Islamic Revival Front-IRF

Islamic Revival Front-IRF Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Revival Front-IRF, Community Organization, Dhaka.

গতকাল আমাদের “আধুনিক জীবনব্যবস্থা, ডিপ্রেশন ও ইসলাম” শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনা অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে,...
18/04/2026

গতকাল আমাদের “আধুনিক জীবনব্যবস্থা, ডিপ্রেশন ও ইসলাম” শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনা অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ্‌।

ভাইদের উপস্থিতি ছিল বেশ সন্তোষজনক ও প্রাণবন্ত। উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভাইয়েরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

বলা হয়ে থাকে, মডার্নিটি (আধুনিকতা) মানুষের জীবনকে সহজ করার দিক থেকে বৈপ্লবিক ভূমিকা রেখেছে। চারিপাশে যখন আধুনিকতার জয়-জয়...
16/04/2026

বলা হয়ে থাকে, মডার্নিটি (আধুনিকতা) মানুষের জীবনকে সহজ করার দিক থেকে বৈপ্লবিক ভূমিকা রেখেছে। চারিপাশে যখন আধুনিকতার জয়-জয়কার, ঠিক এই মুহূর্তে এসে আমরা দেখাতে চাই আধুনিকতার ভিন্ন এক রূপ।

ইসলামী সমাজ ও শাসনে যে মানুষ আল্লাহর একজন 'খলিফা' হিসেবে মনোনীত, এক স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন নৈতিক সত্তা, দীর্ঘ লক্ষ্যপানে দুর্দম্য প্রতাপে ছুটে চলা মুসাফির; সেই একই মানুষকে আধুনিকতা আজ রূপান্তর করেছে নিছক যান্ত্রিক ও একক ব্যক্তিসত্তায়।

প্রাণী হিসেবে সেই সত্তার নেই বিশেষ কোনো মর্যাদা, নেই কোনো বৃহৎ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, নেই কোনো নৈতিক মানদণ্ড। আধুনিকতার কাছে সেই মানুষটিই সবচেয়ে সফল, যে কিনা নিজেকে সবচেয়ে ভালো যন্ত্র হিসেবে তৈরী করতে পেরেছে, অর্থাৎ যার উৎপাদন/সার্ভিস দেওয়ার সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

যার অবধারিত ফলাফল হলো - ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও সভ্যতার স্বাভাবিক পরিক্রমার চূড়ান্ত ভাঙন। ডিপ্রেশন ও একাকীত্ব সেই ভাঙনেরই এক ক্ষুদ্র ফসল মাত্র।

জীবনের আসল উদ্দেশ্য এবং আত্মিক প্রশান্তি অর্জনের সঠিক পথ খুঁজে পাওয়ার প্রয়াসে আমাদের এই বিশেষ 'উন্মুক্ত আলোচনা'-য় আপনার উপস্থিতি কাম্য।

🗓 সময় ও স্থান:

তারিখ: ১৭ই এপ্রিল, শুক্রবার।

সময়: বাদ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত।

স্থান: দিয়াবাড়ি টুরিস্ট প্লেস, উত্তরা (উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশনের কাছে)।

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান ইসলামে নেই। নওরোজ এবং মেহেরজান নামক উৎসব পালন করতে নিষেধ করে গেছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসূল ﷺমুসলিমদ...
13/04/2026

