Al Quran

Al Quran Read, download & buy printed Al Quran on https://www.getalquran.com/ Read Al Quran Online in Arabic, Bengali and English on www.getalquran.com.

We Inspire You to the Truth. Get Al Quran is an online Islamic multilingual portal to teach Al Quran Hadith and featuring Q&A, Article, Important News and beneficial information accessible to as many people around the world as possible. The website is independently run by a team of scholars and professionals and is not affiliated with any organization. Our aim is to empower people with the knowled

ge and confidence to practice their faith and become beacons of guidance and inspire to the truth. The answers provided on this website are collected from different sources e.g. seminar, newspaper, magazine or direct speech by Islamic scholars. We publish Q&A, Article and News with mentioning specific references and sources. Some of the answers provided are in response to specific questions. We are not responsible if the content on this website is misused or used out of context. Audio and Video we linked up with our website after getting permission or respond their sharing request. We have not intense to divide Muslims or add new facts. We ask that you to keep all those people who worked on this website in your du’a. Allah Subhanahu Wa Ta’ala nominate us to effort in Islam. For any queries, please do not hesitate to contact us.

08/03/2025

❤️ পকেট সাইজ হাফেজী কোরআন
🔷 হাদিয়া: ৪৭৫ টাকা
✅ সারা বাংলাদেশে ফ্রি দ্রুত হোম ডেলিভারি
✔️ চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য। অপুরূপ দেখতে, বিরল
✔️ পুরো কোরআন কে রঙধনুর সাতরঙে বিভক্ত ও অলঙ্কিত করা
✔️ পৃষ্ঠা পিচ্ছিল, উন্নত, চকচকে, গ্লসি, ফেব্রিকের জিপার কাভার
👉 অর্ডার করতে ০১৯১৫৬৮১৭২৭ এ WhatsApp করুন

06/03/2025

কোরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়:১.হজরত আদম আলাইহিস সালাম: তাঁর স্ত্রী ছিলেন হাওয়া(আ)।আদম আলাইহিস সালামের নিঃস...
17/01/2025

কোরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
১.হজরত আদম আলাইহিস সালাম: তাঁর স্ত্রী ছিলেন হাওয়া(আ)।

আদম আলাইহিস সালামের নিঃসঙ্গতা দূরীকরণের জন্য তাঁর বাম পাঁজরের হাড় থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করা হয়। পৃথিবীতে আগমনের পর তাঁদের অনেকজন সন্তান-সন্ততি জন্মগ্রহণ করেছিল ।আলোচিত সন্তানগণ হলেন: হাবিল, কাবিল, আকলিমা, লাইউদা। তাঁদের সন্তান শিস (আ:) পরবর্তীতে আল্লাহর একজন নবি (বাণীবাহক) হয়েছিলেন।পৃথিবীতে আদমই ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি জানতেন তিনি কত বছর বাচবেন। মহান আল্লাহ তাঁকে বলেছিলেন, “তুমি সহস্র বছর পৃথিবীতে বেচে থাকবে।”

মোট ৯টি সূরার ২৫ জায়গায় তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি সর্বপ্রথম মানুষ ও নবী ছিলেন।

২. হজরত ইদরিস আলাইহিস সালাম: ইদ্রিস (আরবি: إدريس‎‎) যিনি মুসলমানদের নিকট হযরত ইদ্রিস নামে পরিচিত, ইসলামী ইতিহাস অনুসারে মানবজাতির উদ্দেশ্যে প্রেরিত তৃতীয় নবী। মুসলমানদের বিশ্বাস অনুসারে তিনি ইসলামের প্রথম নবী আদম -এর পর স্রষ্টার নিকট হতে নবীত্ব লাভ করেন। তার জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কারো মতে তিনি ইরাকের বাবেলে জন্মগ্রহণ করেন।কোরআনের দু’টি সূরায় দু’বার উল্লেখ হয়েছে তাঁর নাম। তিনি সর্বপ্রথম কলম দ্বারা লিখেছেন। আল্লাহতায়ালা তাকে সিদ্দিক হিসেবে কোরআনে আখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি সর্বপ্রথম কাপড় সেলাই করে পরিধান করা শুরু করেন।

