03/01/2026
1. বোনাস টিপ: কিভাবে শুরু করবেন?
১. মনস্থির করুন:
উপরের ২০টি কাজ থেকে যেকোনো একটি বেছে নিন যেটি আপনার কাছে সহজ মনে হয়।
২. শিখুন:
ইউটিউবে গিয়ে সেই কাজটি লিখে সার্চ দিন। যেমন- "How to edit video in CapCut mobile"। ৩-৪ দিন ভিডিও দেখে প্র্যাকটিস করুন।
৩. প্রোফাইল তৈরি:
আপনার কাজের কিছু স্যাম্পল তৈরি করুন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করুন।
৪. পেমেন্ট গেটওয়ে:
টাকা নেওয়ার জন্য বিকাশ বা নগদ একাউন্ট সচল রাখুন। বিদেশি ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে Payoneer বা Wise একাউন্ট খুলে নিন (ফোনে অ্যাপ আছে)। 2.অনেকে বিজনেস করলেও ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে অ্যাড রান করতে জানে না। আপনি ফোনের 'Meta Ads Manager' অ্যাপ ব্যবহার করে তাদের জন্য টার্গেটেড অ্যাড সেটআপ করে দিতে পারেন এবং এর বিনিময়ে একটি সার্ভিস চার্জ নিতে পারেন।
============================== 3. আপনার যদি ফটোগ্রাফির শখ থাকে, তবে এলাকার কোনো রেস্টুরেন্টের খাবারের ছবি বা ছোট কোনো ইভেন্টের ভিডিও আপনার ফোন দিয়েই করে দিতে পারেন। এখন অনেক ছোট বিজনেস প্রফেশনাল ক্যামেরার চেয়ে ফোনের ভালো ভিডিওকে বেশি গুরুত্ব দেয়। Redbubble বা Teespring সাইটে আপনার করা ডিজাইন আপলোড দিন। কেউ আপনার ডিজাইনের টি-শার্ট বা মগ অর্ডার করলে কোম্পানিই সেটি প্রিন্ট করে ডেলিভারি দেবে। ডিজাইনগুলো আপনি ফোনের ক্যানভা অ্যাপ দিয়েই করতে পারেন। আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে লোগো ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিংয়ের কাজ নিলেন ১০০০ টাকায়, তারপর সেই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে একটা এমাউন্টে করিয়ে নিলেন। মাঝখানে যে টাকাটা থাকবে আপনার প্রফিট। আপনার কাজ শুধু ফোন দিয়ে ক্লায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে যোগাযোগ রাখা। ==================== আপনার এলাকার পাইকারি বাজার থেকে কোনো ইউনিক প্রোডাক্ট (যেমন: গ্যাজেট বা টি-শার্ট) কিনে Facebook Marketplace এ লিস্টিং দিন। অর্ডার আসলে কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দিন। ফোন দিয়েই আপনি পুরো বিজনেসটি কন্ট্রোল করতে পারবেন। ================================= Daraz বা অন্য কোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যোগ দিন। আপনার শেয়ার করা নির্দিষ্ট লিংকের মাধ্যমে কেউ কিছু কিনলে আপনি কমিশন পাবেন। এর জন্য শুধু আপনার সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক কাজে লাগানোই যথেষ্ট। ================================= আপনি যদি কোনো গাইডলাইন বা চেকলিস্ট বানাতে পারেন (যেমন: 'কিভাবে ১ মাসে ইংরেজি শিখবেন'), তবে সেটি PDF বানিয়ে অনলাইনে সেল করতে পারেন। ‘Gumroad’ ব্যবহার করে লিংক শেয়ারের মাধ্যমে সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে দিতে পারেন। ===================== কোনো অডিও বা ভিডিও শুনে সেটি টেক্সট আকারে লিখে দেওয়াকে ট্রান্সক্রিপশন বলে। এটি ফোনে শুনে শুনে কিবোর্ডে টাইপ করে বা ভয়েস-টু-টেক্সট অ্যাপ ব্যবহার করে খুব সহজেই করা সম্ভব।
============================== ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে আপনি কারো ইমেইল ম্যানেজ করা, মিটিংয়ের সময়সূচী ঠিক করা বা ফেসবুক পেজের ইনবক্স রিপ্লাই দেওয়ার কাজ করতে পারেন। ফোনে Gmail এবং Calendar অ্যাপ থাকলেই আপনি এই কাজের জন্য প্রস্তুত। ======================================== Fiverr অ্যাপটি ফোনে নামিয়ে একটি প্রোফাইল খুলুন। এখানে খুব ছোট ছোট কাজ যেমন ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সেট করা, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা বা ছোট ক্যাপশন লিখে দেওয়ার সার্ভিস দিতে পারেন। এগুলো ফোনের বিভিন্ন ফ্রি অ্যাপ দিয়েই প্রফেশনালভাবে করা যায়। ======================== Upwork একটি বিশ্বখ্যাত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম। এর মোবাইল অ্যাপ বা ব্রাউজার ব্যবহার করে আপনি লেখালেখি (Writing), ছোট ছোট রিসার্চ বা ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারেন। আপনার ফোনের Google Docs বা Notes অ্যাপ ব্যবহার করে আর্টিকেল লিখে ক্লায়েন্টকে জমা দিতে পারেন।