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান ইসলামে নেই। নওরোজ এবং মেহেরজান নামক উৎসব পালন করতে নিষেধ করে গেছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসূল ﷺ
মুসলিমদের জন্য সামষ্টিক আনন্দ উৎসবের দিন হিসেবে আল্লাহ তা'আলা নির্ধারণ করে দিয়েছেন দুইটি ঈদ। আর পহেলা বৈশাখের মতো উৎসব, যার উৎস রয়েছে পৌত্তলিকতায়, কোনো মুসলিম কিছুতেই তা পালন করতে পারে না।
কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার একটি রিপোর্টের অংশবিশেষ পড়ে দেখি -
"ঢাকার পয়লা যেন অষ্টমীর একডালিয়া
কার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে! কখনও মনে হচ্ছিল কলকাতার কলেজ স্কোয়ার বা একডালিয়ার পুজো মণ্ডপ। কখনও বা শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসবের চেহারা। তা সে রমনার বটমূলের বৃন্দগানই হোক কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাজপথে মঙ্গল শোভাযাত্রা।"
১৫ এপ্রিল, ২০১৮
আনন্দবাজার পত্রিকা।
ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের পুরনো 'আনন্দ শোভাযাত্রা' মার্কেটিং করা হয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' হিসেবে। আপামর মুসলিম জনতার উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে হিন্দুয়ানী কালচার ও রীতিনীতি। এই শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত অশোভন আকৃতির প্যাঁচা, বাঘ বা বিভিন্ন মূর্তিকে 'মঙ্গলের প্রতীক' মনে করা স্পষ্ট শিরক। কল্যাণ বা অকল্যাণের মালিক একমাত্র আল্লাহ।
​"যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্টে ফেলেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই। আর যদি তিনি তোমার মঙ্গল চান, তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই।" (সূরা ইউনুস, আয়াত: ১০৭)
আবার এই বর্ষবরণ উৎসবকে যদি নাম পাল্টে দিয়ে, কিছুটা মুসলমানি ফ্লেভার লাগিয়ে নতুন রূপে নিয়ে আসা হয় তাতেও এটি ইসলামসম্মত হয়ে যাবে না। যে বিষয়ের গোড়াতেই গলদ তার বাহ্যিক কিছু আবরণ পরিবর্তন করার দ্বারা মূল চরিত্র পাল্টায় না। ইদানীং এধরণের বিভিন্ন অপতৎপরতা চোখে পড়ছে কিছু মহলের পক্ষ থেকে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেন তাদের ধোঁকায় না পড়ি।
আল্লাহ তা'আলা এই অভিশপ্ত উৎসবের ধূলোকালি থেকে আমাদেরকে ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হিফাজত করুন।

প্রস্তাবনা-০৬
12/04/2026

প্রস্তাবনা-০৬

ইসলামী রিভাইভাল ফ্রন্ট কর্তৃক আয়োজিত আজকের ঈদ আড্ডার কিছু স্থিরচিত্র।সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মতবিনিময় শেষে ভাইয়েরা ঈদের তাক...
20/03/2026

ইসলামী রিভাইভাল ফ্রন্ট কর্তৃক আয়োজিত আজকের ঈদ আড্ডার কিছু স্থিরচিত্র।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মতবিনিময় শেষে ভাইয়েরা ঈদের তাকবির পাঠ করতে করতে এলাকার সবার সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।

20/03/2026

পবিত্র রমাদান মাস শেষে আগামীকাল ঈদুল ফিতর। তাই ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিতে ইসলামী রিভাইভাল ফ্রন্টের পক্ষ থেকে আজ সন্ধ্যায় একটি ছোটো-খাটো ঈদ আড্ডা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঈদের আনন্দে আল্লাহর অশেষ নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় শেষে মুমিন ভাইদের মধ্যে বন্ধন এবং ভ্রাতৃত্ব তৈরিই যার প্রধান উদ্দেশ্য। যাদের সুযোগ আছে, তারা এতে যুক্ত হতে পারি ইন শা আল্লাহ।

চাঁদ রাতের এই আড্ডায় যা যা থাকছে —
▪️ চাঁদ দেখার সুন্নাহ আদায়
▪️ সংক্ষিপ্ত আড্ডা ও মতবিনিময়
▪️ মিষ্টি মুখ ও চা পরিবেশন
▪️ পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করার সুযোগ

সময়: ৭:৩০ মিনিটে একত্রিত হবো আমরা ইন শা আল্লাহ্

একত্রিত হওয়ার স্থান: মাসজিদ আল হেরা, ব্লক ডি, রোড নং ৮, বনশ্রী, ঢাকা।

১৪৪৭ হিজরীর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বার্তা---------------------------------بسم الله الرحمن الرحیمإنَّ الْحَمْدَ لِلهِ نَحْمَدُ...
20/03/2026

১৪৪৭ হিজরীর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বার্তা
---------------------------------
بسم الله الرحمن الرحیم