৩. হজরত নুহ আলাইহিস সালাম: আদম আঃ থেকে নূহ আঃ পর্যন্ত দশ শতাব্দির ব্যবধান ছিল। যার শেষ দিকে মানবকূল শিরক ও কুসংস্কারে নিমজ্জিত ছিল এবং তা বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে তাদের সংশোধনের জন্য আল্লাহ তাআলা নূহ আঃ কে তাদের মাঝে রাসূল রূপে প্রেরণ করেন। তিনি ৯৫০ বছরে দীর্ঘ বয়স লাভ করেছিলেন এবং সারা জীবন পথভোলা মানুষকে সুপথে আনার জন্য দাওয়াতি কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।২৮টি সূরায় ৪৩ বার উল্লেখ করা হয়েছে এই নবীর নাম। তিনি নিজ জাতিকে সাড়ে ৯শ’ বছর দাওয়াত দিয়েছেন। তার ছেলে কেনানকে কুফরির কারণে আল্লাহতায়ালা মহাপ্লাবনে ডুবিয়ে মেরেছিলেন।

৪.হযরত হূদ আলাইহিস সালাম: দুর্ধর্ষ ও শক্তিশালী ‘আদ জাতির প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। আল্লাহর গযবে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিশ্বের প্রধান ছয়টি জাতির মধ্যে কওমে নূহ-এর পরে কওমে ‘আদ ছিল দ্বিতীয় জাতি। হজরত ইবন আব্বাস রা: ও মুকাতিল র: থেকে একটি (ইসরাইলি) বর্ণনায় রয়েছে, তাদের উচ্চতা ছিল ১৮ ফুট (১২ হাত)।হজরত হুদ আলাইহিস সালামের নাম তিনটি সূরায় সাতবার উল্লেখিত হয়েছে। তাঁকে আদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। নূহ (আ.)-এর সম্প্রদায়কে প্লাবন দ্বারা ধ্বংস করার পর সর্বপ্রথম তার সম্প্রদায়ের লোকেরা মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড ঝড় দ্বারা ধ্বংস করে দেন।

৫. হযরত সালেহ আলাইহি সালাম: আরবি: (صالح‎) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী। যাকে ‘সামূদ জাতির’ উদ্দেশ্যে আল্লাহ প্রেরণ করা হয়েছিল। তারা নূহ এর পুত্র সামের বংশধর এবং প্রাচীন আরব জাতিসমূহের একটি।হজরত সালেহ আলাইহিস সালামের নাম চারটি সূরায় ৯ স্থানে উল্লেখ আছে। তাকে ছামূদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়। সালেহ (আ.)-এর মুজেযা ছিল উটনি।

৬. হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম: তিনি ছিলেন হযরত নূহ (আঃ)-এর সম্ভবত: এগারোতম অধঃস্তন পুরুষ। নূহ থেকে ইবরাহীম পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বছরের ব্যবধান ছিল। হযরত ছালেহ (আঃ)-এর প্রায় ২০০ বছর পরে ইবরাহীমের আগমন ঘটে। ঈসা থেকে ব্যবধান ছিল ১৭০০ বছর অথবা প্রায় ২০০০ বছরের। তিনি ছিলেন ‘আবুল আম্বিয়া’ বা নবীগণের পিতা এবং তাঁর স্ত্রী ‘সারা’ ছিলেন ‘উম্মুল আম্বিয়া’ বা নবীগণের মাতা। তাঁর স্ত্রী সারার পুত্র হযরত ইসহাক্ব-এর পুত্র ইয়াকূব (আঃ)-এর বংশধর ‘বনু ইসরাঈল’ নামে পরিচিত এবং অপর স্ত্রী হাজেরার পুত্র হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশে জন্ম নেন বিশ্বনবী ও শেষনবী হযরত মুহাম্মাদ(ছাল্লাল্লা-হু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)। যাঁর অনুসারীগণ ‘উম্মতে মুহাম্মাদী’ বা ‘মুসলিম উম্মাহ’ বলে পরিচিত। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের নাম ২৫ সূরায় ৬৯ বার উল্লেখ হয়েছে। তিনি ইরাকে জন্মগ্রহণ করেন ও ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন করেন। পরে আল্লাহতায়ালার হুকুমে স্ত্রী ও শিশু সন্তান ইসমাঈলকে জনমানবহীন মক্কায় রেখে আসেন।হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়। তিনি ছেলে ইসমাঈলকে সঙ্গে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন ও সর্বপ্রথম মানুষকে বায়তুল্লাহর হজ করার জন্য আহবান করেন।

