Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF, Nonprofit Organization, PKSF Bhaban-1, Plot: E-4/B, Agargaon Administrative Area, Sher-e-Bangla Nagar, Dhaka.

অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী------------------------------------------------------...
10/05/2026

অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী
---------------------------------------------------------

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সরকারের মূল উদ্দেশ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ক কার্যক্রম বাস্তবায়নে পিকেএসএফ-কে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন ১-এ আয়োজিত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক RAISE প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘Stepping Forward: The Inauguration of RAISE-2’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, সম্মাননীয় অতিথি ছিলেন বিশ্বব্যাংকের অ্যাক্টিং ডিভিশন ডিরেক্টর ফর বাংলাদেশ অ্যান্ড ভুটান ড. গেইল এইচ. মার্টিন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের।

প্রধান অতিথি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সুষম বণ্টনের মাধ্যমে তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় সম্পৃক্তকরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পিকেএসএফ-এর কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “পিকেএসএফ-এর উন্নয়ন দর্শন সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সাথে শতভাগ সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

বিশেষ অতিথি নাজমা মোবারেক বলেন, পিকেএসএফ অর্থায়নের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, এবং কারিগরি, প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ আরও ব্যাপক পরিসরে কাজ করবে এবং এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ড. গেইল এইচ. মার্টিন বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বিশ লাখেরও বেশি তরুণের কারিগরি জ্ঞান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ কাজে ইতিবাচক অবদান রাখার উদ্দেশ্যে RAISE প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও অধিক সংখ্যক নারীদের প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পিকেএসএফ-কে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জাকির আহমেদ খান বলেন, বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের সিংহভাগই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকেন্দ্রিক এবং জিডিপিতে এর অবদান বর্তমানে ৩০ শতাংশের বেশি। এ খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ প্রায় ৪০ লক্ষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে সংগঠিত করেছে এবং এর মাধ্যমে প্রায় ৭০ লক্ষ পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। এ নীরব বিপ্লবকে টেকসই করতে বৈদেশিক সাহায্যের পাশাপাশি দেশীয় অর্থায়নের সংস্থান এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ-এর কৌশলগত পরিকল্পনায় কর্মসংস্থান, দক্ষতা বৃদ্ধি ও ঝুঁকি নিরসনের ত্রি-স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে ১৩টি অব্যাহত কর্মসূচি মাধ্যমে কর্মসংস্থানের গুণগতমান বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। প্রায় ৫০টি বিশেষায়িত প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ অব্যাহত কার্যক্রমগুলোকে আরও শাণিত করা হয়েছে। সারাদেশে উৎপাদনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে পিকেএসএফ এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

২০৩০ সালে সমাপ্ত হতে যাওয়া RAISE প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে সরাসরি উপকৃত হবেন ৪ লাখ ২৩ হাজার ১০০ জন। অংশগ্রহণকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চর, হাওর, পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকার মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি, দলিত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী তরুণদের অন্তর্ভুক্তিকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১,৬০০ নারীকে ‘হোম-বেজড চাইল্ডকেয়ার’ উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজন নিজেদের সফলতার গল্প তুলে ধরেন। বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ, জীবন দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যোগ উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ও টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন RAISE-বাস্তবায়নকারী সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

আজ RAISE শীর্ষক প্রকল্পটির ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় অর্থ...
10/05/2026

আজ RAISE শীর্ষক প্রকল্পটির ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ ফজলুল কাদের।

The initiative comes after the government and PKSF signed a subsidiary agreement on 29 April involving $157.5 million in additional financing for the RAISE project.

"দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্স" -- মোঃ ফজলুল কাদের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকেএসএফ
03/05/2026

"দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্স"
-- মোঃ ফজলুল কাদের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকেএসএফ

বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নের কারিগর হিসেবে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর ভূমিকায় রয়েছে পল্লী ....

