Students for Sovereignty

Students for Sovereignty দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম 'স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি'। আমরা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইনশাআল্লাহ!

23/09/2026

চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়া কেন আত্মঘাতি হতে পারে-
কমোডর (অব:) মুহম্মদ জসীমউদ্দীন,
নৌ বাহিনীর সাবেক সহকারি প্রধান এবং সাবেক প্রো-ভিসি, ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস।

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে)ষ "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি এই বিষয়ে আলোচনা করেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে - Part 3

23/09/2026

চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়া কেন আত্মঘাতি হতে পারে-
কমোডর (অব:) মুহম্মদ জসীমউদ্দীন,
নৌ বাহিনীর সাবেক সহকারি প্রধান এবং সাবেক প্রো-ভিসি, ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস।

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে)ষ "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি এই বিষয়ে আলোচনা করেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে -

22/09/2026

"চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাই না" - হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি একথা বলেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে - Part 12

22/09/2026

"চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাই না" - হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি একথা বলেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে - Part 7

22/09/2026

"চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাই না" - হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি একথা বলেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে - Part 6

22/09/2026

"চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাই না" - হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা

জাতীয় প্রেসক্লাবে "স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)" আয়োজিত গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে "ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা"য় তিনি একথা বলেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে -

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিইও সহ সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে ৬ জন ভা"র"তীয় এবং উপমহাদেশের সিইও ভা"র"তীয় ...
18/09/2026

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিইও সহ সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে ৬ জন ভা"র"তীয় এবং উপমহাদেশের সিইও ভা"র"তীয় রয়েছে। অতএব সার্বভৌমত্ব তো অবশ্যই হু"ম"কিতে পড়বে।

"প্রেস রিলিজ"ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা দিলে বাংলাদেশ বছরে ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি গুনতে হবে বাংলাদেশকে - স্ট...
16/09/2026

"প্রেস রিলিজ"
ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা দিলে বাংলাদেশ বছরে ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি গুনতে হবে বাংলাদেশকে - স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা প্রক্রিয়া; সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি: জাতীয় স্বার্থে মতবিনিময় সভা শিরোনামে আজ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, গণফোরামের সভাপতি সিনিয়র এ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কমোডর মুহম্মদ জসিম এনডিসি, পিএসসি, দৈনিক ইনকিলাব সহকারী সম্পাদক ও পার্বত্য নিউজের সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশ , আমজনতার দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান, মাতৃভূমি সুরক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক শাহাদাত ফরাজী সাকিব, জনজোট বিপ্লবী মঞ্চের মুখপাত্র মোজাম্মেল মিয়াজী, জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম, আজাদী আন্দোলনের মুখপাত্র শাহরিয়ার আলম, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেবস) এর সভাপতি রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের মহানগর সভাপতি রাসেল মাহমুদ, স্বাধীনতা সুরক্ষা মঞ্চের সদস্য সচিব শামসুদ্দীন, ঢাবি শিক্ষার্থী সৌরভ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির (রিসার্চ উইং) তাদের বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির (রিসার্চ উইং) মনে করে, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানব সম্পদ উন্নয়নের নামে বিদেশীদের হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল ইজারা দেয়ার ফলে মূলত বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি, সার্বভৌমত্ব ঝুঁকি ও পোর্ট অপারেটিং ইন্ডাস্ট্রিকে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে। নিচে এর বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো-

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া শুরু ও এর প্রেক্ষাপট:
২০১৯ সালে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে আধুনিক ও লাভজনক ‘নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল(এনসিটি)’ আরব আমিরাত ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’ এর হাতে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর গত অন্তর্বর্তী সরকারও একই পথে হাঁটে। এখনো সেই প্রক্রিয়া চলমান।
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদন বলছে, “শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাবেক স্বামী খন্দকার মাশরুর হোসেনের বিরুদ্ধে দুই হাজার কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ ওঠে দুবাইয়ে। আরব আমিরাতের গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি তদন্তও শুরু করে। মেয়ের জামাইয়ের মানিলন্ডারিংয়ের তদন্তে শেখ হাসিনার নাম চলে আসার শঙ্কা থেকেই সে দেশের সরকারকে ম্যানেজ করতে উঠেপড়ে লাগে সরকার। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক টার্মিনাল এনসিটিকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় তখন। পুরো এই প্রক্রিয়াটির তদারকি করেন সালমান এফ রহমান এবং তা এগিয়ে নেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পিপিপি অফিসের সিইও ড. মো. মুশফিকুর রহমান মিয়া এবং আরব আমিরাতের তখনকার রাষ্ট্রদূত আবু জাফর।” (আমার দেশ, ১২ আগস্ট ২০২৬)

