COAST Foundation

COAST Foundation Striving for a world of equity, justice and free from poverty where human rights and democracy are the common cultures.

Good health and good mind We should integrate the mental and physical labour. For this why we should take slight exercise. To keep mind fresh we should create comfortable work environment. We will also integrate among the personal and organizational plan. Global knowledge and continuous training Though we are working with a specific matter but our knowledge should be updated and we will keep ourse

lves in a process of continuous training. We should have regular review and planning We should review our daily work in a quite and calm place and time and we should identify the learning points and we will note down them. As per those learning we will make plan for the next day. Courtesy and Personality Our courtesy will take care of to others feelings and our knowledge, approach, cleanliness and good dress will reflect our personality. Advance Information and Pre-preparedness If we want to get others appointment, if we want to give message to others then those should be done before seven days of starting. Not only that is any body wants to participate and workshop, meeting etc s/he should take preparation through brain storming process. Supportive Supervision and staff training We will continue our supportive supervision to the colleagues. Our success will not only depend on our work but also the work of colleagues. We always keep the environment so that staff can learn something from the process. Communication Initiatives According to our minimum ability we will keep our communication with our relatives and friends. We will not block our communication if we not in any major problem. We will also continuous our communication with our well-wishers. Good Behavior but strict in Principle We will strict to hold the organizational principle but our behavior will be mild to others. For the sake of organization we will control our emotion, anger.

19/06/2026

বিশ্ব শরণার্থী দিবস প্রতি বছর ২০ জুন জাতিসংঘের উদ্যোগে পালিত হয়। শরণার্থীদের অধিকার, সংগ্রাম ও মানবিক মর্যাদার প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের দুর্দশা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ দিবসের মূল লক্ষ্য।

২০১৭ সালে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আসার পর থেকেই কোস্ট ফাউন্ডেশন ও সিসিএনএফ প্রতি বছর তাদের সুরক্ষা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মানববন্ধন, আলোচনা সভা, সেমিনার ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে আসছে। রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও মায়ানমারে ফেরত যাবার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করার জন্যও স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সভা- সেমিনার অব্যাহত রেখেছে।একইসঙ্গে কোস্ট ফাউন্ডেশনের কমিউনিটি রেডিও ‘রেডিও সৈকত’ও এ দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে থাকে। ২০২৬ সালেও আমারা এই দিবসটি পালন করছি। এখানে আমাদের কর্মসূচির অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো-
World Refugee Day is celebrated every year on June 20 under the initiative of the United Nations. The main goal of this day is to respect the rights, struggles and human dignity of refugees and to raise awareness about their plight.

Since the arrival of the Rohingya in Bangladesh in 2017, COAST Foundation and CCNF have been observing the day every year through human chains, discussions, seminars and public awareness programs to establish their protection and dignity. They have also continued to hold meetings and seminars at local, national and international levels to create a dignified life for the Rohingya and a suitable environment for their return to Myanmar. At the same time, COAST Foundation's community radio 'Radio Saikat' also broadcasts special programs on the occasion of this day. In 2026, we are also observing the day. Here we share some of our activities for you.
, , COAST Foundation, IOM - UN Migration, , , , ,

17/06/2026

গত ১৪ জুন ২০২৬ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং ইক্যুইটিবিডি আয়োজিত “জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ ও জলবায়ু বরাদ্দ: উপকূলীয় সুরক্ষার অগ্রাধিকার কতটা?” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা জলবায়ু অভিযোজন ও উপকূলীয় সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানান।

আরডিআরএস বাংলাদেশ-এর পরিচালক জনাব তারেক সায়েদ হারুন উল্লেখ করেন যে, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে [GDP] প্রায় ২২% অবদান রাখে এবং দেশের প্রায় ৮৪% জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। তবুও এ খাতটি এখনো যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি এবং একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো যদি আরও নমনীয় নীতি ও নিয়ন্ত্রণ-কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে, তবে ভবিষ্যতে এ খাত অর্থনীতিতে আরও ভালোভাবে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

