Bangladesh Anjumane Talamije Islamia

Bangladesh Anjumane Talamije Islamia বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া To do so, Talamije Islamia has taken Five types of activities: viz: 1. Preaching 2. Organization 3. Training
4.
(8)

Bangladesh Anjumane Talamije Islamia is one of the leading Islamic student organizations of Bangladesh founded on 18 Feb, 1980 by the eminent Islamic Scholar and great saint of the 20th Century, ardent follower of the holy prophet (pbuh), Shamsul Ulama Hazrat Allama Fultali Saheb Qibla (R.). It is based on the convictions of Ahle-Sunnat-wal-Jama'at and aimed at preaching, promoting, and establish

ing true Ideologies of Islam to the young Muslim Students of Bangladesh. Social Welfare and 5. Spreading Education and Solving problems especially those are related to Islamic Education.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মানুষের সমাজ- সভ্যতা ও পরিবেশকে সুনিশ্চিতরূপে চিরন্তন সুখ-শান্তি, প্রগতি-সমৃদ্ধি ও পূর্ণতার দিকে এগিয়ে নিতে ইসলামের কোন বিকল্প নেই। ইসলামী শরী’আতের মৌলিক উৎস পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ। যা সব যুগে, সব দেশে সর্বাবস্থায় সকল জাতির কল্যাণে প্রযোজ্য। আজকের দুনিয়ায় বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে সত্যিকার ইসলামী পরিবেশ ও সমাজ গড়ে তোলার জন্যে ইসলামী আদর্শের চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ভিত্তিক বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহন করা একান্ত প্রয়োজন। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুপম জীবনাদর্শই হলো পবিত্র কালামের বাস্তব রূপায়ন। ইহ-পরলৌকিক যে কোন জিজ্ঞাসা বা জীবন-জগতের যে কোন সমস্যার সমাধান পেতে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর জীবনাদর্শের আশ্রয়ই আমাদের একমাত্র পথ। মহান স্রষ্টা আল্লাহপাক মাখলুকাত সৃষ্টি করে মানব জাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে ঘোষণা করেছেন । কেননা মানব জাতিকে তিনি বিবেক-বুদ্ধি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গুণ-গরিমায় শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তাদেরকে সত্য ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করতে যুগে যুগে পাঠিয়েছেন অনেক নবী ও রাসূল। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে মানব জাতির জন্য তাঁর দ্বীনকে করেছেন পূর্ণাঙ্গ। তাদের অগ্রযাত্রাকে ’সিরাতুল মুস্তাকীম’-এর উপর করেছেন সুপ্রতিষ্ঠিত। শেষ নবীর আগমনে আম্বিয়ায়ে কিরামের আবির্ভাবের পথ বন্ধ হওয়ায় প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর উত্তরসূরীদের উপর দ্বীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। নায়িবে রাসূল তথা উলামায়ে কিরামই পেয়েছেন ইসলাম ও ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নীতি আদর্শ বাস্তবায়নে কিয়ামত পর্যন্ত আগত মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মহান দায়িত্ব। আসহাবে রাসূল, তাবিঈন, তাবে তাবিঈন, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন তথা উলামায়ে দ্বীন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর পূর্ণাঙ্গ জীবনাদর্শ দুনিয়াবাসীর সামনে তুলে ধরেছেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যে জিহাদ করেছেন, মিথ্যার মুকাবিলায় সত্যের বিজয়কে সুনিশ্চিত করতে কুরবানী দিয়েছেন জীবন ও সম্পদ। এ উপমহাদেশে একদিন পৌত্তলিকতার ধ্বংসস্তুপের উপর ইসলামের বিজয় নিশান উড়িয়েছিলেন আউলিয়ায়ে কিরাম ও খালিদ-তারিকের উত্তরসূরী বীরপুরুষরা। আবার যখনই এখানে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, দ্বীনকে মিটিয়ে ফেলার পাঁয়তারা চলেছে, তখনই দ্বীনের ধারক হিসেবে ময়দানে নেমেছেন তাঁরাই। যেমন সম্রাট আকবরের মনগড়া মাযহাব ’দ্বীনে এলাহী’র বিরুদ্ধে মুজাদ্দিদে আলফেসানী হযরত শায়খ আহমদ সিরহিন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি জিহাদ করে এর মূলোৎপাটন করেন, বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্রের কবল থেকে রক্ষা করেন ইসলামকে। এমনিভাবে মুজাদ্দিদে যামান, আমাদের আযাদী আন্দোলনের প্রথম সিপাহসালার হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বালাকোটের ময়দানে শাহাদাত বরণ করেন। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক বিরাট অংশ জুড়ে আছে স্বাধীনতা রক্ষায় সুদীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী। ১৭৫৭ সালে বিশ্বাসঘাতক কুটিল চক্রের যুদ্ধরূপ প্রহসনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক শহীদ নবাব সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে পলাশীর প্রান্তরে যে স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়, তা ফিরে পেতে স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ রদ্ধুর পথ আমাদের পাড়ি দিতে হয়েছে। