আস্থা-Astha

  • Home
  • আস্থা-Astha

আস্থা-Astha সহমর্মিতার স্পন্দন,আস্থার বন্ধন - The pulse of compassion, The bond of trust.

দুইদিন আগে একজন মা তার বাচ্চা নিয়ে এসেছিলেন।  বাচ্চার জ্বর ছিলো, তিনি বাচ্চাকে নাপা ড্রপ ১ চামচ খাইয়েছেন। আমি তাকে দ্বিত...
29/05/2026

দুইদিন আগে একজন মা তার বাচ্চা নিয়ে এসেছিলেন। বাচ্চার জ্বর ছিলো, তিনি বাচ্চাকে নাপা ড্রপ ১ চামচ খাইয়েছেন।

আমি তাকে দ্বিতীয় বার জিজ্ঞেস করলাম কি খাইয়েছেন? তিনি আবারো বললেন নাপা ড্রপ ১ চামচ!! আমি তিন নাম্বার বার জিজ্ঞেস করলাম ড্রপ না সিরাপ? বললো ড্রপ!!

আপনারা কি ধরতে পেরেছেন মা কি ভুল করেছে?

তার বাচ্চার ওজন ছিলো ৯ কেজি। হিসাবে নাপা বা যেকোন কোম্পানির প্যারাসিটামল খাওয়ানো উচিৎ - ৯×১৫=১৩৫ মি.গ্রাম।
১ মিলি নাপা ড্রপে থাকে ৮০ মি.গ্রাম
১ চামচ নাপা সিরাপে থাকে ১২০ মি.গ্রাম
১ চামচ=৫ মিলি
সেই হিসেবে উনি বাচ্চাকে নাপা ডোজ দিয়েছেন ১ চামচ নাপা ড্রপ -৮০×৫=৪০০ মি.গ্রাম, বাচ্চার প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি!!!

আমরা ২৪ ঘন্টায় বাচ্চাদের ওজনের ৫০ গুন নাপার বেশি দিতে পারবো না। ওই মা এক ডোজেই তা পূরণ করে দিয়েছেন। আর কয়েকবার বাচ্চাকে এই ডোজে নাপা দিলে বাচ্চা লিভার ফেইলিউর নিয়ে চলে আসতো। তাই বাবা মায়েরা খুব সাবধান থাকবেন এই ব্যাপারে।

লেখা: ডা: রুমানা আহমেদ

আলহামদুলিল্লাহ্!বাকেরগঞ্জ মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন প্রসূতী মায়ের জরুরী প্রয়োজনে বি পজেটিভ (B+ve) লাল ভালোবাসা দা...
27/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ্!
বাকেরগঞ্জ মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন প্রসূতী মায়ের জরুরী প্রয়োজনে বি পজেটিভ (B+ve) লাল ভালোবাসা দান করেছেন আস্থা-ঢাকা টিমের সম্মানিত সদস্য মোঃ আশিকুর রহমান খান।

আস্থা পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

18/04/2026

স্বপ্নজয়ের এক বছর: ‘আস্থা’র পথচলা
কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আর মানবিকতার এক বছর!

দেখতে দেখতে একটি বছর পার হয়ে গেল। ঠিক ৩৬৫ দিন আগে আমরা একবুক স্বপ্ন আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে শুরু করেছিলাম আমাদের প্রিয় সংগঠন ‘আস্থা’। আজ পেছনে ফিরে তাকালে বুকটা গর্বে ভরে ওঠে।

কি ছিল আমাদের লক্ষ্য?
‘আস্থা’র জন্ম হয়েছিল মানুষের বিপদে ভরসার জায়গা হতে। আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে, যেখানে অসহায় মানুষ সাহায্যের জন্য হাত বাড়ালে শূন্য হাতে ফিরবে না।

