Maslake Balakot - মাসলাকে বালাকোট

Website

Maslake Balakot - মাসলাকে বালাকোট Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Maslake Balakot - মাসলাকে বালাকোট, Community Organization, Dhaka.

''মাসলাকে বালাকোট''
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঐতিহ্য ও আক্বিদার ধারক একটি প্ল্যাটফর্ম। আক্বিদা ও ফিকহ বিশ্লেষণ, আলেমদের জীবনী, প্রশ্নোত্তর, ভিডিও লেকচার এবং ইসলামি শিক্ষার প্রচারে নিবেদিত।

এই প্রথম ছারছীনা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ রহ. এর উপরে আরবী ভাষায় রচিত অভিসন্দর্ভটি এ...
17/09/2026

এই প্রথম ছারছীনা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ রহ. এর উপরে আরবী ভাষায় রচিত অভিসন্দর্ভটি এম. ফিল ডিগ্রি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হয় ।
থিসিসটি রচনা করেন আমাদের পরম শ্রদ্ধােয় উস্তাদ ছারছীনা জামেয়া-এ দীনিয়ার সম্মানিত মুদীর মাওলানা মাহমুদুম মুনীর হামীম সাহেব(মাঃজিঃআঃ)
হুজুর'কে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।

তার অভিসন্দর্ভের (Thesis) বিষয় ছিল:
"الشيخ نثار الدين أحمد: جهوده لنشر الفقه الإسلامي والتصوف"
(Shaikh Nesaruddin Ahmad : His Contribution in the Spreading of Islamic Jurisprudence and Sufism)"
জগবিখ্যাত মহান মনিষীকে নিয়ে গবেষণাকর্মটি নিঃসন্দেহে আমাদের একটি বড় অর্জন ও একাডেমিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে আল্লামা নেছারুদ্দীন (রহ) এর পরিচিতি , তাসাওফ ও ফিকহ এর খেদমত সমগ্র আরব বিশ্বে বিস্তৃতি লাভ করুক।

মানুষ মানুষকে নিয়ে নানা পরিকল্পনা করে, নানা কথা বলে, কখনো কখনো এমন কিছু ধারণাও করে যার বাস্তবতার সঙ্গে হয়তো কোনো সম্পর...
17/09/2026

মানুষ মানুষকে নিয়ে নানা পরিকল্পনা করে, নানা কথা বলে, কখনো কখনো এমন কিছু ধারণাও করে যার বাস্তবতার সঙ্গে হয়তো কোনো সম্পর্কই নেই। তবুও প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব চিন্তা, পছন্দ ও সিদ্ধান্তের অধিকার আছে। কেউ কোনো বিষয়কে নিজের জন্য ভালো মনে করলে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করতেই পারে।
কিন্তু কেউ যদি কাউকে নিয়ে কোনো কথা বলে, অপবাদ দেয় কিংবা তহমত আরোপ করে,তখন প্রতিটি কথার জবাব দেওয়া বা প্রতিবাদে নেমে পড়াই যে বুদ্ধিমানের কাজ, তা নয়। আমার ব্যক্তিগত চিন্তা হলো ,আমি অথবা আমার মুরুব্বিগণ যে কাজ করিনি, তার জন্য মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য অতিরিক্ত ব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُت...
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।”(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
তাই সব কথার উত্তর কথা দিয়ে দিতে হয় না। কখনো কখনো নীরবতাই সবচেয়ে সুন্দর জবাব।
আল্লাহ তাআলা বলেন

قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَنْ تَشَاءُ وَتَنْزِعُ الْمُلْكَ مِمَّنْ تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَنْ تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَنْ تَشَاءُ ۖ بِيَدِكَ الْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ...
“বলুন, হে আল্লাহ! আপনি সমগ্র রাজত্ব ও ক্ষমতার মালিক। আপনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন। সমস্ত কল্যাণ আপনারই হাতে। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।”
(সূরা আলে ইমরান)