৭. হজরত লুত আলাইহিস সালাম: পবিত্র কুরআনে ১৫,২৬,২৯ এবং ৬৬ নম্বর সূরাসমূহের বিভিন্ন অংশে লুত এর কাহিনী বর্ণনা করেন। লুত এর জাতি পার্থিব উন্নতির চরম উৎকর্ষে পৌছে যাওয়ার কারণে বিলাসিতার অতিশয্যে সীমালঙ্ঘনের দিক দিয়ে তাদের পূর্বের গযবপ্রাপ্ত জাতিগুলোকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। লুত এর জাতি ব্যভিচার ও অজাচার তো করতোই, তার উপর সমকামিতার মত চরম সীমালঙ্ঘনও তারাই প্রথম শুরু করে, যা তাদের পূর্বে কেউ কখনো করে নি; উপরন্তু, তারা এর ফলে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত না হয়ে গর্ব ভরে তা সমাজে প্রকাশ করে বেড়াত এবং প্রকাশ্যে ও নির্লজ্জভাবে এসব নিষিদ্ধ কাজগুলো করত। আল্লাহতাআলা তাই লুত কে তার জাতির জন্যে সতর্ককারী নবী মনোনীত করলেন এবং আল্লাহকে ভয় করে তাদের এসব কাজ থেকে বিরত থাকতে বলার নির্দেশ দিলেন। লুত দীর্ঘ সময় ধরে সতর্ক করার পরও যখন তাদের পরিবর্তন হল না তখন আল্লাহ তাআলা চূড়ান্ত বিপর্যয়ের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা উলটিয়ে দেন, আকাশ থেকে একাধারে বৃষ্টি ও পাথর বর্ষণ করে সমগ্র জাতিকে সমুলে নিশ্চিহ্ন করে দেন। বর্ণিত আছে, বর্তমান মৃত সাগর বা ডেড সি হল লুত এর জাতির সেই বাসস্থান যেখানে তাদের ধ্বংস করা হয়েছিলো।চৌদ্দটি সূরায় ২৭ বার উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর নাম। তাঁর স্ত্রী কাফের ছিল। তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা সমকামিতার মতো পাপে লিপ্ত ছিলো। ফলে আল্লাহতায়ালা তাদের কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।

৮. হজরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম: তিনি ইব্রাহিমের জ্যেষ্ঠপুত্র যিনি হাজেরার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন।এছাড়াও তিনি মক্কা ও কাবা নির্মাণের সাথে যুক্ত হন।আট সূরায় ১২ জায়গায় উল্লেখ হয়েছে এই নবীর নাম। জন্মের পূর্বেই তাকে বিজ্ঞ বলে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল।

