One Islam Zone

Website

One Islam Zone যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়। (কুরআন ১৩:২৮)

আল্লাহ তা'আলা সব ধরনের অবিচার, পক্ষপাতিত্ব ও জুলুম থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র। আল্লাহ তা'আলা বিন্দু পরিমাণও কারো হক নষ...
09/08/2026

আল্লাহ তা'আলা সব ধরনের অবিচার, পক্ষপাতিত্ব ও জুলুম থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র। আল্লাহ তা'আলা বিন্দু পরিমাণও কারো হক নষ্ট করেন না, কিংবা কারো প্রতি বিন্দু পরিমাণও জুলুম করেন না। বরং মানুষ কুফরি, পাপাচার, অহংকার ও সত্য বিমুখতার মাধ্যমে নিজের দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষতি নিজেই ডেকে আনে। মানুষ নিজেই তার উপর আপতিত বিপদ বা শাস্তির জন্য দায়ী, আল্লাহ এর থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্ত ও পবিত্র।

আল্লাহ তা'আলা যে মানুষের প্রতি কোনো যুলুম করেন না, সেই বিষয়টিই পবিত্র কুরআনে মানবজাতির সামনে স্পষ্ট করেছেনঃ “নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি কোনো যুলুম করেন না। বরং মানুষই নিজেদের প্রতি যুলুম করে থাকে। (সুরা ইউনুস | আয়াত ৪৪)”

সুতরাং যে ব্যক্তি সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, সে তার নিজের অপরাধের কারণেই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

Al Aqsa Computers

সমকামিতা শুধু একটি জঘন্য অপরাধই না, সেই সাথে এটি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং মানব অস্তিত্বের স্বাভাবিক নিয়মের পরিপন্থী...
03/08/2026

সমকামিতা শুধু একটি জঘন্য অপরাধই না, সেই সাথে এটি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং মানব অস্তিত্বের স্বাভাবিক নিয়মের পরিপন্থী। ইসলামসহ অন্যান্য প্রধান ধর্মগুলোতেও সমকামিতা নিষিদ্ধ এবং পাপ হিসেবে গণ্য হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমকামিতা নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হয় এবং যে বা যারাই এই জঘন্য কুকর্মের সাথে জড়িত, তাদের আইনের মুখোমুখি হতে হয়।

ইসলামী শরিয়াহ আইনে এই জঘন্য কুকর্মের শাস্তি, বিদ্যমান আইনে শাস্তির চেয়ে আরো ভয়াবহ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এই জঘন্য কুকর্মটি বাংলাদেশে মহামারীর ন্যায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনে নিষিদ্ধ এই জঘন্য অপরাধটি ব্যাপকভাবে নরমালাইজ করার অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

বিভিন্ন বিদেশী সংস্থা ও এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তথাকথিত সুশীল সমাজ এবং হলুদ মিডিয়াগুলো বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনে নিষিদ্ধ এই জঘন্য অপরাধকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমকামিতা নিয়ে হলুদ মিডিয়াগুলো এমনভাবে সংবাদ প্রচার করছে যেন এটি কোনো অপরাধ নয়, বরং স্বাভাবিক বিষয়।

লক্ষ্য করুন- অতীতে আল্লাহ তা’আলা এমন এক কওমকে শাস্তি দিয়েছিলেন যারা সমকামিতার মত জঘন্য কুকর্মের সাথে জড়িত ছিল। প্রিয় উম্মাহ, এই জঘন্য কুকর্ম থেকে আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। আমদেরকে সামাজিকভাবে এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে, যাতে ভুলেও কেউ এই নিষিদ্ধ পায়ুকামের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাহস না পায়।

Al Aqsa Computers

মানুষ যতই দুনিয়াতে তার অপরাধ লুকিয়ে রাখুক না কেন বা অন্যের সামনে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য নানা অজুহাত বা ওজর পেশ করু...
02/08/2026