অতএব মানুষের হাতে কারো সম্মানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। সম্মান আল্লাহর হাতে।
কেউ যদি আমার অথবা আমার পরিবারের মুরুব্বীদের সম্মান নষ্ট করতে চায়, অথচ আল্লাহ যদি সম্মানিত রাখতে চান,তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। আর যদি কোনো ভুল থেকে থাকে, তাহলে ভুলকে ভুলই স্বীকার করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে তওবা ও সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু যে কাজ করিনি, তার বোঝা কাঁধে নিয়ে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা করারও কোনো কারণ নেই।
মানুষ কী বলল,তা সবসময় আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।কিন্তু আমরা কীভাবে তার জবাব দেব সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
তাই অযথা তর্ক নয়, প্রতিটি কথার প্রতিবাদ নয়, মানুষের ধারণা পরিবর্তনের জন্য নিজেকে ক্লান্ত করাও নয়।
নিজেকে সত্যের ওপর রাখুন, অন্যায় থেকে দূরে থাকুন, আর বিষয়টি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিন।
কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের পরিকল্পনার চেয়ে আল্লাহর পরিকল্পনাই উত্তম।
আল্লাহ তাআলা বলেন
وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ...
"আর আল্লাহই সর্বোত্তম কৌশলকারী"
(সূরা আলে ইমরান)
তাই মনকে শান্ত রাখুন।যা সত্য, তা সত্যই থাকবে।
যা মিথ্যা, সময়ের সঙ্গে তা প্রকাশিত হবেই। ইনশাআল্লাহ।

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন"২০১৩ সালে কুমিল্লায় মরহুম হুজুর (রহ.)-এর একটি মাহফিলে প্রিয় শিল্পী, সুর সম্রাট মুফ...
16/09/2026

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন"
২০১৩ সালে কুমিল্লায় মরহুম হুজুর (রহ.)-এর একটি মাহফিলে প্রিয় শিল্পী, সুর সম্রাট মুফতি আবদুল মুনিম খান হুজুর আলোচনার এক পর্যায়ে একটি কথা বলতে গিয়ে ভুলবশত অন্য একটি বলে ফেলেন,

“আমাদের পীর সাহেব কি বর্তমান জামানার নবী নন?”

আস্তাগফিরুল্লাহ!

অথচ তাঁর উদ্দেশ্য ছিল—“আমাদের পীর সাহেব কি বর্তমান জামানার নায়েবে নবী নন?” অর্থাৎ, নায়েবে নবী বলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত তাঁর মুখ থেকে নায়েবে শব্দটি বাদ পড়ে “নবী” শব্দটি উচ্চারিত হয়ে যায়।

বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, মরহুম হুজুর (রহ.) এবং বর্তমান পীর সাহেব মা.জি.আ. হুজুর—উভয়েই সঙ্গে সঙ্গে কথাটি খেয়াল করেন। তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাঁকে ধমক দিয়ে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর তওবা করানো হয়।

পরবর্তীতে একই স্থানে পুনরায় একটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয় এবং সেখানেও তাঁকে তওবা করানো হয়, যাতে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার ও সংশোধিত হয়।

إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ
​অর্থ: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং যারা পবিত্র থাকে তাদেরকেও ভালোবাসেন।"
— [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২২]

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তওবাকারীকে নিষ্পাপ বান্দার সাথে তুলনা করেছেন:
​التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ كَمَنْ لاَ ذَنْبَ لَهُ
​অর্থ: "গুনাহ থেকে অনুতপ্ত হয়ে তওবাকারী ব্যক্তি সেই ব্যক্তির মতো, যার কোনো গুনাহ-ই নেই।"
​সূত্র:
​সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদিস নং ৪২৫০ (ইমাম আলবানী হাদিসটিকে হাসান বলেছেন)

এখন কথা হলো তাহলে কারো পাপ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করা কী ঠিক বরং সম্পূর্ণ হারাম,

إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
​অর্থ: "যারা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা/দোষ ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।" — [সূরা আন-নূর, আয়াত: ১৯]

যে বিষয়টি তখনই যথাযথভাবে সমাধান করা হয়েছিল, তওবা করানো হয়েছিল এবং পরবর্তীতেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছিল, সেই সমাধান হয়ে যাওয়া বিষয়কে নিয়ে কেন বারবার আমাদের ছোট করার অপচেষ্টা করা হয়?