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে বখতিয়ার খিলজী থেকে আমাদের যে গৌরবমন্ডিত ইতিহাসের সূচনা, কালের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়েও সে অগ্রগমন অব্যাহত ছিল। হৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের নানামুখী সংগ্রাম ছিল সংগঠিত ও বিকশিত। সর্বশেষ স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালের রক্তাক্ত সশস্ত্র যুদ্ধের ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ নামের প্রিয় ভূখন্ড লাভের মাধ্যমে আমরা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাঞ্ছিত গতিবেগ প্রদান করেছি। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু মুসলিম দেশ আজ আগ্রাসী শক্তির ষড়যন্ত্রের শিকার। শত কোটি জনঅধ্যুষিত মুসলিম জনপদে সম্পদ ও প্রাচুর্যের কমতি নেই। কিন্তু সেই ধন-সম্পদ পাচার হয়ে যাচ্ছে। মুসলিম উম্মাহ’র একটি দেশও আজ অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। খাদ্য, শিল্পপণ্য ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আজকে তাদের পাশ্চাত্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে করে তাদের উপর চলছে অপশক্তির খবরদারি। তারা হারিয়ে ফেলেছে স্বকীয়তা। অপরদিকে মুক্তিকামী মুসলিম জনপদ হচ্ছে আগ্রাসী শক্তির হিংস্র আক্রমণের শিকার। স্বাধীনতার স্পৃহাকে চিরতরে দমিয়ে দিতে যালিমরা আমাদের জাতির এক এক অংশকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে। তারা আমাদের যুবকদের করছে হত্যা, মায়েদের লুটছে ইজ্জত, বোনদের উপর চালাচ্ছে গণধর্ষণ, আমাদের মসজিদ দিচ্ছে গুড়িয়ে, অগ্নিসংযোগ করে জনপদের পর জনপদ করছে ছারখার। আমাদের প্রথম কিবলা বায়তুল মাকদিস আজ ইয়াহুদী হার্মাদদের দখলে। বিশ্বব্যাপী আমাদের দুর্গতি ও দুর্দশার সীমা নেই। সম্পদ থাকতেও আজ আমরা দরিদ্র, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরমুখাপেক্ষী, সম্ভাবনা থাকতেও অনিশ্চিত আমাদের ভবিষ্যৎ, আমরা অনৈক্যের বেড়াজালে আবদ্ধ। ভাই হয়ে ভাইয়ের বুকে আমরা অস্ত্র ধরছি। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য ও স্বকীয় বৈশিষ্ট্য থেকে আমরা আজ অনেক দূরে। আল্লাহ ও রাসূলের দুশমন ইয়াহুদী-নাসারাকে আমরা মুরব্বী, অভিভাবক ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানিয়ে নিয়েছি। আমাদের পেট্রো-ডলার তাদেরই ব্যাংকে গচ্ছিত। আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় পরামর্শ, উপদেশ, কর্মসূচী তাদের নিকট থেকেই গৃহীত। অথচ বিশ্বব্যাপী তাদেরই হাতে দুর্গতি-দুর্দশা ও লাঞ্ছনা-বাঞ্চনার শিকার হচ্ছি আমরা। গোটা মুসলিম উম্মাহ মিলে এক দেহসত্তা। কিন্তু উম্মাহর ঘরে ঘরে আজ অনৈক্য, বিভেদ-বৈষম্য। ইয়াহুদী, নাসারা ও পৌত্তলিকদের কূটচালের শিকার গোটা উম্মাহ। প্রগতি ও সভ্যতার নামে অশ্লীলতা, নগ্নতা, বেলেল্লাপনা-বেহায়াপনাসহ অনৈসলামিক কর্মতৎপরতা বিপুলভাবে প্রসার লাভ করেছে। একদিকে বিভ্রান্তিকর লেখা, আত্মঘাতী প্রকাশনা, অশ্লীল পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ইন্টারনেটসহ ইলেকট্রনিকস্ মিডিয়ার অপব্যবহার, অন্যদিকে খ্রিস্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র, নাস্তিক মুরতাদ ও ধর্মদ্রোহীদের নানাবিধ অপকৌশল ও লোভ-প্রলোভনের মাধ্যমে মুসলিম জাতির ঐতিহ্য ও তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে। ইসলামবিদ্বেষী শক্তি সরলপ্রাণ মুসলিম ছাত্র সমাজের মন ও মানস বিগড়ে দিচ্ছে। তারা কৌশলে নতুন প্রজন্ম তথা আগামী দিনের নাগরিকদের ভ্রান্তির অতল গহ্বরে পৌঁছে দিতে অপপ্রয়াসে লিপ্ত। জাতির দুরবস্থার এই করুন চিত্র এখনও কি আমদের চোখ খুলে দেবে না? আমরা এখনও কি পড়ে থাকব গাফলতির নিদ্রায়? এই গ্লানিকর পরিস্থিতির উত্তরণে কি আমরা কিছুই করতে পারি না? সকল ষড়যন্ত্র, অপকৌশল ও ভ্রান্ত মতবাদকে নস্যাত করতে আজ আমাদের হতে হবে সুসংঘবদ্ধ, গ্রহণ করতে হবে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী। আর এ জন্য প্রয়োজন ছাত্রসমাজের যোগ্য নেতৃত্বশীল সংগঠনের, যা হবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সম্পূর্ণ অনুগামী, যার মাধ্যমে বিকশিত হবে ছাত্রদের যোগ্যতা, পূরণ হবে তাদের ন্যায্য দাবি, অবসান ঘটবে সকল ষড়যন্ত্রের, সকল বিভ্রান্তির। এই সংগঠনের নেতৃত্বে তাযকিয়ায়ে নাফসের মাধ্যমে তারা হবে আদর্শ নাগরিক। সুন্নাতে নববীর অনুসরণে জীবন গঠন করে তারা ওয়ারিসুল আম্বিয়া হিসাবে গড়ে উঠে আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে করবে প্রতিষ্ঠিত। এসকল চিন্তা-ভাবনা নিয়েই উৎসাহী ছাত্র ও চিন্তাশীল উলামায়ে কিরামের সমন্বয়ে ১৯৮০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠন করা হয় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া নামে এক সুদৃঢ় ছাত্র সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যামানার মুজাদ্দিদ হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এ সংগঠন বাংলাদেশের বিশিষ্ট উলামায়ে কিরাম পীর-মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদগণের দিক নির্দেশনায় বাস্তবমুখী কর্মসূচী ও সুচারু কর্মতৎপরতা নিয়ে সবসময় অগ্রসর হচ্ছে এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ক্ষেত্রে সকল নযীর স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
আল্লাহ প্রদত্ত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত, সাহাবায়ে কিরাম তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের আকীদা অনুযায়ী মুসলিম ছাত্র সমাজকে উদ্বুদ্ধ করে ইসলামী আদর্শের মাধ্যমে তাদের জীবন গঠন এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সন্তুষ্টি অর্জন করা।

