জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan

জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে (জয় গীতা)

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন..!!
01/05/2026

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন..!!

🦁🌺 জোর করব না… সময় থাকলে একটু মন দিয়ে পড়ুন, আর মানব জীবনকে সার্থক করুন। 🌺🦁শ্রীবৃহৎ নারদীয় পুরাণে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব ...
01/05/2026

🦁🌺 জোর করব না… সময় থাকলে একটু মন দিয়ে পড়ুন, আর মানব জীবনকে সার্থক করুন। 🌺🦁শ্রীবৃহৎ নারদীয় পুরাণে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব তাঁর পরম ভক্ত শ্রীপ্রহ্লাদ মহারাজের পূর্বজন্মের এক বিস্ময়কর কাহিনী বর্ণনা করেছেন।
📖 পুরাকালে অবন্তী নগরে বসুশর্মা নামে এক সদাচারী, বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তাঁর পাঁচ পুত্রের মধ্যে চারজন ছিলেন ভক্তিমান ও সৎচরিত্রবান। কিন্তু কনিষ্ঠ পুত্রটি ছিল মদ, নেশা, অসৎসঙ্গ ও পাপকর্মে আসক্ত।
একদিন সেই কনিষ্ঠ পুত্রের সঙ্গে তার বান্ধবীর তীব্র মনোমালিন্য হয়। ফলে তারা সারাদিন কিছু আহার করেনি, জলও পান করেনি। সারারাত দুঃখে ও অনুতাপে জেগে কাটায়। জীবনের পাপকর্ম স্মরণ করে তারা মনে মনে ভগবানের কথা ভাবতে থাকে।
🌺 কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়— সেদিন ছিল শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী!
অজ্ঞাতসারে উপবাস ও রাত্রিজাগরণ করার ফলে তারা বিরাট পুণ্য লাভ করে।
তখন ভগবান নৃসিংহদেব প্রহ্লাদকে বললেন—
📖 “হে প্রহ্লাদ! পূর্বজন্মে তুমিই ছিলে সেই কনিষ্ঠ ব্যক্তি। জীবনে বহু পাপ করলেও অজ্ঞাতসারে একবার নৃসিংহ চতুর্দশীর ব্রত পালন করার ফলেই তুমি এই ভক্তজন্ম লাভ করেছ।”
ভগবান আরও বলেন—
✨ ব্রহ্মা এই ব্রত পালন করে সৃষ্টিকর্তার পদ পেয়েছেন। ✨ শিব, দেবতা, ঋষি ও মহারাজাগণ এই ব্রতের দ্বারা সিদ্ধিলাভ করেছেন। ✨ এই ব্রত পাপহরণকারী ও মুক্তিদায়িনী। ✨ যে ব্যক্তি ভক্তিভরে এই ব্রত পালন করে, তাকে পুনরায় জন্ম-মৃত্যুর সংসারে ফিরতে হয় না।
⚠️ ভগবান সতর্ক করে বলেছেন— “আমার এই আবির্ভাব তিথি জেনেও যে অবজ্ঞা করে, তাকে দীর্ঘকাল নরকবাস করতে হয়।”
তাই আসুন— আজকের এই পবিত্র নৃসিংহ চতুর্দশীতে উপবাস, কীর্তন, হরিনাম ও ভগবদ্ স্মরণে নিজেদের জীবন পবিত্র করি। 🙏
🦁 “ভক্তের রক্ষার জন্য ভগবান যেকোনো রূপে আবির্ভূত হতে পারেন।”
শুভ শ্রীশ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী 🌺 হরে কৃষ্ণ 🙏
#নৃসিংহ_চতুর্দশী #শ্রীনৃসিংহদেব #প্রহ্লাদ_মহারাজ

🕉️ “মা কি সত্যিই রক্ত চান… নাকি চান ভক্তের শুদ্ধ হৃদয়?” 🌺🙏অনেকে বলেন— “বলি না দিলে মা রুষ্ট হন!”কিন্তু শাস্ত্র কি সত্যিই...
01/05/2026

🕉️ “মা কি সত্যিই রক্ত চান… নাকি চান ভক্তের শুদ্ধ হৃদয়?” 🌺🙏

অনেকে বলেন— “বলি না দিলে মা রুষ্ট হন!”
কিন্তু শাস্ত্র কি সত্যিই তাই শিক্ষা দেয়?