একটি ভুল উচ্চারণকে কেন্দ্র করে বারবার বিভ্রান্তি ছড়ানো, মানুষের মাঝে ভুল ধারণা সৃষ্টি করার চেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

আল্লাহ্ আপনাদের হেদায়েত দান করুন। আর যদি হেদায়েতের হেদায়েত না থাকলে ধংস করুক তাঁদেরকে, আমীন।

মনে রাখবেন—আদব অর্জন করতে হাজার বছর লেগে যেতে পারে, কিন্তু সেই আদব নষ্ট করতে এক সেকেন্ডই যথেষ্ট।

জাতীয় মিলাদুন্নবি ﷺ অলিম্পিয়াড ২০২৬প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষা সম্পর্কে আপনি কতটা জানেন?পবিত্র ঈদে...
06/09/2026

জাতীয় মিলাদুন্নবি ﷺ অলিম্পিয়াড ২০২৬

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষা সম্পর্কে আপনি কতটা জানেন?
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি ﷺ উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে দেশব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতা জাতীয় মিলাদুন্নবি ﷺ অলিম্পিয়াড ২০২৬।
এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয় বরং প্রিয় নবী ﷺ-এর পবিত্র জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানার এবং নিজের জ্ঞান যাচাই করার একটি সুন্দর সুযোগ।

📖 সিলেবাস কী?
অলিম্পিয়াডের জন্য “ফিকহুস সিরাহ” নির্ধারণ করা হয়েছে
লেখক: ড. সায়িদ রমাদান বুতী
অনুবাদক: ইবনু আরিফ

চিন্তার কিছু নেই সিলেবাসভুক্ত বইটির PDF রেজিস্ট্রেশন করা অংশগ্রহণকারীদের প্রদান করা হবে। তাই বই না থাকলেও আপনি প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

প্রতিযোগিতা হবে যেভাবে :
🥇 প্রথম রাউন্ড: অনলাইন
৩ অক্টোবর ২০২৬
৫০টি MCQ | ৩০ মিনিট।
🥇গ্র্যান্ড ফাইনাল: অফলাইন
১০ অক্টোবর ২০২৬।
প্রথম রাউন্ডে প্রতিটি গ্রুপ থেকে সেরা ২৫ জন করে মোট ১০০ জন গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য নির্বাচিত হবেন।

🎁 পুরস্কারও থাকছে আকর্ষণীয়!
🥇 ১ম পুরস্কার — উমরাহ প্যাকেজ
এছাড়াও প্রথম ৫০ জন বিজয়ীর জন্য মোট ৩ লক্ষ টাকার পুরস্কার।
🎖️ গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশগ্রহণকারী ১০০ জনের জন্য থাকবে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট।

👥 আপনারা যারা অংশ নিতে পারবেন?
৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে একাদশ-দ্বাদশ, ডিগ্রি, ফাজিল, কামিল, অনার্স, মাস্টার্স এবং চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।
💰 রেজিস্ট্রেশন ফি: মাত্র ১০০ টাকা
📅 শেষ সময়: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👉 আজই রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/XBtVygFaVapemNQ9A
📲 রেজিস্ট্রেশন শেষে আপনাকে WhatsApp গ্রুপে যুক্ত করা হবে এবং সেখানেই পরীক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট দেওয়া হবে।
#জাতীয়_মিলাদুন্নবি_অলিম্পিয়াড_২০২৬ #মিলাদুন্নবি_অলিম্পিয়াড #কুইজ_প্রতিযোগিতা

20/08/2026

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ'র দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা।

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম আকন রবি

আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ।

গত সোমবার (১৭ আগস্ট) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মুহা. মোহেব্বুল্লাহ ছালেহী স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও প্রতিষ্ঠান শাখার দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে কেরাত, ইসলামী সংগীত (হামদ-নাত) ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিজয়ীদের পুরস্কারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ রবিউল আউয়ালের আগে যথাসম্ভব উপজেলা পর্যায়ে আনন্দ মিছিল এবং ১২ রবিউল আউয়াল সারাদেশের প্রতিটি জেলায় সংগঠনের ব্যানারে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবন, চরিত্র, আদর্শ ও সুন্নাহ নিয়ে আলোচনা, মিলাদ মাহফিল, দোয়া এবং অন্যান্য শরিয়তসম্মত কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ, আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ ও যুব হিযবুল্লাহর নেতৃবৃন্দ ও মুরব্বিদের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় সব কর্মসূচিতে ইসলামী আদব-শিষ্টাচার, শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রাসূলে কারীম (সা.) এর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ, নামাজের প্রতি যত্নশীলতা, উত্তম চরিত্র ও মানবসেবার শিক্ষা মানুষের মাঝে তুলে ধরতে দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

