One Islam Zone

One Islam Zone যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়। (কুরআন ১৩:২৮)

‘তোমাদের হল কী যে, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে অস্বীকার করছ? (সূরা নূহ | আয়াত ১৩)
03/02/2026

‘তোমাদের হল কী যে, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে অস্বীকার করছ? (সূরা নূহ | আয়াত ১৩)

প্রতিটি জীবন মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করবে এবং ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদেরকে পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্না...
21/12/2025

প্রতিটি জীবন মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করবে এবং ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদেরকে পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করা হল এবং জান্নাতে দাখিল করা হল, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হল, কেননা পার্থিব জীবন ছলনার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। (সূরা আলে ইমরান | আয়াত ১৮৫)

এটি একটি মহা আশ্চর্যজনক আয়াত, যেখানে কয়েকটি বিষয় বর্ণিত হয়েছে। প্রথমত, মৃত্যু এমন এক ধ্রুব সত্য বিষয় যে, তা থেকে নিষ্কৃতির কোন পথ নেই। প্রত্যেক প্রাণীই যাকে সৃষ্টি করা হয়েছে অবশ্যই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে। সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত মৃত্যুর এই ধারা অব্যাহত আছে এবং থাকবে। আল্লাহ তা'আলার এই নিয়মে কোন পরিবর্তন নেই। আর না আছে এমন কেউ যা পরিবর্তন করতে সক্ষম।

দ্বিতীয়ত, দুনিয়াতে ভাল-মন্দ যে যাই করুক না কেন, তাকে তার পরিপূর্ণ প্রতিদান পরকালে দেওয়া হবে। দুনিয়া হচ্ছে পরকাল উপার্জনের স্থান। কেউ যদি দুনিয়াতে মন্দ কর্ম উপার্জন করে, পরকালে তাকে সেই অনুপাতে মন্দ কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে। পক্ষান্তরে ভালো কাজের প্রতিদানও, ভালো কাজের অনুপাতে দেওয়া হবে।

তৃতীয়ত, প্রকৃত সফলতা সেই অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যে দুনিয়াতে থাকাকালীন স্বীয় প্রতিপালককে সন্তুষ্ট করে নিয়েছে এবং যার ফল স্বরূপ তাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হয়েছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে।

চতুর্থত, পার্থিব জীবন হল ধোঁকার বস্তু। এই ধোঁকা থেকে যে নিজেকে বাঁচিয়ে নিতে পারবে, সেই হবে সফলকাম। আর যে এই ধোঁকার জালে ফেঁসে যাবে, সেই হবে ব্যর্থ ও হতভাগ্য।

এবং তোমাদের মধ্যে এরূপ এক সম্প্রদায় হওয়া উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহবান করে এবং সৎ কাজে আদেশ করে ও অসৎ কাজে নিষেধ করে, আর...
20/12/2025

এবং তোমাদের মধ্যে এরূপ এক সম্প্রদায় হওয়া উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহবান করে এবং সৎ কাজে আদেশ করে ও অসৎ কাজে নিষেধ করে, আর তারাই সুফল প্রাপ্ত হবে। (সূরা আলে ইমরান | আয়াত ১০৪)

☝️ এই উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।ইসলামে ঐক্য অপরিহার্য, যা মুসলিম উম্মাহকে এক জাতিতে পরিণত করে এবং আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে ধারণ...
19/12/2025

☝️ এই উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।

ইসলামে ঐক্য অপরিহার্য, যা মুসলিম উম্মাহকে এক জাতিতে পরিণত করে এবং আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করার নির্দেশ দেয়। এটি ভালোবাসা, সহযোগিতা, এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধন তৈরি করে, যা সমাজে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনে এবং সকল মুসলিমকে ভ্রাতৃত্বের সূত্রে আবদ্ধ করে, যা বিপদ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অপরিহার্য।