মানুষ যতই দুনিয়াতে তার অপরাধ লুকিয়ে রাখুক না কেন বা অন্যের সামনে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য নানা অজুহাত বা ওজর পেশ করুক না কেন, তার নিজের বিবেক ও মন ভালো করেই জানে সে আসলে কী করেছে। সে তার নিজের কৃতকর্ম সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত।

যখন কেউ ভালো কাজ করে, সে তা জেনে বুঝেই করে। আবার যে কেউ মন্দ কাজ করে, সেও তার নিজের কৃতকর্ম সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত এবং নিজেই সাক্ষী।

কিয়ামতের দিন মানুষের আমলনামা তার সামনে পেশ করার আগে বা পরে সে যতই আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করুক না কেন, কোনো লাভ হবে না। কারণ তার নিজের বিবেক এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার বিরুদ্ধে চাক্ষুষ প্রমাণ বা সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে। মানুষ দুনিয়াতে অন্যায় করার পর যতই যুক্তি বা অজুহাত দেখাক না কেন, তার মন ভালো করেই জানে যে সে অপরাধী।

এই বিষয়টিই আল্লাহ তা’আলা মানবজাতিকে জানিয়ে দিয়েছেনঃ “আসলে মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে চাক্ষুসভাবে অবগত। (সূরা আল ক্বিয়ামাহ | আয়াত ১৪)”

এই আয়াতটি মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষ অন্য সবাইকে ধোঁকা দিতে পারলেও নিজের অন্তরের সত্যকে ধোঁকা দিতে পারে না। কারণ নিজের ভেতরের দুর্বলতা ও পাপ সম্পর্কে মানুষ নিজেই সবচেয়ে ভালো অবগত।

Al Aqsa Computers

পশ্চিমাদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নীতির নগ্ন চেহারা, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গাজায় ইসরাইলের নগ্ন সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে ব...
25/07/2026

পশ্চিমাদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নীতির নগ্ন চেহারা, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গাজায় ইসরাইলের নগ্ন সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে পুরোপুরী স্পষ্ট হয়েছে।

রাশিয়া যখন ইউক্রেনের কোনো হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা বেসামরিক কোনো স্থাপনায় সামরিক হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষদের হত্যা করে, পশ্চিমা দেশগুলো (বিশেষ করে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো) সেটাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করে। অপরদিকে ঠিক একই কাজ ইসরাইল যখন গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে, সেটাকে পশ্চিমা দেশগুলো (ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো) ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার বলে চালিয়ে দেয়। এমনকি সুস্পষ্ট গণহত্যা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর ইস্যুকেও পশ্চিমারা ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার বলে চালিয়ে দেওয়ার অপতৎপরতায় লিপ্ত।

শুধু তাই নয়, ইসরাইলি বাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে গাজার শিশু ও নারীদের হত্যা করাকে পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের একটা বিরাট অংশ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করে না অথবা এ ব্যাপারে তারা পুরোপুরি নীরব থাকে।

সভ্য মানুষের মুখোশধারী পশ্চিমাদের এই দ্বিমুখী নীতির কারণেই এটা স্পষ্টরূপে প্রতীয়মান হয় যে পশ্চিমাদের কাছে মুসলিমদের প্রশ্নে মানবাধিকারের কোনো মূল্য নেই। বরং রাজনৈতিক বিভিন্ন এজেন্ডা, অর্থনৈতিক এবং দুনিয়াবি বিভিন্ন স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য বিষয়।

Follow > Al Aqsa Computers

তারা কি তাদের উপরে আসমানের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং তা সুশোভিত করেছি? আর তাতে কোন ফাটল নেই। (সূরা ক্বাফ...
16/07/2026

তারা কি তাদের উপরে আসমানের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং তা সুশোভিত করেছি? আর তাতে কোন ফাটল নেই। (সূরা ক্বাফ | আয়াত ০৬)

আল্লাহ তা’আলা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। খেলাচ্ছলে কিংবা নিরর্থক উদ্দেশ্যে তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে...
14/07/2026