৯. হজরত ইসহাক আলাইহিস সালাম: হযরত ইসহাক ছিলেন ইবরাহীম (আঃ)-এর প্রথমা স্ত্রী সারাহ-এর গর্ভজাত একমাত্র পুত্র। তিনি ছিলেন হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর চৌদ্দ বছরের ছোট। এই সময় সারাহর বয়স ছিল ৯০ এবং ইবরাহীমের বয়স ছিল ১০০। আল্লাহ ইসমাঈলকে দিয়ে যেমন মক্কার জনপদকে তাওহীদের আলোকে উদ্ভাসিত করেছিলেন, তেমনি ইসহাক্বকে নবুঅত দান করে তাঁর মাধ্যমে শাম-এর বিস্তীর্ণ এলাকা আবাদ করেছিলেন। কোরআনের ১২টি সূরায় মোট ১৭ বার আলোচিত হয়েছে তাঁর নাম। তিনি ও ইসমাঈল (আ.) সম্পর্কে ভাই ছিলেন।

১০. হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম: ১০টি সূরায় ১৬ বার আলোচিত হয়েছে তাঁর নাম। তাঁর আরেক নাম হলো- ইসরাইল। তাঁর নামানুসারে বনী ইসরাঈল সম্প্রদায়ের নামকরণ করা হয়েছে।

১১. হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম: তিনটি সূরায় ২৭ বার উল্লেখ হয়েছে তাঁর নাম। এ ছাড়া সূরা ইউসুফ নামে হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের ঘটনা সম্বলিত একটি স্বতন্ত্র সূরা রয়েছে কোরআনে। তিনি নিজে নবী ছিলেন এবং তার পিতা ইয়াকুব (আ.), তার দাদা ইসহাক (আ.) ও পরদাদা ইবরাহীম (আ) নবী ছিলেন।

১২. হজরত শোয়াইব আলাইহিস সালাম: চার সূরায় ১১ বার উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর নাম। তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা মাপে বা ওজনে কম দেওয়ার প্রেক্ষিতে আজাবপ্রাপ্ত হয়েছিল।

১৩. হজরত আইয়ুব আলাইহিস সালাম: চারটি সূরার চার জায়গায় আলোচিত হয়েছে তাঁর নাম। আল্লাহতায়ালা তাকে দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। কিন্তু তিনি ধৈর্যধারণ করে ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

১৪. হজরত যুলকিফল আলাইহিস সালাম: দু‍’টি সূরায় দু’বার আলোচিত হয়েছে তার নাম।

১৫. হজরত মুসা আলাইহিস সালাম: পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি বার তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৪টি সূরায় ১৩৭ বার আলোচিত হয়েছেন তিনি। বনী ইসরাঈলের প্রথম নবী ছিলেন তিনি। জন্মের পর মুসা আলাইহিস সালামকে তার মা বাক্সে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর কুদরত হিসেবে পরে তিনি জালেম বাদশা ফেরাউনের বাড়ীতে লালিত-পালিত হন। নবী মূসাকে আল্লাহতায়ালা অনেকগুলো মুজেযা দিয়েছিলেন। তন্মধ্যে একটি হলো- মূসা (আ.) তার হাতের লাঠি মাটিতে রেখে দিলে তা বিশাল বড় সাপে পরিণত হতো। পরে তিনি সেটা হাতে নিলে আবার লাঠি হয়ে যেত।

১৬. হজরত হারুন আলাইহিস সালাম: ১৩টি সূরায় ২০ বার আলোচিত হয়েছেন তিনি। তিনি নবী মূসা (আ.)-এর ভাই ছিলেন। বাগ্মীতার পারদর্শী ছিলেন তিনি।

১৭. হজরত দাউদ আলাইহিস সালাম: ৯টি সূরায় ১৬ বার উল্লেখ হয়েছে তাঁর নাম। তিনি নিজে রোজগার করে সংসার চালাতেন। তাকে যাবুর কিতাব প্রদান করা হয়েছিল। তিনি একদিন রোজা রাখতেন, আরেকদিন রাখতেন না।

১৮. হজরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম: সাতটি সূরায় ১৭ বার উল্লেখ হয়েছে তাঁর নাম। তিনি সারা পৃথিবীর বাদশাহ ছিলেন। পশু-পাখীদের ভাষা বুঝাসহ মুজেযাস্বরূপ বাতাস নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পেয়েছিলেন তিনি।