📖 Bhagavad Gita-তে ভগবান বলেছেন—
ভক্তিভরে অর্পিত ফল, ফুল, জল ও প্রেম তিনি গ্রহণ করেন।
অহিংসা, দয়া, হরিনাম ও প্রসাদই আত্মাকে পবিত্র করে। ✨

মায়ের কাছে সবচেয়ে প্রিয়—
🌸 ভক্তি
🌸 নামসংকীর্তন
🌸 কৃষ্ণপ্রসাদ
🌸 জীবের প্রতি দয়া

রক্তে নয়, প্রেমেই দেবী প্রসন্ন হন।
হিংসা মানুষকে তামসিকতার দিকে টানে, আর ভক্তি মানুষকে ঈশ্বরের কাছে নিয়ে যায়। 🙏

আজ একটি প্রশ্ন নিজেকেই করি—
আমি কি ভক্তি বাড়াচ্ছি, নাকি শুধু লোকাচার পালন করছি?

🔁 পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ শাস্ত্রের প্রকৃত শিক্ষা জানতে পারে।

#হরে_কৃষ্ণ #মা_কালী #সনাতন_ধর্ম #কৃষ্ণভক্তি #হরিনাম #জীবদয়া #ভক্তি #গীতা

🙏হরে কৃষ্ণ🙏 আগামী ০৯ই মে ২০২৬ইং তারিখ শনিবার বিকাল জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan এর উদ্যোগে খুলনা গল্লামারি ই...
01/05/2026

🙏হরে কৃষ্ণ🙏 আগামী ০৯ই মে ২০২৬ইং তারিখ শনিবার বিকাল জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan এর উদ্যোগে খুলনা গল্লামারি ইসকন মন্দিরে প্রভুদের আগমন- খুলনা ডুমুরিয়া সাহস ইউনিয়নের সাহস ঘোষগাতী দাসপাড়ায়। বৈদিক গীতা স্কুল- গীতা শিক্ষালয় স্থাপনের কৌশল সভা ও নাম কীর্তন।

উপস্থিত থাকবেন:
শ্রী তপন দাস, কৃষ্ণভক্ত, ইসকন মন্দির, খুুলনা।
ও খুলনা ইসকন মন্দিরের প্রভু/কৃষ্ণভক্ত বৃন্দ।
শ্রী পার্থ দাস, কৃষ্ণভক্ত, জ্ঞানের আলো সংগঠন, খুলনা।
শ্রীমতি মধুমিতা গাইন, কৃষ্ণভক্ত, জ্ঞানের আলো সংগঠন, খুলনা।
শ্রী সঞ্জয় দেবনাথ, কৃষ্ণভক্ত, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট, খুলনা।

নতুন ভোরের আলোপহেলা বৈশাখের প্রভাতে,নতুন সূর্য আসুক হাতে।পুরানো সব গ্লানি মুছে,নতুন স্বপ্ন নাও যে লুফে। বৈশাখ এলো রঙের স...
15/04/2026

নতুন ভোরের আলো
পহেলা বৈশাখের প্রভাতে,
নতুন সূর্য আসুক হাতে।
পুরানো সব গ্লানি মুছে,
নতুন স্বপ্ন নাও যে লুফে।
বৈশাখ এলো রঙের সাজে,
ঢাক-ঢোল আর শঙ্খ বাজে।
পান্তা-ইলিশ, নতুন শাড়ি,
আনন্দে ভরে সবার বাড়ি।
মুছে যাক সব আঁধার কালো,
নতুন বছর হোক খুব ভালো!
শুভ নববর্ষ!

জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan পক্ষ থেকে জানায় চৈত্র সংক্রান্তির শুভেচ্ছাপুরোনো বছরের শেষ দিনটা হোক আনন্দ, ঐতি...
14/04/2026

জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan পক্ষ থেকে জানায় চৈত্র সংক্রান্তির শুভেচ্ছা

পুরোনো বছরের শেষ দিনটা হোক আনন্দ, ঐতিহ্য আর স্মৃতিময় নতুন বছর আসুক আলো নিয়ে, আশায় ভরপুর।

পঞ্জিকার পাতায় নতুন গল্প লেখার সময় এসেছে।স্বপ্ন হোক রঙিন, দিন হোক আশাব্যঞ্জক।সুস্থ, সুন্দর, আনন্দময় হোক আগত প্রতিটি ম...
14/04/2026

পঞ্জিকার পাতায় নতুন গল্প লেখার সময় এসেছে।
স্বপ্ন হোক রঙিন, দিন হোক আশাব্যঞ্জক।
সুস্থ, সুন্দর, আনন্দময় হোক আগত প্রতিটি মুহূর্ত।
নববর্ষে রইলো প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।

যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে জনার্দন! চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপা করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ ...
20/03/2026

যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে জনার্দন! চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপা করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির! আপনি ধর্মবিষয়ক প্রশ্ন করেছেন। এই একাদশী সকল পাপ থেকে নিস্তার বা মোচন করে বলে এই পবিত্র একাদশী তিথি ‘পাপমোচনী’ নামে প্রসিদ্ধ। রাজা মান্ধাতা একবার লোমশ মুনিকে এই একাদশীর কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর বর্ণিত সেই বিচিত্র উপাখ্যানটি আপনার কাছে বলছি। আপনি মনযোগ দিয়ে শ্রবণ করুন।

