Mannan-Sufia Foundation

Mannan-Sufia Foundation সত্য-ন্যায়-সহযোগিতা

আর মাত্র ৮দিন। এরপরেই বিদায় নিবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বাংলাদেশের ইতিহাসের সফলতম সরকার। হ্যা এটা অস্বীকার করছিনা যে এ ...
04/02/2026

আর মাত্র ৮দিন। এরপরেই বিদায় নিবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বাংলাদেশের ইতিহাসের সফলতম সরকার।
হ্যা এটা অস্বীকার করছিনা যে এ সরকারের বিভিন্ন ভুল, সীমাবদ্ধতা বা ব্যর্থতা ছিলো। বিশেষ করে আইনি পরিস্থিতি উন্নয়নে। কিন্তু যে দেশের একটা পুলিশ বর্তমান সরকার কে দেখতে পারে না, একজন কনস্টেবল পর্যন্ত ঠিক মতো সহযোগীতা করে না সেই দেশের আইন ব্যবস্থার আপনি কীভাবে উন্নতি করবেন? এর বাইরে আরেকটা বড় ব্যর্থতা তারা বিচার নিশ্চিত করতে পারে নি। কিন্তু বিচার নিশ্চিত করা কী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ নাকি বিচারকের কাজ? এখানে হস্তক্ষেপ করলে ঠিকই বলতেন ইউনুস সরকার গণতন্ত্র পছন্দ করে না। পুলিশকে চাপ দিয়ে তাও কিছু লীগের দোসরকে জেলে ডুকানো যায় কিন্তু ২ দিন পর আবার বিচারকরা এদের জামিন দিয়ে দেয় এখন এখানে সরকারের অনৈতিক উপায়ে চাপ দেওয়া ছাড়া নৈতিক ভাবে কিছু করার ছিলো বা আছে?
এরপর আসি মানুষের এক্সপেকটেশনে। সত্যি কথা বলতে বেশিরভাগ মনে করছে হাসিনা পালানোর পর ইউনুস সাহেব এসে কোন যাদুর মাধ্যমে এক বছরে বাংলাদেশকে আমেরিকা বা ইউরোপ বানিয়ে দিবে। কিন্তু একবছরের মধ্যে একটা দেশর কতটুকু দৃশ্যমান পরিবর্তন সম্ভব? তবুও তাদের চেষ্টার কমতি ছিলো না। কিন্তু যতই তারা চেষ্টা করছে ততই আমরা বাঁধা দিয়েছি। বড় বড় আমলা থেকে ব্যবসায়ি এদের চাপ তো বিভিন্ন বিষয়ে সবসময় ছিলো সাথে জনগণের চাপ। পলিথিন বন্ধ করতে চাইলে আন্দোলন, সেন্ট মার্টিন দ্বিপ বাঁচাইতে চাইলো তাও ঝামেলা, বন্দরকে দূর্ণীতি মুক্ত করতে চাইলো তাও আন্দোলন। কার সহযোগিতা পাইছে এই সরকার? ভালোই হইতো যদি এই সরকার একচুয়াল উন্নয়ন না করে হাসিনার মতো দৃশ্যমান উন্নয়ন করতো এবং অর্থনীতির অবস্থা আরো বাজে করতো। কারণ বাংলাদেশের মানুষ একে তো অশিক্ষিত । এদের সামনে বিশাল শাইনি বাটপ্লাগ রাখলেই এরা খুশি কিন্তু একটু পর এই বিশাল শাইনি চকচকা বাটপ্লাগ যে তাদের বাটেই প্রবেশ করবে তা তারা ভুলে যায়।
কিন্তু যেসব যায়গায় একটু কম বাঁধা পেয়েছে সেখানে দেদারসে উন্নতি করেছে সরকার। আই মিন এক বছরে এই পরিমাণ পরিবর্তন সম্ভব তা আমার নিজের বিশ্বাস করাই কষ্টকর। এই যেমন ধরেন হাসিনা এবং তার গঙের লুট করা ৮ ব্যাংককে সরকার সেইফ করছে, আকাশে ভাসতে থাকা স্যাটালাইট থেকে এই প্রথম লাভ আনছে সরকার। বাংলাদেশ বিমান ইতিহাসের সর্বোচ্চ লাভ করছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও ইতিহাসের সর্বোচ্চ লাভ করছে। এর বাইরে বিদেশি বিনোয়গ থেকে শুরু করে কয়েকশ সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন। বিভিন্ন বড় বড় প্রজেক্ট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা সেইফ করছে। রিজার্ভ বাড়াইছে। এত কিছু কোন সরকার এক বছরে তো দূরে থাক পাঁচ বছরেও করে নাই এবং ভবিষ্যতেও করতে পারবেনা।
এরপরে তো মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট বিষয়। আমাদের মানসম্মান, ডিগনিটি ফিরিয়ে দিয়েছে এ সরকার। এ সরকারের আমলে বাংলাদেশ যেভাবে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে এবং ইন্ডিয়ার আদিপত্যের বিরুদ্ধে দাড়াইছে তা আর কার সময় দেখছেন? এন্ড মার্ক মাই ওয়ার্ড ফিউচারেও দেখবেন না।
এ সরকারের হাতে সময়, সুযোগ এবং দেশবাসী সহ সকলের সুযোগ থাকে আমরা হয়তো আরো অনেক কিছু দেখতে পারতাম। কিন্তু লেটস বি রিয়েল, একটা গণ-অভ্যুত্থানের পরে একটা দেশ যে পরিমাণ বাজে অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যায় এবং যে পরিমাণ সাফার করে তার ১% ও আমরা করি নাই। এসবের জন্য এবং বাংলাদেশর ভবিষ্যত কে আরেকটু ব্যাটার করার জন্য যে পরিমাণ এফোর্ট এ সরকার দিছে তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ ইউনুস সাহেব এবং তার উপদেষ্টাদের প্রতি।
(এ সরকার এই এক বছরে হাজার হাজার কাজ করছে। যে পরিমাণ বড় বড় কাজ করছে তার ১% আমার পক্ষে একটা পোস্টে উল্লেখ করা সম্ভব না। কিন্তু আজ মিডিয়া ট্রায়াল আর অজ্ঞতার কারণে ইতিহাসের সবচেয়ে সফলতম সরকারের আমলে আমাকে শুনতে হয় হাসিনার আমলেই দেশ ঠিক ছিলো।
Credit Adv Abu Hena Razzaqi

