Lions Club Dhaka Bravo Bright

Lions Club Dhaka Bravo Bright Lions Club Dhaka Bravo Bright is prestigious club in Bangladesh. It's air to serve the unprivileged people & community of Bangladesh.

The motto of the club is To ''Serve The Creature".

06/10/2024

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন ।
গোপন গুনাহের অভ্যাস মানুষকে ধ্বংস করে:
সমাজে আমরা অনেক মানুষ এমন রয়েছি, যারা বাহিরের সবার কাছে ভালো মানুষ, নিয়মিত নামাজ পড়ি,দ্বীনদার, আল্লাহওয়ালা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। প্রকাশ্যে আমাদেরকে পাপ কাজ করতে দেখা যায় না। কিন্তু গোপনে গোপনে সে নানা ধরনের গুনাহের কাজে লিপ্ত। অনেকে আমরা তো প্রকাশ্যে ভালো মানুষ হলেও গোপনে কবিরা গুনাহ্ করি। যা তার সব ইবাদতকে নষ্ট করে দেয়।
প্রকাশ্য গুনাহের চেয়ে গোপনে করা গুনাহ্ বেশি ভয়াবহ। কারণ, এটা করা জেনে-বুঝে, আয়োজন করে ইচ্ছাকৃতভাবে। যখন কেউ গোপনে গুনাহ্ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় বিদায় নিয়ে নেয়। মোনাজাতে চোখের পানি আসে না। ক্রমান্বয়ে সে ধ্বংস ও অধঃপতনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। অবস্থা কখনও এত ভয়ানক হয় যে, তার ঈমান পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায় এবং ঈমানহীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বর্তমান সময়ে গোপন গুনাহের সরঞ্জাম অনেক বেশি, আর উপকরণগুলোও সহজলভ্য। তাই সমাজের মানুষ দিন দিন গোপন গুনাহে বেশি জড়িয়ে পড়ছে। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া দ্বীনদার শ্রেণির মানুষও বাদ পড়ছে না।
আল্লামা ইবনে জাওজি (রহ:) বলেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও ক্ষতিগ্রস্ত সে, যে মানুষের সামনে ভালো আমল করে, কিন্তু যে মহান সত্তা তার শাহরগ থেকেও অধিক নিকটবর্তী, তার সামনে বদ আমল করে। বলা হয় গোপন গুনাহ ও অবাধ্যতার কারণে মানুষের খারাপ মৃত্যু (অপমৃত্যু) হয়।
সব আল্লাহওয়ালা এ ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, গোপন গুনাহ্ অধঃপতন ও অবনতির প্রধান কারণ।
গোপন গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার উপায়:⤵️
১. আল্লাহতায়ালার কাছে বেশি বেশি কান্নাকাটি করে দোয়া। তিনি যেন তার অবাধ্যতা, নাফরমানি ও সব ধরনের গুনাহ্ থেকে রক্ষা করেন।
*২.* নফস তথা আত্মার সঙ্গে মোজাহাদা (লড়াই) করা, মনের কুমন্ত্রণা দূর করা এবং আল্লাহতায়ালার আনুগত্যের মাধ্যমে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করা।
৩. কিয়ামতের দিন গোপন গুনাহকারীদের আমলসমূহ ধূলিকণার ন্যায় উড়িয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করা।
হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘আমি আমার উম্মতের কিছু মানুষ সম্পর্কে জানি, যারা কিয়ামতের দিন তিহামার (বিখ্যাত পাহাড়) শুভ্র পর্বতমালা সমতুল্য নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু আল্লাহ্ তাআ'লা সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। হযরত সাওবান (রা.) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বললেন, তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতোই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক, যারা একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত কর্মে *(গোপন গুনাহ্)* লিপ্ত হবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২/১৪১৮)
৪. আল্লাহ্ তাআ'লার উপস্থিতির কথা চিন্তা করা। তিনি আমাকে সর্বদা দেখছেন এবং এ ব্যাপারে তাকে ভয় করা। এ প্রসঙ্গে কুরআনে কারীমে ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের ওপর পর্যবেক্ষক। (সূরা নিসা: ১)
৫. গুনাহ্ করার সময় এ কথা চিন্তা করা, কেউ কি দেখলে আমি এমন গুনাহ্ করতে পারতাম? এভাবে নিজের ভেতরের লজ্জাবোধ জাগ্রত করা। এ বিষয়ে হাদীসে ইরশাদ হযেছে, নবী করীম *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, ‘তুমি তোমার পরিবারের কোনো প্রভাবশালী সদস্যকে যেমন লজ্জা পাও, আল্লাহকে (কমপক্ষে) তেমন লজ্জা করো। (মুসনাদুল বাজ্জার: ৭/৮৯)