পাঁচ দফা কর্মসূচি :
উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য তালামীযে ইসলামিয়া গ্রহন করেছে পাঁচ দফা কর্মসূচি:
১. ইসলামী আদর্শ তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের আকীদা বিশ্বাসকে মুসলিম ছাত্র সমাজে প্রকাশ করা।
২. ছাত্র সমাজকে তাদের দায়িত্ব পালনের নিমিত্ত সংঘবদ্ধ করা।
৩. আত্মিক, নৈতিক তথা প্রকৃত মানবিক যোগ্যতা বিকাশ এবং আল্লাহর ধ্যানে মনোনিবেশের কার্যকরী পন্থা অবলম্বন করা।
৪. নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের খিদমত করা এবং সমাজ জীবনে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো।
৫. ইসলামী শিক্ষার সংস্কার, শিক্ষা সমস্যা ও ছাত্র সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া।

কর্মসূচি বাস্তবায়ন:
দাওয়াত: *ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সাক্ষাতকার* ভ্রাতৃত্ব বন্ধন * সাপ্তাহিক ও মাসিক সভা * বার্ষিক সম্মেলন * সেমিনার-সিম্পোজিয়াম * ওয়াজ ও তাফসীর মাহফিল * আদর্শ পুস্তক পাঠ * পরিচিতি বিতরণ * আলোচনা সভা * রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ * পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী প্রকাশ * যোগাযোগ * দাওয়াতী সফর ইত্যাদি।

তরবিয়ত : * পাঠাগার প্রতিষ্ঠা * শিক্ষা সফর * দৈনিক রুটিন পালন * বিতর্ক সভা * বিশুদ্ধ কিরাত শিক্ষা * প্রশিক্ষণ সভা * সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান * ইসলামী বিশেষ দিনসমূহ উদযাপন * আত্মসমালোচনা * শরীর চর্চা ইত্যাদি।

খিদমতে খালক : * আর্ত-পীড়িতের সেবা ও সাহায্য করা * ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা * সৎকাজের আদেশ দান এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।

শিক্ষা সমস্যা ও এর সংস্কার : * নিরক্ষরতা দূরীকরণ তথা শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা * ইসলামী শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চালানো * ছাত্র কল্যাণ ও ছাত্র সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা * গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য বিশেষ বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা।

সাংগঠনিক কাঠামো :
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ৮টি পরিষদে বিন্যস্ত- ১. প্রাথমিক শাখা ২. আঞ্চলিক শাখা ৩. শহর শাখা ৪. উপজেলা শাখা ৫. জেলা শাখা ৬. নগর/মহানগর শাখা ৭. বিভাগীয় শাখা ৮. কেন্দ্রীয় পরিষদ।

