PUSAB - Presidency University - "PU"

Website

PUSAB - Presidency University - "PU" Private University Students Alliance of Bangladesh-PUSAB is the biggest Bangladeshi Students communit

10/10/2026
10/10/2026

ভারতে কিছু হচ্ছে....

যা কঠিন.. কিন্তু অসম্ভব নয়..

আজ গনগ্রেফতারের শিকার সাবেক বলিউড অভিনেতা ইমরান খান,খ্যাতি ধরে রাখতে সবাই অনেক কিছু বলে তবে নীতির প্রশ্নে অবস্থান নিয়ে সবাই এগিয়ে আসতে পারেনা

সিনেমার পর্দা থেকে হারিয়ে যাওয়া ইমরান খান আজ মনে করিয়ে দিলেন তারকা হতে পারা আর মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে পারা এক নয়।

বেস্ট অফ লাক - ইন্ডিয়ান জেন জি'স

10/10/2026

এই সিদ্ধান্তটি কার্যকর করা গেলে নিঃসন্দেহে এটি একটি অত্যন্ত চমৎকার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য। যা দেশের কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার ঝুঁকি কমাবে।

সিদ্ধান্ত গ্রহনের প্রক্রিয়ার কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত টি গ্রহণ করা হলে তা আরও বেশি কার্যকর ও নিখুঁত হবে বলে আমরা মনে করি।

এক, এই ৩ মাস শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর নিবিড় পর্যবেক্ষণে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ফলাফল আশানুরূপ হবার সম্ভাবনা কম হবে।

দুই, এই সিদ্ধান্ত নিলে নিয়মিত শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় কঠিন হবে কিছুটা৷ তাই পুনঃপরীক্ষা, ফল প্রকাশ এবং একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি সমন্বয় করতে হবে। ফল প্রকাশে বিলম্ব হলে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ক্লাস শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তাই এটি সবচাইতে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিতে হবে।

তিন, যেহেতু পুনঃপরীক্ষা আয়োজনে বিপুল ব্যয় ও লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন হবে। তাই এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন কারা এই সুযোগ টি গ্রহণ করতে পারবে এবং কারা পারবে না এবং এই সিদ্ধান্ত টি কিছুটা কঠিন হতে হবে।

চার, একই সাথে অকৃতকার্য না হলেও যাদের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাদের ইমপ্রুভমেন্ট এর সুযোগ ও এই পদ্ধতিতে দেয়ার বিষয় টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

10/10/2026

পরিকল্পনা করে বিভিন্ন সময়ে দেশে বিভিন্ন 'ক্যারেক্টার' তৈরি করা হয়। এই সকল ক্যারেক্টারদের কেউ কেউ বুদ্ধিজীবি, কেউ অতিরিক্ত "বেকুব", কেউ একস্ট্রা " বিপ্লবী" আবার কেউ কেউ একদমই লো এফোর্ট দেয়া ও ব্রেইন ছাড়া এক্টিভিটি করা লোকজন।

এদেরকে বিভিন্ন মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন কাজে লাগানো হয়। কখনো ইস্যু তৈরি করতে, কখনো ইস্যু দিয়ে আরেক ইস্যু ঢাকতে, কখনো বয়ান তৈরি করতে, কখনো কোন কিছুর পক্ষে সমর্থন আদায় করতে বা অন্য কোন পক্ষকে বিতর্কিতি করতে।

এদেরকে দিয়ে প্রক্সি খেলা হয়। এরা কেউ স্বেচ্ছায় করে, কেউ টাকার জন্য কেউ বা সিম্পলি প্লেইড হয়।

আমরা খুবই দুঃখিত, কিন্তু আজকে ঢাকার সড়কে রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দিতে যাওয়া ব্যাক্তিরা এমন প্রক্সির অংশ। এত কিছু থাকতে এরা যেয়ে রবীন্দ্রনাথের ছবিতে যেয়ে কালি দিয়ে কি প্রমান বা উদ্ধার করতে গেলো?

জানলে অবাক হবেন এমন প্রক্সি খেলার জন্য অনেক সুসংগঠিত বড় বড় গ্রুপ/দল আছে। হয়ত অনুসারিরা জানেও না তাদের লিডায় হয়ত প্রক্সি প্লেয়ার। উপরের নির্দেশে এরা অপারেট করে দেশে নানান ইস্যু তৈরি করতে।

10/10/2026
10/10/2026

আমাদের সব পরিকল্পিত ছিলো, সেই পরিকল্পনাতেই পুরো দেশের মানুষ ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু প্রিন্টারের কালি ব্লাক কালারের ছিলো এটা আমরা জানতাম না, তাই ব্লু-প্রিন্ট টা আর প্রিন্ট করা যায়নি। আমরা ব্লু-কালারের প্রিন্টার খুঁজতে খুঁজতে দেখি গণভবনের দেয়াল ভেঙে জনতা ঢুকে গেছে, প্রিন্টেড কপি হাতে না পেয়ে তারা নির্ধারিত গেট দিয়ে ঢুকতে পারেনাই।

- যে কথা বলেননাই সাদিক কায়েম

10/10/2026

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা কে যদি বলতে হয়, আমি সবার প্রথমেই বলবো মেহেদী হাসান রবিনের কথা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রবিনের হাইকোর্টের আইনজীবী কতৃক আদালতের রায় বিতর্কিত করার চেষ্টার প্রেক্ষিতে রবিনের সম্পৃক্ততার কিছু তথ্য জানানো প্রয়োজন।

