JAAGO Foundation

JAAGO Foundation JAAGO Foundation aims for the betterment of the nation by catering for the educational needs of a child

JAAGO Foundation utilizes the immense youth potential and energy present in Bangladesh to help the impoverished community.

শিশুদের হাম থেকে সুরক্ষায় টিকার কোনো বিকল্প নেই।দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা...
20/04/2026

শিশুদের হাম থেকে সুরক্ষায় টিকার কোনো বিকল্প নেই।

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। আপনার ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে নিকটস্থ ইপিআই কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে এক ডোজ টিকা নিশ্চিত করুন।

নিজে সচেতন থাকুন, অন্যদেরও সচেতন করুন। মনে রাখুন, আজকের সচেতনতাই আগামীর নিরাপত্তা।

20/04/2026

জাগো স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে আজ দায়িত্ব আর ভালোবাসা দিয়ে পথ দেখানো একজন কমিউনিটি অফিসার—মাহমুদা!

মাহমুদার বেড়ে ওঠার গল্পটা আর দশটা শিশুর মতো না। বাবা বেঁচে থাকলেও ছোট থেকেই বাবাকে কাছে পায়নি সে। অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চালাতেন মা। পরিবারের হাল ধরতে অল্প বয়সেই স্কুল ছাড়তে হয় ওর বড় ভাইয়ের, একটি হোটেলে কাজ শুরু করে সে।

এই বাস্তবতার মাঝেই ২০০৯ সালে জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে ভর্তি হয় মাহমুদা। ওর মা বলেন, "জাগোতে বিনামূল্যে লেখাপড়া করার সুযোগ না থাকলে হয়তো আমার মেয়েকে কখনো স্কুলেই পাঠাতে পারতাম না।"

সকল প্রতিবন্ধকতার মাঝেও নিয়মিত স্কুলে আসতো মাহমুদা, মন দিয়ে পড়াশোনা করতো এবং স্বপ্ন দেখতো একদিন সেও ভাইয়ের মতো পরিবারের পাশে দাঁড়াবে।

আর্থিক টানাপোড়েনে একসময় ওর পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা গ্রামে চলে যাবে। কিন্তু বাধা দেন মাহমুদার শিক্ষকরা, পরিবারকে বুঝান যে কেনো ওর লেখাপড়া অব্যাহত রাখা জরুরী। স্কুল ছুটে না মাহমুদার, শিক্ষার শক্তিতে বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যায় সে। অবশেষে ২০১৮ সালে সফলভাবে এসএসসি পাস করে সে। এরপর পাশ করে কলেজ।

আজ মাহমুদা জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলেই কমিউনিটি অফিসার হিসেবে কাজ করছে। একসময় যে স্কুল তাকে ভালোবাসা আর যত্ন দিয়ে বড় করেছে, এখন সেই জাগোতেই নতুন প্রজন্মের শিশুদের পাশে দাঁড়াচ্ছে সে। শিশুদের, বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া কমাতে এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বাল্য বিবাহ রোধে কাজ করছে মাহমুদা। ও চায়, ও নিজে যেমন লেখাপড়া করে স্বাবলম্বী হয়েছে, সব মেয়েরাই যেন এই সুযোগটা পায়।

১৯ বছরের যাত্রায় মাহমুদার মতো গল্পগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সুযোগ পেলে, আর স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে কেউ পাশে থাকলে, কঠিন পথও একদিন আলোর দিকে নিয়ে যায়।

19/04/2026

একটি ডোনেশন, একটি স্বপ্ন।

আপনার ছোট অবদানেই গড়ে উঠতে পারে
JAAGO Foundation-এর শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।

Pathao Pay x JAAGO Foundation

17/04/2026

স্কুলে যাওয়ার অনিশ্চয়তা থেকে আজ শিক্ষা ও দক্ষতার গুণে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী সুমি, পাশে দাঁড়িয়েছে পরিবারের।

ছোটবেলা থেকেই সুমির জীবনে ছিল সীমাবদ্ধতা আর সংগ্রাম। সুমির বাবা একজন সিকিউরিটি গার্ড এবং মা গৃহিণী। বাবার একার আয়ে পুরো সংসারের খরচ চালানো, ঘর ভাড়া দেওয়া, সব মিলিয়ে প্রতিদিনই ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। এমন বাস্তবতায় সুমির স্কুলে যাওয়ার সুযোগই ছিল একসময় অনিশ্চিত।

২০১১ সালে জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ পায় সুমি, অন্ধকার জীবনে ছড়িয়ে পড়ে আশার আলো। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন এক পথচলা—স্বপ্ন দেখার, আর সেই স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার। প্রতিকূলতা ছিল, কিন্তু সুমি থামেনি। নিজের কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল আর মেধা দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে সে।