প্রাচীনকালে অতি মনোরম ‘চৈত্ররথ’ পুষ্প উদ্যানে মুনিগণ বহু বছর ধরে তপস্যা করতেন। একসময় মেধাবী নামে এক ঋষিকুমার সেখানে তপস্যা করছিলেন। মঞ্জুঘোষা নামে এক সুন্দরী অপ্সরা তাঁকে বশীভূত করতে চাইল। কিন্তু ঋষির অভিশাপের ভয়ে সে আশ্রমের দুই মাইল দূরে অবস্থান করতে লাগল। বীণা বাজিয়ে মধুর স্বরে সে গান করত। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবীকে দেখে কামবাণে পীড়িতা হয়ে পড়ে। এদিকে ঋষি মেধাবীও অপ্সরার অনুপম সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন। তখন সেই অপ্সরা মুনিকে নানা হাব-ভাব ও কটাক্ষ দ্বারা বশীভূত কর। ক্রমে কামপরবশ মুনি সাধন-ভজন বিসর্জন দিয়ে তার আরাধ্য দেবকে বিস্মৃত হন। এইভাবে অপ্সরার সাথে কামক্রীড়ায় মুনির বহু বছর অতিক্রান্ত হল।

মুনিকে আচার-ভ্রষ্ট দেখে সেই অপ্সরা দেবলোকে ফিরে যেতে মনস্থ করল। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবী মুনিকে বলতে লাগল- হে প্রভু, এখন আমাকে নিজ গৃহে ফিরে যাবার অনুমতি প্রদান করুন। কিন্তু মেধাবী বললেন- হে সুন্দরী! তুমি তো এখন সন্ধ্যাকালে আমার কাছে এসেছ, প্রাত:কাল পর্যন্ত আমার কাছে থেকে যাও। মুনির কথা শুনে অভিশাপের ভয়ে সেই অপ্সরা আরও কয়েক বছর তার সাথে বাস করল। এইভাবে বহুবছর (৫৫ বছর ৯ মাস ৭ দিন) অতিবাহিত হল। দীর্ঘকাল অপ্সরার সহবাসে থাকলেও মেধাবীর কাছে তা অর্ধরাত্রি বলে মনে হল। মঞ্জুঘোষা পুনরায় নিজস্থানে গমনের প্রার্থনা জানালে মুনি বললেন- এখন প্রাত:কাল, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি সন্ধ্যাবন্দনা না সমাপ্ত করি, ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি এখানে থাক।

মুনির কথা শুনে ঈষৎ হেসে মঞ্জুঘোষা তাকে বলল- হে মুনিবর! আমার সহবাসে আপনার যে কত বৎসর অতিবাহিত হয়েছে, তা একবার বিচার করে দেখুন। এই কথা শুনে মুনি স্থির হয়ে চিন্তা করে দেখলেন যে, তাঁর ছাপ্পান্ন বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেছে। মুনি তখন মঞ্জুঘোষার প্রতি ক্রোধ পরবশ হয়ে বললেন- রে পাপীষ্ঠে, দুরাচারিণী, তপস্যার ক্ষয়কারীনি, তোমাকে ধিক্। তুমি পিশাচী হও। মেধাবীর শাপে অপ্সরার শরীর বিরূপ প্রাপ্ত হল। তখন সে অবনতমস্তকে মুনির কাছে শাপমোচনের উপায় জিজ্ঞাসা করল।

মেধাবী বললেন- হে সুন্দরী! চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী, সর্বপাপ ক্ষয়কারিণী। সেই ব্রত পালনে তোমার পিশাচত্ব দূর হবে। পিতার আশ্রমে ফিরে গিয়ে মেধাবী বললেন- হে পিতা! এক অপ্সরার সঙ্গদোষে আমি মহাপাপ করেছি, এর প্রায়শ্চিত্ত কি? তা কৃপা করে আমায় বলুন। উত্তরে চ্যবন মুনি বললেন- চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী ব্রতের প্রভাবে তোমার পাপ দূর হবে। পিতার উপদেশ শুনে মেধাবী সেই ব্রত ভক্তিভরে পালন করল। তার সমস্ত পাপ দূর হল। পুনরায় তিনি তপস্যার ফল লাভ করলেন। মঞ্জুঘোষাও ঐ ব্রত পালনের ফলে পিশাচত্ব থেকে মুক্ত হয়ে দিব্য দেহে স্বর্গে গমন করল। হে মহারাজ! যারা এই পাপমোচনী একাদশী পালন করেন, তাদের পূর্বকৃত সমস্ত পাপই ক্ষয় হয়। এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানের আলো সংগঠন - Gyaner Alo Sangathan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share