আরো প্রায় ২ লাখ তরুণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ১৫ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর---------------------------------বাংলাদেশের বেকার ত...
30/04/2026

আরো প্রায় ২ লাখ তরুণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ১৫ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর
---------------------------------
বাংলাদেশের বেকার তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের বিশাল এক জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল শ্রমশক্তিতে রূপান্তর করতে এবং বিশেষ করে কর্মজীবী নারীদের জন্য একটি সহায়ক কর্মপরিবেশ তৈরিতে বড় ধরনের বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে বসবাসরত তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে চর, হাওর, উপকূলীয় এলাকা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের কারিগরি দক্ষতা প্রদানের ওপর এতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত এই প্রকল্পের আওতায় আরও প্রায় ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৬ শত বেকার তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এবারের বিশেষ সংযোজন হিসেবে অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ‘হোম-বেজড চাইল্ডকেয়ার’ বা গৃহভিত্তিক শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে মায়েরা তাদের সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে নিশ্চিন্তে কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারবেন, যা দেশের ‘কেয়ার ইকোনমি’কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা টেকসই করতে বিশেষ সহায়তা কার্যক্রমও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সরকার ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর মধ্যে ১৫ কোটি ৭.৫ লক্ষ মার্কিন ডলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘সাবসিডিয়ারি এগ্রিমেন্ট’ (Subsidiary Agreement) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই অর্থায়ন মূলত বিশ্বব্যাংক থেকে গ্রহণ করে পিকেএসএফ-এর নিকট হস্তান্তর করবে সরকার, যা সংস্থাটি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Recovery and Advancement of Informal Sector Employment (RAISE) প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাসমূহ যথাক্রমে ১০ কোটি ৫৮ লক্ষ ৬০ হাজার এবং ২ কোটি ৫৮ লক্ষ ১০ হাজার মার্কিন ডলার কো-ফাইন্যান্সিং প্রদান করবে। এর ফলে RAISE প্রকল্পে মোট অতিরিক্ত অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৮ কোটি ২৪ লক্ষ ২০ হাজার মার্কিন ডলারে।

উল্লেখ্য যে, ২০২২ সাল থেকে মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে পরিচালিত RAISE প্রকল্পটি ইতিবাচক পরিবর্তনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের অধীনে ৬ মাস মেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী তরুণদের প্রায় ৮৮ শতাংশই বর্তমানে সফলভাবে কর্মসংস্থানে যুক্ত রয়েছেন এবং তাদের মাসিক গড় আয় ৯ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। ইতিমধ্যে দেশের ৮৯টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। নতুন এই চুক্তির ফলে মোট ২৮ কোটি ২৪ লক্ষ ২০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি বিশাল তহবিল গঠিত হলো, যেখানে বিশ্বব্যাংকের পাশাপাশি পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাসমূহ নিজস্ব অর্থায়ন নিশ্চিত করছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোছা: নাজনীন সুলতানা এবং পিকেএসএফ-এর পক্ষে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের বিশাল এক যুবগোষ্ঠী দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ৭.৫ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন...................................................
29/04/2026

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ৭.৫ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন........................................................

বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কৃষি খাত ভিত্তিক ভ্যালু চেইন সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র উদ্যোগের অবদান সুসংহত করেছে।

আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) ও ডানিডার সহ-অর্থায়নে বাস্তবায়িত ছয় বছর মেয়াদি আরএমটিপি’র সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ মন্তব্য করেন। পিকেএসএফ ভবন-১-এ পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন ইফাদ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ভ্যালেন্টাইন আচাঞ্চো এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের। এতে প্রকল্প বিষয়ক উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক ও আরএমটিপি প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: হাবিবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাজমা মোবারেক বলেন, আরএমটিপি দেখিয়েছে, সঠিক পরিকল্পনা, উদ্ভাবন ও অংশীদারীত্বের মাধ্যমে গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় ইফাদের অর্থায়নে পিকেএসএফ ‘গ্রিন’ নামক আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন খুব শীঘ্রই শুরু করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি ড. ভ্যালেন্টাইন আচাঞ্চো বলেন, “আরএমটিপি শুধু একটি সফল প্রকল্পই নয়, এটি বৃহৎ পরিসরে একটি কার্যকর ধারণার বাস্তব প্রমাণ। এটি প্রমাণ করেছে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটলে তা পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করে এবং এমন রূপান্তর সাধন করে, যা প্রকল্পের সমাপ্তির সঙ্গে শেষ হয় না, বরং তা অব্যাহত থাকে, বিস্তৃত হয় এবং আরও কার্যকর রূপ লাভ করে।”

পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, “আরএমটিপি শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে টেকসই রূপান্তরের একটি সফল মডেল। গ্রাম থেকে শহরে বিভিন্ন পরিসরে এ প্রকল্পের সফল উদ্যোগগুলো বজায় থাকবে। পিকেএসএফ এ প্রকল্পের সফল উদ্যোগগুলোকে ভবিষ্যতে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করবে।”

স্বাগত বক্তব্যে মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি, বাজার সংযোগ, ব্র্যান্ডিং ও সনদায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কাজ করা হয়েছে। “ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পিকেএসএফ ভবিষ্যতেও শোভন কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, ঝুঁকি নিরসন এবং দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

প্রকল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় জানানো হয়, আরএমটিপি প্রকল্পটি ৯০টি কৃষিভিত্তিক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের মাধ্যমে ৭.৫ লক্ষেরও বেশি সদস্যকে সম্পৃক্ত করেছে। এ প্রকল্পে অংশগ্রহণকারীদের কৃষিপণ্য উৎপাদন বেড়েছে ৬৬ শতাংশ, আয় বেড়েছে ৪৯ শতাংশ এবং মুনাফা বেড়েছে ৪১ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে আরএমটিপি প্রকল্পের সহায়তাপ্রাপ্ত চারজন উদ্যোক্তা নিজেদের সফলতার গল্প তুলে ধরে জানান কীভাবে প্রকল্পটি উৎপাদন, আয় ও বাজার সম্প্রসারণে সহায়তার মাধ্যমে তাদেরকে চাকরিসন্ধানী থেকে চাকরিদাতায় রূপান্তরিত করেছে। অনেক উদ্যোক্তা জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পনির, গরুর মাংসের আচার ও বিভিন্ন সবজি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের রপ্তানি সম্ভাবনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

নারীর কর্মসংস্থান ও শিশু সুরক্ষায় ‘গৃহভিত্তিক দিবাযত্ন কেন্দ্র’: পিকেএসএফ-বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত -----------...
28/04/2026

নারীর কর্মসংস্থান ও শিশু সুরক্ষায় ‘গৃহভিত্তিক দিবাযত্ন কেন্দ্র’: পিকেএসএফ-বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত
--------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশে কর্মজীবী মায়েদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের পথে অন্যতম প্রধান অন্তরায় হলো শিশুদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আশ্রয়ের অভাব। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১৮ শতাংশ অভিভাবক শুধু মানসম্মত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কাজ ছাড়তে বাধ্য হন এবং অর্ধেকেরও বেশি অভিভাবক সন্তান লালন-পালনকে তাদের ক্যারিয়ারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ মনে করেন। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের ও অনানুষ্ঠানিক সেক্টরে কর্মরত নারীদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা যেমন প্রকট, তেমনি এর ফলে শিশুদের সঠিক বিকাশও অনেক সময় বাধাগ্রস্ত হয়। এ আর্থ-সামাজিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে এবং ‘কেয়ার ইকোনমি’কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ‘RAISE’ প্রকল্পের আওতায় ‘হোম-বেজড চাইল্ড কেয়ার’ বা গৃহভিত্তিক শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র চালুর বিষয়ে একটি পরামর্শ সভা ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। পিকেএসএফ ভবন-১-এ আয়োজিত এ সভায় মূলত বাংলাদেশে এ মডেলটি বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা, ভবিষ্যৎ কৌশল এবং চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় পিকেএসএফ-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিয়ার রহমান সম্ভাব্য এ কার্যক্রমকে প্রতিষ্ঠানের একটি ‘ফ্ল্যাগশিপ কার্যক্রম’ হিসেবে অভিহিত করেন। বিশ্বব্যাংকের টাস্ক টিম লিডার আনিকা রহমান শিশু পরিচর্যা কার্যক্রমকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম নিয়ামক হিসেবে তুলে ধরেন। পিকেএসএফ-এর মহাব্যবস্থাপক দিলীপ কুমার চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রস্তাবিত মডেলের আওতায় দেশজুড়ে প্রায় ২,৫০০ জন দক্ষ ‘চাইল্ড কেয়ার ওয়ার্কফোর্স’ তৈরি এবং প্রায় ৮০০ নারীকে চাইল্ড কেয়ার মাইক্রো-এন্টারপ্রেনার হিসেবে গড়ে তোলার একটি রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থাপিত উপস্থাপনাগুলোতে বাংলাদেশের বাস্তবতায় চাইল্ড কেয়ারের বর্তমান চিত্র এবং বিশ্বব্যাপী সফল আন্তর্জাতিক মডেলগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত শিক্ষা নিয়ে ব্রেইনস্টর্মিং করা হয়, যেখানে ১৭টি সহযোগী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে গঠনমূলক মতামত প্রদান করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিবৃন্দ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত স্থানের অভাব, স্বল্প আয়ের মায়েদের ব্যয়ভার বহনের সক্ষমতা এবং সামাজিক আস্থার সংকটের মতো সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে নিবিড় আলোচনা করেন। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে একটি কার্যকর ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (SOP) বা নীতিমালা প্রণয়ন এবং কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশু পরিচর্যাকে একটি সম্মানজনক ও পেশাদার মর্যাদা প্রদান করার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি টেকসই মডেল দাঁড় করানো সম্ভব বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের পিকেএসএফ-এ আগমন --------------------------------------অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডে...
20/04/2026