আল্লাহ তা’আলা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। খেলাচ্ছলে কিংবা নিরর্থক উদ্দেশ্যে তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেননি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,

“আর আমি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না। (সূরা আদ-দুখান । আয়াত ৩৮-৩৯)”

মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা এগুলো সৃষ্টি করেই শুধু ক্ষান্ত হননি, বরং সূক্ষ্ম নিয়মে এগুলো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে যাচ্ছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,

“আল্লাহ সব কিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সব কিছুর তত্ত্বাবধায়ক। (সূরা আয-যুমার । আয়াত ৬২)”

মহা আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে এসব কিছুই আল্লাহ তা’আলা জিন ও ইনসানের কল্যাণে নিয়োজিত করে রেখেছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,

“তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, যা কিছু আসমানসমূহে আর যমীনে আছে, আল্লাহ সমস্তই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নি‘য়ামাতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন? কতক মানুষ জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহ সম্বন্ধে বাক-বিতন্ডা করে, তাদের না আছে সঠিক পথের দিশা, আর না আছে কোন আলোপ্রদ কিতাব। (সূরা লুকমান । আয়াত ২০)”

কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, আল্লাহ তা’আলা আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন? যিনি সূক্ষ্ম নিয়মে সুবিশাল আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছে, তিনি কি এমনি এমনিই খেলাচ্ছলে আমাদের সৃষ্টি করেছেন? বস্তুত একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,

“আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে। (সূরা আয-যারিয়াত । আয়াত ৫৬)”

মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা আমাদের জন্য অগণিত প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নি‘য়ামাতসমূহ দান করেছেন। বিনিময়ে তিনি চান আমরা যেন একনিষ্ঠভাবে ইবাদত করি। আমরা যেন জমিনে তার আদেশ নিষেধগুলো মেনে চলি। তিনি চান, আমরা যেন তার একনিষ্ঠ মুখলিস বান্দাদের অন্তভূক্ত হয়ে যাই। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে কেবলমাত্র তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন, অন্য কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্যে নয়।

Follow > Al Aqsa Computers

একদিকে ফুটবল বিশ্বকাপের নগ্ন উন্মাদনা, অন্যদিকে মাজলুম ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নগুলো চাপা পড়ছে বারুদ আর ধ্বংসস্তূপের নিচে। ফি...
13/07/2026

একদিকে ফুটবল বিশ্বকাপের নগ্ন উন্মাদনা, অন্যদিকে মাজলুম ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নগুলো চাপা পড়ছে বারুদ আর ধ্বংসস্তূপের নিচে। ফিলিস্তিনের শিশুরা যখন একটু পানি আর এক টুকরো রুটির জন্য লড়াই করছে, বাকি বিশ্ব তখন ব্যস্ত রয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের নগ্ন উন্মাদনায়।

এই উম্মাহর কি হলো যে তারা নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের ভুলে গিয়ে দাজ্জালী ফুটবল বিশ্বকাপের নগ্ন উন্মাদনায় ব্যস্ত রয়েছে? বিশ্বকাপ নিয়ে তরুন প্রজন্মের মাতামাতি আর তথাকথিত মিডিয়াগুলোর মিনিটে মিনিটে নিউজ কাভারেজ, আমাদের দৃষ্টিকে ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে সরিয়ে রেখেছে।

ফুটবল বিশ্বকাপের সাময়িক আনন্দ আপনার কোনো কাজেই আসবে না। বরং ফুটবল বিশ্বকাপের এই নগ্ন উন্মাদনা আপনাকে অধিকতর গুরত্বপূর্ণ বিষয় থেকে ভুলিয়ে রেখেছে। শয়তানের অনুসারীরা চায়, আপনিও তাদের মতো হয়ে যান এবং তাদেরকে অন্ধভাবে অনুসরণ করেন এবং তাদের সাথেই জাহান্নামে বসবাস করেন।