إنَّ الْحَمْدَ لِلهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
আল্লাহ তা’আলা বলেন:
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُتِبَ عَلَيۡكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُونَ
“হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেয়া হল, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে দেয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়ার অধিকারী হতে পার।” (সূরা বাকারা ২:১৮৩)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন:
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সাওয়াব অর্জনের জন্য সিয়াম রাখবে, তার পূর্বের জীবনের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” (মুত্তাফাকুন আলাইহি)
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
মহান আল্লাহর দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে, তিনি আমাদের সুস্থতার সাথে রমাদানের সিয়াম পালনের তাওফিক দান করেছেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাই যথাযথ নিয়ম মেনে সদাকাতুল ফিতর ও ঈদের সালাত আদায় করব।
আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কাছে দুআ করি, তিনি রমাদানের সমস্ত বরকত ও কল্যাণ দিয়ে প্রতিটি মুমিনের জীবনকে ধন্য করুন। এই মোবারক ঈদ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য বয়ে আনুক শান্তি ও সমৃদ্ধি। আপনাদের সিয়াম, তারাবিহ, সদাকাতুল ফিতর, দুআসমূহ এবং সকল কায়িক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ কবুল করুন। আমিন।
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা!
আমাদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পেত, যদি সারা বিশ্বে ঈমানদারেরা মজলুম ও নির্যাতিত না হতেন এবং আল্লাহর দ্বীন বিজয়ী অবস্থায় থাকতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মুসলিম উম্মাহর একটি বড় অংশ আজ নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার, আরেক অংশ গাফলত ও উদাসীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত।
নিঃসন্দেহে এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য এক কঠিন ও পরীক্ষামূলক সময়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাযা উপত্যকা দখলদার ইসরায়েলের আক্রমণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে; সেখানে সত্তর হাজারেরও বেশি মুসলিম শাহাদাতবরণ করেছেন, যাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।
অন্যদিকে, ক্রুসেডার-যায়নবাদী অক্ষের প্রতি আনুগত্যের অংশ হিসেবে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা আফগানিস্তানে নগ্ন আগ্রাসন চালিয়েছে। যে বাহিনী একসময় এই ভূখণ্ডে নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, বারবার নিজ জনগণের দিকেই অস্ত্র তাক করেছে, তারাই আজ আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালাচ্ছে। ২৭শে রমাদানের রাতে কাবুলের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে বিমান হামলায় ৪০০ জন নিহত ও ২৫০ জন আহত হয়েছেন।
একইভাবে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট ইরানে সাধারণ জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করছে; মিনাব শহরে এক হামলায় অন্তত ১৬৫ জন স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। যুদ্ধের ন্যূনতম রীতিনীতি উপেক্ষা করে বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হচ্ছে।
ভারতের মুসলিমদের ওপর চরম জুলুম ও নিপীড়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। কাশ্মীর হিন্দুত্ববাদী দখলদারিত্বের শিকার, যেখানে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের মডেলের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
তবুও এই দুঃসহ বাস্তবতার মাঝেও ভবিষ্যতের কল্যাণের ইঙ্গিত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, কষ্ট ও পরীক্ষার পরই আসে স্বস্তি ও পুনর্জাগরণ।
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।” (সূরা ইনশিরাহ ৯৪:৬)