সৈয়দ আমিনুল হক মত প্রকাশ করেন যে, MFI সমূহ (Micro Finance Institutions) দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য ব্যাংকের CIB (Credit Information Bureau)-তে প্রবেশাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের মোকাবিলায় ব্যাংক ও এমএফআই উভয়ের জন্য একটি অভিন্ন নীতি ও ব্যবস্থা প্রণয়নের আহ্বান জানান এবং CIB’র তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জনাব মো. মোশাররফ হোসেন [MF Specialist] বলেন যে, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হ্রাসে কার্যকরভাবে কাজ করছে এমন খাতগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম অন্যতম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ খাতে MFI সমূহের বিনিয়োগের তুলনায় সরকারি বাজেটের ও বিনিয়োগ বরাদ্দ খুবই সীমিত এবং এর সুফলও পর্যাপ্তভাবে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছায় না।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষি খাতের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে দুটি কাজ হবে। একদিকে খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে মানুষের আয়ও বাড়বে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি মাইক্রোফাইন্যান্স খাতের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যাতে এই খাত আরও কার্যকরভাবে জীবিনযাত্রার উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব হ্রাসে অবদান রাখতে পারে।

16/06/2026

গত ১৪ জুন ২০২৬ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং ইক্যুইটিবিডি আয়োজিত “জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ ও জলবায়ু বরাদ্দ: উপকূলীয় সুরক্ষার অগ্রাধিকার কতটা?” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা জলবায়ু অভিযোজন ও উপকূলীয় সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানান।

তারা বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে জলবায়ু বাজেট জিডিপির মাত্র ০.৭৬ শতাংশ, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত কম। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), এনডিসি (NDC) এবং ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রতিবছর ২৪.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হলেও বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ৪.২৪ বিলিয়ন ডলার। ফলে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কার্যকর অভিযোজন নিশ্চিত করতে জিডিপির অন্তত ৩ শতাংশ জলবায়ু খাতে বরাদ্দের আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধান জলবায়ু চ্যালেঞ্জ হলো অভিযোজন, যার সঙ্গে পানি ব্যবস্থাপনা নিবিড়ভাবে যুক্ত। এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি—দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও উপকূলীয় সুরক্ষায় পানি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং নিরাপদ মিঠাপানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন, লবণাক্ততাপ্রবণ এলাকায় ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন, পাইপলাইনে নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে পুকুর-জলাশয় পুনঃখননের সুপারিশ করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণ জীববৈচিত্র্য রক্ষা, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh Climate Justice Resilience Fund

16/06/2026

গত ১৪ই জুন ২০২৬ তারিখে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে EquityBD(https://equitybd.net/) উদ্যোগে জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ও জলবায়ু অর্থায়ন: টেকসই উপকূলীয় সুরক্ষার অগ্রাধিকার কতটা? শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, সভায় জলবায়ু সংকটের পাশাপাশি বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১৮% বৃদ্ধি করা হলেও করের আওতা সম্প্রসারণের পরিবর্তে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বাংলাদেশে এখনও অনানুষ্ঠানিক খাতের ৬০ শতাংশেরও বেশি আয় করের আওতার বাইরে। অথচ বেতনভোগী ও নিয়মিত করদাতারাই সবচেয়ে বেশি নজরদারি ও চাপের মুখে পড়েন। করের ভিত্তি সম্প্রসারণের বদলে সীমিত সংখ্যক করদাতার ওপর অতিরিক্ত চাপ দিলে মধ্যবিত্ত শ্রেণিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

একদিকে ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতা দরিদ্র কৃষকদের জন্য ব্যাংক হিসাব ও কর-সংক্রান্ত নতুন বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে মধ্যবিত্তের সঞ্চয়ের ওপর বাড়তি কর—এসব নীতির প্রভাব গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
কর দিতে জনগণের আপত্তি নেই; কিন্তু তারা জানতে চায়—বৃদ্ধ বয়সে, দুর্দিনে বা আয় কমে গেলে রাষ্ট্র তাদের জন্য কী ধরনের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে?

On 14 June 2026, EquityBD organized a seminar titled “National Budget 2026–27 and Climate Finance: How Much Priority for Sustainable Coastal Protection?” at the CIRDAP Auditorium in Dhaka. Speakers expressed concern that while the proposed budget aims to increase revenue collection by nearly 18%, the burden may fall mainly on existing taxpayers rather than through broadening the tax base.

