Jatio Cancer Foundation

Call Contact the organization

Jatio Cancer Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jatio Cancer Foundation, Nonprofit Organization, Dhaka.

এই পেইজের মূল উদ্দেশ্য হলো মহিলাদের মধ্যে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিনামূল্যে ক্যান্সার স্ক্রিনিং করা যাতে তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিকিৎসা গ্রহন করে জীবন রক্ষা করতে পারেন।

অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস। এই মাস জুড়েই ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা সম্পর্কে বেশ জোড়ালোভাবে নারীদেরকে সচেতন করা...
16/10/2026

অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস। এই মাস জুড়েই ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা সম্পর্কে বেশ জোড়ালোভাবে নারীদেরকে সচেতন করার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রতিকী অর্থে এই মাসটিকে সচেতনতার মাস হিসেবে ধরা হলেও ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতন থাকতে হবে বছর জুড়ে। তারই অংশ হিসেবে প্রথমেই জানা দরকার ব্রেস্টর গঠন, আকার, আকৃতি অর্থাৎ ব্রেস্ট এনাটমি। আসুন ব্রেস্টের গঠন সস্পর্কে জানা ও সচেতন হওয়া যাক।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো নিজের শরীরকে জানা ও বোঝা। স্তনের স্বাভাবিক গঠন, আকার ও আকৃতির পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করার জন্য স্তন শারীরস্থান বা ব্রেস্ট এনাটমি (Breast Anatomy) সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা খুবই জরুরি।

নিচে স্তনের ভেতরের ও বাইরের গঠন সহজভাবে উপস্থাপন করা হলো:

১. স্তনের প্রধান বাহ্যিক গঠন (External Anatomy)
ত্বক (Skin): স্তনের উপরিভাগের সাধারণ চামড়া বা ত্বক।

অ্যারোলা (Ar**la): স্তনবৃন্তের (Ni**le) চারপাশের অপেক্ষাকৃত গাঢ় রঙের গোলাকার অংশ। এতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রন্থি থাকে যা প্রাকৃতিক তেল নিঃসৃত করে স্তনবৃন্তকে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখে।

স্তনবৃন্ত বা নিপল (Ni**le): অ্যারোলার কেন্দ্রে অবস্থান করে। দুগ্ধনালীগুলো (Milk Ducts) এসে এই স্থানেই উন্মুক্ত হয়।

২. স্তনের অভ্যন্তরীণ টিস্যু ও অভ্যন্তরীণ গঠন (Internal Structure)
অভ্যন্তরীণভাবে স্তন মূলত তিন ধরণের টিস্যু নিয়ে গঠিত:

ক. গ্রন্থিময় টিস্যু (Glandular Tissue)
লোবিউল (Lobules): এগুলো দুধ উৎপাদনকারী ছোট ছোট গ্রন্থি বা থলি। প্রতিটি স্তনে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি লোবিউল থাকে।

ডাল বা দুগ্ধনালী (Ducts): লোবিউল থেকে উৎপন্ন দুধ স্তনবৃন্ত বা নিপল পর্যন্ত পৌঁছে দেয় যেসব সরু নালী, সেগুলোকে ডাক্ট বা দুগ্ধনালী বলা হয়। অধিকাংশ স্তন ক্যান্সার এই দুগ্ধনালীর ভেতরের প্রাচীর থেকেই শুরু হয়।

খ. চর্বি বা মেদ টিস্যু (Adipose/Fatty Tissue)
স্তনের সিংহভাগ আকার ও নরম ভাব নির্ভর করে এই ফ্যাটি টিস্যুর পরিমাণের ওপর। বয়স ও ওজন পরিবর্তনের সাথে সাথে স্তনে চর্বির পরিমাণে তারতম্য ঘটে।

গ. সংযোগকারী বা তন্তুময় টিস্যু (Fibrous/Connective Tissue)
কুপারস লিগামেন্ট (Cooper's Ligaments): এটি স্তনের টিস্যুগুলোকে বুকের পেশীর সাথে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং স্তনের গঠন ও দৃঢ়তা বজায় রাখে।