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের পিকেএসএফ-এ আগমন
--------------------------------------
অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও মিজ ক্যাথলিন শেরউইন আজ ২০ এপ্রিল ২০২৬ পিকেএসএফ-এ আগমন করেন। এর আগে তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত Comprehensive Cataract Services for People Living in Poverty in Bangladesh শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পিকেএসএফ-এ তাঁকে স্বাগত জানান পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান জনাব জাকির আহমেদ খান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ ফজলুল কাদের।

স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকেএসএফ-এর কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০ এর উপর আলোকপাত করেন। তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ছানি অপারেশনকে একটি মানবিক কার্যক্রম হিসেবে অবহিত করেন। ভবিষ্যতে পিকেএসএফ এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশব্যাপী তার সহযোগী সংস্থার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবে। অরবিস ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ ছানি অপারেশন কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের জনগণের মাঝে চক্ষু পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান। এর জন্য তিনি পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমুহের প্রশংসা করেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মিজ ক্যাথলিন শেরউইন তাঁর বক্তব্যে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে চোখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে এই সেবা আরও বিস্তৃত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনে পিকেএসএফ-এর সাথে EyePlus টেকসই উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান জনাব জাকির আহমেদ খান বলেন, দারিদ্র্য শুধু অর্থনৈতিক মানদণ্ডে বিচার করলে হবে না, দারিদ্র্য একটি বহুমাত্রিক বিষয়। তাই দারিদ্র্য হ্রাসকল্পে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে যেখানে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল পিকেএসএফ-এর সহযোগী হতে পারে। তিনি অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বৃহৎ দারিদ্র্য হ্রাসকরণে EyePlus কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও পিকেএসএফ দেশের উন্নয়নে যে কোনো সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত Comprehensive Cataract Services for People Living in Poverty in Bangladesh শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিগত ছয় মাসে ২৭,৮০০ জন দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছে। এ সময় প্রায় ২ লাখ জনের প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ৫৯টি জেলায় পিকেএসএফ-এর ১১৫টি সহযোগী সংস্থা (এনজিও) এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ৩০টি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পিকেএসএফ ও সানেম-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর------------------------------------১৯৯০ সাল থেকে পিকেএসএফ কর্মসংস্থান স...
20/04/2026