With over 60% of income in Bangladesh’s informal sector remaining outside the tax net, salaried employees and regular taxpayers continue to bear the greatest compliance burden. At the same time, new banking and tax requirements for microcredit borrowers and higher taxes on middle-class savings could further increase pressure on vulnerable and middle-income groups.
Citizens are willing to pay taxes, but they also expect meaningful social protection, healthcare, and income security during old age, hardship, or periods of reduced earnings.

“সাফল্যের চার বছর: উন্নয়ন ও প্রযুক্তির অঙ্গীকার নিয়ে পঞ্চম বছরে পদার্পণ করলো রেডিও সৈকত”গত ১ জুন কমিউনিটি রেডিও ‘রেডিও স...
15/06/2026

“সাফল্যের চার বছর: উন্নয়ন ও প্রযুক্তির অঙ্গীকার নিয়ে পঞ্চম বছরে পদার্পণ করলো রেডিও সৈকত”

গত ১ জুন কমিউনিটি রেডিও ‘রেডিও সৈকত’ চার বছর পূর্ণ করে পঞ্চম বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে ১৫ জুন বিকেল ৩টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অরুণোদয় স্কুলের হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
তিনি বলেন, সমাজে সম্প্রীতি বজায় থাকলে এবং আমরা প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হলে পরিবেশের ভারসাম্য স্বাভাবিকভাবেই ফিরে আসবে। ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরো বলেন, অন্যদের সচেতন করার আগে নিজেদের সচেতন হওয়া জরুরি। নীতি ও অনুশাসন মেনে চললে সমাজের অধিকাংশ সমস্যাই কমে আসবে। মাদক ও মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধ নির্মূলে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দায় না চাপিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান এমপি কাজল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) দেবদূত মজুমদার।
তিনি বলেন, “রেডিও মানুষের আবেগ ও আস্থার একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যার প্রধান শক্তিই হলো তথ্য প্রচার ও জনসচেতনতা সৃষ্টি। কক্সবাজারের বিভিন্ন সমস্যা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করে জনগণকে সচেতন করতে পারলে এই রেডিওর গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজারের উপআঞ্চলিক পরিচালক আবু সাইদ মো. নাজমুল হাসান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, শিক্ষাবিদ অজিত দাস, সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিমেল রায়, ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক পারভেজ আহমেদ, সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান, কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমীর সভাপতি মুহম্মদ নূরুল ইসলাম, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু, কক্সবাজার জেলা এনসিপি সদস্য সচিব মো. ওমর ফারুক, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ও সিবিএন এর বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, কক্সবাজার উইমেন অব কমার্স এর সভাপতি জাহানারা ইসলাম, চ্যানেল আই প্রতিনিধি সরওয়ার আজম মানিক, এটিএন বাংলা প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম হোসেন শাকিল, বাংলা ভিশনের জেলা প্রতিনিধি মোরশেদুর রহমান খোকন, জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী সাকি এ কাউসার, কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যাপক শারমিন সিদ্দীকি লিমা, হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান, সমাজকর্মী আব্দুর রহমান হাশেমী, সাহাবুদ্দীনসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের সহকারি পরিচালক ও আঞ্চলিক টিম লিডার জাহাঙ্গীর আলম।
জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে রেডিও সৈকতের অবদান, দূর্যোগে নিরবিচ্ছিন্ন সম্প্রচার কার্যক্রম এবং শ্রোতাক্লাবের সদস্যদের রেডিও সৈকতের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।
হিমেল রায় বলেন, “প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই ধরণের কার্যক্রম আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং সমাজে পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে রেডিও সৈকত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এনসিপি নেতা রায়ান কাশেম বলেন, “সাগরে জেলেদের জন্য জারি করা নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা, কক্সবাজারের তরুণদের উন্নয়ন এবং দুর্যোগ সচেতনতামূলক বিষয়গুলো রেডিও সৈকতের মাধ্যমে আরও বেশি প্রচার করা প্রয়োজন। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এই রেডিও ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের বার্তা প্রচারের লক্ষ্যেই রেডিও সৈকত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। উপকূলের নানা সমস্যার পাশাপাশি এখন মাদক ও পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা আরও বেশি প্রচার করা প্রয়োজন। এই দুই বিষয়ে জোর দিলে রেডিও সৈকত আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”
সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দিন বলেন, “কক্সবাজারের সমুদ্রের স্বকীয়তা এবং প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সমস্যাগুলো রেডিওতে যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। কারণ, এই প্রান্তিক মানুষগুলো অনেক সময় নিজেদের কথা নিজেরা বলতে পারেন না, তাই তাদের কথা আরও বেশি প্রচার হওয়া উচিত।”

বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজার উপ আঞ্চলিক পরিচালক আবু সাইদ মো. নাজমুল হাসান বলেন, “রেডিও সৈকতের নাম এবং এর আকর্ষনীয় ৯৯.০ এফএম ফ্রিকোয়েন্সি শ্রোতাদের সহজেই আকৃষ্ট করে। গত এক বছরে স্টেশনটি প্রায় ৩০০টি ভিডিও কনটেন্ট তৈরি ও সম্প্রচার করেছে। আশাকরি, ভবিষ্যতেও কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে আরও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে এই রেডিও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
আলোচনা পর্ব শেষে কেক কাটার মাধ্যমে রেডিও সৈকতের বর্ষপূর্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় শিল্পী শাহীন আবরার এবং স্থানীয় বেতার শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রেডিও সৈকতের বিগত চার বছরের বিভিন্ন সংবাদ পর্যালোচনা, প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন স্টেশন ম্যানেজার উম্মে হানি জেরিন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, সামাজিক কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সহকারি পরিচালক ও আঞ্চলিক টিম লিডার জাহাঙ্গীর আলমের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ও জলবায়ু বরাদ্দ বিষয়েক সেমিনারে বক্তারা, জলবায়ু অর্থায়নে জিডিপির ন্যূনতম ৩ শতাংশ বরাদ্দের আহ্বান।পান...
14/06/2026

জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ও জলবায়ু বরাদ্দ বিষয়েক সেমিনারে বক্তারা,
জলবায়ু অর্থায়নে জিডিপির ন্যূনতম ৩ শতাংশ বরাদ্দের আহ্বান।
পানি ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন

ঢাকা, ১৪ জুন ২০২৬: জলবায়ু কর্মী ও বক্তারা বলেছেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জলবায়ু বাজেটে দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। তারা বলেন, প্রতি বছর জিডিপি বাড়লেও জলবায়ু খাতে বরাদ্দ সেই অনুপাতে বাড়েনি, ফলে আগের মতোই গতানুগতিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে জলবায়ু খাতে ব্যয় জিডিপির মাত্র ০.৭৬ শতাংশ, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তারা জলবায়ু অর্থায়নকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে বরাদ্দ অন্তত জিডিপির ৩ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা উপকূলীয় পানি ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় ২টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রথমত, উপকূলীয় সুরক্ষায় অবকাঠামো উন্নয়ন তারমধ্যে, বেড়িবাঁধ, স্লুইস গেট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য পানি অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি পুরোনো পোল্ডার ও বাঁধ সংস্কার এবং জলবায়ু-সহনশীল উপকূলীয় সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ, দ্বীতিয়ত, নিরাপদ পানি ও সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য পুকুর খনন, মুক্ত জলাশয় ও খাল পুনরুদ্ধার, পানি-সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং লবণাক্ততা-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, সেজন্য বাজেটে অগ্রাধিকারভাবে বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। তারা আরও বলেন, বিশেষ করে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে গভীর নলকূপ স্থাপনে কঠোর নিয়ম ও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, যাতে ভূগর্ভস্থ পানি রক্ষা করা যায়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গভীর নলকূপ স্থাপনে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া সেখানে পানীয় জলের জন্য নাফ নদীর পানি শোধন করে সরবরাহ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

