One Islam Zone

One Islam Zone যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়। (কুরআন ১৩:২৮)

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম; সেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম প্রত্যক্ষ করবে এবং কাফির বলতে থাকবেঃ হায়রে হতভা...
17/06/2026

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম; সেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম প্রত্যক্ষ করবে এবং কাফির বলতে থাকবেঃ হায়রে হতভাগা আমি! যদি আমি মাটি হয়ে যেতাম! (সূরা আন নাবা । আয়াত ৪০)

অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার...
15/06/2026

অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে। (সূরা আয যুখরুফ । আয়াত ৮৩)

⌛ Jahidur Rahman

যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে...
13/06/2026

যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নদীসমূহ। যখনই তাদেরকে জান্নাত থেকে কোন ফল খেতে দেয়া হবে, তারা বলবে, ‘এটাই তো পূর্বে আমাদেরকে খেতে দেয়া হয়েছিল’। আর তাদেরকে তা দেয়া হবে সাদৃশ্যপূর্ণ করে এবং তাদের জন্য তাতে থাকবে পবিত্র স্ত্রীগণ এবং তারা সেখানে হবে স্থায়ী। (সূরা আল বাকারা । আয়াত ২৫)

🔗 https://quran.com/al-baqarah/25

আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন? অথচ তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ভয় দেখায়। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, ...
11/06/2026

আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন? অথচ তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ভয় দেখায়। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য কোন হিদায়াতকারী নেই। (কুরআন | ৩৯:৩৬)

| Jahidur Rahman

✳️ পশ্চিমারা যেভাবে মুসলিমদের বিভক্ত করে রেখেছে?ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা শক্তিগুলো মুসলিম বিশ্বে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে এ...
10/06/2026

✳️ পশ্চিমারা যেভাবে মুসলিমদের বিভক্ত করে রেখেছে?

ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা শক্তিগুলো মুসলিম বিশ্বে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন কৌশলগত ও রাজনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বিভাজন তৈরি করেছে, যা এখনো চলমান রয়েছে।

পশ্চিমারা মূলত বিভিন্ন কূটকৌশলে মুসলিমদের বিভক্ত করে রেখেছে, যা প্রতিটি সচেতন মুসলিমের জানা জরুরি।
এ বিষয়ে নিচে সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে আলোচনা করা হলো:

🔸 ভৌগোলিক বিভাজন (সাইকস-পিকো চুক্তি): প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটেন ও ফ্রান্স গোপনে সাইকস-পিকো চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের অটোমান সাম্রাজ্যের বিশাল অঞ্চল নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। এর ফলে কৃত্রিমভাবে নতুন রাষ্ট্র ও সীমান্ত তৈরি হয় (যেমন- ইরাক, সিরিয়া, লেবানন), যা পরবর্তীতে জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জন্ম দেয়।

🔸 'ভাগ করো ও শাসন করো' নীতি: বিভিন্ন মুসলিম দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বা নির্দিষ্ট কোনো উপদলকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধায় ক্ষমতায় বসিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ওপর শাসন করার নীতি গ্রহণ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ঔপনিবেশিক শাসনামলে বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় শাসকদের মধ্যে বিবাদ তৈরি করে পশ্চিমা শক্তিগুলো ফায়দা লুটেছে। এখনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে অল্প সংখ্যক সেক্যুলার ভাবাদর্শে বিশ্বাসী তথাকথিত মুসলিমদের প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধায় ক্ষমতায় বসিয়ে পশ্চিমা শক্তিগুলো ফায়দা লুটে যাচ্ছে।

🔸 জাতীয়তাবাদের প্রসার: ইসলামে 'উম্মাহ' বা বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্বের মূল ধারণাকে দুর্বল করতে পশ্চিমারা মুসলিম দেশগুলোতে আঞ্চলিক বা ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদের (যেমন: আরব জাতীয়তাবাদ, তুর্কি জাতীয়তাবাদ, বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ) বীজ বপন করে। ফলে মুসলিমরা, মুসলিম ভ্রাতৃত্বের মূল ধারণাকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বিভক্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে, যার খেসারত এখনো মুসলিমদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

🔸 সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক আগ্রাসন: মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থা, মিডিয়া এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে পশ্চিমা ধ্যান-ধারণা ও জীবনবোধের প্রসার ঘটানো হয়। এর ফলে মুসলিম সমাজে আধুনিক বনাম ঐতিহ্যবাহী এবং ধর্মনিরপেক্ষ বনাম ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষের মধ্যে আদর্শিক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়, যার জন্য মুসলমানদেরকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে।