তার এই যাত্রার একটি বড় মাইলফলক আসে ২০২৩ সালে, যখন সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে SSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পায় সুমি। লেখাপড়ার পাশাপাশি বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ কর্মরত আছে সে, বাবার সাথে ভাগ করে নিচ্ছে পরিবারের দায়িত্ব।

নিজের এবং পরিবারের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে সুমি, আর সুমির মতো অসংখ্য শিশুর স্বপ্নের একটি ছোট্ট অংশ হতে পারাই আমাদের প্রচেষ্টার সার্থকতা।

16/04/2026

জাগো স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে বর্তমানে জাগোরই একজন স্পন্সর অভিভাবক তানভির।

একসময় শিক্ষা লাভের যে সুযোগ বদলে দেয় তাঁর জীবন, ঠিক সেই সুযোগই আরেকজন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য নিশ্চিত করতে তানভিরের এই প্রচেষ্টা।

তানভিরের জীবনের শুরুর অধ্যায়টা সহজ ছিল না। অভাবের সংসার, বাবার একার সংগ্রাম, আর দুই ভাইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে বাস্তবতা ছিল কঠিন। রায়ের বাজার ব্রাঞ্চের পাশের ছোট্ট ভাড়া বাসা থেকেই প্রথম জাগো স্কুল সম্পর্কে জানা, আর সেখান থেকেই শুরু এক আশার গল্প।

জাগো ফাউন্ডেশনে বিনামূল্যে লেখাপড়া করার সুযোগ তানভিরের জীবনে এনে দেয় বড় পরিবর্তন। মায়ের হাত ধরে জাগোতে ভর্তি হওয়ার সেই দিনটি হয়ে ওঠে তার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এখানে সে শুধু পড়াশোনা শেখেনি—শিখেছে স্বপ্ন দেখতে, আর সেই স্বপ্নকে সত্যি করার সাহস অর্জন করতে।

এই পথচলায় ধীরে ধীরে সে পেরিয়েছে PSC, JSC, এবং ২০১৮ সালে সম্পন্ন করেছে SSC। এরপর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে সে।

তানভির বলে, "জাগোর প্রতিষ্ঠাতা, আমাদের করভী স্যারের একটি স্বপ্ন ছিল, যে একদিন এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাই নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে আবার ফিরে আসবে, নতুন প্রজন্মের পাশে দাঁড়াতে। আজ আমি সেই স্বপ্নের অংশ। এটা আমার জন্য অনেক গর্বের বিষয়।"

তানভিরের কাছে জাগো শুধু ওর স্কুল নয়, একটি দ্বিতীয় পরিবার। তাই কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা নিয়ে তানভির আজও জাগোর সাথে আছে এবং পাশে আছে আরেকজন শিশুর স্বপ্নপূরণের।

পহেলা বৈশাখে, নববর্ষ উৎযাপন আর জাগোর ১৯ বছর পূর্তিতে আমাদের স্কুলগুলোতে ছিল উৎসবের আমেজ। আমাদের শিক্ষার্থীদের আনন্দ আর ব...
15/04/2026

পহেলা বৈশাখে, নববর্ষ উৎযাপন আর জাগোর ১৯ বছর পূর্তিতে আমাদের স্কুলগুলোতে ছিল উৎসবের আমেজ। আমাদের শিক্ষার্থীদের আনন্দ আর বৈশাখী সাজে রঙিন হয়ে উঠেছিল স্কুলের চারপাশ।

আমাদের এই দীর্ঘ পথচলার সারথি হওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। নতুন বছরে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাক আমাদের আগামীর স্বপ্নগুলো। শুভ নববর্ষ!

#নববর্ষ #বৈশাখ

15/04/2026

জাগো স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে এখন জাগো স্কুলেরই শিক্ষক-লিলি!

১৯ বছর আগে ছোট্ট লিলি, বড় স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করে জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে। সীমিত আয়ের পরিবার থেকে আসা লিলির শিক্ষা লাভের সুযোগ ছিল সীমিত, কিন্তু আর দশটি শিশুর মতোই ওর সম্ভাবনা ছিল সীমাহীন। এরপর জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ পায় সে। শুরু হয় ওর দিন বদলের যাত্রা। পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু শেখার আগ্রহটা ছিল দৃঢ়। জীবনের কঠিন বাস্তবতার সাথে লড়াই করেই ২০১৮ সালে এসএসসি পাস করে লিলি।

এরপর সে ভর্তি হয় Daffodil Polytechnic Institute-এ এবং আর্কিটেকচার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে। শিক্ষা ও দক্ষতার গুণে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে লিলি। কিন্তু লিলির গল্পটা এখানেই থেমে থাকেনি।