আজ ১৪ জুন ২০২৬ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস ও ইক্যুইটিবিডি’র যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত “জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ ও জলবায়ু বরাদ্দ: উপকূলীয় সুরক্ষার অগ্রাধিকার কতটা?” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ সকল দাবিসমূহ তুলে ধরেন। কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জনাব এম রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জনাব মোঃ জিয়াউল হক, এসডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক, জনাব সামছুল হক, ক্ষুদ্রঋণ নীতি ও অ্যাডভোকেসি বিশেষজ্ঞ জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট-এর নির্বাহী পরিচালক, জনাব আমিনুর রসুল বাবুল, সুন্দরবন সুরক্ষা আন্দোলনের সম্নবয়ক, জনাব নিখিল চন্দ্র ভদ্র, সমন্বয়ক, এসএটিভি-এর সিনিয়র সাংবাদিক জনাব সালাহউদ্দিন বাবলু,, আরডিআরএস-বাংলাদেশ এর পরিচালক জনাব তারেক সাইদ হারুন, পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম এর সাধারন সম্পাদক জনাব মো: মোতাহার হোসেন, কোস্ট ফাউন্ডেশন এর পরিচালক সৈয়দ আমিনুল হক, ইক্যুইটিবিডি’র ওমরক ফারুখ ভূইয়া, বিডিসিএসও প্রসেস-এর ইকবাল উদ্দিন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর জনাব মোঃ আহসানুল ওয়াহেদ, গ্রীন ভয়েস এর নির্বাহী পরিচালক, জনাব হুমায়ুন কবির সুমন, দৈনিক প্রথম আলোর ভোলা-জেলার প্রতিনিধি জনাব নেয়মত উল্ল্যাহ, দশমিনা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, রায়হান বাদল প্রমূখ।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান জনাব এম.এ. হাসান ।

কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, উপকূলীয় জনগণের জন্য জলবায়ু ন্যায্যতা অবশ্যই জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হতে হবে। তিনি লবণাক্ততা, নদীভাঙন, পানি সংকট ও জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতিকে জীবিকার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ জলবায়ু অর্থায়নের আহ্বান জানান।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক দুটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, পানি-সম্পর্কিত দুর্যোগ ও পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষা। দ্বিতীয়ত, কৃষি ও পানীয় জলের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, তীব্র পানীয় জলের সংকট মোকাবিলায় সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ, পুকুর খনন এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এসব উদ্যোগ শিখে নিরাপদভাবে এবং ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

মো. মোশাররফ হোসেন, মাইক্রোফাইন্যান্স পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি বিশেষজ্ঞ, বলেছেন বাজেট ঘাটতি কমাতে ভালো শাসনব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দরকার। তিনি জবাবদিহিতা বাড়ানো, দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সংস্কারের ওপর জোর দেন, যাতে অর্থ ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ হয়।

আরডিআরএস বাংলাদেশের পরিচালক তারিক সাঈদ হারুন বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান (এমএফআই) জিডিপিতে প্রায় ২২ শতাংশ অবদান রাখলেও এখনো যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। তিনি এ খাতকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উল্লেখ করে সরকারের স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়ন সহায়তার আহ্বান জানান। সৈয়দ আমিনুল হক জাতীয় বাজেটে এমএফআইগুলোর জন্য আলাদা অর্থায়ন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান। তিনি ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি নিয়ন্ত্রণে নীতি প্রণয়ন এবং সিআইবি (CIB) ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

Rights groups urge for 3% fund allocation in climate financing.Experts Demanded a Climate Adaptation Plan for Water Mana...
14/06/2026

Rights groups urge for 3% fund allocation in climate financing.

Experts Demanded a Climate Adaptation Plan for Water Management

Dhaka, 14 June 2026: Climate activists and speakers have said that the proposed climate budget for FY 2026–27 does not reflect the funding required to implement long-term climate adaptation plans. They noted that, despite steady GDP growth, climate allocations have not increased proportionately, continuing a business-as-usual approach. In the current budget, climate spending stands at only 0.76% of GDP, which they described as far below implementation needs. They urged that climate finance be treated as a strategic national priority, with allocation raised to at least 3% of GDP to protect vulnerable communities.