স্তর বিন্যাস :
এ সংগঠনে অন্তর্ভূক্তদের ৪টি স্তর রয়েছে-
প্রাথমিক সদস্য : বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচির প্রতি একমত পোষণ করে প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে যে কোন ছাত্র প্রাথমিক সদস্য হতে পারে।

সদস্য : যদি কোন প্রাথমিক সদস্য নিজের জীবন গঠনের জন্য নিয়মিত দৈনিক রুটিন পালন করেন, সংগঠনের সভাসমূহে উপস্থিত হন এবং সংগঠনের তাহবিলে সাহায্য করেন, তবে তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সদস্য স্তরে উন্নীত করা হবে।

কর্মী : কোন সদস্য যদি সংগঠনের কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হন, আমর বিল মা’রূফ ও নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন এবং সংগঠনের নীতি-আদর্শের পরিপন্থি কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক না রাখেন তবে তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কর্মী স্তরে উন্নীত করা হবে।

কায়িদ : যখন কোন কর্মী আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্ত সুন্নতে নববীর অনুসরণে চারিত্রিক উৎকর্ষতা অর্জন করেন, সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নে জীবনকে কুরবান করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন তখন তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কায়িদ স্তরে উন্নীত করা হবে।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া চায় এমন এক ছাত্র ও যুবসমাজ গড়তে যাদের একমাত্র লক্ষ্য হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অন্তর হবে রাসূল প্রেমে সিক্ত। সাহাবায়ে কিরাম, সলফে সালেহীন ও আইম্মায়ে মুজতাহিদীনের পদাংক অনুসরণই হবে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। তারা ইসলামকে সর্বাবস্থায় প্রকৃত ও আদর্শ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করবে, সর্বপ্রকার প্রলোভন থেকে মক্ত থাকবে এবং তারাই হবে আদর্শের সেনানী।

আসুন, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া’র পতাকা তলে সমবেত হয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টি অর্জনের পথে অগ্রসর হই। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে তাঁর দ্বীনের মহান দায়িত্ব আনজাম দেয়ার তাওফীক দান করুন, আমীন !

তালামীযে ইসলামিয়াকে আরও জানতে হলে পড়ুন
* মর্মকথা * কর্মপদ্ধতি * সাহাবা-ই-কিরাম : মর্যাদা ও মহত্ব * ইসলামী আন্দোলন : দাওয়াত, নেতৃত্ব ও আনুগত্য * নবী করীম (সা.) কি রওদ্বা শরীফে জীবিত * হাদীসে রাসূল (সা.) * মীলাদ শরীফে কিয়াম * শাফায়াত : পরিচিতি ও দলিল * সুবহে সাদিক [ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) স্মারক] * আলোর নিশান (সাংগঠনিক মুখপত্র), মাজহাব মানার প্রয়োজনীয়তা, তারাবিহর নামাজ বিশ রাকাআত।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার ২ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬
23/05/2026

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার ২ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬

ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের দৃঢ়তার সাথে পালন করতে হবে----মাওলানা হু...
22/05/2026

ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের দৃঢ়তার সাথে পালন করতে হবে
----মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ'র সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, তালামীযে ইসলামিয়া একটি মকবুল সংগঠন। এ সংগঠন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ছাত্রসমাজের মধ্যে ইসলামি আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে একঝাঁক মর্দে মুমিন তৈরি করেছে। যারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পূর্ণ ইখলাসের সাথে দ্বীনের খেদমতে আঞ্জাম দিচ্ছে এবং মানুষ তাদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব খুঁজে পাচ্ছে। এ সংগঠন শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তালামীযে ইসলামিয়ার প্রায় অর্ধশতাধিক বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ সংগঠন কখনো লেজুড়বৃত্তিক কাজ করেনি এবং সর্বদা সকল অপশক্তির রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আদর্শের উপর অবিরাম ছুটে চলেছে। এ সংগঠন বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন থেকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা ও বিশ্বাসকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে। এই শিক্ষা তালামীযে ইসলামিয়া আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ রহ. থেকে লাভ করেছে।তাঁর উপর বহু ঝড়-ঝাপটা আসার পরেও কখনো তিনি রাসূল (সা.) এর আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র সরে যাননি; বরং সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও কুরআনে কারীমের বিশুদ্ধ তেলাওয়াত প্রচার করতে গিয়ে এই যমিনে তাঁর শরীরের রক্ত পর্যন্ত ঝরিয়েছেন। দ্বীনের জন্য তাঁর আত্মত্যাগের কারণেই তিনি মুজাদ্দিদে যামান এবং লক্ষ লক্ষ গোলামে মোস্তফার প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ইসলামের সৌন্দর্য তখনই ফুটে উঠবে যখন একজন মুসলমান তার মধ্যে ইসলামের আদর্শকে ধারণ করার মাধ্যমে নিজেকে গর্বিত মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিবে। এরকম প্রকৃত মুসলমান তৈরির কাজই তালামীযে ইসলামিয়া করে থাকে। ইসলামকে অপব্যাখ্যা করে এদেশে বহু ফিতনা সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হয়েছিল, যার মুকাবিলা করে আউলিয়ায়ে কেরামগণ এদেশে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পতাকা উড্ডীন করেছেন। তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের মানুষকে ঈমান ও আমল শিক্ষা দেয়া তথা ইসলামি আদর্শকে তাদের নিকট পৌঁছে দেয়ার এই দায়িত্বকে আরো দৃঢ়তার সাথে পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া নবীগঞ্জ উপজেলা আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২১ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, বৃহস্পতিবার, উপজেলার হাজারি কমিউনিটি সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।