ইসলামী ঐক্যের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাঃ

• আল্লাহর নির্দেশ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, "আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং বিভক্ত হয়ো না।" (সূরা আলে ইমরান, ১০৩)। https://quran.com/3/103
• ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: এটি মুমিনদের মধ্যে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করে, যেমন মদীনার আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছিল।
• সামাজিক শক্তি: ঐক্যবদ্ধ থাকলে মুসলিম সম্প্রদায় দুর্বল হয় না, বরং সম্মিলিতভাবে কল্যাণমূলক কাজে অংশ নিতে পারে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
• আত্মিক উন্নতি: ঐক্যবদ্ধতা ও একে অপরের জন্য ভালো চাওয়া (যা নিজের জন্য চায়) মুমিনদের ঈমানকে পূর্ণতা দেয় এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভে সাহায্য করে।
• সংকট মোকাবিলা: এটি মুসলিমদের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্য বা সংঘাতের সময় একে অপরকে সাহায্য করতে এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর শক্তিকে একত্রিত করতে সাহায্য করে।
• সম্প্রীতি ও শান্তি: ঐক্য মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ ও কলহ দূর করে এবং ভালোবাসা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের বিষয় এই যে ইসলামী ঐক্যের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানা স্বত্বেও মুসলিম উম্মাহ আজ বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত। আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন, যেন আমরা তার রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করি এবং পরস্পর বিভক্ত না হই। কিন্তু তিক্ত হলেও সত্য যে মুসলিম উম্মাহর বিরাট একটা অংশ আল্লাহ তা'আলার এই আদেশকে অমান্য করার কারণে আজ আমরা দুর্বল জাতিতে পরিণত হয়েছি। ফলে আগ্রাসী শত্রুরা আমাদেরকে খুব সহজেই লক্ষ্যবস্তু করছে।

আজ পৃথিবীর যেখানেই মুসলিমদের রক্ত ঝরছে, তা হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অনৈক্যের ফল। ঐক্যহীনতার কারণেই মুসলিমরা আজ আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারে না। কেবলমাত্র ফিলিস্তিন ইস্যুকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহ কতটা বিভক্ত তা বর্তমান বাস্তবতা থেকে খুব সহজেই বোঝা যায়। ঐক্যহীনতার এই পরাজিত মানসিকতার কারণে আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে নিরীহ মুসলিমরা আগ্রাসী শক্তির জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

ঐক্যহীনতা এই উম্মাহকে প্রতিটি পদে পদে দুর্বল করে দিয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্যতা কিংবা অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় মুসলিম উম্মাহ আজ বিপর্যস্ত। ওয়াল্লাহি, এটা তো শুধু আল্লাহ তা'আলার একটা আদেশ অমান্য করার কারণে আমাদের উপর এই অধঃপতন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই উম্মাহর বিরাট একটা অংশ প্রতিনিয়ত আল্লাহ তা'আলার আদেশ-নিষেধ অমান্য করে চলছে। তাহলে একবার ভাবুন তো, আমাদের পরিণতি কি হতে পারে!

প্রিয় উম্মাহ, আমরা এক দেহের ন্যায়, আমরা এক উম্মাহ। আমাদের ঐক্যের মাঝেই রয়েছে শক্তি। কোনভাবেই আমাদের ঐক্যহীন হলে চলবে না। দুনিয়াবি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বার্থকে পদদলিত করে উম্মাহর স্বার্থে এক তাওহীদের ভিত্তিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।

Follow 👉 Jahidur Rahman

দুর্বল ও ভঙ্গুর শাসন ব্যবস্থাই ওসমান হাদীর মৃত্যুর পথকে সুগম করেছে। শরীফ ওসমান হাদী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন...
19/12/2025

দুর্বল ও ভঙ্গুর শাসন ব্যবস্থাই ওসমান হাদীর মৃত্যুর পথকে সুগম করেছে।

শরীফ ওসমান হাদী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। তিনি ছিলেন ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী সম্মুখসারির একজন যোদ্ধা। ভারতীয় সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, যার জ্বালাময়ী বক্তব্যে দিল্লির মসনদ কেঁপে উঠত।

যেই জুলাই যোদ্ধাদের কাঁধের উপর ভর করে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো, তাদের কি উচিত ছিল না! জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দেওয়া? কিন্তু সরকার এখানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। হাদীর মৃত্যু আমাদের সামনে সরকারের দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। দুর্বল সরকার ব্যবস্থার কারণেই অভ্যন্তরীণ ও ভিনদেশী আগ্রাসী শক্তি দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সুযোগ পাচ্ছে। প্রচলিত বিদ্যমান সরকার কাঠামো যে জনগনের জান মালের পরিপূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়, তা গত কয়েক মাসের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে তাকালেই বোঝা যায়।

যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে ছিলো, মোটা দাগে তার কোনটাই সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সরকারের সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো ছিলো, তা শনাক্ত করে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পূর্ববতী ফ্যসিস্ট রেজিমের হেজিমনি সমূলে উৎপাটন করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়ে জুলাই যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে ছিলো, তা পূরণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আমরা একটি অস্থিতিশীল বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করছি।

ওসমান হাদীর রক্তের দাগ এখনো হয়তো শুকায়নি। কিন্তু ওসমান হাদীর ও আমাদের শত্রুরা এখনো তৎপর রয়েছে তদের ঘৃণ্য এজেন্ডার পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের জন্য। পরবর্তী টার্গেট হয়তো আপনি অথবা অন্য কেউ!

খোরাসানের বিজয় মানে পুরো মুসলিম উম্মাহর বিজয়। বিলাদ আশ-শামের বিজয় মানে পুরো মুসলিম উম্মাহর বিজয়। একবিংশ শতাব্দীতে খোরাসা...
16/12/2025

খোরাসানের বিজয় মানে পুরো মুসলিম উম্মাহর বিজয়। বিলাদ আশ-শামের বিজয় মানে পুরো মুসলিম উম্মাহর বিজয়।

একবিংশ শতাব্দীতে খোরাসানের বিজয়ের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর বিজয়ের ধারা সুচিত হয়েছে। জেরুজালেম (আল কুদস) বিজয়ের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর বিজয়ের সেই ধারা পূর্ণতা লাভ করবে (বিইজনিল্লাহ)।

আল্লাহ মু’মিনদের অভিভাবক, তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন এবং কাফিরদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত, সে তাদেরকে আলো থ...
12/12/2025

আল্লাহ মু’মিনদের অভিভাবক, তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন এবং কাফিরদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত, সে তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই আগুনের বাসিন্দা, এরা চিরকাল সেখানে থাকবে। (কুরআন ০২:২৫৭) https://quran.com/2/257

আর তাদের মুকাবিলার জন্য তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও অশ্ব বাহিনী প্রস্তুত কর, তা দ্বারা তোমরা ভয় দেখাবে আল্লাহর শত্র...
08/12/2025

আর তাদের মুকাবিলার জন্য তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও অশ্ব বাহিনী প্রস্তুত কর, তা দ্বারা তোমরা ভয় দেখাবে আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদেরকে এবং এরা ছাড়া অন্যদেরকেও, যাদেরকে তোমরা জান না, আল্লাহ তাদেরকে জানেন। আর তোমরা যা আল্লাহর রাস্তায় খরচ কর, তা তোমাদেরকে পরিপূর্ণ দেয়া হবে, আর তোমাদেরকে যুলম করা হবে না। (কুরআন ৮:৬০) https://quran.com/8/60

ঘন ঘন ভূকম্পন! তবুও কি আমরা সতর্ক হবো না?সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে বেশ ঘন ঘন ভূকম্পন অনুভূত হচ্ছে যা অন্যান...
06/12/2025

ঘন ঘন ভূকম্পন! তবুও কি আমরা সতর্ক হবো না?

সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে বেশ ঘন ঘন ভূকম্পন অনুভূত হচ্ছে যা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশী। গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে ছোট থেকে মাঝারি বেশ কয়েকটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে যা ছিল বেশ উদ্বেগজনক। সুবহানাল্লাহ! এটা শুধু নিছক কোন প্রাকৃতিক কিংবা কাকতালীয় কোন বিষয় নয়। ববং হতে পারে এটা বিশেষ এক সতর্ক বার্তা যা এই সম্প্রদায়ের পাপাচারী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। হতে পারে এটা এমন এক সতর্ক বার্তা যা বড় কোন যন্ত্রণাদায়ক আজাবের পূর্বাভাস।

পূর্ববর্তী জনপদবাসীদের উদ্দেশ্যেও আল্লাহ তা'আলা সতর্কবাণী প্রেরণ করেছিলেন। কিন্তু তারা আল্লাহ তা'আলার সতর্কবাণী প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেই সাথে তাদের কুফরী, একগুয়েমী ও পথভ্রষ্টতার দরুন আল্লাহ তা'আলার আজাব তাদের উপর অবধারিত হয়েছিল।

আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ অতঃপর ভূমিকম্প তাদেরকে হঠাৎ আঘাত হানল আর তারা তাদের ঘরবাড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে রইল। (কুরআন ৭:৯১) (https://quran.com/7/91)

এই আয়াতে শু'আইব (আঃ)-এর সম্প্রদায়, অর্থাৎ মাদাইনবাসীদের (আসহাব আল-আইকা) কথা বলা হয়েছে। তারা মাপে ও ওজনে কম দেওয়া, ব্যবসায়ীদের মালামাল লুণ্ঠন করা এবং জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করার মতো পাপকাজে লিপ্ত ছিল। তারা এক আল্লাহর ইবাদত ছেড়ে গাছপালা ও মূর্তিপূজা করত। মূলত তাদের অবাধ্যতা, কুফরী, একগুয়েমী ও পথভ্রষ্টতার দরুন আল্লাহ তা'আলার আজাব তাদের উপর অবধারিত হয়েছিল। নবী শু'আইব (আঃ)-কে অস্বীকারকারীদের পরিণতি এমন হয়েছিল যেন তারা সেখানে কোনদিন বসবাসই করেনি।

মোটা দাগে, আমাদের সমাজে পূর্ববর্তী কওমের সবধরনের পাপাচার বিদ্যমান। মাপে কম দেওয়া, সুদ-ঘুষ, মদ, যিনা-ব্যভিচার, অশ্লীল ও বেহুদা কথাবার্তা, চোগলখুরী, মানুষকে ঠকানো, শিরক ও কুফরী, আল্লাহ ও তার রাসুল (ﷺ)-এর অবাধ্যতা এমন কোন হীন পাপ কাজ নেই যা এই সমাজে বিদ্যমান নেই। বরং এই সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালিত হয় আল্লাহদ্রোহী আইনের মাধ্যমে। এই সমাজে এমন আইন বিদ্যমান, যে আইনের মারপ্যাঁচে ইসলামের অনেক হারাম বিষয়গুলোকে বৈধ তথা হালাল সাব্যস্ত করা হয়েছে। অপর দিকে মানবরচিত এই আইনের মারপ্যাঁচে ইসলামের হালাল বিষয়গুলোকে কঠিনতর করা হয়েছে।

প্রিয় উম্মাহ, আমাদের উপর আল্লাহর আজাব আপতিত হওয়ার জন্য এই পাপ কাজগুলোই কি যথেষ্ট নয়? আল্লাহর দয়া ও রহমত না থাকলে হয়তো বহুপূর্বেই আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম। এই উম্মতের জন্য আল্লাহর রাসুল (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে হেদায়েত, ক্ষমা ও কল্যাণের দোয়া না থাকলে হয়তো বহুপূর্বেই আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম। আল্লাহর জমিনে হয়তো বা এমন কোন নেক বান্দারা রয়েছে যাদের দরুন আল্লাহ তা’আলা আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন।

পাপাচারীদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা, তোমরা এবার থামো। তাওবা ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলার দিকে প্রত্যাবর্তন করো। তা না হলে আমাদের দিকে আল্লাহর আজাব ধেয়ে আসতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

হে আমাদের রব, আপনি আমাদের পাপের দরুন আমাদের ধ্বংস করে দিবেন না। হে আমাদের রব, আপনি আমাদের তাওবা কবুল করুন এবং আমাদের ক্ষমা করুন।

আমরা যদি বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবাতার দিকে তাকাই, তবে ইসলামের সবচেয়ে বড় দুশমন হচ্ছে ইয়াহূদ ও নাসারারা। এরাই ইসলাম ও মুস...
03/12/2025

আমরা যদি বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবাতার দিকে তাকাই, তবে ইসলামের সবচেয়ে বড় দুশমন হচ্ছে ইয়াহূদ ও নাসারারা। এরাই ইসলাম ও মুসলিমদের সবচেয়ে বেশী বিরুদ্ধাচরণকারী। পৃথবীর যেখানেই মুসলিমদের রক্ত ঝরছে, এর জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কোন না কোনভাবে এই ইয়াহূদ ও নাসারারাই দায়ী। মুসলিমদের সম্পদ লুণ্ঠনের ব্যাপারে এরাই সবচেয়ে অগ্রগামী। ইসলামের গণজাগরণকে রুখে দেওয়ার জন্য এমন কোন হীন চক্রান্ত নেই যা তারা করছে না।