পিকেএসএফ ও সানেম-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
------------------------------------
১৯৯০ সাল থেকে পিকেএসএফ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র অর্থায়ন, আয়ক্ষয়কারী বিভিন্ন ঝুঁকি নিরসন এবং দক্ষতা উন্নয়নের কাজ করছে। এ লক্ষ্যে, অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে প্রায় ৪০০টি ভ্যালু চেইন উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল লক্ষ্য অর্জনকে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সম্প্রতি পিকেএসএফ 'কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। এর প্রেক্ষিতে, পিকেএসএফ-এর বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফজলুল কাদের এবং সানেম সভাপতি ড. বজলুল হক খন্দকার এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফ-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। তিনি আগামীতে সময়োপযোগী, উৎপাদনমুখী, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোগের দ্রুত বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এ উদ্দেশ্যে পিকেএসএফ-এর বিভিন্ন ভবিষ্যতমুখী, উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করে জাকির আহমেদ খান এসব কার্যক্রম উচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের জন্য পিকেএসএফ-এর কর্মকর্তাদের পরামর্শ প্রদান করেন।

19/04/2026

"লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে, সেই সাথে এগিয়ে যাবে সমগ্র বাংলাদেশ।"
-- ১৬ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ গ্রহণের পর দেওয়া বক্তব্যে পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।

দক্ষতা উন্নয়ন: প্রশিক্ষণ সমাপ্তির এক মাসের মধ্যে কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ--------------------কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্...
19/04/2026

দক্ষতা উন্নয়ন: প্রশিক্ষণ সমাপ্তির এক মাসের মধ্যে কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ
--------------------
কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশের তরুণ সমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিয়ার রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষানবিশি প্রশিক্ষণ সমাপ্তির এক মাসের মধ্যে তাদের সরাসরি কর্মক্ষেত্রে সম্পৃক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

১৫ এপ্রিল পিকেএসএফ ভবন-১-এ RAISE প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ‘Employment Support and Job Placement Strategies’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষানবিশদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা এবং একটি নির্ভুল ও স্বচ্ছ ডেটাবেজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি প্রকল্পের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করবে।

এ কর্মশালায় ১৫ ও ১৬ এপ্রিল দু’টি ব্যাচে RAISE প্রকল্পভুক্ত ৮৯টি সহযোগী সংস্থার মোট ১০০ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা কর্মসংস্থান সহায়তা, জব প্লেসমেন্ট কৌশল, নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ স্থাপন, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং জব ফেয়ার আয়োজনের মতো বিষয়গুলোতে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা লাভ করেন।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন RAISE প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার চক্রবর্ত্তী, উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী গোলাম জিলানী এবং উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী এস এম খালেদ মাহফুজ।

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলো পিকেএসএফ--------------------------------------------জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর...
16/04/2026

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলো পিকেএসএফ
--------------------------------------------
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পিকেএসএফ দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ অর্জন করেছে। পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে এ সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করা হয়।

আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। পল্লী উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির বিকাশে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি এই অর্জন।

এ অনুষ্ঠানে পিকেএসএফ-এর পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা ও ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

পিকেএসএফ-এর কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২ কোটি ১৬ লক্ষ সদস্য, যাদের ৯৩ শতাংশই নারী। তাদের সাহস, উদ্যম ও আস্থাই পিকেএসএফ-এর এ সাফল্যের ভিত্তি। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও অ-আর্থিক সেবাপ্রাপ্ত প্রায় ৪০ লক্ষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ইতিমধ্যে ৭০ লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারভিত্তিক ভ্যালু চেইন উন্নয়নেও পিকেএসএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কর্মসৃজনের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিকেএসএফ একটি শীর্ষ উন্নয়ন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। টেকসই অর্থায়ন, সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে পিকেএসএফ দেশজুড়ে ক্ষুদ্র অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে এবং একটি সমৃদ্ধ, ঘাতসহিষ্ণু ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দেশজুড়ে কর্মরত সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতি। তাদের অবদানের ফলেই পিকেএসএফ আজ একটি বিশ্বমানের উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

Address

PKSF Bhaban-1, Plot: E-4/B, Agargaon Administrative Area, Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF:

Share