সংগঠনের নবীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি তালুকদার আবুল হায়াত রুহিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান হারুন এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আহমদ, সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম, আমেরিকা আল ইসলাহ'র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রুহান উদ্দিন চৌধুরী, সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ অফিস সম্পাদক মাওলানা লিয়াকত আলী তালুকদার, আনজুমানে আল ইসলাহ'র কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা কাজী এম হাসান আলী, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য মো. সাইদুর রহমান, সিলেট মহানগর সভাপতি হুসাইন আহমদ, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি হোসাইন আহমদ, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি ফয়েজ আহমদ নোমান।

সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা সৈয়দ শাহেদুল ইসলাম, সাবেক সহ সভাপতি জালাল উদ্দীন ধন মিয়া, সাবেক সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম বেলাল, সাবেক সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, নবীগঞ্জ উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা সজ্জাদুর রহমান, লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটি নবীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা কাজী মাহবুব আহমদ, নবীগঞ্জ পৌর আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম ইউসুফ, নবীগঞ্জ উপজেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মিজানুর রহমান, সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলা সহ সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, নবীগঞ্জ পৌর সভাপতি জহুরুল ইসলাম রাহুল, নবীগঞ্জ পৌর শাখার সাবেক সভাপতি শাহ মহসিন আহমদ, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ সভাপতি রিমন আহমেদ খান, নবীগঞ্জ সরকারি কলেজ সভাপতি আফজল হোসেন।

এসময় সংগঠনের নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সর্বস্তরের দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের বিশুদ্ধ ইলম অর্জনের সাথে আখলাকে হাসানায় গুণান্বিত হতে হবে----মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলত...
21/05/2026

তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের বিশুদ্ধ ইলম অর্জনের সাথে আখলাকে হাসানায় গুণান্বিত হতে হবে
----মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ'র সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, আমাদের এই জীবন ক্ষণস্থায়ী কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন স্থায়ী জীবন তথা আখেরাতের জন্য। দুনিয়ার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে আখেরাতের স্থায়ী জীবনে নাজাত অর্জন করাই মুমিনের মূল লক্ষ্য। মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ছাত্রজীবন। কেননা একজন মানুষ ছাত্রজীবনে যে আদর্শ গ্রহণ করে তার উপর সে আমৃত্যু অটল থাকে। এজন্য ছাত্রসমাজ যাতে নবী করীম সা. এর উসওয়ার উপর নিজেদের জীবন পরিচালনা করে সে লক্ষ্যে তালামীযে ইসলামিয়া অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তালামীয এমন এক ছায়াবৃক্ষ, যার ছায়াতলে এসে লক্ষ লক্ষ মানুষ নববী আদর্শে জীবন গঠন করেছে। অতীতে এদেশের ছাত্রদের থেকে ইলম, আমল ও আদব উঠিয়ে নেয়ার বহু পাঁয়তারা করা হয়েছে। ছাত্রদেরকে নববী আদর্শ ছেড়ে ব্যক্তি ইজমের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। ইসলামে ব্যক্তি ইজমের কোনও স্থান নেই। যারাই ইসলামের মধ্যে রাসূল সা. এর আদর্শকে বাদ দিয়ে ব্যক্তি ইজম প্রতিষ্ঠা করেছে তারাই পথভ্রষ্ট হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রজীবনে সঠিক ইলম অর্জনের কোনও বিকল্প নেই। তবে কেউ যদি ইলম অর্জনের সাথে সাথে আখলাকে হাসানাহ অর্জন করতে ব্যর্থ হয়, তখন সে ইলম তার কোনও কাজে আসে না। আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ রহ. অপাত্রে ইলম ক্ষতিকারক বুঝাতে উদাহরণস্বরূপ বলতেন, 'বৃষ্টির পানি বরকতপূর্ণ, এটি যখন ফুলের পাপড়িতে পড়ে সুবাস ছড়ায় আর নাজাসাতের উপর পড়লে দুর্গন্ধ ছড়ায়।' তালামীযে ইসলামিয়া একটি আদর্শবাহী কাফেলা। এ সংগঠনের কর্মীরা বিশুদ্ধ ইলম অর্জন করে আখলাকে হাসানা দ্বারা নিজেদের জীবনকে অলঙ্কৃত করবে। তাঁরা আউলিয়ায়ে কেরাম, সালফে সালেহীনদের দেখানো পথে সঠিক ঈমান ও আকীদা ছাত্রসমাজের নিকট পৌঁছে দিয়ে দ্বীনের প্রহরী হিসেবে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলা আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, বুধবার, উপজেলার ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।