আগুন লাগলো দোতালায়। অথচ ধোঁয়ায় প্রাণ হারালো ৫-৬ তলার পরিবার। না নিচে নামতে পারছে। না উপরে ছাদে গিয়ে আশ্রয় নিতে পারছে। জা...
18/01/2026

আগুন লাগলো দোতালায়। অথচ ধোঁয়ায় প্রাণ হারালো ৫-৬ তলার পরিবার। না নিচে নামতে পারছে। না উপরে ছাদে গিয়ে আশ্রয় নিতে পারছে।
জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। দ্রুত দমকল বাহিনী এলো, উদ্ধারও হলো কিন্তু নিথর প্রাণহীন দেহ। ৬টি লাশ। আর গুরুতর আহত কিছু প্রাণ।
অথচ এরা ছাদে কোনভাবে যেতে পারলে প্রাণে বেঁচে যেতে পারতো। পাশাপাশি লেগে থাকা ভবনগুলো। এক ছাদ থেকে অন্য ছাদে যাওয়া যেত। কিংবা উদ্ধার হওয়ার আগ পর্যন্ত ঐ ছাদেই মুক্তভাবে শ্বাস নিতে পারতো।
যারা অগ্নিকান্ডের ধোঁয়া কখনও ফুসফুসে নিয়েছেন। তাঁরাই শুধু বুঝবেন এর ভয়াবহতা কত ভয়ঙ্কর। আমাদের ভবনেরও ছয় তলায় তোষকে আগুন লেগেছিলো। আমার চোখ আর ফুসফুস ২ সেকেন্ডও নিতে পারেনি ঐ ধোঁয়ার ঝাঁঝ আর গন্ধ।
বাড়িওয়ালারা ছাদের চাবি ভাড়াটিয়াদেরকে কেন দেয় না। কেন বন্ধ রাখে?
আমি তাদের জায়গায় নিজেকে যদি রাখি তাহলে বলবো:
১) ছাদ বন্ধ না রাখলে অনেক সময় চোর ছাদের মাধ্যমেই সহজে ভবনে ঢুকতে পারে।
২) ছাদে অনেক সময় চ্যাংড়া ভাড়াটিয়ারা দলবল নিয়ে সিগারেট, নেশাপানি, আড্ডাবাজী। আবার কেউ কেউ মেয়ে বান্ধুবীদেরকে এনেও অসমাজিক কার্যক্রম করে।
ইত্যাদি কারণে বাড়িওয়ালাদের এই যুক্তিতে ছাদ বন্ধ রাখার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
কিন্তু দেখুন! এসব কিছু বন্ধ ও নিয়ন্ত্রনও কিন্তু সম্ভব। এসবকিছুর চেয়ে একটি মানুষের জীবনের মূল্য সবচেয়ে বেশী। বিপদ বলে কয়ে আসে না। কিন্তু যেদিন আসবে। সেদিন পুরো ভবনের মানুষকে সাফ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। হোক সেটা ভাড়াটিয়া কিংবা বাড়িওয়ালা। কেউই মাফ পাবে না।
একটা সিসি ক্যামেরার দাম কত?
মাত্র ২৫০০ টাকায় একটি সিসি ক্যামেরা কিনতে পাওয়া যায়। আপনি ছাদে একটি সিসিক্যামেরা স্থাপন করুন।
ছাদের দরজা তালা না মেরে বাইরে থেকে সিটকিনি দিয়ে রাখুন।
ভাড়াটিয়াদেরকে কড়া নির্দেশ দিয়ে রাখুন। আপনাদের অনুমতি ছাড়া কিংবা সন্ধার পর আর কেউ ছাদে যেতে পারবে না।