১৯. হজরত ইলিয়াস আলাইহিস সালাম: দু’টি সূরায় তিনবার উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর নাম।

২০. হজরত ইয়াসা আলাইহিস সালাম: তিনি ইফরাঈম বিন ইউসুফ বিন ইয়াকূব-এর বংশধর ছিলেন। তিনি ইলিয়াস (আঃ)-এর চাচাতো ভাই এবং তাঁর নায়েব বা প্রতিনিধি ছিলেন। হযরত ইলিয়াস (আঃ) সুলায়মান (আঃ) পরবর্তী পথভ্রষ্ট বনু ইস্রাঈলগণের প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। তাঁর পরে আল-ইয়াসা‘ নবী হন এবং তিনি ইলিয়াস (আঃ)-এর শরী‘আত অনুযায়ী ফিলিস্তীন অঞ্চলে জনগণকে পরিচালিত করেন ও তাওহীদের দাওয়াত অব্যাহত রাখেন। বাইবেলে তাঁর বিস্তারিত অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে তাঁর নাম ‘ইলিশা ইবনে সাকিত’ বলে উল্লেখিত হয়েছে।কোরআনে কারিমের দু’টি সূরায় দু’বার আলোচনা করা হয়েছে তাঁর প্রসঙ্গ।

২১. হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম: দু’টি সূরায় দু’বার উল্লেখ হয়েছে তার নাম। তাঁকে মাছে গিলে ফেলেছিল। পরে তিনি দোয়া করার পর আল্লাহতায়ালা তাঁকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি নিনুওয়া এলাকার লোকদের নিকট প্রেরিত হয়েছিলেন। পূর্ববর্তী সমস্ত নবীর অধিকাংশ উম্মত তাদের সঙ্গে কুফরি করলেও ইউনুস (আ.)-এর সম্প্রদায়ের সবাই তার প্রতি ঈমান এনেছিলেন।

২২. হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম: ইসলামী বর্ণনাগুলো অনুসারে, তিনি বায়তুল মুক্বাদ্দাসের নিকটে বাস করতেন এবং বনু ইস্রাঈল বংশের ছিলেন। তিনি ঈসার মাতা মারিয়ামের অভিভাবক ও লালন-পালনকারী ছিলেন। তিনি বৃদ্ধ বয়সে একমাত্র পুত্র সন্তান লাভ করেন যার নাম ছিল ইয়াহইয়া। ইয়াহইয়াও একজন নবী ছিলেন। আর মারিয়াম ছিলেন ইয়াহইয়ার খালাতো বোন।চারটি সূরায় সাতবার উল্লেখ হয়েছে পেশায় কাঠুরে এই নবীর নাম।

২৩. হজরত ইয়াইয়া আলাইহিম সালাম: চারটি সূরায় পাঁচবার উল্লেখ হয়েছে তাঁর প্রসঙ্গ। তাঁকে কিশোর অবস্থাতেই আল্লাহ জ্ঞানী করেছিলেন এবং তাঁকে তাওরাতের শিক্ষা দিয়েছিলেন।

২৪. হজরত ঈসা আলাইহি সালাম: আল কুরআনে অন্যান্য নবী আলাইহিস সালামদের মতো ঈসা (আলাইহিস সালাম) কেও “আল্লাহ্‌র বার্তাবাহক”, ইত্যাদি নামে ডাকা হয়েছে। কিন্তু যে কারণে ঈসা (আলাইহিস সালাম) ব্যতিক্রম, তা হল তাঁর অলৌকিক জন্মগ্রহণ।১১টি সূরায় ২৫ বার উল্লেখ হয়েছে তাঁর প্রসঙ্গে। তিনি বনী ইসরাইল সম্প্রদায়ের সর্বশেষ নবী। তাঁর আরেক নাম মাসিহ।

