বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিটি BDC

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিটি BDC

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিটি BDC আমি বাংলাদেশের সিষ্টেমে এখনো দৃঢ় ভাবে আস্থা রাখি। সিষ্টেম তৈরি ব্যতীত সুন্দর দেশ ও সমাজ আশা করা যায় না।

বিমান ব্যবস্থা।
02/08/2025

বিমান ব্যবস্থা।

আমাদের প্রতিরক্ষা বলয়।
02/08/2025

আমাদের প্রতিরক্ষা বলয়।

গঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ জেলা এনসিপি'র ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয় কমিটি। সালেহ উদ্দিন সিফাত যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) জাতীয় নাগরিক...
19/06/2025

গঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ জেলা এনসিপি'র ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয় কমিটি।

সালেহ উদ্দিন সিফাত
যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর)
জাতীয় নাগরিক পার্টি - এনসিপি

19/06/2025
১২ মাস সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ২৩ গুণ...
19/06/2025

১২ মাস সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ২৩ গুণ...

আমি একটা কথা সব সময় বলি-পরিবেশবাদ সাইন্সের কোন সাবজেক্ট না, এটা আর্টসের সাবজেক্ট।পরিবেশবাদের সাথে সাইন্সের বিন্দুমাত্র স...
19/06/2025

আমি একটা কথা সব সময় বলি-
পরিবেশবাদ সাইন্সের কোন সাবজেক্ট না, এটা আর্টসের সাবজেক্ট।
পরিবেশবাদের সাথে সাইন্সের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নাই।
যেমন, খোদ পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা আর্টসের পড়ালেখা করা মহিলা।
পরিবেশবাদের নামে হরহামেশা সাইন্স বহির্ভূত কথাবার্তা বলেন।

যেমন-
যখন সেইন্টমার্টিন বন্ধ করে দিলেন, বললেন-
সেন্টমার্টিনের পর্যটক যাতায়াত বন্ধ না করলে,
কোরাল ক্ষয় হয়ে দ্বীপটি নাকি পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

অথচ কোরাল ক্ষয় হওয়ার সাথে সেইন্টমার্টিন ডুবে যাওয়ার কোন সম্পর্ক নাই,
সেন্টমার্টিন দ্বীপ কোরাল দিয়ে তৈরী নয়, বরং কোরাল সমৃদ্ধ দ্বীপ।
সেন্টমার্টিন দ্বীপটি পাথর দিয়ে তৈরী। ফলে কোরাল শূণ্য হলেও দ্বীপটি ডুবে যাওয়ার কোন সম্ভবনা নাই। কিন্তু তারপরও মিথ্যা কথা বলে তিনি দ্বীপটিতে পর্যটক যাওয়া বন্ধ করে দিলেন।

এজন্য সারা বিশ্বজুড়ে পরিবেশবাদীরা প্রতারক হিসেবে পরিচিত।
তারা পরিবেশের দোহাই তাদের ভিন্ন কিছু স্বার্থ হাসিল করে,
যা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না।

যেমন-
সিলেটে পরিবেশবাদীদের চাপে দীর্ঘদিন ধরে পাথর উত্তোলন বন্ধ।
ভারতের মেঘালয় থেকে ভেসে আসা পাথর নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলে।
ফলে ভারতে অতিবৃষ্টি হলে সিলেটের নদী সেই পানি ধারণ করতে পারে না।
ফলে নদী উপচে বন্যা হয়। এ সম্পর্কে নদী গবেষক মুমিনুল হক সরকার বলেন, “প্রতি বছর উজান থেকে পানির সাথে পলি আর পাথর নেমে আসে। সেটা এসে বাংলাদেশের অংশে নদীর তলদেশ ভরে ফেলে। নদীর পানি বহনের ক্ষমতা কমে যায়। তখন এই নদীতে বেশি পানি আসলে সেটা উপচে আশেপাশের এলাকা ভাসিয়ে ফেলে।” (বিবিসি বাংলা, ১৮ জুন ২০২২)

তাই নদীর নাব্যতা ঠিক রাখতে, পাথর উত্তোলনের বিকল্প নেই।
কিন্তু রিজওয়ানারা এটা চায় না। আওয়ামীলীগের আমলে তারা বেলা বা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের নামে বাধা দিতো, আর এখন তো তারা ক্ষমতায়। ফলে ক্ষমতায় থেকে বাধা দিচ্ছে। সম্প্রতি সে দাবী করেছে, সিলেট থেকে আর পাথর কোয়ারি খোলা হবে না, শ্রমিকদের অন্য পেশায় নিয়োজিত করা হবে। সে আরো বলেছে, “সিলেটে বন্যা কিন্তু পাথর জমা থাকার কারণে না বরং অতিরিক্ত পাথর তোলার কারণে।”(তথ্যসূত্র: কমেন্টে)