৬. এ চিন্তা করা, গুনাহরত অবস্থায় যদি আমার মৃত্যু হয় তাহলে কিভাবে আমি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করব? কারণ হাদীসে ইরশাদ হয়েছে, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তিকে (কিয়ামতের দিন) ওই অবস্থায় উঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করেছে। (সহীহ মুসলিম: ৪/২২০৬)
*৭.* আল্লাহ্ তাআ'লার নিয়ামত ও জান্নাতের সুখ-শান্তির কথা স্মরণ করা এবং জাহান্নামের আজাব ও ভয়ানক শাস্তি কল্পনা করা।
গোপন গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকতে একাকি না থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন হযরত উলামায়ে কেরাম গন। সেই সঙ্গে মোবাইল ও ইন্টারনেটের অপব্যবহার থেকে দূরে থাকা। ভালো মানুষের সান্নিধ্যে থাকা, অবসব সময়ে বেশি বেশি *(কুরআন তেলাওয়াত, যিকির-আজকার ও ইসলামি/ইসলাহী বই)* অধিকহারে অধ্যয়ন করা।
আল্লাহ্ তাআ'লা আমাদের অন্তরে তিনার *(মহব্বত ও ভয় জাগ্রত)* রেখে সকল প্রকার গুনাহ্ ত্যাগ করার খুব তাওফীক দান করুন।আমীন..!

01/10/2024

ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম বলেন,
১- মানুষ যখন দুনিয়া নিয়ে ধনী হতে চায়, তুমি তখন আল্লাহকে নিয়ে ধনী হও।
২- মানুষ যখন দুনিয়া নিয়ে খুশি হতে চায় তুমি তখন আল্লাহকে নিয়ে খুশি হও।
৩- মানুষ যখন তাদের বন্ধুদের সঙ্গ নিতে চায় তুমি তখন তোমার সঙ্গকে আল্লাহর সাথে করো।
৪- মানুষ যখন তাদের রাজা-বাদশাদের, পদ পদবীধারীদের সাথে পরিচিত হয়, তাদের নৈকট্য তালাশ করে, যার মাধ্যমে তারা ইয্যত সম্মান, মান-মর্যাদা পেতে চায়, তখন তুমি আল্লাহর সাথে পরিচিত হও, তাঁর ভালোবাসার ভিখারী হও, তুমি তখন সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হতে পারবে।
- আলফাওয়ায়িদ, পৃ. ১১৮।

01/10/2024

কি আশ্চর্য! তুমি ছাড়া আল্লাহর আরও কত কত সৃষ্টি আছে, কিন্তু আল্লাহ ছাড়া তো তোমার আর কোনোই পালনকর্তা নেই। অথচ আল্লাহ তোমার দেখভাল করেন এমনভাবে যেন তুমি ছাড়া তাঁর আর কোনই সৃষ্টি নেই। আর তুমি তাঁর ইবাদত করো এমনভাবে যেন তিনি ছাড়া তোমার আরও অনেক পালনকর্তা আছেন।

01/10/2024

ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এ ২০টি নিয়ম মেনে চলুন। ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন,দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা লাভ করতে সক্ষম হবেন।
-------------------------------

১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।
৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।
১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।
ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।

29/09/2024

একজন নারী যেমন স্বামী পছন্দ করে:
(একটি অসাধারণ লেখা)

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহি.এর ছেলের বিয়ের সব ঠিকঠাক। একদিন সময় করে তিনি পুত্রকে ডেকে পাশে বসালেন। তার সঙ্গে আন্তরিক হলেন। এবং ছেলেকে) বললেন:

ইয়া ওয়ালাদি! (হে আমার ছেলে) তুমি কি সুখী হতে চাও?
ছেলে: নাআম ইয়া আবী! (হ্যা অবশ্যই আব্বাজান)

তাহলে তোমাকে তোমার হবু জীবনসঙ্গিনীর জন্য দশটা বিষয় নিয়ে যেতে হবে।

ছেলে: কী সেগুলো? কোথায় পাওয়া যাবে?
পিতা: তোমাকে কোথাও যেতে হবে না। কিনতেও হবে না। আমার কাছে, তোমার কাছে, সবার কাছেই সেগুলো আছে। সবাই ব্যবহার করতে পারে না, এই যা। তাহলে চলো দেখা যাক, অমূল্য সেই দশটা বিষয় কী?