৩. লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম বা লসিকা টিস্যু (Lymphatic System)
স্তনের ভেতর ছোট ছোট লিম্ফ ভেসেল (Lymph Vessels) বা লসিকানালী এবং লিম্ফ নোড (Lymph Nodes) থাকে।

স্তনের লসিকা তরল প্রধানত বগল (Axilla) ও বুকের ভেতরের লিম্ফ নোডে প্রবাহিত হয়।

ক্যান্সার কোষে কোনো অস্বাভাবিকতা তৈরি হলে বা ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে তা প্রথমে বগলের লিম্ফ নোডগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই বগলে কোনো চাকা বা ফোলা ভাব আছে কিনা তাও খেয়াল রাখা জরুরি।

৪. স্তনের স্বাভাবিক পরিবর্তন ও স্ব-পরীক্ষা (Breast Self-Examination)
স্বাভাবিক তারতম্য: বয়সের সাথে, ঋতুচক্রের (Menstruation) বিভিন্ন ধাপে, গর্ভাবস্থায় কিংবা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় স্তনের আকার, আকৃতি এবং স্পর্শের অনুভূতিতে স্বাভাবিক পরিবর্তন আসে।

কখন সতর্ক হবেন:

স্তনের টিস্যুতে বা বগলে নতুন কোনো অস্বাভাবিক চাকা (Lump) অনুভব করা।

স্তনবৃন্ত ভেতরের দিকে দেবে যাওয়া বা নিপল থেকে রক্ত কিংবা অস্বাভাবিক তরল নিঃসৃত হওয়া।

স্তনের ত্বকে গর্ত, ভাঁজ বা কমলালেবুর খোসার মতো খসখসে ভাব দেখা দেওয়া।

বিশেষভাবে করণীয়:
প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা (Self-Examination) করা এবং কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন চোখে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

স্তন ক্যান্সার পুরোপুরি ভালো বা নিরাময় (Remission) হওয়ার পরও আবারো ফিরে আসতে পারে?হ্যাঁ, স্তন ক্যান্সার পুরোপুরি ভালো ...
14/10/2026

স্তন ক্যান্সার পুরোপুরি ভালো বা নিরাময় (Remission) হওয়ার পরও আবারো ফিরে আসতে পারে?

হ্যাঁ, স্তন ক্যান্সার পুরোপুরি ভালো বা নিরাময় (Remission) হওয়ার পর আবারো ফিরে আসতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে "স্তন ক্যান্সার পুনরাবৃত্তি" (Breast Cancer Recurrence) বলা হয়।

একজন সাধারণ পাঠকের বোঝার সুবিধার্থে এর পেছনের কারণ এবং লক্ষণগুলো সহজ ভাষায় নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ক্যান্সার কেন এবং কীভাবে আবার ফিরে আসে?
ক্যান্সারের চিকিৎসায় (যেমন- অস্ত্রোপচার, কিমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা হরমোন থেরাপি) দৃশ্যমান সব ক্যান্সার কোষ ধ্বংস বা অপসারণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছু ঘটে থাকে:

লুকিয়ে থাকা অণুবীক্ষণিক কোষ (Microscopic Cells):
চিকিৎসার পর শরীরে অতি ক্ষুদ্র বা অণুবীক্ষণিক কিছু ক্যান্সার কোষ থেকে যেতে পারে, যা প্রচলিত স্ক্যান বা রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।

কোষের সুপ্ত অবস্থা (Dormancy):
এই সুপ্ত কোষগুলো দীর্ঘদিন (এমনকি বহু বছর) অলস বা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে। পরবর্তীতে এরা পুনরায় সক্রিয় হয়ে বিভাজিত হতে শুরু করে এবং টিউমারে পরিণত হয়।

শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়া:
রক্তের প্রবাহ বা লসিকা নালীর (Lymphatic system) মাধ্যমে এই কোষগুলো দূরবর্তী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে গিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারে।

২. ক্যান্সার প্রধানত কতভাবে ফিরে আসতে পারে?
স্তন ক্যান্সার প্রধানত তিন উপায়ে বা তিন স্থানে ফিরে আসতে পারে:

স্থানীয়ভাবে (Local Recurrence):
যে স্তনে বা বুকের যে অংশে আগে ক্যান্সার ছিল, ঠিক সেখানেই আবার দেখা দেওয়া।

আশপাশের এলাকায় (Regional Recurrence):
স্তনের কাছের লসিকা গ্রন্থি (Lymph nodes), যেমন—বগলে বা কলারবোনের (হাঁসুলি হাড়) আশপাশে নতুন করে কোষ বৃদ্ধি পাওয়া।

দূরবর্তী অঙ্গে (Distant/Metastatic Recurrence):
স্তন থেকে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের অন্য প্রধান অঙ্গ যেমন—হাড়, ফুসফুস, যকৃৎ (লিভার) বা মস্তিষ্কে দেখা দেওয়া।

৩. পুনরাবৃত্তির লক্ষণ বা সতর্কসংকেত
ক্যান্সার থেকে সুস্থ হওয়ার পরও নিয়মিত পরীক্ষা এবং সচেতনতা জরুরি। নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

স্তন, বগল বা বুকে নতুন কোনো চাকা বা পিণ্ড দেখা দেওয়া।

স্তনের চামড়ায় পরিবর্তন, লালচে ভাব বা ভেতরের দিকে টেনে যাওয়া।

কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন টানা হাড়ের ব্যথা।

স্থায়ী কাশি বা শ্বাসকষ্ট।

তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরানো বা চোখে ঝাপসা দেখা।

অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন কমে যাওয়া বা মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্তি।

৪. ঝুঁকি কমানোর উপায়
চিকিৎসকের নির্দেশিত নিয়ম অনুসরণ করলে ফিরে আসার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব:

নিয়মিত চেক-আপ:
চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময় পর পর (Follow-up) অনকোলজিস্টের কাছে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ম্যামোগ্রাম করানো।

অসুধের নিয়মিত সেবন:
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন: হরমোন থেরাপির ক্ষেত্রে ৫–১০ বছর) ওষুধ সেবন চালিয়ে যাওয়া।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন:
সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রম করা এবং ধুমপান বা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা।

নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র (References)
লেখাটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে:

American Cancer Society (ACS): Breast Cancer Recurrence

www.cancer.org/cancer/types/breast-cancer/treatment/recurrence-of-breast-cancer.html

National Cancer Institute (NCI): When Cancer Returns (Recurrent Cancer)

www.cancer.gov/types/recurrent-cancer

Mayo Clinic: Recurrent breast cancer - Symptoms and causes

www.mayoclinic.org/diseases-conditions/recurrent-breast-cancer/symptoms-causes/syc-20377135।

ডিসক্লেইমার (Disclaimer) "তথ্যগুলো আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা ভিত্তিক সচেতনতার জন্য। আপনার শারীরিক কোনো জটিলতা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।"

অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস—কিন্তু সচেতনতা ও নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন শুধু অক্টোবর মাসেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; তা ...
12/10/2026

অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস—কিন্তু

সচেতনতা ও নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন শুধু অক্টোবর মাসেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; তা থাকা দরকার বছরের প্রতিটি মাসে। স্তন ক্যানসার যদি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়, তবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব। নিয়মিত নিজের শরীর পর্যবেক্ষণ করা এবং যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকাই হলো সুরক্ষার প্রথম ধাপ। বিশেষ করে ২০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতি মাসে অন্তত একবার নিজের স্তন স্ব-পরীক্ষা (Self-Examination) করা উচিত। এটি এমন একটি সহজ প্রক্রিয়া, যা ঘরে বসেই মাত্র কয়েক মিনিটে সম্পন্ন করা যায়। নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি এই সামান্য সচেতনতা ও যত্নই আপনাকে রাখতে পারে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত।

স্তন স্ব-পরীক্ষার ধাপসমূহ (BSE - Breast Self-Examination)
সাধারণত পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব শেষ হওয়ার ৩ থেকে ৫ দিন পর স্তন স্ব-পরীক্ষা করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

১. আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ (Look)
আয়নার সামনে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে স্তন দ্বয়ের আকার, আকৃতি ও ত্বকের স্বাভাবিকতা লক্ষ্য করুন।