#বাংলাদেশ #ছাত্র #হিযবুল্লাহ #ছারছীনা

মালচোরের চেয়ে ঈমানচোর অত্যন্ত ভয়ংকর এর কারণ ৪টি।১. মালচোর চুরি করে গোপনে। আর ঈমানচোর মুমিনের ঈমান চুরি করে প্রকাশ্যে।২...
12/02/2026

মালচোরের চেয়ে ঈমানচোর অত্যন্ত ভয়ংকর এর কারণ ৪টি।
১. মালচোর চুরি করে গোপনে। আর ঈমানচোর মুমিনের ঈমান চুরি করে প্রকাশ্যে।
২. মালচোর হারাম জেনেই চুরি করে। আর ঈমানচোর হালাল জেনে মুমিনের ঈমান চুরি করে।
৩. মালচোরের কারণে কেউ পথভ্রষ্ট হয় না, কারণ কেউ তার অনুসরণ করে না। আর ঈমানচোরকে সঠিক ভেবে অনুসরণ করার কারণে অনেকেই পথভ্রষ্ট হয়ে যায়।
৪. মালচোর তার ভুলের জন্য একদিন সে অনুতপ্ত হয়ে তাওবা করতে পারে। আর ঈমানচোর তার ভুলকে সঠিক মনে করার কারণে সে কখনো তাওবাও করবে না।

✍️ মাওলানা আ. জ. ম. ওবায়দুল্লাহ

11/02/2026

বাতিল আকিদার বাঁধন ছিঁড়ে আলোর পথে আয় | Batil Akidar Badhon Sire Alor Pothe Ay | ছারছীনা দরবার শরীফ

মাওলানা এম এ মান্নানের ২০তম ইন্তেকালবার্ষিকী আজআন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমে দ্বীন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাব...
06/02/2026