🔸 রাজনৈতিক ইন্ধন ও অস্ত্রবাণিজ্য: মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করা এবং এক দেশের বিরুদ্ধে আরেক দেশকে দাঁড় করিয়ে অস্ত্র বিক্রি করা পশ্চিমাদের অন্যতম বড় একটি কৌশল। এছাড়া, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অনুগত স্বৈরশাসক বা রাজতন্ত্রকে সমর্থন দেওয়া এবং গণতন্ত্র রক্ষার নামে পশ্চিমাদের নগ্ন হস্তক্ষেপ ব্যাপক মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়।

ইতিহাস ও সমসাময়িক ভূরাজনীতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পশ্চিমা শক্তিগুলো নিজেদের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ (যেমন- তেল ও খনিজ সম্পদ নিয়ন্ত্রণ) ঠিক রাখতে অতীতে এই বিভাজনের নীতিগুলো সফলভাবে ব্যবহার করেছে এবং বর্তমানেও আগ্রাসীভাবে ব্যবহার করে যাচ্ছে।

☝️

Follow us on YouTube > https://www.youtube.com/

একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্ববাসীর চোখের সামনে ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে যে বর্বরোচিত গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে, তা একট...
09/06/2026

একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্ববাসীর চোখের সামনে ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে যে বর্বরোচিত গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে, তা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই গণহত্যায় শুধু ইসরাইলই দায়ী নয়, বরং যারা তাদেরকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে, আর্থিকভাবে সাহায্য করেছে, নৈতিকভাবে সমর্থন জুগিয়েছে এবং যারা দেখেও না দেখার ভান করেছে, চুপ থেকেছে তারাও দায়ী ও অপরাধী।

বিশ্ববাসীর চোখের সামনে যদি এধরনের নজিরবিহীন গণহত্যা চলতে থাকে, তবে বিশ্ববাসীকে এর চেয়ে ভয়াবহ ও বিধ্বংসী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

Follow us on X > https://x.com/OneIslamZone

ইসলামের সোনালী ইতিহাসে সাম্রাজ্যবাদের পতন এবং মুসলিম উম্মাহর উত্থান সবসময়ই একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা। যুগে যুগে মুসলিম উম্ম...
06/06/2026

ইসলামের সোনালী ইতিহাসে সাম্রাজ্যবাদের পতন এবং মুসলিম উম্মাহর উত্থান সবসময়ই একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা। যুগে যুগে মুসলিম উম্মাহ প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে দুর্বল অবস্থানে থাকলেও নিজেদের ঈমানী দৃঢ়তা ও আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ের হাসি হেসেছে। পরাশক্তিদের দম্ভ চূর্ণ করে যেভাবে যুগে যুগে সত্যের বিজয় নিশান উড্ডীন হয়েছে, সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলমান রয়েছে।

নিঃসন্দেহে সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ; বিশেষ করে ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরান, ইয়েমন, ইরাক, সুদান, সোমালিয়া, মিয়ানমার ও কাশ্মীরের মুসলিমরা শত্রুদের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ও অবরোধের নির্মম শিকার। পুরো মুসলিম উম্মাহ আজ কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন। ইতিহাসে পূর্বেও মুসলিম উম্মাহ কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছে। আশার আলো হচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের মাঝেই মুসলিম উম্মাহ বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং বিজয়ের পতাকা সমুন্নত করেছে।

আফগানিস্তানে মুসলিম উম্মাহর বিজয় এবং বিভিন্ন ভূখণ্ডে মুসলিমদের প্রতিরোধ, শত্রুদের আসন্ন পরাজয় ও মুসলিম উম্মাহর বিজয়কেই নির্দেশ করে। এইজন্য হয়তো আমাদের কিছু কাল অপেক্ষা করতে হবে।

সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর দ্বন্ধ এখন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে এবং এই দ্বন্ধ ক্রমশই বাড়ছে। উপরে উপরে পরাশক্তিগুলো নিজেদেরকে একে অপরের বন্ধু বলে পরিচয় দিলেও ভিতরে ভিতরে তারা সামরিক, অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিকভাবে একে অপরে শত্রু, যা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দিন দিন প্রকাশ পাচ্ছে। সহসাই তাদের এই সামরিক, অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক দ্বন্ধ যে থামছে না, তা মোটামুটি স্পষ্ট।

একদিকে আমেরিকা নেতৃত্বাধীন ব্লক, অন্যদিকে চীন-রাশিয়া নেতৃত্বাধীন ব্লক পুরো পৃথিবী জুরে তাদের সামরিক, অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌছে গেছে যে এই দুই ব্লকের মধ্যে দ্বন্ধ যেকোনো সময় সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর মাঝে সামরিক সংঘাত মানে নতুন কোনো পরাশক্তির উত্থান। ঠিক এই সুযোগটাই মুসলিম উম্মাহ কাজে লাগাতে পারে।

সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর পতনের মাঝেই হয়তো মুসলিম উম্মাহর বিজয় নিহিত রয়েছে। তবে এ জন্য আমাদের অনেক ত্যাগ ও কুরবানী অতিক্রম করতে হবে। এ জন্য হয়তো আমাদের আরো কিছু কাল অপেক্ষা করতে হবে।

Jahidur Rahman

☝️ কেন আমাদের ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থা প্রয়োজন?একটি সুন্দর ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং ইহকা...
05/06/2026

☝️ কেন আমাদের ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থা প্রয়োজন?