✍️ প্রথম ও দ্বিতীয়: নারীরা সাধারণত রোমান্টিকতা পছন্দ করে। খুনসুটি রসিকতা পছন্দ করে। ন্যাকামো তাদের স্বভাব। তারা ভালোবাসার স্পষ্ট প্রকাশকে খুবই পছন্দ করে। তুমি একান্তে তোমার স্ত্রীর কাছে এসব প্রকাশে কখনোই কার্পণ্য করবে না। তাকে বেশি বেশি ভালোবাসার কথা বলবে। যদি এসবে কার্পণ্য করো, তাহলে দেখবে কিছুদিন পরই তোমার আর তার মাঝে একটা অদৃশ্য পর্দা ঝুলে গেছে। এরপর দিনদিন পরস্পরের সম্পর্কে শুষ্কতা আসতে শুরু করবে।

✍️ তৃতীয়: নারীরা কঠোর কর্কশ রূঢ় বদমেজাজী রুক্ষস্বভাবের পুরুষকে একদম পছন্দ করে না। তোমার মধ্যে এমন কিছু থেকে থাকলে এখনই ঝেড়ে ফেল। কারণ তারা সুশীল ভদ্র উদার পুরুষ পছন্দ করে। তুমি তার ভালোবাসা অর্জনের জন্য তাকে আশ্বস্ত করার জন্য হলেও গুণগুলো অর্জন করো ৷

✍️ চতুর্থ: এটা খুব ভাল করে মনে রাখবে, তুমি তোমার স্ত্রীকে যেমন পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, পরিপাটি, গোছালো, সুরুচিপূর্ণ, সুগন্ধিময় দেখতে চাও, তোমার স্ত্রীও কিন্তু তোমাকে ঠিক তেমনটাই চায়। তাই সাবধান থাকবে, তার চাহিদা পূরণে যেন, কোনও অবস্থাতেই তোমার পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র অবহেলা না হয়।

✍️ পঞ্চম: ঘর হলো নারীদের রাজ্য। একজন নারী নিজেকে সব সময় সেই রাজ্যের সিংহাসনে আসীন দেখতে খুবই পছন্দ করে। সে কল্পনায়, স্বপ্নে, বাস্তবে এই রাজ্য নিয়ে ভাবে। সাজায়। রচনা করে। খুবই সাবধান থাকবে! কখনোই তোমার স্ত্রীর এই সুখময় রাজত্বকে ভেঙে দিতে যেও না। এমনকি তাকে সিংহাসন থেকে নামিয়ে দেয়ার প্রয়াসও চালাবে না।

✍️ ষষ্ঠ: নারীরা তার স্বামীকে মনেপ্রাণে সর্বান্তঃকরণে প্রবলভাবে স্বামীকে পেতে চায়। তবে পাশাপাশি বাপের বাড়িকেও হারাতে চায় না। হুঁশিয়ার থেকো বাবা! তুমি ভুলেও নিজেকে আর স্ত্রীর পরিবারকে এক পাল্লায় তুলে মাপতে শুরু করে দিওনা। তুমি এ অন্যায় দাবী করে বসো না, হয় আমাকে বেছে নাও, নাহলে তোমার বাবা-মাকে।

তুমি এ বিষয়টা চিন্তাতেও স্থান দিও না। তুমি তাকে এমনটা করতে বাধ্য করলে, সে হয়তো চাপে পড়ে মেনে নিবে। কিন্তু তার মনের গহীনে কোথাও একটা চাপা বোবা কান্না গুমরে মরতে থাকবে। তোমার প্রতি এক ধরনের সুপ্ত অশ্রদ্ধা তার কোমল মনে জেগে উঠবে।

