন আমাদেরকে একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল ও দয়ালু হতে শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন:
“যে কেউ একটি প্রাণ বাঁচায়, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে বাঁচাল।” (সূরা আল-মায়িদা: ৩২)
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, মানবসেবা শুধু একটি ব্যক্তিগত কাজ নয়, বরং এটি একটি মহান দায়িত্ব।
হাদিসের শিক্ষামূলক বাণী
রাসূলুল্লাহ (সা.) মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন:
“আল্লাহ সেই ব্যক্তির সাহায্যে থাকেন, যে তার ভাইয়ের সাহায্য করে।” (সহিহ মুসলিম)

অন্যত্র তিনি আরও বলেন:
“সর্বোত্তম মানুষ সেই, যে অন্যদের উপকারে আসে।” (সহিহ বুখারি)
এই হাদিসগুলো মানুষের প্রতি সহানুভূতি, ভালোবাসা ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
মনীষীদের মানবসেবা বিষয়ক বাণী
বিশ্বের খ্যাতনামা মনীষীরাও মানবসেবার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। মহাত্মা গান্ধী বলেন:
“আপনি যদি প্রকৃত সুখ চান, তবে অন্যের সেবা করুন।”
মাদার তেরেসা বলেন:
“মানবসেবা হল ঈশ্বরের প্রতি ভালবাসার প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ।”
উপসংহার
মানুষের সেবা করা শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আত্মতৃপ্তির মাধ্যমও বটে। কোরআন, হাদিস ও মনীষীদের উক্তি থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, পরোপকারী হওয়া এবং মানুষের উপকার করা আমাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমরা যদি একে অপরের পাশে দাঁড়াই, তবে সমাজ আরও সুন্দর ও মানবিক হয়ে উঠবে।

 # **সূরা কদর: সংক্ষিপ্ত তাফসির ও বিশদ আলোচনা**   # # **📖 সূরা কদরের পরিচিতি**  - **নাম:** আল-কদর (القدر)  - **নাজিলের স...
24/03/2025

# **সূরা কদর: সংক্ষিপ্ত তাফসির ও বিশদ আলোচনা**

# # **📖 সূরা কদরের পরিচিতি**
- **নাম:** আল-কদর (القدر)
- **নাজিলের স্থান:** মক্কা
- **আয়াত সংখ্যা:** ৫
- **পারা:** ৩০তম
- **অর্থ:** মহিমান্বিত রজনী

---

# # **📜 সূরা কদরের সানে নুযুল (অবতরণের প্রেক্ষাপট)**
এ সূরা মক্কায় নাজিল হয়েছে বলে মত দেওয়া হলেও, কিছু বিদ্বান একে মদিনায় অবতীর্ণ বলে মত দিয়েছেন। তবে অধিকাংশ ব্যাখ্যাকারী একে মক্কী সূরা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

**☪️ নাযিলের কারণ:**
হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন সাহাবাদের সামনে অতীত যুগের এক ব্যক্তির ইবাদতের কথা বলছিলেন, যিনি এক হাজার মাস ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে ইবাদত করেছিলেন। সাহাবিরা এতে বিস্মিত হন এবং আফসোস করতে থাকেন যে, তাদের জীবন এত দীর্ঘ নয় যে, তারা এত বেশি ইবাদত করতে পারবেন। তখন আল্লাহ তাআলা এ সূরাটি নাজিল করেন, যেখানে তিনি জানিয়ে দেন যে, **শবে কদরের একটি রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।**
📖 *(ইমাম মালেক, মুয়াত্তা: ৩৮৬, তাফসির ইবনে কাসির)*

---

# # **📖 সূরা কদরের অনুবাদ ও ব্যাখ্যা**

# # # **🔹 আরবি ও বাংলা অনুবাদ:**
📌 **بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ**
**অর্থ:** পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

📌 **إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ**
**অর্থ:** নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) কুরআন নাজিল করেছি মহিমান্বিত রাতে।

📌 **وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ**
**অর্থ:** আর আপনি কীভাবে জানবেন যে মহিমান্বিত রাত কী?