প্রিয় উম্মাহ, ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়। বরং ফিলিস্তিনিদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেন ফিলিস্তিনিদের ভুলে না যাই। আমরা যেন তাদের নিয়ে লেখালেখি করি এবং সামর্থ্য থাকলে সরাসরি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। আমরা যেন আল্লাহর কাছে তাদের জন্য দোয়া করি, যাতে তিনি মাজলুম ফিলিস্তিনিদের কষ্টগুলোকে লাঘব করে দেন এবং তাদের চলার পথকে সহজ করে দেন। 🤲

Follow > Al Aqsa Computers

11/07/2026

বৃহত্তর চট্টগ্রামের বহু এলাকা বন্যায় পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গত কয়েক দিনে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হাজার হাজার ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। আকস্মিক এই বন্যার কারণে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং অসংখ্য মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকারী হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৯ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

আসুন, আমরা সবাই মিলে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াই। সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি দাতব্য সংস্থা, মানবিক সংগঠন এবং দেশের সামর্থ্যবান মানুষের প্রতি আহ্বান— জরুরি ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ত্রাণ, চিকিৎসা সহায়তা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। বিশেষ করে আলেম সমাজ, দ্বীনদার শ্রেণি ও কলেজ-ভার্সিটির ভাইয়েরা এই কাজে সর্বাত্মকভাবে এগিয়ে আসবেন ইনশাআল্লাহ।

অসৎ ও দুর্নীতিপরায়ণ রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে আপনার ত্রাণের টাকা ও অন্যান্য সাহায্য কোনোভাবেই দিবেন না। As sunnah Foundation এবং Islam Zone এর মতো অলাভজনক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে আপনার ত্রাণের টাকা ও অন্যান্য সাহায্য নির্দ্বিধায় পৌছে দিতে পারেন। আল্লাহ আপনি বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষদের জীবনযাত্রাকে স্বাভাবিক ও সহজ করে দিন। 🤲

পৃথিবী সামনে হয়তো বড় কোনো সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক সংঘাত এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমনট...
09/07/2026

পৃথিবী সামনে হয়তো বড় কোনো সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক সংঘাত এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমনটাই মনে হচ্ছে। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে বৈশ্বিক সংঘাত এখন নতুন নতুন ফ্রন্টলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। গত কয়েক বছরে বিশ্ববাসী এতো বেশি ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে যা প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এর আগে কখনো দেখা যায়নি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা ও লেবাননে ইসরাইলী বর্বরতা, ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের সম্মিলিত আগ্রাসন এবং পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে পশ্চিমাদের প্রক্সি যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পৃথিবীবাসীকে গুরুতর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সামনে হয়তো রাশিয়া-চায়না এবং ন্যাটো জোটের মধ্যে বাস্তব সংঘাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে বিশ্ববাসী এমন এক বিভীষিকাময় অবস্থা দেখতে পাবে যা এর আগে পৃথিবীবাসী কখনো প্রত্যক্ষ করেনি। পরাশক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক জুয়া খেলা, পৃথিবীর দুর্বল রাষ্ট্রগুলোতে অবৈধ হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা, একচেটিয়াভাবে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের নগ্ন হস্তক্ষেপ, পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে বৈশ্বিক সংঘাতকে নিজেদের স্বার্থে জিয়িয়ে রাখা এবং বৈশ্বিক রক্তপাত পৃথিবীবাসীকে এক কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বৈশ্বিক এই সংঘাতের পিছনে মূলত যে বা যারা দায়ী এবং যাদের কারণে পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরছে, তারা হয়তো ভেবে নিয়েছে পৃথিবীতে তারা অনেক বেশি নিরাপদ। কিন্তু তাদের এই ধারণা অমূলক, তাদের চালানো বৈশ্বিক সংঘাতের দাবানল তাদের দিকেই ফিরে আসতে পারে বুমেরাং হয়ে।