২৫. হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: চারটি সূরায় চার জায়গায় তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য স্থানে তাঁর গুণবাচক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অথবা আইয়ুহান নবী কিংবা আইয়ুহার রাসূল বলে সম্বোধন করা হয়েছে। এটা বিশ্বনবীর সম্মান ও মর্যাদার পরিচয় বহন করে।

বর্ণ ও বিষয়ভিত্তিক আল কুরআনুল করীমহাদিয়া: 1,590 টাকা,  মূদ্রিত হাদিয়া: ২,২০০ টাকা   আরবি আয়াত- সম্পূর্ণ ৩০ পারা, ওজন : ...
29/08/2024

বর্ণ ও বিষয়ভিত্তিক আল কুরআনুল করীম
হাদিয়া: 1,590 টাকা, মূদ্রিত হাদিয়া: ২,২০০ টাকা
আরবি আয়াত- সম্পূর্ণ ৩০ পারা, ওজন : ২.৩ কেজি
শুধু বাংলা অনুবাদ, সংক্ষিপ্ত তাফসীর
ক্রিম এবং গ্লসি আর্ট পেপার, ১০০ জি এস এমের পাতা
হার্ড এবং পঞ্জের কভার, অটিমেটেড মেশিনে বাঁধাই

কুরআনের আয়াতের সহজ বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলা উচ্চারণকে সম্পূর্ণ বাদ দেয়া হয়েছে।

১৭০ টি পাতা জুড়ে কুরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াত গুলোর সূচি দেয়া আছে।ফলে আপনি সহজেই কুরআনের উল্লেখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।

নিত্য দরকারি সকল বিষয় নিয়ে কুরআনে কি বলা আছে তা বর্ণ ও বিষয়ভিত্তিক আকারে দেয়া আছে।

Language: Bangla, Arabic, Dimension in inch: 9.5* 7.5
Read more: https://www.getalquran.com/shop/borno-o-bishoyvittik-quranul-karim/

Color Coded QuranPublisher: I.M.A. PublishersLanguage: ArabicNumber Of Para: 30 ParaDimension in inchs: 9.5*7.7IMA Publi...
27/08/2024

Color Coded Quran
Publisher: I.M.A. Publishers
Language: Arabic
Number Of Para: 30 Para
Dimension in inchs: 9.5*7.7

IMA Publisher এর প্রকাশিত ১৫ লাইনের হাফেজি কুরআন। পুরো কুরআন মাজীদ কে রঙধনুর সাত রঙে বিভক্ত ও অলংকৃত করা হয়েছে।যার প্রতিটি পাতা ৬০ জি.এস.এমের ও গ্লসি কাগজে ছাপা। যা একটি প্রিমিয়াম কুরআনের অনুভূতি দিবে এবং প্রিয়জনকে উপহার দেয়ার জন্য হবে অনবদ্য।

১৫ লাইনের এই হাফেজি কুরআনে, আরবি হরফ বেশ বড় হওয়াতে পাঠ করতে যেকোনো বয়স্ক মুসল্লির চোখের জন্য বেশ আরামদায়ক হবে। এছাড়াও এই কুরআন মাজিদ জুড়ে রয়েছে তাজবিদের যথাযথ নিয়মাবলী। যেমনঃ কোথায় মদ হবে, গুন্নাহ হবে, ক্বলক্কলাহ হবে তা বিভিন্ন কালারের মাধ্যমে চিহ্নিত করা আছে। ফলে খুব সহজেই তাজবিদের সাথে সহিহ নিয়ম মেনে আল্লাহ সুবহানু ওয়াতা’আলার কালামের তিলাওয়াত করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।

কিতাবের আয়াত এবং আলোচ্য বিষয় গুলোর জন্য সূচি থাকাতে সহজেই খুঁজে পাবেন কোথায় কি আছে। তাজবিদের চিহ্ন দেখে কিভাবে সহিহ উচ্চারণ আদায় করবেন তার নিয়ম কিতাবের শুরুতেই দেয়া আছে। চোখ জুড়ানো এবং সর্বাধিক চাহিদা সম্পন্ন এই হাফেজি কুরআন দিল্লি থেকে আনা হয়েছে, যা ইবাদাত কার্যকে আরও দৃঢ় ও নির্ভুল করার অনন্য মাধ্যম। দীর্ঘ বছর কুরআন তিলাওয়াত করার জন্য বেশ হার্ড কভার এবং অটোমেটেড মেশিনে বাঁধাই করা হয়েছে।

