Bangladesh Federation of Film Societies

Bangladesh Federation of Film Societies Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Federation of Film Societies, Nonprofit Organization, 3rd floor of Planners Tower, 13/A Sonargoan (Bir Uttam CR Datta) Road, Dhaka.
(5)

The "Bangladesh Federation of Film Societies" is the umbrella organization for film societies in Bangladesh and the country's sole member of the International Federation of Film Societies.

22/08/2026
আজকের দৈনিক যায়যায়দিন।
22/08/2026

আজকের দৈনিক যায়যায়দিন।

21/08/2026

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস তথা অস্কারের সবচেয়ে আলোচিত বিভাগগুলোর একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’। এতে বিভিন্ন .....

21/08/2026

একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ৯৯তম আসরের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত...

21/08/2026

৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সিনেমা নির্ব.....

মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘ...
20/08/2026

মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সফল কার্যকালের প্রত্যাশা আমাদের । আমরা আশাবাদী, আপনার প্রজ্ঞা রাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করবে।

৯৯তম অস্কারে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের অফিসিয়াল মনোনয়নের জন্য চলচ্চিত্র আহ্বান বাংলাদেশ ৯৯তম অ্যাকা...
20/08/2026

৯৯তম অস্কারে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের অফিসিয়াল মনোনয়নের জন্য চলচ্চিত্র আহ্বান

বাংলাদেশ ৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস (অস্কার)-এর ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত্র নির্বাচনের লক্ষ্যে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি, বাংলাদেশি নির্মাতাদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করছে।

আগ্রহী প্রযোজক ও পরিচালকদের আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার-এর মধ্যে নির্ধারিত অনলাইন ফরম পূরণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমাদানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

শর্তাবলী ও নিয়মাবলী: অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস (AMPAS)-এর ৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস নিয়মাবলী অনুযায়ী, জমা দেওয়া চলচ্চিত্রকে নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:

১. চলচ্চিত্রটি অবশ্যই পূর্ণদৈর্ঘ্য হতে হবে (৪০ মিনিটের বেশি)। পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্রের পাশাপাশি পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ও প্রামাণ্যচিত্রও আবেদনের যোগ্য।

২. চলচ্চিত্রের মূল সংলাপ, ডায়ালগ ট্র্যাকের অন্তত ৫০%-এর বেশি বাংলাদেশী ভাষায় হতে হবে। চলচ্চিত্রে নির্ভুল ও স্পষ্টভাবে পাঠযোগ্য ইংলিশ সাবটাইটেল থাকা বাধ্যতামূলক।

৩. চলচ্চিত্রটি অবশ্যই ১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক প্রেক্ষাগৃহে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে একই সিনেমা হলে সাধারণ দর্শকের জন্য অন্তত টানা ৭ (সাত) দিন প্রদর্শিত হতে হবে।

৪. প্রেক্ষাগৃহে বাণিজ্যিক মুক্তির পূর্বে যদি সিনেমাটি কোনো অ-প্রেক্ষাগৃহ মাধ্যমে (যেমন: টেলিভিশন, পে-পার-ভিউ, ওটিটি/স্ট্রিম, ডিভিডি, বিমানে প্রদর্শন বা ইন্টারনেট) প্রদর্শিত বা প্রচারিত হয়ে থাকে, তবে উক্ত চলচ্চিত্র অস্কারের জন্য অযোগ্য বলে গণ্য হবে।

৫. আবেদন করা চলচ্চিত্রটির ক্রিয়েটিভ কন্ট্রোল মূলত বাংলাদেশের নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দার হাতে থাকতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার এর মধ্যে নিচের লিঙ্কের ফর্মটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রদান করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। অনলাইন আবেদন ফর্মের লিঙ্ক:

https://forms.gle/3NQQHmXFSKkDpMnc7

উল্লেখ্য: ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে কিংবা অ্যাকাডেমির নিয়ম বহির্ভূত কোনো তথ্য থাকলে উক্ত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হতে পারে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, হোটেল সোনারগাও সকাল ১১টায় জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

যোগাযোগ : আব্দুল্লাহ আল মারুফ
সাবমিশন কোঅর্ডিনেটর, অস্কার বাংলাদেশ কমিটি
ফোন: +880 1711-985186