হাত দুটি কোমরে রেখে: দেখুন কোনো অংশে ফোলাভাব, ত্বকে টোল পড়া (dimpling), চামড়া কুঁচকে যাওয়া বা বোঁটা (ni**le) ভেতরের দিকে ঢুকে গেছে কিনা।

হাত দুটি উপরে তুলে: দুই হাত মাথার পেছনে উঁচু করে তুলে ধরুন এবং একইভাবে স্তনের নিচের অংশ ও চারপাশে কোনো পরিবর্তন আছে কিনা ভালোভাবে দেখুন।


২. গোসল বা শুয়ে হাত দিয়ে পরীক্ষা (Feel)
যেকোনো এক হাত মাথার পেছনে রেখে অন্য হাতের আঙুল দিয়ে বিপরীত স্তন পরীক্ষা করতে হয়। গোসলের সময় সাবান মেখে অথবা বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পরীক্ষা করা সবচেয়ে সহজ।

পরীক্ষার নিয়ম: হাতের তালুর মাঝের তিনটি আঙুলের মাথার নরম অংশ (Pads of fingers) ব্যবহার করুন (নখ নয়)।

চাপের পরিমাণ: হালকা, মাঝারি ও গভীর—তিন ধরনের চাপ দিয়ে স্তনের উপরিভাগ থেকে শুরু করে ভেতরের গভীর টিস্যু পর্যন্ত অনুভব করুন।

আঙুল ঘোরানোর পদ্ধতি:

বৃত্তাকার (Circular): স্তনের বাইরের অংশ থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে গোল করে ভেতরের বোঁটার দিকে যান।

উপর-নিচ (Up-and-Down): বগল থেকে শুরু করে পেটের ওপর পর্যন্ত ওপর-নিচে সারিবদ্ধভাবে আঙুল চালনা করুন।

৩. বোঁটা ও বগলের অংশ পরীক্ষা (Check Area)
বোঁটা বা নিপল পরীক্ষা: হালকাভাবে স্তনের বোঁটা চেপে দেখুন কোনো অস্বাভাবিক তরল, রক্ত বা পুঁজ বের হয় কিনা।

বগলের নিচের অংশ:
স্তন টিস্যু বগল পর্যন্ত বিস্তৃত, তাই হাত তুলে বগলের ভেতরের অংশে কোনো চাকা, গুটলি বা ফোলাভাব আছে কিনা ভালোভাবে অনুভব করুন।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
স্তনে নতুন কোনো চাকা বা শক্ত অংশ, বোঁটা ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া, রক্ত বা তরল নিঃসরণ কিংবা ত্বকের রঙে পরিবর্তন দেখতে পেলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, স্তনের অধিকাংশ চাকাই ক্যানসার নয়, তবে সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

12/10/2026

বাংলাদেশে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সময়োপযোগী দাবি।

পৃথিবীর প্রায় সব উন্নত এবং কল্যাণমুখী (Welfare State) দেশেই চিকিৎসা খাতে সরকার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বড় অংকের ভর্তুকি দিয়ে থাকে। এটিকে সাধারণত ইউ ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার (Universal Healthcare) বা সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পরিচালনা করা হয়।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের প্রেক্ষাপটে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (Universal Health Coverage) নিশ্চিত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী দাবি। উন্নত বিশ্বের মতো সরাসরি শতভাগ ভর্তুকি বা কল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় মডেল রাতারাতি বাস্তবায়ন করা কঠিন হলেও, ধাপে ধাপে ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে স্বাস্থ্য খাতের রূপান্তর ঘটানো সম্ভব।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে প্রধান করণীয় বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি
জিডিপির অনুপատ: বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির মাত্র ১ শতাংশের সামান্য বেশি স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ করা হয়, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশকৃত অন্তত ৫ শতাংশের তুলনায় খুবই কম।

কার্যকর ব্যবহার: বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি সেই অর্থের সঠিক সদ্ব্যবহার এবং দুর্নীতি রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