Speakers demanded a separate adaptation plan for coastal water management, stating that two key areas must be prioritized. First, infrastructure development for coastal protection, including the construction and modernization of embankments, sluice gates, drainage systems, and other water infrastructure, as well as the renovation of old polders and embankments and the development of climate-resilient coastal protection structures. Second, improvement of safe water supply and irrigation systems through rainwater harvesting via pond excavation, restoration of open water bodies and canals, expansion of water-saving irrigation technologies, and development of salinity-tolerant agriculture. They also urge for stringent rules in respect of commissioning deep tube wells to save underground water, especially in Coxsbazar and in Rohingya refugee camps. There should immediately embargo on installing deep tube wells in Rohingya camp, Naf river water should be treated to supply drinking water in the Rohingya refugee camps.

Today, 14 June 2026, speakers raised these demands at the seminar titled “National Budget 2026–27 and Climate Allocation,” which was held at the CIRDAP Auditorium in Dhaka, jointly organized by COAST Foundation, BDSCO Process, and EquityBD. The seminar was moderated by Mr. M Rezaul Karim Chowdhury, Executive Director of COAST Foundation. Speakers included Mr. Md. Ziaul Haque, Additional Director General of the Department of Environment; Mr. Shamsul Haque, Executive Director of SDI; Mr. Md. Mosharraf Hossain, Microfinance Policy and Advocacy Specialist; Mr. Aminur Rasul Babul, Executive Director, Unnayan Dhara Trust, Mr. Nikhil Chandra Bhadra, Coordinator, Sundarbans Protection Movement; Mr. Salahuddin Bablu, SATV, Mr. Tarek Sayeed Harun, Director of RDRS Bangladesh; Mr. Md. Motahar Hossain, General Secretary of the Environmental Journalists Forum; Mr. Syed Aminul Haque, Director of COAST Foundation; Mr. Omar Faruk Bhuiyan of EquityBD; Mr. Iqbal Uddin of the BDCSO Process; Mr. Md. Ahsanul Wahed of Manusher Jonno Foundation; Mr. Humayun Kabir Suman, Executive Director, Green Voice, Mr. Neyamat Ullah, Bhola District Correspondent of The Daily Prothom Alo; and Mr. Raihan Badal, President of the Dashmina Journalists’ Association, among others. Mr. M. A. Hasan, Head of the Climate Change Department of COAST Foundation, presented the keynote paper.

M. Rezaul Karim Chowdhury, Executive Director of COAST Foundation, stressed that climate justice for coastal communities must be reflected in the national budget. He highlighted salinity, river erosion, water scarcity, and climate-induced displacement as key challenges affecting livelihoods. He called for transparent climate financing focused on vulnerable groups.

Mr. Md. Ziaul Haque, Additional Director General of the Department of Environment, identified two key priorities: protection from water-related disasters and waterborne diseases, and ensuring adequate, safe water for drinking and agriculture. To address the severe drinking water crisis, he emphasized seawater desalination, pond excavation, and rainwater harvesting and storage. He strongly stated that these measures must be learned, adopted, and implemented safely and at scale.

Mr. Md. Mosharraf Hossain, Microfinance Policy and Advocacy Specialist, stated that the budget deficit can be reduced through improved governance and institutional reforms. He emphasized strengthening accountability, including reforms in anti-corruption and key ministries, to ensure better financial management and efficiency.

Mr. Tarek Sayeed Harun, Director of RDRS Bangladesh warned about declining private sector investment and noted that Micro Finance Institutions (MFIs) contribute around 22% to GDP but still lack proper recognition. He described the sector as clean and accountable, and urged government recognition along with funding support from the Bangladesh Bank. Syed Aminul Haque called for a dedicated MF finance system for MFIs in the national budget and a policy to address intentional loan defaulters with improved Credit Information Bureau (CIB) access.

"Displaced Societies are of Value.Their Issues are our Issues" - Synthia Basinet
12/06/2026

"Displaced Societies are of Value.
Their Issues are our Issues" - Synthia Basinet

"No one Leaves Home Unless Home is the Mouth of a Shark"- Warsan Shire
10/06/2026

"No one Leaves Home Unless Home is the Mouth of a Shark"
- Warsan Shire

”অশান্তির মূল কারণ হলো, আমরা ভূলে গেছি যে মানুষ একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ”
09/06/2026

”অশান্তির মূল কারণ হলো, আমরা ভূলে গেছি যে মানুষ একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ”

Address

Metro Melody (1st Floor), House 13, Road-2, Shyamoli
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801713144166

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when COAST Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to COAST Foundation:

Share