এই অবস্থায় কোন মুসলিম তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে পারে না। এমন কোন বিষয়ে কোন মুসলিম তাদেরকে সাহায্য- সহযোগিতা করতে পারে না যা সরাসরি ইসলামের বিরুদ্ধে যায়। বরং প্রতিটি মুসলিমের উচিত তাদের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করা। প্রতিটি মুসলিমের উচিত দ্বীনের ব্যাপারে একে অপরকে সহযোগীতা করা। যতক্ষণ না ইসলাম পরিপূর্ণরূপে কায়েম হয়ে যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রতিটি মুসলিমের উচিত দ্বীনের উপর অটল-অবিচল থেকে সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় আল্লাহর রাহে কুফফারদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

কিন্তু কোন মুসলিম যদি ইসলামের বিরুদ্ধে কুফফারদের সাহায্য করে তবে তাদের জন্য নিচের আয়াতই যথেষ্ঠ।

হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহূদ ও নাসারাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না, তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ যালিমদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না। (কুরআন ৫:৫১) https://quran.com/5/51

শাকিক (রহ.) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সঙ্গে ছিলাম। তারা বলেন, নবী (ﷺ) বলে...
28/11/2025

শাকিক (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সঙ্গে ছিলাম। তারা বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ অবশ্যই ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইলম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ’ বর্ধিত হবে। আর ‘হারজ’ হল (মানুষ) হত্যা। (সহিহ বুখারী-৭০৬২)

ইসলামের শত্রুদের জেনে রাখা উচিত, আল্লাহর প্রতিশ্রুত সময় অবশ্যই আসবে, যথা সময়ে! আল্লাহর জমিনে আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি করা হ...
27/11/2025

ইসলামের শত্রুদের জেনে রাখা উচিত, আল্লাহর প্রতিশ্রুত সময় অবশ্যই আসবে, যথা সময়ে!

আল্লাহর জমিনে আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি করা হচ্ছে। প্রিয় নবী (ﷺ) এর শানে বেয়াদবি করা হচ্ছে। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও ধারাবাহিকভাবে ইসলামকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। একদল আল্লাহ ও তার রাসুল (ﷺ) কে নিয়ে নোংরা ভাষায় কটুক্তি করছে, আরেক দল তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে নিরাপত্তা দিচ্ছে। আল্লাহর শত্রুরা চুপ করে বসে নেই। বরং তারা প্রতিটি মূহুর্ত ইসলামকে মিটিয়ে দেওয়ার কাজে লিপ্ত আছে। কিন্তু আল্লাহর শত্রুদের মনে রাখা উচিত, তারা চাইলেই ইসলামকে মিটিয়ে ফেলতে পারবে না। তারা চাইলেই আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে ফেলতে পারবে না। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন,

তারা তাদের মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নূরকে পরিপূর্ণ করবেনই যদিও কাফিররা (তা) অপছন্দ করে। (কুরআন ৬১:৮)

আল্লাহ তা’আলা চাইলেই তাদের পাপের দরুণ তাদেরকে সাথে সাথে শাস্তি আস্বাদন করাতে পারতেন। ফলে তারা এক মুহূর্তের জন্যও সামনে বা পশ্চাতে অগ্রসর হতে পারতো না। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন,

আল্লাহ যদি মানুষকে তাদের সীমালঙ্ঘনের জন্য পাকড়াও করতেন, তাহলে যমীনের উপর কোন প্রাণীকেই তিনি রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি একটা নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত তাদেরকে সময় দেন। তাদের সময় এসে গেলে এক মুহূর্তও অগ্র-পশ্চাৎ করা হয় না। (কুরআন ১৬:৬১)

দ্বীনের শত্রুদের প্রতি আমাদের বার্তা, হে সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা! তোমরা অল্প কিছুকাল খেয়ে নাও আর ভোগ করে নাও, তোমরা তো অপরাধী। আল্লাহর শাস্তি তোমাদের দিকে যথা সময়ে আসবেই আর আল্লাহর শাস্তি মোকাবিলায় তোমাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

Address

Dhaka
1230

Website

https://linktr.ee/OneIslamZone

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One Islam Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share