২. শক্তিশালী স্বাস্থ্য অর্থায়ন ও বীমা ব্যবস্থা প্রবর্তন
সার্বজনীন স্বাস্থ্য বীমা (Universal Health Insurance): দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য সরকারি অনুদানে স্বাস্থ্য বীমা চালু করা যেতে পারে।

আউট-অফ-পকেট খরচ কমানো: বর্তমানে দেশের রোগীরা চিকিৎসাব্যয়ের সিংহভাগ নিজেদের পকেট থেকে মেটান (Out-of-pocket expenditure প্রায় ৭৩%)। এটি কমিয়ে আনতে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিধি বাড়াতে হবে।

৩. গ্রামীণ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন
কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মূল ভিত্তি হলো কমিউনিটি ক্লিনিক এবং উপজেলা হাসপাতালগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের জনবল সংকট দূর করা, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা চালু করা জরুরি।

রেফারেল সিস্টেম: রোগীর চাপ কমাতে একটি কার্যকর 'রেফারেল সিস্টেম' চালু করা, যাতে সাধারণ সর্দি-কাশি বা প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য সরাসরি বড় শহর বা বিশেষায়িত হাসপাতালে যেতে না হয়।

৪. চিকিৎসাব্যবস্থায় সুশাসন ও জবাবদিহিতা
দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা রোধ: হাসপাতালগুলোর কেনাকাটায় দুর্নীতি, যন্ত্রপাতি নষ্ট করে রাখার প্রবণতা এবং দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পদায়ন: মফস্বল ও দুর্গম অঞ্চলে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রণোদনা এবং আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা প্রয়োজন।

৫. ওষুধ শিল্প ও চিকিৎসা সরঞ্জামে নিয়ন্ত্রণ
মূল্য নিয়ন্ত্রণ: জীবনরক্ষাকারী ও সাধারণ ওষুধের দাম দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি জোরদার করতে হবে।

স্থানীয় উৎপাদন: উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আধুনিক প্রযুক্তির ওষুধ দেশেই উৎপাদনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে (PPP) উৎসাহিত করা যেতে পারে।

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কেবল দাতব্য বা অনুদান নয়, এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। সরকারের সদিচ্ছা, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং সঠিক পলিসি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল বাংলাদেশে একটি জনবান্ধব ও কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

সাধারণত স্তন ক্যান্সারকে নারীদের রোগ বলে মনে করা হলেও পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। যদিও পুরুষদের মধ্যে এর প্রাদুর্...
11/10/2026

সাধারণত স্তন ক্যান্সারকে নারীদের রোগ বলে মনে করা হলেও পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। যদিও পুরুষদের মধ্যে এর প্রাদুর্ভাব খুবই কম (মোট স্তন ক্যান্সারের ১% এরও কম), তবুও পুরুষদের এ বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

পুরুষদের স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন থাকার মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

শারীরিক গঠন: পুরুষদের শরীরেও স্তনের কিছু টিস্যু, নালী (ducts) ও কোষ থাকে। তাই নারীদের মতো পুরুষদেরও স্তনে ক্যান্সার কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটার আশঙ্কা থাকে।

দেরিতে রোগ নির্ণয় (Late Detection): পুরুষরা সাধারণত ভাবেন যে স্তন ক্যান্সার কেবল নারীদেরই হতে পারে। এই ভুলের কারণে তারা বুকের আশপাশে কোনো চাকা বা পিণ্ড দেখলে তা দীর্ঘদিন অবহেলা করেন। এর ফলে রোগটি অনেক দেরկতে ধরা পড়ে, ততক্ষণে এটি শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

ঝুঁকির কারণসমূহ: বার্ধক্য (সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়স), বংশগত জিনগত ত্রুটি (যেমন- BRCA1 বা BRCA2 মিউটেশন), শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি, স্থূলতা, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন এবং লিভারের জটিলতা পুরুষদের মধ্যেও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

লক্ষণ সম্পর্কে অজ্ঞতা: পুরুষদের স্তনে কোনো ব্যথাযুক্ত বা ব্যথাহীন চাকা বা গোটা, নিপল বা স্তনবৃন্ত ভেتরের দিকে ঢুকে যাওয়া, কিংবা নিপল থেকে তরল বা রক্তক্ষরণ হওয়া যে স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে—তা অনেকেই জানেন না।