একটি সুন্দর ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং ইহকাল ও পরকালীন কল্যাণের জন্য ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থা অপরিহার্য একটি মাধ্যম। মানবজাতির তৈরি করা যেকোনো নিয়ম বা আইন সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত ও ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর দেওয়া শরিয়াহ ব্যবস্থা চিরন্তন, নিখুঁত এবং সব যুগের সব মানুষের জন্য কল্যাণকর।

ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থার মূল প্রয়োজনীয়তাগুলো নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলোঃ

◼️ মানব জীবনের পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনাঃ
🔸সার্বিক সমাধান: এটি কেবল কিছু নিয়ম-কানুন নয়, বরং মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের সঠিক সমাধান দেয়।

🔸ভারসাম্য রক্ষা: এটি মানুষের আত্মিক উন্নতি এবং জাগতিক প্রয়োজনের মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য তৈরি করে।

◼️ ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠাঃ
🔸ভেদাভেদহীন সমাজ: শরিয়াহ আইনে ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা সবার জন্য ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

🔸নিরাপত্তা বিধান: মানুষের জান মালের নিরাপত্তা বিধান, রাষ্ট্রীয় সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ, অভ্যন্তরীণ ও বহিঃশত্রুর হাত থেকে সার্বভৌমত্ব ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা করা, ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থার অন্যতম মূল লক্ষ্য।

◼️ শোষণমুক্ত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাঃ
🔸সুদ ও জুলুমের অবসান: শরিয়াহ ভিত্তিক অর্থনীতিতে সুদ, জুয়া এবং সব ধরনের জুলুম ও অন্যায়-অনাচার এবং অবৈধভাবে সম্পদ দখল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য হলো শোষণমুক্ত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

🔸সম্পদের সুষম বণ্টন: জাকাত ও উশর ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজে ধনীদের সম্পদ গরিবদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, যা অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে।

◼️ নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশঃ
🔸চরিত্র গঠন: শরিয়াহ ব্যবস্থা মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পরোপকার এবং মন্দের প্রতিবাদ করার শিক্ষা দেয়, যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের জন্য অপরিহার্য।

🔸অপরাধ প্রবণতা হ্রাস: এটি সমাজ থেকে চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলো দূর করতে কঠোর ও কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেয়।

◼️ পরকালীন মুক্তিঃ
🔸আল্লাহর সন্তুষ্টি: একজন মুসলিমের জন্য শরিয়াহ মেনে চলা ইবাদতের অংশ, যা পরকালে চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের মাধ্যম।

মোটকথা, একটি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের জন্য ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থা অপরিহার্য একটি মাধ্যম।

Al Aqsa Computers | Jahidur Rahman

আল্লাহ তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। কাজেই মু’মিনরা আল্লাহরই উপর নির্ভর করুক। (সূরা আত তাগাবুন | আয়াত ১৩)    | Al A...
03/06/2026

আল্লাহ তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। কাজেই মু’মিনরা আল্লাহরই উপর নির্ভর করুক। (সূরা আত তাগাবুন | আয়াত ১৩)

| Al Aqsa Computers

আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, কারণ এটি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বান্দার চূড়ান্ত আত্মত্যাগ, আল্লাহর প...
28/05/2026

আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, কারণ এটি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বান্দার চূড়ান্ত আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের প্রতীক। এটি ঈমানকে সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানব হৃদয়ে তাকওয়া বা খোদাভীতি জাগ্রত করে।

কুরবানীর মূল উদ্দেশ্য পশুর রক্ত বা মাংস নয়, বরং বান্দার মনের খুলুসিয়াত (একনিষ্ঠতা) ও তাকওয়াই আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায়। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “আল্লাহর কাছে ওগুলোর না গোশত পৌঁছে, আর না রক্ত পৌঁছে বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।“ (সূরা আল হাজ্জ্ব | আয়াত ৩৭)

হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি আমাদের কুরবানীগুলোকে কবুল করুন এবং আমাদের অন্তরসমূহকে তাকওয়া দ্বারা পূর্ণ করে দিন।

Al Aqsa Computers | Jahidur Rahman

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One Islam Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share