বর্তমানের এই বেদনাবহ ঘটনাগুলো, তাদের কঠিন বাস্তবতা সত্ত্বেও, উম্মাহর সামনে এক নতুন অধ্যায়ের দ্বার উন্মুক্ত করছে।
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা,
বাংলাদেশে আমরা দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী জাহিলিয়্যাতের দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে আরো একটি ঈদ পালন করছি। হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডের ওপর ভারতীয় আধিপত্য পুরোপুরি দূর না হলেও তা কিছুটা শিথিল হয়েছে। এ জন্য আমরা মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, যিনি মুমিনদের জন্য এই প্রশস্ততা দান করেছেন।
এই পরিবর্তন এসেছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও জান-মালের কুরবানির পর। তবে এই কুরবানির পরও কাঙ্ক্ষিত মুক্তি অর্জিত হয়নি; বরং নতুন বাস্তবতায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে, জুলুম ও জাহিলিয়্যাতের বুনিয়াদ এখনো অটুট রয়েছে।
এর প্রমাণ আমরা চারপাশেই দেখতে পাচ্ছি। সেক্যুলার গোষ্ঠীর অদক্ষতা, দুর্নীতি ও ক্ষমতালিপ্সা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক সেক্যুলার রাষ্ট্রকাঠামোর অন্তর্নিহিত জুলুম আজও এই সমাজকে প্রভাবিত করছে। যে উপাদানগুলো আওয়ামী জাহেলিয়্যাতের জন্য ক্ষেত্র তৈরি করেছিল, সেগুলো এখনো বিদ্যমান। এই কওম ও যমীনের সামনে থাকা সংকটগুলোও তাই বহাল রয়েছে, এবং এই ভূখণ্ডের ওপর বিদেশি শক্তির প্রভাবও অটুট আছে।
এই বাস্তবতার সুযোগ নিয়েই ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলার মহল নতুন কৌশলে আবার জনপরিসরে সক্রিয় হয়ে উঠছে। তারা পুরনো বয়ানগুলো নতুন আঙ্গিকে হাজির করছে এবং ‘ওয়ার অন টেরর’-এর বিতর্কিত ন্যারেটিভ সামনে এনে ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে ‘জঙ্গি’ তকমা লাগানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দুঃখজনকভাবে, প্রাক্তন ইসলামপন্থীদের একটি বিভ্রান্ত অংশও এই অপপ্রচারে ভূমিকা রাখছে। আমরা আল্লাহর কাছে তাদের হেদায়াত কামনা করি।
হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সূচিত হলেও সফর এখনো শেষ হয়নি। জুলুম ও জাহেলিয়্যাতের কাঠামো অটুট থাকলে কেবল শাসক পরিবর্তনে প্রকৃত পরিবর্তন আসে না। ইসলামের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, হকের পক্ষে প্রতিটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আগে আসে দ্বীনের পুনর্জাগরণ।
দাওয়াহ, ইসলাহ, আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার এবং তাজদীদের সংগঠিত, ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষের অন্তর, চিন্তা ও চরিত্র পরিশুদ্ধ হয়ে ওঠে।
ওয়াহী নির্দেশিত বিকল্প দৃশ্যপট সমাজের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে ক্রমে হক ও বাতিলের সুস্পষ্ট মেরুকরণ ঘটে। এভাবেই আমাদের যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠার মেহনত অগ্রসর হয়।
ইসলামী আন্দোলনের ভাইয়েরা,
এই সংকটকালে কওম ও উম্মাহর অবস্থা আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে ব্যথিত ও ভারাক্রান্ত করে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, মুমিন কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না; নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে। কিন্তু এই সাহায্য আপনাআপনি আসে না। এর জন্য প্রয়োজন ঈমানদারদের জাগ্রত হওয়া, নিজেদের আমলি ও ঈমানী দিক থেকে প্রস্তুত করা এবং দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে আসা।
ইসলামের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহর দ্বীনের জন্য কাজ সবসময়ই নিষ্ঠা ও কুরবানির দাবি রাখে। আর এই কুরবানির মাধ্যমেই আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের জন্য সফলতার দরজা খুলে দেন। তাই আমাদেরও উচিত জীবন, সময় ও সম্পদ দিয়ে দায়িত্বশীলভাবে এই পথে অগ্রসর হওয়া।
আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্যে অবিচল থাকি এবং তাঁর দ্বীন ও শরীয়াহ যথাযথভাবে পালন করি, তবে তিনি আমাদের অভিভাবকহীন অবস্থায় ছেড়ে দেবেন না। বরং প্রকৃত ঈমানদারদের সাহায্য করা তাঁর প্রতিশ্রুতি। আল-কুরআনে তিনি ঘোষণা করেছেন:

وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ
“ঈমানদারদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।” (সূরা রুম ৩০:৪৭)
তাই আজ আমাদের নিজেদের দিকে তাকাতে হবে। আমরা কি আমাদের চিন্তা ও কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্যকে কাছে টানছি, নাকি আমাদেরই ভুলত্রুটি সেই সাহায্যকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে? আল্লাহর অসন্তুষ্টি বয়ে আনে - এমন প্রতিটি কাজ উম্মাহর বিজয়কে বিলম্বিত করে।
তাই আল্লাহর সাহায্যের যোগ্য হতে হলে আমাদের মুজাহাদা ও আন্তরিক পরিশ্রমে আত্মনিয়োগ করতে হবে। আমাদের অন্তর, কর্ম ও আচরণের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা সেই প্রকৃত মুমিন, যারা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় অটল ও বদ্ধপরিকর।
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা,
আমরা আপনাদেরই অংশ, আর আপনারাও আমাদের অবিচ্ছেদ্য স্বজন। এই কওম ও যমীনের বাস্তবতায় আমরা সবাই একই সংগ্রামের অংশীদার। আমাদের সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতার জন্য আমরা মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে সংশোধন করুন, আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং এই পরিস্থিতির উত্তরণ দান করুন।
আমরা আপনাদের আরো আহবান জানাই, পবিত্র রমাদান মাসে আপনারা যেভাবে ইবাদত ও দান-সদাকায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ঈদের এই বরকতময় সময়েও সেই নেক আমলের ধারা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের অভাবী আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের খোঁজ নিন এবং সাধ্যমতো তাদের সহায়তা করুন। আনন্দ ও উৎসবের আমেজে মসজিদ ও ঘরবাড়ি সুসজ্জিত করুন। এছাড়া শরীয়াহর সীমারেখা বজায় রেখে ঈদ পুনর্মিলনী, আনন্দ মিছিল, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আপনাদের সকল নেক আমল ও প্রচেষ্টাকে কবুল করে নিন।
পরিশেষে, আমরা আবারও সকল ঈমানদার ভাই ও বোনকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা কায়মনোবাক্যে দুআ করি - আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এই উম্মাহকে পূর্ণাঙ্গ সফলতা ও বিজয়ের পথে পরিচালিত করুন।
হে আল্লাহ! আমাদের সাহায্য করুন এবং সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। মুসলিম উম্মাহর প্রতিরক্ষায় আপনি আমাদের কবুল করে নিন। আপনার সন্তুষ্টি অর্জন এবং মুসলিম উম্মাহর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার ও নবজাগরণে আমাদের জান-মাল ও শ্রমকে কবুল করুন। আমিন, ইয়া রব্বাল আলামীন।
রাদিউজ্জামান অনিক
সাধারণ সম্পাদক
ইসলামী রিভাইভাল ফ্রন্ট (IRF)

