10/07/2026
জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে ক্লাস টু-তে পড়ে তন্বী। পরিবারের সম্বল বলতে আছে বাবার একটি টুকরি। প্রতিদিন গ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে শাকসবজি কিনে সেগুলো বাজারে বিক্রি করেন বাবা। আয় খুব বেশি না, দৈনিক ২০০-৩০০ টাকা, যা দিয়ে চালাতে হয় পাঁচ সদস্যের পরিবারের সমস্ত খরচ। নিজে বেশিদূর লেখাপড়া করতে না পারলেও তিনি চান, মেয়ে লেখাপড়া করুক। তাই যখন এলাকার এক শিক্ষকের মাধ্যমে জানতে পারেন, জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে আর্থিক সীমাবদ্ধতার পরিবার থেকে আসা শিশুদের বিনামূল্যে পড়ানো হয়, তখন তন্বীকে জাগো স্কুলে ভর্তি করান।
রোজ বিকেলে নিজেই মেয়েকে নিয়ে বসেন স্কুলের হোমওয়ার্ক করাতে। প্যারেন্ট-টিচার মিটিংয়ে মন দিয়ে শোনেন তন্বীর অগ্রগতি সম্পর্কে। তন্বী যখন ইংরেজিতে কথা বলে, গর্বে বাবার মুখ উজ্জ্বল হয়ে যায়। তিনি বলেন, "প্রাইভেট স্কুলের বাচ্চাদের মতো করে আমার মেয়ে কথা বলে, আমার খুব ভালো লাগে। আমি চাই, ও বড় হয়ে ডাক্তার হোক।"
বাবার স্বপ্ন পূরণে মন দিয়ে লেখাপড়া করে যাচ্ছে তন্বী। আর এই যাত্রায় ওর পাশে আছেন ওর স্পন্সর অভিভাবক, যিনি মাসে ২৫০০ টাকা অনুদানের মাধ্যমে দায়িত্ব নিয়েছেন ওর লেখাপড়ার খরচের।
তন্বীর মতো অনেক শিশু এখনও অপেক্ষায় আছে একটি সুযোগের, একজন স্পন্সর অভিভাবকের—যিনি ওর স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়াবেন। আর এই একজন হতে পারেন আপনিও।
জাগোর স্পন্সর এ চাইল্ড প্রোগ্রামের সাথে দায়িত্ব নিন একজন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর লেখাপড়ার।
একজন শিশুকে স্পন্সর করতে ভিজিট করুন: https://jaago.com.bd/sponsor-a-child
*চাইল্ড সেফগার্ডিং পলিসির আওতায় শিশুর নাম, ছবি বা উভয়ই পরিবর্তন করা হয়েছে।