মাওলানা এম এ মান্নানের ২০তম ইন্তেকালবার্ষিকী আজ
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমে দ্বীন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, দেশবরেণ্য আলেম মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.)-এর আজ ২০তম ইন্তেকাল বার্ষিকী। ২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের উদ্যোগে মহাখালীস্থ মসজিদে গাউছুল আজম কমপ্লেক্সে আজ শুক্রবার জুমার আগে তাঁর জীবনী নিয়ে আলোচনা সভা ও বাদ জুমা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব শাব্বির আহমদ মোমতাজীর পরিচালনায় সভায় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাঁর স্মৃতিচারণ করবেন।
দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা, দেশের আলেমকুল শিরোমনি ও মাদরাসা শিক্ষার দিশারী মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) ১৯৩৫ সালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মাওলানা মান্নান (রহ.) ছিলেন দেশের আলেমকুলের শিরোমনি। তিনি আমেলদের আলেম, শিক্ষকদের শিক্ষক, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী আলেম-ওলামা-মাশায়েখের মুরুব্বি এবং জাতীয় বিবেকের কণ্ঠস্বর। রাজনীতিক এবং সমাজসেবক হিসেবে তিনি সমাজ গঠনে অনেক কীর্তি রেখে গেছেন। মাওলানা মান্নান সারাজীবন দেশ ও মানুষের খেদমতে নিবেদিত ছিলেন। যাপিত জীবনের সব পরিসরে তিনি জাতীয়, শিক্ষা, ও জনকল্যাণে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তার প্রতিটি উদ্যোগ, প্রতিটি কর্মই হয়ে রয়েছে শিক্ষণীয়, অনুকরণীয়, অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
মাওলানা এম এ মান্নান ছিলেন ক্ষণজন্মা প্রবাদপুরুষ। তিনি নানা সময়ে দেশের ক্রান্তিলগ্নে আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। দেশের সকল ইসলামী ধারার রাজনৈতিক দলকে এক ছাতার নীচে এনে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষকে ভাল কাজে উদ্বুদ্ধ করেছেন; ন্যায়ের রাজনীতির দিক্ষা দিয়েছেন। সবার কাছে ‘মাওলানা’ হিসেবে পরিচিতি পেলেও দেশের ডানপন্থী-বামপন্থী-মধ্যপন্থী সব ধারার রাজনৈতিক দল ও নেতাদের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর দরজা সবার জন্য খোলা ছিল। তাঁর কাছে আলেম এবং ইসলামী চিন্তাবিদরা যেমন আসতেন; তেমনি বামপন্থী ‘কমরেড’রাও আসতেন। তিনি আলোচনা, বৈঠক, সেমিনার সবখানে বুদ্ধিদীপ্ত বক্তৃতার মাধ্যমে ‘মধ্যমনি’ হয়ে উঠতেন। তিনি আলেম-ওলামা ও মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষকদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষকে সহায়তা করেছেন। ন্যায়ের পথে নীতিনিষ্ঠ থেকে বেঁচে থাকার প্রেরণা দিয়েছেন লাখো বিপন্ন মানুষকে।
দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে মাওলানা মান্নানের অবদান অপরিসীম। ছাত্র হিসেবে তিনি ছিলেন তুখোড় মেধাবী এবং বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী। শিক্ষক হিসেবে ছিলেন মানুষ গড়ার নিবেদিতপ্রাণ দক্ষ কারিগর। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নেতা, শাসক ও বাদশাদের সঙ্গে ছিল তাঁর সুমধুর বন্ধুত্ব। তিনি ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় একজন রাজনীতিক, সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একাধিকবার ক্যাবিনেট মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। ধর্ম, শিক্ষা, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। নানা বৈষম্যের শিকার দেশের মাদরাসার শিক্ষকদের সুসংগঠিত করেছেন। তিনি সংগঠক হিসেবে ছিলেন আলোর দিশারী। তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সাফল্য ধরা দিয়েছে, রেখেছেন মেধার স্বাক্ষর। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে তিনি অসামান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তিনি নিজে কয়েকটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে উঠেছে। তিনি ছিলেন বহু প্রতিষ্ঠানের অবিভাবক। তার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রম-সাধনা এবং শিক্ষা ও শিক্ষকদের ভাগ্যোন্নয়নে তাঁর অসামান্য অবদান স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। ধর্ম ও ত্রাণ মন্ত্রী হিসেবেও তিনি প্রশাসন পরিচালনায় মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহু মূল্যবান অবদান রেখেছেন। তবে মূল চিন্তা ছিল দেশের পিছিয়ে পড়া অবহেলিত বঞ্চিত সমাজের ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়-মাদরাসামুখি করা। শিক্ষার মান উন্নীত করা, শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য পুস্তকসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা করা। শিক্ষক ও শিক্ষা-কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য দূরকরণ, বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা, আর্থ-সামাজিক মর্যাদা সুনিশ্চিত করা, সব শ্রেণির শিক্ষকদের একই প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করা। এতে তিনি সফল হয়েছেন।
ইংরেজ শাসনামল তথা ১৯৩০-এর দশকে দেশের মাদরাসা শিক্ষকদের সংগঠন জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত অলি-আউলিয়া ও পীর-মাশায়েখ সংগঠনটির গোড়াপত্তন করেন। তবে মাওলানা এম এ মান্নানের রাজনীতির পাশাপাশি এ অরাজনৈতিক সংগঠনটিকে সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠন ও সুসংগঠিত করতে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন। তিনি ১৯৭৬ সালে সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে এর পুনর্গঠনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান। এতে সফল হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন দেশের সবচেয়ে বড় অরাজনৈতিক সংগঠন।
সারাদেশ তথা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা মাদরাসার শিক্ষক, আলেম সমাজ এখনো তাঁর নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। আজ দেশের বিভিন্ন জেলায় মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাফফিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

17/01/2026
আল্লামা ফুলতলী সাহেব কিবলাহ র.
15/01/2026

আল্লামা ফুলতলী সাহেব কিবলাহ র.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maslake Balakot - মাসলাকে বালাকোট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share