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা দিলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি বছরে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার:
ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা দিলে বছরে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি গুনতে হবে বাংলাদেশকে।
বণিক বার্তা, প্রথম আলো ও যুগান্তরের ৩টি প্রতিবেদনে কিছুটা ব্যতিক্রম রেভিনিউয়ের কথা থাকলেও সার্বিক বিচারে রেভিনিউ ট্রেন্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রতি টিইইউতে এনসিটির গ্রস আয় ছিল ১৬১ দশমিক ৮২ ডলার। এর মধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষের দুই ধরণের প্রশাসিনক ব্যয় হয়। ১৩ দশমিক ৬৩ ডলার পরিবর্তনশীল পরিচালন খরচ, এবং ৪১ দশমিক ৩২ ডলার স্থায়ী প্রশাসনিক খরচ। সর্বমোট খরচ ৫৪.৯৫, (প্রায় ৫৫-৫৬ ডলার খরচ)। অতএব, প্রতি টিইইউ কন্টেইনারে এনসিটির নিট আয় হয় ১০৬.৮৭ ডলার।
এনসিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এনসিটি গত বছরে ১৩ লক্ষ ৮৫ হাজার টিইইউ’স কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করেছে। ফলে দেশীয় ব্যবস্থাপনায় এনসিটির নিট আয় হচ্ছে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারেও বেশি।

বিপরীতে, দৈনিক যুগান্তরের (২১ জুন ২০২৬) দেয়া তথ্য অনুযায়ী, “ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রস্তাব অনুসারে, ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রতি কনটেইনারে ১৬১.৮২ ডলার রাজস্ব আয়ের বিপরীতে চট্টগ্রাম বন্দরকে সর্বোচ্চ ৯৭.৫০ ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।” এর থেকে স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল প্রশাসিনক খরচ বাবদ ৫৫ ডলার বাদ দিলে প্রতি টিইইউস কন্টেইনারে নিট রাজস্ব থাকে ৪২.৫ ডলার।
আমরা সর্বেশেষ ১৩ লক্ষ ৮৫ হাজার টিইইউস কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং ধরলেও মোট নিট আয় দাঁড়ায় ৫৮.৮৬ মিলিয়ন ডলার।

অর্থাৎ, দেশীয় ব্যবস্থাপনায় যেখানে বছরে নিট আয় হয় ১৪৮ মিলিয়ন ডলার, সেখানে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা দিলে নিট আয় নেমে আসবে মাত্র ৫৮.৮৬ মিলিয়ন ডলারে। আয়ের পার্থক্য দাঁড়ায় ৮৯.১৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি গুনতে হবে বাংলাদেশকে।
(বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড বছরে সাড়ে ১৩ লক্ষ কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। তাহলে বন্দরের নিট আয় আরো কমবে)।

দেশীয় পোর্ট অপারেটিং ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস:
বিশ্বের সব দেশের বন্দর পরিচালনার মতো সক্ষমতা ও নলেজ নেই। যেসব দেশের রয়েছে তারমধ্যে বাংলাদেশ একটি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এই শিল্পকে বিশ্বের অনভিজ্ঞ দেশের বন্দরগুলোর পরিচালনার কাজে ব্যবহার করতে পারলে দেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় হতো, রিজার্ভ শক্তিশালী হতো।
কিন্তু আমরা এর উল্টো চিত্র দেখতে পাচ্ছি। চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানব সম্পদ উন্নয়নের নামে বিদেশীদের হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল ইজারা দেয়ার ফলে মূলত বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি, সার্বভৌমত্ব ঝুঁকি ও পোর্ট অপারেটিং ইন্ডাস্ট্রিকে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে। অথচ বিশ্বের উন্নত ও উদীয়মান কোনো দেশই তাদের প্রধান বন্দরের নিয়ন্ত্রণ বিদেশী শক্তির হাতে ছেড়ে দেয় না।
বাংলাদেশের পোর্ট এন্ড টার্মিনাল অপারেশন্স ইন্ডাস্ট্রি বা বন্দর পরিচালনা শিল্পকে বিদেশীদের না দিয়ে বরং সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দেশের রিজার্ভে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যুক্ত করা সম্ভব হতো।