সাধারণ মানুষ হিসেবে বৈশ্বিক সংঘাতের এই দাবানল হয়তো থামানো সম্ভব নয়। তবে গঠনমূলক আলোচনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বৈশ্বিক সংঘাতের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা যেতে পারে। বিশ্ব মোড়লদের যদি শুভবুদ্ধি হয়, তবে তারা এই সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে ফিরে আসবে। তাদের উচিত নিজেদের অপকর্মের দায়ভার অন্যদের উপর চাপিয়ে না দিয়ে সংশোধনের পথ বেছে নেওয়া। নতুবা একরাশ লাঞ্ছনা ও অপমান নিয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে হবে। আর পরকালে আল্লাহ তা'আলার শাস্তি তো আছেই।

মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। কোনোভাবেই জালিমদের পাতা ফাঁদে আমাদের পা দেওয়া উচিত নয়। যদি কখনো আমাদের উপর সংঘাতকে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে মাজলুম হিসেবে আমদের উচিত আল্লাহর পথে সংগ্রাম জারি রাখা।

Follow > Jahidur Rahman

মৃত্যু এমন এক কঠিন ও অনিবার্য বাস্তবতা, যা প্রতিটি প্রাণীই আস্বাদন করবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, মৃত্যু অনিবার্...
04/07/2026

মৃত্যু এমন এক কঠিন ও অনিবার্য বাস্তবতা, যা প্রতিটি প্রাণীই আস্বাদন করবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, মৃত্যু অনিবার্য বাস্তবতা হওয়া সত্বেও অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুকে এমনভাবে এড়িয়ে চলে, যেন কখনোই মৃত্যু তাদেরকে স্পর্শ করতে পারবে না। মানুষ যদি সুদুর আসমানে অথবা মাটির গহীনে পলায়ন করে, তবুও মৃত্যু তাদেরকে গ্রাস করবে।

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যাতে করে আমরা পরকাল সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করি। যেকোনো বিবেকবান ও চিন্তাশীল ব্যক্তির জন্য এই আয়াতগুলো মৃত্যু ও পরকাল সম্পর্কে উপলব্ধি করার জন্য যথেষ্ঠ।

কুরআন থেকে নেওয়া মৃত্যু সংক্রান্ত কিছু আয়াতের বাংলা তরজমাঃ

প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর ‘অবশ্যই কিয়ামতের দিনে তাদের প্রতিদান পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে। সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী। (সূরা আলে ইমরান | আয়াত ১৮৫)

প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে; আর ভাল ও মন্দ দ্বারা আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে। (সূরা আল আম্বিয়া | আয়াত ৩৫)

বল যে মৃত্যু হতে তোমরা পলায়ন করছ তা অবশ্যই তোমাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে। তারপর তোমাদেরকে অদৃশ্য ও দৃশ্য সম্পর্কে পরিজ্ঞাত আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে। তারপর তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা তোমরা করতে। (সূরা আল জুমু'আ | আয়াত ০৮)

তোমরা যেখানেই থাক না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবে, যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর। (সূরা আন নিসা | আয়াত ৭৮)

আর আল্লাহ কখনো কোন প্রাণকেই অবকাশ দেবেন না, যখন তার নির্ধারিত সময় এসে যাবে। আর তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। (সূরা আল মুনাফিকুন | আয়াত ১১)

প্রতি মূহুতেই পৃথিবীতে কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে। কিন্তু দুনিয়ার মোহ আমাদেরকে এমনভাবে মৃত্যু সম্পর্কে ভুলিয়ে রেখেছে যে আমাদের সামনে কেউ মৃত্যু বরণ করলে তা উপলব্ধি করতে পারি না। পার্থিব ভোগ-বিলাস, সম্পদ ও খ্যাতি আমাদেরকে মৃত্যু ও পরকাল সম্পর্কে উদাসীন করে রেখেছে, যা মোটেই ঠিক নয়। মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করা এবং পরকালের পাথেয় অর্জনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো।

Follow > Al Aqsa Computers | Jahidur Rahman

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One Islam Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share