সংগঠনের শান্তিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মো. দিলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তারেক আহমদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন আহমদ এর যৌথ সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মাওলানা আবু তাহির মো. খালিদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী, বুরাইয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম, সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুফতি বেলাল আহমদ, কেন্দ্রীয় সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন কাওছার, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম তালুকদার, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি আবু হেনা মো. ইয়াসিন, সিলেট মহানগর সভাপতি হুসাইন আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা আল ইসলাহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তাজুল, আক্তাপাড়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ময়নুল হক, আমরিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু নছর মো. ইব্রাহিম, সুনামগঞ্জ জেলা আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুস্তাক আহমদ, সংগঠনের সুনামগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা আমিন উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সহ সভাপতি আলী মো. ইউসুফ, সুনামগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ নাঈম।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন- শান্তিগঞ্জ উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা কাজী মফিদুর রহমান, ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ড শান্তিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফিজ শাহ জাহান, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আল ইসলাহ সহ সভাপতি হাফিজ আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তাজ উদ্দিন আহমদ তাজুদ, ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ড শান্তিগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজ শামসুল ইসলাম, সংগঠনের সুনামগঞ্জ জেলা অর্থ সম্পাদক সোহানুর রহমান, সাবেক অর্থ সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমদ হাসান, সাবেক অফিস সম্পাদক মো. শিরন, সহ অফিস সম্পাদক আলি নূর রহমান, ঘোড়াডুম্বুর হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা নূর মোহাম্মদ, সংগঠনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহীন।

এসময় সংগঠনের শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার সর্বস্তরের দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইনে নেতাকর্মীদের সংযম রক্ষার আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহঅনলাইনে নেতাকর্মীদের সংযম রক্ষার আহবান জানিয়েছ...
19/05/2026

অনলাইনে নেতাকর্মীদের সংযম রক্ষার আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ

অনলাইনে নেতাকর্মীদের সংযম রক্ষার আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ। এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা একেএম মনোওর আলী বলেন, সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীকে নিয়ে ভিন্ন ঘরানার কিছু মানুষের সমালোচনার জবাবে সংগঠনের নেতাকর্মীদের লেখা, কমেন্ট ও অনলাইন একিটিভিটি কেন্দ্রীয় পরিষদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এতে আমাদের কারো কারো লেখা ও কার্যক্রমে শালীনতার ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে। আমরা এটিও লক্ষ্য করেছি যে, ভিন্ন ঘরানার অনেকের আলোচনা-সমালোচনাও শালীনতা ও সৌজন্যবোধের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এতদসত্ত্বেও আমাদের কারো লেখা ও কার্যক্রম শালীনতার পরিপন্থি হওয়াটা আমাদের কাম্য নয়। আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.) প্রতিষ্ঠিত আনজুমানে আল ইসলাহ একটি আদর্শবাদী সংগঠন। এটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র, অনলাইন, অফলাইন সকল ক্ষেত্রে ইসলামের প্রকৃত আদর্শ উপস্থাপনের শিক্ষা দেয়। মানুষ হিসাবে দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, পরমতসহিষ্ণুতা এ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অন্যতম আদর্শ। তাই সংগঠনের কর্মীদের অনলাইন-অফলাইন আলোচনা, বক্তব্য-বিবৃতি, কমেন্ট সকল ক্ষেত্রে এ আদর্শের উপর অটল থাকা এবং কারো ব্যক্তিত্ব, সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হানে এমন কথা ও কাজ থেকে দুরে থাকা জরুরী। কেউ সংগঠনের মুহতারাম সভাপতি কিংবা অন্য কারো সমালোচনা করলে পাল্টা সমালোচনায় লিপ্ত না হয়ে নিজেদের সাংগঠনিক কার্যক্রম যথানিয়মে চালিয়ে যাওয়া উচিত। কাজই প্রমাণ করবে কারা হকের উপর প্রতিষ্ঠিত। সংগঠনের মুহতারাম সভাপতি মহোদয়ও নেতাকর্মীদের সর্বক্ষেত্রে সংযম রক্ষার আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনলাইনে যে কোনো বিরূপ আলোচনা-সমালোচনা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সুতরাং সকল নেতাকর্মীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পীর মাশায়েখবৃন্দ সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) আমাদের ঈমানী চেতনা...
15/05/2026

সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পীর মাশায়েখবৃন্দ
সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) আমাদের ঈমানী চেতনার বাতিঘর