ব্যাস! এই নিয়মটুকু করা কী খুব কঠিন? কোন ভাড়াটিয়ার ঘাড়ে মাথা থাকে, বাড়িওয়ালার এই নির্দেশ অমান্য করার?
করলে সিসিক্যামেরায় ধরা পড়ে যাবে। সাথে সাথে বাড়িওয়ালার ফোনে নোটিফিকেশন আসবে। নিয়ম অমান্য করলে, ভাড়াটিয়াকে নোটিশ দিয়ে বের করে দিবেন।
কিন্তু এতটুকু নিয়ম শিথিল করার কারণে আপনার ভবনে বাস করার কারণে বাড়িওয়ালা কিংবা ভাড়াটিয়ার পরিবারের মানুষগুলোর জীবন বেঁচে যেতে পারে।
প্রায়ই সময় যখন বিছানায় ঘুমাতে যাই। চোখ বন্ধ করে চিন্তা করি। আচ্ছা মাঝরাতে আগুন লাগবে কিংবা ভূমিকম্প হলে কী করবো?
ছাদে যেতে পারবো না। তালা মারা। নিচে যেতেও পারবো না যদি নিচের ফ্লোরে আগুন লাগে, আবার কোনভাবে যদি নিচেও যাই দারোয়ান দরজা বন্ধ করে রাখে। তাহলে কীভাবে বের হবো?
এসব সমস্যার সমাধান ঠিকই রয়েছে।
সেই সমাধানের জন্য বাড়িওয়ালাদের মানবিক এবং ভাড়াটিয়াদেরও নিয়ম মেনে চলতে হবে।
আমার ভবনে থাকা মানুষগুলোর দায়িত্ব আমাকেই নিতে হবে। তেমনি বাড়িওয়ালার বিপদে ভাড়াটিয়াই সবার আগে ছুটে আসতে পারবে। অন্য কেউ নয়।
আমরা আরেকটু মানবিক হই। সরকারের উচিত ভবন মালিক ও ভাড়াটিয়াদের নিরাপত্তার জন্য সঠিক নিয়ম চালু করা। বাড়িওয়ালাদের চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় কোন নিয়ম নয়। ভাড়াটিয়াদেরও লাগামছাড়া আচরণ নয়।
রিজভি ভাই আমাদের মিউচুয়াল ফ্রেন্ড ছিলো। অমায়িক এই মানুষটি দুই বছরের শিশু সন্তান ও ভাবী সহ প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে আরেক পরিবারে প্রাণ হারিয়েছে বাবা-ছেলে আর ভাতিজি।
ময়মনসিংহে পাশাপাশি তিনটি কবর খোঁড়া হচ্ছে। হারিছ উদ্দিন, তার ছেলে ও ভাতিজির কবর।
কুমিল্লাতেও হয়তো রিজভি ভাই, ভাবী ও ছোট রিশানকে পাশাপাশি শায়িত করা হবে।
এমন নিষ্ঠুর নির্মম নিয়তি মহান আল্লাহ্‌ তা'য়ালা আর কোন পরিবারকে না দিক। আল্লাহ্‌ তা'য়ালা আমাদের পরিবারকে রক্ষা করুন।
Ameen....
Collected

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কানের ভেতর অত্যাধুনিক ডিভাইস সহ ধরা পড়েছে ৪৮ জন। ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে কান থেকে ডিভা...
10/01/2026