📌 **لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ**
**অর্থ:** মহিমান্বিত রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

📌 **تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ**
**অর্থ:** এ রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিব্রাইল আ.) প্রত্যেক বিষয়ের জন্য তাদের রবের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হন।

📌 **سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ**
**অর্থ:** এ রাত শান্তিময় থাকে ফজরের طلوع পর্যন্ত।

---

# # # **📚 সূরা কদরের বিশদ ব্যাখ্যা (তাফসির):**

# # # **(১) কুরআন নাজিলের রাত:**
এ সূরার প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে, **"আমরা কুরআন নাজিল করেছি মহিমান্বিত রাতে।"**
- এ রাতই **লাইলাতুল কদর**, যখন কুরআনুল কারিম প্রথমবারে **লোহে মাহফুজ** থেকে প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়, এরপর ধাপে ধাপে ২৩ বছরে নবীজি (সা.)-এর ওপর নাজিল হয়।

# # # **(২) হাজার মাসের চেয়েও উত্তম:**
- সাধারণভাবে, **হাজার মাস = ৮৩ বছর ৪ মাস**।
- এই এক রাতের ইবাদত **৮৩ বছরের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব লাভের সুযোগ দেয়**।

# # # **(৩) ফেরেশতাদের অবতরণ:**
- শবে কদরের রাতে অসংখ্য ফেরেশতা দুনিয়ায় অবতরণ করেন এবং তারা সারা রাত মুমিনদের জন্য দোয়া ও রহমত বর্ষণ করেন।
- বিশেষভাবে, জিব্রাইল (আ.) এই রাতে অবতীর্ণ হন, যা এ রাতের মর্যাদাকে আরও বৃদ্ধি করে।

# # # **(৪) শান্তির রাত:**
- এটি এমন এক রাত, যখন **আল্লাহর বিশেষ রহমত ও মাগফিরাত বর্ষিত হয়**।
- **শয়তান এ রাতে কোনোরূপ অনিষ্ট করতে পারে না।**
- **এ রাত সুবহে সাদিক (ফজরের পূর্ব আলো) পর্যন্ত নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ থাকে।**

---

# # **📌 শবে কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত**
- রাসুল (সা.) বলেন, **"যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের আশায় শবে কদরের রাতে নামাজ আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।"**
📖 *(সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)*

- রাসুল (সা.) আরও বলেন, **"তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর মধ্যে শবে কদর সন্ধান করো।"**
📖 *(সহিহ বুখারি: ২০১৭, সহিহ মুসলিম: ১১৬৯)*

---

# # **📌 শবে কদরের শিক্ষা ও উপদেশ**
✅ **কুরআনের প্রতি ভালোবাসা:** এ রাতেই কুরআন নাজিল হয়েছে, তাই আমাদের উচিত কুরআন পড়া, বোঝা ও অনুসরণ করা।
✅ **ইবাদতের গুরুত্ব:** এক রাতের ইবাদতই হাজার মাসের ইবাদতের সমান সওয়াব লাভের সুযোগ দেয়।
✅ **দোয়া ও মাগফিরাত:** শবে কদর গুনাহ মাফের সেরা সুযোগ, তাই এ রাতে আল্লাহর কাছে তওবা করা উচিত।
✅ **সবর ও শোকর:** যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে, তারা মহান পুরস্কারের অধিকারী হয়।

---

# # **📌 শবে কদরের বিশেষ আমল**
✔️ **নফল নামাজ পড়া** – বিশেষত তাহাজ্জুদ নামাজ
✔️ **কুরআন তিলাওয়াত করা** – অর্থ ও তাফসির সহ পড়া
✔️ **ইস্তেগফার করা** – আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
✔️ **দোয়া করা** – বেশি বেশি দোয়া করা (বিশেষত আয়েশা (রা.)-এর শেখানো দোয়া)
✔️ **সদকা করা** – গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা
✔️ **দরুদ শরিফ পাঠ করা** – রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন

---

# # **🔹 উপসংহার**
সূরা কদর আমাদেরকে **এই বরকতময় রাতের গুরুত্ব, রহমত, ও অফুরন্ত কল্যাণ** সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। এটি এমন এক রাত, যখন আমাদের অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ হতে পারে এবং আমরা জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই রাতের পূর্ণ ফজিলত অর্জন করার তাওফিক দান করুন।

💙 **🌙 اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني** 🌙
(হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করাকে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করো) 🤲

**আল্লাহ আমাদের সবাইকে শবে কদরের বরকত ও রহমত দান করুন। আমিন! 🤍**

22/03/2025

#বাংলাদেশের
সবচেয়ে ছোট ইত্তেফাক করা শিশু
৫ বছর বয়সে ইত্তেফাক বসছে শিশুটি

ফিতরার গুরুত্ব ও হিসাবফিতরা কি ও এর গুরুত্বফিতরা বা সাদাকাতুল ফিতর হলো একটি বাধ্যতামূলক দান, যা রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতর...
21/03/2025

ফিতরার গুরুত্ব ও হিসাব

ফিতরা কি ও এর গুরুত্ব

ফিতরা বা সাদাকাতুল ফিতর হলো একটি বাধ্যতামূলক দান, যা রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতরের পূর্বে প্রদান করা হয়। এটি ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দান, যা মূলত গরিব-দুঃখীদের সাহায্য ও ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে দেওয়া হয়।

ফিতরার গুরুত্ব কেন?