সার্বভৌমত্বগত ঝুঁকি:
ডিপি ওয়ার্ল্ডে ভারতীয়দের ব্যাপক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ:
ডিপি ওয়ার্ল্ড আরব আমিরাতের পোর্ট অপারেটর হলেও এর সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্টে ভারতীয়দের ব্যাপক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, মোট ২৭ জন কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারক ও ম্যানেজমেন্টের মধ্যে প্রধান নির্বাহী সহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে ৬ জন ভারতীয় কর্মকর্তা রয়েছে, যারা ডিপি ওয়ার্ল্ডের মূল নিয়ন্ত্রক ও নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করে। যেমন-

1. যুবরাজ নারায়ণ (গ্রুপ সিইও, ভারতীয় নাগরিক): ডিপি ওয়ার্ল্ডের কেন্দ্রীয় ২৭ জন ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী (চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) হচ্ছে যুবরাজ নারায়ণ নামের এই ভারতীয়। সে বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাথে বৈঠক করে থাকে। সর্বশেষ ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ সে মোদীর সাথে দেখা করেছে। (সূত্র: ডিপি ওয়ার্ল্ডের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬)।

2. দীপক পরেখ (সিনিয়র ডিরেক্টর, ভারতীয় নাগরিক): ডিপি ওয়ার্ল্ডের কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক হচ্ছে ভারতীয় নাগরিক দীপক পরখ এবং সে ডিপি ওয়ার্ল্ডের একমাত্র সিনিয়র ডিরেক্টর।

3. বিজয় মালহোত্রা (ডিরেক্টর, ভারতীয় নাগরিক): ভারতীয় নাগরিক বিজয় মালহোত্রা ডিপি ওয়ার্ল্ডের ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োজিত আছে।

4. অনিল মোহতা (চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার, ভারতীয় নাগরিক): প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বব্যাপী অর্থায়ন, বাজেট এবং আর্থিক লেনদেনের প্রধান দায়িত্বশীল।

5. গণেশ রাজ (গ্লোবাল চিফ অপারেটিং অফিসার, ভারতীয় নাগরিক): বিশ্বজুড়ে ডিপি ওয়ার্ল্ড পরিচালিত সব বন্দরের মাঠপর্যায়ের অপারেশন ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে থাকে ভারতীয় গণেশ রাজ। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারায় চলে গেলে এনসিটি অপারেশনের মূল চাবিকাঠি থাকবে তার হাতে।

6. প্রদীপ দেশাই (গ্রুপ চিফ টেকনোলজি অফিসার, ভারতীয় নাগরিক): ডিপি ওয়ার্ল্ডের পোর্ট সার্ভার, ডাটাবেজ আর্কিটেকচার এবং টার্মিনালের সব ধরণের ডিজিটাল অপারেটিং সিস্টেমের মূল নিয়ন্ত্রক হচ্ছে ভারতীয় প্রদীপ দেশাই। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির সব ধরণের তথ্য এই ভারতীয়র নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে যদি এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেয়া হয়।

7. রিজওয়ান সুমার, ভারতীয় নাগরিক: (ভারতীয় উপমহাদেশ অঞ্চলের সিইও ও এমডি)
ভারতীয় নাগরিক রিজওয়ান সুমার হচ্ছেন ভারতীয় উপমহাদেশ অঞ্চলের সিইও ও এমডি। ফলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা দেওয়া হলে এটি তার নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে চলবে। এদিকে ভারতের যেসব ৫টি টার্মিনাল (মুন্দ্রা, চেন্নাই, কোচিন ও নোভা শেভা) ডিপি ওয়ার্ল্ড চালায়। সেগুলোও তার আয়ত্ত্বাধীন। এর অর্থ হচ্ছে আঞ্চলিকভাবে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের বন্দরের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ তার হাতে থাকবে, যা সুস্পষ্ট কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। রিজওয়ান সামার ভারতীয় হওয়ায় পোর্ট বা টার্মিনাল অপারেশনের প্রতিযোগিতায় সে ভারতকে এগিয়ে রাখবে এবং বাংলাদেশের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য তথ্য ভারতে পাচার করতে পারে।