আসলে এসব পরিবেশবাদ ফরিবেশবাদ বলে কিছু নেই। সব হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা।
বাংলাদেশে তো নির্মাণ কাজের জন্য প্রচুর পাথরের প্রয়োজন।
কিন্তু দেশী উৎস থেকে যদি পাথর উত্তোলন বন্ধ করা হয়,
তবে এত বিপুল পাথর পাওয়া যাবে কোথা থেকে ?
অব্যশই ভারত থেকে। ভারত থেকে ডলার দিয়ে পাথর আমদানি করে সেই চাহিদা মেটাতে হবে।
আওয়ামীলীগ আমল থেকে সেটাই হচ্ছে।

আসলে পরিবেশবাদ হচ্ছে মার্কিন সম্রাজ্যবাদের একটা টুল।
আর মার্কিন সম্রাজ্যবাদের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে ডলার।
ডলার হচ্ছে ফিয়াট কারেন্সি। চাহিদা ও যোগানের উপর এর দাম নির্ভর করে।
আমেরিকা যে ই স রা ইলসহ বিভিন্ন দেশে এত এত যু দ্ধ ব্যয় খরচ করছে,
সেই খরচ আসবে কোথা থেকে ? এতে তো ইনফ্লেশন তৈরী হবে।
সেটা সামাল দেয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের ডলারের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।
ফলে ডলার ব্যবহারের নামে সেই যু দ্ধ ব্যয় বিভিন্ন দেশের উপর চাপিয়ে দেয়া হবে।

এজন্য দেখবেন, এসব পরিবেশবাদের মূল কাজ হচ্ছে দেশী শিল্প বন্ধ করে বিদেশ থেকে আমদানি নির্ভরতা তৈরী করা। কারণ আপনি যে দেশ থেকেই আমদানি করেন, আপনাকে অধিকাংশ আমদানি করতে হবে ডলার দিয়ে। আর আপনি যত ডলার কিনবেন, ডলারের চাহিদা তত বাড়বে এবং ডলারের মূল্য সামাল দেয়া যাবে। মানে আমেরিকা ই স রা ই ল-ইউক্রেনে যে যু দ্ধ ব্যয় করছে, তা ডলার ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হচেছ। এসব পরিবেশবাদ-ফরিবেশবাদ হচ্ছে বাংলাদেশীদের ডলার ব্যবহার বৃদ্ধি করার উপলক্ষ মাত্র। এজন্য অর্থনীতি থেকে পাশ করা এসব মহিলাকে বিদেশ থেকে পুরুস্কার দিয়ে পরিবেশবাদের নামে বাংলাদেশে বসানো হয়।

যাই হোক, বাংলাদেশকে যদি আপনি উন্নতি করতে চান, স্বনির্ভর করতে চান,
তবে এসব পরিবেশবাদ-ফরিবেশবাদকে জুতা দিয়ে পিটিয়ে দেশ ছাড়া করতে হবে।
নয়ত এরা নানান অজুহাতে আপনার অর্থনীতিকে মার্কিন অর্থনীতির খরচ বহনের জন্য ব্যয় করবে। এরা এমন ছুতোয় করবে, আপনি বুঝতেও পারবেন না।
Chatterjee 08

07/03/2025

আমি চাচ্ছিলাম ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব দলকে নিয়ে একটা অরাজনৈতিক ওয়িং/প্লাটফর্ম তৈরি করার জন্য। সেটার নামও ঠিক করেছি(বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিটি-BDC) যার কাজ হবে দেশের বিদ্যমান সকল সমস্যা চিহ্নিত করবে এবং সরকার যেই থাকুক তাকে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করবে। সরকার যদি সমস্যা সমাধান না করে তবে প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি অব্যহত রাখা হবে। এই সংগঠন ভালোভাবে দাড় করাতে পারলে এটা সরকারের ওপর আরেক সরকার হয়ে থাকবে। আমাদের প্রথম কাজ হবে।