১. পাপ থেকে মুক্তি: রোজার মধ্যে হয়ে যাওয়া ছোটখাটো ভুলত্রুটি ও অপূর্ণতাগুলো মাফ পেতে এটি একটি সুযোগ।
2. সমাজে সাম্যতা সৃষ্টি: ধনী-গরিব সবাই যেন ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে, তাই এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
3. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ: এটি আদায় করলে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।

---

ফিতরার পরিমাণ ও হিসাব

হাদিস অনুযায়ী, ফিতরার পরিমাণ হলো এক সা’ খাদ্যশস্য (প্রায় ৩.২৫ কেজি)। বর্তমানে, ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় বিভিন্ন খাদ্যশস্যের মূল্যের ভিত্তিতে, যেমন:

⚠ টাকার পরিমাণ বাজারদর অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে, তাই স্থানীয় উলামাদের থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জেনে নেওয়া উত্তম।

---

ফিতরা কাকে দেওয়া যায়?

১. গরিব ও দুঃস্থ মানুষ
২. অসহায় বিধবা ও এতিম
৩. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৪. মাদ্রাসার গরিব ছাত্র
৫. কোনো পথচারী যে সাহায্যের প্রয়োজন

---

ফিতরা আদায়ের সময়

✅ সর্বোত্তম সময়: ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে
✅ যদি আগে দেওয়া হয়: রমজানের যে কোনো সময় দেওয়া যায়
✅ দেরি করা হারাম: ঈদের নামাজের পর পর্যন্ত ফিতরা না দিলে গুনাহগার হতে হবে

---

উপসংহার

ফিতরা শুধুমাত্র একটি দান নয়, এটি রোজার পরিশুদ্ধি ও গরিবদের সাহায্যের অন্যতম মাধ্যম। তাই, ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে যথাযথভাবে সময়ের মধ্যে ফিতরা আদায় করা আমাদের দায়িত্ব।



  ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলের জুলুম: একটি মানবিক বিপর্যয়ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের সংঘাত কেবল একটি রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটি মান...
20/03/2025



ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলের জুলুম: একটি মানবিক বিপর্যয়

ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের সংঘাত কেবল একটি রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে একটি চরম নিপীড়নের ইতিহাস। কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, নিপীড়ন ও গণহত্যার শিকার হয়ে আসছে। তাদের ভূমি দখল করা হয়েছে, ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে প্রতিনিয়ত।

অধিকৃত ফিলিস্তিন: একটি অবরুদ্ধ জনপদ

১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের ভূমি হারাতে শুরু করে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা দখল করে ইসরায়েল। এরপর থেকে ফিলিস্তিনিদের জীবন হয়ে ওঠে এক অবর্ণনীয় দুঃস্বপ্ন। গাজা উপত্যকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার হিসেবে পরিচিত, যেখানে প্রায় ২৩ লাখ মানুষ শ্বাসরুদ্ধ পরিবেশে বসবাস করছে। ইসরায়েলি অবরোধের কারণে খাদ্য, পানি, বিদ্যুৎ ও ওষুধের চরম সংকট সেখানে প্রতিনিয়ত দেখা দেয়।

গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ

ইসরায়েলি বাহিনী বারবার ফিলিস্তিনে সামরিক অভিযান চালিয়ে সাধারণ জনগণের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করছে। হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার শিশু, নারী ও বৃদ্ধ নিহত হয়েছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এই নিপীড়নকে আরও উৎসাহিত করছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বৈষম্য

ফিলিস্তিনিরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন করে ইসরায়েলি দখলদাররা ফিলিস্তিনিদের জমি কেড়ে নিচ্ছে, তাদের চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে, এবং ইসরায়েলি বাহিনী সামান্য অজুহাতে তরুণদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিক্ষেপ করছে।

বিশ্বের ভূমিকা ও ন্যায়বিচারের দাবি

বিশ্বের অনেক দেশ ও সংগঠন ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানালেও ইসরায়েলের ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থনে ইসরায়েল বারবার আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেও শাস্তি এড়িয়ে যাচ্ছে।

ফিলিস্তিনের জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, এই মানবিক সংকট চলতেই থাকবে, এবং ইতিহাস এই নৃশংসতার জন্য দোষীদের ক্ষমা করবে না।

আমাদের করণীয়

ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে দাঁড়ানো

ইসরায়েলের নিপীড়ন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি তোলা


Address

Savar
Dhaka
1343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AL-Madad Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share