🎬 জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি | জহির রায়হানবাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের ইতিহাসে জহির রায়হান এক অনন্য নাম। জন্মদিনে বাংলাদে...
19/08/2026

🎬 জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি | জহির রায়হান

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের ইতিহাসে জহির রায়হান এক অনন্য নাম। জন্মদিনে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছে এই বহুমাত্রিক শিল্পীকে যিনি তাঁর সৃষ্টিশীলতা, প্রতিবাদী চেতনা ও মানবিক দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন।

জহির রায়হান ছিলেন একাধারে কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, চিত্রপরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, চিত্রগ্রাহক ও প্রযোজক। অন্যায়, অমানবিকতা, দুঃশাসন, সামাজিক আধিপত্য ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তাঁর শিল্পীসত্তা সবসময় সোচ্চার ছিল। নিপীড়িত মানুষের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা তাঁর সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে বারবার প্রতিফলিত হয়েছে।

১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট, তৎকালীন নোয়াখালী জেলার ফেনী মহকুমার অন্তর্গত মজুপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর প্রকৃত নাম আবু আবদার মোহাম্মাদ জহিরুল্লাহ, ডাকনাম ‘জাফর’। শিল্প-সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে ভর্তি হন।

১৯৫০ সালে ‘যুগের আলো’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় তাঁর যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করার পাশাপাশি ১৯৫৬ সালে ‘প্রবাহ’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তাঁর লেখা ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- সূর্যগ্রহণ, শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আর কতদিন, কয়েকটি মৃত্যু, বরফ গলা নদী, তৃষ্ণা প্রভৃতি। ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৬৪ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন এবং ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হন।

চলচ্চিত্রে তাঁর পদার্পণ ১৯৫৭ সালে। ১৯৬১ সালে ‘কখনো আসেনি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর নির্মাণ করেন সোনার কাজল (১৯৬২), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), উর্দু চলচ্চিত্র সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), বেহুলা (১৯৬৬), আনোয়ারা (১৯৬৭) এবং কালজয়ী ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০)।

সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ধারণ করা ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছিল তাঁর সাহসী ও প্রতিবাদী চলচ্চিত্র-প্রয়াস। নির্মাণকালে তাঁকে সরকারি নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। চলচ্চিত্রের ভাষা, আঙ্গিক ও নির্মাণশৈলী নিয়ে নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে নতুন পথ দেখিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে তাঁর ‘আর কতদিন’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ অসমাপ্ত থেকে যায়। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ওপার বাংলায় চলে যান। সেখানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে নির্মাণ করেন ঐতিহাসিক প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ ও ‘বার্থ অব আ নেশন’। তাঁর তত্ত্বাবধানে বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়ন’ এবং আলমগীর কবীরের ‘লিবারেশন ফাইটারস’ প্রামাণ্যচিত্রও নির্মিত হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তাঁর চলচ্চিত্র প্রদর্শনী থেকে প্রাপ্ত অর্থ তিনি মুক্তিযোদ্ধা তহবিলে দান করেন।

পরিচালনার পাশাপাশি তিনি প্রযোজনা করেছেন জুলেখা (১৯৬৭), দুই ভাই (১৯৬৮), সংসার (১৯৬৮), সুয়োরাণী-দুয়োরাণী (১৯৬৮), কুচবরণ কন্যা (১৯৬৮), মনের মত বউ (১৯৬৯), শেষ পর্যন্ত (১৯৬৯) এবং প্রতিশোধ (১৯৭২)।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৫ সালের প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাঁকে মরণোত্তর বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে একুশে পদক এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার-এ ভূষিত করা হয়-দুটিই মরণোত্তর।

স্বাধীনতার পর ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। তাঁর নিখোঁজ ভাই, কথাসাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার, যিনি স্বাধীনতার ঠিক পূর্বমুহূর্তে আল-বদর বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছিলেন, তাঁকে খুঁজতে শুরু করেন জহির রায়হান। সেই সন্ধান তাঁকে নিয়ে যায় মিরপুরে। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি মিরপুরে যাওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। এরপর তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। প্রচলিত ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, সেদিন মিরপুরে বিহারী ও ছদ্মবেশী পাকিস্তানি সৈন্যদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিনি নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

Address

3rd Floor Of Planners Tower, 13/A Sonargoan (Bir Uttam CR Datta) Road
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Federation of Film Societies posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share