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কানের ভেতর অত্যাধুনিক ডিভাইস সহ ধরা পড়েছে ৪৮ জন। ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে কান থেকে ডিভাইস বের করা হচ্ছে।
এরা কিন্তু শিক্ষক হবার জন্য পরীক্ষা দিতে এসেছে। এরপর শিক্ষক হয়ে এরা আমাদের আসলে কী শিক্ষা দেয়?
আজ দেখলাম মানিকগঞ্জে খেজুরের গুড় বানাচ্ছে রস ছাড়া! অর্থাৎ খেজুরের রসের কোন নাম গন্ধ নেই। কিন্তু উনারা খেজুরের গুড় হিসেবে বিক্রি করছে!
এদিকে অন্য আরেকটা ভিডিওতে দেখলাম কোন এক সরকারি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে চুলা আছে। সেখানে পিঠা বানানো হচ্ছে! অবস্থাটা চিন্তা করেন!
আমিও একজন শিক্ষক। ইউরোপে যখন পড়েছি এবং এখন যখন পড়াই। কোন দিন তো দেখিনি কেউ কোন প্রকার অসৎ উপায় অবলম্বন করছে। কারন সেখানে আইন আছে এবং আইনের প্রয়োগ আছে। আপনি অন্যায় করলে সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
যেমন ধরুন আমরা যখন গাড়ি চালাই। জেব্রা ক্রসিং-এ গাড়ি থামিয়ে দিতে হয় (যদি কোন মানুষ সেই ক্রসিং দিয়ে পার হয় ওই সময়।) কারন আইন অনুযায়ী মানুষ আগে। সকল গাড়ি থেমে যাবে। আপনি রাজার মত পার হবেন। এটাই আইন। আর এই আইন যদি আপনি অমান্য করেন। পরের ক্রসিং-এ আপনার ফাইন হয়ে যেতে পারে। এ জন্য সবাই এটা মেনে চলে।
আর বাংলাদেশে? শিক্ষক হবার জন্য যারা পরীক্ষা দিচ্ছে, তাঁরা কিনা কানের ভেতর ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছে! যাতে বাইরে থেকে কেউ একজন বলে দেবে। উনারা শুনে শুনে পরীক্ষা দিয়ে দেবেন! এ জন্যই তো পড়াশোনা শেষ করে ডাক্তার আর নার্সরা অপারেশন থিয়েটারে চুলা বসিয়ে রান্না করছে। আমলারা ঘুষ খেয়ে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে! আর রাজনীতিবিদরা পারলে নিজেদের বাবা-মাকেও বিক্রি করে দেবে ক্ষমতার জন্য!
এই অসুস্থ সমাজকে কি চিকিৎসা দিয়ে আর ঠিক করা সম্ভব? আমার তো মনে হচ্ছে আমারা চিকিৎসার ঊর্ধে চলে গেছি। যারা চিকিৎসা দেবে, তাঁরা নিজেরাই তো অসুস্থ!

🌙 ৩১ ডিসেম্বরের রাত—উৎসব হোক, আতঙ্ক নয় 🌙আতশবাজি ও উচ্চশব্দে বিস্ফোরণ শুধু আনন্দই নয়,এটি হতে পারে শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ ম...
30/12/2025

🌙 ৩১ ডিসেম্বরের রাত—উৎসব হোক, আতঙ্ক নয় 🌙

আতশবাজি ও উচ্চশব্দে বিস্ফোরণ শুধু আনন্দই নয়,
এটি হতে পারে শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ মানুষ ও প্রাণীদের জন্য ভয়ংকর আতঙ্কের কারণ।

🔴 উচ্চ শব্দের আতশবাজি ও বোমা
❌ শিশুদের মানসিক ক্ষতি করে
❌ হৃদরোগী ও বৃদ্ধদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ
❌ পশুপাখির জন্য ভয় ও প্রাণনাশের কারণ
❌ অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ায়

📢 আমাদের অনুরোধ ও আহ্বান
➡️ দয়া করে উচ্চ শব্দের আতশবাজি ও বোমা ফাটানো থেকে বিরত থাকুন
➡️ উৎসব উদযাপন করুন নিরাপদ ও মানবিকভাবে

🚨 জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
যদি কোথাও
🔥 বিপজ্জনকভাবে বোমা ফাটানো
🔥 জনজীবনে মারাত্মক ঝুঁকি
🔥 আগুন বা দুর্ঘটনার আশঙ্কা
দেখেন—

📞 অবিলম্বে ৯৯৯ নম্বরে কল করুন
এটি কারও বিরুদ্ধে নয়—
👉 এটি জীবন বাঁচানোর জন্য নাগরিক দায়িত্ব।

🤝 আসুন, আমরা সবাই মিলে
নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক ৩১ ডিসেম্বর নিশ্চিত করি।


✍️ Mannan Sufia Foundation

20/12/2025
20/12/2025
20/12/2025
20/12/2025
20/12/2025
20/12/2025

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mannan-Sufia Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share