প্রাথমিক চিকিৎসায় নিরাময়: যেকোনো ক্যান্সারের মতো পুরুষদের স্তন ক্যান্সারও যদি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়, তবে সঠিক চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

তথ্যসূত্র:
১. আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশিকা (WHO/ACS)।
২. বিভিন্ন অনকোলজি জার্নাল ও গবেষণা (যেমন: Journal of Chittagong Medical College Teachers' Association এবং যশোধরা ও রিলায়েন্স হসপিটালের মেডিকেল প্রকাশনা)।
Facebook

11/10/2026
স্তনে গুটি নেই মানেই ক্যানসারও নেই স্তনে গুটি নেই বলে ক্যানসারের আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দিলে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি হতে পারে।...
11/10/2026

স্তনে গুটি নেই মানেই ক্যানসারও নেই

স্তনে গুটি নেই বলে ক্যানসারের আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দিলে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি হতে পারে। কারণ, স্তন ক্যানসারের সব ক্ষেত্রে গুটি দেখা যায় না, বিশেষ করে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো স্পষ্ট উপসর্গ নাও থাকতে পারে।

এমন ধারণার কারণে একজন নারী স্তনের অন্য অস্বাভাবিক পরিবর্তন উপেক্ষা করতে পারেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করতে পারেন এবং রোগ শনাক্ত হতে দেরি হতে পারে। এতে রোগটি আরও অগ্রসর হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং চিকিৎসা জটিল হয়ে উঠতে পারে।

স্তনে গুটি ছাড়াও যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে:

স্তনের আকার বা আকৃতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন
ত্বকে গর্ত, টান বা কমলার খোসার মতো পরিবর্তন
নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া
নিপল থেকে রক্তমিশ্রিত বা অস্বাভাবিক তরল বের হওয়া
স্তন বা বগলে অস্বাভাবিক ফোলা বা পুরু হয়ে যাওয়া।


কাজেই, গুটি নেই মানেই ক্যানসার নেই—এমন নয়। নতুন বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; উপসর্গ না থাকলেও বয়স ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি অনুযায়ী স্ক্রিনিং করান।

অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস—কিন্তু সচেতনতা ও নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন শুধু অক্টোবর মাসেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; তা থ...
11/10/2026

অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস—কিন্তু সচেতনতা ও নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন শুধু অক্টোবর মাসেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; তা থাকা দরকার বছরের প্রতিটি মাসে।

স্তন ক্যানসার শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু অভ্যাস, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো ও রোগটি দ্রুত শনাক্ত করার সুযোগ বাড়ানো যায়। এগুলো কর্মজীবী নারী, গৃহিণী, কৃষিজীবী, শিক্ষার্থী কিংবা যেকোনো শ্রেণি-পেশার নারীর জন্যই প্রাসঙ্গিক।

১. নিজের স্তনের স্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে জানুন
নিয়মিত দৈনন্দিন কাজের সময় স্তনের আকার, ত্বক ও নিপলের পরিবর্তন খেয়াল করুন। নতুন কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে অবহেলা করবেন না।

২. অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
স্তন বা বগলে নতুন গুটি, ত্বকে গর্ত, নিপল ভেতরে ঢুকে যাওয়া বা রক্তমিশ্রিত নিঃসরণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। ব্যথা না থাকলেও গুটি পরীক্ষা করানো জরুরি।

৩. প্রতিদিন চলাফেরা ও শরীরচর্চা করুন
হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার, ঘরের কাজ বা পছন্দের ব্যায়ামের মাধ্যমে সক্রিয় থাকুন। সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৪. স্বাস্থ্যকর খাবার ও ওজন বজায় রাখুন
সুষম খাবার খান, শাকসবজি ও ফল রাখুন খাদ্যতালিকায় এবং অতিরিক্ত ওজন এড়িয়ে চলুন।

৫. তামাক ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন
তামাক পরিহার করুন এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।

