Dara-E

Call Contact the organization

Dara-E "স্রষ্টার সন্তুষ্টিই আমাদের লক্ষ্য”

06/09/2026
19/08/2026

আপনি কেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর রাজনীতি
করবেন
মাওলানা এম মনির হোসাইন
সভাপতি, ইসলামিক যুবফ্রন্ট বাংলাদেশ

ইসলামের সঠিক রূপরেখা হল আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত। আর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মতাদর্শ ভিত্তিক জাতীয় রাজনৈতিক সংগঠন হল ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। সহযোগী যুব সংগঠন হল ইসলামিক যুবফ্রন্ট বাংলাদেশ। ছাত্র সংগঠন হল ইসলামী ছাত্রসেনা। বাংলাদেশে গতানুগতিক যেই রাজনৈতিক দলগুলো আছে এগুলো ব্যাক্তি আদর্শকে লালন করে এবং তা প্রতিষ্ঠা করার জন্যই রাজনীতি করে। যা কুরআন সুন্নাহর সম্পুর্ণ পরিপন্থি। আবার ইসলাম নামধারী যেই রাজনৈতিক দলগুলো আছে, সেগুলো খারেজী মতবাদকে লালন করে নবীয়ে পাকের আহলে বাইতের প্রতি বিদ্বেষ পোষন করে এবং ইয়াজিদের প্রশংসা করে। আবার এক দল আছে যেই দলটি সরাসরি আমাদের নবীয়ে পাকের সমালোচনা এবং সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে মওদুদীবাদকে লালন করে এবং তার মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যাদের আক্বিদা হল নবীরা গুনাহ করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরাম সত্যের মাফকাঠি নয়। এবং এরা আউলিয়ায়ে কেরামকে ও তুচ্ছতাচ্ছিল্ল্য করে। এসব নামধারী দলগুলো বাতিল ফেরকা এবং তারা জাহান্নামী। কারণ আল্লাহর প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْر رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ
عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بَنِي إِسْرَائِيْلَ تَفَرَّقَتْ عَلَى ثِنْتَيْنِ وَسَبْعِيْنَ فِرْقَةً وَتَفْتَرِقُ
أُمُّتِيْ عَلَى ثَلَاثٍ وَسَبْعِيْنَ مِلَّةَ كُلُّهُمْ فِي النَّارِ إِلَّا مِلَّةً وَاحِدَةً قَالُوْا
وَمَنْ هَيَ يَا رَسُوْلَ اللهِ قَالَ مَا عَلَيْهِ وَأَصْحَابِيْ.
অনুবাদ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, বনী ইসরাঈল বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে। আর আমার উম্মত বিভক্ত হবে তিহাত্তর দলে । সকলেই জাহান্নামে যাবে একটি মাত্র দল ব্যতীত। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ঐদলের লোক কারা (যারা জান্নাতী)? উত্তরে তিনি বললেন, যারা আমার ও আমার সাহাবীদের পথে ও মতে থাকবে। (তিরমিজি শরীফ)
এই হাদিসের ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী কারী (রহঃ) বলেন, কোন সন্দেহ নাই সেই জান্নাতী একমাত্র দল হল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত। আমাদের দেশে অনেক ভাইয়েরা বলে থাকেন কুরআন এক, হাদিস এক, আল্লাহ এক, নবীও এক তাহলে মুসলমানদের মাঝে এতো ভাগাভাগি কেন? যারা এমন কথা বলে তারা মনে হয় নবীয়ে পাকের এই হাদিসটি অনুধাবন করতে পারে নাই। তাছাড়া আল্লাহ তায়ালা নিজেই তো কুরআনুল কারীমে বলেছেন-
এই কুরআন কিছু সংখ্যক মানুষকে গোমরাহ করবে
আর কিছু সংখ্যক মানুষকে হিদায়েত দান করবে। কুরআন কিন্তু কোন হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, ইহুদী, নাসারাকে গোমরাহী করবে না বরং এক ধরনের কুরআন পড়া মুসলমানকেই কুরআন গোমরাহ করবে। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন-
فَأَمَّا الَّذِيْنَ فِي قُلُوْبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُوْنَ مَا تَشَابَهُ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ.