✍️ সপ্তম: তুমি জানো, অনেক শুনেছ এবং পড়েছ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে বাহু (বা পাঁজরের) বাঁকা হাড় থেকে। এই বক্রতা কিন্তু তার দোষ নয়, সৌন্দর্য। তুমি চোখের ভ্রু লক্ষ করে দেখেছো? সেটার সৌন্দর্যটা কোথায়? - বক্রতায়। একদম ঠিক কথা। বক্রতাই ভ্রুকে সুন্দর করে তোলে। ভ্রুটা যদি সোজা হতো, দেখতে সুন্দর লাগতো না। যদি তোমার স্ত্রী কোনও ভুল করে ফেলে, অস্থির হয়ে রেগেমেগে হামলা করে বসো না। উত্তেজিত অবস্থায় তাকে সোজা করতে যেও না, তাহলে অতিরিক্ত চাপে ভেঙে যাবে। আর ভাঙা মানে বুঝই তো, তালাক-বিচ্ছেদ।
👉🏻 অষ্টম: তুমি হাদীসটা পড়োনি?
- কোনটা আব্বাজান?
- ঐ যে, যার ভাবার্থ হলো: নারীদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এমনভাবে যে, তারা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়। তার প্রতি অতীতে কৃত সব সদ্ব্যবহার-সদাচার ভুলে যায়। তুমি যদি তার প্রতি যুগ-যুগান্তরও সুন্দর আচরণ করো, হঠাৎ একদিন কোনক্রমে একটু রূঢ় আচরণ করে ফেলেছো, ব্যস অমনিই সে নাকের জল চোখের জল এক করে বলবে: 'আমি তোমার কাছ থেকে কখনোই ভালো কিছু পাইনি।'

দেখো বাছা! তার এই আচরণে রুষ্ট হয়ো না। তার এই চপল স্বভাবের প্রতিক্রিয়ায় তার প্রতি বিতৃষ্ণা এনো না। তার এই স্বভাবকে তুমি অপছন্দ করলেও, তার মধ্যে তুমি অনেক এমন কিছু পাবে যা তুমি শুধু পছন্দই করো না, বরং জানও লড়িয়ে দিতে পারো।

✍️ নবম: নারীদের শরীর-মনের অবস্থা সবসময় এক রকম থাকে না। এক সময় এক রকম থাকে। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটা সময় তাদের শারীরিক দুর্বলতা থাকে। অনেক সময় মানসিক অস্থিরতাও বিরাজ করে। তাদের এই দুর্বলতা, অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে আল্লাহ তা'আলা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের নামায মাফ করে দিয়েছেন। রোযাকে পিছিয়ে দিয়েছেন, তার স্বাস্থ্য ও মেজাজ ঠিক হওয়া পর্যন্ত । তুমি তো রাব্বে কারীমের বান্দা। তুমিও তোমার রবের গুণে গুণান্বিত হও। রব্বানী হও। তুমি তোমার স্ত্রীর দুর্বল মুহূর্তগুলোতে তার প্রতি কোমল হবে। তোমার আব্দার আবেগ শরমে রেখো। তোমার রবও খুশি হবেন, তোমার রাব্বাহও খুশি হবে। কৃতজ্ঞ হবে।

✍️ দশম: সবসময় মনে রেখো, তোমার স্ত্রী তোমার কাছে অনেকটা দায়বদ্ধ, বিভিন্নভাবে তোমার মুখাপেক্ষী। তোমার সুন্দর আচরণের কাঙাল। তুমি তার প্রতি যত্নবান হবে। তার প্রতি অনেক বেশি মনোযোগ দিবে। তাকে আপন করে নিবে। তাহলে সে তোমার জন্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হবে। তাকে অনুপম সঙ্গী হিসেবে পাবে।

লেখা: হাম্বলী মাযহাবের প্রবর্তক ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রহিমাহুল্লাহ।

29/09/2024

ইবনু কাসির (রহ.) বলেন,

"যে ব্যক্তি নিজের দোষ সম্পর্কে জানে না, সে হলো বোকা!"

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, "আপনার দোষ কী?"