আসামী মোঃ মেহেদী হাসান রবিনের নিজের ১৬৪ ধারার জবানবন্দি এবং আসামী ইফতি মোশাররফ সকালের জবানবন্দিতে উঠে আসা রবিনের ভূমিকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক:

১. আবরারকে সন্দেহ করা ও হত্যার আগেই মারার নির্দেশ: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে শেরে বাংলা হলের ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট ১৫ ও ১৬ ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপে সে লেখে, আগামী দুই দিনের মধ্যে আবরারকে যাচাই করে শিবির প্রমাণিত হলে তাকে মেরে হল থেকে বের করে দিতে হবে। আবরারের ফেসবুক মন্তব্যের স্ক্রিনশটও সে ওই গ্রুপে পোস্ট করে।

২. আবরারের ওপর সরাসরি শারীরিক নির্যাতন: রবিনের নিজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে গিয়ে সে আবরারের মোবাইলে পাওয়া ভিডিও দেখে। এরপর আবরারকে চশমা খুলতে বলে তার গালে ডান হাতে কয়েকটি জোরে চড় মারে। রবিনের বক্তব্য অনুযায়ী, এরপর মেফতাহুল ইসলাম জিয়নও আবরারকে অনেকগুলো চড়-থাপ্পড় মারে এবং ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর শুরু করে। অনিক সরকারও আরেকটি স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে।

৩. মারধরে উসকানি ও অন্যদের নির্দেশ: আসামী ইফতি মোশাররফ সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, রবিন আবরারের বিরুদ্ধে কী কী তথ্য পাওয়া গেছে তা জানতে চায়। আবরার শিবির করে না বলার পরও রবিন তাকে শিবির আখ্যা দিয়ে বলে, “ও শিবির, ওরে পিটা।” সে আরও বলে, শিবির ধরতে বেশি প্রমাণ লাগে না। বুয়েটে আর কারা শিবির করে, আবরারের কাছ থেকে তাদের নাম বের করার নির্দেশও দেয় রবিন।

৪. মারধরের সময় উপস্থিতি ও অন্যদের নির্যাতন: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আবার ২০১১ নম্বর কক্ষে গিয়ে সে আবরারকে মারধর হতে দেখে। সেখানে মাহমুদ সেতুর কথার পর অনিক সরকার ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারের মাথা বাদে পিঠ, পাঁজর, বুক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। রবিনের বক্তব্য অনুযায়ী, আবরার তখন চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিল। সে আরও জানায়, ইফতি মোশাররফ সকাল আবরারকে লাথি মারছিল এবং মুজাহিদুর রহমান স্কিপিং রোপ দিয়ে তার পায়ে আঘাত করছিল।

৫. অন্যদের দিয়ে তথ্য আদায়ের নির্দেশ: সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে রবিন, অনিক ও জিয়ন কক্ষ থেকে বের হয়ে বাইরে থাকা ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ডাকে। রবিন সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মুজাহিদুর রহমান ও তানভীরকে আবরারের কাছ থেকে বুয়েটে আর কারা শিবির করে, তাদের নাম বের করার নির্দেশ দেয়। একই জবানবন্দিতে সকাল জানায়, রবিন ফোনে রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং রাসেল তথ্য বের করতে বলেছে বলে জানায়। রবিন আবরারকে বলে, তার জন্য ২০০ কিলোমিটার দূর থেকে মুন্না ভাই আসছে।

৬. আবরারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও নাটক বলার ঘটনা: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, আবরার অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পেয়ে সে আবার ২০১১ নম্বর কক্ষে যাওয়ার পথে জানতে পারে, আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়েছে। পরে নিচে অন্যরা আবরারের অবস্থা খারাপ বলে জানালে রবিন বলে, “তার কিছু হয়নি, সে নাটক করছে।” সকালের জবানবন্দিতেও আবরারের অবস্থা খারাপ হওয়ার পর রবিনের এমন মন্তব্যের কথা রয়েছে।

৭. চিকিৎসার বদলে পুলিশে সোপর্দ করার উদ্যোগ: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, সে মেহেদী হাসান রাসেলের ৩০১২ নম্বর কক্ষে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে কথা বলে। রাসেল আবরারকে পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দেয় বলে রবিন উল্লেখ করে। পরে রবিন নিরাপত্তাকর্মীকে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে ও প্রভোস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। তার জবানবন্দি অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রভোস্টদের আসতে দেরি হয়। অন্যদিকে, সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, আবরারের অবস্থা গুরুতর হওয়ার পরও রবিন ও অনিক তাকে দেখে বলে, সে ঠিক আছে। পরে রবিন ও অনিক ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিচে নামতে বলে এবং আবরারকে পুলিশের হাতে দেওয়ার জন্য নিচে নামানোর নির্দেশ দেয়। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসক এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংযুক্ত গ্রুপে দেওয়া মেহেদী হাসান রবিনের মেসেজের স্ক্রিনশট।

- আবরার ফাইয়াজ
(শহীদ আবরার ফাহাদ এর ছোট ভাই)

Address

Gulshan
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PUSAB - Presidency University - "PU" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share