আযাদী আন্দোলনের অকুতোভয় সিপাহসালার, ঈমানী চেতনার প্রাণপুরুষ, আমীরুল মু’মিনীন, ইমামুত তরীকত, শহীদে বালাকোট হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর স্মরণে শুক্রবার (১৫ই মে, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে| বালাকোট-চেতনা উজ্জীবন পরিষদের সদস্য সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপমহাদেশে ইসলামের প্রকৃত আকীদা-আদর্শ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে যেসকল মহামনীষী অনন্য অবদান রেখেছেন তাদের অন্যতম সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)| তিনি শরীয়াত ও তরীকতের অপূর্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে উপমহাদেশের মানুষের মধ্যে যে দ্বীনি জাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন নিকট অতীতে তার তুলনা বিরল| তিনি মানুষের তাযকিয়ায়ে নাফস তথা আত্মার পরিশুদ্ধির পাশাপাশি তাদেরকে জিহাদী জযবায় উদ্ধুদ্ধ করেছিলেন| তাই, তিনি এই উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রেরণার উৎস| তিনি আমাদের ঈমানী চেতনার বাতিঘর| তার ঈমানী চেতনা, তাযকিয়া-তাসাউফ ও দ্বীনী আদর্শকে ধারণ করে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা প্রচার-প্রসারে আমাদের কাজ করতে হবে|
বাদেদেওরাইল ফুলতলী কামিল মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা নজমুল হুদা খান, বালাকোট চেতনা উজ্জীবন পরিষদের সদস্য মাওলানা নজীর আহমদ হেলাল ও বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ উদ্দীন তালুকদারের যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক আলহাজ্ব এএমএম বাহাউদ্দীন, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন দৈনিক ইনকিলাবের নিবাহী সম্পাদক মাওলানা কবি রূহুল আমিন খান, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী, ছারছীনা দরবারের প্রতিনিধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. রূহুল আমীন, কদমচালের পীর ছাহেব মাওলানা মো. আবুল কাশেম, কুমিল্লার দারুল আমানের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ মাহমুদ সিদ্দিকী আল কুরেশি, ফেনীর সিরাজিয়া দরবারের পীর ছাহেব মাওলানা মোহাম্মদ মহিব্বুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি মাওলানা আবু নসর জিহাদী, গাজীপুর শামসাবাদের পীর ছাহেব মাওলানা মুফতি মাহবুবুর রহমান, হবিগঞ্জের এখতিয়ারপুরের পীর ছাহেব মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান, কিশোরগঞ্জের আব্দুল আওয়াল দরবারের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ ফজলুল করিম, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিনের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদপুর গাউছিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুফতি এজহারুল হক, সোবহানীঘাট হজরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু সালেহ মো. কুতবুল আলম, দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার প্রধান মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল লতিফ শেখ, মাসিক পরওয়ানার সম্পাদক মাওলানা রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন, ইমাম আযম ফাউন্ডেশন নওগাঁ‘র পরিচালক মুফতি মাওলানা শাহ আলম, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, আন নূর জামে মসজিদ বাসাবোর খতিব মাওলানা মুফতি মনজুর হোসাইন খন্দকার প্রমুখ|
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জের জহুরীয়া দরবারের পীর ছাহেব আলহাজ্ব মো. আজহারুল ইসলাম, সুন্দাদিলের পীর ছাহেব মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদপুর গাউছিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আ ন ম মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম মনোয়ার হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলী রাব্বী রতন, অফিস সম্পাদক জিল্লুর রহমান, ঢাকা মহানগর সভাপতি আতিকুর রহমান বাপ্পী, বিশিষ্ট আলোচক মাওলানা আব্দুল আউয়াল ফয়সল, মাওলানা নূরুল হাসান তাওহীদ, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, ফুলতলী কমপ্লেক্স জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা শাহিদ আহমদ প্রমুখ|
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ সিলেট মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা জিয়াউল ইসলাম মুহিত, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সিলেট মহানগর সভাপতি হোসাইন আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি আবু হেনা মো. ইয়াসিন, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি ফয়েজ আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি জামাল আহমদ, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি হোসাইন আহমদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি জুবেল আহমদ, সিলেট পশ্চিম জেলা সহ-সভাপতি ইমরান আহমদ সুফি, ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাহদি হাসান, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. নাসির উদ্দীন প্রমুখ|

দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক আলহাজ্ব এএমএম বাহাউদ্দিন বলেন, আমাদের দেশ শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশ| যারা এই দেশ শাসন করবেন তাদেরকে এই ৯২ ভাগ মুসলমানের চিন্তা-চেতনাকে বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে হবে| এ দেশের অধিকাংশ মানুষ তাসাউফ পন্থী| তারা রাজনীতির ক্ষেত্রে পীর মাশায়েখদের কথা অনুস্মরণ করে| তাদের কথাও বিবেচনায় রাখতে হবে|