(১) সকল অপরাধী/দুর্নীতিবাজদের আটকে ফেলা যাতে এরা কখনোই নির্বাচন না করতে পারে।
(২)সকল অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা। যাতে দুর্নীতি বাজদের কোমড় ভেঙ্গে যায়।
(৩)রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা আলাদা করা এবং নিশ্চিত করা।আদালত/বিচার বিভাগ পুলিশ, বিজিবি, আর্মির সহ সকল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ওপর রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ মুক্ত করা।
(৪)রাজধানী ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর করতে হবে। যমুনা ও পদ্মা নদীর তীর ঘেষে গড়ে তুলতে হবে টাঙ্গাইল থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জ হয়েআরিচা পর্যন্ত। এতে নিরাপদ পানি ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিকল্পিত শহর রাস্তা গড়ে তোলা সম্ভব। তাছাড়া নৌপথে রাজধানী শহরের বিপ্লব ঘটবে ছোটখাটো জাহাজ সরাসরি সমুদ্র থেকে রাজধানীতে আসতে পারবে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে কারণ নদীর তীর ঘেষে ভেনিসের চেয়ে উন্নত ও আকর্ষণীয় পর্যটন স্পষ্ট তৈরি সম্ভব। দুবাই কাতারের চেয়েও আরামদায়ক ডেসটিনেশন হতে পারে।
(৫)রাজধানীর একপাশে শিল্পাঞ্চল থাকবে।
(৬)প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে পরিকল্পিত শহর থাকবে যাতে বন্যার পানি ওঠতে পারবে না। রাস্তাগুলোও হবে পরিকল্পিত। শহরে থাকবে হাসপাতাল,মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়, আইটিট্রেনিং সেন্টার,কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র,জেলখানা,সুইমিংপুল, জীম থাকবে।হাইপার মার্কেট থাকবে যেখানে উৎপাদিত ফসল ও পণ্য সরাসরি চলে আসবে মধ্য স্বত্ব ভোগী থাকবে না,গোরস্থান, ঈদগাহ, মন্দির, চিতা,সহ সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকবে। শহরের বিপরীত পাশে থাকবে শিল্পাঞ্চল যেখানে মানুষ কাজ করবে।এতে রাজধানী ও বিভাগীয় শহরের যানজট কমে যাবে মানুষ উপজেলা শহরকেই উপযুক্ত বাসস্থান হিসেবে বেছে নেবে। গ্রামের সকল মানুষকে উপজেলা শহরে নিয়ে আসা হবে। গ্রামের কৃষি জমি গুলো পুনরুদ্ধার করা হবে এবং বিশাল বিশাল ফসলের মাঠ সৃষ্টি করা হবে। ফসলের মাঠগুলো কৃষি প্রজেক্ট আকারে ভাগ করে সকল প্রকারের ফল ফসল ঔষধি ও মসলার উৎপাদন করা হবে।এতে আমদানি করার প্রবণতা বা চাহিদা কমে যাবে।দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বা রাস্তা ঘাট করার জন্য প্রতিবছর বাড়তি খরচ করতে হবে না।বেঁচে যাওয়া সেই টাকা দিয়ে মানুষের জন্য ভর্তুকি দিয়ে স্বল্প মূল্যে ফ্লাট বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে।
(৭)উপযুক্ত কর্মক্ষম ব্যাক্তিদের বিদেশে গমন/চাকরির জন্য লোনের ব্যবস্থা করা।
(৮)যে-সব দেশের কৃষি খাতে বিনিয়োগ করার ভালো সম্ভাবনা আছে সেখানে বিনিয়োগ করা এবং বাংলাদেশ থেকে কৃষি কাজের ওপর প্রশিক্ষিত লোকদের নিয়ে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া। যারা কৃষি কাজ করবে তারা হবে গ্রীন ইউনিফর্মড বা গ্রীন আর্মি।
(৯)সমরাস্ত্র কারখানা বা শিল্পের চূড়ান্ত বিকাশ করা।
(১০)যানবাহন ও ইলেক্ট্রনিক পণ্য দেশেই উৎপাদন করা।
(১১)যথা সম্ভব আমদানি ব্যয় হ্রাস করা। রপ্তানি বাড়ানো।
(১২)দেশের মানুষকে একটি সুশৃঙ্খল মধ্যবিত্ত মানুষের সমাজ গড়ে দেওয়া, বিলাসিতা ও অপচয় শূন্যর কোটায় নামিয়ে আনা।
০৩-০৭২০২৫
মো.মাহমুদুল হাসান মামুন মোড়ল

02/03/2025
আমি চাচ্ছিলাম ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব দলকে নিয়ে একটা অরাজনৈতিক ওয়িং/প্লাটফর্ম তৈরি করার জন্য। সেটার নামও ঠিক করেছিলাম(বাংলাদ...
28/02/2025

আমি চাচ্ছিলাম ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব দলকে নিয়ে একটা অরাজনৈতিক ওয়িং/প্লাটফর্ম তৈরি করার জন্য। সেটার নামও ঠিক করেছিলাম(বাংলাদেশ ডেভেলপ কমিটি BDC) যার কাজ হবে দেশের বিদ্যমান সকল সমস্যা চিহ্নিত করবে এবং সরকার যেই থাকুক তাকে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করবে। সরকার যদি সমস্যা সমাধান না করে তবে প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি অব্যহত রাখা হবে। এই সংগঠন ভালোভাবে দাড় করাতে পারলে এটা সরকারের ওপর আরেক সরকার হয়ে থাকবে। আমাদের প্রথম কাজ হবে।