পুরো কুরআন মাজীদ কে রঙধনুর সাত রঙে বিভক্ত ও অলংকৃত করা হয়েছে। যার প্রতিটি পাতা ৬০ জি.এস.এমের ও গ্লসি কাগজে ছাপা - getalqur...

কুরআন (ছোট, সবুজ কভার)প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আযহারপৃষ্ঠা : 611, কভার : হার্ড কভারসাইজ: ৮ ইঞ্চি/সাড়ে ৫ ইঞ্চিকাগজ: শামওয়া ক...
27/08/2024

কুরআন (ছোট, সবুজ কভার)
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আযহার
পৃষ্ঠা : 611, কভার : হার্ড কভার
সাইজ: ৮ ইঞ্চি/সাড়ে ৫ ইঞ্চি
কাগজ: শামওয়া কাগজে

আমাদের দেশে সচরাচর যেই কুরআন পাওয়া যায়, এগুলো সাধারণত ইন্দোপাক স্ক্রিপ্টের হয়ে থাকে, সৌদি কুরআনের মতো জাঁকজমকপূর্ণ হয় না। আবার সৌদি কুরআনগুলো বাজারে বিভিন্ন দোকান ঘুরে কিছু পুরাতন কপির সন্ধান মিললেও দাম হাঁকায় বেশ চড়া!
আলহামদুলিল্লাহ, মাকতাবাতুল আযহার সৌদি কুরআন ছাপিয়ে এনেছে সুদূর মিসর থেকে, তাও আবার বিশ্বমানের শামওয়া কাগজে! শামওয়া কাগজের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই বাদামী কাগজগুলো ওজনে বেশ হালকা হয় এবং সুঘ্রাণ ছড়ায়। ফলে দীর্ঘক্ষণ হাতে নিয়ে রাখলেও হাত ব্যথা হবে না। তাছাড়া মিসর বিশ্বজুড়ে তাদের ছাপা কাজের জন্য বিখ্যাত।
কুরআনগুলো হাফেজি স্টাইলে সাজানো। ছোট, বড় দুই সাইজেই পাবেন। ঝকঝকে উন্নত রেক্সিন বাঁধাই এবং সোনালি লেয়ারের প্রচ্ছদ এক প্রকার রাজকীয় ভাব এনে দেবে পাঠকের হৃদয়ে। দেখলেই মনে হবে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে রাখি অনন্তকাল!

ঝকঝকে উন্নত রেক্সিন বাঁধাই এবং সোনালি লেয়ারের প্রচ্ছদ এক প্রকার রাজকীয় ভাব এনে দেবে পাঠকের হৃদয়ে, দেখলেই মনে হবে ....

Colour coded Tajeewd QuranThe Holy Quran with Colour coded Manzils. Tajweed Rules Hard Back with beautiful Kabah Cover, ...
27/08/2024

Colour coded Tajeewd Quran
The Holy Quran with Colour coded Manzils. Tajweed Rules Hard Back with beautiful Kabah Cover, It has symbols denoting pauses in Quranic Arabic Text. Seven beautiful rainbow colors, cover the whole Quran’s 15 Lines Quran. This is easy for Hifz and memorization of the Quran. Suitable for any aged person.

Title: Holy Quran Kabah Cover Colour coded Tajeewd
Publisher: Farid Book Depot
Language: Arabic
Number Of Pages: 600
Dimension in inchs: 8*6

The Holy Quran with Colour coded Manzils. Tajweed Rules Hard Back with beautiful Kabah Cover, It has symbols denoting pauses in Quranic Arabic Text.

Address

11 Bangla Bazar Road
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Al Quran:

Share