৬. পারিবারিক ইতিহাস জানুন
মা, বোন বা মেয়ের স্তন ক্যানসার হয়ে থাকলে চিকিৎসককে জানান। প্রয়োজনে ব্যক্তিগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করান।

৭. বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী স্ক্রিনিং করান
উপসর্গ না থাকলেও চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে ম্যামোগ্রাম বা উপযুক্ত পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন নির্ধারণ করুন। সব বয়সের নারীর জন্য একই পরীক্ষার নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

৮. সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিন
পরিবার, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক পরিসরে স্তন ক্যানসার নিয়ে খোলামেলা কথা বলুন। ভয়, লজ্জা ও ভুল ধারণার কারণে যেন কেউ চিকিৎসা নিতে দেরি না করেন।

এই করণীয়গুলো ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে কোনো অভ্যাসই স্তন ক্যানসার না হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।

স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে কী করণীয়?স্তন ক্যানসার শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, ঝুঁকি সম্পর্কে ...
11/10/2026

স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে কী করণীয়?

স্তন ক্যানসার শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো ও রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার সুযোগ বাড়ানো যায়।

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে করণীয়- এক

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম, যেমন দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

মনে রাখুন: প্রতিরোধের পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করাও জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তথ্যসূত্র:
- World Health Organization — Breast cancer: Fact sheet
- American Cancer Society — স্তন ক্যানসারের প্রাথমিক শনাক্তকরণ নির্দেশিকা

ব্রেস্টে চাকা বা যেসব সমস্যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না (পর্ব-২: ব্রেস্ট সিস্ট)অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতার ম...
10/10/2026

ব্রেস্টে চাকা বা যেসব সমস্যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না

(পর্ব-২: ব্রেস্ট সিস্ট)

অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতার মাস। তবে এই সচেতনতা কেবল অক্টোবর মাস জুড়েই চলবে আর বছরের অন্য সময়ে অবচেতনে কাটবে তা কিন্তু মোটেও নয়। প্রতিকী অর্থে এই মাসটিকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্ব দেওয়া হলেও বছর জুড়েই নিজ স্তনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে প্রতিটি নারীকে।

কাজেই আমাদের জানতে হবে স্তনের কোন সমস্যা সাধারণ আর কোনটি ক্যান্সারের ঝুঁকি বহন করে। আমাদের জানতে হবে ব্রেস্টের অনেক সাধারণ টিউমার বা সমস্যা রয়েছে, যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না।

আজকে আলোচনা করা হলো 'ব্রেস্ট সিস্ট' (Breast Cysts) নিয়ে:

ব্রেস্ট সিস্ট (Breast Cysts) কী?: ব্রেস্টে তরল পদার্থে ভরা থলির মতো টিস্যু তৈরি হওয়াকে সিস্ট বলে। বেশিরভাগ সিস্ট তরল দিয়ে পূর্ণ থাকে, যেগুলোকে 'সিম্পল সিস্ট' বলা হয়।

লক্ষণসমূহ: পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হওয়ার ঠিক আগে এগুলোতে ব্যথা হতে পারে। অনেক সিস্ট স্পষ্ট হাতে অনুভব করা গেলেও কিছু সিস্ট এত ছোট হয় যে সাধারণ স্পর্শে বোঝা যায় না।

যাদের বেশি হয়: এটি সাধারণত পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার আগের বয়সী নারীদের (premenopausal) এবং যারা মেনোপোজের পর হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি: সরল বা সিম্পল ব্রেস্ট সিস্ট সম্পূর্ণ অক্ষতিকর (benign) এবং এগুলো ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না।

তথ্যসূত্র ও নির্দেশিকা:

American Cancer Society (ACS) এবং Mayo Clinic-এর তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ব্রেস্ট সিস্ট (Simple Breast Cysts) সম্পূর্ণ বিনাইন কন্ডিশন এবং এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না।
• National Cancer Institute (NHI)

Address

Dhaka

Telephone

+8801722993314

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jatio Cancer Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Jatio Cancer Foundation:

Shortcuts

Share