তিনি বললেন, "আমি বেশি কথা বলি এটা আমার দোষ।"

[আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩/১২৬]

27/09/2024

রাসুল আমার ভালোবাসা,
রাসুল আমার আলোআশা
রাসুল আমার প্রেম বিরহের মুল আলোচনা,
রাসুল আমার কাজে কর্মের অনুপ্রেরণা।❤️❤️❤️

05/08/2024

"ভয় পেয়ো না! আমি তোমাদের সাথেই আছি। আমি সব শুনি এবং দেখি'
- (সুরা ত-হা, আয়াত : ৪৬)

05/08/2024

🤲
🇧🇩
رَبِّ اجْعَلْ هَٰذَا الْبَلَدَ آمِنًا

29/06/2024

বিচ্ছেদ হোক সকল পা'পের সাথে,
সম্পর্ক হোক মহান রবের সাথে।

01/06/2024

সুখী ও আনন্দময় জীবনের জন্য কতিপয় করণীয় বিষয়
▬▬▬▬◖◯◗▬▬▬▬
◈ ১. ঈমান ও সৎকর্ম দ্বারা জীবনকে সজ্জিত করা এবং পাপাচার থেকে দূরে থাকা।
◈ ২. সর্বদা তওবা-ইস্তিগফার করা এবং প্রয়োজনীয় দুয়া ও জিকিরগুলো পাঠ করা।
◈ ৩. ইলম (শরীয়তের জ্ঞান) চর্চা করা। ইলম ছাড়া আমল (কর্ম) গোমরাহির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
◈ ৪. মানুষের উপকার করা ও দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা। সে ব্যক্তিই সর্বাধিক সেরা যে অন্যের উপকার করে।
◈ ৫. বিপদাপদ ও সংকটে মনে সাহস বজায় রাখা।
◈ ৬. বিপদাপদ ও সংকটে ধৈর্য ধারণ করা। মনে রাখতে হবে, কোন কিছুই আল্লাহর সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে সংঘটিত হয় না।
◈ ৭. হিংসা, বিদ্বেষ ও প্রতিশোধ পরায়ণতা থেকে মনকে পরিচ্ছন্ন রাখা।
◈ ৮. সৎলোকদের সাথে বন্ধুত্ব রাখা ও অসৎ লোকদের সংস্রব বর্জন করা।
◈ ৯. জীবন ক্ষণস্থায়ী। সুতরাং এটিকে বেদনা, কষ্ট, হতাশা দিয়ে ভরে না ফেলে আনন্দময় করে তুলুন। আল্লাহর উপর পরম নির্ভরতা জীবনকে সহজ করে দিবে।
◈ ১০. বৈধ পন্থায় চিত্ত বিনোদন করুন। স্ত্রী-পরিবারের সাথে সময় কাটান। হারাম পন্থায় প্রকৃত সুখ নেই। আল্লাহর অসন্তুষ্টি জীবনকে বিষাদময় করে তুলে।
◈ ১১. বেশি কথা, বেশি ঘুম, বেশি খাওয়া এবং মনে যা চায় তাই দেখা পরিহার করা। মধ্যম পন্থা অবলম্বন শরীর ও মন উভয়ের জন্য উপকারী।
◈ ১২. অতিলোভে দু:শ্চিন্তা বৃদ্ধি পায়। অল্পে তুষ্ট ও মিত ব্যয়ী জীবন অনেক তৃপ্তিময়।
◈ ১৩. পরিচ্ছন্ন পোশাক, সুগন্ধি আর মেদ হীন শরীর জীবনের আনন্দ উপভোগ করতে সহায়ক।
◈ ১৪. আপনার জন্য যে কাজটি উপযুক্ত সে কাজটি করুন।
◈ ১৫. কর্ম ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে করুন। সকল কাজ সাজিয়ে-গুছিয়ে সুচারু রূপে সম্পন্ন করার চেষ্টা করুন। আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখবেন না। অন্যথায় এগুলো আপনার মাথায় দু:শ্চিন্তা বোঝা হয়ে থাকবে।
(ড.আয়েয আল কারনী’র লেখা ‘হাদায়েক’ গ্রন্থের ছায়া অবলম্বনে)
▬▬▬▬◖◯◗▬▬▬▬
অনুবাদ ও গ্রন্থনায়:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

Address

Shahera Tropical Centre
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:30
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:30
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801713033307

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lions Club Dhaka Bravo Bright posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Lions Club Dhaka Bravo Bright:

Share