মাওলানা রূহুল আমীন খান বলেন, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর জীবনী যদি আমরা পাঠ করি তাহলে দেখতে পাই যে, তিনি খেদমতে খালক তথা অনাথ, অসহায়, গরীব ও নিঃস্ব মানুষের খেদমত করেছেন, সমাজ থেকে বিদআ'তকে দূরীভূত করার চেষ্টা করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাতকে সর্বক্ষেত্রে জিন্দা করার জন্য সারাজীবন চেষ্টা করেছেন| ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও তিনি এই উপমহাদেশে খেলাফতে আলা মিনহাজুন নবুওয়াত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন| আমরা যারা তাসাউফপন্থী—জৈনপুর, ফুরফুরা, ছারছীনা, ফুলতলী, এমনকি দেওবন্দী ধারাও আমিরুল মু'মিনীন হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর সাথে সম্পর্কিত| তিনি যেসব কাজ ও খেদমত করে গেছেন— গরীব-দুঃখী, অনাথ-অসহায়ের সহযোগিতা— এসব ক্ষেত্রে সাধ্যমত আমরা চেষ্টা করবো| এছাড়া সমাজ থেকে বিদআ'ত উচ্ছেদ এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাতকে সর্বক্ষেত্রে জিন্দা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবো|

মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী বলেন, বালাকোট সম্মেলনের কাজ হলো, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর চেতনাকে জাগিয়ে দেওয়া, পুনরুজ্জীবিত করা। আমরা হযরত হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত নিয়ে যেমন গৌরব করে থাকি, তেমনি হযরত সায়্যিদ আহমদ (র.)-এর শাহাদাত নিয়েও গৌরব করে থাকি। আমাদের সন্তান-পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে।

দারুল আমানের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ মাহমুদ সিদ্দিকী আল কুরেশী বলেন, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) এই উপমহাদেশে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তার ত্যাগ, সংগ্রাম ও চেতনাকে ধারণ করে আমাদেরকেও রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতে হবে।

সফল হোক
12/05/2026

সফল হোক

হযরত শাহজালাল মুজাররদে ইয়ামনী রহ. এর ঈসালে সাওয়াব উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহান...
10/05/2026

হযরত শাহজালাল মুজাররদে ইয়ামনী রহ. এর ঈসালে সাওয়াব উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগরীর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত মাহফিলে সভাপতি হিসেবে নসিহত পেশ করছেন হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হযরত আল্লামা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

০৯ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, শনিবার
সোবহানীঘাট, সিলেট।

উজবেকিস্তানের ইমাম বুখারী (র.) কমপ্লেক্সে বুখারী শরীফের বিশেষ দারস প্রদান করেন উস্তাযুল উলামা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে ...
08/05/2026

উজবেকিস্তানের ইমাম বুখারী (র.) কমপ্লেক্সে বুখারী শরীফের বিশেষ দারস প্রদান করেন উস্তাযুল উলামা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে বরহক হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী।

এতে হযরত বড় ছাহেবের সফরসঙ্গী উলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করেন।

০৩ মে, ২০২৬ ঈসায়ী
সমরকন্দ, উজবেকিস্তান।

ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তালামীযে ইসলামিয়ার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ...
07/05/2026

ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তালামীযে ইসলামিয়ার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), কুষ্টিয়া শাখার উদ্যোগে “সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী রহ. : জীবনসংগ্রাম, আত্মশুদ্ধি ও উত্তরাধিকার” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, বুধবার, বিকাল ২ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁর হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি কাজী আহবাব দস্তগীরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ও অর্থ সম্পাদক সদরুল আমিন সাইম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি জুবায়ের ইসহাক, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, সংগঠনের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক আব্দুল মোমিন।

আলোচনা সভায় “সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (রহ.) : জীবনসংগ্রাম, আত্মশুদ্ধি ও উত্তরাধিকার” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়া। তার প্রবন্ধে সায়্যিদ আহমদ শহীদ (রহ.)-এর তরিকায়ে মুহাম্মাদিয়া আন্দোলন, দাওয়াহ, তাযকিয়া, তাজদীদ ও জিহাদসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।

ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ্যে তালামীযে ইসলামিয়া ডেমরা থানা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা, মীলাদ ও দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত।৬ মে,...
06/05/2026

ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস উপলক্ষ্যে তালামীযে ইসলামিয়া ডেমরা থানা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা, মীলাদ ও দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত।

৬ মে, ২০২৬ ঈসায়ী, বুধবার
পূর্ব বক্সনগর, ডেমরা, ঢাকা

আজ ৬ মে, ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস। হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) এর ১৯৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৮৩১ সালের এই দিনে স্বদেশ, ...
06/05/2026

আজ ৬ মে, ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস। হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) এর ১৯৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।

১৮৩১ সালের এই দিনে স্বদেশ, স্বজাতি ও স্বধর্মের অস্তিত্ব সংরক্ষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে পাঞ্জাবের হাযারা জেলার বালাকোট প্রান্তরে শহীদ হন উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের অগ্রদূত, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সিপাহসালার, ইমামুত তরিকত, আমাদের চেতনার প্রাণপুরুষ হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Anjumane Talamije Islamia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share