18/03/2026
এবার মনে হয় আরেক জায়গায় হাত দিয়েছেন ছোট ভাই হাসনাত! 😃
শোনা যাচ্ছে, সব ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের ডেকে যেন “মধু খাওয়ানোর” আয়োজন করছেন। 😁
একবার একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন—ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের বেতন মাত্র ১৪তম গ্রেড। সব মিলিয়ে মাসে প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকার মতো। কাগজে-কলমে হিসাব করলে তো এই টাকায় ঠিকমতো সংসার চালানোই কঠিন হওয়ার কথা।
কিন্তু বাস্তব চিত্রটা অনেক সময় উল্টো! দেখা যায়, অনেকেই অন্য ১০ম গ্রেডের চাকরি ছেড়ে এই ১৪ গ্রেডের চাকরিতে যোগ দেন। 😃
প্রশ্নটা তখন স্বাভাবিকভাবেই আসে—কেন? 🤔
আমার চেনা এক ভাই তো ১০ম গ্রেডের চাকরি ছেড়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী পদে চলে গেছে! 😱
যেখানে বেতন কম, মর্যাদা কম—তারপরও এত আগ্রহ কেন?
কারণটা সবাই কমবেশি বোঝে, কিন্তু খুব কম মানুষ খোলাখুলি বলে। মাঠ পর্যায়ে এই পদগুলোতে অনেক সময় এমন কিছু সুযোগ তৈরি হয়, যেগুলো সরকারি বেতনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়। ফলে দেখা যায়, ১৪ গ্রেডের চাকরি করেও এলাকায় কেউ কেউ জমি কিনছে, পুকুর কিনছে, সম্পত্তি বাড়াচ্ছে।
আমরা সাধারণত সব সময় পুলিশের ঘুষ বা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বাস্তবে নিচের অনেক সেক্টরেই একই ধরনের সমস্যা আছে, যেগুলো নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয় না।
যদি সত্যিই এসব জায়গায় নজর দেওয়া যায়—যদি দায়িত্বশীলভাবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়—তাহলে পরিবর্তন আসাটা অসম্ভব না।
আজ যদি একজন এমপি বা দায়িত্বশীল কেউ এসব জায়গায় নজর দেন, কাল যদি অন্যরাও একইভাবে খোঁজখবর নেন, তাহলে ধীরে ধীরে অনেক অনিয়মই কমে আসতে পারে।
কারণ পরিবর্তন এক দিনে আসে না।
কিন্তু যেখানে সমস্যা আছে, সেখানে হাত দিলে—সেখান থেকেই পরিবর্তনের শুরু হয়। 💬.....