তাছাড়া, একজন ভারতীয় যদি বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যাপক প্রতিযোগিতামূলক ইন্ডাস্ট্রি পোর্ট অপারেশনের দায়িত্বে থাকে তাহলে প্রতিযোগিতা বা বিরোধের সময় চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষতি করার সুযোগ তৈরি হয়। ইচ্ছা করে কৃত্রিম দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে জাহাজগুলোকে ভারতের বন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া কিংবা চট্টগ্রাম বন্দরের ‘টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম’ বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কৌশলগত সাবোটাজ ঘটানো তাদের জন্য কঠিন কিছু নয়।

এককথায়, যেহেতু বন্দর অপারেশনস শিল্পটি ব্যাপক প্রতিযোগিতাপূর্ণ, তাই চট্টগ্রাম বন্দরের ‘সাব রিজিয়নাল ট্রান্সশিপমেন্ট হাব’ হবার যে স্বপ্ন, সেটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের এই ভারতীয় কর্মকর্তারা ভারতকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে সেই সুযোগ দিতে চাইবে না।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, বাংলাদেশ যখন মক্কা প্যাক্ট নিয়ে কথা বলে কিংবা চীন-মিয়িানমার-বাংলাদেশ করিডর নিয়ে আলোচনা তোলে তখন ভারতীয় মিডিয়া সরগরম থাকে। কিন্তু ডিপি ওয়ার্ল্ড যখন চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় আসতে চায়, তখন ভারতীয় মিডিয়ার নিরবতা এটাই প্রমাণ করে যে, এখানে ভারতীয় স্বার্থ রয়েছে। কারণ এর পূর্বে ভারতীয় ‘আদানী’ চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনার ভার নিতে চেয়েছিল। পারেনি। কিন্তু ডিপি ওয়ার্ল্ড যেহেতু ভারতীয় এলাই সেহেতু ভারতীয় স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে- এটি ভারত সরকার জানে।

'ইন্দো-আব্রাহামিক অ্যালায়েন্স' বা I2U2 / কৌশলগত ও আদর্শিক ঝুঁকি :
• ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও আরব আমিরাতের মধ্যে "আব্রাহাম অ্যাকর্ড" চুক্তি হয়। ২০২১ সালে এতে ভারতকে যুক্ত করে গঠিত হয় 'ইন্দো-আব্রাহামিক অ্যালায়েন্স' বা I2U2 (India, Israel, UAE, USA) গ্রুপ।
• এই অক্ষের মূল পরিকল্পনা হলো চীন, পাকিস্তান, ইরান, তুরস্ক ও মিশরের অর্থনৈতিক প্রভাব রুখতে "আইমেক (IMEC) করিডোর" তৈরি করা, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু ইসরায়েলের হাইফা বন্দর।
• ডিপি ওয়ার্ল্ড হলো এই পুরো অক্ষের মূল লজিস্টিক সাপোর্ট পার্টনার। এর স্টার্টিং পয়েন্ট ভারত। চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ পরোক্ষভাবে এই ইসরায়েল-ইন্ডিয়া বান্ধব অক্ষের ফাঁদে জড়িয়ে পড়বে, যা ফিলিস্তিন ইস্যুসহ বাংলাদেশের নিজস্ব দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক গোলকধাঁধায়ও পড়ে যাবে বাংলাদেশ।

ধন্যবাদান্তে-
স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি (রিসার্চ উইং)

আপনারা আমন্ত্রিত
15/09/2026

আপনারা আমন্ত্রিত

আগামীকাল বিকাল ৩'টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ!আপনারা আমন্ত্রিত।
15/09/2026

আগামীকাল বিকাল ৩'টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ!

আপনারা আমন্ত্রিত।

Address

TSC, Dhaka University
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Students for Sovereignty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share