তিউনিসিয়ার দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট হাবিব বুরগুইবাকে বলা হয় মুসলিম বিশ্বে আধুনিক উদারনৈতিক বা মডার্ন লিবারেল অর্ডারের (m...
13/03/2026

তিউনিসিয়ার দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট হাবিব বুরগুইবাকে বলা হয় মুসলিম বিশ্বে আধুনিক উদারনৈতিক বা মডার্ন লিবারেল অর্ডারের (modern liberal order) অন্যতম প্রবর্তক। সে ক্ষমতায় থাকা প্রায় তিন দশক ধরে তিউনিসিয়াকে ধর্মনিরপেক্ষ বা সেক্যুলার বানানোর জন্য আদাজল খেয়ে লেগেছিলো।
১৯৬০ সালের কথা। বুরগুইবা একটা ঘোষণা দিলো। সে দাবি করে বসলো— রমাদানের সিয়াম নাকি দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা (economic productivity) কমিয়ে দিচ্ছে! সে তৎকালীন প্রখ্যাত আলেম শায়খ মুহাম্মদ বিন আশুরকে ডেকে পাঠালো। বললো, দেশের স্বার্থে সিয়াম বাদ দেওয়ার বৈধতা দিয়ে একটা ফতোয়া জারি করতে।
শায়খ ইবনে আশুর কী করলেন? তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে পাবলিক রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচারিত ভাষণে এসে পবিত্র কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করলেন: “তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে।”
এরপর দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলে উঠলেন, “আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং বুরগুইবা মিথ্যা বলেছে!”
ধর্মনিরপেক্ষ এক এলিট শাসকের সাথে একজন আলেম এই ঐতিহাসিক সংঘাত আমাদের একটা রূঢ় বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশ্ন এসে হাজির হয় আমাদের সামনে
১) আধুনিক এই লিবারেল হেজিমনি বা উদারনৈতিক আধিপত্যের যুগে আমরা সিয়ামকে কীভাবে দেখি?
২) পুঁজিবাদের এই যুগে সিয়াম রাখাকে কেন আধুনিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা এবং প্রগতির যুক্তির কাছে একটা 'অস্বাভাবিক' বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্র্যাকটিস বলে মনে হয়?
আধুনিক যুগ মানুষকে বানাতে চায় ‘হোমো ইকোনমিকাস’ (homo economicus) বা স্রেফ একটা অর্থনৈতিক যন্ত্র। যার কাজ হলো কেবল উৎপাদন করা আর ভোগ করা। এর বিপরীতে সিয়াম তৈরি করে ‘হোমো ইসলামিকাস’ (homo islamicus)। সারাদিন খাবার, পানি আর যৌনতা থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকার মাধ্যমে একজন মানুষ আসলে কী বোঝে? সে বোঝে তার দৌড় কতটুকু। সে বুঝতে পারে সে দিনশেষে এই সামান্য রিজিক বা রসদের মুখাপেক্ষী। নিজের সীমাবদ্ধতা বা লিমিটেশনগুলো সে বিনম্রভাবে মেনে নেয়। কুরআনের ভাষায় এই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত রূপই হলো ‘তাকওয়া’।
অথচ আমাদের সমাজে কিছু হীনমন্যতায় ভোগা মুসলিম অ্যাপোলজিস্ট আছে। লিবারেলদের চাপে দিশেহারা হয়ে এরা সিয়ামের একটা মডার্ন, পশ্চিমা ব্যাখ্যা দাঁড় করায়। এরা বলে— সিয়াম মানে নাকি ‘মুক্তি’! সেই মুক্তি, যা লিবারেলিজমের সংজ্ঞায় ‘ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতা’ বা individual autonomy-র সাথে মিলে যায়। অর্থাৎ, সিয়াম রাখলে নাকি আপনি নিজের ভেতরকার সুপ্ত স্বাধীনতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন!
কী অদ্ভুত আত্মপ্রবঞ্চনা, তাই না?
লিবারেলিজম আমাদেরকে কী শেখায়? এরা মানুষের আত্ম-সীমাবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তাকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে। এরা শেখায় মানুষের কোনো লিমিট নেই। আমার যা ইচ্ছা আমি তাই করব। আমি নিজেই নিজের খোদা, আমার ওপর কোনো ডিভাইন অথরিটি বা ঐশ্বরিক বাধা থাকবে না! অথচ কুরআনের ভাষায়, এই ‘পরম স্বাতন্ত্র্য’ বা নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করাই হলো ‘তাগুত’-এর আদি বৈশিষ্ট্য।
আল্লাহ বলছেন, “নিশ্চয়ই মানুষ সীমালংঘন করে, যখন সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।” (সূরা আলাক: ৬-৭)
এই অ্যাপোলজিস্টরা আসলে ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্যের মিথকে পুনরুজ্জীবিত করতে গিয়ে সিয়ামকে নিয়ে একটা নতুন মিথ তৈরি করছে। অথচ সিয়ামের উদ্দেশ্য ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বা অটোনমিকে সেলিব্রেট করা নয়। সিয়ামের কুরআনিক বিধান হলো ওই অহংকার, ওই স্বাতন্ত্র্যকে সমূলে প্রত্যাখ্যান করা!
সারাদিন এক ফোঁটা পানি না খেয়ে, খাবার আর যৌনতাকে অবদমন করে আমরা আসলে কী প্রমাণ করি? আমরা প্রমাণ করি যে আমরা স্বাধীন নই, আমরা আমাদের রবের মুখাপেক্ষী। সেক্যুলারিজমের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো দুনিয়াদারি নিয়ে মত্ত থাকা এবং ‘দেহজ রিপু’ (flesh)-কে উসকে দেওয়া। সিয়াম এসে সরাসরি এই রিপুর টুঁটি চেপে ধরে।
রমাদান হলো কুরআন নাজিলের মাস। আধুনিক যুগের এই আত্মস্বার্থকেন্দ্রিক আর বাঁধনহারা যুক্তিবাদী (unbound rationality) সমাজের গালে এক বিরাট চপেটাঘাত হলো রমাদান। সিয়াম হলো আধুনিক এই ভোগবাদ, সুখবাদ আর 'পুঁজির ঈশ্বর'-এর বিরুদ্ধে এক আমূল (radical) বিদ্রোহ!
আমরা সিয়ামের মাধ্যমে এই লিবারেল ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক সামষ্টিক অসম্মতি (mass dissensus) জানাই। এরিস্টটল যেগুলোকে মানুষের সবচেয়ে মৌলিক আকাঙ্ক্ষা বলেছিলেন - খাদ্য এবং যৌনতা, তা থেকে বিরত থেকে আমরা আমাদের নফসের খোদায়ীকে বর্জন করি।
এমন এক যুগে যখন চারদিকে লিবারেলিজমের পতন ঘটছে, পোস্ট-লিবারেল দর্শনের উত্থান হচ্ছে, তখন মুসলমানদের প্রাসঙ্গিকতা নির্ভর করবে ইসলামকে একটি ‘পাল্টা আখ্যান’ বা counter-narrative হিসেবে দাঁড় করানোর ওপর। পশ্চিমা আধুনিকতার এই বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে রমাদানই হতে পারে আমাদের প্রথম প্রতিরোধ।
সিয়াম আমাদের লড়তে শিখিয়েছে। সিয়াম আমাদের প্রবৃত্তিকে শাসন করতে শিখিয়েছে। আমরা যদি আমাদের নফসের ওপর বিজয় অর্জন করতে পারি, তবে এই জালিম দুনিয়ার কোনো শক্তিই আমাদের দমাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
এই রমাদানই হোক আমাদের সেই মুক্তির সূচনা, আধুনিক দাসত্বের শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসার এক পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবের প্রথম পদক্ষেপ।
(Ali S. Harfouch রচিত প্রবন্ধ Fasting: a Revolt Against the Modern Condition অবলম্বনে।)