এক বছরের অর্জন ও কাজসমূহ:
এই এক বছরে আমরা সীমিত সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার:
• ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা সহায়তা: মাদ্রসায় কোরআনে হাফেজ পড়ুয়াদের মাঝে আল কোরআন বিতরণ
• বৃক্ষরোপন কর্মসূচী: বর্ষা মৌসুমে আমরা প্রথন বারের মতো স্কুল,মসজিদ,মন্দিরসহ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে আঙ্গিনায় সফলভাবে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করেছি।
• খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ: উৎসবের সময় নতুন পোশাক এবং সংকটে থাকা পরিবারগুলোর কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।রোজাদারদের মাঝে ইফতার এবং তীব্র দাবদাহে পানি,স্যালাইন এবং শরবত বিতরন।
• নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচি: নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া এবং তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করা।

হৃদয় নিংড়ানো কৃতজ্ঞতা:
এই পথচলা কখনোই একা সম্ভব হতো না। আজ এই বিশেষ দিনে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই:
• আমাদের সকল স্বেচ্ছাসেবক ভাইদের যারা রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
• আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের, সহযোদ্ধাদের ; যাদের নিঃস্বার্থ অনুদান আমাদের প্রতিটি প্রজেক্টকে সফল করেছে।
• সেইসব মানুষদের, যারা আমাদের ওপর ‘আস্থা’ রেখেছেন।

আগামীর ভাবনা:
এক বছর কেবল শুরু! আমাদের আরও বহুদূর যেতে হবে। আগামীতে আমরা মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য-এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই অনন্তকাল।

সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন আমরা আমাদের নামের মতোই মানুষের মনে আজীবন ‘আস্থা’ হয়ে থাকতে পারি।

দোয়া চাই, ভালোবাসা চাই, আপনাদের আস্থায় থাকতে চাই।

জরুরি হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ সম্পর্কিতসচরাচর জিজ্ঞাসা।মনে রাখবেন  ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা  পূর্ব...
08/04/2026

জরুরি হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ সম্পর্কিত
সচরাচর জিজ্ঞাসা।

মনে রাখবেন ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা পূর্বে যত ডোজ হাম রুবেলা টিকা পেয়ে থাকুক না কেন এই ক্যাম্পেইনে ১ ডোজ টিকা পাবে। ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে ইপিআই নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে হাম রুবেলা টিকা পেলেও এই ক্যাম্পেইনে ১ ডোজ টিকা পাবে। হাম সংক্রমণ মোকাবেলায় এটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে।

হাম থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে....
04/04/2026

হাম থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে....

দেশজুড়ে বাড়ছে হামের প্রকোপ: সোনামণির সুরক্ষায় মা-বাবার জন্য যা জানা প্রয়োজন.....সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে হা...
29/03/2026

দেশজুড়ে বাড়ছে হামের প্রকোপ: সোনামণির সুরক্ষায় মা-বাবার জন্য যা জানা প্রয়োজন.....

সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে হামের (Measles) প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় হাম খুব দ্রুত এক শিশু থেকে অন্য শিশুর শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে, সঠিক তথ্য জানা এবং সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই আমরা সোনামণিদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।

কেন হঠাৎ বাড়ছে হামের প্রকোপ?

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের প্রাদুর্ভাব সাধারণত একটি নির্দিষ্ট চক্র মেনে চলে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর এই ভাইরাসের প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। বাংলাদেশে সর্বশেষ ২০১৯ সালে হামের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। সেই চক্র অনুযায়ী, এ বছর হামের ঝুঁকি অত্যন্ত প্রবল। জানুয়ারির শুরু থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, তাই অভিভাবকদের এখন থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কীভাবে চিনবেন?

হাম হলে শরীরের ভেতরে ভাইরাস প্রবেশের ১০ থেকে ১২ দিন পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। সাধারণ সর্দিকাশির সাথে এর মিল থাকায় অনেকেই শুরুতে বিভ্রান্ত হন। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো:

১। তীব্র জ্বর: হঠাৎ করেই শিশুর শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়া।

২। সর্দি ও কাশি: নাক দিয়ে পানি পড়া এবং অনবরত খুসখুসে কাশি থাকা।

৩। চোখের সংক্রমণ: চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং আলোতে তাকাতে শিশুর কষ্ট হওয়া।

৪। র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: জ্বর শুরুর ৩ থেকে ৪ দিন পর কানের পেছন বা মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়া।