একসময় যে জায়গা থেকে তার নতুন জীবনের শুরু, সেখানেই আবার ফিরে আসে সে—এইবার একজন শিক্ষক হয়ে। বর্তমানে জাগো স্কুলেই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াচ্ছে লিলি, তাদের স্বপ্ন দেখতে শেখাচ্ছে, ঠিক যেভাবে একদিন কেউ তাকে শিখিয়েছিল। কারণ ও বিশ্বাস করে, মানসম্মত শিক্ষা যেভাবে তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে, ঠিক সেভাবেই বদলাতে পারে হাজারো শিশুর জীবন।

যে প্রতিষ্ঠান তাকে গড়ে তুলেছে, সেখানে ফিরে কাজ করতে পারাটা তার জন্য গর্বের। আর আমাদের ১৯ বছরের যাত্রায় অন্যতম বড় পাওয়া।

19 years ago, JAAGO began as a small dream. Today, it has grown into a shared journey, one that continues to work toward...
13/04/2026

19 years ago, JAAGO began as a small dream. Today, it has grown into a shared journey, one that continues to work towards a more equitable future, where every person has access to education, skills, and opportunities.

Over the years, JAAGO has reached all 64 districts of Bangladesh. Together, we made education accessible for thousands of children from remote and underserved communities, supported over a thousand girls in continuing their higher education through scholarships, empowered women build skills for economic participation, took a stand against child marriage, challenged harmful gender-stereotypes, encouraged civic awareness and active citizenship among a million youth and built a network of young changemakers working together to drive positive social change across the nation.

But these milestones do not belong to us alone.

They belong to every child who chose to believe in their potential despite the odds, every woman who stepped forward to shape her own path, every young person striving to make a difference, and every community member who placed their trust in this journey.

Thank you for being part of these 19 years.
For your trust, your support, and for walking this path with us—every step of the way.

13/04/2026

We were delighted to welcome Touhida Tasnima, PhD, Associate Professor & Chairperson of the Department of Social Relations, East-West University, to our Banani school—this time with 41 bright and enthusiastic students as part of their fieldwork journey.

The day turned into a beautiful mix of creativity, fun, and meaningful learning. From playful activities to bursts of laughter, every moment reflected the magic that happens when learning meets care and compassion. We are truly grateful to Touhida Apa for this inspiring visit.

Here’s to more days where learning feels this joyful, and connection feels this real!

আমাদের মাদারীপুর শাখার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আকাশ। আকাশের জীবনের গল্পটা আর পাঁচটা সাধারণ কিশোরের মতো নয়। যখন তার বয়সী...
10/04/2026

আমাদের মাদারীপুর শাখার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আকাশ। আকাশের জীবনের গল্পটা আর পাঁচটা সাধারণ কিশোরের মতো নয়। যখন তার বয়সী অন্য ছেলেরা অবসরে খেলার মাঠে সময় কাটায়, আকাশ তখন তার বাবার পাশে দাঁড়িয়ে সংসারের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করে। তার বাবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারেন না। মা আমাদের স্কুলেরই ‘স্কুল সাপোর্ট’ হিসেবে কাজ করে পরিবার চালাচ্ছেন।

রিসেপশন ক্লাস থেকে আমাদের সাথে আকাশের পথচলা শুরু। অভাবের সংসারে যখন পড়াশোনা বিলাসিতা মনে হতে পারত, তখনও আকাশ দমে যায়নি। বরং দিনের শেষে পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়েছে।

আকাশের চোখে আজ আগামীর স্বপ্ন। আকাশ বড় হয়ে একজন সফল ব্যবসায়ী হয়ে মা-বাবার মুখের হাসি ফিরিয়ে আনতে চায়। জাগো ফাউন্ডেশন স্কুল তার এই দীর্ঘ পথচলায় কেবল শিক্ষার আলো নয়, বরং এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা হয়ে আছে।

জাগোর স্পন্সর এ চাইল্ড প্রোগ্রামের মাধ্যমে আকাশের মতো একজন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিতে পারেন আপনিও। আপনার সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একটি শিশুর স্বপ্নপূরণের শক্তি।

একজন শিশুর লেখাপড়া স্পনসর করতে ভিজিট করুন: https://jaago.com.bd/sponsor-a-child

*চাইল্ড সেফগার্ডিং পলিসির আওতায় শিশুর নাম, ছবি বা উভয়ই পরিবর্তন করা হয়েছে।

Your kindness has the power to change a destiny. Sponsor a child’s education through JAAGO for 2,500 BDT via Pathao Pay ...
09/04/2026

Your kindness has the power to change a destiny. Sponsor a child’s education through JAAGO for 2,500 BDT via Pathao Pay today. Every time you donate, Pathao also contributes a portion, supporting the education of underprivileged children and helping them continue their learning journey.

T&C apply.

Pathao | Here With You

Address

House #57, Road #7B, Block #H, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801766666654

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JAAGO Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to JAAGO Foundation:

Share