12/03/2026

রমাদান উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের কিছু মুহূর্ত

09/03/2026

শেষ সুযোগ: আপনি কি প্রস্তুত?

বরকতময় রমাদানকে কেন্দ্র করে গত ফেব্রুয়ারিতে IRF মিরপুর এলাকায় দুস্থ ও অভাবী মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা ...
08/03/2026

বরকতময় রমাদানকে কেন্দ্র করে গত ফেব্রুয়ারিতে IRF মিরপুর এলাকায় দুস্থ ও অভাবী মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সিয়ামের এই মাস আমাদের শুধু ক্ষুধা অনুভব করতে শেখায় না—বরং একইসাথে শেখায় সহমর্মিতা, ভাগাভাগি আর দায়িত্ববোধ। সেই চেতনা থেকেই কিছু হাসি ফিরিয়ে দিতে, কিছু ক্লান্ত মুখে স্বস্তি আনতে, আমরা সামান্য এই উদ্যোগটি নিয়েছিলাম।

ইফতারের সময় যখন আকাশে মাগরিবের আযান ধ্বনিত হয়, তখন এক টুকরো খাবারও হয়ে ওঠে রহমতের বাহন। একটি পানির বোতল, এক প্যাকেট খাবার—হয়তো খুব সামান্য; কিন্তু যার প্রয়োজন, তার কাছে সেটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির।

আমরা বিশ্বাস করি, রমাদানের আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এমন নিঃশব্দ খিদমতেই। এই কাজ কোনো প্রদর্শন নয়—এটা আমাদের আমানত।

আল্লাহ আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করুন, আমাদের নিয়তকে আরও বিশুদ্ধ করুন এবং রমাদানের বরকতে আমাদের সমাজে সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যর আলো ছড়িয়ে দিন।

আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত মনোরম ও বরকতময় পরিবেশে সম্পন্ন হলো ইসলামিক রিভাইভাল ফ্রন্ট - এর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল, রমাদা...
07/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত মনোরম ও বরকতময় পরিবেশে সম্পন্ন হলো ইসলামিক রিভাইভাল ফ্রন্ট - এর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল, রমাদান ১৪৪৭।

পবিত্র কুরআন তিলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুহতারাম আহমেদ রফিক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুহতারাম আসিফ আদনান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুহতারাম এম মাহবুবুর রহমান এবং মাওলানা শের মুহাম্মাদ।

রমাদানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন মুফতি ইমরান হোসাইন। ইসলামী আদর্শ ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাদিউজ্জামান অনিক, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মূহাম্মদ আমীর এবং উপ-সম্পাদক খিজির হায়াত।

উপস্থিত সকলের সাথে ইফতার গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমিন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Revival Front-IRF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share