হাম নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা ও কুসংস্কার

আমাদের সমাজে হাম নিয়ে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে, যা শিশুর চিকিৎসায় মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করতে পারে:

ভুল ধারণা: হাম হলে শিশুকে গোসল করানো যাবে না বা গায়ে পানি লাগানো যাবে না।
সত্য: এটি সম্পূর্ণ ভুল। বরং শিশুর গায়ে জ্বর ও অস্বস্তি থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার তোয়ালে ভিজিয়ে তার শরীর আলতো করে স্পঞ্জ করে দিলে শিশু আরাম পাবে এবং শরীর পরিষ্কার থাকবে।

ভুল ধারণা: এ সময় শিশুকে মাছ-মাংস বা ডিম দেওয়া যাবে না।
সত্য: হামের সময় শিশুর শরীর ভাইরাসের সাথে লড়াই করে অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় তার পর্যাপ্ত প্রোটিন ও পুষ্টির দরকার। তাই চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে শিশুকে সব ধরনের সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

হামের চিকিৎসায় ভিটামিন 'এ' (Vitamin A)-এর গুরুত্ব

হাম হলে শিশুর শরীরে ভিটামিন 'এ'-এর মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতির কারণে চোখের কর্ণিয়ার বড় ধরনের ক্ষতি, এমনকি অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্র বা অন্ত্রের জটিলতা কমাতেও এই ভিটামিন সাহায্য করে। তাই সন্তান হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল বা সিরাপ খাওয়ানো নিশ্চিত করুন।

প্রতিরোধের উপায়: সচেতনতার বিকল্প নেই

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে নিরাপদ ও শতভাগ কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকা দেওয়া। বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) শিশুদের জন্য হাম ও রুবেলার (MR) টিকার দুটি ডোজ নির্ধারিত রয়েছে:

প্রথম ডোজ: শিশুর বয়স ঠিক ৯ মাস পূর্ণ হলে।

দ্বিতীয় ডোজ: শিশুর বয়স ১৫ মাস পূর্ণ হলে।

কর্মব্যস্ত জীবনে অনেক অভিভাবকই টিকার সঠিক তারিখ মনে রাখতে হিমশিম খান। কিন্তু একটি ডোজ বাদ পড়া মানেই সন্তানকে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া। তাই ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে বা মোবাইলে রিমাইন্ডার সেট করে হলেও টিকার তারিখটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। Kidora Smart Parenting বিশ্বাস করে, আপনার একটুখানি বাড়তি মনোযোগই পারে সন্তানের সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।

সন্তান আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক করণীয় কী?

১. আইসোলেশন বা আলাদা রাখা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে। তাই আক্রান্ত শিশুকে বাড়ির অন্য সুস্থ সদস্যদের, বিশেষ করে অন্য শিশুদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখুন।

২. পর্যাপ্ত তরল খাবার: এ সময় শিশুর শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। তাই বুকের দুধ, পানি, ফলের রস এবং তরল জাতীয় পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খেতে দিন।

৩. ডাক্তারের পরামর্শ: ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ কিনে খাওয়াবেন না। দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং তার নির্দেশিত চিকিৎসা চালিয়ে যান।

হাম সেরে যাওয়ার পর সোনামণির যত্ন

হামের র‍্যাশ মিলিয়ে যাওয়ার পর বা জ্বর কমে যাওয়ার পরও শিশু বেশ কিছুদিন শারীরিকভাবে দুর্বল থাকে। এই সময় তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরায় গড়ে তোলার জন্য সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রামের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাকে জোর করে কিছু না খাইয়ে, অল্প অল্প করে বারবার পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন।

সঠিক সময়ে নেওয়া আপনার একটি সচেতন সিদ্ধান্তই পারে সন্তানকে একটি সুস্থ ও সুন্দর শৈশব উপহার দিতে।

সবার সাথে শেয়ার করে সচেতনতা বাড়ানঃ
আপনার একটি শেয়ার হয়তো আরেকজন ব্যস্ত বাবা-মাকে সতর্ক করতে পারে এবং কোনো ছোট্ট সোনামণিকে এই মারাত্মক ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই সচেতনতা বাড়াতে আর্টিকেলটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে পরিবার ও পরিচিত অন্যান্য অভিভাবকদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

হাসিমুখেই ঈদ আসুক সবার ঘরে! ঈদের আনন্দ মানেই ভাগ করে নেওয়া। মানবিক সংগঠন 'আস্থা'-র পক্ষ থেকে রাজধানীতে সুবিধাবঞ্চিত মানু...
13/03/2026

হাসিমুখেই ঈদ আসুক সবার ঘরে!