(১) সকল অপরাধী/দুর্নীতিবাজদের আটকে ফেলা যাতে এরা কখনোই নির্বাচন না করতে পারে।
(২)সকল অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা। যাতে দুর্নীতি বাজদের কোমড় ভেঙ্গে যায়।
(৩)রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা আলাদা করা এবং নিশ্চিত করা।আদালত/বিচার বিভাগ পুলিশ, বিজিবি, আর্মির সহ সকল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ওপর রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ মুক্ত করা।
(৪)রাজধানী ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর করতে হবে। যমুনা ও পদ্মা নদীর তীর ঘেষে গড়ে তুলতে হবে টাঙ্গাইল থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জ হয়েআরিচা পর্যন্ত। এতে নিরাপদ পানি ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিকল্পিত শহর রাস্তা গড়ে তোলা সম্ভব। তাছাড়া নৌপথে রাজধানী শহরের বিপ্লব ঘটবে ছোটখাটো জাহাজ সরাসরি সমুদ্র থেকে রাজধানীতে আসতে পারবে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে কারণ নদীর তীর ঘেষে ভেনিসের চেয়ে উন্নত ও আকর্ষণীয় পর্যটন স্পষ্ট তৈরি সম্ভব। দুবাই কাতারের চেয়েও আরামদায়ক ডেসটিনেশন হতে পারে।
(৫)রাজধানীর একপাশে শিল্পাঞ্চল থাকবে।
(৬)প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে পরিকল্পিত শহর থাকবে যাতে বন্যার পানি ওঠতে পারবে না। রাস্তাগুলোও হবে পরিকল্পিত। শহরে থাকবে হাসপাতাল,মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়, আইটিট্রেনিং সেন্টার,কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র,জেলখানা,সুইমিংপুল, জীম থাকবে।হাইপার মার্কেট থাকবে যেখানে উৎপাদিত ফসল ও পণ্য সরাসরি চলে আসবে মধ্য স্বত্ব ভোগী থাকবে না,গোরস্থান, ঈদগাহ, মন্দির, চিতা,সহ সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকবে। শহরের বিপরীত পাশে থাকবে শিল্পাঞ্চল যেখানে মানুষ কাজ করবে।এতে রাজধানী ও বিভাগীয় শহরের যানজট কমে যাবে মানুষ উপজেলা শহরকেই উপযুক্ত বাসস্থান হিসেবে বেছে নেবে। গ্রামের সকল মানুষকে উপজেলা শহরে নিয়ে আসা হবে। গ্রামের কৃষি জমি গুলো পুনরুদ্ধার করা হবে এবং বিশাল বিশাল ফসলের মাঠ সৃষ্টি করা হবে। ফসলের মাঠগুলো কৃষি প্রজেক্ট আকারে ভাগ করে সকল প্রকারের ফল ফসল ঔষধি ও মসলার উৎপাদন করা হবে।এতে আমদানি করার প্রবণতা বা চাহিদা কমে যাবে।দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বা রাস্তা ঘাট করার জন্য প্রতিবছর বাড়তি খরচ করতে হবে না।বেঁচে যাওয়া সেই টাকা দিয়ে মানুষের জন্য ভর্তুকি দিয়ে স্বল্প মূল্যে ফ্লাট বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে।
(৭)উপযুক্ত কর্মক্ষম ব্যাক্তিদের বিদেশে গমন/চাকরির জন্য লোনের ব্যবস্থা করা।
(৮)যে-সব দেশের কৃষি খাতে বিনিয়োগ করার ভালো সম্ভাবনা আছে সেখানে বিনিয়োগ করা এবং বাংলাদেশ থেকে কৃষি কাজের ওপর প্রশিক্ষিত লোকদের নিয়ে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া। যারা কৃষি কাজ করবে তারা হবে গ্রীন ইউনিফর্মড বা গ্রীন আর্মি।
(৯)সমরাস্ত্র কারখানা বা শিল্পের চূড়ান্ত বিকাশ করা।
(১০)যানবাহন ও ইলেক্ট্রনিক পণ্য দেশেই উৎপাদন করা।
(১১)যথা সম্ভব আমদানি ব্যয় হ্রাস করা। রপ্তানি বাড়ানো।
(১২)দেশের মানুষকে একটি সুশৃঙ্খল মধ্যবিত্ত মানুষের সমাজ গড়ে দেওয়া, বিলাসিতা ও অপচয় শূন্যর কোটায় নামিয়ে আনা।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিটি BDC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share