(সূরাহ আল ইমরান, আয়াত-৭)
বাংলা অনুবাদ: তিনি আপনার উপর কিতাব নাযিল করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে মুহকাম আয়াতসমূহ। যেগুলো কিতাবের মূল, আর অন্যগুলো মুতাশাবিহ । ফলে যাদের অন্তরে রয়েছে ব্যধি তারা ফিতনার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহ আয়াত গুলোর ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করে থাকে ।
তাহলে কুরআনুল কারীমের আয়াতে কারীমা থেকে বুঝা গেল কিছু লোক আল্লাহর কুরআনকে সামনে নিয়েই কুরআনের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে
গোমরাহী বানাবে এ সমাজে ফিতনা ছড়াবে। যাহা আমরা বর্তমান সমাজে দেখতে পাচ্ছি। তাফসিরুল কুরআনের নামে তথাকথিত কিছু নামধারী মোফাসসির যাদেরকে আবার কেউ কেউ (তাদেরই) কুরআনের পাখি বলে ওরা আল্লাহর কুরআন সামনে নিয়ে নিজের মত করে মনগড়া অনুবাদ করে সেটার নাম দিয়ে থাকে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল। তারা তাদের নিজস্ব দলের প্রতিষ্ঠাতার মনগড়া তাফসীর ছাড়া যুগ যুগ ধরে চলে আসা অতীতের কোন মুজতাহিদের তাফসীর থেকে ব্যাখ্যা দেয় না বা তাফসীর করে না। এমনকি কোন আয়াতের ব্যাখ্যায় সাহাবায়ে কেরামের ব্যাখ্যা কি সেটা তারা দেখে না । নিজের মত করে অনুবাদ করে ওটার নাম চালিয়ে দিচ্ছে তাফসীরুল কুরআন মাহফিল। যার মাধ্যমে আমাদের দেশের বহু মানুষকে তারা গোমরাহী করে ফেলেছে। সুতরাং কুরআন, হাদিস, আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এক হলেও ইসলামের তরে বহু বাতিল ফেরকার জন্ম হয়েছে। যাদেরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম নিজেই জাহান্নামী বলেছেন ।
আবার যে দলগুলো খারেজী তারা আমলে পরিপাটি। কিন্তু অন্তরে ঈমান শূন্য । এরা মওদুদীবাদীদের চেয়েও বেশী উগ্রবাদী। কথায় কথায় জ্বালাও পোড়াও নীতিতে বিশ্বাসী। মাজারে হামলা, মসজিদে হামলা, আল্লাহর কুরআনে আগুন দিতেও তারা ইতস্ততা বোধ করে না। এরা আবার নিজেদেরকে হক্কানী আহলে সুন্নাত, খাঁটি আহলে সুন্নাত এবং আহলে হক বলে দাবি করে। মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এবং মিলাদ কিয়ামের বিরোধীতায় তারা যতটাই সোচ্চার তার বিপরীতে বলাৎকারের বিষয়ে তার চাইতেও হাজারগুন বেশী নীরব। এই বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য নাই বললেই চলে। তাদের এমন নীতি দেখে মনে হয় মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম আর মিলাদ কিয়ামই দুনিয়াতে একমাত্র বেদায়াত আর বলাৎকার করা ইবাদাত! যদি তাদের দৃষ্টিতে তা না হত তাহলে তারা মিলাদুন্নবীর বিরোধীতা না করে বলাৎকারের বিরোধীতাই করতো এরা উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট। তাই তারা সাধারণ মানুষের সামনে দাবি করে আমরাই নাজাতপ্রাপ্ত দল আমরাই খাঁটি সুন্নী। কারণ আমরাই নবীজির সুন্নাতের অনুসরণ বেশী করি। ঢিলা, কুলুখ, মেসওয়াক, পাগড়ী, আবা কাবা আবার তারা একটু বেশিই পালন করে থাকে । তাই তারা তাদেরকে খাঁটি সুন্নী মনে করে ।
কিন্তু তারা জানে না শুধুমাত্র সুন্নাত পালনের মাধ্যমে কেউ সুন্নী হয় না। যদি তাই হতো তাহলে ৭২ ফেরকাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে
ওয়াসাল্লাম জাহান্নামী বলতেন না। কারণ ঐ সমস্ত ফেরকেগুলোর কেহই সুন্নাহ কম পালন করে না। এমনকি কাদিয়ানী ফেরকাকে যে অমুসলিম ঘোষনা করার জন্য দাবি করা হয় সেই কাদিয়ানী ফেরকাও নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত, পর্দা ফুসিদা সহ সুন্নাতের উপরও আমল কম করে না। কিন্তু নবীয়ে পাকের শানে তাদের আকিদা খারাপ হওয়ার কারনে তারা কাফির এই দাবীতে সকলেই একমত। তদ্রুপ নবীয়ে পাকের শানে সাহাবায়ে কেরামের আকিদা পরিপন্থী সকল দলই বাতিল এবং জাহান্নামী। যেমন, মুনাফিকরা ছাড়া নবীয়ে পাকের ইলম নিয়ে কোন সাহাবী প্রশ্ন তুলতেন না। বরং তারা এক বাক্যে বলতে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলই ভালো জানেন। এখন যদি কেহ সুন্নী দাবি করে অথচ নবীজির ইলম বা ইলমে গায়েব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাহলে সে সুন্নী তে দূরের কথা বরং সে হবে এই জামানার মোনাফিক। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এবং কোন সাহাবী নবীজিকে আমাদের মত সাধারণ মানুষ, রক্তে মাংসে গড়া দোষে গুণে ভরা এমন আকীদা লালন করেননি। তাহলে ইসলামী দল হলেও যারা এমন আকিদা লালন করে নিঃসন্দেহে তারা বাতিল। নবীয়ে পাকের কোন সাহাবী নূর নবীজিকে মাটির মানুষ বলেননি বরং তারা নবীজিকে নূর নবী হিসেবেই জানতেন এবং মানতেন (যার বহু দলীল আছে) এখন যারা নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামকে মাটির মানুষ বলে তারাও বাতিল ফেরকা। এমন করে যারা নবীয়ে পাকের জাত এবং কোন সিফাতকে অস্বীকার করে এবং ইচ্ছা করে হোক আর অনিচ্ছা করে হোক নবীয়ে পাকের শানে বেয়াদবীমূলক কথা বার্তা বলে তারা সবগুলো দলই বাতিল। শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলই বাংলাদেশে আছে যেটি ইসলামের সঠিক রূপরেখায় আছে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়েত আক্বিদায় বিশ্বাসী। যারা সকল নবী ও রাসূলগণকে নিষ্পাপ মনে করে। সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি মনে করে। আওলাদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামদেরকে মোহব্বাত করে। আউলিয়ায়ে কেরামকে তাজিম করে। অর্থাৎ যারা সিরাত্বাল মোস্তাকিমের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত। আর সেই দলটির নাম ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। যেই দলের চেয়ারম্যান একজন আওলাদ-এ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম। এবং মহাসচিব সর্বজন শ্রদ্ধেয় যুগ বরেণ্য একজন আলেমে দীন “অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর”। যারা নীতি ও নৈতিকতায় সর্বদা অটল ও অবিচল। লোভ লালসা যাদেরকে কখনও স্পর্শ করতে পারে নাই। এমন মহান নেতাদের নেতৃত্বে কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র কায়েমের জন্য আপনি কেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর পতাকার তলে এসে রাজনীতি করবেন না। আপনি যদি নবীয়ে পাকের উম্মত হয়ে থাকেন তাহলে শুধু মাত্র নবীজিন আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্যই আন্দোলন বা রাজনীতি করতে হবে ।

15/08/2026

পটুয়াখালীর বাউফলে...

15/08/2026

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে বলা/ৎকা/রের অভিযোগ উঠেছে ইলিয়াস খান (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় এক জামায়াত নেতাসহ মাতব্বরদের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি রফা-দফা বা আপস-মীমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

16/06/2026

এই শোয়াররা আর কতো নিচে নামবে??!!

Address

Home Of Arman Member, Uttor Som, Som Naton Bazar, Kaligonj, Gazipur
Dhaka
1720

Telephone

+8801712733499

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dara-E posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dara-E:

Shortcuts

Share