ঈদের আনন্দ মানেই ভাগ করে নেওয়া। মানবিক সংগঠন 'আস্থা'-র পক্ষ থেকে রাজধানীতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের সামান্য প্রচেষ্টায় যদি একটি শিশুর মুখে হাসি ফোটে, তবেই আমাদের সার্থকতা।

আলহামদুলিল্লাহ্!
08/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ্!

আশিকুর রহমান খান , ঢাকা: পবিত্র রমজানের পবিত্রতা ও ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে রাজধানীর রাজপথে শ্রমজীবী মানুষের .....

জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদঃ-রাজধানীতে ‘আস্থা’র উদ্যোগে শতাধিক রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণপবিত্র ...
07/03/2026

জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদঃ-

রাজধানীতে ‘আস্থা’র উদ্যোগে শতাধিক রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ

পবিত্র রমজানের পবিত্রতা ও ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে রাজধানীর রাজপথে শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবিক সংগঠন ‘আস্থা’। গত শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা হাতিরঝিল ও রামপুরায় শতাধিক রোজাদারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

শুক্রবার ছুটির দিন হলেও রাজধানীর হাতিরঝিল ও রামপুরা এলাকায় পথচারী এবং মেহনতি মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আসরের নামাজের পর থেকেই আস্থার একঝাঁক উদ্যমী তরুণ স্বেচ্ছাসেবক ইফতারের প্যাকেট নিয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেন। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা রাস্তার পাশে থাকা রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর এবং ঘরে ফিরতে দেরি হওয়া সাধারণ মানুষের হাতে ইফতার তুলে দেন।

সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, কেবল ইফতার বিতরণই নয়, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। বিতরণের সময় স্বাস্থ্যবিধির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয় এবং প্রতিটি প্যাকেট অত্যন্ত যত্নসহকারে প্রস্তুত করা হয়। ইফতার বিতরন কার্যক্রমের অন্যতম সমন্বয়ক আবুল বাশার বলেন, শহরের জ্যাম আর কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই ইফতারের সময় সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন না। যার একটা বিরাট অংশ ভাসমান এবং শ্রমজীবী মানুষ। আমরা চেষ্টা করেছি সেইসব মানুষদের সামান্য ইফতার দিয়ে সহযোগিতা করতে। মানুষের দোয়াই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মূল চালিকাশক্তি।

ইফতার বিতরণ চলাকালীন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেক রোজাদার জানান, বর্তমান বাজারে এমন মানসম্মত ইফতার পাওয়া তাদের জন্য বড় একটি প্রাপ্তি। পঞ্চাশোর্ধ রিকশাচালক আবদুল মালেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,ইফতারের আগ মূহুর্তে ইফতার পেয়ে অনেক উপকার হইলো। আলহামদুলিল্লাহ।

সংগঠনটি সূত্রে জানা গেছে, কেবল ঢাকাতে নয়, রমজানে নারায়নগঞ্জ ও বরিশাল জেলায়ও তাদের এই ইফতার বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

ঈদের খুশি শুধু নিজের জন্য নয়, বরং সবার সাথে ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ। সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ঈদের রঙে রাঙাতে 'আ...
07/03/2026

ঈদের খুশি শুধু নিজের জন্য নয়, বরং সবার সাথে ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ। সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ঈদের রঙে রাঙাতে 'আস্থা'র এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ গ্রহন করেছে।
আসুন,আমরা যে যার জায়গা থেকে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি। ঈদ হোক সবার। 🌙

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস্থা-Astha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share